Home Blog Page 565

সালমান-ঐশ্বরিয়ার ভেঙে যাওয়া সেই প্রেমের গোপন গল্প ফাঁস

০

বলিউডে অভিনয়ের সুবাদে একের পর এক অভিনেত্রীর সঙ্গে নাম জড়ায় বলিউড ভাইজান সালমান খানের। এই তালিকায় রয়েছেন সংগীতা বিজলানি, শাহিন জাফরি, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন, সোমি আলী, ক্যাটরিনা কাইফ, ইউলিয়া ভান্তুরসহ আরও অনেকেই। তবে ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে সালমান খানের প্রেমের অধ্যায় সর্বাধিক আলোচিত।
বিয়ে করার পরিকল্পনাও করেছিলেন তারা। কিন্তু ভাগ্যে ছিল অন্য কিছু। ঐশ্বরিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়েন অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে।
সালমান-ঐশ্বরিয়ার প্রেমের শুরুটা ঠিক কেমন ছিল? কীভাবে বিশ্বসুন্দরী সালমানের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন সোমি আলি।
এই অভিনেত্রী বলেন, ‘হাম দিল দে চুকে সানামের শুটিং চলছিল। ঠিক সেই সময় আমি সালমানকে একাধিকবার ফোন করি। কিন্তু সালমান একবারও আমার ফোন ধরেনি।’
কিছুটা মন খারাপের সুরেই সোমি বলেন, ‘অনেকক্ষণ চেষ্টা করার পরে আমি সঞ্জয় লীলা বানসালিকে ফোন করি। তিনি তখন আমায় বলেন এই মুহূর্তে সালমান ব্যস্ত আছে। কথা বলতে পারবে না। শুটিং চলছে। আমি তখনই পরিচালককে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যদি সালমান শুটিংয়েই থাকে, তাহলে আপনি কীভাবে আমার ফোনটা ধরতে পারলেন? তারপরে আমার কাছে সেই প্রশ্নের আর কোনো উত্তরই আসেনি।’
ঐশ্বরিয়া প্রসঙ্গে আসতেই তিনি বলেন, তারপরে আমি বহুবার খবর পেয়েছি ঐশ্বরিয়া-সালমান একে অপরের সঙ্গে রয়েছে। এমনকী সালমানের জিমেও আসত ঐশ্বরিয়া। সেখানে বহুক্ষণ থাকতোও। একসঙ্গেই ব্যায়াম করত তারা। এভাবেই হয়তো তাদের মধ্যে প্রেম শুরু হয়েছিল।
২০০২ সালে বিচ্ছেদ হয় সালমান এবং ঐশ্বরিয়ার। তারপর আর কখনো একসঙ্গে কাজ করেননি তারা। এমনকি আজও বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও তাদেরকে একে অপরের সঙ্গে দেখা যায় না।

বিয়েতে নাচতে কোটি কোটি টাকা নেন শাহরুখ

০

অভিজাত কোনো পরিবারের বিয়ে বাড়িতে বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানকে নাচার জন্য নিলেই দিতে হতো কোটি কোটি টাকা।
এক সময়ে বিয়ে বাড়িতে গান গেয়ে ২০০ কোটি আয় করা এই তারকা, বর্তমানে আয়ের সেই খাত নাকি বন্ধ হয়ে গেছে।
শিল্পপতি ল²ী মিত্তলের মেয়ের বিয়েতে নেচেছিলেন শাহরুখ। সেখানে প্রায় ৪ কোটি টাকা পেয়েছিলেন তিনি। ২০০৪ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রায় ২৫০টি অভিজাত বিয়ের অনুষ্ঠানে নেচে শাহরুখ খান ২০০ কোটি রোজগার করেছিলেন।
স¤প্রতি অনন্ত-রাধিকার বিয়ের আগের এই উদ্যাপনে নাচের তালে কোমর দোলাতে দেখা গিয়েছিল তাকে। সেজন্য নাকি শাহরুখ প্রায় ২ থেকে ৩ কোটি টাকা নিয়েছেন আম্বানি পরিবার থেকে।
গত বছর পরপর তিনটি হিট ছবি করেছেন শাহরুখ খান। কিন্তু গত বছর খান পরিবারের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে ঝড়। মাদক-কাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছিল শাহরুখ-পুত্র আরিয়ান খানকে। তারপর থেকেই চালচলন বদলেছেন শাহরুখ।
সিনেমা ছাড়া খুব একটা জনসমক্ষে আসেন না। স¤প্রতি একটি অনুষ্ঠানে করন জোহর তাকে প্রশ্ন করেন, আজকাল আর বিয়ে বাড়িতে নাচতে দেখা যায় না কেন শাহরুখকে?
তখন শাহরুখ খান বলেন, ‘আগে আমার জামাই সাজার বয়স ছিল, এখন যা বয়স শ্বশুর ভাববে লোকে। লোকের বিয়েতে নাচাটা ভালো দেখায় না এ বয়সে।’

সেরা অভিনেতা শাহরুখ, অভিনেত্রী রানি মুখার্জি

০

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে ঝলমলে আসরে বসেছিল বলিউড তারকাদের। উপলক্ষ্য ছিল ইন্টারন্যাশনাল ইন্ডিয়ান ফিল্ম একাডেমি বা আইফা অ্যাওয়ার্ড।
বছরের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার আইফা অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে সেরা অভিনেতার খেতাব জিতেছেন বলিউডের কিংবদন্তি শাহরুখ খান। আর সেরা অভিনেত্রীর খেতাব জিতেছেন রানি মুখার্জি।
হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী ‘জওয়ান’ সিনেমার জন্য সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতেছেন শাহরুখ। আর ‘মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে’ সিনেমায় দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেছেন রানি মুখার্জি।
এ বছর বিশেষ সম্মাননা পেয়েছেন বলিউডের ‘ড্রিম গার্ল’ হেমা মালিনী। তাকে ও প্রযোজক পরিবেশক জয়ন্তীলাল গাদাকে ভারতীয় সিনেমায় অবদানের জন্য এ সম্মান দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানের মঞ্চ কাঁপিয়েছেন কৃতি স্যানন, নোরা ফাতেহি, শাহিদ কাপুররা। তবে সেখানে বাজিমাত করেছেন কিংবদন্তি রেখা। তার পারফরম্যান্স আলাদাভাবে দর্শকদের নজর কেড়েছে।
কে কী পুরস্কার জিতলেন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক-
সেরা সিনেমা: অ্যানিমেল
সেরা অভিনেতা: শাহরুখ খান (জওয়ান)
সেরা অভিনেত্রী: রানি মুখার্জি (মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে)
সেরা পরিচালক: বিধুবিনোদ চোপড়া (টুয়েলভথ ফেল)
সেরা সহ-অভিনেতা: অনিল কাপুর (অ্যানিমেল)
সেরা সহ-অভিনেত্রী: শাবানা আজমি (রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি)
সেরা খলনায়ক: ববি দেওল (অ্যানিমেল)
সেরা গল্প- রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি
সেরা গল্প (অ্যাডাপ্টেড)- টুয়েলভথ ফেল
সেরা সংগীত পরিচালনা- অ্যানিমেল
সেরা সংগীতশিল্পী (পুরুষ)- ভূপিন্দর বাব্বাল (অর্জন ভেল্লি, অ্যানিমেল)
সেরা সংগীতশিল্পী (মহিলা)- শিল্পা রাও (ছলেয়া, জওয়ান)
সেরা গীতিকার- সিদ্ধার্থ-গরিমা (সতরঙ্গা, অ্যানিমেল)।

যে শর্তে আইটেম গানে নাচবেন অনন্যা পাণ্ডে

০

বলিউড অভিনেত্রী অনন্যা পাণ্ডে। হাতে কাজ থাকুক আর না থাকুক, কোনো না কোনো বিষয় নিয়ে খবরের শিরোনামে আসেন তিনি। বলিউড অভিনেতা আদিত্য রায় কাপুরের সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে বিচ্ছেদও ঘটেছে অনেকদিন। এরই মধ্যে নতুন প্রেমে মজেছেন অনন্যা। শোনা যাচ্ছে, মডেল ওয়াকার বø্যাঙ্কোর সঙ্গে নাকি প্রেমে জড়িয়েছেন তিনি।
তবে এবার আর প্রেম নয়, অভিনেত্রী চর্চায় থাকেন তার কাজ নিয়ে। কিছুদিন আগে ওয়েব সিরিজে অভিষেক হয়েছে অনন্যার। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম অ্যামাজন প্রাইম-এর সিরিজ ‘কল মি বে’-তে ‘বেলা’র চরিত্রে অভিনয় করে আরও একবার দর্শকের মন জয় করেছেন তিনি। সাবলীল অভিনয়ে ফুটে উঠেছে তার দক্ষতা। বর্তমানে নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কারের পথে এগিয়ে চলেছেন অনন্যা। তাই তো প্রশ্ন উঠেছে, আর আইটেম গানে নাচবেন কী না অনন্যা।
স¤প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে খোলাসা করেন অনন্যা পান্ডে। অভিনেত্রীর জানান, ‘আইটেম নাচে কাজ করাটা বড় করে দেখা উচিৎ নয়। কোনও ছবিতে ক্যামিও চরিত্রে যেমন অভিনয় করা হয়, এটাও তেমনভাবে দেখা উচিৎ। কিন্তু সাধারণত দৃষ্টিভঙ্গি সেইরকম থাকেনা। যৌন আবেদনমূলক তথা অশ্লীলতা প্রত্যাশা করেন সবাই আইটেম নাচে।’
অনন্যা পাণ্ডে আরও বলেন, যদি কোনো আইটেম নাচে যৌন আবেদনের জায়গা না থাকে, তাহলে অবশ্যই আমি তা করতে রাজি। কিন্তু সাধারণত তা হয় না। তাই এই বিষয়ে ভাবি না।
বিক্রমাদিত্য মোতওয়ানের আসন্ন সাইবার-থ্রিলার ‘সিটিআরএল’-এ মুখ্য চরিত্রে দেখা যাবে অনন্যাকে। আগামী ৪ অক্টোবর ‘নেটফ্লিক্স’-এ মুক্তি পাবে এটি।

‘নুসরাতের রুচির দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে’

০

ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত জাহানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে কঠোর সমালোচনা হচ্ছে। আলোচনায় থাকতেই এই অভিনেত্রী মাঝে মধ্যে ব্যক্তিগত জীবনের নানা মুহূর্তের ঝলক তুলে ধরেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ঝলক তুলে ধরে কখনো কখনো প্রশংসিত হন, আবার কখনো হতে হয় কটাক্ষের শিকার। সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন এক জোড়া ছবি পোস্ট করতেই অভিনেত্রীকে নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
দুটি ছবি পোস্ট করে অভিনেত্রী লেখেন, ‘লেট দ্য লাইট গাইড ইউ।’ আলো আপনাকে পথ দেখাক। ক্যাপশনে যাই লেখা থাক, তার ধার কেউ ধারেনি। অভিনেত্রীর পোশাক নিয়ে সমালোচনা করেছেন। কটাক্ষ করেন তার রুচি নিয়েও।
একজন লিখেছেন, ‘এটা কি? রুচির দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে নুসরতের।’ আরেকজন লিখেন, ‘আপনি কি ছবি আপলোড করার সময় ছবির দিকে তাকান না? এ কেমন রুচি!’
আরেকজন লেখেন, ‘এমন পোশাক পরেন কিভাবে? লজ্জা করে না?’ আরেকজন লেখেন, ‘অসভ্যতার এক শেষ। এসব করে কী বোঝাতে চান?’

পূর্ণ আনন্দ খুঁজে পেতে প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান ক্যাটরিনা

০

বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ ব্যস্ত অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম। তবে শুধু পর্দায় নয়, তাকে প্রায়ই দেখা যায় তার স্বামী অভিনেতা ভিকি কৌশলের সঙ্গে। পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে ব্যক্তিগত সময় কাটানোর ছবি তারা শেয়ার করে নেন সামাজিকমাধ্যমে। কাজের চাপের মধ্যেও প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটানো খুব জরুরি বলে মনে করেন এ অভিনেত্রী।
স¤প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ক্যাটরিনা জানান, ধীরে ধীরে তিনি শিখে নিয়েছেন কীভাবে কাজের মধ্যে নিজের জন্য সময় বের করে নিতে হয়। তিনি বলেন, পর পর কাজ থাকলেও নিজের জন্য একটু সময় বের করা দরকার। এই সময়টা পরিবারের সঙ্গে কাটানো যেতে পারে অথবা নিজের পছন্দের কোনো কাজ করা যায়। তা না হলে খানিক হাত-পা ছড়িয়ে একটু বিশ্রামও নেওয়া যেতে পারে। খুবই প্রয়োজন সেটা। তাতে আবার পুরোনো স্ফূর্তি ফিরে পাওয়া সম্ভব। যতই ব্যস্ততায় ভরা দিন হোক না কেন, নিজের জন্য একটু সময় আমি বার করে নিই বলে জানান ক্যাটরিনা কাইফ।
প্রিয়জনের সঙ্গে থাকলে মনের মধ্যে একটা ভালোলাগা কাজ করে উল্লেখ করে এ অভিনেত্রী বলেন, নিজেকে ওই সময় পরিপূর্ণ মনে হয়, শান্তি পাওয়া যায়। সেই সময় বিচ্ছিন্নতার বোধ বা তাড়া থাকে না। তবে কার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছি, সেটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। অথচ এই গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোই মানুষ এড়িয়ে যায়। ক্যাটরিনা কাইফ বলেন, এই সময়টুকু বের করে নিতে পারলে পূর্ণ আনন্দের একটি অংশকে নিজের করে নেওয়া যায়।
উল্লেখ্য, গত জানুয়ারি মাসে মুক্তি পেয়েছিল ক্যাটরিনা কাইফের ছবি ‘মেরি ক্রিসমাস’। বিজয় সেতুপতির সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয়ের জন্য প্রশংসা পেয়েছিলেন এ অভিনেত্রী। এর পর আসতে চলেছে ‘জি লে জারা’। এ ছবিতে ক্যাটরিনার সঙ্গে দেখা যাবে আলিয়া ভাট ও প্রিয়াংকা চোপড়াকে।

৬ বছর দূরে থাকার কারণ জানালেন কুসুম সিকদার

০

বিনোদন জগতের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কুসুম সিকদার। ছোটপর্দার পাশাপাশি বড়পর্দাতেও সমান দর্শকপ্রিয়। সিনেমার জন্য সাধারণ মানুষের কাছে খ্যাতি, পরিচিতি ও প্রশংসাও পেয়েছেন তিনি। এর মধ্যে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও অর্জন করেছেন লাক্স তারকা অভিনেত্রী কুসুম সিকদার। দীর্ঘদিন পর এ তারকা বিগস্ক্রিনে আসছেন। তবে এবার আসছেন ভিন্ন পরিচয়ে।
এবার কুসুম সিকদার অভিনয়ের পাশাপাশি সিনেমার পরিচালক হয়ে আসছেন। তার পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘শরতের জবা’ মুক্তি পেতে চলেছে। আগামী ১১ অক্টোবর চলচ্চিত্রটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। এতে তিনি কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
গত শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় চ্যানেল আইয়ের ছাদ বারান্দায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ছবিটি মুক্তির ঘোষণা দেন কুসুম সিকদার। জানান অভিনয় থেকে দীর্ঘ সময় কেন তিনি দূরে ছিলেন।
কুসুম সিকদার বলেন, প্রায় ৬ বছর আমি কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। শেষ কাজ করেছি ২০১৮ সালে। আমাকে অনেকবারই এই প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে যে, আমি কেন কাজ করছি না? তিনি বলেন, আজকে শরতের জবার মাধ্যমেই বলতে চাই, কিছু অনাকাক্সিক্ষত ও অপ্রত্যাশিত ঘটনার কারণে আমি নিজেকে স্বেচ্ছায় অভিনয় থেকে দূরে রেখেছিলাম। কিন্তু পরিবারের সহযোগিতায় সৃষ্টিকর্তার রহমতে আজকে শরতের জবা নিয়ে আসতে পারছি আপনাদের কাছে।
নিজের লেখা বই ‘অজাগতিক ছায়া’ থেকে ‘শরতের জবা’ গল্পটি চলচ্চিত্রের পর্দায় তুলে আনছেন কুসুম। এটি প্রযোজনা করেছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও পহরডাঙ্গা পিকচার্স। ২০২১ সালের বইমেলায় কুসুম সিকদারের এই বইটি ‘অজাগতিক ছায়া’ তাম্রলিপি প্রকাশনী থেকে বের হয়েছিল।
একজন একাকী নারীর রহস্যময় জীবনের গল্প ‘শরতের জবা’। অতৃপ্ত প্রেম, আঘাতের পর আঘাত, কিছু অপ্রত্যাশিত মৃত্যু জড়ানো জবার জীবন নানা সময়ে একেক প্রশ্নের জন্ম দেয়। জবা কি আসলেই খুনি? নাকি অদৃশ্য কোনো শক্তি রয়েছে তার সঙ্গে? এমন থ্রিলার গল্পে নির্মিত হয়েছে শরতের জবা।
কুসুম সিকদার ছাড়াও চলচ্চিত্রটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন জিতু আহসান, ইয়াশ রোহান, নিদ্রা দে নেহা, নরেশ ভূঁইয়া, শহিদুল আলম সাচ্চু। ১১ অক্টোবর থেকে সিনেপ্লেক্স, বøকবাস্টার ‘শরতের জবা’ মুক্তির কথা রয়েছে। পরে এটি আই স্ক্রিনেও মুক্তি দেওয়া হবে।

প্রেমিক মুসলিম বলেই সম্পর্কের কথা গোপন রেখেছিলেন সোনাক্ষী

০

গত ২৩ জুন বিয়ে করেন বলিউড অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা ও জাহির ইকবাল। বিয়ের পর এ দম্পতি ভালোই আছেন বলে জানান অভিনেত্রী।
স¤প্রতি তৃণমূল সংসদ সদস্য শক্রঘœকন্যা জানিয়েছেন তার প্রেম কুসংস্কারে ঢাকা, নজর লাগার ভয়েই প্রেমিককে প্রকাশ্যে আনেননি তিনি। ভিন্নধর্মে বিয়ে নিয়ে কটাক্ষকে পাত্তা দিতে নারাজ সোনাক্ষী।
আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের জুন মাসে অভিনেতা জাহির ইকবালকে বিয়ে করেন অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা। সাত বছর প্রেম করার পর গত ২৩ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করেন তারা। বছর তিনেক আগে দুজনের প্রেমের গুঞ্জন প্রকাশ্যে এসেছিল, ইনস্টাগ্রামে সম্পর্কের ইঙ্গিত দিলেও কোনো দিন প্রকাশ্যে প্রেম সম্পর্কে সিলমোহর দেননি অভিনেত্রী।
কেন এই লুকোছাপা, আর ভিন্নধর্মে বিয়ে নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে কম সমালোচনা হয়নি। এতে কটাক্ষের মুখেও পড়েন সোনাক্ষী। তবে নিন্দুকদের মুখে ঝামা ঘষে মেয়ের খুশিতে শামিল হয়েছিলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা শক্রঘœ সিনহা। স¤প্রতি সোনাক্ষী প্রকাশ করেছেন যে কেন তিনি তার প্রেম-সম্পর্ককে ব্যক্তিগত রেখেছিলেন।
সোনাক্ষীর কথায় প্রেম নিয়ে তিনি কুসংস্কারাচ্ছন্ন। সে কারণেই ‘খারাপ নজর’ থেকে নিজেদের সম্পর্ককে বাঁচিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন তিনি। সোনাক্ষী বলেন, আমি মনে করি ব্যক্তিগত বিষয়গুলো সর্বদা ব্যক্তিগত রাখা ভালো। আপনি ইতোমধ্যে লাইমলাইটে রয়েছেন; সবাই তোমার সম্পর্কে সব জানে। তিনি বলেন, আপনার কাছে এত প্রিয় কিছু নিজের জন্য রাখা উচিত। আমাদের দেখা হয়েছিল, আমরা প্রেমে পড়েছিলাম। আমরা বাইরে যেতে শুরু করেছিলাম। আমি খুব তাড়াতাড়ি বুঝতে পেরেছিলাম যে, এটি স্থায়ী।
এ বিষয়ে জাহির ইকবাল বলেন, একজন ছেলে হওয়ায় আমি ভেবেছিলাম এটি নতুন বলেই এমনটি হয়েছে। আমি প্রথম দিন থেকেই জানতাম যে, সোনাক্ষীই সেই মানুষ, তবে আমি অনেক পরে এটি গ্রহণ করেছি।
উল্লেখ্য, সালমান খানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু তথা ব্যবসায়ী ইকবাল রতনসির ছেলে জাহির ইকবাল। সালমানের হাত ধরেই নোটবুক ছবির সঙ্গে বলিউডে অভিষেক হয় জাহিরের। যেখানে তিনি প্রানুতন বহেলের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন। একটি পার্টিতে সালমানই সোনাক্ষীর সঙ্গে জাহিরের পরিচয় করিয়ে দেন। হুমা কুরেশির সহ-প্রযোজিত ডাবল এক্সএল ছবিতে একসঙ্গে কাজ করার পর সোনাক্ষী ও জাহিরের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়।
সোনাক্ষী এবং জাহির যে তারিখে ডেটিং শুরু করেছিলেন, সে তারিখেই বিয়ে করেছিলেন। ওই দিনই মুম্বাইয়ের রেস্তোরাঁ বাস্তিয়ানে গ্র্যান্ড রিসেপশনের আয়োজন করেন তারা। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিয়ের আনুষ্ঠানিক ছবি পোস্ট করে দুজনে লিখেছিলেনÑ এই দিনে, সাত বছর আগে (২৩.০৬.২০১৭) একে অপরের চোখে, আমরা ভালোবাসাকে তার বিশুদ্ধতম রূপে দেখেছি এবং এটিকে ধরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আজ সেই ভালোবাসা আমাদের সমস্ত চ্যালেঞ্জ এবং বিজয়ের মধ্য দিয়ে পরিচালিত করেছে…। এ মুহুর্তের দিকে অগ্রসর হওয়া… যেখানে আমাদের উভয় পরিবার এবং আমাদের উভয় দেবতার আশীর্বাদে আমরা এখন স্বামী-স্ত্রী।

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করতে চায় ভারত: মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা। রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে গিয়ে আশ্রয় নেন। এ ঘটনার পর বিএনপির সঙ্গে ভারতীয় প্রতিনিধির এটাই প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।
বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল জানান, দুই দেশের সম্পর্ক কীভাবে আরও দৃঢ় করা যায়, তা নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, আজ ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক আরও কীভাবে দৃঢ় করা যায় তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ভারতের সঙ্গে আমাদের সমস্যাগুলো আমরা তুলে ধরেছি।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আমাদের পানি সমস্যার কথা বলেছি। এটা দ্রæত সমাধান হওয়া দরকার, এটাও বলেছি। সীমান্তে হত্যা বন্ধ করা প্রয়োজন সে কথাগুলো আমরা তাদেরকে বলেছি।
দুই দেশের সিকিউরিটির বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা এ বিষয়ে সজাগ, চেষ্টা করছেন দ্রæততার সঙ্গে এই সমস্যাগুলো কীভাবে সমাধান করা যায়।
তিনি বলেন, তাদের মূল বক্তব্য বাংলাদেশের সঙ্গে তারা সম্পর্ক দৃঢ় করতে চায়। নতুন সরকারের সঙ্গে তারা ইতোমধ্যে কথা বলেছে। বিএনপি একটি পলিটিক্যাল পার্টি। আমাদের সঙ্গেও তারা তাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর সম্পর্ক দৃঢ় করতে চায়। এই সম্পর্কের মধ্যে আরও কীভাবে সুস্থতা, আরও পজিটিভিটি কী করে নিয়ে আসা যায়, সে ব্যাপারটা নিয়েও তারা কাজ করতে আগ্রহী।

আবার মুখর ক্যাম্পাস

দীর্ঘ ১১২ দিন বন্ধ থাকার পর শুরু হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম। শিক্ষার্থীরা ফিরেছেন ক্লাসে। তবে কিছু বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের ক্ষেত্রে দেখা গেছে ব্যতিক্রম চিত্র। গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যথারীতি শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হয়। এতে প্রাণসঞ্চার হয় ক্লাসরুমগুলোতে। ক্লাসে ফেরার উচ্ছ¡াস প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আন্দোলনের সময় থেকে আন্দোলন পরবর্তী সময়টা অনেক মানসিক চাপে কাটাতে হয়েছে। আমি ৬ আগস্টই হলে ফেরত আসি। এতদিন অপেক্ষা করছিলাম ক্লাস খোলার। ক্লাসে ফেরার পর অনেক স্বস্তি লাগছে। ক্যাম্পাসটা আবার প্রাণ ফেরত পেয়েছে।
আরেক শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বলেন, আমি মিরপুরে থাকি। মাঝেমধ্যেই ক্যাম্পাসে চলে আসতাম। তবে কেমন যেন শূন্যতা অনুভব হতো। ঘরে বসে থাকতেও আর ভালো লাগছিল না। ক্লাসে ফেরার জন্য অধীর আগ্রহে বসেছিলাম। অবশেষে প্রাণের ক্যাম্পাসে সবাইকে পেয়ে ভালো লাগছে।
অনুষদগুলোর ডিনসূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অনুষদের আওতাভুক্ত বিভাগগুলোতে সুষ্ঠুভাবে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা হচ্ছে। তবে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি এখন একটু কম। কিছুদিনের মধ্যেই সব স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কয়েকটি বিভাগে শিক্ষার্থীদের কিছু দাবি দাওয়া ছিল সেগুলো সামর্থ্য অনুযায়ী মেনে নেওয়া হচ্ছে যার ফলে শ্রেণি কার্যক্রম শুরুর পূর্বে যে আলোচনা ছিল শ্রেণি কার্যক্রমে তার কোনো প্রভাব নেই।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এখনো কয়েকটি বিভাগে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ আছে। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, শান্তি ও সংঘর্ষ বিভাগ (আংশিক বন্ধ), আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট সায়েন্সেস অনুষদের ওশেনোগ্রাফি বিভাগে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ আছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে সমাজ বিজ্ঞান বিভাগে চারজন শিক্ষকের পদত্যাগ চেয়ে ক্লাস পরীক্ষা বয়কট করেছে শিক্ষার্থীরা। শান্তি সংঘর্ষ বিভাগের শিক্ষার্থীরা দুটি গ্রæপে বিভক্ত হয়ে একাংশ বিভাগটির চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবিতে ক্লাস পরীক্ষা বর্জন করেছে আরেক অংশ শ্রেণি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করছে। ওশেনোগ্রাফি বিভাগেও কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সম্পর্কের অবনতি ঘটায় ক্লাস পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে না শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের এমন সিদ্ধান্তে অনুষদগুলো চাপের মুখে পড়লেও বিভাগ ও প্রশাসনের সহায়তা দ্রæত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন ডিন ও সংশ্লিষ্টরা।
আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক কাজী মতিন আহমেদ জানান, ক্লাস শুরু হয়েছে তবে বেশির ভাগ বিভাগেরই পরীক্ষা চলছে। ৩০ তারিখ থেকে প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হবে। শিক্ষার্থীদের দাবি দাওয়া নিয়ে আমরা সচেষ্ট। ওশেনোগ্রাফি বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। প্রথমে বিভাগীয় পর্যায়, পরবর্তীতে অনুষদ পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের যৌক্তিক দাবিগুলো সামর্থ্য অনুযায়ী মেনে নেওয়া হবে। জানা যায়, কলা অনুষদে কয়েকটি বিভাগে শিক্ষার্থীরা আগে ক্লাস বয়কটের চিন্তা করলেও পরবর্তী সময়ে বিভাগ ও অনুষদ মিলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করেছে এবং ইসলাম শিক্ষা ও উর্দু বিভাগে শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী তথ্যানুসন্ধান কমিটি গঠন করায় শিক্ষার্থীরা শ্রেণি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছে। এ বিষয়ে কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমি সকাল থেকে অনুষদের কয়েকটি বিভাগ পরিদর্শন করেছি। উপাচার্যও এসেছিলেন। আমাদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে অসন্তোষ ছিল সেটি আলোচনা ও কিছু পদক্ষেপের মাধ্যমে আমরা মিটিয়ে নিয়েছি। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি একটু কম তবে আশা করি সেটিও ঠিক হয়ে যাবে। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটেও (আইবিএ) অনুপস্থিত ছিলেন সিংহভাগ শিক্ষার্থী।
জানা যায়, কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকে খোঁজ নেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবু ইউসুফ আবদুল্লাহর। এমনকি সরকারের পতনের ১ মাস পর শিক্ষার্থীরা তার সঙ্গে দেখা করতে চাইলেও তার দেখা মেলেনি। তিনি গত ৩০ জুন আইবিএর পরিচালকের দায়িত্ব নেন কিন্তু এই সময় থেকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একটা বারের জন্যও সাক্ষাৎ করেননি। প্রথম ছুটি ১১-২১ সেপ্টেম্বর এবং এরপর তিনি ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি চেয়েছেন।
এ বিষয়ে ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক শাকিল হুদা জানান, শিক্ষার্থীদের অধিকাংশ আজ (রবিবার) ক্লাসে উপস্থিত হয়নি। ইনস্টিটিউটের পরিচালক তাদের সঙ্গে দেখা না করায় তারা ক্ষুব্ধ। এ ছাড়াও শিক্ষার্থীদের কিছু দাবি আছে যেগুলো মূলত পলিসিগত দাবি। সেগুলো পূরণ করতে হলেও আসলে পরিচালকের প্রয়োজন। তবে তিনি না থাকায় কিছুই করা যাচ্ছে না। এ ছাড়া শিক্ষার্থীরা এত শর্ট নোটিসে ক্লাসে ফিরতে চাচ্ছে না, তারা অন্তত এক সপ্তাহ সময় চেয়েছে। এই সার্বিক বিষয় নিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান বিভিন্ন বিভাগে ক্লাসরুম পরিদর্শনের সময় বলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে ক্লাস শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ সময় পর আমরা ক্লাসে ফিরতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের এখনো কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়ে গেছে। যেসব সমস্যা এখনো রয়ে গেছে সেগুলো খুব দ্রæতই সমাধান করার চেষ্টা করব। তাছাড়া শিক্ষার্থীদের যে একটা গ্যাপ তৈরি হয়েছে সেটি আমরা খুব দ্রæত পূরণের চেষ্ট করব। আমরা এখনো কিছু বিভাগের ক্লাস শুরু করতে পারিনি। শিক্ষার্থীরা যদি এগিয়ে আসে তাহলে আমরা এসব প্রতিবন্ধকতা দ্রæতই কাটিয়ে উঠতে পারব। এ ছাড়াও তিনি অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনায় বসার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।