আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের প্রতি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সমর্থন জানানোর খবরকে মিথ্যা বলে অভিহিত করেছে ক্রেমলিন।
রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ রোববার এক সাক্ষাৎকারে জানান, পুতিন কমলা হ্যারিসের প্রতি মস্কোর সমর্থন সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছিলেন, তা নিছকই রসিকতা ছিল।
স্কাই নিউজ আরাবিয়াকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে লাভরভ বলেন, ‘সেটা ছিল নিছক একটা রসিকতা’।
তিনি আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট পুতিনের রসিকতা করার ভালো অনুভূতি আছে। তিনি প্রায়ই তার বক্তব্য এবং সাক্ষাৎকারের সময় মজা করেন’।
এর আগে গত ৪ সেপ্টেম্বর ভ্লাদিভোস্টকে অনুষ্ঠিত ইস্ট ইকোনোমিক ফোরামে (ইইএফ) পুতিন বলেছিলেন, হ্যারিসের প্রতি সমর্থন দেওয়ার জন্য বাইডেন তার সমর্থকদের আহŸান জানিয়েছেন। আমরাও তাই করব, আমরাও তাকে সমর্থন করব।
রুশ প্রেসিডেন্টের এমন মন্তব্যের সময় ওই অনুষ্ঠানের উপস্থাপক ও পুতিন- উভয়কেই হাসতে দেখা যায়।
এ সময় কমলার হাসিকে ‘সংক্রামক’ উল্লেখ করে মজাচ্ছলে পুতিন বলেছিলেন, তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তুলনায় তাকেই বেশি পছন্দ করেন। পুতিনের এ মন্তব্যের পর হোয়াইট হাউসও জানায় যে, পুতিনকে আসন্ন ৫ নভেম্বরের মার্কিন নির্বাচনের বিষয়ে মন্তব্য করা বন্ধ করা উচিত।
এ বিষয়ে লাভরভ বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান বা আগের নির্বাচনে আমাদের মনোভাবের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী কোনো পার্থক্য নেই। কারণ যুক্তরাষ্ট্র কুখ্যাত ‘ডিপ স্টেট’ দ্বারা শাসিত’।
তবে তিনি তার এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ দেননি।
কমলার প্রতি পুতিনের সমর্থন, অস্বীকার করে যা বলল ক্রেমলিন
মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত লেবানন ত্যাগের নির্দেশ
লেবাননে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের দ্রততম সময়ের মধ্যে সংঘাতের মধ্যে থাকা দেশটির ভূখণ্ড ত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছে ওয়াশিংটন।
মার্কিন প্রশাসন শনিবার এক বিবৃতিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে যে, বাণিজ্যিক বিমান পরিষেবা এখনও চালু থাকলেও সীমিত পরিসরে চলাচল করছে এবং ভবিষ্যতে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হলে এ সুযোগগুলোও বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের এ নির্দেশনাটি এমন সময়ে এলো, যখন ইসরাইল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে সীমান্ত উত্তেজনা ও সংঘাত বেড়ে গেছে।
এমন প্রেক্ষাপটে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল এবং শরণার্থী শিবিরে অবস্থানরত আমেরিকানদের অবিলম্বে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য জোর দেওয়া হয়েছে।
সমপ্রতি ইসরাইল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে সীমান্ত লড়াই ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মূলত গাজার ওপর ইসরাইলি আক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকেই এ উত্তেজনা বাড়তে থাকে।
এদিকে সমপ্রতি পেজার ও ওয়াকি-টকি বিস্ফোরণ হামলার প্রতিশোধে শনিবার রাত থেকে ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলে ঝাঁকে ঝাঁকে রকেট ছুড়েছে লেবাবনের সশস্ত্র গোষ্ঠীটি। মুহুর্মুহু রকেট হামলায় ইসরাইলে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। হামলা থেকে প্রাণে বাঁচতে লাখ লাখ ইসরাইলি আশ্রয় কেন্দ্রে পালিয়েছেন।
হিজবুল্লাহর এ হামলার পর ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলের সব স্কুল ও সমুদ্র সৈকত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ইসরাইলের সামরিক বাহিনী বলেছে, রোববার স্থানীয় সময় ভোর ৫টার দিকে লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলে একযোগে প্রায় ২০টি প্রোজেক্টাইলের প্রবেশ শনাক্ত করা হয়েছে। এরপর সকাল ৬টার দিকে লেবানন থেকে আরও প্রায় ৮৫টি প্রোজেক্টাইল ছোড়া হয়েছে।
‘মানবতাবিরোধী অপরাধী’ ইসরাইলের বিচার চাইলেন অস্কারজয়ী অভিনেতা
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের‘ জন্য ইসরাইলি সরকারের সমালোচনা করেছেন স্পেনের অস্কারজয়ী অভিনেতা হ্যাভিয়ার ব্যারডেম। একই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক স¤প্রদায়ের প্রতি এ অপরাধীকে বিচার করার আহŸান জানিয়েছেন।
শুক্রবার স্পেনের সান সেবাস্তিয়ান চলচ্চিত্র উৎসবে ডোনস্টিয়া লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট পুরস্কার নেওয়ার সময় ব্যারডেম এ আহŸান জানান।
এ সময় তিনি সাংবাদিকদের কাছে বলেন, ইসরাইলের বর্তমান সরকার সবচেয়ে চরমভাবে ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ‘ সংঘটিত করে যাচ্ছে। পাশাপাশি তারা ‘আন্তর্জাতিক আইন‘ও লঙ্ঘন করতে সচেষ্ট।
হ্যাভিয়ার ব্যারডেম উল্লেখ করেন, গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে হওয়া হামলার জন্য ফিলিস্তিনিদের ওপর সমষ্টিগত শাস্তি দেওয়া ন্যায়সঙ্গত নয়। সেই সঙ্গে গাজায় চালানো ইসরাইলি হামলাগুলোকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য, ভয়াবহ এবং মানবতার জন্য বিপর্যস্ত’ হিসেবে চিহ্নিত করেন।
স্প্যানিশ এ অভিনেতা আরও বলেন, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলোকে ইসরাইলের প্রতি তাদের ‘অযৌক্তিক সমর্থন’ পুনর্বিবেচনা করতে হবে। এ সময় তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) কাছে দায়ীদের বিচার করার আহŸান জানান।
এদিকে প্রায় ১২ মাস ধরে চলা ইসরাইলি হামলায় গাজায় এ পর্যন্ত ৪২ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এছাড়া প্রায় ৯৬ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। সেই সঙ্গে গাজায় চলমান অবরোধের কারণে খাবার, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
গাজায় ইসরাইলের এসব কর্মকাণ্ড নিয়ে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) গণহত্যার অভিযোগও উঠেছে।
এছাড়া আইসিসির প্রসিকিউটর করিম খান গত মে মাসে আন্তর্জাতিক আদালতের কাছে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের নামে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার অনুরোধ করেছেন।
তবে এ বিষয়ে আইসিসির তরফ থেকে এখনও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
দ্বিতীয় বিতর্কের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ট্রাম্পের
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিসের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বিতর্কের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ও রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শনিবার নর্থ ক্যারোলিনা অঙ্গরাজ্যের উইলমিংটন শহরের এক নির্বাচনি জনসভায় মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন প্রস্তাবিত বিতর্কটি প্রত্যাখ্যান করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেছেন, ইতোমধ্যে কয়েকটি রাজ্যে আগাম নির্বাচন শুরু হয়েছে। তাই দ্বিতীয় বিতর্কের জন্য এটি খুব দেরি হয়ে গেছে।
রোববার বিবিসি ও রয়টার্সের পৃথক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
শনিবার কমলার প্রচারশিবির জানিয়েছে, তিনি ২৩ অক্টোবর তার রিপাবলিকান প্রতিদ্ব›দ্বী ট্রাম্পের সঙ্গে সিএনএনে বিতর্ক করার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন। এর কয়েক ঘণ্টা পরই ট্রাম্প জানিয়ে দেন যে, তিনি নভেম্বরের নির্বাচনের আগে কমলার সঙ্গে আর কোনো ধরনের বিতর্ক করবেন না।
কমলার প্রচারশিবিরের চেয়ার জেন ও’ম্যালি ডিলন এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আরেকটি বিতর্ক করতে প্রস্তুত। ২৩ অক্টোবর একটি বিতর্কের জন্য সিএনএন তাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। তিনি তা গ্রহণ করেছেন। এ বিতর্কে রাজি হতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোনো ধরনের অসুবিধা থাকার কথা না। তবে ট্রাম্প এখনো তার আগের কথায়ই অটল রয়েছেন। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, ভোটাররা ৫ নভেম্বর ভোট দেওয়ার আগ পর্যন্ত কমলার সঙ্গে তার আর কোনো বিতর্ক হবে না। ট্রাম্প নর্থ ক্যারোলিনার উইলমিংটনে এক সমাবেশে নির্বাচনের সময় যে খুব কাছে এসে পড়েছে সেই বিষয়ের উল্লেখ করে তার সমর্থকদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘আরেকটি বিতর্কের ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে অনেক দেরি হয়ে গেছে। ইতোমধ্যেই ভোট শুরু হয়ে গেছে।’
নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত জুনে ট্রাম্পের সঙ্গে দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বিতর্ক হয়। যেখানে তিনি বাইডেনকে সমালোচনার মুখে ফেলে দিয়েছিলেন। ফলে চাপের মুখে পড়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দৌড় থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হন বাইডেন। তার স্থানে ডেমোক্র্যাটদের নতুন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন পান কমলা হ্যারিস। ১০ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় বিতর্কে অংশ নেন ট্রাম্প। কিন্তু এবার আর তিনি সুবিধা করে উঠতে পারেননি। কমলা তাকে প্রতিটি বিষয়ে কড়া জবাব দিয়েছেন। বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে সেই বিতর্কে কমলা জিতেছেন।
সালমান শাহর অপমৃত্যু নিয়ে যা বললেন সামিরা
‘তুমি আমার’ সিনেমায় প্রথম অভিনয় করেন ঢালিউডের জনপ্রিয় জুটি সালমান শাহ ও শাবনূর। এরপর ১৪টি সিনেমায় জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন তারা।
গুঞ্জন আছে তাদের দুইজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্কের কারণেই সালমান-সামিরার সংসার জীবনে অশান্তি শুরু হয়েছিল।
সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা খান জানান, শাবনূরের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল সালমান শাহর।
১৯ সেপ্টেম্বর সালমানের জন্মদিন উপলক্ষে দেশের একটি টেলিভিশন চ্যানেলে কথা বলেন প্রয়াত অভিনেতার স্ত্রী সামিরা। সালমান-শাবনূরের সম্পর্ক নিয়ে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়টা এত সহজে বলা যায় না। এর পেছনে অনেক বড় গল্প আছে। সেই গল্পটা আমি শুরু করলে শেষ করতে অনেক সময় লেগে যাবে। তবে সহজ প্রশ্নে কেউ যদি জানতে চান, সালমান শাহ ও শাবনূরের মধ্যে কোনো সম্পর্ক ছিল কিনা? তাহলে আমি এক বাক্যে বলব যে হ্যাঁ, তাদের সম্পর্ক ছিল।’
শাবনূরের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে সালমানের সঙ্গে তার ঝামেলা হয়েছিল বলে জানান তিনি। সামিরা বলেন, ‘এ বিষয়টা নিয়ে আমাদের সমস্যা হয়েছে। আমি রাগ করে আমার বাবার বাসাতেও চলে গিয়েছিলাম। সালমান আমাকে অনেক বুঝিয়েছে, মাফও চেয়েছিল। পরে আমাকে মানিয়ে নিয়ে আসে। দুই মাস পর ঢাকায় আমাদের বাসায় ফিরে আসি। সালমান আমাকে বলেছিল, শাবনূরের সঙ্গে যে সিনেমাগুলোর চুক্তি আছে, সেগুলো শেষ হলেই তার সঙ্গে আর কোনো সিনেমায় কাজ করবে না।’
ক্যারিয়ার তুঙ্গে থাকা অবস্থায় ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটন রোডে নিজের বাসায় গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় সালমান শাহর মরদেও উদ্ধার করা হয়। তার পরিবার শুরু থেকেই বলে আসছে, সালমান শাহকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
তবে স্ত্রী সামিরা জানান, এর আগেও তিনবার সালমান শাহ আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন।
সামিরা বলেন, ‘সালমান মেন্টালি সুইসাইডাল বাই নেচার। এর আগে তিনবার সুইসাইডের চেষ্টা করেছে। মেট্রোপলিটন হাসপাতালের রেকর্ড চেক করলে জানা যাবে। ওখানে দুইবারের রেকর্ড আছে। আরেক হাসপাতালে একবার আছে। তিনটাই আমার বিয়ের আগে। তিনটা ঘটনাই আমি জানি। একবার মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে করেছিল। আরেকবার আমাকে বিয়েতে রাজি করানোর জন্য করেছে। আরেকবার ওর কিছু একটা হয়েছিল, সেটার জন্যও করেছিল।’
মনোমালিন্যে কে আগে ক্ষমা চান, ঐশ্বরিয়া নাকি অভিষেক
ঐশ্বরিয়া রায় ও অভিষেক বচ্চনকে নিয়ে জল্পনা কল্পনা ক্রমেই বাড়ছে। একটি সূত্রে জানা গেছে, তাদের মধ্যে ব্যাপক দূরত্বও তৈরি হয়েছে। যদিও এ প্রসঙ্গে এখন পর্যন্ত তারা কেউই মুখ খোলেননি। বলিউডের আলোচিত দম্পতিদের মধ্যে ঐশ্বরিয়া-অভিষেক অন্যতম। তাদের নিয়ে যখন এমন খবর প্রকাশ পায়, তখন স্বভাবতই ভক্তরা মনোক্ষুণœ হন।
ঐশ্বরিয়া-অভিষেক বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে তাদের দাম্পত্যের সমীকরণ নিয়েও কথা বলেছেন। প্রত্যেক দম্পতির মাঝেই বিভিন্ন সময় মনোমালিন্য কিংবা কথার কাটাকাটি হয়। এ ক্ষেত্রে অভিষেক-ঐশ্বরিয়াও ব্যতিক্রম নন। তবে কে প্রথমে মনোমালিন্যের সমস্যা সমাধান করতে এগিয়ে আসেন? কে আগে ক্ষমা চাইতে আসেন? কপিল শর্মার অনুষ্ঠানে এ তারকা দম্পতি হাজির হয়ে এ প্রসঙ্গে কথা বলেছিলেন।
অনুষ্ঠানের সেটে এমন প্রশ্ন শুনে সাবেক ক্রিকেটার নবজোৎ সিংহ সিধু বলেছিলেন, এটা কোনো প্রশ্ন হলো! নিশ্চয়ই অভিষেকই প্রথমে ক্ষমা চান।
ঐশ্বরিয়া সঙ্গে সঙ্গে সিধুকে থামিয়ে বলেছিলেন, আমিই প্রথমে সমস্যা মিটিয়ে নিই। ক্ষমা চাই। সমস্যা তাড়াতাড়ি মিটিয়ে নেওয়ার জন্যই কথা না বাড়িয়ে মিটমাট করে নিই।
ঐশ্বরিয়ার এমন কথা শুনে বিস্মিত হন কপিল শর্মা।
‘উমরাও জান’ সিনেমার শুটিংয়ে ২০০৬ সালে ঐশ্বরিয়ার প্রেমে পড়েন অভিষেক। এরপরের বছরই ২০ এপ্রিল বিরাট আয়োজনে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন এ তারকা জুটি। ২০১১ সালের ১৬ নভেম্বর অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার ঘরে জন্ম নেয় প্রথম সন্তান- আরাধ্যা।
এখন বিভিন্ন মাধ্যমে শোনা যাচ্ছে ঐশ্বরিয়া-অভিষেকের সেই সুখের সংসারে কালো মেঘ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে অনন্ত আম্বানি ও রাধিকার বিয়েতে দুজন একসঙ্গে প্রবেশ না করায় এমন জল্পনা-কল্পনার সূত্রপাত ঘটে। শুধু তাই নয়, বেশ কয়েকবার জনসম্মুখে আঙুলে বিয়ের আংটি ছাড়াই হাজির হয়েছেন। এদিকে স¤প্রতি দুবাইতে স্ত্রী ও কন্যার সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন অভিষেক।
যে কারণে সালমানের জন্য স্ক্রিপ্ট লেখেন না সেলিম খান
একসময় হিন্দি সিনেমার জগৎ দাপিয়ে বেড়িয়েছেন লেখকজুটি সেলিম খান ও জাভেদ আখতার। ‘শোলে’, ‘দিওয়ার’, ‘জাঞ্জির’-এর মতো বহু সিনেমার স্ক্রিপ্ট লিখেছেন তারা। ১৯৮২ সালে তাদের জুটি ভেঙে যায়। এরপর সিনেমার গল্প লেখাও অনেকটা কমিয়ে দেন সেলিম খান।
সেলিম খানের তিন ছেলে সালমান খান, আরবাজ খান এবং সোহেল খান। তারা তিনজনই বলিউডে নিয়মিত অভিনয় করছেন। এর মধ্যে সালমান খানের জনপ্রিয়তা সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই। তবে এত বড় মাপের লেখক হওয়া সত্তে¡ও নিজের ছেলেদের জন্য খুব বেশিসংখ্যক সিনেমার স্ক্রিপ্ট লেখেননি তিনি।
২০১৪ সালে ইন্দু মিরানির সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এর কারণ ব্যাখ্যা করেছিলেন প্রবীণ লেখক সেলিম খান। তিনি বলেন, ‘সালমানের সঙ্গে সিনেমা বানাতে থাকলে একটা ঝুঁকি আছে। হিট হয়ে গেলে সিনেমা তার হয়ে যাবে, কিন্তু ফ্লপ হলে সেটা বাবার হবে।’
নব্বইয়ের দশকে সালমান খান অভিনীত দুটি সিনেমায় লেখক হিসেবে ছিলেন সেলিম খান। ‘পাত্থর কে ফুল’ এবং ‘মাঝধার’ নামের সিনেমা দুটি লিখেছিলেন তিনি। এর মধ্যে ‘পাত্থর কে ফুল’ সিনেমায় সালমানের বিপরীতে ছিলেন নবাগত রাভিনা ট্যান্ডন। আর ‘মাঝধার’এ মনীষা কৈরালার সঙ্গে অভিনয় করেন সালমান।
গোপনে বিয়ে সেরেছিলেন সালমান ঐশ্বরিয়া!
৫৮ বছর বয়সি বলিউড অভিনেতা সালমান খানের বয়সটা ঢের হলেও বিয়ে নিয়ে ভাইজানের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। তবে সালমানের বিয়ে করার আগ্রহ না থাকলেও প্রেমে জড়িয়েছেন ইন্ডাস্ট্রির বহু নারীর সঙ্গে। সালমানের এ প্রেমের ক্যারিয়ারে একবার গুঞ্জন ছড়ায়- গোপনে সালমান খানের সঙ্গে বিয়ে সেরেছিলেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। এক সময় এ দুই তারকার সম্পর্ক ছিল বলিউডের আলোচনার কেন্দ্রে। ১৯৯৯ সালে ‘হম দিল দে চুকে সনম’ সিনেমার শুটিং থেকে প্রেম শুরু হয়েছিল সালমান ও ঐশ্বরিয়ার। এর পরই খবর রটে যায়, তারকাযুগল নাকি গোপনে বিয়ে সেরেছেন। এমনকি ঐশ্বরিয়ার ধর্মান্তরের কথাও রটে যায় বিটাউনে। গুঞ্জন ছড়ায় লোনাভালার এক বিলাসবহুল বাংলোতে বসে সালমান ও ঐশ্বরিয়া বিয়ের আসর। উপস্থিত ছিলেন ঘনিষ্ঠ পরিজন ও বন্ধুবান্ধব। তবে এ সম্পর্কে মোটেই সম্মতি ছিল না প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরীর বাবা-মায়ের। তাই তারা নাকি এ বিয়েতে অনুপস্থিত ছিলেন।
বিয়েতেই শেষ নয়। সালমান ও ঐশ্বরিয়া নিউইয়র্কে হানিমুন করতে গিয়েছিলেন বলেও খবর রটে গিয়েছিল। তবে এ ঘটনাগুলোর সত্যতা কখনোই প্রকাশ্যে আসেনি। গুঞ্জন হিসেবেই থেকে গেছে সালমান ও ঐশ্বরিয়ার বিয়ের খবর। এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে ঐশ্বরিয়াকে প্রশ্ন করা হলে- সবটাই মিথ্যা বলে দাবি করেছিলেন তিনি। ২০০২ সালে সম্পর্কে ইতি টেনেছিলেন ঐশ্বরিয়া ও সালমান। তবে সেই বিচ্ছেদ নিয়েও চর্চা হয়েছিল বিস্তর। বিচ্ছেদের পর দুজনের মধ্যে মুখ দেখাদেখি প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এর পর আর কখনো একসঙ্গে কাজ করেননি ঐশ্বরিয়া ও সালমান।
দিনমজুরের ছেলে থেকে শ্রলীঙ্কার প্রেসিডেন্ট
শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক সংকটের পর প্রথম নির্বাচনের পর দেশটির পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন জনতা বিমুক্তি পেরামুনার (জেভিপি) বৃহত্তর জোট ন্যাশনাল পিপলস পাওয়ারের (এনপিপি) নেতা অনুরা কুমারা দিসানায়েক।
শনিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে দিসানায়েক তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাজিথ প্রেমাদাসার বিরুদ্ধে প্রায় ৪২ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন। প্রেমাদাসা প্রদত্ত ভোটের মাত্র ২৩ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন। ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে মাত্র ১৬ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন।
দিনমজুরের ছেলে দিসানায়েক এখন দেশটির প্রেসিডেন্ট হয়েছেন। রোববার তাকে জয়ী ঘোষণা করা হয়। আজ সোমবার তিনি শপথ গ্রহণ করবেন। এর মাধ্যমে নতুন দিগন্তের সূচনা হতে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কায়।
দ্বীপ দেশটির নতুন রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে আরো জেনে নিন।
প্রাথমিক জীবন ও ছাত্র রাজনীতি
দিসানায়েক দেশটির রাজধানী কলম্বো থেকে প্রায় ১৭০ কিলোমিটার দূরে অনুরাধাপুরা জেলার থাম্বুতেগামা গ্রামে একটি নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা একজন দিনমজুর এবং তার মা একজন গৃহিণী হওয়া সত্ত্বেও, তারা তাদের ছেলেকে শিক্ষিত করতে পেরেছিলেন। দিসানায়েক যিনি কেলানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান ডিগ্রি নিয়ে স্নাতক হন।
ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতিতে দিসানায়েকের সক্রিয় অংশগ্রহণ তাকে ১৯৮৭ থেকে ৮৯ সালের মধ্যে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জয়াবর্ধনে এবং আর প্রেমাদাসার ‘সাম্রাজ্যবাদী ও পুঁজিবাদী’ শাসনের বিরুদ্ধে জেভিপির সরকারবিরোধী সশস্ত্র বিদ্রোহে যোগ দিতে পরিচালিত করেছিল।
মূলধারার রাজনীতি
র্কসবাদী নেতা ১৯৯৫ সালে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র সমিতির জাতীয় সংগঠক পদে উন্নীত হন এবং পরে জেভিপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটিতে নিযুক্ত হন। ১৯৯৮ সালে তিনি জেভিপির পলিট ব্যুরোর সদস্য হন।
২০০০ সালে দিসানায়েক জাতীয়তাবাদী তালিকার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সংসদ সদস্য হন। যদিও জেভিপি রাষ্ট্রপতি কুমারাতুঙ্গার প্রশাসনকে সমর্থন করেছিল, তার দল পরে ২০০২ সালে তামিল বিদ্রোহী গোষ্ঠী এলটিটিইর সাথে শান্তি আলোচনার বিরোধিতা করার জন্য সিংহলি জাতীয়তাবাদীদের সাথে জোটবদ্ধ হয়েছিল, কলম্বোতে সিংহলি অধ্যুষিত সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল।
২০০৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মাহিন্দা রাজাপাকসের ইউনাইটেড পিপলস ফ্রিডম অ্যালায়েন্সের (ইউপিএফএ) সাথে জোট গঠনের পর জেভিপি প্রাধান্য পায়। ফ্রন্ট এলটিটিইর সাথে যুদ্ধবিরতিবিরোধী অবস্থানে স্পষ্টভাবে প্রচার চালিয়েছিল।
বৌদ্ধ জাতীয়তাবাদী
বৌদ্ধ ভিক্ষুদের মধ্যে একটি নির্বাচনী প্রচারণায় ভাষণ দিতে গিয়ে দিসানায়েক তাদের আশ্বস্ত করেন যে সংবিধানের ৯ নম্বর অনুচ্ছেদে, যা বৌদ্ধধর্মকে সর্বাগ্রে স্থান দেয়ার নিশ্চয়তা দেয়, তার ‘ঐশী সুরক্ষা’ রয়েছে এবং এতে যেকোনো সংশোধনীর বিরুদ্ধে তাদের গ্যারান্টি দেয়া হয়েছে। জেভিপি নেতৃত্বাধীন জোট এনপিপিও আর্টিকেল ৯ রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
দিসানায়েকে তামিল শ্রোতাদের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাকারীদের তকমা লাগানোর বিষয়েও সতর্ক করেছিলেন বলে জানা গেছে। ‘এই পরিবর্তনে অংশীদার হোন … যখন দক্ষিণাঞ্চল পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। আপনি যদি সেই পরিবর্তনের বিরোধিতা করতে দেখা যায়, তবে দক্ষিণের মানসিকতা কী বলে আপনি মনে করেন? আপনি কি এটি পছন্দ করবেন যদি জাফনাকে যারা এই পরিবর্তনের বিরুদ্ধে গিয়েছিল তাদের হিসেবে চিহ্নিত করা হয়? যারা এই পরিবর্তনের বিরোধিতা করেছিল? উত্তরাঞ্চলকে এভাবে চিহ্নিত করা হলে আপনি কি তা পছন্দ করবেন?’
ভারতবিরোধী?
দিসানায়েকের জেভিপি ভারত থেকে আসা তামিল বংশোদ্ভূত এস্টেট শ্রমিকদের ‘ভারতীয় সম্প্রসারণবাদের হাতিয়ার’ বলে নিন্দা করেছিল। দলটি বাণিজ্য সম্পর্কিত বিস্তৃত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তিরও (সিইপিএ) বিরোধিতা করেছে যা উভয় দেশের মধ্যে বৃহত্তর বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে উত্সাহিত করবে।
কাচাথিভু দ্বীপকে ভারতকে ফিরিয়ে দেয়ার যেকোনো প্রচেষ্টারও বিরোধিতা করেছেন নবনির্বাচিত শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেছেন ‘যেকোনো মূল্যে এটি সফল হতে দেওয়া যায় না।’ উল্লেখযোগ্যভাবে, নয়াদিল্লি এই বছরের শুরুতে দিসানায়েক এবং একটি জেভিপি প্রতিনিধিদলকে ‘সরকারি সফরে’ আমন্ত্রণ জানিয়ে জেভিপির সাথে যোগাযোগ করেছে।
তামিল জাতিগত সংখ্যালঘুদের প্রতি অবস্থান
দিসানায়েকের জেভিপি তামিলদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের বিরোধিতা করেছে। তার দল ১৯৮৭ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর স্বাক্ষরিত ভারত-শ্রীলঙ্কা চুক্তির বিরোধিতা করেছিল। দলটি শ্রীলঙ্কার সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীরও বিরোধিতা করেছে যা দেশের তামিল-অধ্যুষিত উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভূমি রাজস্ব এবং পুলিশের উপর আরো বেশি নিয়ন্ত্রণ দেয়ার জন্য প্রাদেশিক কাউন্সিল তৈরি করেছিল।
দিসানায়েকের ফেডারালিস্ট বিরোধী দলের ইশতেহারে বলা হয়েছে যে এটি ‘আপস ছাড়াই দেশের আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করবে।’ দলটি ১৯৮৭ সালের চুক্তি অনুসারে উত্তর ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশগুলির একীকরণের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল, যার ফলে ২০০৭ সালে এই প্রদেশগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করা হয়েছিল।
কৃষি, ভূমি ও সেচমন্ত্রী হিসেবে, দিসানায়েক এলটিটিইর সাথে সুনামি-পরবর্তী সহায়তা বিতরণের সম্ভাবনা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন এবং সরকার উত্তর-পূর্বের জন্য প্রচুর পরিমাণে সহায়তা আটকে রেখেছিল।
এলটিটিই এবং এর নেতা প্রভাকরণের বিরুদ্ধে নৃশংস সামরিক অভিযানের সময় সশস্ত্র বাহিনীকে সমর্থন করে সশস্ত্র বাহিনী জেভিপি সমর্থন করেছে। দিসানায়েক ধারাবাহিকভাবে এসএল সেনাবাহিনীর যুদ্ধাপরাধের আন্তর্জাতিক তদন্তের যেকোনো প্রচেষ্টার বিরোধিতা করেছেন।
তামিল গার্ডিয়ান অনুসারে, দিসানায়েক এলটিটিই এবং শ্রীলঙ্কা সরকারের মধ্যে ২০০২ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে ‘দ্বীপে একটি পৃথক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তি’ হিসাবে অভিহিত করেছিলেন। মাহিন্দা রাজাপাকসের জোটের অংশ হিসাবে, জেভিপি শান্তি আলোচনার বিরোধিতা অব্যাহত রেখেছিল, যা ২০০৭ সালে একটি নৃশংস প্রচারণায় শেষ হয়েছিল।
কথিত যুদ্ধাপরাধের আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবির বিরুদ্ধে জেভিপি কলম্বোতে জাতিসঙ্ঘ কার্যালয় এবং অন্যান্য পশ্চিমা দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। তামিল গার্ডিয়ান অনুসারে, দিসানায়েক গত মাসে দাবি করেছিলেন যে ‘এমনকি ভুক্তভোগীরাও কারো শাস্তি আশা করেন না।’
জেভিপি যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত সামরিক কর্মকর্তাদেরও আলিঙ্গন করেছে। জেনারেল অরুণা জয়াসেকারাকে তাদের প্রতিরক্ষানীতির খসড়া তৈরির দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। ২০০৪ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত হাইতিতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা অভিযানের নেতৃত্ব দেয়ার সময় শিশু যৌন পাচার চক্র চালানোর অভিযোগ ছিল এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
আইএমএফের বেইলআউট নিয়ে মতবিরোধ
শ্রীলঙ্কা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে ৩০০ কোটি ডলারের বেইল-আউট প্যাকেজ থেকে ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের পরবর্তী ট্রান্স মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। দিসানায়েকে বারবার বলেছেন যে তার দল চুক্তির শর্তাবলী পুনরায় আলোচনা করার চেষ্টা করবে, এমন কিছু যা বর্তমান সরকার এর বিরুদ্ধে সতর্ক করেছে।
টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুসারে জানা গিয়েছে, তিনি জানিয়েছেন, সিংহলি, তামিল, মুসলিম- সমস্ত শ্রীলঙ্কাবাসীর জন্য নতুন শুরু। নবজাগরণ আসবে বলেও আশাবাদী তিনি।
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস
মান্নাকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন বিএনপি মহাসচিব
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাকে দেখতে গেলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ রোববার রাতে তিনি হাসপাতালে যান এবং তার চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন। তিনি পরিবারের সদস্যদের সাথেও কথা বলেন।
এই সময় বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, কেন্দ্রীয় নেতা কামরুজ্জামান রতন, বিএসএমএমইউ‘র উপ-রেজিস্টার আবু মোহাম্মদ আহসান ফিরোজ উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার গভীর রাতে বারিধারার বাসায় হৃদরোগে আক্রান্ত হলে মাহমুদুর রহমান মান্নাকে বিএসএমএমইউতে ভর্তি করা হয়। তাকে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।


