Home Blog Page 520

জামায়াতের সাথে বিএনপির দূরত্বের কিছু নেই : নজরুল ইসলাম খান

জামায়াতের সাথে বিএনপির দূরত্বের কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই দেশপ্রেমিক।’

শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে গুলশানের বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সমমনা জোটের নেতাদের সাথে বৈঠকের পর তিনি সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন।

জামায়াতের সাথে দূরত্ব কমানোর কোনো উদ্যোগ বিএনপির পক্ষ থেকে নেয়া হবে কিনা- সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘এমন কোনো দূরত্বের কিছু নেই। তারাও গণতন্ত্র চায়, নির্বাচন চায়, মানুষের অধিকারের কথা বলে; আমরাও বলি। কিন্তু যদি কেউ বলে তারা শুধু দেশপ্রেমিক, তাহলে তো আমাদের কষ্ট লাগবেই। আমরা তো বলব- ভাই, কথাটা ঠিক না।’

‘আমরা সবাই দেশপ্রেমিক। আমি মুক্তিযুদ্ধ করেছি। তারপর যদি বলেন, শুধু আপনি দেশপ্রেমিক, আপনার আরেক বন্ধু দেশপ্রেমিক, তাহলে তো আমাকে বাদ দিলেন না আপনি! এটা তো কষ্ট লাগার কথা। আমরা আশা করব, এরকম কথা কেউ না বলুক,’ বলেন নজরুল ইসলাম খান।

জামায়াতের সাথে বিএনপি বৈঠক করবে কিনা জানতে চাইলে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘জামায়াতের সাথে ফরমালি যুগপৎ আন্দোলনে আমরা ছিলাম না। তাদের কর্মসূচি আমাদের কর্মসূচি একরকম ছিল না কিন্তু তারা আন্দোলনে ছিলেন। নিশ্চয়ই আগামী দিনে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের সবাই আমরা থাকবো, তারাও থাকবে। এটা নিয়ে কনফিউশনের কিছু নেই।’

বিএনপির সিনিয়র এ নেতা বলেন, ‘যুগপৎ আন্দোলনে সব সময় যারা আমাদের সাথে ছিলেন তারা হলেন সমমনা জোট। সমমনা রাজনৈতিক দলের সাথে আজকে আমরা বসেছিলাম। দেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। আমরা জনগণের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেছি কিভাবে সেটা দূর করা যায়। এ ব্যাপারে আমরা বিভিন্ন সময়ে সরকারকে যেসসব পরামর্শ দিয়েছি সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। যে গণতন্ত্রের জন্য দলের, জোটের এবং দেশের হাজার হাজার মানুষ জীবন দিয়েছে। অতি সম্প্রতি সহস্রাধিক মানুষ জীবন দিয়েছে। এখনো আমাদের অনেক নেতাকর্মী মামলা-হামলার শিকার হচ্ছেন।’

সমমনা জোটের প্রধান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ বলেন, ‘সামাজিক, রাজনৈতিক, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। বিএনপির সাথে আমরা যুগপৎভাবে আন্দোলন করেছি ২০০৯ সাল থেকে এবং আমাদের জোটের এবং বিএনপির শত লোকে মারা গেছে। আন্দোলনের জন্য লাখো মানুষের নামে মামলা হয়েছে। আমরা আন্দোলন করেছি আমাদের এক দফা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য। সেই এক দফাটি ছিল শেখ হাসিনার বিদায় এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার জন্য মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য। আমরা যে দীর্ঘ ১৫ বছর আন্দোলন করেছি এর সফলতা এসেছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে। প্রথম দফা আমরা সফলতা অর্জন করেছি, এখন দ্বিতীয় দফা হবে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা এবং মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।’

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই জাতীয় সংসদ নির্বাচন অতি দ্রুত আসুক কিন্তু নির্বাচনের জন্য সংস্কার প্রয়োজন। সংস্কার আমরাও চাই। দীর্ঘদিন মানুষ যে ভোট দিতে পারেনি সেজন্য সরকারকে বলব, ন্যূনতম সংস্কার করে অতি তাড়াতাড়ি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করুন এবং মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করুন। যদি সংসদ নির্বাচন হয় তাহলে দেশের অর্ধেক সমস্যার সমাধান হবে। বাকি যেসব সংস্কার আছে তা নির্বাচিত সরকার করবে।’

জানা গেছে, বেলা সোয়া ১১টায় শুরু হওয়া বৈঠকটি চলে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী।

বৈঠকে অন্যন্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান, জাগপা সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমান, গণদলের চেয়ারম্যান এ টি এম গোলাম মওলা চৌধুরী, বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান এম এন শাওন সাদেকী, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নুরুল ইসলাম, এনডিপির চেয়ারম্যান আবু তাহের, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি নাসিম খান, ডেমোক্রেটিক লীগের (ডিএল) সাধারণ সম্পাদক খোকন চন্দ্র দাস এবং জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি এস এম শাহাদাত।

মাইনাস টু ফর্মুলার আশা কখনো পূরণ হবে না : আমীর খসরু

‘মাইনাস-টু’ ফর্মুলার আশা কখনো পূরণ হবে না বলে মন্তব্য করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়াকে কেন্দ্র করে অনেকেই মাইনাস টু ফর্মুলার কথা বলছেন। এটা তাদের মনগড়া কথা। সেই আশা কখনোই পূরণ হবে না। কারণ বর্তমানে বিএনপি অনেক বেশি শক্তিশালী দলে পরিণত হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের মাজারে দীর্ঘ ১৬ বছর পর দেশে ফেরা বিএনপির অঙ্গ-সংগঠনের সাত নেতাকর্মীকে নিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘তাদের স্বাগত জানানোর মূল কারণ হচ্ছে এই লোকগুলো বিগত ১৬ বছর যুক্তরাষ্ট্রের থেকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সোচ্চার ছিল। তারা হোয়াইট হাউজের সামনে, তারা ক্যাপিটাল হিলে, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সামনে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে লড়েছেন। দেশে এদের আত্মীয়-স্বজনের নামে মামলা আছে। এদের পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা আছে। এদের অনেকে ব্যবসা হারিয়েছেন, চাকরি হারিয়েছেন। এদের পরিবারের অনেক লোক জীবনও দিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘আন্দোলন এক দিনে হয়নি। এ আন্দোলন গত ১৫-১৬ বছরের কত লোকের যে ত্যাগ স্বীকার সেটা অনেকে ভুলে যায়। আমরা শুধু রিসেন্ট আন্দোলনের কথা বলি। গত ১৫-১৬ বছর এই লোকগুলো কিন্তু আন্দোলনের বড় একটা অংশ। এদেরকে বাদ দিয়ে কোনো আন্দোলন হয়নি। এরা যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের আইন প্রণেতাদের ওপর, কংগ্রেস ম্যান, সেনেটার এদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন সংস্থাগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। তার ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশে এদের পরিবারকে অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। কিন্তু এরা সেখানে থেমে থাকেননি। গত ১৫-১৬ বছর তারা দেশে আসতে পারেননি। তাদের আত্মীয়-স্বজনকে দেখতে পারেননি। তাদের পরিবারকে দেখতে পারেননি। আজ এত বছর পরে এই লোকগুলো দেশে ফিরতে সক্ষম হয়েছেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘কেউ যদি মনে মনে মনগড়া কথা বলেন, সেটা তাদের সমস্যা। বাংলাদেশ আজকে যেখানে দাঁড়িয়ে আছে, বাংলাদেশের জনপ্রিয় দল জাতীয়তাবাদী দল আজকে যেখানে দাঁড়িয়ে আছে, সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী, সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা তারেক রহমানের অপেক্ষায় চেয়ে থাকবে বাংলাদেশ। এখন ‘মাইনাস-টু’-এর কথা যারা বলেন। ওই আশা জীবনে পূরণ হবে না। ওইটা এরশাদ পারে নাই। ওইটা ওয়ান ইলেভেন (এক এগার) পারে নাই। আর এখন তো তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী দল। বিএনপি ত্যাগ করে আজকে একটি সবচেয়ে শক্তিশালী দলে পরিণত হয়েছে। সুতরাং ওই সমস্ত মনগড়া কথা বলা আর তার উত্তর দেয়ারও আমি প্রয়োজনীয়তা বোধ করি না।’

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হতেই হবে এটাই প্রথম ধাপ। নির্বাচন হলো প্রথম সংস্কার। এটা দিয়েই শুরু করতে হবে সংস্কার এবং গণতন্ত্রের আন্দোলন। গণতন্ত্রের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আগামী দিনের যে পরিবর্তনের প্রত্যাশা সেটা আগামী দিনে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হবে।’

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সভাপতি অলিউল্লাহু আতিকুর রহমান, সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন বিবি, সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান সাঈদ, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা হুমায়ুন কবীর, রানা চৌধুরী, শাহিন আব্দুল্লাহ, কাউসার আলম প্রমুখ।

সব ধরনের ক্রিকেটকে বিদায় বললেন ভারতীয় পেসার বরুন

০

সব ধরনের ক্রিকেটকে বিদায় বললেন ভারতের হয়ে ১৮ ম্যাচ খেলা বরুন অরুন।

শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) ক্রিকেটবিষয়ক গণমাধ্যম ক্রিকবাজ ৩৫ বছর বয়সী এই পেসারের অবসরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

২০১০-১১ মৌসুমে বিজয় হাজারে ট্রফির ফাইনালে ১৫৩ কিলোমিটার/ঘণ্টা গতিতে বল করে আলোচনায় এসেছিলেন বরুন। ২০১১ সালের অক্টোবরে জাতীয় দলে অভিষেক হয়।

ভারতের হয়ে নয়টি করে টেস্ট আর ওয়ানডে খেলেছেন বরুন। দু’ ফরম্যাট মিলিয়ে উইকেট শিকার ২৯টি (টেস্টে ১৮ আর ওয়ানডেতে ১১)। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)-এ পাঁচটি দলের হয়ে খেলে তিনি নিয়েছেন ৪৪ উইকেট।

টিউলিপকে বহিষ্কার করছে ব্রিটিশ সরকার!

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানার মেয়ে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিককে মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেয়ার কথা ভাবছেন যুক্তরাজ্য সরকার। এ লক্ষ্যে ওই পদে দায়িত্ব পালনের জন্য সম্ভাব্য ব্যক্তিদের শর্টলিস্টও করা হয়েছে।

লেবার পার্টির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সূত্রে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দি টাইমস জানিয়েছে, বাংলাদেশের পতিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও টিউলিপ সিদ্দিকীর খালা শেখ হাসিনার সাথে সম্পর্কের কারণে যদি তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়, তবে মন্ত্রী হিসেবে কাকে নিয়োগ দেয়া হবে, ওই বিষয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সম্ভাব্য ব্যক্তিদের শর্টলিস্টও করা হয়েছে।

কর্মকর্তারা জানান, যদিও টিউলিপ নিজেকে নির্দোষ দাবি করে প্রধানমন্ত্রীর নীতিশাস্ত্র পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার কাছে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন; তবু যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীনরা তাকে নিয়ে বিব্রত। সেজন্য ডাউনিং স্ট্রিট টিউলিপ সিদ্দিকের বিকল্প খুঁজছে।

অবশ্য বাংলাদেশে আর্থিক দুর্নীতির মামলার তদন্তে যুক্তরাজ্যের অর্থ ও নগরবিষয়ক এই মন্ত্রীর ওপর পদত্যাগের চাপ বাড়লেও অতীতে তার পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার। তিনি টিউলিপের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন বলেও ঘোষণা দিয়েছেন। স্টারমারের এ অবস্থানের কারণে দ্য টাইমস কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পায়নি। বরং ডাউনিং স্ট্রিটের মুখপাত্র বলেছেন, দলটি টিউলিপের বিকল্প প্রার্থীদের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করেছে বলে যে ধারণা করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য।

তবে টাইমসকে এ-ও বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠদের মধ্যে কেউ কেউ অন্তত অনানুষ্ঠানিকভাবে কে কে টিউলিপের উত্তরসূরী হতে পারেন তা বিবেচনা করছেন।

স্টারমারের পক্ষাবলম্বন নিয়েও যুক্তরাজ্যের রাজনীতি সরগরম। এর পেছনের কারণ খুঁজে বের করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ।

সূত্র : দি টাইমস

লস অ্যাঞ্জেলেসে দাবানলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০

ইতিহাসের ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর লস অ্যাঞ্জেলেস। এতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

লস অ্যাঞ্জেলেস মেডিক্যাল এক্সামিনার কাউন্টি জানায়, এই লোকদের লাশ এখনো শনাক্ত করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার রাতে এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, ‘শনাক্তকরণে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। কারণ মেডিক্যাল পরীক্ষক বিভাগ আগুনের পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তার উদ্বেগের কারণে সমস্ত মৃত্যুর অবস্থানে প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম নয়।’

এদিকে নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লস অ্যাঞ্জেলসের দাবানল নিয়ে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাটিক দলীয় গভর্নরের সাথে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছেন। ট্রাম্প পানি সঙ্কটের জন্য ক্যালিফোর্নিয়া প্রশাসনের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, আলাদা ছয়টি দাবানলের মধ্যে অনেকগুলোই নিয়ন্ত্রণের পুরোপুরি বাইরে চলে গেছে। হারিকেন তীব্রতার বাতাস, শুষ্ক আবহাওয়া এবং পানির চাপ কম থাকায় আগুন নেভাতে হিমশিম খাচ্ছে দমকল কর্মীরা।

আগুনের তীব্রতা দেখে তা নিয়ন্ত্রণ করার বদলে সাধারণ মানুষকে সরিয়ে নেয়ার কাজ করছেন ফায়ার ফাইটাররা। ফলে হতাহতের সংখ্যা বেশ কম হয়েছে।
সূত্র : বিবিসি ও অন্যান্য

গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ৪৬ হাজারের বেশি

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলায় আরো কমপক্ষে ৭০ জন নিহত হয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোরবর থেকে সামগ্রিক নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৬ হাজার ছয়জনে। এবং আহত হয়েছে এক লাখ নয় হাজার ৩৭৮ জন।

বৃহস্পতিবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ কথ্য জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয় বলছে, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলি বাহিনীরে তিনটি পরিবারে গণহত্যায় ৭০ জন নিহত এবং ১০৪ জন আহত হয়েছে। অনেক মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকে আছে। কারণ উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছে না।’

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরে হামাসের হামলার পর থেকে ইসরাইল গাজা উপত্যকায় গণহত্যামূলক যুদ্ধ অব্যাহত রেখেছে। গাজায় গণহত্যার দ্বিতীয় বছর ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক নিন্দার সৃষ্টি করেছে।

২০২৪ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গাজায় যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতারবিরোধী অপরাধের জন্য ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং সাবেক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।
সূত্র : আনাদোলু অ্যাজেন্সি

পলাতক ওসি শাহ আলমকে গ্রেফতারে রেড অ্যালার্ট জারি

০

রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানা থেকে পালানো ওই থানার সাবেক ওসি শাহ আলমকে গ্রেফতারে সারা দেশে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) উত্তরা পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘শাহ আলম যাতে বিমানবন্দর, স্থলবন্দরসহ যেকোনো সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে দেশ ছেড়ে পালাতে না পারেন, সেজন্য আমরা সারা দেশে রেড অ্যালার্ট জারি করেছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘শাহ আলমকে ধরতে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। দেশে প্রবেশ ও প্রস্থানের সমস্ত পয়েন্টে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। কীভাবে তিনি পালিয়ে গেলেন তা জানতে কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় গত ২ সেপ্টেম্বর শাহ আলমের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করা হয়। ওই মামলায় বুধবার তাকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করার জন্য তাকে উত্তরা পূর্ব থানায় আনা হলেও ওইদিন দুপুরে তিনি কৌশলে পালিয়ে যান।

সাবেক এই ওসির বিরুদ্ধে দায়িত্বে থাকাকালে অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে তার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। আন্দোলন চলাকালে হয়রানি, মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগ ও হত্যার অভিযোগে তার নামে মামলা করা হয়।

সূত্র : ইউএনবি

রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে সোহান ঝড়ে হেরে গেল বরিশাল

০

বিপিএলের রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে অবিশ্বাস্য জয় পেয়েছে রংপুর রাইডার্স। অসম্ভবকেই যেন সম্ভব করলেন নুরুল হাসান সোহান। ফরচুন বরিশালের হাতের নাগাল থেকে জয় ছিনিয়ে আনলেন রাইডার্স অধিনায়ক। শেষ ওভারে ৩০ রান তুলে জেতালেন দলকে।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) দিনের প্রথম ম্যাচে সিলেটে মুখোমুখি হয় ফরচুন বরিশাল ও রংপুর রাইডার্স। যেখানে আগে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৯৭ রান তুলে তামিম বাহিনী। বিপরীতে দমবন্ধ লড়াই শেষে শেষ বলে এসে ৩ উইকেটের জয় পায় রংপুর।

প্রথম দেখায় বড় ব্যবধানে হারানোর পর সামাজিক মাধ্যমে বরিশালকে খোঁচা দিয়েছিল রংপুর। এবার সে খোঁচার জবাব দেয়ার সুযোগ আসে বরিশালের কাছে। তবে খুব কাছে গিয়েও সেই আশা অপূর্ণ থেকে গেল, এক সোহানের কাছে বিফলে গেল তাদের সব প্রচেষ্টা।

সোহান বল খেললেন মাত্র সাতটি, যেখানে সমান তিনটি করে চার-ছক্কা! তবুও আবার এমন মুহূর্তে, যখন জয়ের জন্য প্রয়োজন ৬ বলে ২৬ রান। বেশ দুরূহ কাজ বটে। তবে সোহান তার ধার ধারেননি, প্রতিটি বলেই মায়ার্সকে মেরে পাঠিয়েছেন সীমানার ওপারে।

অথচ জয়ের পথেই ছিল বরিশাল। এমনকি তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জয় নিশ্চিত ভেবে ‘জাগো বাহে জাগো’ লিখে একটা পোস্টও আপলোড করা হয়েছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত সেই পোস্ট ডিলিট করা হয় তাদের পেইজ থেকে।

১৯৮ রানের বিশাল এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই এলেক্স হেলসকে (১) হারায় রংপুর। সাইফ হাসান ১৯ বলে ২২ ও তৌফিক খান ২৮ বলে ৩৮ করে আউট হোন। ৯ ওভারে ৬৬ রানে ৩ উইকেট হারায় রংপুর।

সেখান থেকে ইফতেখার আহমেদ ও খুশদিল শাহ মিলে দলকে পাড় করে দেন দেড় শ’ রানের গণ্ডি। ৫৩ বলে করেন ৯১ রানের জুটি। তবে ৪ বলের ব্যবধানে দু’জনে ফেরেন। ইফতেখার ৩৬ বলে ৪৭ ও খুশদিল করেন ২৪ বলে ৪৮ রান।

তাদের বিদায়ের পর ম্যাচ ফের হেলে পড়ে বরিশালের দিকে। শেখ মেহেদী শিকার হন বিতর্কিত ‘অবস্ট্রাকিং দ্য ফিল্ড’ আউটের (১)। পরের বলেই ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ফেরেন সাইফুদ্দিন। ১৮.৫ ওভারে ১৭২ রানে ৭ উইকেট হারায় রংপুর।

এরপর শেষ ওভারে মায়ার্সকে পাত্তাই দেননি সোহান। ওভার কার্ড ছিল— ৬, ৪, ৪, ৬, ৪, ৬। বিশাল ছক্কা হাঁকিয়েই জয় নিশ্চিত করেন সোহান। তাতে রংপুর পায় ৩ উইকেটের জয়।

এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে তামিম ইকবাল ও নাজমুল হোসেন শান্তর উদ্বোধনী জুটিতে বড় পুঁজির ভিত পায় বরিশাল। ১০ ওভারেই উঠে বিনা উইকেটে ৮০ রান। টানা ব্যর্থতার পর রানের দেখা পান শান্ত, ১০.১ ওভারে ফেরার আগে করেন ৩০ বলে ৪১।

একই ওভারের শেষ বলে ফেরেন তামিম ইকবালও। আউট হোন ৩৪ বলে ৪১ করে। তবে মায়ার্স ও তাওহীদ হৃদয় ধরেন হাল। হৃদয় ১৮ বলে ২৩ রানে ফেরার আগে জুটিতে যোগ করেন ৩৫ বলে ৫৯ রান। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ অবশ্য রান পাননি (২)।

তবে শেষ দিকে ফাহিম আশরাফকে নিয়ে ৯ বলে আরো রান যোগ করেন মায়ার্স। আশরাফ থামেন ৬ বলে ২০ করে। মায়ার্স অপরাজিত থাকে ১ চার আর ৭ ছক্কায় ২৯ বলে ৬১ রান নিয়ে। কামরুল ইসলাম নেন ২ উইকেট।

ফলে ৬ ম্যাচের সব কটিতে জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান পাকাপোক্ত করল রংপুর। অন্যদিকে ৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা বরিশাল দুটি ম্যাচে হারল, দুটিই রংপুরের বিপক্ষে। মুখোমুখি দেখায় আগের ম্যাচে ৮ উইকেটে হেরেছিল তারা।

লস অ্যাঞ্জেলসের দাবানলে আটকে পড়েছেন নোরা ফাতেহি

০

জনপ্রিয় বলিউড নৃত্যশিল্পী এবং অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি লস অ্যাঞ্জেলসে আটকে পড়েছেন। এক ইনস্টাগ্রাম পোস্টে তিনি আগুনের বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, তার দলকে নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

বুধবার (৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে নোরা ফাতেহি ইনস্টাগ্রামে এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘আমি লস অ্যাঞ্জেলসে আছি। এখানে ভয়ানক দাবানলে পুড়ে গিয়েছে কয়েকটি অঞ্চল। আমরা মাত্র পাঁচ মিনিট আগে এটির খবর পেয়েছি। তাই আমি শিগগির আমার সমস্ত জিনিসপত্র গুছিয়ে নিয়েছি এবং আমি এখান থেকে সরে যাচ্ছি। আমি বিমানবন্দরের কাছে যাব।’

তিনি বলেন, ‘আজ (স্থানীয় সময়) আমার ফ্লাইট আছে। আমি জানি না আমি ফ্লাইট ধরতে পারব কি না। আমি আশা করি, এটি বাতিল হবে না। এটি ভীতিজনক। আমি আপনাদের আপডেট দেব। আমি আশা করি, মানুষ নিরাপদে রয়েছে। আমি এর আগে এ রকম দাবানল দেখিনি।’

প্রসঙ্গত, অভিনেত্রী নোরা লস অ্যাঞ্জেলসে কয়েকটি ইভেন্টে যোগ দেয়ার জন্যে গিয়েছিলেন। তবে সেখানে গিয়ে চরম বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছেন।

এদিকে, প্যারিস হিলটন থেকে অ্যান্টনি হপকিনসসহ একাধিক হলিউড সেলিব্রিটিদের কোটি টাকার বাড়িও আগুনে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।

মেক্সিকো জাদুঘর থেকে ভেঙে ফেলা হলো নেতানিয়াহুর ভাস্কর্য

মেক্সিকোর রাজধানী মেক্সিকো সিটির জাদুঘরে দখলদার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর একটি মোমের ভাস্কর্য ভেঙে ফেলেছেন ফিলিস্তিনপন্থী এক বিক্ষোভকারী। হাতুড়ি দিয়ে ভাস্কর্যটি ভাঙেন তিনি।

মেক্সিকোর ‘বয়কট, বিনিয়োগ এবং নিষেধাজ্ঞা আন্দোলন’ বা বিডিএস-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ভাস্কর্যটির একটি ছবি শেয়ার করা হয়েছে। যার চারপাশের মেঝেতে রক্তের মতো লাল রঙ ব্যবহার করা হয়েছে। ছবিতে একটি ফিলিস্তিনি পতাকাও দেখা যাচ্ছে।

বিডিএস তাদের পোস্টে বলেছে, ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত জাদুঘরটিতে বিখ্যাত শিল্পী, অভিনেতা, ক্রীড়াবিদ, বিশ্বনেতা এবং পৌরাণিক ব্যক্তিত্বের আদলে তৈরি প্রায় ২৬০টি মোমের ভাস্কর্য রয়েছে। সেখানে একজন ‘গণহত্যা পাগল’ ব্যক্তির ভাস্কর্য কেন রাখা হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

বিডিএস পরে অনলাইনে ঘটনার একটি ভিডিও শেয়ার করে, যেখানে ব্রিটিশ রাজপরিবারের মোমের মূর্তির ছবি দেখানো হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, হামলাকারী ব্যক্তিকে প্রথমে ভাস্কর্যটিতে লাল রঙ মেখে দেন। তারপর হাতুড়ি দিয়ে পেটাতে থাকেন। সবশেষে ধাক্কা দিয়ে ভাস্কর্যটি ফেলে দেন। এ সময় তাকে ‘ফিলিস্তিন দীর্ঘজীবী হোক, সুদান দীর্ঘজীবী হোক, ইয়েমেন দীর্ঘজীবী হোক, পুয়ের্তো রিকো দীর্ঘজীবী হোক’ বলে শ্লোগান দিতে দেখা যায়।

এদিকে, দখলদার ইসরাইলের মেক্সিকো দূতাবাস এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এটি একটি ‘ঘৃণ্য কাজ’। মূর্তি ভাঙার বিষয়টি হানাহানি, অসহিষ্ণুতা এবং ঘৃণার বার্তা দিচ্ছে বলেও দাবি করে তারা।

সূত্র : পার্সটুডে