Home Blog Page 525

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই তারেক রহমানকে অভিযুক্ত করেছিল ফ্যাসিবাদী আ’লীগ : মির্জা ফখরুল

২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা থেকে বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সকল আসামি উচ্চ আদালত হাইকোর্ট থেকে খালাস পাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার বিএনপি মহাসচিব বলেন, এ রায়ে প্রমাণ হলো আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে এ মামলাতে তারেক রহমানকে অভিযুক্ত করেছিল। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আনীত মামলার অভিযোগ থেকে তিনি আইনগতভাবে মোকাবিলা করে উচ্চ আদালত থেকে বেকসুর খালাস পেয়েছেন।

ঐতিহাসিক রায়ের মধ্যে দিয়ে আবারো প্রমাণিত হলো যে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আনিত সকল মামলাই রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র মূলক ছিল।

বিচারিক আদালতের রায় বাতিল করে আজ বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় দেখে আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত : অ্যাটর্নি জেনারেল

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় হাইকোর্টের রায়ের কারণ দেখে ও নির্দেশনা নিয়ে তারপর আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো: আসাদুজ্জামান।

রোববার (১ ডিসেম্বর) হাইকোর্ট এ বিষয়ে রায় দেয়ার পর আপিল সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। 

এর আগে আজ পৌনে ১২টায় একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সব আসামিকে খালাস দিয়ে রায় দেন হাইকোর্ট।

মামলায় সম্পূরক অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে বিচারিক আদালতের বিচার অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে আজ রোববার রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে ডেথ রেফারেন্স নাকচ করে ও আসামিদের আপিল মঞ্জুর করে এ রায় দেয়া হয়। ফলে এ মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ দণ্ডিত সব আসামি খালাস পেলেন। বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ এ রায় দেন।

হাইকোর্টের একই বেঞ্চ গত ২১ নভেম্বর আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি গ্রহণ শেষ করেন। সেদিন আদালত মামলা দুটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখেন। আজ রায় ঘোষণা করা হলো।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় করা মামলায় (হত্যা ও বিস্ফোরক মামলা) ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ রায় দেন। রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে দেয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। এ ছাড়া ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন বিচারিক আদালত।

একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার রায় রোববার

বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় রোববার (১ ডিসেম্বর) ঘোষণা করবেন হাইকোর্ট।

শনিবার (৩০ নভেম্বর) আসামিপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ রায় ঘোষণা করা হবে।

গত ৩১ অক্টোবর বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শুরু হয়। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা হয়। এ ঘটনায় করা মামলায় ২০১৮ সালে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিন রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ২০০১-২০০৬ ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুর রহিম ও আসামি শেখ আবদুস সালাম ২০২১ সালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিএনপির নেতা হারিছ চৌধুরী, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইনসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন সাজা দেয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন মেয়াদে ১১ জনকে দণ্ড দেয় বিচারিক আদালত। এরপর ওই বছরই হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স আসে। পাশাপাশি দণ্ডিত কারাবন্দিরা আপিল দায়ের করেন।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় মতিঝিল থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুটি মামলা হয়। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এ-সংক্রান্ত মামলা দুটির (হত্যা ও বিস্ফোরক) নতুন করে তদন্ত শুরু করে। ২০০৮ সালে ২২ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে মামলার অধিকতর তদন্ত হয়। এরপর তারেক রহমানসহ ৩০ জনকে আসামি করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয়া হয়। ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এই মামলার (হত্যা ও বিস্ফোরক মামলা) রায় দেন। রায়ের পর একই বছর বিচারিক আদালতের রায়সহ মামলা দুটির নথিপত্র হাইকোর্টে এসে পৌছে। পেপার বুক প্রস্তুত করাসহ যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষে মামলায় আপিল ও ডেথ রেফারেন্স শুনানি সম্পন্ন হলো। এখন হাইকোর্টে রায়ের অপেক্ষায়।

এ মামলায় বিএনপি’র শীর্ষ নেতৃত্বকে সম্পৃক্ত করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে বারবার দাবি করে আসছিল দলটি।

যুক্তরাষ্ট্রে পরকীয়া করছেন নায়ক নিরব, অভিযোগ স্ত্রীর

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন চিত্রনায়ক নিরব। ঠিক এই সময়ে তার বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ আনলেন স্ত্রী তাশফিয়া তাহের চৌধুরী ঋদ্ধি। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) মধ্যরাতে ফেসবুক পোস্টে এই গুরুতর অভিযোগ তোলেন। এবার সেই অভিযোগ তুলে নিয়ে ফেসবুক পোস্টের জন্য ক্ষমা চাইলেন ঋদ্ধি। তাতে অবশ্য ঘটনা থেমে থাকেনি। নিরবের স্ত্রীর ওই ফেসবুক পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। গুঞ্জন চাউর হয়, নিরব ও তার স্ত্রীর সংসার ভেঙে যাচ্ছে।

বুধবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে ফেসবুকে তাশফিয়া তাহের লিখেছেন, ‘গতকাল রাতে দেয়া আমার প্রথম পোস্টের জন্য ক্ষমা চাই। সে (নিরব) আমার সাথে প্রতারণা করেনি। নিরবের এক সাবেক মেসেজ দিয়েছিল। এটা ছিল একপক্ষীয় যোগাযোগ। হিট অব দ্য মোমেন্টে স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম। সাবেকের যোগাযোগ প্রসঙ্গে নিরবের কোনো দায় নেই। তাই এটা পরকীয়া সম্পর্ক নয়।’

প্রথম পোস্টে তাশফিয়া তাহের লিখেছিলেন, ‘বউ–বাচ্চা ফেলে কিভাবে দেশের বাইরে গিয়ে এক্সের সাথে আবার যোগাযোগ করে। যদি আমার আর আমার বাচ্চার লাইফ আনস্ট্যাবল হয়, কোনো পরকীয়া করা কাপলকে আমি ভালো মানুষের মুখোশ পরে থাকতে দেব না।’

এর কিছুক্ষণ পর ঋদ্ধি আরেক পোস্টে লেখেন, ‘নিরব হোসেন, আপনাকে অজস্র ধন্যবাদ, দীর্ঘ সময় সহ্য করার জন্য।…২০১৪ থেকে আপনি আমার লাইফে আসার পর থেকে আমার মা-বাবা-সন্তানদেরও আগে আপনি ছিলেন প্রথম প্রায়োরিটি। রিলেশনশিপে নাকি ইগো থাকতে হয় না। এ জন্য যেকোনো ধরনের ছোট–বড় সমস্যাতেই দাঁত কামড়ে আপনার সাথে ছিলাম। এর জন্যই আপনারও সবচাইতে বড় সমস্যা আমি হয়ে গেলাম। আমার অনেক কষ্ট হবে আপনাকে ছেড়ে থাকতে, তারপরও এবার আপনাকে আর কখনোই বিরক্ত করব না…।’

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ঋদ্ধিকে ভালোবাসে বিয়ে করেছিলেন চিত্রনায়ক নিরব। তাদের এই বিয়ে শুরুর দিকে মেনে নেয়নি ঋদ্ধির পরিবার। নিরবের নামে মামলা ঠুকে দিয়েছিল। তবে এ ঘটনা তাদের পথচলায় বাধা হতে পারেনি। নিরব-ঋদ্ধির সংসারে দু’মেয়ে রয়েছে।

সিরিজ বাঁচাতে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

০

এন্টিগা বিভীষিকা এখনো ভুলতে পারেনি বাংলাদেশ। কাটেনি সেই হারের তিক্ত রেশ। এরই মধ্যে ভেন্যু বদলে আবারো মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। সিরিজ বাঁচাতে এবার জ্যামাইকার সাবিনা পার্কে খেলবে তারা। খেলা শুরু বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়।

দিন তিনেকের বিরতি শেষে আজ আবার মাঠে ফিরছে লিটন-তাসকিনরা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। যেখানে ওয়েস্ট ইন্ডিজের লক্ষ্য সিরিজ জয়, বাংলাদেশ লড়াই করবে সিরিজ বাঁচাতে।

দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতে এন্টিগায় বাংলাদেশকে ২০১ রানের বিশাল ব্যবধানে হারায় স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সিরিজে এগিয়ে যায় ১-০ ব্যবধানে। আজ জিতলেই তারা নিশ্চিত করবে সিরিজ, ড্র-তেও বদলাবে না ভাগ্য।

অন্যদিকে সিরিজ জয়ের আর কোনো সুযোগ নেই বাংলাদেশের। সম্ভব হলে দ্বিতীয় টেস্ট জিতে কেবল সমতা ফেরাতে পারে টাইগাররা। ড্র করলেও হবে না রক্ষা, সিরিজ হবে হাতছাড়া।

তবে সেই সুযোগ দিতে চায় না ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ধবলধোলাই করতে প্রতিজ্ঞ তারা। মাঠে নামার আগেই ব্যাটার জশুয়া দা সিলভা বলেন, ‘আমরা এখনো হাল ছাড়িনি, ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিততে চাই।’

যেখানে স্বাগতিকদের পক্ষে কথা বলবে সাবিনা পার্ক। এই মাঠে এখন পর্যন্ত জয়ের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। যদিও এন্টিগার মতো এখনো এই মাঠে খুব বেশি ম্যাচ খেলেনি। দু’টি টেস্ট খেললেও খেলেনি কখনো ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি।

দুই টেস্টের দুটোতেই হেরেছে টাইগাররা। প্রথম দেখায় ২০০৪ সালে ইনিংস ও ৯৯ রানে হেরেছিল বাংলাদেশ। আর শেষবার ২০১৮ সালে সাকিব আল হাসানের দলের হার ১৬৬ রানে।

এই ম্যাচ দিয়ে তিন বছর পর টেস্ট ক্রিকেট ফিরছে সাবিনা পার্কে। সর্বশেষ এই মাঠে খেলা হয় ২০২১ সালের আগস্টে, পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাঝে। যদিও ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলা হয়েছে এই সময়ে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্টে বাংলাদেশের ইতিহাস গড়া কিছু জয় থাকলেও হেরেছে বেশিভাগ সময়েই। ২১ টেস্টের ১৫টিতেই হার দেখেছে বাংলাদেশ। জয় মোটে চারটি, বাকি দুটি ম্যাচ ড্র তে শেষ হয়।

এই ম্যাচেও প্রতিপক্ষের চেয়ে বাংলাদেশের বড় চিন্তার কারণ নিজেদের ভঙ্গুর ব্যাটিং। যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ভুগছে টাইগাররা। ভুগেছে সিরিজের প্রথম ম্যাচেও। প্রথম ইনিংসে মুমিনুল ও জাকের আলির ফিফটি আড়াই শ’ পেরিয়ে গেলেও বড় লিড নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

দ্বিতীয় ইনিংসে তো বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় মাত্র ১৩২ রানে। যেখানে ছিল না কোনো ফিফটিও!

দেখা যাক, এখন সেই ধাক্কা সামলে, পুরনো ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারে কি না বাংলাদেশ। তবে আমাদের নিশ্চয়ই তাই চাওয়া থাকবে।

সিরিজ জয়ের খুব কাছে বাংলাদেশ

০

প্রথম ওয়ানডেতে আয়ারল্যান্ডকে রেকর্ড ব্যবধানে হারানোর পর দ্বিতীয় ম্যাচেও জয়ের পথেই আছে বাংলাদেশ। অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু না ঘটলে আইরিশদের বিপক্ষে সিরিজ জয় এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা মাত্র।

শনিবার মিরপুরে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে খেলছে বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ড নারী দল। যেখানে টসে জিতে আগে করে ৬ উইকেটে ১৯৩ রান তুলে আইরিশরা। জবাবে জয় থেকে মাত্র ১৮ রান দূরে টাইগ্রেসরা।

এদিন টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে সুবিধা করতে পারেনি আয়ারল্যান্ড। দলীয় ৯ রানের মাথায় অধিনায়ক গ্যাবি লুইসকে ফেরান সুলতানা। আরেক ওপেনার সারাহ ফোর্বসকে (১৩) আউট করেন নাহিদা আক্তার।

৩৫ রানে ২ উইকেট হারানোর পর আইরিশদের পথ দেখান এমি হান্টার ও ওরলা প্রেন্ডারগাস্ট। দু’জনে মিলে গড়েন ৯১ রানের জুটি। ব্যক্তিগত ৩৭ রানে প্রেন্ডারগাস্ট রান আউট হলে ভাঙে এই জুটি।

একই ওভারে সাথি ফেরান এমি হান্টারকেও। ৮৮ বলে ৬৮ রান করে আউট হন এমি। এরপর উনা রেমন্ডের ১৮ বলে অপরাজিত ২১ এবং লরা ডিলানির ৫০ বলে ৩৩ রানের ইনিংসে ১৯৩ রানের সংগ্রহ পায় আয়ারল্যান্ড।

১০ ওভার বল করে ৩২ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন সুলতানা খাতুন। একটি করে উইকেট পেয়েছেন স্বর্ণা আক্তার ও নাহিদা খাতুন।

জবাব দিতে নেমে প্রথম ওভারেই মুরশিদা খাতুনকে (৫) হারালেও ফারজানা ও শারমিন আক্তার দলকে সহজ জয়ের পথেই রাখেন। দু’জনে মিলে ৮৫ রানের জুটি গড়ে স্কোর পৌঁছে দেন তিন অংকের ঘরে। এরপর ফারাজানা ৮৯ বলে ৫০ রানে আউট হন।

এরপর বেশিদূর যেতে পারেননি শারমিনও। ফিফটি হাতছাড়ার আক্ষেপ নিয়ে ৬৩ বলে ৪৩ রানে আউট হন তিনি। ২৯ দশমিক ২ ওভারে ১০৭ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর সুবহানা মোস্তারি ২১ বলে ১৬ রানে আউট হন।

তবে এই মুহূর্তে দলকে জয়ের খুব কাছে নিয়ে গেছেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা (৩৪*) ও স্বর্ণা আক্তার (১৯*)। এই মুহূর্তে দলের সংগ্রহ ৪০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৬ রান। জয়ের জন্য আর চাই ১৮ রান।

রাশিয়া পারমাণবিক পরীক্ষা শুরু করতে পারে : রুশ উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ বলেছেন, তার দেশ আবারো পরমাণু পরীক্ষা শুরু করতে পারে। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর মস্কো আর পরমাণু পরীক্ষা চালায়নি।

আজ শনিবার বার্তাসংস্থা তাস রিয়াবকভের কাছে জানতে চায়, মার্কিন সরকার পরমাণু কর্মসূচি জোরদার করছে, এর প্রতিক্রিয়ায় মস্কোও পরমাণু পরীক্ষা চালাবে কিনা। জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি মস্কোর এজেন্ডায় রয়েছে।

রিয়াবকভ আরো বলেন, ‘আমি শুধু বলব, পরিস্থিতি বেশ জটিল। আমরা সকল দিক বিবেচনায় রাখছি।’

একটি প্রধান পারমাণবিক শক্তি হওয়া সত্ত্বেও আধুনিক রাশিয়া কখনো পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালায়নি। ১৯৯০ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের আগে সর্বশেষ পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে মস্কো। পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর বিষয়ে রাশিয়া স্বেচ্ছা-স্থগিতাদেশ অনুসরণ করে আসছে।

গতকাল আমেরিকার রসকংগ্রেস ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, মার্কিন সরকার পরমাণু অস্ত্র আধুনিকায়ন করার জন্য ১৪০ বিলিয়ন ডলার খরচ করার পরিকল্পনা নিয়েছে। ২০২৪ সাল থেকে ২০৪৯ সাল পর্যন্ত এই কর্মসূচি পরিচালিত হবে। আমেরিকার এই পরিকল্পনার কথা ফাঁস হওয়ার পর রুশ উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরমাণু পরীক্ষা সম্পর্কে নিজেদের অবস্থান জানান দিলেন।

সূত্র : পার্সটুডে

বাংলাদেশীদের চিকিৎসা দেবে না কলকাতার হাসপাতাল

বাংলাদেশের কোনো রোগীকে চিকিৎসাসেবা না দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর কলকাতার মানিকতলা এলাকার জেএন রায় হাসপাতাল।

শুক্রবার জেএন রায় হাসপাতালের একাধিক কর্মকর্তা ভারতের বার্তা সংস্থা পিটিআইকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ সময় তারা বাংলাদেশে ভারতীয় পতাকার অবমাননা এবং দেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর কথিত অত্যাচারের প্রতিবাদে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান।

এর আগে ওই দিন বিকেলে মানিকতলার জেএন রায় হাসপাতাল ফেসবুক পোস্টে লেখে, ‘ভারতবর্ষের প্রত্যেকটা হাসপাতাল থেকে এই আওয়াজটা উঠুক।’ ওই পোস্টারে লেখা, ‘আপাতত বাংলাদেশী রোদগী দেখা বন্ধ। ভারতের চিকিৎসায় সুস্থ থেকে ভারতের জাতীয় পতাকার অবমাননা! এটা হতে পারে না।’

এদিকে এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন অনেকে। ভারতের পিয়ারলেস হাসপাতালের সিইও চিকিৎসক সুদীপ্ত মিত্র বলেছেন, ‘আমরা চিকিৎসক হিসেবে তো একথা বলতে পারি না। কারণ, রোগীর প্রথম পরিচয় তিনি অসুস্থ। তবে আগে প্রতিদিন আউটডোরে দেড় শ’ থেকে দু শ’ রোগী আসতেন। এখন সেই সংখ্যা কমে ১০ থেকে ১৫ -তে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশী কোনো রোগী ভর্তি নেই। শুধু এই হাসপাতাল নয়, সব হাসপাতালের ছবিই এক।’

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রদ্রোহসহ একাধিক মামলায় ২৫ নভেম্বর বিকেলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাওয়ার সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইসকনের সাবেক সংগঠক চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতার করে পুলিশের বিশেষায়িত গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

চিন্ময় দাসকে গ্রেফতারের পর চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে হত্যা করে তার সমর্থকরা। এরপর বাংলাদেশে ইসকনকে নিষিদ্ধ করার দাবি ওঠে। বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে ইসকনকে একটি ‘উগ্রবাদী সংগঠন’ হিসেবে মনে করা হয়।

এদিকে ভারত বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ালে পরিস্থিতি ভিন্ন। গতকাল প্রকাশিত মার্কিন গণমাধ্যম ভয়েস অব আমেরিকা (ভিওএ) বাংলার এক জরিপে ওঠে এসেছে, বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ মনে করে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের তুলনায় অন্তর্বর্তী সরকার ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের বেশি নিরাপত্তা দিচ্ছে।

ব্যর্থ হলে কারোরই অস্তিত্ব রাখবে না খুনি হাসিনা : সারজিস

জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, ‘খুনি হাসিনা ও তার দোসরেরা সব দিক দিয়ে চেষ্টা করছে, আমরা যেন সফল না হই। কোনোভাবে যদি আমরা ব্যর্থ হই, আমরা এখানে যারা রয়েছি, তাদের কারোরই অস্তিত্ব খুনি হাসিনা রাখবে না।’

শনিবার (৩০ নভেম্বর) সকালে ময়মনসিংহ নগরের টাউনহলের তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া বিভাগের ৫৫ জনের পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা করে আর্থিক অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, কালো শকুনদের চক্রান্ত এখনো থামেনি। আপনাদের দোয়ায় যদি বেঁচে থাকতে পারি তাহলে কোনো শহীদ পরিবার ও আহতদের গায়ে একটি আঁচড় লাগতে দেব না। শহীদ পরিবার ও আহত ভাইদের কাউকে দুর্দশাগ্রস্ত জীবন যাপন করতে হবে না। এটি করতে হয়তো একটু সময় লাগবে। আমরা আমাদের জীবনের বিনিময়ে সবটুকু দিয়ে সব সময় আপনাদের পাশে থাকব।

সারজিস বলেন, আমাদের সকলের দায়িত্ব যে স্বপ্ন নিয়ে, যে স্পিরিট নিয়ে এই অভ্যুত্থান হয়েছে সেটিকে রক্ষা করা। আমরা একদিকে যেমন সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করব, অপরদিকে প্রশাসনসহ সকল স্তরে সার্বিক কাজে সহযোগিতাও করব। প্রশাসনের যারা হত্যাযজ্ঞের সাথে জড়িত ছিল, ভিডিও ফুটেজ ও ছবি দেখে তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এখন যারা প্রশাসনের দায়িত্ব পালন করছে এটি তাদের অস্তিত্বের সাথে সম্পর্কিত। কারণ তারা আজ এ জায়গায় বসেছেন এই অভ্যুত্থানের ফলে।

তিনি বলেন, ‘দেশের অন্যতম সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া নাকি এতিমের টাকা আত্মসাৎ করেছে। কত টাকা দুই কোটি টাকা। তার জন্য জেলে যেতে হয়েছে। শেখ হাসিনার দোসররা যদি আজ থেকে ২০ বছর পর ফিরে আসে তখন এমন করবে যে আমরা ফাউন্ডেশনের দুই হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছি, এ বলে জেলে পাঠিয়ে দেবে। বিষয়টি আমাদের সবার আত্মসম্মানের সাথে সম্পর্কিত। এ জন্য আমাদের প্রপার ডকুমেন্ট লাগবে। সঠিক কাজপত্র পৌঁছানো হলে এক সপ্তাহের মধ্যে আমাদের ফান্ড পৌঁছে দেয়া হবে।’

অনুষ্ঠান শুরু করার আগে শহীদ পরিবারের সদস্যদের কাছে গিয়ে খোঁজ নেন জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ।

‘জামায়াতকে নিষিদ্ধ করতে গিয়ে ফ্যাসিস্ট হাসিনা নিজেই নিষিদ্ধ হয়ে গেছেন’

জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রামের সাবেক সংসদ সদস্য মাওলানা মো: শাহজাহান চৌধুরী বলেছেন, ‘জামায়াত ইসলামীকে স্বাধীনতাবিরোধী সংগঠন বলে নিষিদ্ধ করতে গিয়ে ফ্যাসিস্ট, গণহত্যাকারী শেখ হাসিনা নিজেই নিষিদ্ধ হয়ে গেছেন। তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘১৭ বছর জামায়াত-শিবিরের ওপর নির্যাতন চালানোর পরও আমরা কেউ পালিয়ে যাইনি কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ এক মাসও টিকতে পারেনি।’

শনিবার (৩০ নভেম্বর) সকালে রাঙ্গামাটি আল আমিন ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসা মাঠে পৌরসভা জামায়াত আয়োজিত বিশাল কর্মী সম্মেলনে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

দীর্ঘ ১৭ বছর পর রাঙ্গামাটি শহরে পৌর জামায়াতে ইসলামীর বিশাল কর্মী সমাবেশে হাজারো নেতা-কর্মী যোগ দেন।

সমাবেশে শাহজাহান চৌধুরী বলেন, ‘বিগত ১৫ বছর সরকারের জুলুম-নির্যাতনের কারণে আমরা খোলা মনে কথা বলতে পারিনি। মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারিনি। রাজনৈতিকভাবে আমাদের ওপর জুলুম-নির্যাতন করা হয়েছে। অফিসগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে মিথ্যা মামলায় জেলে দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় বাহিনী দিয়ে খুন-গুমের মাধ্যমে ত্রাসের রাজত্ব চালানো হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে যে সফল বিপ্লব সাধিত হয়েছে তা সমুন্নত রাখতে হবে।’

আগামী নির্বাচনে সৎ, যোগ্য এবং তাকওয়াবান নেতৃত্ব তৈরি করে জামায়াতে ইসলামীকে নির্বাচিত করতে দলের নেতাকর্মীদের কাজ করার জন্য তিনি আহ্বান জানান।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান। তিনি আগামীর বৈষম্যহীন, শোষণহীন, দুর্নীতিমুক্ত, কল্যাণকর বাংলাদেশ বিনির্মাণে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘বাংলার মানুষ আগামীতে জামায়াতকে ক্ষমতায় আনতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।’

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য পৃথিবীর ইতিহাসে এত জঘন্যতম, নির্মমতা ও পৈশাচিকতা আওয়ামী লীগ প্রদর্শন করেছে।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতা থাকার সময় সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত ও জুলুম হয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের। অথচ ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার বিতাড়িত হওয়ার পর কোনো প্রতিশোধ নেয়নি। এই জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই এর জবাব দিতে হবে।’

রাঙ্গামাটি পৌর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রাঙ্গামাটি জেলা আমির অধ্যাপক মো: আব্দুল আলীম, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মো: জাহাঙ্গীর আলম, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মনছুরুল হক, রাঙ্গামাটি ইসলামিক সেন্টারের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোখতার আহমেদ, রাঙ্গামাটি জেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার আবুল কালাম, আল আমিন ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নুরুল আলম ছিদ্দিকী, এলডিপির জেলা সভাপতি দিবাকর দেওয়ান, রাঙ্গামাটি জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো: হারুনুর রশিদ, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান, কাপ্তাই উপজেলা আমির মো: হারুন অর রশিদ, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির রাঙ্গামাটি জেলা শাখার সভাপতি মো: শহীদুল ইসলাম, সেক্রেটারি মো: রবিউল ইসলাম প্রমুখ।

এর আগে কর্মী সম্মেলন উপলক্ষে রাঙ্গামাটি পৌরসভা থেকে র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বনরূপা আল আমিন সিনিয়র মাদরাসা প্রাঙ্গণে এসে সমাবেশে যোগ দেয়।