জাতিসংঘের এবারের ৭৯তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর রোববার নিউইয়র্ক আসছেন বাংলাদেশের অন্তবর্তীকালীন সরকার প্রধান নোবেল পুরষ্কার বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এই সফরকালীন সময়ে তিনি আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিউইয়র্ক অবস্থান করবেন বলে জানা গেছে। তাঁর নিউইয়র্ক সফরকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের ‘মাদার সংগঠন’ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ সোসাইটি, নিউইয়র্ক একটি অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে ড. ইউনূসকে নাগরিক সংবর্ধনা দিতে চায়। সোসাইটির দাবী ড. ইউনূস একজন বিশ্ব বরণ্যে সম্মানীত এবং নিরপেক্ষ ব্যক্তি। তাই প্রবাসীদের পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধিত করার দাবীদার বাংলাদেশ সোসাইটি। এজন্য সোসাইটির সকল প্রস্তুতি রয়েছে বলেও সংগঠনের কর্মকর্তারা দাবী করেছেন। শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সিটির এলমহার্মস্টস্থ সোসাইটির নিজস্ব অফিসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমীন সিদ্দিকী। এরপর সভাপতি মোহাম্মদ রব মিয়া লিখিত বক্তব্যে বিস্তারিত তুলে ধরেন। এসময় সোসাইটির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুর রহীম হাওলাদার সহ সোসাইটির অন্যান্য কর্মকর্তাদের মধ্যে সহ সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ নওশেদ হোসেন এবং প্রচার ও জনসংযোগ সম্পাদক রিজু মোহাম্মদ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সোসাইটির সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুর রব মিয়া লিখিত বক্তব্যে বলেন, প্রতি বছরই সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের সরকার প্রধান যোগ দেন। অন্যান্য বছরগুলোতে রাজনৈতিক সরকার থাকায় সরকার প্রধানের যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে সংশ্লিষ্ট দলের মাধ্যমেই তাদের সফর সংμান্ত সব আয়োজন করা হয়। এমনকি সংবর্ধনার আয়োজনও করা হয় দলীয়ভাবে। এতে বিপুল সংখ্যক সাধারণ প্রবাসী তাদের দাবি-দাওয়া ও মনের কথা সরকার প্রধানের সামনে বলার সুযোগ কখনোই পান না। রাজনৈতিক দলের প্রবাসী নেতা-কর্মীরা তাদের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে ব্যাস্ত থাকায় প্রবাসীদের সাধারণ সমস্যা ও সম্ভাবনার কথাগুলো সরকার প্রধান জানতেই পারেন না, ফলে সেগুলোর সমাধানও বছরের পর বছর হয়নি।
আব্দুর রব মিয়া বলেন, বর্তমানে পরিবর্তিত একটি পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে। এই সরকার ছাত্র-জনতার দাবি অনুযায়ী- রাষ্ট্র সংস্কারের কাজে হাত দিয়েছে। সেই সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা, বিশ^ বরেণ্য ব্যক্তিত্ব নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামী ২২-২৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর করবেন। তাঁর এই সফর অন্যান্য সরকার প্রধানের সফরের চেয়ে একেবারেই ভিন্ন। আমরা আশা করছি- নিরপেক্ষ, নির্দলীয় এই সরকারের প্রধানের কাছে সকল প্রবাসী বাংলাদেশী তাদের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত মনের কথাগুলো সহজে বলার সুযোগ পাবেন। বাংলাদেশ সোসাইটিও সকল প্রবাসী বাংলাদেশীদের পক্ষ থেকে সেই সুযোগটি গ্রহণ করতে চায়।
রব মিয়া বলেন, আমরা সকল প্রবাসীদের আমব্রেলা সংগঠন হিসেবে বাংলাদেশ সোসাইটির পক্ষ থেকে এবারের নাগরিক গণ-সংবর্ধনার আয়োজন করতে আগ্রহী। যেহেতু এখন রাজনৈতিক সরকার নেই, তাই প্রবাসী রাজনৈতিক দলের শাখা কর্তৃক আয়োজনের ব্যাপারও নেই। আর এর মাধ্যমে আমরা প্রবাসীদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া ও সমস্যা, সম্ভাবনা এবং রাষ্ট্র সংস্কারে প্রবাসীদের বিভিন্ন বিষয় আমরা সরাসরি সরকার প্রধানের সামনে তুলে ধরতে চাই।
প্রসঙ্গত তিনি বলেন, বাংলাদেশের সা¤প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগগ্রস্তদের জন্য বাংলাদেশ সোসাইটি প্রাথমিকভাবে ৩০ লক্ষ টাকার একটি তহবিল প্রদান করেছে। আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে সেই স্মারকও প্রধান উপদেষ্টার হাতে হস্তান্তর করতে চাই। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্র সংস্কারের যে উদ্যোগ প্রধান উপদেষ্টা ও তাঁর সরকার নিয়েছেন তার সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে প্রবাসীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কিছু বিষয়ে সংস্কার প্রস্তাব সংμান্ত একটি স্মারকলিপিও আমরা তাঁর হাতে হস্তান্তর করতে চাই।
আব্দুর রব মিয়া বলেন, আমরা বাংলাদেশ সোসাইটির পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থয়ী মিশন, নিউইয়র্ক কনস্যুলেট এবং প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে যোগাযোগ শুরু করেছি। সবশেষে তিনি সোসাইটির আয়োজনে ড. ইউনূসের নাগরিক সংবর্ধনা আয়োজনে গণমাধ্যম সহ সকলের সহযোগিতা ও ভূমিকা কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমীন সিদ্দিকী বলেন, সবাই সহযোগিতা করলে সোসাইটি এককভাবেই বাংলাদেশের সরকার প্রধান ড. ইউনূসকে নাগরিক সংবার্ধনার আায়োজন করবে। এজন্য ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে এবং অর্থেরও কোন সমস্যা হবে না।
এক প্রশ্নের উত্তরে সভাপতি আব্দুর রব মিয়া বলেন, আমরা এককভাবেই ড. ইউনূসকে প্রবাসীদের পক্ষ থেকে সংবর্ধিত করতে চাই। এজন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাস, জাতিসংঘের স্থায়ী মিশন ও বাংলাদেশ কনসুলেটের সার্বিক সহযোগিতাও কামনা করেন। প্রসঙ্গত তিনি আরো বলেন যে, সরকারের নির্দেশে যদি দূতাবাস-মিশন ও কনস্যুলেট ড. ইউনূসের সংর্বধনার আয়োজন করে যে ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সোসাইটির সম্মানজনক অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালন করতে চায়।
আব্দুর রহীম হাওলাদার বলেন, বাংাদেশ সোসাইটির প্রবাসী বাংলাদেশীদের অরাজনৈতিক সংগঠন। তাই নির্দলীয় সরকার প্রধান হিসেবে আমরা সোসাইটির পক্ষ থেকেই ড. ইউনূসের সংবর্ধনা আয়োজন চাই। তিনি বলেন, বিগত সরকারের সময়ে ‘নিউইয়র্ক-ঢাকা-নিউইয়র্ক’ রুটে বিমান চালুর বিষয়টি শুধু আশ্বাসের মধ্যেই ছিলো। আমরা আশা করছি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিমান চালু সহ প্রবাসীদের অন্যান্য সমস্যারও সমাধান করবেন।
নিউইয়র্ক সফরকালীন ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নাগরিক সংবর্ধনা দিতে চায় বাংলাদেশ সোসাইটি
পেনসিলভেনিয়ায় বাংলাদেশ প্যারেড ও মেলা অনুষ্ঠিত
যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়ার আপার ডার্বিতে গত ৭ই সেপ্টেম্বর শনিবার বাংলাদেশ সোসাইটি অব পেনসিলভেনিয়ার আয়োজনে বাংলাদেশ প্যারেড ও মেলা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ সোসাইটি অব পেনসিলভেনিয়া (বি.এস.পি) সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিল। সহযোগিতা করেছে বেসাপ, বিসিপি, কোম্পানীগঞ্জ, হবিগঞ্জ, বৃহত্তর কুমিল্লা, বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ, সিলেট সদর, বৃহত্তর রংপুর, নরসিংদী, এবং কুষ্টিয়া-পিএ। সংগঠনগুলোর প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে মেলার উদ্বোধন করেন সংগঠনের সভাপতি এ.বি.এম. আলতামাস বাবুল, সাধারণ সম্পাদক সাইদুজ্জামান ডেনী এবং প্রধান অতিথি বারী গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা আসেফ বারী টুটুল।
বাংলাদেশি প্যারেড ও মেলাকে ঘিরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা মেতে ওঠেন। এই প্যারেড ও মেলায় ঐতিহ্য, কেনাকাটা, আড্ডা ও আনন্দের মাধ্যমে এক বিশাল সমাবেশ ঘটে। বৃষ্টির পরেও প্যারেড থামেনি। দুপুর ১:৩০-এ আপার ডার্বির খামারবাড়ি পার্কিং লট থেকে প্যারেড শুরু হয়ে ৬৯ স্ট্রিটের আপার ডার্বি সিটি প্লে গ্রাউন্ডে শেষ হয়। সাজানো গাড়ি ও বাদ্যযন্ত্রসহ প্রবাসীরা উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেন। বাংলাদেশি আমেরিকান কমিউনিটি ফোরাম অব পেনসিলভেনিয়ার অংশগ্রহণ ছিল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
বিকেলে আপার ডার্বি সিটির প্লে গ্রাউন্ড মেলা প্রাঙ্গণে পরিণত হয়। প্রবাসী বাংলাদেশিরা দলবেঁধে মেলায় যোগ দেন। পেনসিলভেনিয়ার পাশাপাশি নিউজার্সি, ডেলাওয়ার, মেরিল্যান্ড, ভার্জিনিয়া, এবং নিউইয়র্ক থেকেও প্রবাসীরা অংশগ্রহণ করেন। মেলায় বুটিক, মৃৎশিল্প, হস্তশিল্প, পোশাক ও জুয়েলারিসহ বিভিন্ন পণ্যের স্টল ছিল। দেশীয় খাবারের দোকানগুলোও ক্রেতাদের মন জয় করে নেয়।
বিনোদন আয়োজনে স্থানীয় শিশু শিল্পীদের গান ও নাচের পাশাপাশি বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন। আকর্ষণীয় লটারি ড্রতে ছিল স্বর্ণের বার, ল্যাপটপ, এবং টেলিভিশনসহ আকর্ষণীয় পুরস্কার।
অনুষ্ঠানের ইভেন্ট প্রডিউসার ছিল কালচারাল ইভেন্ট কো-অর্ডিনেটর “সপ্তক সঙ্গীত নিকেতন,” এবং মিডিয়া পার্টনার ছিল “বাংলাদেশি আমেরিকান কমিউনিটি ফোরাম অব পিএ।
বাংলাদেশ সোসাইটি অব পেনসিলভেনিয়াকে ধন্যবাদ, যারা এমন সুন্দর একটি প্যারেড ও মেলার আয়োজন করেছে। আশা করি ভবিষ্যতেও তারা আরও সুন্দর আয়োজন করবে।
অবশেষে সালমান খানের সঙ্গে ‘গোপন বিয়ে’ ইস্যুতে মুখ খুললেন ঐশ্বরিয়া!
বলিউডের ‘ভাইজান’ খ্যাত সালমান খানের সঙ্গে ‘গোপন বিয়ের’ খবর গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রায়। বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই খবরকে ভিত্তিহীন বলেছেন তিনি। সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানভিত্তিক দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, মুম্বাইয়ের লোনাভালার একটি বাংলোতে গোপনে বিয়ের অনুষ্ঠান সেরেছেন সালমান ও ঐশ্বরিয়া।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ঐশ্বরিয়া রায় বিয়ের জন্য ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। যা অভিনেত্রী পরিবারের কাছে গোপন রেখেছেন।
গুজব ছড়িয়েছে, সালমান ও ঐশ্বরিয়া এমনকি নিউইয়র্কে গোপন হানিমুনে গিয়েছিলেন। বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে এমন জল্পনা নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে ঐশ্বরিয়ার ক্যারিয়ারে।
এক সাক্ষাৎকারে ঐশ্বরিয়া বলেছেন, ‘(বিয়ের) খবরটি সত্য হলে, ইন্ডাস্ট্রি এটি সম্পর্কে জানত, কারণ এটি একটি ছোট পৃথিবী। আমি এমন কেউ নই যে আমার বিয়ে লুকিয়ে রাখবো।’
গত কয়েক মাস ধরে এমন জল্পনাই চলছে, সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রায়ের সঙ্গে তার স্বামী অভিনেতা অভিষেক বচ্চনের দাম্পত্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে।
কেন কাজলকে সহ্য করতে পারতো না শাহরুখপুত্র আব্রাম?
শাহরুখ খানের কনিষ্ঠ পুত্র আব্রাম খান নাকি কাজলকে সহ্য করতে পারত না। দেখলেই রেগে যেত। এ দিকে বাবার সঙ্গে পর্দায় অন্যতম ভাল রসায়ন যে নায়িকার সঙ্গে, তিনি কাজল। তবু, কাজলকে কেন এত অপছন্দ করত ছোট্ট আব্রাম? নেপথ্যের কাহিনী ফাঁস করলেন শাহরুখ নিজেই। যদিও আব্রামের কাজলকে অপছন্দ করার পিছনে রয়েছে রোহিত শেট্টির হাত।
২০১০ সালে মুক্তি পায় ‘মাই নেম ইজ খান’। পাঁচ বছর পর ফের ‘দিলওয়ালে’ ছবিতে জুটি বেঁধেছিলেন শাহরুখ-কাজল। বক্স অফিসেও সাফল্যের মুখ দেখেছিল রোহিত শেট্টির এই ছবি। সেই ছবিতেই বাবাকে কাজলের সঙ্গে দেখলে রেগে যেত আব্রাম। ঘটনাটা ২০১৫ সালের।
‘দিলওয়ালে’ ছবির একটি দৃশ্যে শাহরুখকে চোট পেতে দেখা যায়। তখনও বাস্তব এবং ছবির মধ্যে ফারাক করতে শেখেনি আবরাম। বেচারা ভেবেই বসে, ছবির নায়িকা কাজলের জন্যই তার বাবা চোট পেয়েছেন। এক সাক্ষাৎকারে শাহরুখ বলেন, “ও কাজলের উপর রেগে গিয়েছিল।” রাগ সামলাতে না পেরে কাজলকে আব্রাম বলেই বসে, “পাপা টুট গয়ে!” অর্থাৎ, বাবা ভেঙে গিয়েছে। এ কথা বলতে বলে হেসেই ফেলেন শাহরুখ। ‘ভেঙে যাওয়া বাবা’ শব্দের এমনই মহিমা। শাহরুখ বলেন, “আমি জানি আমার সঙ্গে কাজলের জুটিটা আব্রাম পছন্দ করেনি।” উপস্থিত সকলেই আব্রামের কাণ্ড শুনে হেসে কুটিপাটি হয়েছিলেন। ছোট্ট আব্রামের এই জুটিকে পছন্দ না হলেও। দর্শক কিন্তু ভালবাসা দিয়েছিল ছবিকে।
মমতাকে কেন কুর্নিশ জানালেন দেব?
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি উপস্থিত হয়েছিলেন জুনিয়র চিকিৎসকদের ধর্নামঞ্চে। এ খবর শোনা মাত্রই সামাজিকমাধ্যমে তাকে কুর্নিশ জানালেন দেব। মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি তার বার্তা, “আগেও দেখেছি, আপনি কীভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, আজ আবার দেখলাম নিজের লোকের পাশে গিয়ে দাঁড়ালেন।”
একই সঙ্গে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। লিখেছেন, “দিদি, আপনাকে কুর্নিশ জানাই এই উদ্যোগের জন্য।” এর পরেই রাজ্যবাসীর সঙ্গে মিলেমিশে একাকার শাসকদলের সাংসদের অনুভূতি। ধর্নামঞ্চে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি যেমন আশার আলো দেখিয়েছে জুনিয়র চিকিৎসকদের, একইভাবে আশাবাদী তিনিও। সে কথাও লিখেছেন দেবÑ “আশা করছি, শান্তি, ন্যায়, সম্মানÑ সব ফিরে আসুক।”
আরজি কর-কাণ্ডের প্রথম থেকে সরব সাংসদ-প্রযোজক-অভিনেতা। একেবারে শুরুতে তিনি বিদেশে ছিলেন। সেখান থেকে তার প্রথম পদক্ষেপ, আগামী ছবি ‘খাদান’-এর টিজারমুক্তি পিছানো। ১৪ অগস্ট প্রথম রাত দখলের ঘোষণা। সে দিন দেবের ছবির টিজারমুক্তির কথা ছিল। স্বাধীনতা দিবসের আগের রাতে তরুণী চিকিৎসকের নির্যাতন-মৃত্যু প্রত্যেককে পথে নামিয়েছিল। সেই অনুভূতি ছুঁয়ে গিয়েছিল তাকেও। দেশে ফিরে আর্টিস্ট ফোরামের ডাকা সমাবেশ মঞ্চে প্রথম প্রকাশ্যে বক্তব্য রাখেন দেব। সেখানে তিনি বলেছিলেন, “সকলের মতো আমিও অপরাধী বা অপরাধীদের কঠোরতম শাস্তি চাইছি। এমন শাস্তি, যা বাকিদের ভয় পাইয়ে দেবে। এ রকম ঘৃণ্য কাজ করার আগে অভিযুক্ত দ্বিতীয় বার ভাববে।” পাশাপাশি তিনিও শাস্তি হিসেবে ফাঁসির কথা বলেন। এও জানান, মেয়েকে নয়, এখন ছেলেদের ‘গুড টাচ’, ‘ব্যাড টাচ’ শেখাতে হবে।
শুক্রবার ছিল তাঁর পূজার ছবি ‘টেক্কা’র ট্রেলারমুক্তি। সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় ছবিতে দেবের সঙ্গে রয়েছেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, রুক্মিণী মৈত্র, সৃজা দত্ত-সহ এক ঝাঁক খ্যাতনামী অভিনেতা। অতিথি চরিত্রে দেখা যাবে টোটা রায়চৌধুরীকে। প্রচারে এসে দেব এ দিনও বলেন, “আমরা কেউ চাই না, আমাদের রাজ্যে ও দেশে কখনও আরজি করের মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি হোক। প্রত্যেক নারী যেন স্বাধীন ভাবে নিজের মনের মতো করে বাঁচতে পারেন, এটাই চাই।”
রাজের সঙ্গে ডিভোর্সের এক বছর, যা বললেন পরীমনি
ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি। ভালোবেসে বিয়ে করেন চিত্রনায়ক শরিফুল রাজকে। দুই বছর যেতে না যেতে পরীমনি ডিভোর্স দিয়েছেন রাজকে। তাদের মধ্যকার বিয়েবিচ্ছেদের এক বছর পূর্ণ হয়েছে। গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর রাজকে ডিভোর্স লেটার দেন অভিনেত্রী। তারপর আলাদা হয়ে যান এবং নিজেদের মতো করে জীবন শুরু করেন তারা।
এই দুই বছরের বিবাহিত জীবনে একাধিকবার দাম্পত্যকলহের বিষয় প্রকাশ্যে এসেছে। তবে পৃথক সময় সেসব নিয়ে তারা কেউ কথা না বললেও গত বছরের সেপ্টেম্বরে আলাদা হয়ে যান এই জুটি।
এদিকে রাজের সঙ্গে ডিভোর্সের সময় অভিনেতার সন্তান পূণ্যের মা পরীমনি। বিচ্ছেদের পর একমাত্র ছেলেকে নিয়ে নিজের মতো করে জীবন শুরু করেন। মা-বাবা উভয়ের দায়িত্ব পালন করা শুরু করেন। আবার চলতি বছরের মে মাসেই একটি কন্যাসন্তান দত্তক নেন অভিনেত্রী। সবমিলে দুই সন্তানের সঙ্গে দারুণ সময় কাটছে তার।
এ অবস্থায় বিয়েবিচ্ছেদের এক বছর পূর্ণ হয়েছে চিত্রনায়িকা পরীমনির। এ কারণে অবশ্য নিজেকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একইসঙ্গে রাজের সঙ্গে সম্পর্ক থেকে বের হওয়ায় শুকরিয়াও আদায় করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ১০টার দিকে ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ছবি পোস্ট করে পরীমণি লিখেছেন, ‘আজ এখন যখন আমি আমার দিকে দেখি, আমি দেখতে পাই একজন পরিপূর্ণ সুখী মানুষকে। এই জীবনে কষ্ট থাকুক। সেটা কেবল বড় হওয়ার কষ্ট। আমি সেই কষ্টটা আনন্দ নিয়েই করতে চাই। কিন্তু অন্যের ছেড়ে যাওয়ার কষ্ট পেতে দেব না আর নিজেকে আমি। এই তো কেমন হাসতে খেলতে ওদের নিয়ে জীবন উদযাপন করছি।’
এরপর দুই সন্তানকে উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘আমার মানিকজোড়, একদিন আমরা সত্যি ওই আকাশ ছোঁব দেখিস।’
অভিনেতা রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের ঘটনা উল্লেখ করে লিখেছেন, ‘আজ থেকে এক বছর আগে আমার জীবনের সেই ভুল মানুষকে ছেড়ে দিয়েছিলাম। এক বুক হাহাকার, হতাশা আর বুকের মধ্যে জাপটে ধরে ছিল আমার ছোট্ট বাচ্চা ছেলেটা। কিন্তু দেখ, আজ আমরা একটু একটু করে নিজেদের মতো ভালো থাকতে শিখে গেছি। আজ আর সেই ভুল মানুষের কোনো অস্তিত্ব নেই আমাদের কারো জীবনে। না সেটা আমার বা আমার ছেলের।’
সবশেষ এ অভিনেত্রী বিচ্ছেদের জন্য শুকরিয়া আদায় করে নিজেকে শুভেচ্ছা জানান এবং লেখেন, ‘শুকরিয়া। আমারা ভালো আছি। হ্যাপি ডিভোর্স অ্যানিভার্সারি পরী!’
শিল্পকলা থেকে বিতাড়িত হয়ে ভেঙে পড়েছেন ‘আলো আসবেই’ গ্রপের জ্যোতি
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে ‘আলো আসবেই’ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রæপ খুলে আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিলেন আওয়ামীপন্থি শিল্পীরা। তারা শুরু থেকেই আন্দোলনের বিরুদ্ধে সরব ছিলেন। এসব শিল্পীর মধ্যে অন্যতম ছিলেন অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি।
৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে হাসিনা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর গোপন এই গ্রæপের বিষয়টি প্রকাশ হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় উঠে। এরপর ‘আলো আসবেই’ গ্রæপ নিয়ে নতুন করে ব্যাখ্যা দাঁড় করানোর চেষ্টা করেন অনেক শিল্পী। তবে সবাই তোপের মুখে পড়েন। গ্রæপে থাকার কথা স্বীকার করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন জ্যোতিও।
সেই সমালোচনার রেশ না কাটতেই মঙ্গলবার শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে ফের তোপের মুখে পড়েন আওয়ামীপন্থি শিল্পী জ্যোতি। শেখ হাসিনা সরকারের আমলে শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া এই অভিনেত্রী দুপুর ১২টার দিকে অফিসে প্রবেশ করেন। সেখানে নতুন মহাপরিচালক সৈয়দ জামিল আহমেদের সঙ্গে দেখা করতে যান তিনি। এরপর রুম থেকে বের হতেই সহকর্মীদের তোপের মুখে পড়েন জ্যোতি। একপর্যায়ে শিল্পকলা একাডেমি ত্যাগ করতে বাধ্য হন তিনি।
ঘটনার পর ফেসবুক লাইভে আসেন জ্যোতি। শিল্পকলা একাডেমিতে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘দুই বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মাধ্যমে শিল্পকলা একাডেমিতে পরিচালক হিসেবে কাজ করছিলাম। এখনো আমার মেয়াদ শেষ হয়নি এবং নিয়োগ বাতিলেরও কোনো প্রক্রিয়া এখনো হয়নি। সুতরাং আমার চাকরিটা আছে। গত দুই মাস ধরে দেশে যা চলছে, তারপর থেকে শিল্পকলা একাডেমির অফিসের কাজ মোটামুটি বন্ধই বলা যায়। সপ্তাহখানেক হয়েছে নতুন ডিজি এসেছেন, তাই আমার মনে হয়েছে আমার অফিসে যাওয়া উচিত। যদিও সচিব স্যারের, পরামর্শ ছিল- আমি যাতে এখন শিল্পকলায় না যাই। কিন্তু আমার চাকরি এখনো আছে। আমারও ভালো লাগছিল না, তাই গিয়েছিলাম।’
তিনি বলেন, ‘শিল্পকলায় যাওয়ার আধা ঘণ্টার মধ্যে অনেক সাংবাদিক ফোন করে জানতে চাচ্ছিলেন, আমার অবস্থা সম্পর্কে। কারণ তারা জানতে পেরেছেন, আমাকে নাকি অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। কিন্তু আমি তখনো বিষয়টি জানি না। আমার আরেক সহকর্মী ছিলেন। তিনি আমাকে বললেন, চলো বেরিয়ে যাই। আমি তাকে বলি, আমার চাকরি তো শেষ হয় নাই, তাহলে আমি কেন যাব? প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিয়োগ বাতিল হলে অবশ্যই আমি আর আসব না।’
শিল্পকলা একাডেমির ডিজির সঙ্গে সাক্ষাতের কথা জানিয়ে জ্যোতি বলেন, ‘আমি যখন শিল্পকলায় যাই তখন ডিজি স্যার একটা মিটিংয়ে ছিলেন। এরপর উনি যখন বের হন, তখন আমি ওনার সঙ্গে দেখা করার জন্য বের হই। বেরিয়ে দেখি শিল্পকলায় অনেক লোকজন। অনেকে চেচামেচি করছে। আমি ডিজি স্যারের সঙ্গে দেখা করলাম। স্যার বললেন, দেখেন এই অবস্থা। এর মধ্যে অফিসে কেন এসেছেন? আপনারা বরং চলে যান, পরিস্থিতি সামলাতে দেন। পরে এ বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত হয় সে মোতাবেক কাজ করবেন।’
‘ডিজি স্যারের সঙ্গে কথা বলে লবিতে ফিরে উপস্থিত অন্যদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলাম। কিন্তু উনারা কোনো কথা বলবেন না। শুনতে পেলাম, আরও লোকজন খবর দেওয়া হয়েছে। আমাদের আটকে রাখবে বা কিছু করবে। আমার খুব অবিশ্বাস্য লাগছিল, সবার মুখ অপরিচিত লাগছিল। কারণ এরাই আমার সহকর্মী ছিলেন!’
অফিসে জ্যোতিকা জ্যোতির ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ছিল। চলে আসার সময়ে সেসব জিনিস নিয়ে আসেন। কিন্তু উপস্থিত সহকর্মীদের সেসব জিনিসপত্র দেখিয়ে তারপর শিল্পকলা একাডেমি থেকে বের হন জ্যোতি।
লাইভের একপর্যায়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন এই অভিনেত্রী। প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘এতবছর ধরে আমি অভিনয় করছি। কখনো দেশ ছেড়ে বাইরে চলে যাওয়ার কথাও চিন্তা করিনি। তবুও এই অপমান কি আমার প্রাপ্য ছিল? কোনো দলের সমর্থক ছিলাম বলে কি দেশটা আমার নয়? আমি তাহলে কোথায় যাব? এই প্রশ্ন আপনাদের কাছে রেখে গেলাম।
জ্যোতি আরও বলেন ‘আমাকে নিয়ে অনেকে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন, আমি ঠিক আছি কিনা, তা জানতে চাইছেন। তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, আমি ঠিক আছি। তবে মানসিকভাবে কবে ঠিক হবো জানি না। আমার সঙ্গে যা হয়েছে এই চাপ আমি কীভাবে সামলাব জানি না। আমার এই চাকরিটা থাকছে না। তাহলে আমি কোথায় যাব?’
রাতে ঘুমাতে পারেন তো, যাদের উদ্দেশে প্রশ্ন তাসরিফের
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে অনেক মানুষ হতাহত হয়েছেন। এই আন্দোলনের শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলেন সংগীতশিল্পী তাসরিফ খান। আন্দোলনে হতাহতদের জন্য মন কাঁদছে তার। যাদের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন এত মানুষ, তারা শান্তিতে ঘুমাতে পারেন তো, সে প্রশ্ন রেখেছেন তিনি।
সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে করা এক পোস্টে তাসরিফ লিখেছেন, ‘পুলিশের যারা ছাত্র-জনতার বুকে, মাথায় লক্ষ্য করে গুলি করছিলেন, আপনাদের কি কখনও অনুতপ্ত বোধ হয় না? অনেকেই তো এখনও বহাল তবিয়তে রয়েছেন, কারও কারও বদলি হয়েছে কিন্তু শাস্তি হয়নি। অনেকেই ফাঁক-ফোকর দিয়ে বেঁচেও যাবেন জানি। নিজের বিবেকের বিচার থেকে বাঁচতে পারবেন তো? রাতে ঘুমাতে পারেন তো?’
ওই স্ট্যাটাসে তাসরিফ আরও লেখেন, ‘নিজের ভাইবোন কিংবা সন্তানের দিকে তাকালে যদি রক্তাক্ত লাশগুলোর ছবি ভেসে উঠে তাহলে একটা বুদ্ধি দেই। আপনারা চাকরি জীবনে যেসব কালো টাকা আয় করেছিলেন সেই টাকা দিয়ে অন্তত একজন আহত ছাত্র-জনতার চিকিৎসার ভার বহন করুন। এতে করে কিছুটা হলেও পাপ মোচনের সুযোগ পেতে পারেন।’
ছাত্রদের পাশে থাকায় তাসরিফকেও নানা হয়রানি, হুমকির শিকার হতে হয়েছে। গত আগস্টে এক দীর্ঘ ফেসবুক পোস্টে সেসব হয়রানির ইতিবৃত্ত জানিয়েছিলেন তিনি। সেখানে এক ‘সিনিয়র ইনফ্লুয়ন্সার’কে হয়রানির জন্য অভিযুক্ত করেছিলেন ‘কুঁড়েঘর’ ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা তাসরিফ খান।
সিনেমা নিয়ে কোনো আগ্রহ নেই শখের
একসময় তুমুল ব্যস্ত ছিলেন আনিকা কবির শখ। বিজ্ঞাপন ও নাটকে অভিনয় এবং নাচ নিয়ে বেশ ব্যস্ততা ছিল। তবে একটা সময় হুট করেই আড়ালে চলে যান। স্বামী, সংসার, সন্তানকে সময় দিতে গিয়ে মিডিয়া থেকে অঘোষিত একটি বিরতি নিয়ে নেন। সংসার গুছিয়ে এখন তিনি আবারও ফিরলেন কাজে।
নতুন কিছু বিজ্ঞাপনসহ বছরের শুরুতেই যুক্ত হয়েছিলেন একটি ওয়েব ফিল্মে। আলোক হাসানের পরিচালনায় ‘ত্রিভুজ’ নামের একটি ওয়েব ফিল্মে কাজ শেষও করেন শখ। বেশ লম্বা একটা বিরতি দিয়ে কাজে ফিরেই ব্যস্ত হয়ে গেছেন এ অভিনেত্রী ও মডেল।
এ প্রসঙ্গে শখ বললেন, ‘সবারই একটা জায়গা থাকে। আমিও মনে করি আমারও সেটা আছে। এটা ঠিক আমার কিছুটা গ্যাপ গেছে। কিš‘ সেই জায়গাটা তো আছেই। সেভাবেই আমার ফেরা।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, কারও জায়গা কেউ নিতে পারে না। আর আমি এত ছোট থেকে কাজ শুর“ করেছি যে আমার বিশ্বাস ছিল, আমার দর্শক আমাকে কখনো ভুলে যাবে না।’
‘বলো না তুমি আমার’ সিনেমার মাধ্যমে রূপালী পর্দায়ও কাজ শুরু করেন শখ। এটি ২০১০ সালে মুক্তি পায়। এরপর ‘অল্প অল্প প্রেমের গল্প’ নামে আরও একটি সিনেমায় অভিনয় করেন। পরে তাকে আর বড় পর্দায় দেখা যায়নি।
শখের বশেই দুটি সিনেমা করেছিলেন, সিনেমা তাকে টানেও না বলে জানান শখ। তিনি বলেন, ‘সিনেমা দুটো হুট করেই করা। আমার আসলে তেমন কোন আগ্রহ সেসময় ছিল না, এখনো সিনেমাতে অভিনয় নিয়ে তেমন কোনো ইচ্ছাই নাই। নাটকের কাজই আমার বেশি ভালো লাগে।’
আইসিসির নতুন সংগীতে নেই বাংলাদেশ
গতকাল বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় নতুন সংগীত প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ৩ মিনিট ১ সেকেন্ডের সেই মিউজিকের বেশির ভাগ অংশজুড়ে ছিল ভারত। মিউজিকে জিম্বাবুয়েকে দেখালেও ছিল না আইসিসির পূর্ণ সদস্য দল বাংলাদেশ।
আইসিসি নিজেদের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে সংগীতের ভিডিও প্রকাশ করে ক্যাপশনে লিখেছে- ‘এটি একটি অনন্য গান, যেটা ক্রিকেটের আওয়াজ প্রকাশ করে। আইসিসির নতুন গানটি আপনারা শুনুন। গানে সুর দিয়েছেন গ্র্যামি পুরস্কার জয়ী লোর্ন বাফে।’
১৮১ সেকেন্ডের ভিডিওতে ছেলেদের পাশাপাশি নারী ক্রিকেটারদের দেখা গেছে। দেখানো হয়েছে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ, ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপসহ আইসিসি ইভেন্ট ও দর্শকদের উন্মাদনা।
ভিডিওতে কমপক্ষে ২১ বার ছিল ভারতের উপস্থিতি। ছিল শচীন টেন্ডুলকার, রোহিত শর্মাসহ ভারতীয় ভক্ত-সমর্থকদের ছবি। কিন্তু দেখানো হয়নি বাংলাদেশের ক্রিকেটার ও সমর্থকদের।
যে কারণে নতুন গান প্রকাশের পর আইসিসিকে নিয়ে ব্যঙ্গ-রসিকতা করছেন নেটিজেনরা।
কেউ মন্তব্য করেছেন, ‘গানের সম্পাদক নিশ্চয়ই ভারতীয়!’ কারও মতে এটা ‘ভারতীয় ক্রিকেটের সংগীত’! কেউ একজন প্রশ্ন করেছেন, ‘শুধু ভারতই কি আছে এই ভিডিওতে?’
আইসিসির নতুন এই ‘অ্যানথেম’ দেখে কেউ কেউ তো ‘ইন্ডিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল’ বলেও মন্তব্য করেছেন!
রসিকতাকে কেউ আবার অন্য মাত্রায় নিয়ে গেছেন, ‘যদি এমন হতো শুধু ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া খেলবে। বাকিরা তাদের সঙ্গে নাচবে।’
রসিকতার পাশাপাশি বিদ্রূপাত্মক মন্তব্যও ছিল এই গান নিয়ে, ‘ভারত, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে আইসিসির গান। আইসিসির অর্থ তিন মোড়লের ‘ইন্টারনাল ক্রিকেট কাউন্সিল’! এই গানের ভিডিও প্রকাশের পর ১৫ ঘণ্টায় ৯ হাজারের কাছাকাছি প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।


