Home Blog Page 491

ক্ষমা-অনুশোচনার প্রশ্নে এখনো আওয়ামী লীগের ‘না

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পতন হয়েছে আওয়ামী সরকারের। আওয়ামীলের শীর্ষ নেতাদের অধিকাংশ দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। কয়েকজন আছেন কারাগারে। ছাত্র-জনতার ওই আন্দোলন দমাতে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে শেখ হাসিনা সরকার ও আওয়ামী লীগ নেতারা।

সরকার পতনের ৯ মাস পার হলেও এর দায়ে ক্ষমা প্রার্থনা বা অনুশোচনা করেনি আওয়ামী লীগ। আন্দোলনে দমননীতি ও হত্যাকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগ যদি ক্ষমা চায় বা অনুশোচনা করে, তাহলে আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে ফিরতে পারে, এমন একটা আলোচনা রয়েছে রাজনীতিতে। অন্তর্র্বতী সরকারেরও কেউ কেউ এ ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন।
তবে ক্ষমা চাওয়ার কোনো চিন্তা দলটিতে এখনো নেই।
তাদের মধ্যে কোনো অনুশোচনা আছে, এমন ইঙ্গিতও পাওয়া যায় না। বরং তারা এখনো ‘ষড়যন্ত্রতত্ত্ব’ নিয়েই আছেন। ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক মাধ্যমের আলোচনা-সমালোচনা আমলে নিচ্ছে না আওয়ামী লীগ।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত এখন বিদেশে অবস্থান করছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারের পতনের আগে এবং অন্তর্র্বতী সরকারের সময়ের সব হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই। কিন্তু অনুশোচনার প্রশ্নে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ জনগণের কাছে জবাবদিহি করবে। এ জন্য অন্য কোনো পক্ষের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার বিষয় নেই।’
বিদেশে অবস্থান করা দলটির আরেকজন নেতা জানান, পরিস্থিতি সামলাতে তাদের কিছু ভুল ছিল, এমন আলোচনাও তাদের মধ্যে আছে। দলগতভাবে অবশ্য তারা এখনো কিছু বলেননি।
তিনি উল্লেখ করেন, তাদের দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ এখনো হয়নি। তারা এখন পরিকল্পনার মাধ্যমে এগোতে চাইছেন এবং অল্প সময়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তুলে ধরার বিষয় নিয়েও তারা আলোচনা করছেন।
তবে শুরু থেকেই ক্ষমা চাওয়া বা অনুশোচনার বিষয়টি দলীয় সংস্কৃতিতে নেই বলে মনে করেন বিশ্লেষকেরা। তারা বলছেন, বাংলাদেশে ভুলের জন্য দলীয়ভাবে ক্ষমা চাওয়া বা অনুশোচনা করার সংস্কৃতি নেই। এর আগে কোনো দল তা করেনি।
আমেরিকান পাবলিক ইউনিভার্সিটি সিস্টেমের শিক্ষক সাঈদ ইফতেখার আহমেদ বলেন, ‘এখন আওয়ামী লীগও সে পথে হাঁটবে না। দলটি তাদের ন্যারেটিভ এবং অবস্থান নিয়েই রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা অব্যাহত রাখবে।’

বাংলাদেশে অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন চায় অস্ট্রেলিয়া

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু দেখতে চায় অস্ট্রেলিয়া। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা দেওয়ার আগ্রহও প্রকাশ করেছে দেশটি।বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে নির্বাচন ভবনে সাক্ষাতের পর এমন মন্তব্য করেন দেশটির হাইকমিশনার সুসান রাইলি।বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইলি।সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সুসান রাইলি বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার আমাদের সময় দিয়েছেন, এজন্য তাকে ধন্যবাদ। আমরা বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে পেরেছি। অস্ট্রেলিয়া আশা করে, এই নির্বাচন হবে অবাধ ও সুষ্ঠু। আমাদের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে এবং আমরা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা দিতে প্রস্তুত।এর আগে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরাও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে সুষ্ঠু নির্বাচনের আহ্বান জানিয়েছেন। অনেক দেশ নির্বাচনি সহায়তা দেওয়ার আগ্রহও প্রকাশ করেছে। ইতোমধ্যে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচনি উপকরণ সরবরাহের মাধ্যমে সহায়তা দিচ্ছে।আগামী ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জুন মাসের মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফর স্থগিত

কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে আসন্ন ঢাকা সফর স্থগিত করেছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসাক দার। পরবর্তীতে দুই দেশের আলোচনার ভিত্তিতে সফরের সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে কথা বলেছেন ইসাক দার।
জানা যায়, আগামী রবিবার (২৭ এপ্রিল) দুই দিনের সরকারি সফরে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকায় আসার কথা ছিল।
গত ১৭ এপ্রিল পাকিস্তানের পররাষ্ট্রসচিব আমনা বালুচের ঢাকা সফরের সময় মন্ত্রী পর্যায়ের এই সফরের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস জানিয়েছিল, ইসাক দারের সফরকালে বেশ কয়েকটি চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব বিষয় চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।
ইসাক দারের এই সফরকে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল।
যা বিগত ১৩ বছরের মধ্যে কোনো পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম সফর হওয়ার কথা

যাদের কফি খাওয়া ঠিক নয়

সকালের নাশতার পর এক কাপ কফি খাওয়ার অভ্যাস অনেকেরই আছে। কেউ কেউ দিনে কয়েক কাপ পর্যন্ত কফি খান। শরীরের ক্লান্তি কাটাতে, তাৎক্ষণিক শক্তি জোগাতে কফির তুলনা নেই। কিন্তু কফির মতো একটি অতি উপকারী পানীয়ও কিন্তু সকলের জন্য ভালো নয়। কারণ এতে থাকা ক্যাফিন সবার সহ্য হয় না। এজন্য কিছু ব্যক্তিকে কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা—

​আইবিএস থাকলে

ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমের মতো অসুখ থাকলে কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে । কারণ কফিতে থাকা ক্যাফিন এই রোগে ভুক্তভোগীদের অন্ত্রের স্বাস্থ্যের অবস্থা খারাপ করতে পারে। একবার কোলোনের অবস্থা খারাপ হলে গ্যাস, অ্যাসিডিটি, ডায়ারিয়ার মতো জটিল অসুখে ভোগার আশঙ্কা বাড়ে। তাই এই রোগে ভুক্তভোগীরা কফি খাওয়া এড়িয়ে চলুন।

ওভার অ্যাকটিভ ব্লাডার​

যারা এই রোগে ভোগেন তারা দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখতে পারেন না। তাই এই সমস্যায় ভুক্তভোগীদের কিছু পানীয় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। আর সেই তালিকায় কফিও রয়েছে। কারণ এই পানীয়ে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা কিনা এই রোগে ভুক্তভোগীদের বারবার প্রস্রাবে যেতে বাধ্য করে। তাই ওভার অ্যাকটিভ ব্লাডারের সমস্যা থাকলে কফি না খাওয়াই ভালো।

অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন

অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন সমস্যার আরেক নাম অ্যারিথমিয়া। যারা এ সমস্যায় ভোগেন তারা কফি খাওয়া এড়িয়ে চলুন। কারণ এই পানীয়ে উপস্থিত ক্যাফিন হঠাৎ করে রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। তবে শুধু অ্যারিথমিয়া নয়, যে কোনও ধরনের হৃদরোগ থাকলেই কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

অনিদ্রার সমস্যা 

যাদের অনিদ্রার সমস্যা আছে তাদেরও কফি খাওয়া ঠিক নয়। এই পানীয়তে উপস্থিত কিছু উপাদান সরাসরি ঘুমের বিঘ্ন ঘটায়। এমনকী অত্যাধিক পরিমাণে কফি খেলে ঘুমের সাইকেলও ব্যাহত হতে পারে। এ কারণে বিশেষজ্ঞরা ইনসোমনিয়ায় ভুক্তভোগীদের কফি খেতে বারণ করেন।

উৎকণ্ঠায় ভুগলে

আমাদের মধ্যে অনেকেই সব বিষয়ে টেনশন করেন। আর এই ধরনের মানুষের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে কফি। তাই উৎকণ্ঠায় ভুক্তভোগীদের কফি এড়িয়ে যাওয়া ভালো।  গর্ভাবস্থা এবং স্তন্যদানকারী মায়েদেরও কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রঙে সজ্জিত অস্ট্রেলিয়া

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে লাল সবুজের আলোকসজ্জায় সাজানো হয়েছে ক্যানবেরার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।

অস্ট্রেলিয়ার রাজধানীর বড় বড় এসব স্থাপনা বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রঙে আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়।

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। স্থানীয় সময় শুক্রবার (৬ মে) সন্ধ্যা থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত এ আলোকসজ্জা প্রদর্শন করা হয়।

এদিন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রঙে আলোক সজ্জায় সজ্জিত করা হয় অস্ট্রেলিয়ার পুরাতন পার্লামেন্ট ভবন, ঐতিহাসিক জন গর্টন বিল্ডিং এবং ন্যাশনাল ক্যারিলিয়ন। প্রবাসী বাংলাদেশি ও হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ আলোকসজ্জা উপভোগ করেন।

এর আগে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে গত ২৭ মার্চ ন্যাশনাল ক্যারিলিয়নেও এ ধরনের আলোকসজ্জার প্রদর্শন করা হয়েছিল।

কেমোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রুখতে ন্যাড়া হলেন হিনা

০

অনেকটা আতঙ্ক জড়িয়ে আছে ক্যানসার শব্দটির সঙ্গে। এই অসুখের প্রতিরোধে সবচেয়ে বেশি যা জরুরি, তা হল মনের জোর।

ক্যানসারের মূলত তিন ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি আছে। স্টেজ ১-এ রোগ ধরা পড়লে অস্ত্রোপচার করে ক্যানসার সমূলে বিনাশ করা যায়।

কিন্তু অসুখ ছড়িয়ে পড়লে কেমোথেরাপি, সার্জারি ও রেডিয়োথেরাপির সাহায্য নেওয়ার দরকার হয়।

টেলি অভিনেত্রী হিনা খান সমাজমাধ্যমে  এরই মধ্যে জানিয়েছেন, তিনি স্টেজ ৩ স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত। ইতিমধ্যেই কেমোথেরাপি শুরু হয়েছে অভিনেত্রীর।

সম্প্রতি হিনা ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও ভাগ করে নিয়েছেন, যেখানে দেখা যাচ্ছে, তিনি কেমোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে বাঁচতে মাথার চুল কামিয়ে একেবারে ন্যাড়া হয়ে গিয়েছেন।

ভিডিওতে হিনা বলেছেন, ‘প্রত্যেক বার চুলে হাত দেব আর মুঠো মুঠো চুল উঠে আসবে, এই অস্বস্তির মধ্যে দিয়ে আমি যেতে চাই না! এই কষ্ট থেকে বাঁচতে যা করণীয়, আমি আগে থেকেই তা করে ফেলতে চাই। তাই এই পদক্ষেপ করেছি।’

আলাদা হয়ে গেলেন শুভ-অর্পিতা

০

সাড়ে ৯ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনেছেন অভিনেতা আরিফিন শুভ। গত ২০ জুলাই স্ত্রী অর্পিতার সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে ছেদ করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (৩১ জুলাই) রাতে নিজের ফ্যান পেজে বিষয়টি জানিয়েছেন আরিফিন শুভ।

বৈষম্য বিরোধী কোটা সংস্কার আন্দোলনে দেশ উত্তাল। এমন পরিস্থিতে দাম্পত্য জীবনে এ পরিস্থিতি জানাতে দ্বিধা ও সংকোচ প্রকাশ করে আরিফিন শুভ বিবৃতির শুরুতে লিখেছেন, দেশের এমন পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগত কোন কিছু জানাতে যথেষ্ট দ্বিধা ও সংকোচ বোধ করছি, তারপরও মনে হল আপনাদের বিষয়টা জানানোর সময় এসেছে।

বুধবার রাত ৯টা ২৫ মিনিটে সামাজিক মাধ্যমে করা ওই পোস্টে ডিভোর্সের খবর শুভ লিখেছেন এভাবে, “আমি অত্যন্ত দু:খের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমি আর অর্পিতা আমরা হয়তো বন্ধু হিসাবেই ঠিক আছি, জীবনসঙ্গী হিসাবে নয়। আমরা গত ২০ জুলাই এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি, বন্ধুত্বটুকু নিয়ে দুইজনের সম্মতিতে বাকী জীবন নিজেদের মত করে বাঁচব।”

এরপরই কৃতজ্ঞতা ও ঋণ স্বীকার করেছেন প্রাক্তনের প্রতি। লিখেছেন, অনেক চড়াই-উৎরাই এর পরও অর্পিতা আমার এবং আমার মায়ের জন্য যা করেছেন, সেটার জন্য তাঁর প্রতি চিরকৃতজ্ঞ এবং চিরঋণী।

ব্যক্তিগত জীবনের এই কঠিন সময়ে ভক্তদের জন্য শুভ বলছেন, মা চলে যাওয়ার পর জীবনটা একেবারেই শূন্য হয়ে গেছে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি আপনাদের দোয়া ও ভালবাসা আমার সঙ্গে আছে, যেটা নিয়ে বাকী জীবনটা সুন্দর ও সুস্থভাবে বাঁচতে পারব।

দেশের সাম্প্রতিক কোটা আন্দোলনের ঘটনা নিয়েও কথা বলেছেন শুভ। বিবৃতির শেষ অংশে তিনি লিখেছেন, দেশের সাম্প্রতিক ঘটনায় শিক্ষার্থীসহ যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। সবার জীবনে শান্তি আসুক, দেশেও শান্তি ফিরে আসুক এই কামনায়।

ফ্যাশন ডিজাইনার অর্পিতার সঙ্গে ২০১৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি বিয়ের পিঁড়িতে বসেন আরিফিন শুভ। গেল ২০ জুলাই তাদের মধ্যকার দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটলো।

বর্তমানে আরিফিন শুভর মুক্তির অপেক্ষায় আছে ‘নূর’, ‘নীলচক্র’ ও ‘ঠিকানা বাংলাদেশ’ সিনেমা। ভারতের সনি লিভ এর একটি ওয়েব সিরিজে কাজের গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে এই নায়কের।

মুরগিতেই খানিক স্বস্তি

ব্রয়লার মুরগির মাংসের দাম কমে আসায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে জনমনে।

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৬৫ থেকে ১৭৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহেও ছিল ২৩০-২৪০ টাকা পর্যন্ত।

তবে গরুর মাংস, মাছ-ডিমসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় প্রতিটি দ্রব্যের দামের আগুনে হাত পুড়ছে মধ্য ও নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষের।

শুক্রবার (২ আগস্ট) বিভিন্ন বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

সোনালি মুরগির কেজিতে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০-৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১১০০ টাকা।

মুরগির মাংস বিক্রেতা আলী আতিক বলেন, গত কয়েকদিনে ব্রয়লার মুরগির দামটাও একটু কম। ১৭০ টাকা কেজি সর্বশেষ মাসখানেক আগে ছিল, এরপর আবার দামটা বেড়ে যায়। গত সপ্তাহেও ২০০ টাকার বেশি ছিল, আজ ১৭০ করে বিক্রি করছি।

তিনি বলেন, ‘সাপ্তাহিক ছুটির দিনে মাংসের চাহিদাটা একটু বেড়ে যায়, বাজারে যদি সেই পরিমাণে সরবরাহ না থাকে, তাহলেই দাম বেড়ে যায়, যেখানে আমাদের কিছুই করার থাকে না। তবে আশা করছি এখন মোটামুটি ১৭০-১৮০ টাকার মধ্যেই থাকবে।’

আগের মতো চড়া দামে প্রতি কেজি পাঙাশ ২০০-২২০, তেলাপিয়া ২০০-২৫০, চাষের কৈ ২৫০-২৭০, ছোট রুই ২৫০-২৬০, কার্প জাতীয় মাছ ৩০০, চাষের শিং ৪৫০-৬০০, সাগরের পোয়া ৪০০-৬৫০ ও বাইলা মাছ বিক্রি হচ্ছিল ৬৫০-৭০০ টাকায়।

সম্প্রতি কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সব ধরনের পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছিল। বাজারে খাদ্যপণ্যের দামও কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছিল। যদিও কারফিউ জারি ও সেনাবাহিনী নামানোর পর পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে।

সিলেট টেস্টে দায়িত্ব পালনকালে বিসিবি কর্মকর্তার মৃত্যু

০

বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে টেস্টের চতুর্থ দিন সকালে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. ইকরাম চৌধুরী ইকরাম মৃত্যুবরণ করেছেন।

দায়িত্ব পালনকালে আজ বুধবার সকাল ৯টার দিকে ইকরাম হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে সিলেটের আল হারামাইন হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সেখানে ইসিজি করার পর চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। দ্রুত অবস্থার অবনতি হলে ইকরামকে হাসপাতালের সিসিইউয়ের ভেন্টিলেশনে রাখা হয়।

সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) এই কর্মকর্তার বয়স হয়েছিল ৫০ বছর।

ইকরামের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে বিসিবি।

২০১৪ সাল থেকে ইকরাম চৌধুরী সিলেটে বিসিবির নিরাপত্তা সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন বলে ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে।

গাজায় পোলিও টিকা সরবরাহ বন্ধ

দিন যতই গড়াচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে ফিলিস্তিনের গাজায়। নিরাপদ বলে আর কোনও স্থান বাকি নেই অবরুদ্ধ উপত্যকাটিতে। একদিকে চলছে নির্বিচার অভিযান, অন্যদিকে আটকে দেওয়া হয়েছে সব রকমের ত্রাণ সহায়তা। বুলেট-গোলার আঘাতে ফিলিস্তিনিদের প্রাণহানি তো নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছেই; খাদ্য-পানি-ওষুধ আর চিকিৎসার অভাবেও দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল।

ইসরায়েলের আরোপিত অবরোধে ত্রাণ প্রবেশ করতে না পারায় তীব্র খাদ্য ও ওষুধ সংকটে ভুগছে গাজাবাসী। শঙ্কা বাড়ছে রোগ-বালাই ও মহামারির। সরবরাহ বন্ধ থাকায় অবরুদ্ধ উপত্যকাটিতে স্থগিত হয়ে গেছে পোলিও টিকাদান কর্মসূচিও। এমন পরিস্থিতিতে বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা বিরাজ করছে গাজা জুড়ে; শারীরিক অক্ষমতার ঝুঁকিতে আছে প্রায় ৬ লাখ শিশু।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই দাবি করেছেন গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র খলিল দেকরান।  অাজ বুধবার (২৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

খলিল দেকরান বলেছেন, অবিলম্বে পোলিও ভ্যাকসিন না পৌঁছালে আমরা একটি সত্যিকারের বিপর্যয়ের সাক্ষী হবো বলে মনে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, শিশু ও রোগীদের রাজনৈতিক ব্ল্যাকমেইলের কার্ড হিসাবে ব্যবহার করা উচিত নয়। গত ২ মার্চ ইসরায়েলের আরোপিত অবরোধের কারণে গাজায় ভ্যাকসিনসহ সব ধরনের চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রবেশ আটকে গেছে এবং প্রায় ৬ লাখ ২ হাজার শিশু স্থায়ী পক্ষাঘাত এবং দীর্ঘস্থায়ী অক্ষমতার ঝুঁকিতে পড়ে গেছে।

প্রসঙ্গত, বিগত দুই দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো গাজায় পুনরায় আবির্ভূত ঘটেছে পোলিওর। তারপর থেকে গত বছরের সেপ্টেম্বর, অক্টোবর এবং চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিন দফা টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করেছে জাতিসংঘ, ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য দাতব্য সংস্থাগুলো।