Home Blog Page 491

স্বর্ণজয়ী শ্যুটার সাদিয়া সুলতানা আর নেই

বাংলাদেশের স্বর্ণজয়ী শ্যুটার সাদিয়া সুলতানা ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

সোমবার (২ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন তিনি।

সাদিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন সতীর্থ শুটার ও ফেডারেশনের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা।

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। মাঝে ২০১৭ সালে আগুনে পুড়ে দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন তিনি।

শুটিংয়ে বর্ণাঢ্যময় এক ক্যারিয়ার ছিল সাদিয়ার। ২০১০ সালের কমনওয়েলথ শুটিং চ্যাম্পিয়নশিপে ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে সোনা জিতেছিলেন তিনি। দলগত ইভেন্টে দিল্লির আসর থেকে শারমিন আক্তার রত্নার সাথে জুটি গড়ে জিতেছিলেন সোনা। এর আগে একই বছর এসএ গেমসে একই ইভেন্টে জিতেন সোনার পদক।

মমতার বক্তব্য বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি : মির্জা ফখরুল

বাংলাদেশে জাতিসঙ্ঘের শান্তিরক্ষী পাঠানো নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী যে বক্তব্য রেখেছেন তা বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকিস্বরুপ মন্তব্য করে অবিলম্বে এই ধরনের বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার রাতে লন্ডন থেকে মোবাইল ফোনে গণমাধ্যমের কাছে দলের পক্ষে বিএনপি মহাসচিব এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, ‘সকালে কয়েকটি পত্রিকায় একটা সংবাদ দেখলাম, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখমন্ত্রী বাংলাদেশ সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন। তিনি যে উক্তি করেছেন সে বিষয়ে আমি বক্তব্য না রেখে পারছি না। তিনি (মমতা ব্যানার্জী) বাংলাদেশে শান্তিবাহিনী পাঠানোর যে কথা বলেছেন, এটা সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতি একটা হুমকিস্বরুপ এবং আমরা মনে করি, এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে নেতৃবর্গের যে দৃষ্টিভঙ্গি তা কিছুটা হলেও প্রকাশিত হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতার এই বক্তব্য তার অবিলম্বে প্রত্যাহার করা উচিত। এই ধরনের কোনো চিন্তা করাও তাদের উচিত হবে না। কারণ বাংলাদেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছে এবং সম্প্রতি একটা বিপ্লবের মধ্য দিয়ে তারা গণতন্ত্রকে ফিরে পেয়েছে। এ দেশের মানুষ যেকোনো মূল্যে এই ধরনের চক্রান্তের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ক্ষুণ্ণ হওয়া বা বিপন্ন হওয়ার যে অলীক কাহিনী ভারতীয় মিডিয়াগুলোতে প্রচারিত ও প্রকাশিত হচ্ছে তা কোনো মতেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

তিনি বলেন, ‘আমরা বার বার বলেছি, এখানে ভারতের সাংবাদিকরা এসছিলেন তারাও দেখেছেন। পশ্চিমবঙ্গ ও ভারতের অনেক নামকরা সাংবাদিক এসেছিলেন তারা দেখেছেন বাংলাদেশে এই ধরনের কোনো পরিস্থিতি নেই। অথচ ভারতের মিডিয়া ও তাদের নেতৃবর্গ যেভাবে সম্পূর্ণ একটা মিথ্যাকে প্রচার করছেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি দিচ্ছেন তা কোনোমতেই বাংলাদেশের মানুষ গ্রহণ করবে না।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বাংলাদেশ সম্পর্কে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনকভাবে যে কথাগুলো বলা হচ্ছে, অতি সম্প্রতি ইসকনকে (বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ) নিয়ে যে এখানে (বাংলাদেশে) নতুন করে চক্রান্ত শুরু হয়েছে তা বাংলাদেশের মানুষ কখনোই গ্রহণ করবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘এটা খুব পরিস্কার যে ইসকনের সাম্প্রতিক ভূমিকা অত্যন্ত সন্দেহজনক ও রহস্যজনক এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি, বাংলাদেশের স্থিতিশীলতার প্রতি হুমকিস্বরুপ।’

আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে হামলা : ভারতের দুঃখ প্রকাশ

ত্রিপুরার আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাকে ‘গভীরভাবে দুঃখজনক’ বলে বিবৃতি দিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

কূটনৈতিক ও কনস্যুলার ভবনকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত না করার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনের ভবনে আজকের (২ ডিসেম্বর) অনুপ্রবেশের ঘটনা গভীরভাবে দুঃখজনক। কোনো অবস্থাতেই কূটনৈতিক ও কনস্যুলার সম্পত্তি লক্ষ্যবস্তু হওয়া উচিত নয়।’

বাংলাদেশের হাইকমিশন ও তাদের ডেপুটি/সহকারী হাইকমিশনগুলোর জন্য ভারত সরকার নিরাপত্তা বাড়ানোর ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে এতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে, বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে সোমবার দুপুরের দিকে আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে ভাঙচুর ও জাতীয় পতাকা নামিয়ে ফেলা হয়।

ওই ঘটনার সময়কার কিছু ভিডিওতে দেখা যায় বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা নামিয়ে ফেলার পর তাতে আগুনও ধরিয়ে দিয়েছে।

কলকাতা থেকে বিবিসি সংবাদদাতা অমিতাভ ভট্টশালী জানান, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারের বিরুদ্ধে হিন্দু সংঘর্ষ সমিতি নামের একটি সংগঠনের সভা ছিল আগরতলার বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনের সামনে।

সভা শেষে সংগঠনের ছয়জনের একটি প্রতিনিধি দল হাইকমিশন কার্যালয়ের ভেতরে যায় স্মারকলিপি জমা দিতে।

এসময় বাইরে থাকা কিছু হিন্দু যুবক হঠাৎ বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশন কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা নামিয়ে ছিড়ে ফেলে- ঘটনাস্থল থেকে এমন কিছু ভিডিওচিত্র পাওয়া গেছে।

পরে হাইকমিশন কার্যালয়ের কিছু সাইনবোর্ড ভাঙচুর করে ও আগুন লাগিয়ে দেয় তারা।

সূত্র : বিবিসি

বাংলাদেশকে কঠোর হুঁশিয়ারী বিজেপি নেতা ও সনাতনীদের

বাংলাদেশের অন্তর্বতী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে হুঁশিয়ারি দিলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বললেন, কলকাতায় এক দিনে যে আবর্জনা বের হয়, সেটা বাংলাদেশে ফেলে দিলেই নাকি তাতে ঢাকা পড়ে যাবে!

বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর কথিত অত্যাচার এবং সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণদাসের গ্রেফতারির প্রতিবাদে সোমবার (২ ডিসেম্বর) বনগাঁওয়ের পেট্রাপোল সীমান্তে প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়। সেখানে এসব কথা বলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ও কেন্দ্রীয় ক্ষমতাসীন দল বিজেপি’র বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।

তিনি বলেন, ‘ইউনুস হুঁশিয়ার, এক দিনে শুধু কলকাতায় যে আবর্জনা বের হয়, ওটা ফেলে দিয়ে এলেই না ঢাকা পড়ে যাবেন আপনি। পাঙ্গা নিতে আসবেন না।’

ভুলে যাবেন না… ইউনুসকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর
সেখানেই থামেননি শুভেন্দু। বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে ইউনুস সরকারকে ‘ইতিহাস’ স্মরণ করিয়ে দেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। তিনি দাবি করেন, ‘১৯৭১ সালে ১৭ হাজার ভারতীয় জওয়ান আত্মবলিদান দিয়ে এই বাংলাদেশ তৈরি করে দিয়ে গেছেন। ভুলে যাবেন না। কেউ যদি অতীত ভুলে যান, তার ভবিষ্যৎ ভালো হয় না। ভালো হতে পারে না ভবিষ্যৎ।’

‘আলু, পেঁয়াজ কিভাবে খায় বাংলাদেশ, দেখিয়ে দেব’
আর ভবিষ্যৎ ভালো করতে চাইলে এখনই বাংলাদেশকে শুধরে যেতে হবে বলেও হুংকার দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘আমরা ঘোষণা করেছিলাম যে আজ পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে বাণিজ্য বন্ধ থাকবে। আজ সকাল ৬টা থেকে বাণিজ্য বন্ধ আছে। এটা ২৪ ঘণ্টা চলবে। আগামীকাল সকাল ৬টা পর্যন্ত (এটা চলবে)।’

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা আরো বলেন, ‘এটা ট্রেলার দেখিয়ে গেলাম। অত্যাচার বন্ধ না হলে এবং অত্যাচার বন্ধ না হলে এর পরের সপ্তাহে আমরা পাঁচ দিন বন্ধ করব। তারপর ২০২৫ সালে আমরা লাগাতার বন্ধ করে দেখব ওরা আলু-পেঁয়াজ কিভাবে খায়। আমাদের নাম ভারতবর্ষ।’

মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর
শুভেন্দু যেদিন সেই মন্তব্য করেন, সেদিনই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী জানান, বাংলাদেশে যা পরিস্থিতি, তাতে সেখানে জাতিসঙ্ঘের শান্তিরক্ষা বাহিনী পাঠানো উচিত। যদিও তা নিয়ে শুভেন্দু পাল্টা দাবি করেছেন, যখন শেখ হাসিনাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে প্রতিবাদ চলছিল, সেইসময় আক্রান্তদের পশ্চিমবঙ্গে ঠাঁই দেয়ার কথা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর এখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দায়িত্ব ঠেলছেন বলে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু।

সনাতনী সংগঠনের পক্ষ থেকে এ সভার আয়োজন করা হয়। সেখানকার সাধুরা বলেন, “সনাতনীদের এক হতে হবে। বাংলাদেশে অবিলম্বে ‘হিন্দু নিধনযজ্ঞ’ বন্ধ করতে হবে। পরের শুনানিতেই চিন্ময় প্রভুকে মুক্তি দিতে হবে।”

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

রাশিয়ার হামলায় আলেপ্পো হামলার নেতৃত্বদানকারী জুয়াইনি নিহত!

হায়াত তাহরির আল শাম (এইচটিএস) নেতা আবু মোহাম্মাদ আল জুয়াইনি রুশ হামলায় নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রোববার (১ ডিসেম্বর) সকালে আরব গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে এই দাবি করা হয়েছে।

জেরুসালেম পোস্টে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। সেগুলোকে আল জুয়াইনির লাশ বলে দাবি করা হচ্ছে।

সূত্রটি আরো জানিয়েছে, সম্প্রতি সিরিয়ার ক্ষমতাসীন আসাদ বাহিনীর বিরুদ্ধে দারুণ একটি অভিযান পরিচালনা করেছে এইচটিএস নেতৃত্বাধীন কয়েকটি দল। তারা ইতোমধ্যে আলেপ্পোর বেশিরভাগ পুনরুদ্ধার করে নিজেদের দখলে নিয়েছে।

রোববার রুশ গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী এক বিবৃতিতে বলেছে, সিরিয়ার সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর উপর বিমান হামলা করেছে রুশ বাহিনী।

সূত্র : জেরুসালেম পোস্ট

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা : তারেক রহমানসহ সব আসামি খালাস

একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। সেইসাথে আদালতের পর্যবেক্ষণে এ মামলা অবৈধ ছিল।

আজ রোববার বেলা ১১টায় বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণা উপলক্ষ্যে বিএনপির জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের আদালতে উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। কানায় কানায় পরিপূর্ণ ছিল এজলাস। সকাল ১১টায় রায় ঘোষণা শুরু করে হাইকোর্ট।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় আদালতের নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়।

এ মামলায় তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবরসহ বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতার সাজা হয়েছিল।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে এক সমাবেশে শেখ হাসিনাসহ নেতাকর্মীদের ওপর এই হামলা হয়। এতে দলটির নেতাকর্মীসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন শেখ হাসিনাসহ কয়েক শ’ নেতাকর্মী।

ওই হামলার ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দু’টি মামলা হয়।

২০১৮ সালে বিচারিক আদালত মামলা দু’টির রায় দেন।

রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।

এছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন এবং ১১ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের আদেশ দেয় আদালত।

মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ২০১৮ সালে এটি হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়।

অন্যদিকে, কারাগারে থাকা দণ্ডিত ব্যক্তিরা কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দুই মামলায় আলাদা জেল আপিল ও নিয়মিত আপিল করেন।

সূত্র : বিবিসি

শেখ হাসিনার আমলে বছরে গড়ে ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে

অর্থনীতিতে অনিয়ম ও দুর্নীতি তদন্তে গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রধান ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

আজ রোববার রাজধানীর তেজগাঁও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়।

পরে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বাসসকে জানান, শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে প্রতিবছর গড়ে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে।

তিনি বলেন, শ্বেতপত্রের প্রতিবেদনে অর্থনীতির প্রতিটি খাত ধরে ধরে আলাদা বিশ্লেষণ করে দেখানো হয়েছে উন্নয়নের গল্প সাজাতে কিভাবে পরিসংখ্যানকে ম্যান্যুপুলেট করা হয়েছে। উন্নয়নের গল্প শোনানো হলেও ভেতরে ভেতরে চলেছে লুটতরাজের এক মহাযজ্ঞ।

প্রতিবেদন গ্রহণ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই প্রতিবেদন আমাদের জন্য একটা ঐতিহাসিক দলিল। আর্থিকখাতে যে ধরনের ঘটনা ঘটেছে, তা ছিল একটা আতঙ্কের বিষয়। আমাদের সামনে এই ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু কেউ এটা নিয়ে কথা বলেননি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সূত্র : বাসস

এবার যুক্তরাজ্যে মিলল হাসিনার ঘনিষ্ঠদের বিপুল সম্পত্তির খোঁজ

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ বলয়ের সাবেক মন্ত্রীসহ রাজনীতিক ও ব্যবসায়ীদের বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে।

দেশটির আবাসন খাতে তাদের লগ্নি করা সম্পত্তির আর্থিক মূল্য ৪০ কোটি পাউন্ড (ছয় হাজার কোটি টাকা) বা আরো অনেক বেশি হতে পারে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

তদন্তকারীরা বিশ্বাস করেন, ব্যাংক থেকে নেয়া ঋণ পরিশোধ না করে বাংলাদেশ থেকে হুন্ডির মাধ্যমে পাচার করা অর্থ দিয়েই এসব সম্পত্তি কেনা হয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, হাসিনা সরকারের আমলে দেশ থেকে কমপক্ষে ১৭ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এর একটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণের গন্তব্য হয়েছে লন্ডন তথা যুক্তরাজ্য।

তবে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ও দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ব্যাংক খাত থেকে ১৭ বিলিয়ন ডলার পাচার হওয়ার কথা বললেও বাস্তবে তার পরিমাণ আরো বেশি।

নভেম্বরের শুরুতে ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে বছরে রাষ্ট্রীয় কাঠামো ব্যবহার করে সরকারের সাথে ঘনিষ্ঠ প্রভাবশালীরা ব্যাংক খাত ও বাণিজ্যের আড়ালে প্রতি বছর ১২ থেকে ১৫ বিলিয়ন ডলার পাচার করেছে। যদিও শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে কী পরিমাণ টাকা পাচার হয়েছে, এর প্রকৃত হিসাব কোথাও নেই।

ব্রিটিশ দৈনিক অবজারভার ও বার্লিনভিত্তিক দুর্নীতিবিরোধী প্রতিষ্ঠান ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের যৌথ অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে এসেছে। শনিবার যুক্তরাজ্যের দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান এই অনুসন্ধান নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবজারভার ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের যৌথ অনুসন্ধানে যুক্তরাজ্যে শেখ হাসিনা-ঘনিষ্ঠ কয়েকজন ব্যক্তির নামে প্রায় ৩৫০টি সম্পত্তির তথ্য পাওয়া গেছে।

অফশোর কোম্পানির মাধ্যমে কেনা এই সম্পত্তির অনেকগুলোর মালিকানায় রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের পরিবারের সদস্যরা। এছাড়া সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার ও তাদের পরিবারের সদস্যরা।

এর মধ্যে মাঝারি মানের ফ্ল্যাট থেকে শুরু করে সুবিশাল অট্টালিকা (ম্যানশন) পর্যন্ত রয়েছে। যুক্তরাজ্য ও দেশটির বাইরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের (অফশোর কোম্পানি) নামে সম্পত্তিগুলো কেনা হয়েছে।

বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান বর্তমানে বাংলাদেশে কারাবন্দী অবস্থায় রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগে বাংলাদেশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তদন্ত করছে। এছাড়া সালমান ও তার পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা যায়, সালমানের পরিবারের সদস্যদের লন্ডনের মেফেয়ার এলাকার গ্রোসভেনর স্কয়ারে সাতটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টের মালিকানা বা মালিকানায় অংশীদারত্ব রয়েছে। এগুলোর বেশিভাগই অফশোর কোম্পানির মাধ্যমে কেনা।

এর মধ্যে ২০২২ সালের মার্চ মাসে দুই কোটি ৬৭ লাখ ৫০ হাজার পাউন্ডে একটি অ্যাপার্টমেন্ট কিনেন সালমানের ছেলে আহমেদ শায়ান রহমান। সেখানে তিন কোটি ৫৫ লাখ পাউন্ডে কেনা তার একটি ফ্ল্যাটও রয়েছে। ২০২২ সালে শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানা লন্ডনে শায়ান রহমানের একটি বাড়িতে বিনা ভাড়ায় থাকতেন বলে খবর বেরিয়েছিল।

গ্রোসভেনর স্কয়ারে এবং এর কাছাকাছি এই পরিবারের আরেক সদস্য আহমেদ শাহরিয়ার রহমানের কোটি ৩০ লাখ পাউন্ড মূল্যের আরো চারটি সম্পত্তি রয়েছে। এসব সম্পত্তি অফশোর কোম্পানির মাধ্যমে কেনা হয়েছে। এ বিষয়ে শায়ান রহমান ও শাহরিয়ার রহমানের আইনজীবীরা বলেছেন, মানি-লন্ডারিং আইনসহ আর্থিক বিধিবিধান পুরোপুরি মেনেই সম্পত্তিগুলো কেনা হয়েছে।

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের ভূমি নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তার পরিবারের তিন শ’টির বেশি সম্পদ রয়েছে। এগুলোর মূল্য কমপক্ষে ১৬ কোটি পাউন্ড।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা গত সেপ্টেম্বরে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর বৈশ্বিক সম্পত্তি নিয়ে ‘দ্য মিনিস্টার্স মিলিয়নস’ শিরোনামের একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেই প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিদেশে তার আনুমানিক ৫০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের সম্পত্তির রয়েছে।

বিএফআইইউ বাংলাদেশে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ব্যাংক হিসাবও জব্দ করেছে। তার ও তার পরিবারের সদস্যদের স্থাবর সম্পত্তি জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সরকার সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ওপর দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এছাড়া দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বিপুল অর্থ অর্জনের অভিযোগ তদন্ত করছে।

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনীতিকদের বাইরে বাংলাদেশের ধনী ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদেরও যুক্তরাজ্যে সম্পত্তি রয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাজ্যের সারে এলাকায় বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের পরিবারের সদস্যদের দু’টি সম্পত্তি রয়েছে। এক কোটি ৩০ লাখ পাউন্ড দিয়ে অফশোর কোম্পানির মাধ্যমে এ সম্পত্তি কেনা হয়েছে। এছাড়া অবজারভার
এলাকাটিতে পরিদর্শনে গিয়ে আহমেদ আকবর সোবহানের এক ছেলের মালিকানাধীন একটি অট্টালিকারও সন্ধান পেয়েছে।

বাংলাদেশ সরকার গত ২১ অক্টোবর আহমেদ আকবর সোবহানসহ তার পরিবারের ছয় সদস্যের ওপর দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এছাড়া তাদের ব্যাংক হিসাবও জব্দ করেছে বিএফআইইউ। এ বিষয়ে গার্ডিয়ানের সাথে কথা বলেছেন বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান ও আহমেদ আকবর সোবহানের ছেলে সাফওয়ান সোবহান। তিনি বলেন, তার পরিবার তাদের বিরুদ্ধে তোলা সব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছে।

এদিকে সিআইডি নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগ তদন্ত করছে। তার সম্পত্তিও জব্দ করা হয়েছে। লন্ডনের কেনসিংটনে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা কিভাবে তিন কোটি ৮০ লাখ পাউন্ডের পাঁচটি সম্পত্তি কিনেছেন, তা খতিয়ে দেখছে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

তবে নজরুল ইসলাম মজুমদারের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, তিনি এসব সম্পত্তি অবৈধ উপায়ে কেনার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

সূত্র : বাসস

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই তারেক রহমানকে অভিযুক্ত করেছিল ফ্যাসিবাদী আ’লীগ : মির্জা ফখরুল

২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা থেকে বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সকল আসামি উচ্চ আদালত হাইকোর্ট থেকে খালাস পাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার বিএনপি মহাসচিব বলেন, এ রায়ে প্রমাণ হলো আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে এ মামলাতে তারেক রহমানকে অভিযুক্ত করেছিল। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আনীত মামলার অভিযোগ থেকে তিনি আইনগতভাবে মোকাবিলা করে উচ্চ আদালত থেকে বেকসুর খালাস পেয়েছেন।

ঐতিহাসিক রায়ের মধ্যে দিয়ে আবারো প্রমাণিত হলো যে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আনিত সকল মামলাই রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র মূলক ছিল।

বিচারিক আদালতের রায় বাতিল করে আজ বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় দেখে আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত : অ্যাটর্নি জেনারেল

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় হাইকোর্টের রায়ের কারণ দেখে ও নির্দেশনা নিয়ে তারপর আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো: আসাদুজ্জামান।

রোববার (১ ডিসেম্বর) হাইকোর্ট এ বিষয়ে রায় দেয়ার পর আপিল সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। 

এর আগে আজ পৌনে ১২টায় একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সব আসামিকে খালাস দিয়ে রায় দেন হাইকোর্ট।

মামলায় সম্পূরক অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে বিচারিক আদালতের বিচার অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে আজ রোববার রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে ডেথ রেফারেন্স নাকচ করে ও আসামিদের আপিল মঞ্জুর করে এ রায় দেয়া হয়। ফলে এ মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ দণ্ডিত সব আসামি খালাস পেলেন। বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ এ রায় দেন।

হাইকোর্টের একই বেঞ্চ গত ২১ নভেম্বর আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি গ্রহণ শেষ করেন। সেদিন আদালত মামলা দুটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখেন। আজ রায় ঘোষণা করা হলো।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় করা মামলায় (হত্যা ও বিস্ফোরক মামলা) ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ রায় দেন। রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে দেয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। এ ছাড়া ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন বিচারিক আদালত।