Home Blog Page 483

নির্বাচনের জন্য ৪-৬ মাসের বেশি লাগার কথা নয় : সালাউদ্দিন আহমেদ

নির্বাচনের রোডম্যাপ নিয়ে বিএনপির যে প্রত্যাশা ছিল, তা পূরণ হয়নি জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, নির্বাচনের জন্য চার থেকে ছয় মাসের বেশি সময় লাগার কথা নয়।

আজ বুধবার মহাখালী কড়াইল বস্তি সংলগ্ন ময়দানে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন আয়োজিত স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপির এই নীতিনির্ধারক বলেন, এ সরকারের প্রধান ও প্রথম কাজ হচ্ছে সুষ্ঠু নির্বাচন করা। আর সে জন্য কিছু আইনি সংস্কার, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও মাঠের সংস্কার দরকার। আমরা পর্যবেক্ষণ করে ও বিশ্লেষণ করে বের করেছি, এক্ষেত্রে সংস্কারে চার থেকে ছয় মাস বেশি সময় লাগার কথা নয়।

‘গণতান্ত্রিক যাত্রা পথে আমরা যেন কোনো কৌশল প্রয়োগ না করি’ সে আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার কাছে রাখেন সালাউদ্দিন আহমেদ।

১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় বাবরসহ ৭ আসামির খালাস

চট্টগ্রামে বহুল আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের ঘটনায় করা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সাত আসামিকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। এছাড়া উলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়াকে মৃত্যুদণ্ড থেকে যাবজ্জীবন দণ্ড দেয়া হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আহসান।

এর আগে, গত ৬ নভেম্বর এই মামলায় আসামিদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়।

সেদিন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ কয়েকজন আসামির পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান।

২০০৪ সালের ১ এপ্রিল সিইউএফএল ঘাট থেকে আটক করা হয় ১০ ট্রাকভর্তি অস্ত্রের চালান। এ নিয়ে কর্ণফুলী থানায় অস্ত্র আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে চোরাচালানের অভিযোগ এনে দু’টি মামলা হয়। মামলায় ২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালত এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ রায় দেন।

এর মধ্যে অস্ত্র চোরাচালান মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ে সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী (অন্য মামলায় ফাঁসি কার্যকর), সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবর, ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়া এবং দু’টি গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ১৪ জনকে ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়। অস্ত্র আইনে করা অন্য মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয় একই আসামিদের।

বিচারিক আদালতের রায়ের পর ২০১৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি রায়সহ মামলার নথিপত্র হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পৌঁছে, যা ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়। অন্যদিকে কারাগারে থাকা দণ্ডিত আসামিরা সাজার রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালে হাইকোর্টে পৃথক আপিল করেন।

‘বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পাশে আছে যুক্তরাষ্ট্র’

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পাশে আছে বলে জানিয়েছেন দেশটির উপ-সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিকোল চিউলিক।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে বাংলাদেশের বিজয়ের ৫৩তম বার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অব স্টেট নিকোল চিউলিক বলেন, বাংলাদেশে নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের সকল সংস্কার প্রচেষ্টাকে সমর্থন জানায় যুক্তরাষ্ট্র।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিজয় অর্জনের পেছনে যে ত‍্যাগ এবং সংগ্রাম তা পৃথিবীতে এক অনন্য নজির।

মার্কিন উপ-সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে বৃহত্তম অংশীদার হতে পেরে যুক্তরাষ্ট্র গর্বিত।

তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের পাশে আছে এবং গণতন্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার সুরক্ষা ও সংস্কার কর্মসূচি এগিয়ে নেয়ার সরকারের পদক্ষেপসমূহকে আমরা স্বাগত জানাই।

সম্প্রতি জাতিসঙ্ঘ সাধারণ অধিবেশনের সাইডলাইনে প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংঙ্কেনের সাথে প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ফলপ্রসূ বৈঠকের কথা উল্লেখ করে নিকোল বলেন, দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থ রক্ষায় দুই দেশের সহযোগিতামূলক সম্পর্ক আগামী দিনগুলোতে আরো জোরদার হবে।

অনুষ্ঠানে নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত আসাদ আলাম সিয়াম স্বাগত বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, দীর্ঘ সংগ্রাম ও যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটেছে। ২৪’র বিপ্লব পরবর্তী এবারের বিজয় উদযাপন ভিন্ন মাত্রা লাভ করেছে।

ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়তে কাজ করে চলেছে বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত সিয়াম। তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রিক অভিযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্রের অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন।

এছাড়া বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত (ডেজিগনেট) মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ শুধু স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম ছিল না। এটি ছিল আমাদের পরিচয়, মর্যাদা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। আমাদের বিজয় কেউ উপঢৌকন হিসেবে তুলে দেয়নি বরং আমাদের অর্জন করতে হয়েছে লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে।

তিনি বলেন, ২৪’র জুলাইয়ের সফল বিপ্লব আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে স্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের জন্য লড়াই কখনোই শেষ হয় না। ১৯৭১ সালে আমরা বাইরের শোষণের বিরুদ্ধে লড়েছিলাম। ২৪’র জুলাই আমরা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি।

তিনি আরো বলেন, নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে আমাদের দেশ একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেন, আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের পর যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতি ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। আজ আমরা গণতন্ত্র, স্বাধীনতা এবং শান্তির প্রতি যৌথ প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করি। আমরা দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ককে আরো অটুট করার অঙ্গীকার করছি।

অতীতে দূতাবাসে সেবা নিতে আসা বাংলাদেশীরা নানা হয়রানির শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত মুশফিক বলেন, আশা করি দূতাবাসে আসা প্রবাসী বাংলাদেশীরা এখন থেকে ভালো ব‍্যবহার পাবেন।

তিনি দূতাবাসে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের চৌকস কর্মীবাহিনী উল্লেখ করে বলেন, আমাদের রেমিট্যান্স যোদ্ধারা প্রয়োজনে দূতাবাসে এলে একটি গোলাপ দিয়ে বরণ করতে না পারলেও, অন্তত একটা স্মিত হাসি দিয়ে বরণ করুন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শ্রম বিষয়ক উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনিকা জেকবসেন, রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি মাইলাম এবং যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের পরিচালকসহ অনেকেই। বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশীর উপস্থিতিতে এতে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন দূতাবাসের কর্মকর্তারা।

আমি শেখ হাসিনার প্রতিহিংসার শিকার হয়েছি : মাইকেল চাকমা

গুমের ঘটনায় আজ বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামভিত্তিক আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) নেতা মাইকেল চাকমা। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগটি দায়ের করেন তিনি।

এসময় মাইকেল চাকমা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি শেখ হাসিনার প্রতিহিংসার শিকার হয়েছি। আমি প্রধান আসামি হিসেবে শেখ হাসিনাকেই দায়ী করব।’

তার অভিযোগ দায়েরের পর ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘তাকে কিভাবে গুম করা হয়, তা মৌখিকভাবে জানিয়েছেন আমাদের। সেই বর্ণনা থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে তিনি গুমের শিকার হয়েছেন। তিনি একই বক্তব্য কমিশনের কাছেও দিয়েছেন।’

তাজুল ইসলাম জানান, মাইকেল চাকমা আজ শুধু মৌখিক অভিযোগ জানিয়েছেন এবং তিনি শিগগিরই লিখিত অভিযোগও জমা দেবেন। তবে ট্রাইব্যুনাল তার ক্ষমতাবলে মৌখিক অভিযোগও আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করতে পারে।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১৯ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকা থেকে মাইকেল চাকমাকে গুম করা হয়েছিল। এরপর পাঁচ বছর তিন মাস ২৭ দিন তাকে গোপন কারাগারে আটক রাখা হয়।

এসব কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আয়নাঘরের যে সমস্ত গল্প আপনারা ইতোমধ্যে শুনেছেন, ঠিক একই কায়দায়, একই প্রক্রিয়ায়, একই প্যাটার্নে তাকে এতগুলো বছর আটক রাখা হয়েছিল। বিপ্লবের পর গত ৭ আগস্ট লম্বা একটি জার্নির পরে তাকে চট্টগ্রাম-ঢাকা মহাসড়কের কোনো একটি অংশে ১২ কিলোমিটার দূরে জঙ্গলের মাঝে চোখ-হাত বেঁধে ছেড়ে আসা হয়।’

আজ ট্রাইব্যুনালে মাইকেল চাকমার সাথে ছিলেন আলোকচিত্রী শহীদুল আলম ও তার স্ত্রী রেহনুমা আহমেদ ছিলেন।

সূত্র : বিবিসি

গঠন হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদফতর

বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় ঢাকায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদফতরর’ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও স্মৃতি সংরক্ষণ, গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার এবং আহত ছাত্র-জনতার পুনর্বাসনসহ গণঅভ্যুত্থানের আদর্শ ও চেতনাকে রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত করাই হবে এই অধিদফতরের উদ্দেশ্য।

বুধবার বিষয়টি নিয়ে ঢাকায় মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা হয়েছে বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম এতে সভাপতিত্ব করেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

ইজতেমা ময়দানসহ আশপাশের ৩ কিলোমিটারে জমায়েত নিষিদ্ধ

তাবলীগ জামাতের দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে জমায়েত নিষিদ্ধ করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ।

বুধবার বেলা দেড়টায় এ বিজ্ঞপ্তি জারির পর বাদ জোহর থেকে মুসল্লিরা ইজতেমা ময়দান ত্যাগ করবেন বলে জানিয়েছেন জিএমপি পুলিশ কমিশনার ড. মোহাম্মদ নাজমুল করীম খান।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ আইন ২০১৮-এর ৩০ ও ৩১ ধারায় পুলিশ কমিশনারকে দেয়া ক্ষমতাবলে আজ ১৮ ডিসেম্বর তারিখ ১৪:০০ ঘটিকা হতে (দুপুর ২টা) পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বিশ্ব ইজতেমা ময়দানসহ আশপাশের তিন কিলোমিটার গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ এলাকায় নিম্নলিখিত আদেশ বলবৎ থাকবে।

আদেশগুলো হলো :
(ক) বিশ্ব ইজতেমা মাঠে জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হলো।
(খ) পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা মায়দানসহ আশপাশের তিন কিলোমিটার এলাকার মধ্যে দু’ বা ততোধিক ব্যক্তি একসাথে ঘোরাফেরা জমায়েত এবং কোনো মিছিল-সমাবেশ করতে পারবে না।
(গ) কোনো প্রকার অস্ত্র-শস্ত্র, ছুরি, লাঠি, বিস্ফোরক দ্রব্যাদি বা এ জাতীয় কোনো পদার্থ বহন করতে পারবে না।
(ঘ) কোনো প্রকার লাউড স্পীকার বা এ জাতীয় কোনো যন্ত্র দ্বারা উচ্চস্বরে কোনো শব্দ করতে পারবে না। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনস্বার্থে এই গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হলো।’

নিউইয়র্কে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে আ.লীগ ও বিএনপির তুমুল হট্টগোল

নোমান সাবিত: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বাংলাদেশি সামাজিক সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটির অভিষেক ও বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে তুমুল হট্টগোল ও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। গত সোমাবার (১৬ ডিসেম্বের) সন্ধ্যায় নিউ ইয়র্কের উডসাইডের তিব্বত কমিউনিটি সেন্টারে অভিষেক ও বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে একজন বক্তার উদ্দেশ্য প্রণোদিত রাজনৈতিক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগ ও বিএনপিপন্থী নেতা-কর্মীদের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটে। ফলে প্রায় আধাঘন্টা পর অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। পরে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র আসার দোহাই দিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়।
জানা যায়, অনুষ্ঠানটি নিয়ম মাফিক চলছিল। ট্রাস্টিবোর্ডের চেয়ারম্যান এম আজিজ তার বক্তব্যে বিদায়ী কমিটির মৃদু সমালোচনা করেন। এরপর সাবেক ও আগামী কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান পাল্টা বক্তব্য দিলে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। এরপর সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম তার বক্তব্যে ৪৭, ৭১, ৯০ এবং পরে ৫ আগস্টের গণ আন্দোলনের কথা তার বক্তব্যে তুলে ধরেন সাবেক সরকার আওয়ামীলীগের কঠোর সমালোচনা করেন। এক পর্যায়ে উপস্থিত আওয়ামীলীগের কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন।

nybd society 02

তাকে ভুয়া ভুয়া বলে চিৎকার করতে থাকেন।ফখরুল আলমের বক্তব্যের প্রতিবাদ করেন আওয়ামী লীগ নেতা আবুল হাসিব মামুন ও মুজাহিদুল ইসলাম। সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম , মহিউদ্দীন দেওয়ান ও মাহবুব তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। আওয়ামী লোকজন মারমুখি হয়ে উঠলে বিএনপির রিপন, কাজী আজম, জসিম ভুঁইয়া, মোশাররফ হোসেন, সেলিম রেজাসহ অনেকে প্রতিবাদ করতে থাকেন। তারাও আওয়ামী সমর্থকদের দিকে তেড়ে যায়। এ সময় আওয়ামীলীগ ও বিএনপিপন্থী নেতা-কর্মীদের মধ্যে তুমুল হট্টগোল শুরু হয়।

বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, কিন্তু ধর্মীয় সংখ্যালঘু’র অবস্থান পরিবর্তন হয়নি

শিতাংশু গুহ, নিউইয়র্ক: কেরলের রাজ্যপাল আরিফ মোহাম্মদ খান, ইসলাম ধর্ম নিয়ে তাঁর ব্যাখ্যা উদার। ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি এপিজে আবুল কালাম সবার নমস্য। এদের কথা শুনলে বা মানলে ধর্ম নিয়ে ‘সভ্যতার সংঘাত’ অনেকটা কমে যেতো। নেতাজী সুভাষ বসু-র বিরুদ্ধে কোন মুসলমানকে কথা বলতে শুনিনি। এপিজে আবুল কালাম-কে নিয়ে কোন হিন্দুকে বিরূপ মন্তব্য করতে দেখিনি। তাহলে একথা কি বলা যায় যে, হিন্দু হও তো সুভাষ বসু হও; মুসলমান হও তো এপিজে আবুল কালাম হও? বড় কথা হচ্ছে, সুভাষ বসু বা এপিজে আবুল কালাম মানুষের মত মানুষ ছিলেন, ‘সবার ওপরে মানুষ সত্য’; হিন্দু-মুসলমান হওয়ার আগে একজন ভালো মানুষ হও, সেটা হলেই কেবলমাত্র একজন ভাল হিন্দু বা ভালো মুসলমান হওয়া সম্ভব? 

ভারত-পাকিস্তান নিয়ে উপমহাদেশে তর্কের শেষ নেই? স্বাধীন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন মওলানা আবুল কালাম আজাদ, তিনি সসম্মানে আমৃত্যু মন্ত্রিত্ব করে গেছেন। একই সময়ে পাকিস্তানে আইনমন্ত্রী ছিলেন যোগেন মন্ডল, পূর্ব-বাংলাকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্তিতে তিনি ব্যাপক সহায়তা করেছিলেন। অথচ মন্ত্রী থাকা অবস্থায় তাঁকে পাকিস্তান থেকে পালিয়ে কলকাতা গিয়ে প্রাণ বাঁচাতে হয়েছে। এ দু’টি ঘটনা বিশ্লেষণ করলে ভারত-পাকিস্তানে ধর্মীয় সংখ্যালঘু’র  মর্যাদা বা অবস্থান বোঝা কি সহজ হয়না? সেই পূর্ব-বাংলা পরে পূর্ব-পাকিস্তান হয়েছে, আরো পরে তা স্বাধীন বাংলাদেশ হয়েছে, কিন্তু ধর্মীয় সংখ্যালঘু’র অবস্থান পরিবর্তন হয়নি, আজো তাঁরা অত্যাচারীর আমানত, নিজদেশে পরবাসী? 

ভারতে চারজন মুসলমান রাষ্ট্রপতি হয়েছেন, জাকির হোসেন, ফখরুদ্দিন আলী আহমদ, মোহাম্মদ হিদায়েতুল্ল্যাহ  এবং এপিজে আবুল কালাম। ভারতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বিমান বাহিনী প্রধান, এবং অন্য অসংখ্য পদ মুসলমানরা অলংকৃত করেছেন। একদা পশ্চিমবঙ্গের স্পীকার মুসলিম ছিলেন, কলকাতার মেয়র এখন ফিরহাদ হেকিম। বাংলাদেশে সুরেন্দ্র কুমার সিন্হা সামান্য সময় প্রধান বিচারপতি ছিলেন, তিনি দেশছাড়া হয়েছেন। বিচারপতি দেবেশ চন্দ্র ভট্টাচার্য্য প্রধান বিচারপতি হতে পারতেন; মেজর জেনারেল চিত্ত রঞ্জন দত্ত সেনাপ্রধান হতে পারতেন; এ,কে, গাঙ্গুলী বাংলাদেশে ব্যাঙ্কের গভর্নর হতে পারতেন,  অজ্ঞাত কারণে কেউ কিছু হ’ননি! যারা ভারতে মুশকান-আরুশা বিতর্কে হাততালি দিয়েছেন, তারা কিন্তু নিজের ঘরের দিকে তাকিয়ে দেখেননি। 

ভারতের বিভিন্ন মসজিদে সমীক্ষা নিয়ে মোদিকে তুলোধুনো ওয়াইসির

প্রার্থনাস্থল আইনের তোয়াক্কা না করেই ইদানীং যেভাবে ভারতের নানা প্রান্তে সমীক্ষার জিগির তুলে একের পর মসজিদকে টার্গেট করা হচ্ছে, তা নিয়ে এবার সংসদে সরব হলেন অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমীন (এআইএমআইএম) নেতা আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিয়ে লোকসভায় নিজের বক্তব্য পেশ করেন তিনি।

সংবিধান প্রণয়নের ৭৫তম বর্ষ পালন উপলক্ষে এদিন লোকসভায় বক্তৃতা দেন ওয়াইসি। সেই সময়েই হায়দরাবাদের সাংসদ বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ওয়াকফ সম্পত্তি কেড়ে নেয়ার অভিযোগ তোলেন।

তিনি বলেন, ‘আজ আমি একটা প্রশ্ন করতে চাই। ধরুন কোথাও একটা ৫০০ বছরের পুরোনো মসজিদ রয়েছে… এখন আমি যদি সংসদের নিচে খোঁড়াখুঁড়ি করি, তাহলে তো সেখানেও কিছু না কিছু পাব। তাহলে কি সেটা আমার হয়ে যাবে?’

উল্লেখ্য, মোদি সরকারের আমলে যেভাবে একের পর এক মসজিদে সমীক্ষা চালানো হচ্ছে, তা নিয়ে নানা মহলেই সমালোচনা শুরু হয়েছে। এ ধরনের সমীক্ষা ঘিরে দেশের নানা প্রান্তে অস্থিরতা ছড়াচ্ছে। যার সাম্প্রতিকতম নিদর্শন দেখতে পাওয়া গেছে উত্তরপ্রদেশের সম্ভলে।

এমন পরিস্থিতিতে সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ জারি করা হয়। বলা হয়, দেশের বিভিন্ন মসজিদসহ সমস্ত প্রাচীন স্থাপত্যে এ ধরনের সমীক্ষা আপাতত বন্ধ রাখতে হবে।

আর তারই পরিপ্রেক্ষিতে ওয়াইসির প্রায় ৯ মিনিটের এই ভাষণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

তার সেই বক্তৃতায় ওয়াইসি বর্তমানে ভারতে সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আজ থেকে ৭৫ বছর আগে বাবাসাহেব যেটা বলে গিয়েছিলেন, আজও সেটা সমান প্রাসঙ্গিক। আসলে কেউই চান না যে সংখ্যালঘুরা ক্ষমতার ভাগ করে নিক।’

ওয়াইসি এর ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘আমাকে একটু সংসদীয় গণতন্ত্রের সাফল্য ব্যাখ্যা করতে দিন। (সংবিধানের) ২৫, ২৬, ২৯, ৩০, ১৪ এবং ২১ নম্বর অনুচ্ছেদে বর্ণিত মৌলিক অধিকারগুলোই এর ভিত্তি প্রস্তুত করেছে। আমি বলব, এ বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্বারোপ করার মাধ্যমেই সমাজের দুর্বল শাখাগুলোতেও সুবিচার পৌঁছে দেয়া সম্ভব।’

এ প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ওয়াইসি দেশের নানা প্রান্তে সংখ্যালঘু মুসলিমদের প্রতি ঘটা নির্যাতনের ঘটনাগুলোও তুলে ধরেন। সেইসাথে ওয়াকফ সংশোধনী বিলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের লক্ষ্য হলো ‘ওয়াকফ সম্পত্তিগুলো ছিনিয়ে নেয়া।’

সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশে ওয়াইসি বলেন, ‘আপনাদের হাতে থাকা ক্ষমতা ব্যবহার করে আপনারা আসলে ওয়াকফ সম্পত্তিগুলো ছিনিয়ে নিতে চাইছেন।’

এই বিলে এমন ব্যবস্থাপনা রাখতে হবে, যাতে ওয়াকফ বোর্ডের প্রাপ্ত অর্থ বিভিন্ন ধরনের কল্যাণমূলক কাজ, যেমন- বিধবা, বিবাহ বিচ্ছিন্না এবং অনাথদের স্বার্থে ব্যবহার করা যায়। সরকারের পক্ষ থেকে তেমনই প্রস্তাব রাখতে হবে।

উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে কেন্দ্রের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো অভিযোগ করেছে, বর্তমান সরকার যে ওয়াকফ বিল প্রস্তুত করেছে, তাতে মুসলমানদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে। যদিও সরকারের বক্তব্য হলো, ওয়াকফ বোর্ডগুলো যাতে স্বচ্ছতা এবং পূর্ণ দায়বদ্ধতার সাথে কাজ করে, তা নিশ্চিত করতেই এই সংশোধনী প্রস্তাবগুলো দেয়া হয়েছে।

নিজের বক্তৃতায় ওয়াইসি আরো বলেন, ‘সংবিধানের ২৬ নম্বর অনুচ্ছেদটি পড়ুন। তাতে ধর্মীয় সম্প্রদায়গুলোকে তাদের ধর্মীয় এবং দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিষ্ঠিত করার ও বজায় রাখার অধিকার দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলছেন ওয়াকফের সাথে নাকি সংবিধানের কোনো সম্পর্ক নেই! তাকে এসব কে শেখাচ্ছেন? তাকে আগে ২৬ নম্বর অনুচ্ছেদটি পড়তে বলুন।’

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

রাষ্ট্র মেরামতের সময় জানতে চাওয়ার অধিকার জনগণের রয়েছে : তারেক রহমান

রাষ্ট্র মেরামতে অন্তবর্তীকালীন সরকারের কত দিন সময় লাগবে তা জানতে চাওয়ার অধিকার জনগণের রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

এ সময় তিনি বলেন, নির্বাচনে রোডম্যাপ ঘোষণার কথা শুনলে উপদেষ্টাদের চেহারায় অস্বস্তির ছাপ ফুটে ওঠে, যা জনআকাঙ্ক্ষা বিরোধী।

রোববার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে বিএনপি আয়োজিত মহান বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘রাষ্ট্র ও রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন জন‍্য সংস্কারের বিকল্প নেই। একইসাথে এটিও মনে রাখা জরুরি কেউ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হতে চাইলে সংবিধান বাধা হতে পারে না। ফ‍্যাসিবাদ রুখতে নাগরিক জীবনের প্রতিদিনের চালচিত্র গণতন্ত্রের রাজনীতির চর্চা থাকা দরকার।’

নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা মাধ্যমে অন্তবর্তীকালীন সরকারের স্বচ্ছতা প্রকাশ হবে মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, ‘বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার কি করতে চাইছে, রাষ্ট্র মেরামত করতে আর কত মাস কত সময় লাগবে সেটি জানার অধিকার জনগণের রয়েছে। সরকার রোডম্যাপ ঘোষণা করেলে জনগণের কাছে সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার নিশ্চিত করবে। এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আসবে।’

নির্বাচনের রোডম্যাপ জানতে চাইলে উপদেষ্টারা বিরক্ত হন মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে রোডম্যাপ ঘোষণার কথা শুনলে উপদেষ্টাদের চেহারায় অস্বস্তির ছাপ ফুটে ওঠে, যা জনআকাঙ্ক্ষা বিরোধী। সরকার তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে জনগণের কাছে যত বেশি স্বচ্ছ থাকবে জনগণ তত বেশি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘জনগণ যথেষ্ট ধৈর্য্য ধরে আছে। কারণ তারা সরকারকে সফল দেখতে চায়। অন্তবর্তী সরকার নিজেরা নিজেদের সফল দেখতে চায় কিনা তা তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে। ৫ আগস্টের পর অভূতপূর্ব ঐক‍্যর মোহনায় জাতি। এ ঐক্যকে কাজে লাগাতে বৈষম্যহীন‍ সমাজ গড়তে চায় বিএনপি।’

দ্রব্যমূল্যর ঊর্ধ্বগতি নিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি জনগণের জীবনে চাপ তৈরি করেছে। প্রতিদিনের সংসারের ব‍্যয় মেটাতে জনগণকে যুদ্ধ করতে হচ্ছে। জনজীবনের নিত‍্যদুর্ভোগ ও বাজার কন্ট্রোল না করে সংস্কারের নামে সময় সংক্ষেপ করে তবে জনগণের কাছে সংস্কার আগে নাকি সংসার আগে এই প্রশ্ন মুখ‍্য হয়ে উঠতে পারে।’