(ছবি আছে ইন্টার পিকচার নং-০৪)
ঢাকা ডেস্ক, ২৮ মার্চ : সৌদি মডেল রুমি আল-কাহতানি প্রথমবারের মতো বিশ্বসুন্দরী (মিস ইউনিভার্স) প্রতিযোগিতায় সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে মেক্সিকোতে প্রতিযোগিতার এ আসর অনুষ্ঠিত হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আল-কাহতানি জানিয়েছেন, মিস ইউনিভার্স ২০২৪-এ অংশ নিতে পেরে আমি সম্মানিত। এটি সৌদি আরবের প্রথম অংশগ্রহণ। খবর হারপার্স বাজারের।
ইতিমধ্যে রুমির ইনস্টাগ্রামে উঁকিঝুঁকি দিতে শুরু করেছেন নেটিজেনরা। কে এই সুন্দরী, কী তার পরিচয় তা জানতেই স্ক্রলিং চলছে। রুমি আল-কাহতানির ইনস্টাগ্রাম নজরে রেখে পাওয়া গেছে পাঁচটি তথ্য।
একাধিক সুন্দরী প্রতিযোগিতার বিজয়ী
রিয়াদে জন্মগ্রহণকারী রুমি আল-কাহতানির ইনস্টাগ্রাম ফিড স্ক্রল করলে চোখ ধাঁধানো সব ছবি পাওয়া যায়। বিশ্বের একাধিক সুন্দরী প্রতিযোগিতায় মুকুট জিতেছেন তিনি। মিস আরব ওয়ার্ল্ড পিস, মিস ওমান, মিস মিডল ইস্টসহ আরও অনেক ইভেন্টে তিনি সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। প্রতিটি প্রতিযোগিতায় তার অভিজাত লুক মুগ্ধ করেছে সবাইকে।
ইনস্টাগ্রামে রুমির অনুসারী লাখ লাখ। আবার টুইটারেও রয়েছে দুই হাজারের বেশি অনুসারী। স্ন্যাপচ্যাটেও সক্রিয় থাকতে দেখা যায় তাকে।
আরব আমিরাত, মিশর, ইতালিসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়েছেন সুন্দরী প্রতিযোগিতার মুকুট জয় করতে। এ ছাড়া জানা গেছে, ভ্রমণ প্রীতি রয়েছে রুমি আল-কাহতানির। স¤প্রতি তার পোস্ট করা একটি ছবিতে দেখা গেছে, দুবাইয়ের একটি রুপটপ পুলে অবকাশ যাপন করছেন এই সুন্দরী।
ইনস্টাগ্রামে কি কেবল প্রতিযোগিতার ছবিই আপলোড করেন রুমি? একটু ঘাঁটলেই বুঝতে পারবেন, সৌদি এই সুন্দরী নিখুঁত ও ডিজাইনার গয়না পরতে কত ভালোবাসেন। কার্তিয়ারের ব্রেসলেট থেকে শুরু করে বুলগেরির গয়না, সবই খুঁজে খুঁজে নিজের গয়নার বাক্সে রাখেন তিনি।
পারিবারিক বন্ধন যে রুমির কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ সেটাও ঠাহর হয় তার নিউজফিড দেখে। দুই বোন রাজান ও জেদাইয়ের সঙ্গে প্রায়ই ছবি পোস্ট করেন তিনি।
প্রথম বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায় সৌদি নারী, কে এই রুমি?
রাষ্ট্রকে গিলে ফেলেছে সরকার : ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গোটা দেশ ও রাষ্ট্রকে গিলে ফেলেছে সরকার। এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে আমরা সংগ্রাম ও লড়াই করছি। গতকাল দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় বিএনপির আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ছোট করা, অসম্মান করা, খাটো করা স্বাধীনতাকে অস্বীকার করার শামিল। তিনি বলেন, একাত্তর সালে স্বাধীনতার ঘোষণা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দিয়েছিলেন। এ বিষয়ে বিতর্কের কিছু নেই। এটি বিতর্ক করলে দেশের স্বাধীনতা নিয়ে বিতর্ক করা হবে। যারা বিতর্ক করে তারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি নয়। তিনি আরও বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন আমাদের নেতা জিয়াউর রহমান। এমনকি খালেদা জিয়ার হাত ধরে তত্ত¡াবধায়ক সরকারব্যবস্থা এসেছিল। গণতন্ত্রের জন্য দেশে যা কিছু হয়েছে, আমাদের নেতা আর নেত্রীর হাত ধরেই হয়েছে।
দলের ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এবং প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানীর পরিচালনায় সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। এ ছাড়া স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির প্রমুখ বক্তব্য দেন। ‘জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক নন, পাঠক’-আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, জিয়াউর রহমানকে কে লেখা পাঠিয়ে দিয়েছেন। কার লেখা পাঠ করেছেন। সেই মাহেন্দ্রক্ষণে কাউকে তো খুঁজে পাওয়া যায়নি। শুধু কথা বলার রাজনীতি করলে হয় না।
বিএনপি নেতাদের বক্তব্য দুরভিসন্ধিমূলক : কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নেতারা অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের জন্য জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা না চেয়ে বরাবরের মতো দুরভিসন্ধিমূলক বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। গণতন্ত্রের হত্যাকারীরাই আজ যখন গণতন্ত্র নিয়ে কথা বলেন, তখন বুঝতে হবে তাদের ভিন্ন উদ্দেশ্য রয়েছে। গতকাল আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার সই করা এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। এতে বিএনপি নেতাদের ‘মিথ্যাচার ও দুরভিসন্ধিমূলক’ বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
গণতন্ত্রের প্রতি বিএনপির কোনো দায়বদ্ধতা নেই মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, গণতন্ত্রের জন্য তাদের এই আহাজারি মূলত একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলার মাস্টারমাইন্ড, হাওয়া ভবন-খোয়াব ভবনের অধিপতি, দুর্নীতি-সন্ত্রাস ও দুর্বৃত্তায়নের বরপুত্র তারেক রহমানের দুঃশাসনের যুগে দেশকে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য। দেশের গণতন্ত্রকামী দেশপ্রেমিক নাগরিক সমাজ আজ এই অন্ধকারের অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ। তিনি বলেন, ২০০১-পরবর্তী সময়কালে বিএনপি-জামায়াত জোট শাসনামলে ২১ হাজার আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীকে হত্যা করা হয়েছিল। স্বৈরাচারের গর্ভে জন্ম নেওয়া বিএনপি সুপরিকল্পিতভাবে মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও মূল্যবোধ এবং গণতন্ত্র নস্যাৎ করতে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। বিএনপিই এ দেশে গণতান্ত্রিক আদর্শ বাস্তবায়নের প্রধান প্রতিবন্ধক। বিএনপি নেতাদের উচিত তাদের সব অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের জন্য জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া। অথচ তারা সেটা না করে বরাবরের মতো দুরভিসন্ধিমূলক বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করেছে। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে বাংলাদেশ স্বপ্নের পথে যাত্রা শুরু করে। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে মানবসভ্যতার ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করা হয়েছিল।
বিএনপি নেতারা কেন স্ত্রীদের ভারতীয় শাড়ি পোড়াচ্ছেন নাঃ শেখ হাসিনা
বিএনপি নেতারা সত্যিকারে ভারতীয় পণ্য বর্জন করছেন কি না তা জানতে চেয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা ভারতীয় পণ্য ব্যবহার করব না বলে ভারতীয় পণ্য বর্জন করলেন, তাদের বউদের কতগুলো শাড়ি আছে। তারা কেন শাড়িগুলো এনে পুড়িয়ে দিচ্ছেন না। বউদের শাড়িগুলো পুড়িয়ে দিলে বুঝব সত্যিকারের পণ্য বর্জন করেছেন তারা।
গতকাল রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন এখানে (ঢাকায়) গণহত্যা শুরু করে, তারা কিন্তু চট্টগ্রামেও হত্যাকাণ্ড শুরু করেছিল। যারা জাতির পিতার আহŸানে সাড়া দিয়ে ব্যারিকেড দিচ্ছিল, তাদের ওপর গুলি চালিয়েছিল পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। চট্টগ্রামের সেনাবাহিনীর দায়িত্বে জিয়াউর রহমান ছিল। সেই সময় যারা ব্যারিকেড দিয়েছে, জিয়াউর রহমানও তাদের ওপর গুলি চালিয়েছে। শুধু তাই নয়, সোয়াত জাহাজ এসেছে পাকিস্তান থেকে অস্ত্র নিয়ে, সেই অস্ত্র খালাস করতে গিয়েছিল জিয়াউর রহমান। ২৫ মার্চ পাকিস্তান হানাদার বাহিনী যে আক্রমণ চালায় সেই আক্রমণকারীর একজন কিন্তু জিয়াউর রহমান। শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপির এক নেতা চাদর খুলে আগুন দিচ্ছেন যে ভারতীয় পণ্য ব্যবহার করবেন না। এরপর আবার দেখা গেল কিছু চাদর কিনে এনে পোড়ানো হলো। আচ্ছা শীতকাল তো চলে গেছে, এখন আর চাদর পোড়ালে কী এসে যায়। তিনি বলেন, আমার প্রশ্ন যে নেতারা বলছেন, ভারতীয় পণ্য বর্জন করছেন, তাদের বউদের কয়খানা ভারতীয় শাড়ি আছে। তাহলে বউদের কাছ থেকে কেন শাড়িগুলো এনে পুড়িয়ে দিচ্ছেন না। আপনারা সবাই একটু বিএনপি নেতাদের এ কথাটা জিজ্ঞেস করেন।
আওয়ামী লীগ প্রধান বলেন, বিএনপি নেতাদের বলব, যারা ভারতীয় পণ্য বর্জন করবেন, সবাই বাড়িতে গিয়ে তাদের বউরা যেন কোনো মতে কোনো ভারতীয় শাড়ি না পরেন; আলমারিতে যে কয়টা শাড়ি আছে সব এনে যেদিন ওই অফিসের সামনে পোড়াবেন, সেদিন বিশ্বাস করব আপনারা সত্যিকারে ভারতীয় পণ্য বর্জন করলেন।
বিএনপি নেতারা কি ভারতীয় মসলা ব্যবহার বন্ধ করতে পারবেন, এমন প্রশ্ন রেখে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত থেকে আমরা পিঁয়াজ আমদানি করছি। রসুন-মসলাপাতি, আদা; ভারত থেকে যা কিছু আসছে তাদের কারও রান্নাঘরে যেন এসব মসলা দেখা না যায়। তাদের মসলা ছাড়া রান্না করে খেতে হবে। এটা তারা খেতে পারবেন কি না সেই জবাবটা তাদের দিতে হবে। বিএনপি নেতাদের পেলে তাদের বউদের শাড়ির কথা আর মসলার কথা বলবেন। শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের দেশে কিছু আঁতেল আছে। বুদ্ধিজীবী। বুদ্ধি বেচে জীবিকা নির্বাহ করেন যিনি। বাংলাদেশে একটা কাণ্ড আমরা দেখি, অতি বাম, অতি ডান। স্বাভাবিকভাবে গণতান্ত্রিক ধারাটা তারা পছন্দ করেন না। তিনি বলেন, আজকের যে দলটি বড় বড় কথা বলে, ২৫ মার্চ আওয়ামী লীগের সবাই পালিয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে যুদ্ধ পরিচালনা করল। শুধু যুদ্ধ পরিচালনা নয়, সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা হয়। বিভিন্ন সেক্টরে বাংলাদেশকে ভাগ করা হয়। এক একটা সেক্টরের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেক্টরের যিনি দায়িত্ব ছিলেন তিনি আহত হওয়ার পর জিয়াউর রহমান দায়িত্ব পায়, জিয়াউর রহমান একটা বেতনভুক কর্মচারী হিসেবে কাজ করেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে বেতনভুক কর্মচারী ছিল জিয়াউর রহমান। এই কথা নিশ্চয়ই তাদের ভুলে গেলে চলবে না। এটাও ভুললে চলবে না যে, স্বাধীনতার পর জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন মেজর। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ আমরা স্বাধীনতার ৫৩ বছর পার করেছি। ৫৩ বছরের মধ্যে ২৯টা বছর এই জাতির দুর্ভাগ্যের বছর। এ দেশের মানুষ ছিল শোষিত-বঞ্চিত। সেই জাতিকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে, মুক্তিযুদ্ধ করে, স্বাধীনতার বিজয় এনে দেওয়া একমাত্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো বলিষ্ঠ নেতৃত্বদানকারীর জন্য সম্ভব। ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যা করার পর এ দেশে ইতিহাস বিকৃতির পালা দেখেছি। তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের জন্ম হলো কলকাতায়। ভারত-পাকিস্তান যখন বিভক্ত হয়, তখন তারা কিন্তু পূর্ব বাংলায় আসেনি, তারা করাচিতে গিয়েছিল। জিয়াউর রহমান সেখানে পড়াশোনা করে। সেখানেই আর্মিতে যোগ দেয়। সেখান থেকে সামরিক অফিসার হিসেবে পূর্ব বাংলায় এসেছিল দায়িত্ব পালন করতে। এটাই হলো বাস্তবতা। কিন্তু তার মনে তো পাকিস্তানটাই রয়ে গেছে। তার প্রমাণও আছে। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর জিয়াউর রহমান মেজর থেকে মেজর জেনারেল হলো, এই প্রমোশনগুলা একে একে কে দিয়েছে। এটাও তো আওয়ামী লীগ সরকার দিয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব দিয়েছেন। এই অকৃতজ্ঞরা সেটাও ভুলে যায়।
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ড. আবদুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, দলের স্বাস্থ্য সম্পাদক ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এ মান্নান কচি প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন দলের প্রচার সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ ও উপ প্রচার সম্পাদক সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম।
নিউইয়র্কে ব্যারিস্টার সুমনের সংবর্ধনা : ফেরত দিচ্ছি যুক্তরাষ্ট্রের গ্রীন কার্ড; যতদিন এমপি থাকবো, আমেরিকা ও ঢাকায় কোন সম্পদের মালিক হবো না
নিউইয়র্ক ডেস্কঃ নিউইয়র্কে ব্যারিস্টার সাইয়্যেদুল হক সুমন এমপি তার সম্মানে আয়োজিত সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিলে বলেছেন, যতদিন এমপি থাকবো, আমেরিকা ও ঢাকায় কোন সম্পদের মালিক হবো না। আমার কিংবা আমার স্ত্রীর নামে কোন সম্পদের সন্ধান পেলে আপনারা তা ফেইসবুকে দিয়ে দেবেন। তিনি বলেন এবারই ইমিগ্রান্ট হিসেবে আমেরিকায় আমার শেষ আসা। ফেরত দিচ্ছি যুক্তরাষ্ট্রের গ্রীন কার্ড। স্থানীয় সময় ২০ মার্চ বুধবার সন্ধ্যায় কুইন্স প্যালেসে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটি আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ব্যারিস্টার সাইয়্যেদুল হক সুমন এসব কথা বলেন।
আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব ও জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র সাধারণ সম্পাদক মইনুল ইসলাম ও আয়োজক কমিটির সদস্য জামাল হুসাইনের পরিচালনায় এবং ব্রঙ্কস কমিউনিটি বোর্ড ৯ এর চেয়ারম্যান ও আয়োজক কমিটির আহŸায়ক মোহাম্মদ এন মজুমদারের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে সার্বিক তত্ত¡াবধানে ছিলেন এম উদ্দিন আলমগীর ও মিজানুর রহমান শেফাজ।
অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা সাইফুল আলম সিদ্দিকি। ইফতার মাহফিলে কমিউনিটি, দেশ, জাতি ও বিশ্ব মানবতার কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন এটর্নী এইচ ব্রæশ ফিসার, রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টর নুরুল আজিম, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট এম আজিজ, শেফ মো. খলিলুর রহমান, টাইম টিভির সিইও আবু তাহের প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে বাংলাদেশের তরুণ আইনজীবী ও সমাজকর্মী ব্যারিস্টার সাইয়্যেদুল হক সুমন দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার দৃঢ় অবস্থানের কথা তুলে ধরেন। জানান এলাকার উন্নয়নসহ তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা।
অনুষ্ঠানে ব্যারিস্টার সাইয়্যেদুল হক সুমনকে ফুলেল শুভেচ্ছা হয়। তিনি আয়োজকদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সব সময় তার এলাকাসহ বাংলাদেশের দরিদ্র-অসহায়দের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
মমতাকে কুরুচিকর ভাবে ব্যক্তিগত আক্রমণ! বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব শো-কজ নোটিস ধরালেন দিলীপকে
দিলীপের মন্তব্যের প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূল। বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপের বিরুদ্ধে সরাসরি আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে কুরুচিকর মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার এই ঘটনার নিন্দা করে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফ থেকে শো-কজ় নোটিস ধরানো হল দিলীপকে। যত দ্রæত সম্ভব এ হেন আচরণের ব্যাখ্যাও চাওয়া হয়েছে দলের তরফে।
বিজেপির মহাসচিব অরুণ সিংহের স্বাক্ষরিত ওই শো-কজ় নোটিসে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি দিলীপের মন্তব্যের নিন্দা করে বলা হয়েছে, “মাননীয় দিলীপ ঘোষ, আপনার আজকের বক্তব্য অশোভনীয় এবং অসংসদীয়। ভারতীয় জনতা পার্টির নীতির পরিপন্থীও। দল এই বক্তব্যের নিন্দা করছে। সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নড্ডার নির্দেশানুসারে আপনি যত দ্রæত সম্ভব আপনার আচরণের ব্যাখ্যা দিন।”
দুর্গাপুর শহরে প্রাতর্ভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ মঙ্গলবার সকালে মমতাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেন বলে অভিযোগ। এলাকায় স্থানীয় বিজেপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে প্রাতর্ভ্রমণের সময় তাঁর প্রতিদ্ব›দ্বী তৃণমূলের প্রার্থী কীর্তি আজাদকে আক্রমণ করার পাশাপাশি মমতাকেও আক্রমণ করেন দিলীপ। তিনি বলেন, ‘‘বিহার, ইউপি থেকে দিদি গোয়াতে গিয়ে বলেন গোয়ার মেয়ে। ত্রিপুরাতে গিয়ে বলেন ত্রিপুরার মেয়ে।’’ এর পরেই তিনি মমতার উদ্দেশে কুরুচিকর ভাবে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেন বলে অভিযোগ।
দিলীপের মন্তব্যের নিন্দা করা হয় তৃণমূলের তরফ থেকে। মমতাকে নিয়ে দিলীপের মন্তব্যের প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূল। বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপের বিরুদ্ধে সরাসরি আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-এর অফিস সূত্রে খবর, জেলাশাসকের কাছ থেকে ওই বিষয়ে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। রিপোর্ট এলে তা দিল্লিতে কমিশনের দফতরে পাঠানো হবে। কমিশন খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত জানাবে।
নিউইয়র্ক কনস্যুলেটে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন
স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে নিউইয়র্ক কন্স্যুলেটে অতিথিবর্গের সাথে কন্সাল জেনারেলসহ কূটনীতিকরা।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে ২৬ মার্চ একটি অভ্যর্থনার আয়োজন করা হয়।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে অভ্যর্থনা অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয় এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সকল শহিদ সদস্য, ৭১-এর সকল শহিদ, শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, শহিদ বুদ্ধিজীবী ও জাতীয় চার নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
কনসাল জেনারেল মো. নাজমুল হুদা তাঁর স্বগতিক বক্তব্যে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধের বন্ধু সম্মাননাপ্রাপ্ত যুক্তরাষ্টের নাগরিক লিয়ার লেভিন, সিটি মেয়রের আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিশনার দিলীপ চৌহান ও বিচারপতি সোমা সাইদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের মহাহিসাব নীরিক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নূরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সকল শহিদ সদস্য, জাতীয় চারনেতা, ৭১-এর সকল শহিদ, শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ ও শহিদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এবং দেশের অব্যাহত শান্তি ও অগ্রগতির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
‘তুই আমায় ধর্ষণ করবি, ভাবতেই পারছি না’
ভারতীয় অভিনেত্রী জোজো মুখোপাধ্যায়, গানের দুনিয়ায় তিনি মিস জোজো নামে বেশ জনপ্রিয়। ভারতীয় এই শিল্পী স¤প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের একটি অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন।
অতীতের স্মৃতিচারণ করে অভিনেত্রী বলেন, অভিনেতা-অভিনেত্রীদের অভিনয়ের জন্য অনেক কিছুই করতে হয়, সেটা একদম পরিষ্কার।
অভিনেতা টোটা রায়চৌধুরীর সঙ্গে এক দৃশ্যের কথা বর্ণনা করতে গিয়েই হাসতে হাসতে অভিনেত্রী বলেন, ‘প্রভাত দার সিনেমা তো, বুঝতেই পারছেন। টোটা দা আমায় পুরো কাঁধে তুলে ঘোরাবে, এমন একটা দৃশ্য। বর্তমান সময়ে সেই দৃশ্যকে পুরো ক্লাইম্যাক্স হিসেবে বর্ণনা করা যায়।
তিনি আরও বলেন, আর টোটা ছিল আমার খুব ভালো বন্ধু। আমি একটা পোড়া বাড়িতে দৌড়াচ্ছিলাম। তখন অনেক শট বাতিল হয়ে যায়। তখন প্রভাত দা খুব রেগে যান। খুব বকা-ঝকা করেন। টোটা তখন ভয়ে ভয়ে আমাকে বলছিল, জোজো সিরিয়াস হ। আমি তখন বললাম আরও সিরিয়াস হতে হবে। তুই আমায় ধর্ষণ করবি? আমি ভাবতেই পারছি না।
আরও এক অভিনেত্রীর বিয়ের খবরে সরগরম বলিউড
বিনোদন ডেস্ক : গত কয়েক দিন ধরেই বলিউডে জল্পনা জারি রয়েছে অভিনেত্রী তাপসী পান্নুর বিয়ে নিয়ে। সূত্রের খবর, গত ২৩ মার্চ উদয়পুরে প্রেমিক ম্যাথিয়াস বোয়ের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন তিনি। যদিও বিয়ের খবর নিয়ে এখনো জল্পনা জিইয়ে রেখেছেন তাপসী। এর মধ্যেই আরও এক অভিনেত্রীর বিয়ের খবরে সরগরম বলিউড। শোনা যাচ্ছে, ‘রং দে বসন্তী’ অভিনেতা সিদ্ধার্থের সঙ্গে সাত পাক ঘুরেছেন অদিতি রাও হায়দারি।
সূত্রের খবর, তেলেঙ্গনার রঙ্গনয়কস্বামী মন্দিরেই বিয়ে সেরেছেন যুগল। তবে তাদের যে পুরোহিত বিয়ে দিয়েছেন তাকে নিয়ে আসা হয় তামিলনাড়ু থেকে। যদিও অদিতি বা সিদ্ধার্থ, কেউই বিয়ে নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি।
সিদ্ধার্থ ও অদিতি দুজনেরই এটা দ্বিতীয় বিয়ে। ২০০৩ সালে ছোটবেলার বান্ধবী মেঘনাকে বিয়ে করেছিলেন সিদ্ধার্থ। দীর্ঘস্থায়ী হয়নি সেই বিয়ে। তিন বছরের মধ্যেই ভাঙে বিয়ে। ২০০৭ সালে আইনত বিবাহবিচ্ছেদ হয় সিদ্ধার্থের। অদিতির গল্পটাও খানিক এক রকমের। মাত্র ২১ বছরেই উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে সত্যদীপ মিশ্রের সঙ্গে বিয়ে হয় অদিতির। তবে চার বছর পর বিয়ে ভাঙে নায়িকার। ২০১৩ সালে আলাদা হন দুজনে। তার প্রায় ১১ বছর বাদে ফের বিয়ের পিঁড়িতে অদিতি।
২০২১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত দক্ষিণী ছবি ‘মহা সমুদ্রম’-এর সেটে আলাপ অদিতি ও সিদ্ধার্থের। ছবির সেট থেকেই তাদের বন্ধুত্ব, তার পর প্রেম। সমাজমাধ্যমে আদুরে ছবি ও ভিডিও পোস্ট করলেও নিজেদের সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খোলেননি দুজনের কেউ-ই। অদিতির জন্মদিনে অভিনেত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন সিদ্ধার্থ। সেই পোস্টে অদিতিকে ‘প্রিন্সেস অব হার্ট’ বলেও সম্বোধন করেন তিনি। মায়ানগরীতে ডেটেও যেতে দেখা গিয়েছে চর্চিত যুগলকে। রেস্তোরাঁ থেকে বেরিয়ে আলোকচিত্রীদের ক্যামেরায় বহু বার ধরা পড়েন অদিতি ও সিদ্ধার্থ। জনসমক্ষে প্রেমের ইস্তেহার না দিলেও ক্যামেরা দেখে লুকিয়ে পড়েননি কখনোই। তবে বিয়েটা হঠাৎ এমন চুপিসারে সারলেন কেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা।
টাইটানিকে রোজকে বাঁচানো সেই দরজা নিলামে, দাম কত?
বিনোদন ডেস্ক : ১৯৯৭ সালে পরিচালক জেমস ক্যামেরন তৈরি করেছিলেন টাইটানিক সিনেমা। সেই সিনেমা নিয়ে মানুষের আগ্রহের যেন এখনো কমতি নেই। সিনেমার শেষের দিকে নায়ক রোজকে জাহাজের একটি ভাঙা দরজার ওপর রেখে নিজে বরফ শীতল পানিতে ভেসেছিলেন। সেই দরজা এবার উঠেছে নিলামে।
মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ৭ লাখ ১৮ হাজার ৭৫০ মার্কিন ডলারে বিক্রি হয়েছে দরজাটি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার মূল্য ৭ কোটি ৯০ লাখ টাকারও বেশি।
মূলত ১৯১২ সালে ডুবে যাওয়া টাইটানিক জাহাজের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত হয় টাইটানিক সিনেমা। আটলান্টিক সাগরে দুর্ঘটনায় তলিয়ে যাওয়া সেই টাইটানিকে দেড় হাজারের বেশি যাত্রী ও ক্রু প্রাণ হারিয়েছিলেন।
সিনেমায় কাল্পনিক চরিত্র রোজের ভূমিকায় অভিনয় করেন ব্রিটিশ অভিনেত্রী কেট উইনসলেট। আর ট্র্যাজেডির শিকার নায়ক জ্যাকের ভূমিকায় ছিলেন হলিউড অভিনেতা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও।


