Home Blog Page 517

বৈষম্যহীন দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ কায়েম না হওয়া পর্যন্ত জামায়াত থামবে না : শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মজলুম দল হিসেবে উল্লেখ করে দলটির আমির ডা: শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বৈষম্যহীন, মানবিক, দুর্নীতি দুঃশাসনমুক্ত বাংলাদেশ কায়েম না পর্যন্ত আমরা থামব না।’

শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে তিনটায় চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের টাউন মাঠে জেলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির।

জামায়াত আমির বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মজলুম দল। সাড়ে ১৫ বছর জামায়াতের নেতাদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসি দেয়া হয়েছে, হাজার নেতাকর্মীকে খুন করা হয়েছে। ক্রসফায়ারের নামেও হত্যা করা হয়েছে। হাট-ঘাট, মসজিদ-মাদরাসা, এমনকি মন্দিরেও লুটপাট চালিয়েছে আওয়ামী লীগ ও তার দোসররা। কিন্তু ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ ও তার দোসররা পালিয়ে গেছে। দুর্নীতিবাজ সবাই পালিয়েছে। তাই বৈষম্যহীন, মানবিক, দুর্নীতি দুঃশাসনমুক্ত বাংলাদেশ কায়েম না পর্যন্ত আমরা থামবো না। অর্থাৎ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থামবে না।’

আওয়ামী লীগের শাসনামলে প্রতি ইঙ্গিত করে জামায়াত আমির বলেন, ‘ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে তারা দেশের জ্ঞানী, শিক্ষিত, মার্জিত ও অভিজ্ঞ মানুষদের হত্যা করেছে। হাজারো মানুষকে নির্যাতন করেছে। তারা শত শত মানুষকে গুম করেছে, খুন করেছে। মানুষের ইজ্জত লুণ্ঠন করেছে। তারা দেশের সম্পদও লুট করেছে। তারা উন্নয়নের বুলি শুনিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘পর পর তিন তিনটি নির্বাচনে মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছেন। জুলাই-আগস্টে আমাদের সন্তানেরা বিপ্লব ঘটিয়ে ২৪-এ স্বাধীনতা এনেছেন। ফলে স্বৈরাচার দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। দেশের মানুষের সামনে দাঁড়ানোর মতো সৎসাহস শেখ হাসিনার ছিল না। যে কারণে তিনিসহ তার দোসররা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। যারা আমাদের সন্তানদের ওপর গুলি চালিয়েছে, গণহত্যা চালিয়েছিল জনগণ তাদেরকে একদফা দিয়ে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে।’

ছাত্র-জনতার অবদানকে স্মরণ করে ডা: শফিকুর রহমান বলেন, ‘ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে এই জাতি দেশবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দেবে, ইনশাআল্লাহ। তরুণ-যুব সমাজ চাঁদাবাজমুক্ত, দখলবাজমুক্ত ও পেশীশক্তিমুক্ত নতুন দেশ চায়। আমরাও সাম্যের বাংলাদেশ চাই। এই প্রজন্ম বুকের রক্ত দিয়ে নতুন স্বাধীনতা এনে দিয়েছে। প্রয়োজনে আমরাও রক্ত দিয়ে হলেও এই স্বাধীনতা ধরে রাখব, ইনশাআল্লাহ।’

এ সময় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমরা কারো টাকার কাছে নিজেদের ভোট বিক্রি করব না। ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচনকেন্দ্রিক সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হবে। আগামী নির্বাচন হতে হবে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ। কালোটাকা ও পেশীশক্তির কাছে আমরা মাথানত করব না। যারা কালোটাকা দিয়ে ভোটের মাঠে আসবে, তাদেরকে ‘না’ বলে দিতে হবে।”

আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতি প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, ‘বিগত সাড়ে ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ ও তার দোসররা ২৬ লাখ কোটি টাকা বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পাচার করেছে। এসব টাকা জাল ফেলে তন্ন তন্ন করে খুঁজে বের করে দেশে ফেরত আনতে হবে। আওয়ামী লীগ ও তার দোসরদের খুঁজে খুঁজে এনে ওই কাশিমপুর জেলে পাঠাতে হবে। তাদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।’

সভাপতির বক্তব্যে চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াত আমির অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন বলেন, ‘মানুষের মৌলিক চাহিদা কিভাবে পূরণ করা যায় সেটা জাতির সামনে কিভাবে পেশ করা যায় তারই এক মাইলফলক হয়ে থাকবে জেলা জামায়াতের আজকের সম্মেলন। মানবতার কল্যাণে জামায়াত কাজ করবে এবং করে আসছে। মানুষের ভোটাধিকার ও স্বাধীনতা, ভাতের অধিকার, সার্বভৌমত্ব অধিকার ফেরানোর জন্য কাজ করছে।’

চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াত আমির অ্যাডভোকেট রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো: জাহিদুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের অন্যতম সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মোবারক হোসেন, যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের টিম সদস্য খন্দকার আলী মোহসিন, যশোর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক গোলাম রসুল, ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের আমির আলী আজম, কুষ্টিয়া জেলা আমির মাওলানা অধ্যাপক আবুল হাশেম, মেহেরপুর জেলা আমির মাওলানা তাজ উদ্দীন খাঁন, চুয়াডাঙ্গা জেল জামায়াতের সাবেক আমির আনোয়ারুল হক মালিক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার আহ্বায়ক আসলাম অর্ক, জেলা জামায়াতের জয়েন্ট সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল প্রমুখ।

কর্মী সম্মেলনটি পরিচালনা করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান।

উল্লেখ্য, বিগত ২০ বছরে চুয়াডাঙ্গাতে কর্মী সম্মেলন হয়নি। চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের সকল কর্মপরিষদের সদস্যরা, জেলার পাঁচটি থানার অধিনে সাংগঠনিক আটজন জামায়াতের থানা আমির, স্থানীয় জামায়াত নেতারাসহ হাজার হাজার নেতাকর্মী এ কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এক দিনে সর্বোচ্চ ২৫০০ জনের সাজা মওকুফ করলেন বাইডেন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শুক্রবার অ-হিংসাত্মক মাদক অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে সাজা ভোগ করছেন এমন প্রায় ২ হাজার ৫০০ জনের সাজা মওকুফ করেছেন। হোয়াইট হাউস একে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এক দিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক ক্ষমা প্রদানের ঘটনা বলে উল্লেখ করেছে।

ওয়াশিংটন থেকে এএফপি জানায়, বাইডেন এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, যাদের সাজা মওকুফ করা হয়েছে, তারা বর্তমানে যে শাস্তি পেতেন তার তুলনায় ‘অতিরিক্ত দীর্ঘ সাজা’ ভোগ করছিলেন।

তিনি এ পদক্ষেপকে ‘ঐতিহাসিক ভুল সংশোধনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, শাস্তির বৈষম্য সংশোধন এবং যোগ্য ব্যক্তিদের তাদের পরিবারের কাছে ফিরে যাওয়ার সুযোগ প্রদানের জন্য একটি উদ্যোগ’ বলে উল্লেখ করেছেন।

বাইডেন বলেন, ‘এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আমি এখন পর্যন্ত মার্কিন ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ব্যক্তিগত ক্ষমা ও সাজা মওকুফ প্রদান করেছি।’ এছাড়া তিনি নব-নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের আগে আরো কিছু ক্ষমা বা সাজা মওকুফের ইঙ্গিত দেন।

বাইডেন গত মাসেও প্রায় ১ হাজার ৫০০ জনের সাজা মওকুফ করেন এবং ৩৯ জনকে ক্ষমা করেন।

ডিসেম্বরে ক্ষমাপ্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন, যিনি অস্ত্র ও কর অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর সম্ভাব্য কারাদণ্ডের মুখোমুখি ছিলেন।

বাইডেন একইসাথে কিছু সহযোগী এবং সাবেক কর্মকর্তাদের জন্য সার্বিক ক্ষমা প্রদানের বিষয়ে বিতর্ক করছেন বলে জানা গেছে, কারণ আশঙ্কা করা হচ্ছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সম্ভাব্য ‘প্রতিশোধমূলক’ উদ্যোগের কারণে তারা লক্ষ্যবস্তু হতে পারেন।

ডিসেম্বরে, বাইডেন ফেডারাল ডেথ রো-তে থাকা ৪০ জন বন্দীর মধ্যে ৩৭ জনের মৃত্যুদণ্ডও মওকুফ করেন।

তিনজন এই সিদ্ধান্তের বাইরে ছিলেন : ২০১৩ সালের বোস্টন ম্যারাথন বোমা হামলাকারীদের একজন, ২০১৮ সালে ১১ জন ইহুদি উপাসককে হত্যাকারী বন্দুকধারী ও ২০১৫ সালে ৯ জন কৃষ্ণাঙ্গ চার্চগামীকে হত্যাকারী এক শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী।

ট্রাম্প ইতোমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তিনি ক্ষমতা গ্রহণের পর ফেডারেল মৃত্যুদণ্ড পুনরায় কার্যকর করবেন, যা বাইডেনের শাসনামলে স্থগিত ছিল।
সূত্র : এএফপি

দুর্নীতির মামলায় ইমরান খানের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

০

পাকিস্তানের একটি আদালত শুক্রবার দুর্নীতির দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে দেশটির কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিশ্বকাপজয়ী সাবেক তারকা ক্রিকেটার ইমরান খানকে ১৪ বছর দিয়েছে। একইসাথে তার স্ত্রী বুশরা বিবিকে দিয়েছে সাত বছরের কারাদণ্ড।

যুক্তরাষ্ট্রের বার্তাসংস্থা এপি নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ইমরান খান ক্ষমতায় থাকাকালীন পাচার করা অর্থের বিনিময়ে একজন রিয়েল এস্টেট টাইকুনের কাছ থেকে জমি উপহার হিসেবে গ্রহণ করেন।

প্রসিকিউটররা জানান, ইমরান খান ব্যবসায়ী মালিক রিয়াজকে ১৯০ মিলিয়ন ব্রিটিশ পাউন্ড (২৪০ মিলিয়ন ডলার) পাচারকৃত অর্থ থেকে অন্য একটি মামলায় জরিমানা পরিশোধের অনুমতি দিয়েছিলেন, যা ২০২২ সালে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ পাকিস্তানে ফেরত দিয়ে জাতীয় কোষাগারে জমা দেয়।

তবে ইমরান খান তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তিনি ২০২৩ সালে গ্রেফতারের পর থেকে জোর দিয়ে বলে আসছেন যে এসব অভিযোগ তাকে ক্ষমতায় ফিরে আসতে বাধা দেয়ার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের একটি ষড়যন্ত্র।

২০২২ সালের এপ্রিলে পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হন ইমরান খান। এর আগে তিনি তিনটি পৃথক রায়ে দুর্নীতি, সরকারি গোপনীয় তথ্য প্রকাশ এবং বিবাহ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন এবং যথাক্রমে ১০, ১৪ এবং সাত বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলেন।
সূত্র : এপি নিউজ

হাসিনা-পরবর্তী বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্কে ভারতের উদ্বেগ

০

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান সম্প্রতি বৈঠক করেছেন।

এটি ছিল লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসানের পাকিস্তানের রাজধানী সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। এ সময় তিনি পাকিস্তানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তার সাথেও সাক্ষাৎ করেন।

মঙ্গলবার জেনারেল আসিম মুনির ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসানের এই বৈঠক সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মিডিয়া শাখা উভয় দেশকে ‘ভ্রাতৃপ্রতীম জাতি’ হিসেবে বর্ণনা করে।

পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ আলাদা হওয়ার পর গত ৫৪ বছরের বেশিরভাগ সময় ধরে ঢাকা ও ইসলামাবাদ তাদের সম্পর্ককে এভাবে দেখেনি।

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রায় ১৬ বছরের শাসনামলে দু’দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন আরো গভীর হয়। গণবিক্ষোভের পর আগস্ট মাসে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ হাসিনা প্রতিবেশী দেশ ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন।

কিন্তু হাসিনার বিদায়ের পর থেকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ একে অপরের আরো ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। দৃশ্যত তা এমন এক সময়, যখন উভয় দেশের রাজনীতিতে ভারত-বিরোধী মনোভাব বিরাজ করছে, যা ইসলামাবাদ ও ঢাকার মধ্যে ঐতিহাসিক শত্রুতাকে ছাপিয়ে গেছে।

পাকিস্তানি সেনাবাহিনী জানায়, আসিম মুনির এবং এস এম কামরুল হাসান সামরিক সম্পর্ক জোরদার করার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন এবং এই অংশীদারিত্বকে যেকোনো বহিরাগত বাধা থেকে মুক্ত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তাদের বৈঠকটি ছিল দু’দেশের মধ্যে উচ্চ-স্তরের বিনিময়ের ধারাবাহিকতার একটি।

গত মাসে মিসরের রাজধানী কায়রোতে এক আন্তর্জাতিক শীর্ষ সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে দেখা করেন। সেপ্টেম্বরে জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদেও তারা দেখা করেছিলেন।

এদিকে, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার আগামী মাসে বাংলাদেশ সফর করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ২০১২ সালের পর এটিই প্রথম এ ধরনের সফর। বিশ্লেষকরা বলছেন যে এতে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক পটভূমি পরিবর্তন হতে পারে।

বাংলাদেশ-পাকিস্তান যুদ্ধের পর ১৯৭৪ সালে ভারতের সাথে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় পাকিস্তান বাংলাদেশের স্বাধীনতা গ্রহণ করে। তবে ইসলামাবাদ এবং ঢাকার মধ্যে অমীমাংসিত সমস্যাগুলো রয়েই যায়। এর মধ্যে ছিল ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ-পাকিস্তান যুদ্ধে পাকিস্তানের নৃশংসতার জন্য আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়া, বাংলাদেশ থেকে উর্দুভাষী মানুষদের প্রত্যাবাসন করা, যারা পাকিস্তানি হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেয় এবং ১৯৭১ সালের আগের সম্পদের দু’দেশের মধ্যে ভাগাভাগি চায়।

শেহবাজ শরিফের সাথে কায়রোতে সাক্ষাতের সময় মুহাম্মদ ইউনূস পাকিস্তানকে দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানান।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা অনুসারে, মুহাম্মদ ইউনূস পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, ‘বিষয়গুলো বারবার উঠে এসেছে। আসুন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এগুলো চিরতরে সমাধান করি।’

শেহবাজ শরিফ উত্তরে বলেন যে তিনি ‘অমীমাংসিত বিষয়গুলো’ খতিয়ে দেখবেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রদূত আশরাফ কুরেশি আল জাজিরাকে জানান, হাসিনার ‘স্বৈরাচারী’ সরকারের প্রতি নয়াদিল্লির দীর্ঘ সমর্থনের কারণে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের টানাপোড়েন ঢাকার নতুন প্রশাসনকে তাদের পদক্ষেপ পুনর্বিবেচনা করতে প্ররোচিত করেছে।

গত মাসে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ‘বিচারিক প্রক্রিয়ার’ জন্য নয়াদিল্লির কাছে হাসিনাকে প্রত্যর্পণের দাবি জানায়। হাসিনার বিরুদ্ধে তার শাসনামলে একাধিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে, যার মধ্যে তার ক্ষমতাচ্যুতির আগের সপ্তাহগুলোতে বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়নের ঘটনাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ভারত সরকার এখনো এই অনুরোধের কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

অন্যদিকে, ভারত বারবার বাংলাদেশের হিন্দুদের ভাগ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, যারা বাংলাদেশের ১৭ কোটি জনসংখ্যার প্রায় ৮ শতাংশ এবং আওয়ামী লীগের শক্তিশালী সমর্থক। নয়াদিল্লি অভিযোগ করেছে যে তাদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে।

তবে বাংলাদেশী কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা বলেছে যে ভারতীয় গণমাধ্যমের মিথ্যা তথ্য দু’দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলেছে।

আশরাফ কুরেশি জানান, ভারত হাসিনাকে নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত। তিনি বলেন, ‘ভারত হাসিনাকে সহজে হস্তান্তর করতে পারে না। কারণ এটি এই বার্তা যাবে যে ভারত তাদের সমর্থনকারী যে কাউকে ত্যাগ করতে সম্মত হতে পারে।’

তবে কিংস কলেজ লন্ডনের সিনিয়র লেকচারার ওয়াল্টার ল্যাডভিগ পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক ও সামরিক বিনিময়ের তাৎপর্যকে অতিরঞ্জিত করার বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন।

উভয়েই একমত যে বাংলাদেশের ভৌগোলিক এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতা ভারত-বিরোধী অবস্থানকে অসম্ভব করে তোলে, যদিও আরো স্বাধীন নীতির দিকে পরিবর্তন আসতে পারে। আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি পুনর্গঠনের জন্য উল্লেখযোগ্য নীতিগত পরিবর্তন প্রয়োজন।

দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি নতুনভাবে সাজানোর প্রক্রিয়ার মধ্যেই পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হচ্ছে। এর পাশাপাশি সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আফগানিস্তানের তালেবান শাসকদের সাথে ভারতের উল্লেখযোগ্য যোগাযোগও ঘটেছে।

সম্প্রতি তালেবানের সাথে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক পাকিস্তানকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। পাকিস্তান কয়েক দশক ধরে তালেবানকে পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করার সময় এর নেতাদের আশ্রয় দিয়ে আসছে।

কিন্তু গত বছর পাকিস্তানে হামলার পর তালেবানের ওপর ইসলামাবাদের প্রভাব মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। অনেকেই তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানকে (টিটিপি), যা পাকিস্তানি তালেবান নামেও পরিচিত, এর জন্য দায়ী করে।

লাডউইগ মনে করেন যে গণঅভ্যুত্থানের ফলে সাময়িকভাবে হোঁচট খেলেও বাংলাদেশের অর্থনীতি ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ কারণে তা ইসলামাবাদকে আরো ভালো সম্পর্কের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের যত বেশি অর্থনৈতিক অংশীদার থাকবে, ততই তাদের জন্য মঙ্গলজনক। এটা ইসলামাবাদের জন্য সম্পর্ক উন্নত করার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।’

ল্যাডউইগ বিশ্বাস করেন যে বাণিজ্য এমন একটি ক্ষেত্র যেখানে আগামী দিনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।

তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় পাকিস্তান সরকার একটি সুযোগ দেখতে পাচ্ছে এবং সম্পর্ক উন্নত করার সম্ভাবনা অনুভব করছে।’

সূত্র : আল-জাজিরা

সানার সঙ্গে বিবাহবার্ষিকী পালন করলেন শোয়েব মালিক

০

পাকিস্তানি অভিনেত্রী সানা জাভেদের সঙ্গে ২০২৪ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন শোয়েব মালিক। স¤প্রতি দুজন বিবাহবার্ষিকী পালন করেছেন। কাতারের দোহায় দুজন নিভৃতে দিনটি উদযাপন করে প্রকাশ করেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
১৬ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকালে সানা তার ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ করেন মুহূর্তগুলো। তিনি খাবারের ছবি পোস্ট করেন, যার পেছনে শোভা পাচ্ছিল সকালের দোহা শহর। তিনি লিখেন, ‘অ্যানিভার্সারি ব্রেকফাস্ট’।
২০২৪ সালের ২০ জানুয়ারি নিজেদের বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আনেন সানা ও শোয়েব মালিক। নিজেদের বিয়ের অনুষ্ঠানের ছবি পোস্ট করে লিখেছিলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ।’ সঙ্গে জুড়ে দেন কুরআনের একটি বাক্য, ‘এবং আমরা তোমাদের সৃষ্টি করেছি জোড়ায় জোড়ায়।’
শোয়েব মালিকের সানা জাভেদকে বিয়ে করার খবরটা শিরোনামে চলে এসেছিল। কারণ এর ঠিক আগেই নানা গুঞ্জনকে সত্যি প্রমাণ করে সানিয়া মির্জার সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করেন। গণমাধ্যমে ‘পাওয়ার কাপল’ আখ্যা পেয়ে যাওয়া ক্রিকেটার শোয়েব আর টেনিস তারকা সানিয়ার ঘরে ছিল একটি পুত্রসন্তান, ইজাহান মির্জা মালিক।
শোয়েব সে সম্পর্ক থেকে সরে এলেও সানিয়া তার মাতৃত্বের দায়িত্ব পালন করছেন ভালোভাবে। ইজাহানের দেখভালের পাশাপাশি পেশাদার দায়িত্বও সামলাচ্ছেন। যার ফলে নিয়মিতই তাকে ভারত আর দুবাইয়ে যাওয়া আসা করতে হচ্ছে।
ওদিকে শোয়েব তার নতুন সংসার শুরু করেছেন সানার সঙ্গে। সে সম্পর্কের এক বছর হয়েও গেল স¤প্রতি।
শোয়েব তার ক্যারিয়ারের শেষ পর্যায়ে আছেন এখন। জাতীয় দল থেকে ব্রাত্য হয়ে পড়েছেন। তবে দেশি বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলে বেড়াচ্ছেন এখনও। সবশেষ চ্যাম্পিয়ন্স টি-টোয়েন্টি কাপে তিনি খেলেছেন স্ট্যালিয়ন্সের হয়ে।

রাগটা বুঝি শুধু তামিমেরই হয়

০

শিরোনাম কেড়ে নেওয়ার ‘রোগ’টা সাকিব আল হাসানের ছিল এতদিন। কখন কি সব উটকো কাজ করে বসতেন, সেটারও কোনো ঠিক ঠিকানা ছিল না। যে কারণে তাকে শাস্তিও পেতে হয়েছে বহুবার।
সাকিব আল হাসান নেই এবারের বিপিএলে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে তিনি আর দেশে ফিরতে পারছেন না। যে কারণে চিটাগং কিংসের হয়েও খেলা হচ্ছে না তার। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, সাকিবের সে স্বভাবটা এখন তামিম ইকবালকে পেয়ে বসেছে রীতিমতো। তামিম হরহামেশাই এখন ‘শিরোনাম’ কেড়ে নিচ্ছেন, এবং সেটা নেতিবাচক কারণে।
‘হরহামেশা’ কথাটা কিন্তু এমনিতেই বলা হয়নি এখানে। তামিমের এই নেতিবাচক কারণে শিরোনামে আসাটা গেল এক সপ্তাহে হলো দ্বিতীয় বারের মতো। ৯ জানুয়ারি রংপুরের বিপক্ষে তার দল ফরচুন বরিশাল সিলেট পর্বে সবশেষ বিপিএল ম্যাচটা খেলেছিল। এরপর ১৬ জানুয়ারি নিজেদের পরের ম্যাচে তামিমের দল মাঠে নেমেছিল ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে। এই টানা দুই ম্যাচেই তামিমকে মেজাজ হারাতে দেখা গেছে।
শুরুটা হয়েছিল রংপুর রাইডার্সের অ্যালেক্স হেলসের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে। হেলসের কথায় তামিম রেগে গিয়ে বলেছিলেন, ‘এ রকম করছ কেন? কিছু বলার থাকলে মুখে বলো। বি আ ম্যান।’ এরপর হেলসও কিছু একটা বলেছিলেন তাকে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টা রূপ নেয় বিবাদে। পরে দুই দলের সদস্যদের মধ্যস্থতায় বিষয়টার সুরাহা হয়।
এরপর হেলস জানিয়েছিলেন, সেখানে তামিম তাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছিলেন। একটি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাতকারে ইংলিশ বিশ্বকাপজয়ী বলেন, ‘আমি তাকে কিছুই বলিনি। ২০২১ সালে আমি বিয়ার পানের জন্য (ক্রিকেটে) ২১ দিন নিষিদ্ধ হয়েছিলাম, সেই প্রসঙ্গ নিয়েও সে (তামিম) কথা বলেছে। আমাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা হয়েছে, যা খুবই লজ্জার ব্যাপার।’
সেদিন এই ঘটনার পর তামিম শাস্তির মুখোমুখি হয়েছিলেন। ম্যাচ রেফারি নিয়ামুর রশিদ রাহুল তাকে দাঁড় করান কাঠগড়ায়। সেখানে তাকে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট শাস্তি দেওয়া হয়। তামিমও পরে বিষয়টা মাথাপেতে নিয়েছিলেন।
এরপর প্রথমবারের মতো তামিমের দল মাঠে নামে গত বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি)। ঢাকার বিপক্ষে এই ম্যাচে আবারও শিরোনামে চলে আসেন তিনি। এদিক ফিফটি করে বরিশালের হয়ে সর্বোচ্চ ফিফটির রেকর্ডটা নিজের করে নেন। এই ফিফটির পথে তামিম ঢাকার সাব্বির রহমানের সঙ্গে রেগে গিয়ে বিবাদে জড়িয়ে পড়ছিলেন আরেকটু হলেই।
গতকাল ম্যাচে বরিশাল ইনিংসের নবম ওভারে ঘটে ঘটনাটা। চতুরঙ্গা ডি সিলভার করা ওই ওভারের দ্বিতীয় বলটা তামিম লং অনে পাঠিয়ে তুলে নিয়েছিলেন একটি রান। তবে সাব্বিরের ফিল্ডিং নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন তামিম। বাউন্ডারি লাইনে সাব্বির বলটা হাতে নিতে পারেননি ঠিকঠাক। তা চলে আসে সামনে।
সেটাই তামিমের কাছে বেখাপ্পা মনে হয়। ক্রিকেটীয় পরিভাষায় যাকে ‘ফেইক ফিল্ডিং’ হিসেবে ধরা হয়। অনেক ক্ষেত্রে ব্যাটার বিভ্রান্ত হয়ে রানের জন্য ক্রিজ ছাড়েন, আর তাতে রান আউটের সুযোগ তৈরি হয়। তামিমেরও তেমন কিছুই মনে হয়েছিল।
আর তাই সাব্বিরকে তিনি বলে বসেন, ‘বেশি লাগতে যায়ো না সাব্বির, বেশি লাগতে যায়ো না!’ এখানেই ক্ষান্ত হননি তামিম। সঙ্গে আরও কিছু বলেছিলেন যা ঠিক স্পষ্ট শোনা যায়নি।
প্রতিক্রিয়ায় ‘ব্যাড বয়’ সাব্বির তেড়ে আসছিলেন তামিম ইকবালের দিকে। বিষয়টা মধ্যস্থতায় এগিয়ে আসেন থিসারা পেরেরা। সাব্বিরকে থামান তিনি। ফিল্ড আম্পায়াররাও এগিয়ে আসেন। ফলে বিষয়টা আর বড় কিছুতে রূপ নেয়নি।
এখানেই শেষ নয়, বরিশালের এই ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হন তামিম। তবে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি কাণ্ড করে ফেলেছেন আরো একটা, এবং এটাও ওই ‘রাগ’ সম্পর্কিতই।
৪৮ বলে ৬১ রানের ইনিংসের সুবাদে তামিম পান ম্যাচসেরার পুরস্কার। তবে পুরস্কারটা যখন তুলে দেওয়ার সময় হলো হাতে, তখন তামিমকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তার পুরস্কারটা নিতে গেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে তার যাওয়ার কথা থাকলেও তিনি যেতে পারেননি। পরে সঞ্চালক বললেন, ‘তামিম এখানে নেই, তার বদলে আছেন নাজমুল হোসেন শান্ত।’
পরে বরিশাল সূত্র নিশ্চিত করে, আসলে কারণটা তামিমের বিরক্তি। তিনি যখন ওখানে ছিলেন, তখনও পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে আসেননি বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ। তার আসতে কিছুটা সময় লেগেছে। তামিম তাতেই অধৈর্য হয়ে রেগেমেগে সে জায়গা ছেড়ে চলে যান ড্রেসিং রুমে।
তামিম অবশ্য মাঠের ক্রিকেট দিয়েও শিরোনাম কেড়ে নিচ্ছেন। প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে ৮০০০ টি-টোয়েন্টি রান করেছেন। ৬ ইনিংসে ২২২ রান করে তিনি আছেন শীর্ষ রান সংগ্রাহক হওয়ার দৌড়েও। তবে অক্রিকেটীয় যেসব কারণে তিনি ‘খবর’ হচ্ছেন তা সেসব ঢেকে দিচ্ছে পুরোপুরি। আর একটা বার্তাও দিচ্ছে– রাগটা বুঝি স্রেফ তারই হয়, আর কারো নয়!

পালটা-পালটি দাবির পর এবার যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিশ্চিত করলেন নেতানিয়াহু

০

পালটা-পালটি দাবির পর অবশেষে হামাসের সঙ্গে দোহায় যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি মুক্তির চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানিয়েছে, এ নিয়ে শুক্রবার নিরাপত্তাসংক্রান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠক ডাকা হয়েছে। ওই বৈঠকে চুক্তির ওপর ভোটাভুটি হবে।
শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে টাইমস অব ইসরাইল।
বুধবার (১৫ জানুয়ারি) হামাস ও ইসরাইলের যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তির চুক্তির কথা জানায় যুক্তরাষ্ট্র ও কাতার। তবে নেতানিয়াহু দাবি করেন, হামাস চুক্তির শর্ত পরিবর্তন করতে চাচ্ছে। আলোচনা শেষ মুহূর্তে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র এবং কাতার চুক্তির ঘোষণা দেয়ার কয়েক ঘণ্টা পর নেতানিয়াহুর এই বিবৃতি আসে। তিনি অভিযোগ করেন, মন্ত্রিসভা বৈঠক করবে না যতক্ষণ হামাস পিছু না হটে।
তবে নেতানিয়াহুর এই দাবি উড়িয়ে দেয় হামাস। তবে গোষ্ঠীটি নিশ্চিত করে, তারা স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং ইসরাইলি প্রত্যাহার না হলে বাকি জিম্মিদের মুক্তি দেবে না।
টাইমস অব ইসরাইল জানিয়েছে, হামাসের সঙ্গে সাক্ষরিত চুক্তি পাশ করতে আগামীকাল শনিবার রাতে মন্ত্রিসভার পূর্ণাঙ্গ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। নেতানিয়াহুর মুখপাত্র ব্যাখ্যা করে বলেছেন, চুক্তি বিরোধীতাকারীদের হাইকোর্টে পিটিশন দাখিলের জন্য ২৪ ঘণ্টার সময় দেওয়া জরুরি। আর শুক্রবার বিকেলে বৈঠক করলে, সাব্বাথ পালনকারী ধর্মীয় সদস্যরা পর্যাপ্ত সময় পাবেন না। তবে নেতানিয়াহু শুক্রবার এই বৈঠক করতে পারলে, শনিবার সরকারিভাবে যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তি চুক্তি পাশ হবে।
সাব্বাথ ইহুদি ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবস মনে করা হয়, যা প্রতি সপ্তাহে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পালন করা হয়। এই সময়ে ইহুদিরা কাজকর্ম থেকে বিরত থাকেন এবং বিশেষভাবে প্রার্থনা, বিশ্রাম ও পরিবারের সাথে সময় কাটানোর মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করেন। সাব্বাথ পালন করার সময়, ধর্মীয় নিয়ম অনুসারে কোনও কাজ করা নিষিদ্ধ।
তবে এ ক্ষেত্রে জিম্মিদের জীবন রক্ষার্থে সাব্বাথ লঙ্ঘনের ধর্মীয় নিয়ম কেন প্রযোজ্য নয়, তা স্পষ্ট নয়। দোহা থেকে আলোচক দলের ফিরে আসার অপেক্ষায় থাকলেও, শুক্রবার সন্ধ্যার আগে কেন নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা এবং পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার বৈঠক সম্ভব নয়, তা বলা হয়নি।
শনিবার মন্ত্রিসভার বৈঠক হলে পিটিশন দাখিলের ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা রোববার পর্যন্ত বাড়বে। এর ফলে চুক্তি কার্যকর হতে সোমবার পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। যা মুক্তির জন্য নির্ধারিত প্রথম তিন জিম্মিকে অতিরিক্ত এক দিন অপেক্ষা করতে হবে।
নেতানিয়াহুর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার খবর পেয়ে আলোচক দলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। অবশিষ্ট ৯৮ বন্দির পরিবারকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। এছাড়া নেতানিয়াহু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তির প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
এতে আরও বলা হয়েছে, ইসরাইল রাষ্ট্র যুদ্ধের সমস্ত লক্ষ্য অর্জনে প্রতিশ্রæতিবদ্ধ। একইসঙ্গে আমাদের সকল বন্দির, জীবিত এবং মৃতÑ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করাও অন্তর্ভুক্ত।

কঙ্গনার ‘ইমার্জেন্সি’ ছবি বাংলাদেশের পর কোথায় নিষিদ্ধ

০

বহু কাঠখড় পুড়িয়ে বাধাবিঘ্ন দূর করে অবশেষে মুক্তি পাচ্ছে বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ছবি ‘ইমার্জেন্সি’। শুক্রবার ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে। আর ‘ইমার্জেন্সি’ ছবিটি নিজেই পরিচালনা, চিত্রনাট্য ও প্রযোজনা করেছেন অভিনেত্রী। ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রেও অভিনয় করেছেন কঙ্গনা রানাউত। এদিকে ‘ইমার্জেন্সি’ মুক্তির আগেই বাংলাদেশে প্রদর্শনে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এবার ছবিটি প্রদর্শনের নিষিদ্ধ ঘোষণা এসেছে এসজিপিসির পক্ষ থেকে। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভাগবত মানের কাছে ‘ইমার্জেন্সি’র ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির অনুরোধ জানিয়েছে এসজিপিসি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে একটি পোস্টও শেয়ার করে নিয়েছে এসজিপিসি।
এসজিপিসির সভাপতি চিঠি লিখে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ রেখেছেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে লেখা হয়েছে অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ছবি ‘ইমার্জেন্সি’র ওপর শিরোমণি গুরুদ্বার পরবান্ধক কমিটির আপত্তি রয়েছে। ছবিতে ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে এবং এই ছবি শিখ সমপ্রদায়ের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। এসজিপিসির পক্ষ থেকে পাঞ্জাবে এ ছবির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার দাবি করা হয়েছে।
সেই পোস্টে আরও লেখা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি মারফত জানানো হয়েছেÑ ছবিটি মুক্তি পেলে শিখ স¤প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভ ছড়াবে। তাই রাজ্যে এ ছবিকে নিষিদ্ধ করা সরকারের দায়িত্ব। এ ছবি মুক্তি পেলে শিরোমণি সমপ্রদায় তীব্র বিরোধিতা করবে।
এর আগে ‘ইমার্জেন্সি’ নিষিদ্ধ হয়েছে বাংলাদেশেও। ইন্দিরা গান্ধীর সময় ১৯৭৫ সালে ভারতে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছিল, যা রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল করে তুলেছিল ভারতকে। এ ছবিটিতে ভারতের রাজনীতি ও সমাজনীতির একটা অন্ধকার দিক ফুটে উঠেছে। এ ছাড়া ছবিতে দেখানো হয়েছে ইন্দিরা গান্ধী কীভাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধে সাহায্য করেছিল। সেই সময় পাকিস্তান-বাংলাদেশের যুদ্ধে যাতে ভারত না জড়িয়ে পড়ে, তার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রমাগত চাপ আসছিল, কিন্তু ইন্দিরা গান্ধী তার সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন যে, লাখ লাখ শরণার্থীকে ভারতে জায়গা দেওয়ার থেকে অর্থনৈতিক স্তরে ভারতের পক্ষে সরাসরি পাকিস্তানের মোকাবিলা করা ভালো।
এদিকে বেশ কিছু দিন ধরে উত্তাল বাংলাদেশ। এখনো যে অবস্থা স্বাভাবিক হয়েছে তা বলা যায় না। তা ছাড়া ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনাও দেখা দিয়েছিল। তাই সব মিলিয়ে বাংলাদেশে ছবিটির মুক্তি দেওয়া হচ্ছে না।
একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, ‘বাংলাদেশে ‘ইমার্জেন্সি’ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্কের সঙ্গেও জড়িত। তাই ছবিটি নিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি কর হয়েছে। অনেকের মতে, ‘ইমার্জেন্সি’র অনেক বিষয়বস্তু দুই দেশের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক সমস্যার নানা দিককে প্রভাবিত করবে।’ এ সময় দুই দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই নাকি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বতীকালীন সরকারের এমন সিদ্ধান্ত।
এর আগে ‘ইমার্জেন্সি’ ছবি মুক্তির আগে একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিলেন বলিউড অভিনেত্রী-প্রয়োজক কঙ্গনা রানাউত। আবার সেই প্রদর্শনী দেখানো হয় নাগপুরে। অভিনেত্রী এ ছবিটি দেখার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়কড়িকে। ছবিটি দেখার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে মন্ত্রী লিখেছিলেনÑ ভারতের ইতিহাসের কালো অধ্যায়কে সততার সঙ্গে উৎকৃষ্টভাবে উপস্থাপন করার জন্য মন থেকে পরিচালক এবং ছবির সব অভিনেতাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ভারতের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় তুলে ধরা হয়েছে এ ছবিতে। সবাইকে এ ছবি দেখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।
উল্লেখ্য, অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের ‘ইমার্জেন্সি’ ছবি নিয়ে বেশ কিছু আপত্তি জানিয়েছিল শিরোমণি অকালি দল। যার ফলে সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পেতে প্রচুর কাঠখড় পোড়াতে হয় তাকে। ছবিটি থেকে বেশ কিছু দৃশ্য বাদও দিতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। সব মিলিয়ে প্রথম পরিচালনা করতে গিয়ে ভালোই বেগ পেতে হয়েছে কঙ্গনাকে। তাই আগামী দিনে আর রাজনৈতিক কোনো ছবি নির্মাণ করবেন না বলে জানিয়েছে অভিনেত্রী।

আইসিইউতে সাইফ, সন্ধ্যায় ছেলেকে দেখতে হাসপাতালে যান শর্মিলা

০

মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালের আইসিইউতে রয়েছেন বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তিনি বিপদসীমার বাইরে রয়েছেন। কিন্তু মায়ের মনে সন্তানের জন্য দুশ্চিন্তা কখনো কমে না। তাই বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ছেলেকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর।
সকাল থেকেই হাসপাতালের বাইরে কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপ ছিল। পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও সাইফকে দেখতে গিয়েছিলেন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান, অভিনেতা রণবীর কাপর প্রমুখ। সন্ধ্যায় হাসপাতালের সামনে সাদা গাড়ি থেকে নামতে দেখা যায় সাইফ আলির মা অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরকে। ফটোসাংবাদিকদের ক্যামেরায় সেই মুহূর্ত বন্দি হয়েছে। শর্মিলার পরনে ছিল সাদা সালোয়ার-কামিজ। গায়ে জড়ানো ছিল কালো শাল। তবে গাড়ি থেকে নেমেই সরাসরি হাসপাতালের ভেতরে চলে যান বর্ষীয়ান অভিনেত্রী।
এর আগে বৃহস্পতিবার লীলাবতী হাসপাতালে সাইফকে নিয়ে যাওয়া হলে জানা যায়, তার শরীরের দুটি জখম গুরুতর। তার মেরুদণ্ডে বিঁধে রয়েছে ভাঙা ছুরির ফলা। প্রায় আড়াই ঘণ্টায় দুটি অস্ত্রোপচারের পর অভিনেতাকে বিপদমুক্ত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। সাইফ হাসপাতাল থেকে কবে ছাড়া পাবেন, সে প্রসঙ্গে এখনো কোনো কিছু জানায়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

সাইফের ওপর হামলার পর প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন কারিনা

০

বলিউড অভিনেতা নবাব সাইফ আলি খান নিজের বাড়িতে গত বুধবার গভীর রাতে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে স্ত্রী অভিনেত্রী কারিনা কাপুর নীরব। বৃহস্পতিবার সাইফকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তারপর আড়াই ঘণ্টার অস্ত্রোপচার। উৎকণ্ঠায় কেটেছে অভিনেত্রীর। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অবশেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানালেন কারিনা কাপুর খান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি দীর্ঘ পোস্টে কারিনা লিখেছেনÑ আজকের দিনটা আমাদের পরিবারের জন্য সত্যিই কঠিন একটা দিন এবং এখনো আমরা পরপর একেকটি ঘটনাকে বোঝার চেষ্টা করছি। এই কঠিন সময়ে আমি বিনীতভাবে সংবাদমাধ্যম এবং পাপারাজ্জিদের ভুয়া খবর ও গুজব থেকে দূরে থাকতে বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।
এরই সঙ্গে কারিনা তার পোস্টে তাদের নিয়ে মানুষের কৌতূহলকে সম্মান জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেনÑসর্বদা নজরদারি আবার আমাদের নিরাপত্তা শিথিল করতে পারে। তাই আমাদের পরিবারকে এ মুহূর্তে একটু একা ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। সেটি পরিবার হিসাবে আমাদের ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করবে। এই কঠিন ও সংবেদনশীল সময়ে তাদের পাশে থাকার জন্য ভক্ত-অনুরাগীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন কারিনা কাপুর।
উল্লেখ্য, গত বুধবার রাতে সাইফ আলি খানের ওপর যখন হামলা হয়, তখন কারিনা বাড়িতে ছিলেন না। তিনি তার দিদি অভিনেত্রী কারিশমা কাপুরের বাড়িতে ছিলেন। কিন্তু স্বামীর আক্রান্ত হওয়ার খবর পেতেই তিনি দ্রæত পরিবারের সঙ্গে মিলিত হন।