Home Blog Page 479

কানাডায় স্পনসরশিপ বন্ধ, নেয়া যাবে না বাবা-মা ও দাদা-দাদিকে

কানাডায় স্থায়ী বাসিন্দারা গত কয়েক দশক স্পনসরশিপ (পিজিপি) কর্মসূচির আওতায় স্থায়ী বসবাসের (পিআর) জন্য বাবা-মা এবং দাদা-দাদিকে নেয়ার জন্য স্পনসর করার সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু এ সুযোগ আর থাকছে না।

সম্প্রতি স্পনসরশিপ বন্ধ করার বিষয়ে কানাডার অভিবাসনবিষয়ক মন্ত্রী মার্ক মিলার একটি নির্দেশনা জারি করেছেন।

নির্দেশনায় বলা হয়, বিদ্যমান আবেদনের ব্যাকলগ শিগগিরই শেষ করার দিকে মনোনিবেশ করায় বাবা-মা এবং দাদা-দাদির জন্য স্থায়ী বসবাসের স্পনসরশিপের নতুন আবেদন গ্রহণ করা সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে কানাডা।

কানাডার অভিবাসন, শরণার্থী ও নাগরিকত্ব (আইআরসিসি) বিভাগ বলছে, তারা চলতি বছরে এ কর্মসূচির আওতায় আর নতুন কোনো আবেদন গ্রহণ করবে না। কানাডার সরকারের এ পদক্ষেপের ফলে অনেক বাংলাদেশী পরিবারও অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হয়েছেন।

আইআরসিসি আরো বলছে, তারা ২০২৪ সালে জমা দেয়া আবেদনগুলোর প্রক্রিয়াকরণ চালিয়ে যাবে। চলতি বছরে পিজিপি কর্মসূচির আওতায় নতুন আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

অতীতে এ কর্মসূচির আওতায় কানাডার স্থায়ী বাসিন্দারা দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাস করার জন্য তাদের বাবা-মা এবং দাদা-দাদিকে নিয়ে যেতে পারতেন। এখন এর পরিবর্তে দেশটিতে বসবাসরত পরিবারগুলো সুপার ভিসা কর্মসূচিকে বিবেচনায় নিতে পারবেন। এ ভিসার আওতায় স্থায়ী বাসিন্দাদের আত্মীয়রা টানা পাঁচ বছর পর্যন্ত কানাডায় বসবাসের অনুমতি পাবেন।

দেশটিতে অভিবাসীর সংখ্যা হ্রাসের বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আইআরসিসি নতুন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে দেশটিতে ২০২৫ সালে পিআর বরাদ্দের হার ২০ শতাংশ হ্রাস পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। চলতি বছরের জন্য আইআরসিসির পিজিপি কর্মসূচির আওতায় ২৪ হাজার ৫০০ জনের আবেদনের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে আগামী কয়েক বছরে এ সংখ্যা শিগগির হ্রাস পাবে বলে জানিয়েছে কানাডার অভিবাসন বিভাগ।

ঐতিহাসিকভাবে অভিবাসীবান্ধব নীতির জন্য পরিচিতি রয়েছে কানাডার। কিন্তু দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো নেতৃত্বাধীন প্রশাসন অতি শিগগির জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট আবাসন ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর চাপ মোকাবেলা করার লক্ষ্যে কানাডার এ নীতিতে পরিবর্তন এনেছে।

দেশটির সংবাদমাধ্যম কানাডা গেজেটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কঠোর অভিবাসন নীতি গ্রহণ করায় চলতি বছরের মাঝেই ১২ লাখেরও বেশি অস্থায়ী বাসিন্দা কানাডা ছেড়ে যেতে বাধ্য হতে পারেন।

এছাড়া, বার্ষিক পিআর কোটা আগে পাঁচ লাখ নির্ধারিত থাকলেও চলতি বছরে তা কমিয়ে তিন লাখ ৯৫ হাজার করা হয়েছে। একইসাথে এ সংখ্যা ২০২৬ সালে তিন লাখ ৮০ হাজার এবং ২০২৭ সালে তিন লাখ ৬৫ হাজারে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

হ্রাসকৃত কোটার মাঝে ২০২৫ সালে কেবল ৯৪ হাজার ৫০০টি ভিসা পারিবারিক স্পনসরশিপের জন্য বরাদ্দ পাওয়ার কথা রয়েছে। এরমধ্যে ৭০ হাজার পিআরধারীদের স্বামী-স্ত্রী এবং সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

সূত্র : ইউএনবি

টি-টোয়েন্টি নেতৃত্ব ছাড়লেন শান্ত

শেষ পর্যন্ত গুঞ্জনই সত্য হলো। টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছেড়েই দিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের ক্রিকেটে লাল-সবুজের নেতৃত্ব ছেড়ে দিলেন এই ব্যাটার। তবে ওয়ানডে ও টেস্টে যথারীতি অধিনায়ক থাকছেন তিনি।

শান্তর নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়টা প্রকাশ্যে আসে বেশ কয়েক মাস আগেই। গত অক্টোবরে শান্ত বলেছিলেন, কোনো ফরম্যাটেই আর অধিনায়কত্ব করতে চান না তিনি। তবে বিসিবি তখন তাকে অধিনায়কের পদ থেকে সরাতে চায়নি।

তবে এরপর অবশ্য এই ফরম্যাটে আর নেতৃত্ব দেয়া হয়নি তার। চোটের কারণে ছিটকে যান সর্বশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ থেকে। তবে চোট কাটিয়ে উঠলেও নেতৃত্বে আর ফেরা হচ্ছে না তার।

বিসিবির একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, নাজমুল হোসেন শান্ত চূড়ান্তভাবেই বিসিবিকে জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি আর টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব দেবেন না। বিসিবি যদি চায়, টেস্ট ও ওয়ানডে অধিনায়কত্ব চালিয়ে যাবেন।

তার এই ইচ্ছায় বিসিবিও সম্মতি জানিয়েছে বলেই জানা গেছে।

তাহলে আগামী মার্চে ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পরবর্তী টি-টোয়েন্টি সিরিজে শান্ত বাংলাদেশের অধিনায়ক থাকছেন না।

বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদও এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘শান্ত ফাইনালি বলে দিয়েছে সে আর টি-টোয়েন্টিতে অধিনায়কত্ব করবে না। আমরাও মেনে নিয়েছি। তবে যেহেতু আপাতত আমাদের টি-টোয়েন্টি খেলা নেই, হাতে সময় আছে; এখনই নতুন অধিনায়ক নিচ্ছি না।’

তিনি আরো বলেন, ‘তবে যদি চোটের সমস্যা না থাকে, ওয়ানডে ও টেস্টে শান্তই অধিনায়ক থাকবে। সেভাবেই কথা হয়েছে।’

বিসিবি নতুম টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের নাম ঘোষণা না করলেও কে আসতে পারেন নেতৃত্বে তা অনেকটা নিশ্চিতই। সদ্যই লিটন দাসের নেতৃত্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজে ৩-০ তে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে আসার পর বিসিবির জন্য সিদ্ধান্তটা নেয়া সহজ হয়ে গেছে।

স্ক্রিনে ভেসে উঠলো ‘আ’লীগ আবার ভয়ংকর রূপে ফিরে আসবে’

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মূল ফটকের ডিজিটাল সাইনবোর্ডের স্ক্রিনে ‘আওয়ামী লীগ আবার ভয়ংকর রুপে ফিরে আসবে’ এমন লেখা ভেসে উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা তদন্তপূর্বক শিগগিরই ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

বুধবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মূল ফটকের সাইনবোর্ডের স্ক্রিনে (ডিসপ্লে বোর্ড) এ লেখা ভেসে উঠতে দেখে স্থানীয়রা। এরপরই তোলপাড় শুরু হয়।

ওই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘২০১৬ সালে বিদ্যালয়ের মূল ফটকে সাইনবোর্ডটি লাগানো হয়। সেখানে স্ক্রিনে সবুজ রঙ দ্বারা শিক্ষামূলক বাণী লেখা উঠতো। কখনো কোনো সমস্যা হয়নি। আজ সন্ধ্যার পর হঠাৎ করে এমন উস্কানিমূলক লেখা ভেসে উঠে। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসন ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে জানানো হয়।’

তিনি বলেন, ‘সাইনবোর্ডটিতে বৈদ্যুতিক সংযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এক্সপার্টরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন। এছাড়া ঘটনাস্থল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেছেন।’

এ ঘটনায় জীবননগর উপজেলা কৃষি অফিসার আলমগীর হোসেনকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। কমিটির বাকি দু’ সদস্য হলেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো: ফিরোজুল ইসলাম ও আইসিটি অধিদফতরের জীবননগর উপজেলার সহকারী প্রোগামার অফিসার মাহমুদুর রহমান।

জীবননগর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: আল আমিন জানান, ‘এ ঘটনায় তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দু’ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।’

জীবননগর উপজেলা শিক্ষা অফিসার ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে অ্যাপস দ্বারা পরিচালিত হয়। কেউ অ্যাপসের পাসওয়ার্ড হ্যাক করে লেখাটি বসিয়ে দিয়েছে। তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।’

জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

রেড্ডির নায়কোচিত সেঞ্চুরি, লড়াই করছে ভারত

নীতিশ কুমার রেড্ডির বীরোচিত শতকে মেলবোর্নে লড়াই করছে ভারত। ফলোঅনের শঙ্কা উড়িয়ে শেষ করেছে তৃতীয় দিন। যদিও এখনো লিড ভাঙতে দরকার ১১৬ রান। তবে বক্সিং ডে টেস্টে দাপট ধরে রেখেছে অস্ট্রেলিয়াই।

প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার করা ৪৭৪ রানের বিপরীতে পাঁচ উইকেটে ১৬৪ রান তুলে গতকাল দ্বিতীয় দিন শেষ করে ভারত। আজ দিনের শুরুতে সুবিধা করতে না পারলেও ৯ উইকেটে ৩৫৮ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শেষ করে সফরকারীরা।

শনিবার দিনের শুরুটা ভালো হয়নি ভারতের। অজি বোলারদের তোপে ২২১ রানে হারিয়ে ফেলে সাত উইকেট। আগের দিনের দু’অপরাজিত ব্যাটার রিশাভ পান্ত ও জাদেযা ফেরেন থিতু হয়েও। পান্ত ২৮ ও জাদেযা করেন ১৭ রান।

এরপরই হাল ধরেন নীতিশ। ওয়াশিংটন সুন্দরকে নিয়ে জমিয়ে তুলেন জুটি। দু’জনে মিলে ২৮৫ বলে যোগ করেন ১২৭ রান। ১৬২ বলে ৫০ করে আউট হন সুন্দর। শতক থেকে তখন মাত্র তিন রান দূরে নীতিশ।

এক রান দূরে থাকতে আউট হয়ে ফেরেন বুমরাহ। নীতিশের সেঞ্চুরি নিয়ে দেখা দেয় শঙ্কা। তবে শেষ পর্যন্ত বাউন্ডারি হাঁকিয়েই টেস্ট ক্রিকেটে প্রথমবার তিন অংকের ঘরে পৌঁছান নীতিশ। ১৭৬ বলে ১০৫ রানে অপরাজিত থেকে শেষ করেছেন দিন। সাথে আছেন সিরাজ (২*)।

অস্ট্রেলিয়ার প্যাট কামিন্স ও বোল্যান্ড পান তিনটি করে উইকেট, নাথান লায়নের দুই।

মানুষের ধারণা সরকার ইচ্ছাকৃত নির্বাচনে বিলম্বিত করছে : মির্জা ফখরুল

মানুষের ধারণা সরকার ইচ্ছাকৃত নির্বাচনে বিলম্বিত করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এ এ মন্তব্য করেন।

‘দলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা সার্ভভৌমত্ব রক্ষা ও ২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের চেতনায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা’ শীর্ষক এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) সভাপতি লুৎফর রহমান।

‘ভোটার হওয়ার বয়স ১৭ বছর হওয়া উচিত’- প্রধান উপদেষ্টার এমন বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখন তাহলে আবার নতুন করে ভোটার তালিকা করতে হবে। আপনি প্রধান উপদেষ্টা, প্রথমেই বলে দিচ্ছেন, ভোটারের বয়স ১৭ হলে ভালো হয়। আপনি যখন বলছেন, তখন নির্বাচন কমিশনের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়। এটা ইলেকশন কমিশনের কাজ, তাদের ওপর ছেড়ে দিন। ১৮ বছর তো আছে, সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য। যদি কমাতে চান, সেটা ইলেকশন কমিশন প্রস্তাব করুক। রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে কথা বলেন। এভাবে না বলে স্টেকহোল্ডারদের সাথে কথা বলে এ বিষয়টা আনা উচিত ছিল, এটা ভালো হতো। তাহলে কোনো বিতর্কের সৃষ্টি হতো না। মানুষের মনে এখন বেশি করে আশঙ্কা তৈরি হবে, এটা করতে গিয়ে আরো সময় যাবে, কালক্ষেপণ হবে। মানুষের মনে ধারণা তৈরি হচ্ছে, আমার না। তাদের মনে ধারণা সৃষ্টি হচ্ছে, কেন যেন এই সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করছে।’

আওয়ামী লীগ অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে ও সচেতনভাবে দ্বিতীয়বারের মতো গণতন্ত্রকে হত্যা করে একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করতে চেয়েছিল জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই আওয়ামী লীগ তো, সেই আওয়ামী লীগ। যার নেতা ছিল শেখ মুজিবুর রহমান। যিনি স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে গঠন করবার নাম করে দেশটাকে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছিল।’

এ সময় আওয়ামী লীগের শাসনের ও দুর্ভিক্ষের কথা তুলে ধরেন বিএনপির মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘দুর্ভিক্ষ ও দুঃশাসন সময়টা তৈরি করেছিল আওয়ামী লীগ আর নেতৃত্ব ছিলেন শেখ মুজিব। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে কখনোই বিশ্বাস করত না, মুখে গণতন্ত্রের কথা বলত। গুম করে হত্যা ও বিনা বিচারে হত্যা করার প্রথা প্রথম শেখ মুজিবের আমলে শুরু হয়েছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সংস্কার কোনো নতুন ধারণা নয়, কেউ যদি দাবি করে আমরা (এখন যারা সংস্কার নিয়ে কথা বলছেন) সংস্কার দফা নিয়ে আসছি, এটা ভুল। সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। সে জন্য তো নির্বাচন বন্ধ হয়ে থাকতে পারে না। দিনের পর দিন একটি অনির্বাচিত সরকার হাতে দেশ চালাতে দিতে পারি না।’

সংস্কার প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল আরো বলেন, ‘সংস্কার চলছে। আমরা বলছি, সংস্কার চলুক, সংস্কারের জন্য ছয়টি কমিশন করেছে সরকার। কাজ করছেন, কিন্তু তারা (সরকার) কাদের সাথে কাজ করছে।’

যারা সংস্কার নিয়ে কাজ করছেন তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘একইসাথে জনগণের কাছে যান, তারা কী চায় জানুন।’

এ সময় তিনি রাজনীতির দর্শক লেলিনের একটি প্রবাদ তুলে ধরেন ‘দেশে যখন সঙ্কট সৃষ্টি হবে, জনগণের কাছে যাও, জনগণ কী চায় না চায়, সে কথা বোঝো, বোঝার চেষ্টা করো। ফিরে এসে সেটি নিয়ে কাজ করো।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা এই অভিজ্ঞতাগুলোকে সরকারের কাজে লাগাতে বলেছি। সংস্কার করেন আমাদের কোনো আপত্তি নেই। দেশে যে অস্থিতিশীলতা অনেকটাই কমে যাবে যদি একটি নির্বাচিত সরকার থাকে। কারণ নির্বাচিত সরকারের পেছনে জনগণ থাকে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সংস্কার চাই, বেশি চাই। তবে দীর্ঘকাল অনির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা থাকা উচিত নয়।’

দেশে সঙ্কট বাড়ছে জানিয়ে বলে তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরো বেড়েছে। দ্রব্যমূল্য এত পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে, সাধারণ মানুষ চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে পারছে না।’

সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘অনেক উপদেষ্টা রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ছেন, তারা রাজনীতিবিদদের মতো বক্তৃতা দিচ্ছেন কটাক্ষ করে। রাজনৈতিক দল আপনাদের প্রতিপক্ষ নয়, তারা আপনাদেরকে সহযোগিতা করছে, করে যাচ্ছে। আপনারাই রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে কোনো ধরনের কথাবার্তা বলছেন না। সহযোগিতা সেভাবে করছেন না।’

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি সরকার প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত একটা নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন।’

সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘শুধু কথা বলেই কাজ হবে না, কাজ করে দেখাতে হবে। সংস্কার তো সবাই চায়, সেই সাথে শান্তি চাই মানুষ, বাঁচতে চায়।’

আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জাগপার প্রেসিডিয়াম সদস্য খন্দকার আবিদুর রহমান, আ স ম মেজবাহ উদ্দিন, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টি সাংগঠনিক সম্পাদক মীর আমির হোসেন আমু প্রমুখ।

হাসিনা-জয়ের বিরুদ্ধে ৩০০ মিলিয়ন ডলার পাচারের প্রমাণ পেয়েছে এফবিআই

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে গুরুতর আর্থিক অনিয়ম ও অর্থ পাচারের প্রমাণ পেয়েছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। সংস্থাটির লন্ডন প্রতিনিধির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিসের বর্ষীয়ান আইনজীবী লিন্ডা স্যামুয়েলস বিশেষ এজেন্ট লা প্রিভোটের সাথে যোগাযোগ করেন এবং দেখেন যে, ৩০০ মিলিয়ন ডলার বাংলাদেশ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে।

৯ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালক এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সাথে দেখা করেন এবং বিপুল পরিমাণ নথি হস্তান্তর করেন।

এর পাশাপাশি ১ অক্টোবর বাংলাদেশে ইইউ প্রতিনিধিদলের সহযোগিতা বিভাগের প্রধান মিশাল ক্রেজারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি ইউরোপীয় প্রতিনিধিদল তৎকালীন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন আবদুল্লাহর সাথে দেখা করেন। কমিশনের অপারেশনাল সক্ষমতা জোরদার করার জন্য পাচার করা অর্থ পুনরুদ্ধার করতে প্রযুক্তিগত সহায়তার পুনর্বিন্যাস নিয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৩০০ মিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গ্লোবাল ডিফেন্স করপোরেশনকে জানান হাসিনা ও জয়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগটি অধিকতর তদন্তের জন্য দুদক মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো হয়েছে।

১৭ ডিসেম্বর দুদক মহাপরিচালক মো: আখতার হোসেন জানান- হাসিনা, জয়, হাসিনার বোন শেখ রেহানা, রেহানার মেয়ে তথা ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক এবং অন্যরা ৯টি উন্নয়ন প্রকল্প থেকে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৭ বিলিয়ন ডলার আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ। যার পৃথক একটি তদন্তও শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

সূত্র জানিয়েছে, ৯টি প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, আশ্রয়ণ এবং বেপজা ও বেজার অধীনে থাকা অন্যান্য প্রকল্প। ৭ বিলিয়নের মধ্যে শুধু রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প থেকেই ৫ বিলিয়ন ডলার আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশে দুর্নীতিবিরোধী তদন্তে ব্রিটেনের এমপি টিউলিপ সিদ্দিকের নাম তার পরিবারের তালিকায় রাখা হয়েছে। টিউলিপের খালা, বাংলাদেশে ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষিণ এশিয়ার এ দেশটিতে এখন দুর্নীতি দমন কমিশনের অধীনে ব্যাপক তদন্তের মুখোমুখি।

হাসিনা পদত্যাগ করেন এবং ৫ আগস্ট ছাত্রদের নেতৃত্বে গণ-অভ্যুত্থানের মুখে পড়ে রেহানাকে নিয়ে ভারতে পালিয়ে যান। ১৫ বছরের শাসনের পর হাসিনার নেতৃত্বাধীন কর্তৃত্ববাদী আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তাদের মতে, শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের নাম প্রথম নজরে আসে ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র বনাম রিজভী আহমেদের মামলায়। এফবিআইয়ের তদন্তে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে গুরুতর আর্থিক অসদাচরণ প্রকাশ পেয়েছে।

সজীব ওয়াজেদ জয়ের নামে হংকং ও কেম্যান দ্বীপপুঞ্জের বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে নিউ ইয়র্ক, ওয়াশিংটন ডিসি ও লন্ডন ব্যাংকে অর্থ স্থানান্তরিত করার তথ্য বিশেষভাবে সামনে এসেছে। এফবিআই তাদের লন্ডন প্রতিনিধির মাধ্যমে এটি নিশ্চিত করেছে এবং গুরুতর আর্থিক অনিয়ম ও অর্থ পাচারের প্রমাণ পেয়েছে।

বিচার বিভাগের একজন সিনিয়র ট্রায়াল অ্যাটর্নি ও একজন বিশেষ এজেন্ট নিশ্চিত করেছেন যে কেম্যান দ্বীপ ও হংকংয়ের শেল কোম্পানির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ব্যাংকে জমা করা হয়েছে। এ বিষয়ে দুদকের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আবদুল মোমেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঘটনাটি অনেকাংশে সত্য, আমরা ভবিষ্যতে আরো সুনির্দিষ্ট তথ্য পেতে পারি, এ বিষয়ে আমরা পরে সরাসরি কথা বলব।’

বাংলাদেশের অর্থনীতি সম্পর্কে সম্প্রতি প্রকাশিত শ্বেতপত্র অনুসারে, কর্তৃত্ববাদী আওয়ামী লীগ শাসনের অধীনে অবৈধ তহবিল প্রবাহের কারণে ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বার্ষিক ১৬ বিলিয়ন ডলার লোকসান করেছে।
সূত্র : গ্লোবাল ডিফেন্স কর্প

ক্ষমতায় গেলে নারীদের যোগ্যতা অনুসারে কাজে লাগাবে জামায়াত : আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘কেউ কেউ জামায়াত রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে নারীকে ঘরবন্ধী করা হবে বলে অপপ্রচার করে। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারীদের যোগ্যতা অনুসারে কাজে লাগানো হবে। কোরআনের রাজ কায়েম হলে নারীরা সম্মানিত হবেন।’

শুক্রবার সকালে যশোর ঈদগাহ ময়দানে জেলা জামায়াত আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশে বৈষম্য থাকবে না উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘অমুসলিমরা যথাযথ নিরাপত্তা পাবেন। এদেশে চাঁদাবাজ দখলদার থাকবে না। থাকবে না কোনো বৈষম্য। ফ্যাসিবাদ, সাম্রাজ্যবাদ আধিপত্যবাদ মানবে না। মানবিক বাংলাদেশ হবে। আমরা ক্ষমতা না, সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সকলের সহযোগিতা চাই।’

জামায়াত আমির বলেন, ‘আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বললেও স্বাধীনতার অর্জন প্রশ্নবিদ্ধ করলে কথা বলে না। তারা যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই প্রতিশোধ নিয়েছে। গত ১৫ বছর এই দলটি গায়ের জোরে গদি দখল করেছে। এরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বড়ি বিক্রি করে। অথচ যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতার অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তখন কোনো কথা বলে না। জবাব দেয় দেশপ্রেমিকরা। জামায়াত ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আপত্তিকর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকার এদেশকে এক প্রকার ধ্বংস করেছে। হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে। ব্যাংকে টাকা নেই। রিজার্ভ শূন্যের কোটায়। ব্যবসায়ীদের মধ্যে হাহাকার। মানুষ এক প্রকার আগুন খাচ্ছে। দ্রব্যমূল্যের যে অবস্থা তাতে বাজারে যাওয়া দায় হয়েছে। তারা সিন্ডিকেট করেছিল। তবে একটি সিন্ডিকেট পালালেও নতুন করে সিন্ডিকেট তৈরি হচ্ছে। নতুন করে আবির্ভাব হচ্ছে চাঁদাবাজ ও দখলদার। ৫ আগস্টের পর নতুন এই বাংলাদেশে চাঁদাবাজ ও দখলদার থাকবে না। এসবের মধ্যে আশার কথা হচ্ছে, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার কিছুটা হলেও রিজার্ভ বাড়িয়েছে। ব্যাংকগুলো ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিগত স্বৈরাচারের আমলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জামায়াত। এই সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতাদের তারা হত্যা করেছে। সারাদেশে কার্যালয়গুলো বন্ধ করে দিয়েছে। লাখ লাখ মামলা করেছে। শেষ পর্যন্ত সংগঠনকে নিষিদ্ধ করেছে। তারা বাংলাদেশকে জমিদারি নিয়েছিল। শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। জামায়াত ভারসাম্যপূর্ণ রাষ্ট্র ব্যবস্থার স্বপ্ন দেখে। সংগঠনকে যদি আল্লাহতায়ালা রাষ্ট্র ক্ষমতার জন্য কবুল করেন তাহলে সব নাগরিককে সমান চোখে দেখবে। আকাশ-পাতাল ব্যবধান থাকবে না। কারো অধিকার খর্ব করা হবে না।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘যশোর একটি পুরাতন জেলা। এখানে এখনো কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। একটি বিশ্ববিদ্যালয় ও একটি মেডিক্যাল কলেজ থাকলেও নেই কোনো পার্ক, জলাধার। অন্যান্য সুযোগ সুবিধাও নেই। এই শহরকে নগরে পরিণত করা দরকার। সারাদেশে সুষম উন্নয়ন হওয়া দরকার। কোনো জেলা যেন উন্নয়ন বঞ্চিত না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।’

সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসেন, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আজীজুর রহমান।

জেলা আমির অধ্যাপক গোলাম রসুলের সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তব্য রাখেন ঝিনাইদহ জেলা আমির অধ্যাপক আলী আযম, মাগুরার সাবেক জেলা আমির ড. আলমগীর বিশ্বাস, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য আব্দুল মতিন, সাতক্ষীরা জেলা আমির শহীদুল ইসলাম মুকুল, নড়াইলের জেলা আমির অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান বাচ্চু, মাগুরার জেলা আমির এ বি এম বাকের প্রমুখ।

এতে সংগীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট শিল্পী অ্যাডভোকেট রোকনুজ্জামান ও তরঙ্গশিল্পী গোষ্ঠীর সদস্যরা। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক গোলাম কুদ্দুস ও নুর আল মামুন।

সম্মেলনে যোগ দিতে এদিন সকাল ৬টা থেকেই নেতা-কর্মীরা আসা শুরু করেন। সাড়ে ৮টায় কোরআন তেলোয়াতের মাধ্যমে স্থানীয় নেতারা শুরু করেন বক্তৃতা। ৯টার মধ্যে পুরো মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে জনস্রোত আছড়ে পড়ে আশপাশের সব রাস্তায়। লোকে লোকারণ্য হয়ে পড়ে শহর।

তবে বিশাল এই কর্মী সম্মেলনের শৃঙ্খলা প্রশংসিত হয়েছে শহরের মানুষের কাছে।

ইসরাইলে চলতি সপ্তাহে চতুর্থবারের মতো হামলা হাউছিদের

ইসরাইলের রাজধানী তেল আবিবে আবারো হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হাউছি সম্প্রদায়। এ নিয়ে গোষ্ঠীটি চলতি সপ্তাহে চতুর্থবারের মতো হামলা চালিয়েছে দেশটিতে।

শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) তেল আবিরের বেন গুরিয়ান বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ওই হামলা চালানো হয়। এর একদিন আগেই ইয়েমেনের রাজধানী সানায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছিল ইসরাইল।

হাউছিরা জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে বেন গুরিয়ান বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ওই হামলাটি করা হয়। এ সময় তাদের ছোড়া মিসাইলটি লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় সেখানে কিছু হতাহত হয়েছে। এতে বিমানবন্দরের নেভাগেশনও বন্ধ হয়ে গেছে।

তবে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা হাউছিদের ক্ষেপণাস্ত্রকে সফলভাবে বাধা প্রদান করেছে। এতে কোনো হতাহত ঘটেনি। তবে বিমানের উড্ডয়ন আধা ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখা হয়েছিল।

হাউছিরা জানিয়েছে, তারা তেল আবিব এলাকার ভেতরে একটি ড্রোন হামলা করেছে। এছাড়া আরব সাগরে একটি কন্টেইনারকে লক্ষ্য করেও হামলা চালিয়েছে তারা। তবে শুক্রবার তেল আবিবের উপর এই হামলার কোনো সংবাদ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

তারা আরো বলেছে, ইসরাইল যদি তাদের আগ্রাসন চালিয়ে যায়, তাহলে ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি ইয়েমেনিদের সমর্থন আরো বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। তাদের দৃঢ় সংকল্পকে আরো বাড়িয়ে তুলবে।

সূত্র : মিডল ইস্ট আই

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যাওয়ার জন্য নির্বাচন হচ্ছে প্রধান ফটক : মির্জা ফখরুল

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যাওয়ার জন্য নির্বাচনকে প্রধান ফটক হিসেবে উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘প্রয়োজনীয় সংস্কার দ্রুত করে একটা সুস্থ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে যেতে চাই আমরা।’

শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর খামার বাড়ি কৃষি ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ’ আয়োজিত ‘ঐক্য, সংস্কার, নির্বাচন, জাতীয় সংলাপ ২০২৪’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সংস্কারের ব্যাপারে আমরা অত্যন্ত আন্তরিক। আমরা ২০১৬ সালে আমাদের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ভিশন টুয়েন্টি-থার্টি একটা সংস্কার প্রস্তাব করেছিলাম। যে বিষয়গুলো পরিবর্তন আনা দরকার সেগুলো নিয়ে প্রস্তাবে এনেছিলাম। সে বিষয় থেকেই আজকের সামনে এসেছে প্রধানমন্ত্রী ও ক্ষমতার ভারসাম্য, একই ব্যক্তি যেন দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী না হতে পারেন। সে বিষয়টা নিশ্চিত করা। একইসাথে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট- এ বিষয়টি তখনই আমরা তুলে ধরেছি।’

‘আমরা ২০২২ সালে একটি জনসমাবেশের মধ্য দিয়ে ১০ দফা দাবি পেশ করি। পরবর্তী সময়ে সকল রাজনৈতিক দলের সাথে একমত হয়ে ও আলোচনা করে আমরা ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব করি,’ এমন কথা জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘সংস্কারের পক্ষে আমরা প্রথম থেকেই। তবে দুর্ভাগ্য আমাদের কিছু কিছু বক্তৃতা এসেছে বিএনপির সংস্কার চায় না, এ কথাটি সঠিক নয়। প্রয়োজনীয় সংস্কার দ্রুত করে একটা সুস্থ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে যেতে চাই আমরা। আমরা নির্বাচনের কথা বলছি কেন? গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যাওয়ার জন্য নির্বাচন হচ্ছে প্রধান ফটক, দরজা। আর এটাই ডেমোক্রেসি।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন একটা জটিল রাজনৈতিক সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এখন আমাদেরকে যে কাজটি করতে হবে তা হলো, অবশ্যই বাংলাদেশকে আমরা যেন স্বপ্নের মতো করে গড়তে পারি।’

তিনি বলেন, ‘৫৩ বছর পর সংস্কার নির্বাচন নিয়ে আমাদের আলোচনা করতে হচ্ছে। ভালো হতো আমরা যদি এ বিষয়গুলো নিয়ে একসাথে কাজ করতে পারতাম। এ বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করে একটা জায়গায় পৌঁছাতে পারতাম।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমি এবং আমার দল ২০১২ সাল থেকে এই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই-সংগ্রাম শুরু করেছি। তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছি। সেই সময়ে অনেক রাজনৈতিক নেতাকে হত্যা করা হয়েছে গুম করা হয়েছে, কারাগারে নেয়া হয়েছে। আমার দলের ৬০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়েছে। আমাদের ৭০০’র বেশি নেতাকর্মীকে গুম করে দেয়া হয়েছে। ২০ হাজারও বেশি মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। আয়নাঘরের কথা আপনারা সবাই জানেন। ফাঁসি দেয়া হয়েছে বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে। এরপরও আমরা কিন্তু থেমে থাকিনি। আজকে যে সোচ্চার এটি আমরা প্রথম থেকেই ছিলাম। তখন আমরা অনেককেই আমাদের সাথে পাইনি, এখন তাদের দেখছি, ভালো লাগছে! আমরা আরো অনুপ্রাণিত হচ্ছি।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের প্রধান সমস্যা- এদেশে গণতান্ত্রিক চর্চা হয়নি। এখানে সে সংস্কৃতি গড়ে ওঠেনি। সেই কালচার না থাকায় আমাদেরকে বারবার বলতে হচ্ছে, এ করতে হবে, ও করতে হবে। এটা ডেমোক্রেসি, এটা এভাবে যেতে হবে। ডেমোক্রেসি কিন্তু বারবার চর্চা প্র্যাকটিস ছাড়া গড়ে উঠবে না। হুট করে কোনোকিছু করা সম্ভব হবে না।’

উদাহরণ হিসেবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে তিনটি নির্বাচন হয়েছে, সে তিনটি নির্বাচনী গ্রহণযোগ্য হয়েছে, সেটি মানুষ গ্রহণ করেছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি কোনো রাজনৈতিক তাত্ত্বিক বা বিশেষজ্ঞ নই। আমি মাঠ থেকে রাজনীতি শুরু করেছি। আমি পৌরসভার চেয়ারম্যান থেকে এখানে এসেছি, তৃণমূল থেকে কাজ করেই এ পর্যায়ে এসেছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘জনগণকে বাদ দিয়ে কোনোকিছু করা সম্ভব হবে না। জনগণকে তৈরি করতে হবে আপনাকে (সকলের উদ্দেশ্যে)। এখানে যারা আছেন, তারা জনগণের সাথে নিবিড় সম্পর্ক করার চেষ্টা করবেন।’

সংবিধান সংস্কার কমিটির প্রধান ডক্টর আলী রিয়াজের বক্তব্য তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘রিয়াজ বলেছেন তার কাছে এক লাখেরও বেশি প্রস্তাব এসেছে। শুনেছি, এ প্রস্তাবগুলো তৈরি করে তারা সরকারের হাতে তুলে দিবেন, সরকার তারপর রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে বসবেন। উনারাই (রীয়াজরা) যদি প্রথম পলিটিক্যাল পার্টিগুলোর সাথে বসতেন, সেটা আরো ভালো হতো। আমার কাছে মনে হয়। তারা (রীয়াজরা) গভমেন্টের সাথে বসবেন, আরো আলোচনা হবে। আমার কাছে মনে হয়, যত সময় বাড়বে, তত আমাদের সমস্যা বাড়বে। আসল প্রবলেম তো অন্য জায়গায়। এগুলো বাস্তবায়ন করবেন কাদের দিয়ে? প্রশাসন, গভমেন্ট মেশিনারি, এগুলো তো এখনো ফ্যাসিবাদের মধ্যে আছে। এতটুকুও পরিবর্তন হয়নি। একটা ফাইলও নড়ে না। আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ফাইল কোথায় আটকে আছে দেখবেন? ওখানেই আটকে আছে। এই বিষয়গুলোর বিরুদ্ধে আমাদের কে লড়তে হবে।’

মাইন্ড সেট একটা বড় জিনিস এমন মন্তব্য করে তিনি প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুসের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, ‘উনি একটা বক্তব্য দিয়েছেন খুব ভালো লেগেছে যে একটা বন্দোবস্ত তো ছিল, টাকা দিব কাজ করিয়ে নেব। ভালো, সমস্যা নেই। এখন তো আপনি অন্য সিস্টেমে যাচ্ছেন। সেই মাইন্ড সেটটা তো তৈরি করতে হবে। ওই মাইন্ড সেটের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র চর্চা করতে হবে। ভুল হবে, ত্রুটি হবে কিন্তু ওর মধ্যে দিয়েই ডেমোক্রেটিক সিস্টেমকে এগিয়ে নিতে হবে। সামনের দিকে নিয়ে যেতে হবে।’

একাত্তরকে ভুলে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘১৯৭১ সালকে আমরা যেন কখনো ভুলে না যাই। আমাদের ধারাবাহিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে সংগ্রাম-লড়াই, একাত্তরের পর থেকে সেই লড়াই-সংগ্রাম প্রত্যেকে আমাদের মনে রাখা দরকার। সে লড়াই-সংগ্রাম ও ছাত্রদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে আজকে আমরা এই জায়গায় এসে পৌঁছেছি।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের দলের পক্ষ থেকে আমরা সবসময় গণতন্ত্র ও সংস্কারের পক্ষে। এর জন্য আমরা কাজ করব, করেছি, ভবিষ্যতেও করব। একইসাথে আমরা মনে করি, জনগণকে বাদ দিয়ে কোনো কিছু করা যাবে না, ওপর থেকে চাপিয়ে দিয়ে কোনোকিছু করা যাবে না। সকলকে সাথে নিয়েই সে কাজগুলো আমরা করবো এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।’

খালেদা-হাসিনার আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন অ্যাটর্নি জেনারেল

অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো: আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যেসব মিথ্যা এবং ষড়যন্ত্রমূলক মামলা হয়েছিল সেগুলো ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে। আগামী নির্বাচনে তার অংশগ্রহণে আইনগত বাধা নেই।’

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ মুখ্য নয়। জুলাই হত্যাকাণ্ডের দায়ে দণ্ডিত হলে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই নির্বাচনে অযোগ্য হবেন।’

‘শেখ হাসিনার নির্মম পরিণতি ও পলায়নের পর তার পাশে এখন দলের কেউ দাঁড়াতে সাহস পাচ্ছে না,’ বলেন তিনি।

শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর এফডিসিতে ‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’ আয়োজিত এক ছায়া সংসদে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘যারা নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছিল, সংবিধান কেটে-ছিঁড়ে মানুষের অধিকারকে ভূলণ্ঠিত করেছে, তারা ইতিহাসের খলনায়ক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ইতিহাসের আঁস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হয়ে তারা বিচারের মাধ্যমে কারাগারে যাবে।’

আসাদুজ্জামান বলেন, ‘জুলাই বিপ্লব হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে। এখন বিপ্লবের এই অর্জন ধ্বংসের চেষ্টা চলছে। কোনো ষড়যন্ত্রকারী এই অর্জনকে নস্যাৎ করতে পারবে না। জুলাই বিপ্লবে শহীদরা ইতিহাসের মহানায়ক হয়ে থাকবেন। বিপ্লবীরা মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। ১৯৭৩ সালে কুমিল্লা থেকে হেলিকপ্টারে ব্যালট বাক্স ছিনতাই করে ঢাকায় এনে পছন্দের প্রার্থীকে বিজয়ী করার ধারাবাহিকতায় বিগত তিনটি নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছিল। এসব নির্বাচনকে যারা কলঙ্কিত করেছিল তাদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।’

সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারকে চিরদিন ক্ষমতায় থাকার অসৎ উদ্দেশ্যে সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছিলেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার রায় জালিয়াতির দায়ে খায়রুল হকের গ্রেফতার ও বিচার সময়ের দাবি।’

কিরণ বলেন, ‘এদেশে জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল পতিত আওয়ামী লীগ সরকার। আমি-ডামি, একতরফা ও মধ্যরাতের নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ নির্বাচনী ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিয়েছে।’

‘অতীতের নির্বাচনী অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা হলে ভবিষ্যৎ নির্বাচন গ্রহণযোগ্য করা যাবে’ শীর্ষক ছায়া সংসদে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকদের পরাজিত করে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকরা বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি।

প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ রইস, ড. এস এম মোর্শেদ, সাংবাদিক একরামুল হক সায়েম, সাংবাদিক সাইদুর রহমান ও সাংবাদিক মনিরুজ্জামান মিশন। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলকে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।

সূত্র : বাসস