Home Blog Page 514

জীবনের নানা উত্থান-পতন নিয়ে কথা বলতে হয় জীবনসঙ্গীর সঙ্গে: রণবীর

চলতি বছরের শুরুতেই বলিউড অভিনেতা রণবীর সিং ও দীপিকা পাড়ুকোন ঘোষণা করেছিলেনÑ সেপ্টেম্বর নাগাদ তাদের পরিবারে আসতে চলেছে নতুন সদস্য। তারপরই রণবীর বলেছিলেনÑ সন্তানের দেখভালের জন্য কিছু দিন বিরতি নেবেন তিনি। পিতৃত্বকালীন ছুটি। ইতোমধ্যে রণবীর-দীপিকার কোলে এসেছে প্রথম সন্তান ‘দুয়া’। আর প্রকাশ্যে জানালেন অভিনেতাÑ দুয়ার জন্য যে কাজ করতে পারেন তিনি।
স¤প্রতি দম্পতিকে দেখা গেছে বিমানবন্দরে। দীপিকার কোলে ছোট্ট দুয়া। ফটোসাংবাদিকরা তাকে ক্যামেরায় ধরতে না পারলেও দীপবীরের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এবার এক অনুষ্ঠানে মেয়েকে নিয়ে নিজের মনের কথা জানালেন রণবীর।
আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, সেপ্টেম্বর মাসে বলিউড অভিনেতা রণবীর সিং ও দীপিকা পাড়ুকোনের কোলে এসেছে প্রথম সন্তান। দীপাবলির সময় দম্পতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছিলেনÑতাদের মেয়ের নাম দুয়া, যার অর্থ প্রার্থনা। বাবা ও মা দুজনের পদবিই ব্যবহার করবে দুয়া। কিন্তু এই সময়ের মধ্যেই বাবা রণবীরের জীবনে বড়সড় পরিবর্তন এনে ফেলেছে মাস দুয়েকের দুয়া।
বাবা হিসাবে কেমন লাগছে?Ñএমন প্রশ্ন উঠতেই নিজের অনুভূতি সম্পর্কে রণবীর বলেন, অপার আনন্দ। বাবা হওয়ার অনুভূতি নিয়ে বলতে গিয়ে অভিনেতা দাবি করেন, আপাতত এই ভালোলাগা আর ভালোবাসায় ডুবে রয়েছেন তিনি। নিজের স্বভাবগত রসিকতায় ভক্তদের তিনি বলেন, বেশ কয়েক দিন ধরে আমি বাবার ভূমিকায় রয়েছি। তাই এখন তোমাদের সবাইকে ছেড়ে দিতেও প্রস্তুত।
এই বিশেষ সফরে স্ত্রীর ভূমিকাও তার কাছে প্রশংসনীয়। দীপিকার ভূমিকা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে একটি শব্দ ব্যবহার করেন অভিনেতাÑ ‘জাদু’। তার মতে, জীবনের নানা উত্থান-পতন নিয়ে কথা বলতে হয় জীবনসঙ্গীর সঙ্গে। আর এই বন্ধনটাই তার কাছে জাদুর মতো।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার গ্রুপে বাংলাদেশ

অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় আসর বসবে মালয়েশিয়ায়। আগামী ২০২৫ সালের ১৮ জানুয়ারি থেকে মাঠে গড়াবে এই আসর। তার আগে, টুর্নামেন্টের সূচি ঘোষণা করেছে আইসিসি। যেখানে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার গ্রুপে পড়েছে বাংলাদেশ।
এবারের অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপে গ্রুপ ডি’ তে পড়েছে বাংলাদেশ। যেখানে তাদের বাকি প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া, স্কটল্যান্ড ও নেপাল।
অবশ্য যুব বিশ্বকাপের গত আসরেও অস্ট্রেলিয়ার গ্রুপে পড়েছিল বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত সেই আসরে অজি মেয়েদের হারিয়েছিল বাংলাদেশ। তাই নয়, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সুপার সিক্সেও গিয়েছিল বাংলাদেশ। যদিও টাইগ্রেস মেয়েদের এরপর সেমিফাইনাল খেলা হয়নি।
সব মিলিয়ে ১৬টি দল অংশ নিচ্ছে এবারের আসরে। যেখানে চার গ্রুপে ভাগ হয়ে লড়বে দলগুলো। সেখান থেকে শীর্ষ তিন দল নিয়ে হবে মোট ১২টি দল। যারা দুভাগে ভাগ হয়ে সুপার সিক্সে খেলবে দলগুলো। পরে দুই গ্রুপের শীর্ষ ২টি করে দল সেমিফাইনালে যাবে। এরপর আগামী ২ ফেব্রুয়ারির ফাইনাল দিয়ে পর্দা নামবে আসরের।

বাংলাদেশে আসছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ২০২৫ ট্রফির পরিভ্রমণ শুরু হয়েছে। শনিবার আয়োজক দেশ পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ থেকে শুরু হয়েছে ট্রফির পরিভ্রমণ। ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তানের বিভিন্ন শহর ঘুরে ২৬ থেকে ২৮ নভেম্বর আফগানিস্তানে ঘুরবে ট্রফি।
এরপর বাংলাদেশে ১০ থেকে ১৩ ডিসেম্বর চারদিন ট্রফিটি পরিভ্রমণ করতে পারে বলে শনিবার জানিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ঢাকা ও কক্সবাজারে ট্রফি প্রদর্শন করা হতে পারে।
এদিকে ভারতের আপত্তির ফলে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের তিনটি শহরে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করেছে আইসিসি।
পাকিস্তানের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি মাঠে গড়ানো নিয়ে অবশ্য এখনও শঙ্কা আছে। ভারত তাদের ম্যাচগুলো পাকিস্তানের বাইরে খেলতে চাচ্ছে। যা নিয়ে এখন দু’দেশের মধ্যে দ্বন্দ চলমান। তবে টুর্নামেন্ট মাঠে গড়ানোর খুব বেশি সময় বাকি না থাকায় খুব দ্রুতই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে আইসিসিকে।
ভারতের সঙ্গে দ্বন্দের পর প্রশ্ন উঠেছে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ভারতে যাবে কিনা। তবে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ চললেও আইসিসি ট্রফি পরিভ্রমণে ভারতকেও রেখেছে। এ হিসেব মতে আগামী ১৫-২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ভারতে থাকার কথা। এরপর সেখান থেকে আয়োজক পাকিস্তানে যাবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি।

‘সেভেনআপ’-এ জার্মানির রেকর্ড

২০১৪ বিশ্বকাপে জার্মানির সেভেনআপের শিকার হয়েছিল ব্রাজিল। এখনও যা ব্রাজিলিয়ানদের পোড়ায়। এবার ব্রাজিলিয়ানদের মতো বসনিয়াও শিকার হয়েছে সেভেনআপের। সবশেষ উয়েফা নেশন্স লিগের ম্যাচে বসনিয়াকে ৭-০ গোলে ধসিয়ে দিয়েছেন জার্মানরা।
নেশন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল আগেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল জার্মানির। বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনার বিপক্ষে জার্মানদের জন্য ম্যাচটি ছিল গ্রুপসেরা হওয়ার। আর সেই ম্যাচে প্রতিপক্ষকে নাকানিচুবানি খাইয়ে ম্যাচ জিতেছে জার্মানি। জয় তুলেছে ৭-০ গোলে। যা উয়েফা নেশনস লিগের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড।
রেকর্ড গড়া ম্যাচে জার্মানির হয়ে জোড়া গোল করেছেন ফ্লোরিয়ান ভির্টৎস এবং টিম ক্লেইনডিয়েনস্ট। একটি করে গোল করেছেন জামাল মুসিয়ালা, কাই হাভার্টজ ও লেরয় সানে।
ফ্রেইবুর্গের ইউরোপা-পার্ক স্টেডিয়নে হওয়া ম্যাচটিতে জার্মানিকে ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই এগিয়ে দেন মুসিয়ালা। ২৩তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন টিম ক্লেইনডিয়েনস্ট। বরুসিয়া খেলা এই ফরোয়ার্ড গত মাসে বসনিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে পা রেখেছিলেন। একই প্রতিপক্ষকে আবার সামনে পেয়ে করেছেন নিজের প্রথম গোল।
বড় এই জয়ের পর গ্রুপ এ৩-এ ১৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থানে উঠে আসে জার্মানি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা নেদারল্যান্ডস ৫ পয়েন্ট পেছনে। গ্রুপ পর্বে জার্মানির পরের ম্যাচ মঙ্গলবার রাতে হাঙ্গেরির বিপক্ষে।

আর্জেন্টিনার জার্সি উন্মোচনের বিজ্ঞাপনে বাংলাদেশ

কাতার বিশ্বকাপে না থেকেও ছিল বাংলাদেশ। বাংলাদেশি ফুটবল প্রেমিদের চিনেছিল গোটা বিশ্ব। বিশেষ করে চিনেছিল আর্জেন্টিনা। যাদের প্রতিটি জয়ে আনন্দ মিছিল হয়েছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়। হাজার মাইল দূরের কোনো দেশকে স্বার্থ ছাড়াই এভাবে সমর্থন যোগানো বিরল ঘটনা।
বাংলাদেশের সমর্থকরা সেই ভালোবাসায় দেখিয়েছে আর্জেন্টিনাকে। যা জানতে পেরে বিভিন্ন সময় বাংলাদেশি সমর্থকদের প্রতি নিজেদের কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে দেশটি। এবার আরও একবার বাংলাদেশি সমর্থকদের সম্মান জানাল দেশটি। নিজেদের নতুন জার্সি উন্মোচনের প্রকাশিত ভিডিওতে বাংলাদেশি সমর্থকদের উদযাপনকে স্থান দিয়েছে তারা।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জাতীয় দলের নতুন জার্সি উন্মোচন করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশন। ১ মিনিট ১৭ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে ছিলেন দেশটির মহাতারকা লিওনেল মেসি। জার্সির স্পন্সর প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাসের সাথে আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশনের সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে তৈরি করা হয়েছে এই বিশেষ জার্সি। যেই ভিডিওতে স্থান দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশকেও।
ভিডিওর ৪৮ ও ৪৯ সেকেন্ডে দেয়ালে ঝোলানো একটি টিভিতে দেখা যায়, আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে বাংলাদেশের সমর্থকদের উল্লাস। বাংলাদেশের একটি জায়গায় বড় স্ক্রিন বসিয়ে আর্জেন্টিনার গোল উদযাপন করছেন হাজারো বাংলাদেশি।
বাংলাদেশে চলা ছাত্র-আন্দোলনেও সমর্থন ছিল আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এঞ্জো ফার্নান্দেজের। বাংলাদেশি ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সে সময় পোস্ট দিয়েছিলেন তিনি। এছাড়াও দলটির কোচ ও বাকিরাও নানা সময় বাংলাদেশি সমর্থকদের কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। মাঝে সেই ভালোবাসা থেকে বাংলাদেশে এসে ঘুরে গেছেন দলটির গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।
উল্লেখ্য, বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে আগামী ২০ নভেম্বর পেরুর বিপক্ষে নতুন এই জার্সি গায়ে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। প্যারাগুয়ের বিপক্ষে আগের ম্যাচে ২-১ গোলের হারের পর এখন ঘুরে দাঁড়ানোর মিশন মেসিদের।

বিচারের জন্য হাসিনাকে ভারত থেকে ফেরত চাওয়া হবে

বিচারের জন্য শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফেরত চাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আদালতেও জুলাই-আগস্ট গণহত্যাসহ গুম-খুনের বিচার হবে। প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত কাজ ভালোভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। বিচারের আওতায় পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকেও ভারত থেকে ফেরত চাওয়া হবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষ্যে রোববার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, বিগত ১৫ বছরে দেশে সংঘটিত প্রত্যেকটি গুম, খুন ও সর্বশেষ জুলাই-আগস্ট গণহত্যায় জড়িতদের আন্তর্জাতিক আদালতেও বিচারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টের প্রধান কৌশলী করিম খানের সঙ্গে ইতোমধ্যে কথা হয়েছে।


ড. ইউনূস বলেন, আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রথম ১০০ দিন অতিক্রম করলাম। আপনারা জানেন কী কঠিন এক পরিস্থিতিতে আমাদের দায়িত্ব গ্রহণ করতে হয়েছে। ছাত্র-শ্রমিক-জনতার অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানের পর ফ্যাসিস্ট সরকার প্রধান পালিয়ে গেলে দেশ সরকার-শূন্য হয় সাময়িকভাবে। পুলিশ প্রশাসনও এ সময় সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়লে উদ্বেগজনক এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

তিনি বলেন, স্বৈরশাসনে বিপর্যস্ত এই দেশকে আমাদের সবাইকে মিলে পুনর্গঠন করতে হচ্ছে। জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের পর আমরা এমন একটি দেশ হাতে পেয়েছি যার সর্বত্র ছিল বিশৃঙ্খলা। স্বৈরশাসন টিকিয়ে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বিপ্লব চলাকালে প্রায় দেড় হাজার ছাত্র-শ্রমিক জনতার শহিদি মৃত্যু হয়।

তিনি আরো বলেন, আমাদের সরকার প্রতিটি মৃত্যুর তথ্য অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে জোগাড় করছে। এই বিপ্লবে আহত হয়েছেন ১৯ হাজার ৯৩১ জন। আহতদের জন্য ঢাকার ১৩টি হাসপাতালসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিদিনই তালিকায় আরো নতুন নতুন শহিদের তথ্য যোগ হচ্ছে যারা স্বৈরাচারের আক্রোশের শিকার হয়ে এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। প্রতিটি হত্যার বিচার আমরা করবই। জুলাই-আগস্ট হত্যাকাণ্ডের বিচারের যে উদ্যোগ আমরা নিয়েছি, তার কাজও বেশ ভালোভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকেও আমরা ভারত থেকে ফেরত চাইব।

যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

নিউইয়র্ক (ইউএনএ): বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য, সাবেক মন্ত্রী মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম পচাত্তুরের সাতই নভেম্বরের ঘটনা তুলে ধরে বলেছেন, ঐদিনের পথ ধরেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র ক্ষতায় আসেন এবং পরবর্তীতে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। দেশের স্বাধীন যুদ্ধ ঘোষণা থেকে শুরু করে আমৃত্যু রাষ্ট্র পরিচালনায় জিয়া প্রকৃত দেশ প্রেমিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া ছিলেন সৎ ও সফল রাষ্ট্র নায়ক। মেজর হাফিজ বলেন, পচাত্তুরে ‘সিপাহী-জনতা’র সংহতির মধ্য দিয়ে জিয়া সেনাবাহিনীর বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন এবং সেসময় দেশে যে ঐক্যের সৃষ্টি হয়েছিলো, সেই ঐক্য আর সংহতি আমাদের জাতীয় জীবনে অনুপ্রেরণা হয়ে রয়েছে। তিনি বলেন, দেশকে সুসংগঠিত করতে ঐক্যের কোন বিকল্প নেই। খবর ইউএনএ’র।
কমিটি বিহীন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সমন্বয়ক কমিটির আয়োজনে এবং যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র ব্যানারে ঐতিহাসিক সাতই নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালন সভায় ভার্চ্যুয়ালী প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেজর (অব:) হাফিজ উপরোক্ত কথা বলেন। মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসের একটি পার্টি হলে এই সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও বিশেষ দোয়া মুনাজাত পরিচালণা করেন জাতীয়তাবাদী ফোরাম যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সভাপতি মওলানা ওমর ফারুক। এরপর ৫২’র ভাষা আন্দোলন ও একাত্তুরের মহান মুক্তিযুদ্ধ সহ দেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

USA BNP 07 Nov Obsarved 12 Nov 2024 Pic 06 edited

যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. মজিবুর রহমান মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ বক্তা ছিলেন রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের সাবেক ছাত্রদল নেতা ড. জাহিদ দেওয়ান শামীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, সাবেক ছাত্র নেতা আব্দুস সবুর, যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সাবেক নেতা শাহ আলম ও নিউইয়র্ক ষ্টেট বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম আহবায়ক নাসিম আহমেদ।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মোশাররফ হোসেন সবুজ ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাকসুদুল হক চৌধুরীর যৌথ পরিচালনায় সভায় বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক সাঈদ তারেক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মশিউর রহমান ও সুরুজ্জামান, ঝালকাঠি জেলা বিএনপি’র সহ সভাপতি আলহাজ শহীদুল ইসলাম শিকদার, মহিলাদল নেত্রী সৈয়দা মাহামুদা শিরিন মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন।

Munazat Pic 03

সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী ফোরাম যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন ইউএসএ’র সভাপতি জুনায়েদ আল জাফরি, সহ-সভাপতি আজিজুল বারী তিতাস, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত মেকাপম্যান মৃধা মোঃ জসিম উদ্দিন, সাবেক ছাত্রনেতা জীবন শফিক, মাসুদ হোসেন ও হুমায়ূন কবির, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গণদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও জাসাস নেতা নাজমুল হুসাইন মুন্সী, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদ রহমান, বরিশাল জাতীয়তাবাদী ফোরাম ইউএসএ’র সাধারণ সম্পাদক মাযহারুল ইসলাম মিরন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য নূর আলম, হাবিবুর রহমান হাবিব, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মাহমুদুল হক, বিএনপি নেতা ফারুক আহমেদ, মোঃ তালেব মাতবর, যুবনেতা বাচ্চু মিয়া, আল মামুন, ফরহাদ মৃধা, আদনান, আরমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন বলে আয়োজকরা জানান।
সভায় ডা. মজিবুর রহমান মজুমদার বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, পচাত্তুরের সাতই নভেম্বর, জাতীয় সংহতি, বিএনপি’র প্রতিষ্ঠা আর জুলাই-আগষ্ট বিপ্লব একই সূত্রে গাঁথা। তিনি বলেন, দেশের চলমান পরিস্থিতির প্রেক্ষপটে পচাত্তুরের সাতই নভেম্বরের ঘটনা গভীরভাবে পর্যালোচনা দাবী রাখে। তাই ইতিহাস থেকে আমাদের সত্য ঘটনা জেনে আগামীর বাংলাদেশ গড়তে হবে। বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া আর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপিকে শক্তিশালী করতে হবে।

নিউইয়র্ক প্রবাসী লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাহমুদ রেজা চৌধুরীর পুত্র তানজিরের ইন্তেকাল

নিউইয়র্ক (ইউএনএ): বিশিষ্ট লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাহমুদ রেজা চৌধুরী এবং সাবেক ব্যাংকার সুরাইয়া খানমের একমাত্র পুত্র তানজির রেজা চৌধুরীর নামাজে জানাজা শনিবার (১৬ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে (জেএমসি) অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা নামাজ শেষে তানজিরের মরদেহ লং আইল্যান্ডের ওয়াশিংটন মেমোরিয়াল পার্ক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
উল্লেখ্য, হার্ট অ্যাটাকের শিকার হয়ে তানজির রেজা চৌধুরী শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) সকালে নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডস্থ নরশোর হাসপাতালের শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তার বয়স হয়েছিলো ৩৯ বছর। মৃত্যুকালে তানজির স্ত্রী এটর্নী সুরাইয়া রহমান ও মা-বাবা সহ অনেক আত্মীয়-স্বজন রেখে যান। খবর ইউএএ’র।

Tanzeer Chow Zanaja 16 Nov 2024 Pic 03 edited

তানজির রেজা চৌধুরীর নামাজে জানাজায় সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশী অংশ নেন। এছাড়াও বিপুল সংখ্যক বিদেশীও সমবেদনা জানাতে জেএমসিতে উপস্থিত হন। জেএমসি-তে তার মরদেহ আনার পর শেষবারের মতো তাকে দেখার সময় তাঁর মা-বা সহ অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। এসময় বাবা মাহমুদ রেজা চৌধুরী পুত্রের কফিনের পাশে দাঁড়িয়ে বিশেষ দোয়া মুনাজাত করেন। এরপর জানাজা নামাজের পূর্বে উপস্থিত মুসল্লীদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন এবং একমাত্র পুত্রের জন্য দোয়া কামনা করেন। এরপর জেএমসি’র ইমাম ও খতিব মির্জা আবু জাফর বেগ সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।
এদিকে মাহমুদ রেজা চৌধুরী বার্তা সংস্থা ইউএনএ-কে জানান, কয়েক সপ্তাহ আগা তানজির স্বস্ত্রীক থাইল্যান্ড বেড়াতে যায়। সেখানে অসুস্থবোধ করলে দ্রুত নিউইয়র্ক ফিরে আসে। পরবর্তীতে তানজির চিকিৎসকদের দারস্ত হয় এবং শরীর খারাপ বোধ করলে চিকিৎসকের পরামর্শে লং আইল্যান্ডের নর্থশোর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার হার্টে একটি ৯০% এবং অপরটি ১০০% ব্লক ধরা পড়লে তাৎক্ষনিকভাবে রিং পড়ানো হয়। এরপর হাসপাতালে সপ্তাহ খানেক থাকার পর চিকিৎসকরা তাকে বাসায় বেড রেষ্টে থাকার পরামর্শ দিয়ে হাসপাতালথেকে রিলিজ করে দেয়। গত ১৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তানজিরের শারীরিক অবস্থা ষ্টেবল ছিলো। এদিন মাহমুদ রেজা চৌধুরী স্বস্ত্রীক পুত্রকে দেখতে তার লং আইল্যান্ডের বাসায় দেখতে যান এবং দীর্ঘ সময় মা-বাবা পুত্রের সাথে সময় কাটান। এটাই ছিলো পুত্র তানজিরের সাথে মা-বাবার শেষ দেখা ও কথা। এর পরদিন শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পুত্রবধু এটর্নী সুরাইয়া রহমান জরুরী ফোন কলে জানান যে, তানজিরের অবস্থা খারাপ এবং তাকে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শোক প্রকাশ: কমিউনিটির পরিচিত মুখ, বিশিষ্ট লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাহমুদ রেজা চৌধুরীর পুত্র বিয়োগে নিউইয়র্কের বিভিন্ন বাংলা মিডিয়ার সম্পাদক, সাংবাদিক, কবি-লেখক এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন।

নিউইয়র্কের বৈষম্যবিরোধী প্রবাসী নাগরিক আন্দোলন সংগঠন এর জাকজমকপূর্ণ বারবিকিউ পার্টি ও লাঞ্চের আয়োজন

নিউইয়র্ক প্রতিনিধি: বাংলাদেশে ছাত্র—জনতার অভ্যুথানের পর গঠিত অন্তবর্তীকালীন সরকারকে সমর্থন জানিয়ে নিউইয়র্কের বৈষম্যবিরোধী প্রবাসী নাগরিক আন্দোলন_ইউএসএ গত কয়েকমাস থেকেই ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন সভা ও সমাবেশ ও সামাজিক প্রোগ্রাম করে আসছে. এরই ধারাবাহিকতায় গত রবিবার নিউইয়র্কের লংআইল্যান্ডের ভ্যালি স্টিমে বৈষম্যবিরোধী প্রবাসী এই সংগঠনটির নবগঠিত কমিটির পক্ষ থেকে সংগঠনের সদস্য সচিব ও প্রধান সমন্বয়ক -আহমেদ সোহেলের বাসায় এক জাকজমকপূর্ণ বারবিকিউ পার্টি ও লাঞ্চের আয়োজন করা হয়| 

IMG 3444

বৈষম্যবিরোধী প্রবাসী নাগরিক আন্দোলন_ইউএসএ সংগঠনের নবগঠিত উপদেষ্টা ও কার্যকরী কমিটির এই বারবিকিউ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সভাপতি কেন্দ্রীয় বিএনপির অন্যতম নির্বাহী সদস্য ও বর্ষীয়ান রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব জনাব আব্দুল লতিফ সম্রাট , সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা- কেন্দ্রীয় বিএনপির অন্যতম নির্বাহী সদস্য এবং কলামিস্ট রিটা রহমান. পুরো আয়োজনটি পরিচালনা করেন সংগঠনের মেম্বার সেক্রেটারি এবং বিশিষ্ট আইটি বিশেষজ্ঞ জনাব আহমেদ সোহেল।অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জামাল আহমেদ জনি , যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন আনোয়ার বর্ষীয়ান সাংবাদিক তাসের মাহমুদ, বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব  মোহাম্মদ বাসেত, উপদেষ্টা ডক্টর আহমেদ ইফতেখার , বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ঢাকার সাবেক মেয়র মরহুম সাদেক হোসেন খোকার কনিষ্ট পুত্র ইসফাক হোসেন , যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার রাজনীতিবিদ মিজান চোধুরী , কুইন্স কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট জজ সোমা সায়েদ , ডক্টর লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ শফি , মোহাম্মদ আনিসুল ইসলাম জাসির , বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব খন্দকার ফরহাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ সুরুজ্জামান, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর , উপদেষ্ট. কিউ জামান , বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ সায়েদুল হক , ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল খালেক বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মোস্তাক আহমেদ , রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ হোসেন , রাজনীতিবিদ রেজোয়ানা সেতু, যুগ্ন আহ্বায়ক আবুল বাশার, যুগ্ন আহ্বায়ক আব্দুল হামিদ সোহেল, নিউ ইয়র্ক প্রেস ক্লাবের সভাপতি মনোয়ারুল ইসলাম ও তাঁর সহধর্মিনী আফরোজা ইসলাম, যুগ্ন সদস্য সচিব এ.আউয়াল, সাইদুল ইসলাম রিয়াদ , আমিনা আঁখি , আইটি স্পেশালিস্ট মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম , ফারজানা সাথী ,পাহলভী , আলামিন , নুরুল হক , মেহেরুন নাহার মাজেদা , জিয়াউল হক জিয়া , হাবিবুল বাহার , রাজু আহমেদ ,আহাদ সহ প্রমুখ. বৈষম্যবিরোধী সংগঠনটির এই অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দ এইসময় সুন্দর আয়োজনের জন্য অনুষ্ঠানের হোস্ট আহমেদ সোহেলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন.

অনুষ্ঠানের ফাঁকে অনির্ধারিত আলোচনায় বক্তারা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার করে বাংলাদেশে অতি দ্রুত একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানান . এই সময় বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ আব্দুল লতিফ সম্রাট যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বৈষম্যবিরোধী এই সংগঠনটির ধারাবাহিক প্রোগ্রামগুলো সফলভাবে আয়োজনের জন্য সংগঠনের সদস্য সচিব আহমেদ সোহেল সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান! অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে আব্দুল লতিফ সম্রাট ও রিটা রহমানের নেতৃত্বে উপস্থিত সকলে মিলে কেক কেটে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী কালীন সরকারের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন !

ট্রাম্পের অধীনে আমেরিকা : যেভাবে দেখছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আমেরিকায় ইতিহাস গড়ে আবারো প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর ভোট গণনার সময় ট্রাম্পের জয় প্রায় নিশ্চিত হতেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান ট্রাম্পকে। ট্রাম্প-মোদির রসায়নের ফলে আগামীতে ভারত-মার্কিন সম্পর্ক আরো মধুর হতে পারে বলে আশা করছেন অনেকেই।

এদিকে, ট্রাম্পের অধীনে আমেরিকা কোন পথে এগোবে? শনিবার হিন্দুস্তান টাইমস লিডারশিপ সামিটে এ নিয়ে নিজের মতামত জানালেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকর।

ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে আমেরিকার অর্থনীতি কোন পথে চলতে পারে বলে মনে করেন জয়শংকর? ট্রাম্পের নীতি নিয়ে জয়শংকর বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমেরিকাকে আরো প্রতিযোগিতামূলক করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং এ লক্ষ্যে ব্যবসায়িক কার্যক্ষমতার একটি শক্তিশালী উপাদান নিয়ে এসেছেন।’

‘এ ধরনের একটি আমেরিকা এমন পার্টনারের সন্ধান করবে যাদের সাথে তারা পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে পারবে,’ বলেন তিনি।

জয়শংকর আরো বলেন, ‘ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের অর্থনৈতিক ও উৎপাদন স্বার্থের বিষয়ে আরো সচেতন হবে। কারণ অনেক ক্ষেত্রেই এ প্রযুক্তি জড়িয়ে আছে জাতীয় নিরাপত্তার সাথে। বর্তমানে প্রযুক্তি ও জাতীয় নিরাপত্তা বিভক্ত করা যাবে না। এবং এটি ডিজিটাল ও এআই বিপ্লবের অংশ।’

তিনি বলেন, ‘আমেরিকা নিজে বৈশ্বিক শক্তিধর দেশ হলেও তারা সব কিছু নিজেরা করতে পারবে না। তাই তাদের অংশীদার দেশ লাগবে।’

জয়শংকর দাবি করেন, ‘মার্কিন নাগরিকরা বিশ্বায়নের প্রভাব নিয়ে অখুশি। আর বিশ্বায়নের সবচেয়ে লাভবান দেশ হলো চীন।’

‘যদি মার্কিন নাগরিকদের ভোটের বিশ্লেষণ করা হয়, তাহলে বোঝা যাবে যে তারা বিশ্বায়নের প্রভাবে অসন্তুষ্ট। বিশ্বায়ন নিয়ে বর্তমানে যখনই আলোচনা করতে হবে, তখনই চীনের নাম নিতে হবে। কারণ তারাই বিশ্বায়নের ফলে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছে। গত ২৫ বছরে বিশ্বায়নের একটি নির্দিষ্ট মডেল অনুসরণ করা হয়েছে। এবং আমেরিকার ক্লিনটন প্রশাসনই সেই মডেল নিয়ে এসেছিল,’ বলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এরপর জয়শংকর বলেন, “ভারত কেন শুধু বিশ্বের জন্যে বাজার হয়ে থেকে যাবে… ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ অভিযানের মাধ্যমে ভারত শীর্ষস্থানীয় উৎপাদক দেশও হয়ে উঠতে পারে।”

এদিকে, মার্কিন নির্বাচন নিয়ে আমেরিকার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি হিন্দুস্তান টাইমস লিডারশিপ সামিটে বলেন, ‘এবারের ভোটের সবচেয়ে বড় দু’টি ইস্যু ছিল – মূল্যস্ফীতি ও অভিবাসন।’

তিনি দাবি করেন, পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাইডেনের অধীনে আমেরিকায় মূল্যস্ফীতির হার কমেছিল। তবে কেরির মতে, ডেমোক্র্যাটিক পার্টি মানুষের মনের আশঙ্কাকে দূর করতে পারেনি।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস