Home Blog Page 516

অগ্নিকন্যা মতিয়া চৌধুরী আর নেই

১৫ অক্টোবর দুপুরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এভারকেয়ার হাসপাতালের জেনারেল ম্যানেজার আরিফ মাহমুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে আক্রান্ত মতিয়া চৌধুরীকে বুধবার সকালে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। এরপরই ইসিজি করে চিকিৎসা কার্যক্রম হয়।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘অগ্নিকন্যা’ হিসেবে পরিচিত মতিয়া চৌধুরীর জন্ম পিরোজপুরে ১৯৪২ সালের ৩০ জুন। তিনি সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-২ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় বামপন্থী রাজনীতি দিয়ে। তিনি ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) সদস্য ছিলেন। পরে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ২০২১ সালে বাংলা একাডেমি তাকে সম্মানসূচক ফেলোশিপ প্রদান করে। তিনি ২০২৪ সালে অসহযোগ আন্দোলনের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ বিলুপ্তের মাধ্যমে সংসদ সদস্য পদ হারান।
১৯৪২ সালের ৩০ জুন পিরোজপুরে মতিয়া চৌধুরীর জন্ম। তার বাবা মহিউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা এবং মা নুরজাহান বেগম ছিলেন গৃহিণী। ১৯৬৪ সালের ১৮ জুন খ্যাতিমান সাংবাদিক বজলুর রহমানের সাথে বিয়ে হয় মতিয়া চৌধুরীর।

রাহুলের আসন থেকেই ভোটযুদ্ধ শুরু প্রিয়াংকার

লোকসভা ভোটের আগেই ছিল জল্পনা। ২০২৪ লোকসভা ভোটে প্রিয়াংকা গান্ধী ভোট যুদ্ধে ‘ডেব্যু’ করতে পারেন বলে জল্পনা ছিল। তবে শেষমেশ, তিনি লড়েননি। তবে মঙ্গলবার ২০২৪ উপনির্বাচনের সূচিপত্র ঘোষণা হতেই, কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কেরালার ওয়েনাদে লোকসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী করা হয় প্রিয়াংকা গান্ধীকে। উল্লেখ্য, কেরালের ওয়েনাড়ের এই আসনে আগে প্রার্থী হিসাবে কংগ্রেসকে জয় এনে দিয়েছিলেন রাহুল। ভাইয়ের সেই কেন্দ্রে এবার ভোটযুদ্ধে প্রিয়াংকা।
লোকসভা ভোটের উপনির্বাচনের সূচিপত্র ইতিমধ্যেই ঘোষণা করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর সেখানে কেরালার ওয়েনাড়েও ভোটের ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। এদিকে, উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই কংগ্রেস তার প্রার্থী তালিকাও সামনে এনেছে। সেখানেই কেরালার ওয়েনাদের প্রার্থী হিসেবে উঠে আসে প্রিয়াংকা গান্ধীর নাম। উল্লেখ্য, ২০২৪ লোকসভা ভোটে রাহুল গান্ধী ওয়েনাদের পাশাপাশি রায়বেরেলিরও প্রার্থী ছিলেন। এককালে রায়বেরেলি ছিল সোনিয়া গান্ধীর আসন। পরে সোনিয়া লোকসভার ভোটরাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াতেই সেই কেন্দ্রে কংগ্রেসের প্রার্থী হন রাহুল। রায়বেরেলি ও ওয়েনাড় দুই কেন্দ্রেই রাহুল জয়ী হন। এরপর কেরালার ওয়েনাড় ও উত্তর প্রদেশের রায়বেরেলি দুই কেন্দ্র থেকেই রাহুল, ২০২৪ সালের লোকসভা ভেটে দাপুটে জয় ছিনিয়ে নেন। পরে রাহুল রায়বেরেলি কেন্দ্রকে বেছে নেন, ওয়েনাদ কেন্দ্র থেকে তিনি সরে আসেন। আর রাহুলের সেই কেন্দ্রেই এবার প্রার্থী বোন প্রিয়াংকা।
যদি কেরালার এই কেন্দ্র থেকে প্রিয়াংকা গান্ধী ভোট যুদ্ধে জিতে নেন, তাহলে তিনি প্রবেশ করবেন সংসদে। লোকসভায় তিনি কেরালার ওয়েনাড়ের জন প্রতিনিধি হয়ে তিনি যোগ দেবেন। সেক্ষেত্রে সংসদে গান্ধী পরিবারের তিন সদস্যই থাকবেন। যদিও সোনিয়া গান্ধী রাজ্যসভায় থাকবেন। লোকসভায় রাহুল গান্ধী ইতিমধ্যেই বিরোধী দলনেতা হিসেবে উঠে এসেছেন। ওয়েনাদের উপনির্বাচন যদি প্রিয়াংকা জিতে যান, তাহলে তিনি ভাই রাহুলের সঙ্গে লোকসভার সদস্য হিসেবে উঠে আসবেন। নির্বাচন কমিশন মঙ্গলবার ওয়ানাড এবং নান্দেদ লোকসভা আসনের পাশাপাশি ৪৮টি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ঘোষণা করেছে। ওয়েনাড়ে উপনির্বাচন আয়োজিত হবে ১৩ নভেম্বর। ওই একই দিনে ঝাড়খণ্ড বিধানসভা ভোটের প্রথম পর্বের ভোট গ্রহণ হবে।

এক ঘণ্টার পুলিশ সুপার ইশরাত

খাগড়াছড়িতে প্রতীকী পুলিশ সুপার হলেন খাগড়াছড়ি সরকারি মহিলা কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী নূর ইশরাত জাহান। এক ঘণ্টার জন্য দায়িত্ব নিয়েই খাগড়াছড়ি জেলাকে নারীবান্ধব করার পাশাপাশি নারীর প্রতি সব ধরনের সহিংসতা রোধে সুপারিশমালা তুলে ধরেন তিনি।
বুধবার দুপুরে খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার কার্যালয়ে পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েলের কাছ থেকে ব্যতিক্রমী এক আয়োজনে প্রতীকীভাবে পুলিশ সুপারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন নূর ইশরাত জাহান।
এ সময় এক ঘণ্টার প্রতীকী এসপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল।
অক্টোবর মাসে কন্যাশিশু দিবসের মাস উপলক্ষে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের গার্লস টেকওভার কর্মসূচির আওতায় ন্যাশনাল চিলড্রেন টাস্কফোর্সের (এনসিটিএফ) সহযোগিতায় নারী নেতৃত্ব উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচির আওতায় এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হয়।
এক ঘণ্টার পুলিশ সুপার নূর ইসরাত তার স্বপ্নের কথা তুলে ধরে কন্যাশিশুদের সমান সুযোগ এবং সমানাধিকার দেওয়ার আহবান জানান। নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধ, বাল্যবিয়ে রোধসহ করণীয় বিষয় তুলে ধরেন তিনি।
এ সময় তিনি আরও বলেন, খাগড়াছড়ি জেলায় প্রতি মাসে গড়ে ৩-৫টি করে ধর্ষণের মামলা করা হচ্ছে। নারী নির্যাতনের মামলা হচ্ছে। আর যেন কোনো নারীকে গন্তব্যে পৌঁছার জন্য প্রতিবন্ধকতা ও কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে মুখোমুখি হতে না হয় সেজন্য করণীয় তুলে ধরেন এক ঘণ্টার প্রতীকী পুলিশ।
এনসিটিএফের জেলা সাবেক সভাপতি শচীন দাশ ও সহ-সভাপতি জান্নাতুল মাওয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল। তিনি বলেন, যে বিষয়গুলো প্রতীকী পুলিশ সুপার তুলে ধরেছেন তা খুবই প্রাসঙ্গিক এবং যৌক্তিক। নারীরা ধর্ষণ, ইভটিজিং এবং বাল্যবিয়েসহ নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে পুলিশ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মাহমুদা বেগম, খাগড়াছড়ি শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা উষানু চৌধুরী, সদর থানার ওসি মো. আব্দুল বাতেন মৃধা, জেলা ভলান্টিয়ার খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাকসহ জেলা এনসিটিএফ ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, জাতিসংঘ ২০১২ সাল থেকে দিবসটি গুরুত্বসহকারে উদযাপন করে আসছে। কন্যাশিশুরা সমান সুযোগ এবং সমানাধিকার পেলে বদলে দিতে পারে তাদের জীবন, তাদের আশপাশের সমাজ। মূলত এ বিশ্বাস থেকেই গার্লস টেকওভার কর্মসূচি আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

‘দেশের মানুষ জাতির পিতা মনে করলে ৫ আগস্ট ভাস্কর্য ভেঙে ফেলত না’ ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, একটি দেশের জাতির পিতা কে হবে সেটা নির্ধারণ করবে সেই দেশের জনগণ, কোনো ফ্যাসিস্ট রাজনৈতিক দল না।
বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
শেখ মুজিবুর রহমানকে যদি দেশের মানুষ জাতির পিতা মনে করতো তাহলে ৫ আগস্ট বিপ্লবী ছাত্র-জনতা তার ভাস্কর্য ভেঙে ফেলত না। শেখ মুজিব জাতির পিতা নয়, আওয়ামী ফ্যাসিজম প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রতীকী মাধ্যম।
এর আগে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি এবং তথ্য ও স¤প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা মনে করে না অন্তর্বর্তী সরকার।
সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
বঙ্গবন্ধুকে আওয়ামী লীগ বিতর্কিত করেছে। তাকে আপনারা ‘জাতির পিতা’ মনে করেন কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ দল হিসেবে ফ্যাসিস্টভাবে ক্ষমতায় ছিল। মানুষের ভোটাধিকার হরণ ও গুম-খুন করে এবং গণহত্যা করে তারা ক্ষমতায় ছিল। কাজেই কারা তাকে জাতির পিতা বলল, তারা কোন দিবসকে জাতীয় দিবস ঘোষণা করল, নতুন বাংলাদেশে সেটার ধারাবাহিকতা থাকবে না। আমরা বাংলাদেশকে নতুনভাবে গঠন করতে চাচ্ছি। ফলে ইতিহাসের প্রতি আমাদের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আনতে হবে।
সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে নাহিদ বলেন, আপনারা যদি আওয়ামী লীগের করা সবকিছু মনে করেন জাতীয় জাতীয়..। ভোটবিহীন সরকারেরই কোনো বৈধতা নেই। সেই সময়ে অনেক কিছু করা হয়েছে। সবগুলোকে পুনর্গঠন ও পুনর্মূল্যায়ন করা হবে।
বঙ্গবন্ধুকে জাতির জনক মনে করে কিনা এ সরকার- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই না’।
তাহলে আমাদের কোনো জাতির পিতা থাকবে না- এ প্রশ্নে তিনি বলেন, আমাদের এই ভূখণ্ডের লড়াইয়ের ইতিহাসে বহু মানুষের অবদান রয়েছে। আমাদের ইতিহাস কিন্তু কেবল ৫২তেই শুরু হয়নি, আমাদের ব্রিটিশবিরোধী লড়াই আছে, ৪৭ ও ৭১-এর লড়াই আছে, ৯০ ও ২৪ আছে। আমাদের অনেক ফাউন্ডিং ফাদারস রয়েছে। তাদের লড়াইয়ের ফলে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি।

স্বাধীন বাংলাদেশকে ভারতীয় বাংলা প্রদেশ করার প্রতিরোধ যুদ্ধে বিজয়ী বাংলাদেশ, ড. আবু জাফর মাহমুদ

বাংলাদেশকে পরাধীন করার প্রথম প্রয়াস শরু হয়েছিল ১৯৭২ সালে প্রথম সরকার শেখ মুজিবের হাত ধরে। তার ধারাবাহিকতার পথ বেয়ে নরেন্দ্র মোদী, মমতা জুটির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশকে চূড়ান্তভাবে ভারতের হাতে তুলে দেয়ার দায়িত্বটি পালন করে চলেছিলেন তারই কন্যা শেখ হাসিনা। সবকিছুকে ব্যর্থ করে দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশকে ভারতীয় বাংলা প্রদেশ করার প্রতিরোধ যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছে বাংলাদেশ। আর বাংলাদেশের প্রধান মিত্রশক্তির নাম ইউনাইটেড স্টেটস অফ আমেরিকা। ভারতের প্রতিবেশি দুই শত্রুদেশ পাকিস্তান ও চীনের সহায়তার জন্যও আমরা ঋণী। 

007

একথা বলেছেন, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাউন্টেন ব্যাটালিয়ন কমাণ্ডার, রাজনীতিবিদ স্যার ড. আবু জাফর মাহমুদ। তিনি বলেন, দীর্ঘ ৫৩ বছর বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শক্তি ও দেশপ্রেমিক সমাজশক্তিগুলোর পর্যায়ক্রমিক ধংসের অভিযানে ওরা বিজয়ী হয়েছিল। এই সুযোগেই বাংলাদেশের স্বাধীন অস্তিত্ব ধংস করার চুড়ান্ত পথে পৌঁছে ভারত। সিকিম, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ নিয়ে ‘বাংলা প্রদেশ’ গড়ার চূড়ান্ত প্রয়াস এবার ব্যর্থ হয়েছে। তাকে যুদ্ধ করেই তাড়াতে হয়েছে। এ যুদ্ধ এতো কঠিন, বাংলাদেশর সব মানুষ একত্র হয়েও এতে সাফল্য অর্জন সম্ভব ছিল না। আমরা আমেরিকান। এই আমেরিকার নাম সর্বপ্রথম আসবে বাংলাদেশকে মুক্ত করার ক্ষেত্রে । আমি জানি, কতটি বছর ধরে এই যুদ্ধ চালু রাখতে হয়েছে।

গত রোববার নিউইয়র্কের গ্লেন আইল্যান্ড পার্কে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র নাগরিক ঐক্য ফোরাম ইউএসএ আয়োজিত মিলন মেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।  

Students 5

অনুষ্ঠানে অনেকের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক ড. কনক সরওয়ার, ইলিয়াস হোসাইন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র নাগরিক ঐক্য ফোরাম এর সমন্বয়ক ফাহাদ হোসেন, কমিউনিটি সংগঠক গিয়াস আহমেদ, অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী, তারিকুল ইসলাম মিঠু, জাহিদ মিন্টু, জসিম ভূইয়া প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আওয়াজ বিডি’র সম্পাদক শাহ আহমেদ। 

স্যার ড. আবু জাফর মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ যখন তার স্বাধীনতা রক্ষার জন্য যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে সে সময় বর্হি:বিশ্বে আমাদের সন্তান এবং বংশধররা যারা দেশের পক্ষে দাঁড়ায় আমি নিজ দায়িত্ব থেকেই তাদের পৃষ্ঠেপাষকতা দিয়েছি। বাংলাদেশ রাষ্ট্র আমার, আমাদের সবার। সেই জন্যই এটি আমাদের দায়িত্ব। তিনি বলেন, ডক্টর কনক সারওয়ার ও ইলিয়াস হোসেন প্রমাণ করেছেন যে সাংবাদিকতা করেও রাষ্ট্র রক্ষার যুদ্ধ করা যায়। আমার এই দুই ভাইকে আমি মুক্তিযোদ্ধা হিসাবেই দেখতে পেলাম।

আবু জাফর মাহমুদ বাংলাদেশের দলীয় রাজনীতির নেতিবাচক বিষয়গুলো তুলে ধরে বলেন, আমরা যখন একটি দলের বিরুদ্ধে কথা বলি, তখন আরেক দলের লেজুড়বৃত্তি করি, যখন এক নেতাকে পূজা দেই তখন আরেক নেতার নেতার বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করি।  

তিনি বলেন, বাংলাদেশের কোনো শক্তি রাজনৈতিক দল, অথবা সংবাদ মাধ্যম দেশবাসীকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর বাংলাদেশে অবস্থানের কথা জানায়নি। তিনি সবার উদ্দেশ্য প্রশ্ন রেখে বলেন, কে জানিয়েছিল যে ইন্ডিয়ান এক বিগ্রেট সৈন্য বাংলাদেশে আছে ? বাংলাদেশের নাগরিকদের হত্যা, গুম করে দূবর্ল করে, প্রতিটি কাঠামো ও মানুষের নৈতিকতা ধ্বংস করতে করতে একটা সময় কলকাতাকে রাজধানী করে বাংলাদেশকে ভারতের সঙ্গে একীভূত করার অভিযানে চূড়ান্ত পর্যায়ে আমরা প্রত্যাঘাত হেনেছি। এতে একদিকে বিশ্বকে অবাক করে দেয়া সামরিক কৌশল গ্রহণ করেছি, অপরদিকে বাংলাদেশে ঢাকায় ছাত্র যুবক বিক্ষুদ্ধ জনতাকে রাজনৈতিক আন্দোলনে নামিয়েছি। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে পর্যায়ক্রমিকভাবে স্বৈরাচার উৎখাতের চূড়ান্ত সংগ্রামে দৃঢ়তা প্রদর্শন করেছি। এই সময় ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং তাদের কলাবোরেটর বাংলাদেশি স্বৈরাচারী বাহিনীগুলোর মুখোমুখি হয়েছি। গণভবন অভিমুখি বিক্ষুদ্ধ দেশপ্রমিক জনতার যাত্রায় ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে এবং সীমান্তের দুপাশে পাকিস্তানী এবং চীনা বাহিনীর যুদ্ধ প্রস্তুতি দেখে আগ্রাসী ভারত তাদের বাংলাদেশি অনুগত কলাবোরেটর শেখ হাসিনাকে তাদের আশ্রয়ে নিয়ে যায়। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী লক্ষ লক্ষ অনুগত দলীয় নেতাকর্মীদের বিক্ষুদ্ধ প্রতিরোধ যোদ্ধাদের রোষানলে ফেলে রেখে একাই ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর কাছে আশ্রয় নেন। ভারতের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা অজিত দোবাল তার দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং সরকারের পক্ষে বাংলাদেশের এই মোনাফেকের তত্বাবধানের দায়িত্ব নেয়। তার অংশ হিসেবে শেখ হাসিনার জন্য একটি ট্রাভেল ডকুমেন্ট ইস্যু করে তাকে দুবাইয়ে পুণর্বাসিত করার উদ্যোগ নেয়া হয়। কয়েকদিন আগে দুবাই এয়ারপোর্টে ১৭ ঘন্টা অপেক্ষা করেও প্রবেশের অনুমতি পায়নি শেখ হাসিনা। অবশেষে প্রত্যাখ্যাত হয়ে ভারতবন্ধুর কাছেই ফিরে আসতে হয়। 

আবু জাফর মাহমুদ বলেন, আজ বাংলাদেশ সরকারে যারাই থাকুক তার প্রধান দায়িত্ব রাষ্ট্রের নিরাপত্তা রক্ষা করা । এই নিরাপত্তা শুধু সীমান্ত রক্ষা এবং আইন শৃংখলা রক্ষাই নয় বরং সেনাবাহিনী, পুলিশ বাহিনী, বিজিবিসহ সব আইন শৃংখলা বাহিনীকে ঢেলে সাজাতে হবে, সংস্কার করতে হবে দেশের স্বার্থে । তিনি রাজনৈতিক সংস্কারের জরুরি প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে বলেন, ১৯৭২ সাল থেকে যেমন দলের প্রধানকে ‘দল মালিক’ হতে দেখেছি , আমরা দেখেছি দলের প্রেসিডেন্ট, সাধারণ সম্পাদকের পরিবার রাষ্ট্রেরমালিক, রাজনীতির মালিক, সম্পদের মালিক। এ অবস্থার স্থায়ী পরিবর্তন হতে হবে। জনগণের রাজনীতি জনগণের হাতেই ফিরিয়ে দিতে হবে। জনগণকে জিম্মি করার রাজনীতি চলবে না।   

তিনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম পরা‍শক্তি আমেরিকাকে বাংলাদেশের প্রধান মিত্র উল্লেখ করে বলেন, এখন থেকে আমেরিকা থাকবে বাংলাদেশের পাশে, আমেরিকা যখন থাকবে ভারত মহাসাগরে, আমেরিকা যখন থাকবে ইন্দো প্যাসিফিকে সে সময় ভারত বা অন্যকোন দেশ আমাদের ক্ষতি করতে বা আমাদের ওপর দিয়ে স্বার্থ হাসিল করতে সাহস পাবে না। 

স্যার আবু জাফর মাহমুদ, পতিত শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যে বলেন, তোমার বিচার করবে যারা, সে জায়গায় তোমাকে আসতে হবে। বাংলাদেশের মাটিতেই বিচার নিশ্চিত হবে। তিনি বলেন, এখানে যারা ভারতের কলাবোরেটরের ভূমিকা রাখতে গিয়ে আমেরিকাকে এতদিন গালাগালি করেছে, আমেরিকার স্বার্থের ওপরে আঘাত করেছে , আমেরিকান অ্যাম্বাসেডরের গাড়ি আক্রমণ করেছে, তাকে হত্যার চেষ্টা করেছে, তাদের আমেরিকান নাগরিকত্ব বাতিল করতে হবে। বাংলাদেশকে নিরাপদ করতে আমরা আমেরিকাকে সবসময় পাশে পাবো।

সাবেক মন্ত্রী রাজ্জাক ও ফারুক কারাগারে

সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এবং সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী লেফটেন্যান্ট কর্ণেল (অব.) ফারুক খানের জামিন নামঞ্জুর করে আদালত তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো: আলী হায়দারের আদালত পৃথক দুই হত্যা মামলায় তাদের কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন।

এদিন রিমান্ড শেষে ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় রাজ্জাককে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক জাহাঙ্গীর আরিফ তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

এছাড়া বিএনপির কর্মী মকবুল হত্যা মামলায় রিমান্ড শেষে ফারুককে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক নাজমুল হাছান তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। পরে তাদের আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আদাবর ও নিউমার্কেট থানার পৃথক দুই হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

এর আগে, গত ১৪ অক্টোবর রাত পৌনে ৮টার দিকে রাজধানীর ইস্কাটন এলাকা থেকে আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। এছাড়া ওই দিন দিবাগত রাত ১টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে র‌্যাব-১ ফারুককে গ্রেফতার করে। পরদিন গত ১৫ অক্টোবর আদালত তাদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

হাসিনা ও কাদের সহ মন্ত্রী পরিষদের ৪৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে গণহত্যার অভিযোগে করা মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো: গোলাম মর্তুজার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই পরোয়ানা জারি করেন।

এর আগে জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। একইসাথে তাকে আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটে জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গণহত্যার ঘটনায় ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো: গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। ট্রাইব্যুনালের সদস্যরা হলেন বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো: মহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

ট্রাইব্যুনালের সূচনা বক্তব্যে বিডিআর বিদ্রোহে ৭৪ জনকে হত্যা, শাপলা চত্ত্বরে হেফাজতের সমাবেশে হত্যা, র‍্যাবের বিচার বহির্ভূত হত্যা, জুলাই-আগস্ট গণহত্যাসহ আওয়ামী শাসনামলে মানবতা বিরোধী অপরাধের সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।

ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম শেখ হাসিনাসহ পলাতক অন্যদের দেশে ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের সহায়তা নেয়ার কথাও জানিয়েছেন।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে জুলাই ও আগস্টে সংঘটিত গণহত্যার অভিযোগে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে তাকে ট্রাইবুনালে হাজিরের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার কার্যক্রম শুরু করার পরই ট্রাইব্যুনাল এই পরোয়ানা জারি করেছেন।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো: গোলাম মর্তুজার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে বিচারকাজ শুরু হয়। প্রথমদিনে শেখ হাসিনাসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা চায় ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিম।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এখন পর্যন্ত গুম, হত্যা, গণহত্যাসহ ৬০টির বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ, ১৪ দলের নেতা, সাংবাদিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।

গত ১৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানান, এ সপ্তাহেই জুলাই গণহত্যায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হবে। শেখ হাসিনাসহ বিদেশে পলাতকদের ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের সহায়তা নেয়া হবে।

আমির খানের প্রশ্নবানে নাজেহাল অমিতাভ

বলিউড মেগাস্টার অমিতাভ বচ্চন এবং কলকাতা শহরটির মধ্যে অদ্ভুত একটা সম্পর্ক রয়েছে। কেননা, এই শহরতলি থেকেই তার যাত্রাপথ শুরু হয়েছিল। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় পদচারণা ছিল এই কিংবদন্তী অভিনেতার। এক সময় কলকাতায় ঝালমুড়ি খেয়ে কাটিয়ে দিয়েছেন।
কলকাতা শহরের সঙ্গে তার সম্পর্কের আরও বড় একটা দিক হলো তিনি এখানকার জামাই। জয়া বচ্চনের সঙ্গে বিয়ে হওয়ার পর থেকে তাকে বাঙালিদের একজন হিসেবে মনে করা হয়। শহরের খাবার থেকে পোশাক, সবকিছুতেই তার বেশ দখল। এসব নিয়েই অমিতাভকে প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন আমির খান।
অমিতাভের জন্মদিন উপলক্ষ্যে কৌন বানেগা ক্রোড়পতি অনুষ্ঠানে এসেছিলেন আমির খান। সেখানে অমিতাভের প্রতি প্রশ্ন রেখে আমির খান বলেন, আপনি কলকাতায় যখন থাকতেন, সন্ধ্যায় কাজের পরে কী করতেন?
ইন্ডাস্ট্রিতে অ্যাংরি ইয়াং ম্যান নামে পরিচিত অমিতাভের নারী ফ্যান ছিল অনেক। প্রশ্নটি শুনেই যেন অদ্ভুত আচরণ করতে শুরু করলেন তিনি। কেন? প্রশ্ন শুনেই তিনি বলেন… হ্যাঁ, হুম। কিন্তু তাকে উত্তর দিতে দেখা যায় নি। কিন্তু, এটুকু পরিষ্কার, তিনি মজার ছলেই সবটা করেছেন।
অমিতাভের অনেক বড় ভক্ত আমির, সেখানে এর প্রমাণ পর্যন্ত দিয়েছেন তিনি। কীভাবে?
অমিতাভকে তিনি প্রশ্ন করেন, আপনি আপনার বিয়ের তারিখ বলতে পারবেন? এ প্রশ্নে যথারীতি সঠিক জবাব দেন অমিতাভ। কিন্তু আমির থামার পাত্র নন। তিনি সোজা বলে বসেন, আমার কাছে প্রমাণ আছে, এই দেখুন আপনার বিয়ের কার্ড। এটুকু দেখেই যেন আঁতকে ওঠেন অমিতাভ। বেশ অবাক হয়ে যান তিনি। এরপর আমিরকে প্রশংসায় ভাসান।

অজয় দেবগন আসল সিংহাম নন, কাজল

রোহিত শেঠির ‘কপ ইউনিভার্স’-এর সিনেমা ‘সিংহাম’ দিয়ে দর্শকদের মন জয় করেছেন বলিউড অভিনেতা অজয় দেবগন। ২০১১ সালে সিংহাম মুক্তির বছর তিনেক পর আসে ‘সিংহাম রিটার্নস’। দশ বছর বিরতি দিয়ে এবার পর্দায় আসছে সিংহাম সিরিজের তৃতীয় সিনেমা ‘সিংহাম অ্যাগেইন’। আগামী ১ নভেম্বর মুক্তি পাবে এই সিনেমা।
এদিকে আগামী ২৫ অক্টোবর নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে অজয় দেবগনের স্ত্রী অভিনেত্রী কাজল অভিনীত সিনেমা ‘দো পাত্তি’। এই সিনেমায় পুলিশের চরিত্রে অভিনয় করেছেন কাজল। তাই স¤প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে কাজলকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, অজয় নাকি তিনি-আসল সিংহাম কে।
সহজাত রসবোধ মিশিয়ে কাজলের সোজাসাপ্টা জবাব, ‘আমি আগেও বলেছি, আবারও বলব-আমিই আসল সিংহাম। আর আমি (পুলিশ চরিত্রে অভিনয়ের আগে) অজয়ের কাছ থেকে কোনো টিপসও নেইনি।’
প্রসঙ্গত, কাজলের মুক্তিপ্রতীক্ষিত দো পাত্তি সিনেমা নির্মাণ করেছেন শশাঙ্ক চতুর্বেদী। এই সিনেমা দিয়ে প্রযোজক হিসেবে অভিষেক হচ্ছে অভিনেত্রী কৃতি স্যাননের। কাজলের সঙ্গে সিনেমাতে অভিনয়ও করেছেন কৃতি।