Home Blog Page 595

‘ভারতের ভবিষ্যত ও নিরাপত্তা বাংলাদেশের সাথে জড়িত’

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ, মিয়ানমার বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা স্মিতা প্যান্ট মঙ্গলবার বলেছেন, ভারতের ভবিষ্যত, বিশেষ করে এর নিরাপত্তা বাংলাদেশের সাথে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত একসাথে অনেক কিছু অর্জন করতে পারে, বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং সুন্দরবনের বদ্বীপ সুরক্ষায়।

ভারতের সংবাদমাধ্যম টাইমস নাউ নিউজের খবরে বলা হয়েছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন স্মিতা প্যান্ট।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তবে অপরাধীরা তার মূল্যবোধকে নির্মূল করতে পারেনি। বঙ্গবন্ধু, ‘ইতিহাসে যার সমকক্ষ কম’, তার স্বপ্ন আজ বাস্তবায়িত হচ্ছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা বলেন, জনগণ চরমপন্থা প্রত্যাখ্যান করেছে, বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার পথে রয়েছে এবং দেশটি প্রায় অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় বেশি জাতিসঙ্ঘ শান্তিরক্ষী পাঠায়।

বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান আলোচনার শুরুতে বলেন, বঞ্চিত ও নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ে বঙ্গবন্ধুর সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে একটি মডেল। সাম্য, ন্যায়বিচার, মৌলিক মানবাধিকার এবং বিশেষত আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার উপলব্ধির জন্য লড়াই করার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি তার রাজনৈতিক দর্শন বিকাশ করেছিলেন।

বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে জাতিসঙ্ঘে তার প্রথম ভাষণে সবার জন্য শান্তি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বঙ্গবন্ধুকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সংগ্রামই শান্তি ও ন্যায়বিচারের জন্য সার্বজনীন সংগ্রামের প্রতীক।’

একই সুর প্রতিধ্বনিত হয়েছিল ১৯৭৩ সালে আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত ন্যাম সম্মেলনে, যেখানে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘যারা অত্যাচারী এবং যারা নির্যাতিত- তাদের মধ্যে পৃথিবী বিভক্ত…। যারা নিপীড়িত এবং যারা নিপীড়ন থেকে মুক্তির ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, আমরা তাদের পাশে আছি।’

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়, ‘ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে, কিন্তু তারা এই মহান ব্যক্তির নীতি ও আদর্শকে মুছে ফেলতে পারেনি। তার শিক্ষা, মতাদর্শ এবং চেতনা আমাদের হৃদয়ে গভীরভাবে গেঁথে আছে।’

হাইকমিশনার অনুসারে, দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণ একমত পোষণ করেন, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক পরিসংখ্যান এখন পাকিস্তান এবং কিছু পরিস্থিতিতে ভারতের চেয়ে ভালো।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুই একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ এবং ভারতের সাথে সুসম্পর্কের স্বপ্ন দেখেছিলেন।
সূত্র : ইউএনবি

আল্লামা সাঈদীর রাজনৈতিক জীবন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাসসিরে কুরআন ও সাবেক এমপি আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। সোমবার (১৪ আগস্ট) রাতে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন তিনি ইন্তেকাল করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তিনি ১৯৪০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।

আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন।। তিনি ১৯৮২ সালে জামায়াতের রুকন হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। ১৯৮৯ সালে তিনি জামায়াতের মজলিশে শূরা সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হন। আল্লামা সাঈদী ২০০৯ সাল থেকে আজ অবধি জামায়াতের নায়েবে আমীরের দায়িত্ব পালন করছেন।

সংসদ সদস্য
আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর ১ আসন থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে পরপর দুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তাকে পরিকল্পিতভাবে হারিয়ে দেয়া হয়। তিনি মাত্র ৬,৯৯৬ ভোটে পরাজিত হন।

২০০১ সালে তিনি ১,১০,১০৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী আওয়ামী লীগের প্রার্থী সুধাংশু শেখর হালদার ৭৬,৭৩১ ভোট পেয়েছিলেন। ১৯৯৬ সালে সারাদেশে জামায়াতে ইসলামীর মাত্র তিনজন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনে আল্লামা সাঈদী ৫৫,৭১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দী আওয়ামী লীগে প্রার্থী সুধাংশু শেখর হালদার পেয়েছিলেন ৫৫,৪৩৭ ভোট।

বাবর বিশ্বের সেরা ব্যাটার : কোহলি

পাকিস্তান অধিনায়ক ব্যাটার বাবর আজমের প্রশংসা করে ভারতের সাবেক দলনেতা বিরাট কোহলি বলেছেন, ‘সম্ভবত সব ফরম্যাটে বিশ্বের সেরা ব্যাটার বাবর।’

স্টার স্পোর্টসে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বাবরকে নিয়ে এমন কথা কোহলি।

দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব ক্রিকেটে অন্যতম সেরা তারকা বাবর। ক্রিকেটে তিন ফরম্যাটে ব্যাট হাতে সমানতালে দাপট দেখাচ্ছেন তিনি। বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে আছেন বাবর। টেস্টে চতুর্থ ও টি-টোয়েন্টিতে তৃতীয়স্থানে আছেন তিনি।

গত চার-পাঁচ বছর ধরে দুর্দান্ত ব্যাটিং পারফরমেন্সে বিশ্বজুড়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন বাবর। ২০১৯ সালে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে ম্যানচেস্টারের ম্যাচে বাবরের সাথে প্রথম দেখার হয় কোহলির। বাবরের সাথে কোহলির সাক্ষাৎ করিয়ে দিয়েছিলেন পাকিস্তানের অলরাউন্ডার ইমাদ ওয়াসিম। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ থেকে ইমাদের সাথে পরিচয় কোহলি। ওই স্মৃতি রোমন্থন করে কোহলি বলেন, ‘২০১৯ বিশ্বকাপে ম্যানচেস্টারের ম্যাচ শেষে তার (বাবর) সাথে আমার কথা হয়। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ থেকে আমি ইমাদকে (ওয়াসিম) চিনতাম। ইমাদ আমাকে এসে জানিয়েছিল যে আমার সাথে বাবর কথা বলতে চায়। আমরা বসলাম এবং খেলা নিয়ে আলোচনা করলাম। আমি প্রথম দিন থেকেই তার মধ্যে প্রতিপক্ষের প্রতি যথেষ্ঠ সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ দেখেছি এবং সেটা আজও পরিবর্তন হয়নি।’

বাবরকে বিশ্বের সেরা ব্যাটার হিসেবে অ্যাখায়িত দিয়ে কোহলি বলেন, ‘সব ফরম্যাট মিলিয়ে সে সম্ভবত বিশ্বের সেরা ব্যাটার। ধারাবাহিকভাবে সব ফরম্যাটেই পারফর্ম করে এবং আমি সবসময়ই তার খেলা উপভোগ করি।’

৮৮৬ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে বর্তমানে ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে আছেন বাবর। ৭০৫ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের নবমস্থানে আছেন কোহলি। আসন্ন এশিয়া কাপে একই গ্রুপ রয়েছে ভারত-পাকিস্তান। ২ সেপ্টেম্বর শ্রীলঙ্কার ক্যান্ডিতে লড়বে দু’দল। সুপার ফোরে উঠলে আবারো দেখা হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর। এছাড়াও আগামী ওয়ানডে বিশ্বকাপে ১৪ অক্টোবর আহমেদাবাদে দেখা হবে ভারত ও পাকিস্তানের।
সূত্র : বাসস

মমতাজের বিরুদ্ধে ভারতের আদালতে গ্রেফতারি পরোয়ানা

ঙ্গীতশিল্পী এবং ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের আদালত। প্রতারণাসহ বিশ্বাসভঙ্গ করার অভিযোগ উঠেছে মমতাজ বেগমের বিরুদ্ধে। টাকা নিয়েও অনুষ্ঠান যাননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

বুধবার (৯ আগস্ট) এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন বহরমপুর আদালতের মুখ্য বিচারক অলোকেশ দাস।

প্রায় ১৫ বছর আগে মমতাজের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। এ নিয়ে ওই মামলায় চতুর্থবারের জন্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হলো।

৯ আগস্ট আদালতে হাজির থাকার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছিল মমতাজকে। কিন্তু তিনি ওই দিন আদালতে হাজির না থাকায় এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

জানা গেছে, মমতাজের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালে মামলা করেন শক্তিশঙ্কর বাগচি নামের এক ইভেন্ট অর্গানাইজার। আগে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিয়মিত অংশ নিতেন মমতাজ। শক্তিশঙ্কর বাগচির অভিযোগ, ২০০৪ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার জন্য মমতাজের সাথে তার লিখিত চুক্তি হয়। চুক্তি অনুসারে ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে বহরমপুরের একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা ছিল মমতাজের।

ওই অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য মমতাজকে ১৪ লাখ টাকা দেয়া হয়। কিন্তু মমতাজ টাকা নিয়েও অনুষ্ঠানে যাননি। ওই টাকা ফেরত চাইলেও তা দিতে অস্বীকার করেন মমতাজ। এ জন্য হেনস্থার মুখে পড়তে হয় শিবশঙ্কর বাগচিকে। থানায় এ বিষয়ে অভিযোগ নিতে না চাইলে বাধ্য হয়ে বহরমপুর আদালতের যান তিনি।

আদালতে মমতাজের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণাসহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়। ওই মামলায় ২০০৯ সালে মমতাজের বিরুদ্ধে সমন জারি করে আদালত। সমন কার্যকর না করায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। তার মধ্যে ওই আদালত থেকে আগাম জামিন নেন মমতাজ। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টেও যান শিবশঙ্কর বাগচি।

জানা গেছে, মামলায় সহযোগিতা করার কথা বলেই তিনবার জামিন পান মমতাজ। কিন্তু চলতি বছরে হাজিরা আবারো এড়িয়ে যান তিনি। তারপরেই আবার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

শিবশঙ্কর দাবি করেন, নিজের নাম বদল করে আদালতকে মিথ্যা কথা বলছেন ওই গায়িকা।

বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে, মমতাজ এখন কানাডায় আছেন।
সূত্র : এই সময়

‘আমাকে ৬ মাসের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী করুন, রিজার্ভ ১০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যাবে’

পাকিস্তানের আলোচিত টিকটকার হারিম শাহ দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে নিজের একটি ছবি শেয়ার করেছেন তিনি। সেখানে এক ক্যাপশনে হারিম শাহ এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি দাবি করেছেন- তাকে যদি দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বানানো হয়, তাহলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি হবে।

এ প্রসঙ্গে ওই ক্যাপশনে তিনি লিখেন, ‘আমাকে যদি মাত্র ৬ মাসের জন্য পাকিস্তানের অন্তবর্তীকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বানানো হয়, তাহলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৮ বিলিয়ন ডলার থেকে বাড়িয়ে ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করব।’

উল্লেখ্য, সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ায় এরই মধ্যে পাকিস্তানের সংসদ ভেঙে দেয়া হয়েছে এবং আগামী নির্বাচনের জন্য আনোয়ারুল হক কাকারকে দেশটির অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী বানানো হয়েছে। আনোয়ারুল হক কাকারের আগামী ১৪ আগস্ট শপথ গ্রহণের কথা রয়েছে। এরপরই তিনি তিনি তার মন্ত্রিসভা গঠন করবেন।

সূত্র : জিও নিউজ

আপনারা নিশ্চিন্ত থাকুন, পরিবর্তন আসছে : মির্জা ফখরুল

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আপনারা নিশ্চিন্ত থাকুন, পরিবর্তন আসছে। জনগণের জয় হবে ইনশা আল্লাহ।

আজ রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক আলোচনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর ৫৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ ক্রীড়া উন্নয়ন পরিষদ। এ আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম।

মির্জা ফখরুল বলেন, আরাফাত রহমান কোকো একজন দুর্ভাগ্যবান মানুষ। তিনি স্বাধীনতা ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারকারী বেগম খালেদা জিয়া কনিষ্ঠ পুত্র। তিনি রাজনৈতিক কারণেই বেশি প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। যদি তাদের সন্তান না হতেন তবে তিনি হয়ত এমন নির্যাতনের শিকার হতেন না। হয়ত একটু কম হতেন।

তিনি বলেন, ম্যাডাম খালেদার জিয়ার চিকিৎসা এদেশে আর সম্ভব নয়। ডাক্তাররা এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন। তারা বলছেন, উনাকে দেশের বাইরে নেয়া দরকার তাড়াতাড়ি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশের যে একটা আত্মা থাকে, আওয়ামী লীগ সেটাও নষ্ট করেছে। আমি মনে করি দেশের যতগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি আছেন, কারো কোনো যোগ্যতা নেই। শুধু ক্রীড়া অঙ্গন নয়, দেশের সব নষ্ট করে ফেলেছে এরা।

তিনি বলেন, ‘যখন আন্দোলন উঠতে থাকে তখনই জঙ্গি নাটক করতে থাকে এই আওয়ামী লীগ। এখন জনগণের চোখকে অন্যদিকে প্রবাহিত করতে থাকবে। পশ্চিমা দেশগুলোকে বুঝাবে আমরা না থাকলে জঙ্গির উত্থান ঘটবে। কী নাটক! এই নাটক করে এরা দেশটাকে গিলে ফেলেছে।’

‘আজ এই রাষ্ট্র দখল হয়ে গেছে। কেউ নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তি মনে করে ধরে রেখেছে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের কাজই লুট, চুরি করা। এরা এটাতে সফলও হয়েছে। তবে একটা কথা ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। তাই নড়তে শুরু করেছে। এ দেশের মানুষ জেগে উঠেছে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আন্দোলনের জন্য।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার যদি ফিরে আসে তবে আওয়ামী লীগ ১০টি আসনও পাবে না। এটা আওয়ামী লীগ ভালো করে জানে।

তিনি বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে জনগণকে। আমরা অত্যন্ত আশাবাদী। অনেকে বলেন, আপনার মুখে হাসি দেখি কেন সব সময়? আমি পরিষ্কার দেখতে পারছি, ফ্যাসিস্ট পাথর জনগণের ঘাড় থেকে সরে যাচ্ছে। জনগণ মুক্তি পাচ্ছে একটি ভয়াল থাবা থেকে!

উগ্রবাদ ও সন্ত্রাস নির্মূলে আলেম-ওলামাদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ থেকে উগ্রবাদ ও সন্ত্রাস নির্মূলে সরকারকে সাহায্য করার জন্য সকলকে বিশেষ করে আলেম-ওলামাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা কুসংস্কার, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস নির্মূলে আপনাদের (আলেম-ওলামাদের) সহযোগিতা চাই।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার (১৩ আগস্ট) সকালে জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা-২০২৩-এর জাতীয় পর্যায়ের বিজয়ী হাফেজদের মাঝে পুরস্কার বিতরণকালে এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, ‘আমি আপনাদের সকলকে বিশেষ মনোযোগ দেয়ার জন্য অনুরোধ করছি যাতে আমাদের সন্তানরা বিপথে যেতে না পারে।’

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ দ্বীনি সেবা ফাউন্ডেশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

প্রধানমন্ত্রী আলেম-ওলামাদেরকে সকলের মাঝে ইসলামের প্রকৃত মর্মবাণী ছড়িয়ে দিতে বলেন, যাতে কেউ কাউকে উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদের পথে বিচ্যুত করতে না পারে এবং ইসলামের বদনাম করতে না পারে। কেননা ইসলাম পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম এবং সর্বদা শান্তির কথা বলে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা জঙ্গিবাদী সন্ত্রাসী, তারা সন্ত্রাসী। তারা কোনো ধর্ম, দেশ বা জাতি গোষ্ঠীর নয়। তাই সকলের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে, আমাদের ধর্মের মান-ইজ্জতটা রক্ষা করবেন। কেউ যেন এই বিপথে না যায়। সন্তানের নিয়মিত স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিতির বিষয়টা এবং কার সাথে মিশছে সে বিষয়টা আপনাদের লক্ষ্য রাখতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম ইসলাম, সেই ধর্মের সাথে মুষ্টিমেয় কয়েকজনের জন্য কেন সন্ত্রাসী নামটা যুক্ত হবে? সত্যিকারের যারা ধর্মে বিশ্বাসী তাদের জন্য এটা খুব কষ্টদায়ক। কাজেই আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্ত কুসংস্কার, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস নির্মূলের ক্ষেত্রে আমি আপনাদের সহযোগিতা চাই। আপনাদের দোয়া চাই এবং আমাদের ছেলে-মেয়েরা যেন বিপথে না যায় সেজন্য আপনাদের সহযোগিতা চাই।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নানা ধর্মের লোক এই বাংলাদেশে আছে এবং যার যার ধর্ম সে সে পালন করবে এটা আমাদের নবী করীম সা:-এর শিক্ষা, আমরা সেভাবেই চলবো। চূড়ান্ত বিচার বা শেষ বিচার করবেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন। কাজেই কে কোন ধর্মের, কে হিন্দু না মুসলমান না বৌদ্ধ না খ্রিস্টান না কাদিয়ানী তা দেখার দায়িত্ব আমাদের না। যার যার কর্মফল সে সে ভোগ করবে।’

বিচারের ভার নিজেদের হাতে তুলে না নিয়ে বরং আরো বেশি সংখ্যক মানুষ যেন ইসলামের ছায়াতলে আসে সেজন্য সকলের প্রচেষ্টা থাকা উচিত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘আলেম ও ওলামায়ে কেরাম যারা আছেন আপনাদের কাছে আমার এই অনুরোধ ইসলাম ধর্মের মর্মবাণী প্রচার করে আরো অধিক সংখ্যক মানুষ যেন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে পারে সেদিকে সকলের দৃষ্টি দিতে হবে। সন্ত্রাস করে ইসলাম সম্পর্কে বদনাম যেন কেউ না করতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘এই যে কোমলতি ছেলেদের মাথাগুলো খারাপ করে দিয়ে তাদের বিপথে চালানো, তাদের জীবনটাকে ধ্বংস করা, সুইসাইড অ্যাটাক করে মানুষ মারা- এটা তো ইসলাম ধর্মে মহাপাপ, গোনাহের কাজ। সুইসাইড করলে তো কেউ বেহেশতে যাবে না এটাই তো বলা আছে।’

কোমলমতি শিশু-কিশোরদের সন্ত্রাস-উগ্রবাদ থেকে দূরে রাখতে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সুইসাইড (আত্মহত্যা) করে মানুষ হত্যা করে কোন বেহেশতে যাচ্ছে তারা? এই বিপথ থেকে তাদের সরাতে হবে। এটা একটা ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে ইসলাম ধর্মের নামে বদনাম দেয়া হয়। এই বদনামের হাত থেকে ইসলামকে রক্ষা করতে হবে।’

‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই আজ এদেশের মানুষ দু’বেলা পেটভরে ভাত খেতে পারছে’ উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘আজকে সকলকে আমরা ঘর তৈরি করে দিচ্ছি, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে বিনা পয়সায় ৩০ প্রকার ওষুধ দিচ্ছি, মানুষকে শিক্ষা এবং কম্পিউটার শিক্ষার ব্যবস্থা করে দেয়ায় তারা দেশে-বিদেশে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে, কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছি যাতে ধর্মীয় শিক্ষার সাথে পার্থিব শিক্ষা নিয়ে সকলে নিজেরা নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে পারে এবং আর্থিকভাবে সমৃদ্ধ হতে পারে, সে ব্যবস্থাটাই আমরা করে দিচ্ছি।’

অনুষ্ঠানে বিজয়ী পাঁচজন হাফেজের হাতে পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট, নগদ অর্থের চেক এবং সনদ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

তারা হলেন- প্রথম হাফেজ আফফান বিন সিরাজ, দ্বিতীয় হাফেজ মো: ওসমান গণি, তৃতীয় হাফেজ মো: আবু জাফর শাকিল (দৃষ্টি প্রতিবন্ধী), চতুর্থ হাফেজ মো: খালিদ সাইফুল্লাহ এবং পঞ্চম হাফেজ মো: মোতাসিম বিল্লাহ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো: ফরিদুল হক খান, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দার, বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের মহাপরিচালক মাওলানা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। যার মধ্যে রয়েছেন সুফী মো: মিজানুর রহমান এবং হযরত মাওলানা সালাউদ্দিন নানোপুরী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব ও বাংলাদেশের দ্বীনি সেবা ফাউন্ডেশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক আবুল কালাম আজাদ।

সূত্র : বাসস

পিটার হাসের বাসায় আ’লীগ-বিএনপি-জাপা নেতাদের সাথে চা চক্রে দুই কংগ্রেসম্যান

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের বাসায় আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতাদের সাথে চা চক্রে মিলিত হয়েছেন বাংলাদেশ সফরে আসা মার্কিন কংগ্রেসের দুই সদস্য।

রোববার (১৩ আগস্ট) বিকেলে তারা একত্র হন।

জানা গেছে, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাসায় একটি ট্রেনিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে এই তিন দলের নেতারা অংশ নেন।

দুই কংগ্রেসম্যান হলেন এডওয়ার্ড কেইস ও রিচার্ড ম্যাকরমিক।

আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাসায় গেছেন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ওয়াশিকা আয়েশা খান ও তামান্না নুসরাত (বুবলী)। আর জাতীয় পার্টি থেকে অংশ নেন সংরক্ষিত সংসদ সদস্য শেরিফা কাদের, জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মেজর (অব.) রানা মোহাম্মদ সোহেল। অন্যদিকে বিএনপির পক্ষ থেকে অংশ নিয়েছেন দলটির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী।

শনিবার সকাল সাড়ে ৬টায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ের ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান এডওয়ার্ড কেইস তার স্ত্রীসহ ঢাকায় আসেন। পরে একই দিন দুপুরে রিপাবলিকান দলের জর্জিয়ার কংগ্রেসম্যান রিচার্ড ম্যাকরমিক এসে পৌঁছান ঢাকায়।

ওয়াশিংটন ডিসিতে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪8তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ওয়াশিংটন ডিসিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস শুক্রবার (১১ আগষ্ট) জুমার নামাজের পর ইসলামিক সেন্টারে দোয়া মাহফিল ও খাবার বিতরণ করা হয়।
এ উপলক্ষে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালো রাতে নিহত বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কুটনীতিকসহ বিপুল সংখ্যক মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।
মোনাজাতে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও অংশ নেন। পরে মিশনের পক্ষ থেকে মুসল্লিদের মাঝে খাবার পরিবেশন করা হয়।
১৫ আগস্ট জাতির পিতার ৪৮তম শাহাদাত বার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য বাংলাদেশ দূতাবাস বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এ উপলক্ষে বিভিন্ন বয়সী প্রবাসী বাংলাদেশি শিশুদের জন্য বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের উপর এক রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

বিপি।

যে কারণে মুসলিমরা বারবি মুভি বয়কট করছে

আমি ছোটবেলা থেকেই বারবিকে ভালোবাসতাম। তার পুতুল, শো ও গল্পগুলো বিনোদনের চেয়ে বেশি ছিল। সেগুলো আমার অনুপ্রেরণার উৎস ছিল। আমাকে আত্মবিশ্বাস, সৃজনশীলতা ও উদারতা শিখিয়েছিল।

যাইহোক, বার্বির প্রতি আমার ভালবাসা এবং পুতুলের এই বিশেষ শৈশব স্মৃতি থাকা সত্ত্বেও আমি এই সিনেমাটি না দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই সিদ্ধান্তে আমি একা নই। বিশ্বের অনেক মুসলমান বিভিন্ন কারণে সিনেমাটি বয়কট করছে। এখানে ওই কারণগুলো তুলে ধরছি।

ফিল্মে বার্বিকে একজন কট্টর নারীবাদী হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে। এটি প্রচলিত লিঙ্গ ভূমিকাকে চ্যালেঞ্জ করে। তা আমার জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়। যদিও আমি নারীর স্বায়ত্তশাসনকে সম্মান করি, একজন মুসলিম হিসেবে আমার বিশ্বাস পুরুষ ও মহিলাদের জন্য অর্পিত দায়িত্ব ভিন্ন ভিন্ন। এটি নারীবাদী নীতির সাথে সাংঘর্ষিক। আমি বিশ্বাস করি যে ইসলামের শিক্ষাগুলো লিঙ্গের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখে, যা নারীবাদ বিবেচনা করে না।

মুভির একটি উল্লেখযোগ্য দৃশ্যে দেখা যাচ্ছে, বার্বি চীন সফর করছেন। দক্ষিণ চীন সাগরে বিতর্কিত নাইন-ড্যাশ লাইন দেখানো একটি মানচিত্র জুড়ে আসছেন। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও ব্রুনাইসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতার এই লাইনটি আমার জন্য পতাকা তুলেছে। এটি চীনা আঞ্চলিক দাবির সমর্থন বলে মনে হচ্ছে, যা উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। আমি এই অন্তর্ভুক্তিকে সম্প্রসারণবাদী নীতি ও আঞ্চলিক বিরোধগুলোর একটি সূক্ষ্ম প্রচার হিসেবে দেখি, যা আমি সমর্থন করি না।

বার্বিকে একটি ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র হিসেবে চিত্রিত করা বিশ্বজুড়ে তার লাখ লাখ মুসলিম ভক্তদের উপেক্ষা করার নামান্তর। একজন মুসলিম হিসেবে আমি বিশ্বাস করি যে বিশ্বব্যাপী চরিত্রগুলো তাদের বিশ্বাস ও মূল্যবোধসহ তাদের দর্শকদের বৈচিত্র্যকেও প্রতিফলিত করবে। ধর্মীয় প্রতিনিধিত্বের অনুপস্থিতিকে আমার কাছে মনে হয়, বার্বির ফ্যান বেস তৈরি করে এমন সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক টেপেস্ট্রি স্বীকার করার একটি সুযোগের হাতছাড়া।

ফিল্মের দৃশ্যে বার্বির পোশাক প্রকাশ করা, কেনের সাথে রোমান্টিক মিথস্ক্রিয়া, অ্যালকোহল সেবন ও নাইটক্লাবের নাচ নৈতিক সমস্যাগুলো উত্থাপন করে। এই দৃষ্টান্তগুলো বিনয়, বিশুদ্ধতা ও সম্মানের নীতিগুলো লঙ্ঘন করে। তদুপরি আমি উদ্বিগ্ন যে এই দৃশ্যগুলো অসাবধানতাবশত তরুণ মুসলিম মেয়েদেরকে আমাদের মূল্যবোধের পরিপন্থী আচরণ গ্রহণ করতে প্রভাবিত করতে পারে।

মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে মতামত ভিন্ন হলেও, আমার নতুন বার্বি মুভিটি এড়িয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত দৃঢ় রয়েছে। এটা আমার বিশ্বাসের প্রতি আমার অঙ্গীকার। একজন মুসলিম নারী হিসেবে আমার পরিচয়ের উপর ভিত্তি করে।

ফিল্মের নারীবাদের চিত্রায়ন, ধর্মীয় প্রতিনিধিত্বের অভাব ও নৈতিক বিষয়বস্তু সবই আমার সিদ্ধান্তের কারণ। আমি বুঝি যে বিনোদন বিষয়ভিত্তিক। কিন্তু আমার জন্য সিনেমাটি মূল নীতিগুলোর বিরুদ্ধে যায়, যা আমার জীবন পরিচালনা করে।

বার্বি এক সময় আমার জন্য ক্ষমতায়নের প্রতীক ছিল। এখন তার নতুন চিত্রায়ন আমার মূল্যবোধের সাথে সাংঘর্ষিক, যা আমাকে এই সিনেমা থেকে বিমুখ হতে বাধ্য করেছে।

সূত্র : ইসলামিক ইনফরমেশন