Home Blog Page 606

কেজরিওয়াল ইস্যুতে এবার জড়াল জাতিসংঘ

জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের গ্রেফতারের বিষয়ে কথা বলেছেন জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র।
বৃহস্পতিবার রাতে জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল অ্যান্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিকও জানান, তাদের আশা, ভোটের সময় অন্য দেশের মতো ভারতেও রাজনৈতিক ও নাগরিক সমাজের প্রত্যেকের অধিকার রক্ষিত হবে, যাতে সবাই সুষ্ঠুভাবে, মুক্ত মনে ভোট দিতে পারেন।
ভারতের লোকসভা নির্বাচন আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। এরই মধ্যে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল গ্রেফতার হয়েছেন। ভারতেও চলছে নির্বাচন নিয়ে নানা সমালোচনা।
কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার এবং তাকে হেফাজতে রাখা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে যে প্রতিক্রিয়া দেখা দিচ্ছে, ভারতকে তা বিব্রত করলেও কূটনৈতিক পর্যায়ে তার জবাব দেওয়া হচ্ছে।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দিল্লিতে নিযুক্ত জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের শীর্ষ কূটনীতিকদের ডেকে এ ধরনের মন্তব্যে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে। কিন্তু তা সত্তে¡ও যুক্তরাষ্ট্র থেমে থাকেনি। দ্বিতীয়বারও তারা এ বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে, মন্তব্য করেছে। তাদের সঙ্গে এবার যুক্ত হলো জাতিসংঘও।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন ভারতের জাতীয় নির্বাচনের ঠিক আগে, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেফতার এবং বিরোধী কংগ্রেস পার্টির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা নিয়ে দেশটির রাজনৈতিক অস্থিরতা আপনি কীভাবে উপলব্ধি করেন?
মানবাধিকার সংস্থাগুলো পরিস্থিতিটিকে বিরোধীদের বিরুদ্ধে ক্র্যাকডাউন হিসাবে বর্ণনা করছেন। এর ফলে জাতীয় নির্বাচনের আগে একটি সংকট পর্যায়ে পৌঁছেছে। এ বিষয়ে আপনি কি মনে করেন।
জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, আমরা খুব আশাবাদী যে ভারত নির্বাচনে রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকারসহ সবার অধিকার সুরক্ষিত থাকবে এবং ভোটাররা অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট দিতে সক্ষম হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র প্রশ্নটির উত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যেতে পারতেন। এটা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে মন্তব্য করতে পারতেন। এ বিষয়ে কোনো বিদেশি মন্তব্য ভারতের কাছে ‘অনভিপ্রেত ও অবাঞ্ছিত’, তা জেনে প্রশ্নটি তিনি অগ্রাহ্য করতে পারতেন।
কিন্তু তা না করে তিনি মুক্ত মনে ভোট দেওয়া এবং রাজনৈতিক ও নাগরিক সমাজের অধিকার রক্ষিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ভারতের পক্ষে অবশ্যই তা বিব্রতকর।
এর আগে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের গ্রেফতারি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মন্তব্যে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ভারত। এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানাতে ভারতে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কূটনীতিককে তলব করেছে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এনডিটিভি জানিয়েছে, বুধবার বিকালে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন মিশনের ভারপ্রাপ্ত উপপ্রধান গেøারিয়া বারবেনাকে তলব করেছিল ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ সময় মন্ত্রণালয়ের দিল্লি কার্যালয়ে দুপক্ষের মধ্যে প্রায় ৪০ মিনিট বৈঠক হয়।
এর আগে গত মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেছিলেন তারা কেজরিওয়ালের গ্রেফতারির প্রতিবেদনগুলো পর্যবেক্ষণ করছেন এবং কারাবন্দি আম আদমি পার্টির নেতার জন্য ‘একটি ন্যায্য ও সময়োপযোগী আইনি প্রক্রিয়া’ নিশ্চিত করতে নয়াদিল্লির প্রতি আহŸান জানাচ্ছেন।
এর পরই দিল্লিতে নিযুক্ত মার্কিন কূটনীতিককে তলব করে পাঠানো হয়েছিল ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে। এবার সেই তলবের পর ফের একবার মুখ খুলল ওয়াশিংটন।
কেজরিকাণ্ডে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বুধবার বলেন, এই গোটা ইস্যুর ওপর নজর রেখে চলেছে আমেরিকা। এদিকে তিনি এও বুঝিয়ে দেন, দিল্লিতে নিযুক্ত মার্কিন ডেপুটি রাষ্ট্রদূতকে তলবের বিষয়টিও তাদের নজরে আছে।

২৪ বছর পর আঁখি-ইমনের পুনর্মিলন

জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আঁখি আলমগীরের সঙ্গে সঙ্গীত পরিচালক শওকত আলী ইমনের বন্ধুত্ব প্রায় ত্রিশ বছরের। ইমনের সুরে বহু গানে কণ্ঠ দিয়েছেন আঁখি। কালজয়ী সেই গানগুলো এখনও শ্রোতাদের ঠোঁটে ঠোঁটে।
আঁখির ‘জল পড়ে পাতা নড়ে’, ‘বাবুজি’, ‘শ্যাম পিরিতি’ থেকে সর্বশেষ ‘রাজকুমারী’; এমন অনেক গান প্রাণ পেয়েছে ইমনের সুরে। সংগীতাঙ্গনে এমন মজবুত জুটি সচরাচর আর মেলে না।
তবে গত ২৪ বছর সরাসরি একসঙ্গে কাজ করেন না আঁখি-ইমন। সূত্র বলছে, এই দুজন নিয়মিত একসঙ্গে গান করলেও সহশিল্পী হিসেবে ‘এই চোখে চোখ রাখো’ নামের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন ২৪ বছর আগে। সেটি ছিল ২০০০ সালে মুক্তি পাওয়া এনায়েত করিমের ‘বস্তির শাহেনশাহ’ সিনেমায়। গানটি লিখেছিলেন দুই বিখ্যাত গীতিকবি মনিরুজ্জামান মনির ও কবির বকুল।
এরপর দুজনে মিলে একসঙ্গে সিনেমা, নাটক, অডিও, ভিডিওতে অনেক গান করলেও সেসবে নিজেদের পরিচয়টা রেখেছেন আলাদা- সংগীত পরিচালক ও কণ্ঠশিল্পী। দুটি পরিচয়ে নিজ নিজ গুণের জন্য পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কারও।
টানা ২৪ বছরের বিরতি ভেঙে আবারও তারা এক হলেন, একই গানে; কণ্ঠে। ঈদ উৎসবে নতুন রঙ ছড়াতে দুজনে গাইলেন নতুন গান ‘কফির পেয়ালা’।
তাদের এক করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় অডিও ভিডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ধ্রুব মিউজিক স্টেশন (ডিএমএস)। গানের শিরোনাম ‘কফির পেয়ালা’। এটি লিখেছেন আশিক মাহমুদ, সুর করেছেন আকাশ মাহমুদ, সংগীতায়োজন করেছেন শওকত আলী ইমন। গানটিতে আঁখির সঙ্গে কণ্ঠও দিয়েছেন ইমন। এরই মধ্যে মিউজিক ভিডিও নির্মাণের কাজও শেষ।
এ গান প্রসঙ্গে আঁখি আলমগীর বলেন, ‘বেশ কিছুদিন আগের কথা। ইমন হঠাৎ আমাকে একটি গান পাঠায় এবং প্রশ্ন রাখে-গানটা গাইবি? আমি গানটি শুনে এত মুগ্ধ হয়েছি যা সত্যিই বলার মতো নয়। এত সুন্দর টিউন, এত মেলোডিয়াস, এত রোমান্টিক গান-যা আমার ভীষণ ভালোলেগে যায়। সঙ্গে সঙ্গে বলে দেই, গানটি আমি গাইব। কদিন পর ভয়েজ দিলাম। তৈরি হলো ভিডিও। দর্শক ভিডিওটি দেখলেই বুঝতে পারবেন এর নির্মাতা সিথিল কতটা দুর্দান্ত কাজ করেছে। সবকিছু মিলিয়ে দারুণ একটি কাজ হয়েছে।’ শওকত আলী ইমন বলেন, ‘আমার কাছে শুরুতেই মনে হয়েছিল এ গানের জন্য আঁখিই পারফেক্ট। যে কারণে গানটি তাকেই পাঠিয়েছিলাম। চূড়ান্তভাবে আমরা গানটি গেয়েছি। এ গানের প্রতি আমার প্রত্যাশা একটু নয়, অনেকখানি বেশি। কারণ সব মিলিয়ে গানটা খুব ভালো হয়েছে। তাই এ গানের প্রতি আবেগ, ভালোবাসা, ভালোলাগা এবং গানকে ঘিরে প্রত্যাশা বেড়ে গেছে।’
ধ্রুব মিউজিক স্টেশন জানায়, আগামী ৩১ মার্চ তাদের ইউটিউব চ্যানেলে অবমুক্ত করা হবে ‘কফির পেয়ালা’ গানটির ভিডিও। পাশাপাশি গানটি শুনতে পাওয়া যাবে দেশি ও আন্তর্জাতিক একাধিক অ্যাপে।

জাকাত দারিদ্র্য বিমোচনের প্রধান মাধ্যম

ইসলামের অন্যতম ফরজ ইবাদত জাকাত। সমাজের অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে জাকাতের বিকল্প নেই। ধনীদের উদ্বৃত্ত সম্পদ থেকে অভাবীদের জন্য একটি অংশ আল্লাহতায়ালাই নির্ধারণ করে দিয়েছেন। তবে অপরিকল্পিতভাবে জাকাত দেওয়ার কারণে বাংলাদেশে এখনো জাকাতের প্রকৃত সুফল মিলছে না।
জাকাতের মাহাত্ম্য সম্পর্কে
ইসলাম ধর্ম যে পাঁচটি খুঁটির ওপর দাঁড়িয়ে আছে তার তৃতীয়টি হলো জাকাত। নামাজের পরই কুরআনে জাকাতের কথা বলেছেন আল্লাহতায়ালা। এ ক্রমবিন্যাসের একটি তাৎপর্য এ রকম হতে পারে-ইমানদার নামাজি ব্যক্তির অলস বসে থাকার সুযোগ নেই। আগামী এক বছরে সে নিজে স্বাবলম্বী হবে এবং সমাজের দুস্থ-অসহায় মানুষকে স্বাবলম্বী করার ব্রত গ্রহণ করবে। সংক্ষেপে এই হলো জাকাতের মর্মকথা। মুজামুল ওয়াসিত প্রণেতার মতে, জাকাত শব্দের অর্থ ক্রমশ বাড়তে থাকা ও পরিমাণে বেশি হওয়া, প্রবৃদ্ধি লাভ করা, পরিচ্ছন্ন হওয়া, পবিত্র ও শুদ্ধ হওয়া। বিখ্যাত আরবি অভিধান লিসানুল আরবের লেখক বলেন, ‘জাকাত অর্থ পবিত্রতা, ক্রমবৃদ্ধি, আধিক্য ও প্রশংসা। এ চারটি অর্থেই কুরআন ও হাদিসে জাকাত শব্দের ব্যবহার পাওয়া যায়।’ জাকাত শব্দের ভেতর দুটি অর্থ পাওয়া যায়। একটি হচ্ছে, অনবরত বাড়তে থাকা। আরেকটি হচ্ছে শুদ্ধ ও পবিত্র হওয়া। আরবি ভাষা বিজ্ঞানীরা বলছেন, যে জিনিস ক্রমশ বাড়তে থাকে সে জিনিস অবশ্যই শুদ্ধ ও পবিত্র হবে এতে কোনো সন্দেহ নেই। জাকাতের এত অর্থ থাকা সত্তে¡ও শরিয়তের দৃষ্টিতে শব্দটি ধন-সম্পদে আল্লাহ কর্তৃক নির্দিষ্ট ফরজ অংশ বোঝানোর জন্য ব্যবহার হয়েছে। আর হকদারকে সে সম্পদ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে জাকাত বলা হয়। ইমান নববি (রহ.) বলেন, ‘ধন-সম্পদ থেকে আল্লাহর নির্ধারিত সম্পদ বের করে দেওয়াকে জাকাত বলার কারণ হলো-এর বিনিময়ে সম্পদ ক্রমশ বাড়তে থাকে আর জাকাতদাতা অনেক বিপদ আপদ থেকে পবিত্র থাকে।’
জাকাত কীভাবে মানুষকে পরিশুদ্ধ করে
জাকাত মানুষকে দুই ধরনের বিপদ থেকে সুরক্ষা দেয়। প্রথমত আখেরাতের জবাবদিহি থেকে। দ্বিতীয়ত দুনিয়ার বালামুসিবত থেকে। এ কারণেই জাকাতের দ্বিতীয় অর্থ হলো পবিত্রতা বা শুদ্ধতা। অন্য একজন ইসলামিক স্কলার লিখেছেন, ‘জাকাতের মাধ্যমে ব্যক্তি দুই ধরনের পবিত্রতা অর্জন করে। প্রথমত সে তার সম্পদ পবিত্র করে। দ্বিতীয়ত তার মন-মনন কৃপণতা, স্বার্থপরতা, হিংসা বিদ্বেষ মুক্ত হয়ে যায়।’ বিষয়টি ইমাম ইবনে তাইমিয়া আরও চমৎকার করে বলেছেন-‘জাকাত দেওয়ার ফলে দাতার মন-আত্মা নির্মল-পবিত্র হওয়ার কারণে তার ধন-সম্পদে আল্লাহ বরকত দেন এবং তা দিন দিন বাড়তে থাকে।’ কারজাভি বলেন, ‘এই বৃদ্ধি কেবল ধন-সম্পদে নয়, ব্যক্তির মন-মানসিকতা, ধ্যান-ধারণায়ও প্রভাবিত হয়। ফলে জাকাতদাতা দিন দিন উন্নত রুচিবোধ সম্পন্ন মানুষ হয়ে ওঠেন।’)
দারিদ্র্যমুক্ত অর্থনীতি গড়তে জাকাতের ভূমিকা
জাকাতের মাধ্যমে ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখা হয়। ইসলামে সম্পদ বণ্টন ব্যবস্থায় ধনীরা তাদের সম্পদের কিছু অংশ জাকাত দিলে গরিবদের সম্পদ কিছুটা বেড়ে যায় এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর হয়। জাকাতভিত্তিক অর্থ ব্যবস্থা মহানবি (সা.)-এর আদর্শ মদিনা রাষ্ট্র, খোলাফায়ে রাশেদিনের শাসনামলে অর্থনৈতিক বৈষম্য ও দারিদ্র্য বিমোচন করে মুসলিম উম্মাহকে সমকালীন বিশ্বে একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত জাতিতে পরিণত করেছিল। রাসূলুল্লাহ (সা.) সব সময় আল্লাহর কাছে দারিদ্র্য থেকে মুক্তির প্রার্থনা করতেন এবং বরকতের জন্য দোয়া করতেন।
জাকাতের মাধ্যমে ইসলাম সমাজকে দারিদ্র্য থেকে উদ্ধার করতে চায়। কিন্তু দেশে যেভাবে জাকাত আদায় ও বণ্টন করা হয়, এতে জাকাতগ্রহীতা স্থায়ীভাবে পুনর্বাসনের উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের পেশা বা কার্যক্রম গ্রহণ করতে পারে না। দেশের আদায়যোগ্য জাকাতের পরিমাণ এক হাজার কোটি টাকারও বেশি হতে পারে; যা দিয়ে প্রতি বছর পাঁচ লাখ লোকের পুনর্বাসন সম্ভব। পরিকল্পিতভাবে কাজ করলে এভাবে ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে সম্পূর্ণরূপে দেশের দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব। তাই সমবেত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সুপরিকল্পিতভাবে ইসলামের বিধান অনুযায়ী জাকাত আদায় ও তার যথাযথ বণ্টন করা প্রয়োজন। সা¤প্রতিক সময়ে আমাদের দেশে বিভিন্ন দুর্ঘটনার কারণে অনেক স্বাবলম্বী মানুষও পথে বসে যায়।
ব্যক্তি উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারি উদ্যোগেও জাকাত সংগ্রহ করে এমন মানুষদের পুনর্বাসনের জন্য ব্যয় করা যেতে পারে। এর ফলে অল্প সময়েই তারা আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন। একজন মানুষ অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানো মানে জাতীয় অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি অর্জন করা। তাই ইসলাম বলে, অন্য ভাইকে সহযোগিতা করা আসলে নিজেকেই সহযোগিতা করার সমান। বিষয়টি বোঝার তাওফিক আল্লাহ আমাদের দিন।

ইসলামি শরিয়ত মতে কার কার ওপর জাকাত ফরজ?
জাকাতের নেসাব হলো সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ বা সাড়ে বায়ান্ন ভরি রুপা বা সমমূল্যের নগদ অর্থ, বন্ড, সঞ্চয়পত্র, শেয়ার, ব্যাংকে জমাকৃত যে কোনো ধরনের টাকা, ফিক্সড ডিপোজিট হলে মূল জমা টাকা অথবা সমমূল্যের ব্যবসার পণ্য থাকলে জাকাত আদায় করতে হবে। স্বাধীন, প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ ও বুদ্ধিসম্পন্ন মুসলিম নর-নারী যার কাছে ঋণ, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও প্রয়োজনীয় খাদ্যবস্ত্রের অতিরিক্ত সোনা, রুপা, নগদ টাকা, প্রাইজবন্ড, সঞ্চয়পত্র, ডিপিএস, শেয়ার ও ব্যবসায়িক সম্পত্তির কোনো একটি বা সবকটি রয়েছে, যার সমষ্টির মূল্য উল্লিখিত নেসাব পরিমাণ হয়, তিনিই সম্পদশালী। এ পরিমাণ সম্পদ এক বছর স্থায়ী হলে বা বছরের শুরু ও শেষে থাকলে বছর শেষে জাকাত দিতে হবে।
কাকে জাকাত দিতে হবে?
পবিত্র কুরআনের সূরা তাওবার ৬০ নম্বর আয়াতে জাকাতের খাত হিসাবে আট শ্রেণির লোকের কথা বলা হয়েছে। যথা : ফকির-যার মালিকানায় জাকাতের নেসাব পরিমাণ সম্পদ নেই, যদিও সে কর্মক্ষম বা কর্মরত হয়। মিসকিন-যার মালিকানায় কোনো ধরনের সম্পদই নেই। আমিল বা জাকাত উসুলকারী-ইসলামি রাষ্ট্রের বায়তুল মাল কর্তৃক জাকাত সংগ্রহে নিয়োজিত কর্মকর্তা। নওমুসলিমদের পুনর্বাসনের জন্য জাকাত দেওয়া যায়। ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি যার এ পরিমাণ ঋণ রয়েছে যে, ঋণ আদায় করার পর তার কাছে নেসাব পরিমাণ সম্পদ অবশিষ্ট থাকে না।
আল্লাহর রাস্তায় থাকা ব্যক্তি। যেসব মুসলমান যুদ্ধে, জ্ঞানার্জনে কিংবা হজের পথে রয়েছেন এবং তাদের কাছে প্রয়োজনীয় অর্থ সম্পদ নেই। মুসাফির-কোনো ব্যক্তি নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়া সত্তে¡ও কোথাও সফরে এসে সম্পদশূন্য হয়ে পড়লে, সে বাড়িতে পৌঁছাতে পারে-এমন পরিমাণ জাকাত প্রদান করা যাবে। এ আট খাতের সব খাতে অথবা যে কোনো একটি খাতে জাকাত প্রদান করলে জাকাত আদায় হয়ে যাবে।
কাকে জাকাত দেওয়া যাবে না?
নির্ধারিত আটটি খাতের বাইরে অন্য কোনো খাতে জাকাত দেওয়া যাবে না। কেউ যদি দিয়েও ফেলে তবুও জাকাত আদায় হবে না। নিকটাত্মীয়দের জাকাত দেওয়া উত্তম। তবে সন্তান বা তার অধস্তনকে, মা-বাবা বা তাদের ঊর্ধ্বতনকে এবং স্বামী-স্ত্রীকে জাকাত দেওয়া যায় না। মহানবি (সা.)-এর বংশের কাউকে জাকাত দেওয়া যায় না। জাকাত আদায়ের ক্ষেত্রে টাকা বা সম্পদের পূর্ণ মালিকানা জাকাত গ্রহীতাকে দিতে হবে। তাই যেসব ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তিমালিকানা হয় না, যেমন-মসজিদ, রাস্তাঘাট, মাদ্রাসার স্থাপনা, কবরস্থান, এতিমখানার বিল্ডিং-এসব তৈরির কাজে জাকাতের টাকা ব্যয় করা যাবে না। আমরা সব সময় বলি, জাকাতের মাধ্যমে ব্যক্তিকে স্বাবলম্বী করে দিন। যেন কয়েক বছর পর সে আর অভাবী না থাকে। বরং সে নিজে জাকাতদাতা হয়ে যায়। এভাবে জাকাত দিলে জাকাতের সুফল দ্রত দৃশ্যমান হবে।

‘যখন সময় হবে সরে দাঁড়াব’ : মেসি

‘একজন ফুটবলার হিসাবে আমি সত্যি ভাগ্যবান। আমার সব স্বপ্ন সত্যি হয়েছে। আর কিছু চাওয়ার নেই আমার। এটাই সত্য।’ বক্তা লিওনেল মেসি। স¤প্রতি বিগ টাইম পদকাস্টের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনায় মেসির কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, এমন কোনো স্বপ্ন কী আছে তার, যা এখনও পূরণ হয়নি? তারই উত্তরে উপরের কথাগুলো বলেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক।
মেসি বলেন, ‘ঈশ্বরকে ধন্যবাদ। তিনি আমাকে এতকিছু দিয়েছেন। খেলোয়াড় ও মানুষ হিসাবে অনেক কিছু পেয়েছি আমি। আমার পরিবার ও বন্ধুবান্ধবরাও আমাকে আনন্দে ভরিয়ে দিয়েছে। ঈশ্বর আমাকে যা দিয়েছেন, অনেক দিয়েছেন। আমি তার দেওয়া সবকিছু উপভোগ করি।’ আর কতদিন খেলবেন? তার উত্তর, ‘যখন মনে হবে আমি আর পারফর্ম করতে পারছি না, উপভোগ করছি না খেলাটা, সতীর্থদের সহায়তা করতে পারছি না, তখন বয়সের কথা চিন্তা না করে সরে দাঁড়াব।’ তবে অবসর নেওয়ার ভাবনা এই মুহূর্তে তার মাথায় নেই, জানিয়ে দিলেন ইন্টার মিয়ামির এই ফরোয়ার্ড। ‘এখনো এ নিয়ে ভাবিনি। ছবিটা আমার কাছে পরিষ্কার নয়। আরও কিছুদিন খেলা চালিয়ে যেতে চাই। আশা করি, পারব। যখন সময় আসবে, তখন সরে দাঁড়াব। নতুন কিছু খুঁজে নেব।’

আইপিএল নিয়ে অদ্ভুদ অভিযোগ তুললেন অশ্বিন

জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) সপ্তদশ আসরের খেলা চলছে। এই আসরেও রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে মাঠ কাঁপাচ্ছেন অলরাউন্ডার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। প্রায় প্রতিটি আসরেই খেলেছেন এ ক্রিকেটার। তিনি এবার আইপিএলের বিরুদ্ধে ব্যতিক্রমী এক অভিযোগ তুলেছেন।
নির্দিষ্ট দলের প্রচারের বাইরেও যেখানে স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের পেছনে অনেক সময় ব্যয় হয় ক্রিকেটারদের। সব কিছুর মাঝে ক্রিকেটটা গৌণ হয়ে পড়ে বলে মন্তব্য অশ্বিনের।
স¤প্রতি ‘ক্লাব প্রেইরি ফায়ার’ নামে এক পডকাস্ট অনুষ্ঠানে ভারতীয় এই তারকা বলেন, ‘আমি যখন প্রথম আইপিএল খেলতে এসেছিলাম, ভেবেছিলাম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের কাছে অনেক কিছু শিখতে পারব। আমি তখনো জানতাম না আইপিএল ১০ বছর পরে কোথায় যাবে, এত বছর ধরে খেলছি। আইপিএল বিশাল বড় প্রতিযোগিতা। ক্রিকেটের পাশাপাশি এখানে আরও অনেক কিছু আছে।’
এই ক্রিকেটার বলেন, ‘মাঝেমধ্যে আমি ভাবি, আইপিএল কি আদৌ কোনো ক্রিকেট? কারণ এখানে (আইপিএল চলাকালে) স্পোর্টসটা থাকে ব্যাকস্টেজ হিসেবে, অর্থাৎ ক্রিকেটকে সবার শেষে রাখা হয়। এটি বিশাল আয়োজন। এমনও সময় গেছে যখন আমরা বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ের মাঝে অনুশীলন করেছি। মাঠে অনুশীলনের সময়ই পাইনি।’
অশ্বিন বলেন, ‘আইপিএলের যে ধরনের উন্নতি হয়েছে, তা কেউ কল্পনা করেনি। আমার এখনো মনে আছে, স্কট স্টাইরিসের (নিউজিল্যান্ডের সাবেক অলরাউন্ডার) সঙ্গে আমার একবার কথা হচ্ছিল, তখন আমরা দুজনই চেন্নাই সুপার কিংসে ছিলাম। সে আমাকে বলেছিল, আইপিএলের শুরুর দিকে ডেকান চার্জার্সের হয়ে খেলার সময় সে ভাবেওনি যে আইপিএল দুই-তিন বছরের বেশি চলবে। প্রথম দিকে প্রচুর অর্থের প্রবাহ ছিল।’
আইপিএলের জনপ্রিয়তার পেছনে বড় অঙ্কের অর্থও বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।
আইপিএলের বেশ কিছু ইতিবাচক দিকও উল্লেখ করেছেন অশ্বিন, ‘বছরের পর পর আইপিএলের নিলাম বিশাল আকার ধারণ করছে। আমি মনে করি পুরো টুর্নামেন্টের জন্য নিলাম গুরুত্বপূর্ণ দিক। তবে আইপিএলের সৌন্দর্য হচ্ছেÑ এখানে প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজির তার দলের স্বত্ব রয়েছে। এখানে বিড়ালের চামড়া তোলার (রূপক অর্থে) একাধিক উপায় আছে। কোনো ক্রিকেটার দলের চেয়ে বড় নয়, কোনো স্লটে একজনই কেবল প্রাধান্য পায় না। এ ক্ষেত্রে দলগুলো খুব ভেবেচিন্তে অর্থ খরচ করে।’

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৪ উদযাপন

নিউইয়র্ক:আজ যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের সাথে নিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৪ উদযাপন করা হয়। মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনের বর্নিল এই আয়োজন, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে। বঙ্গবন্ধু মিলনায়তন পরিণত হয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের মিলন মেলায়।

nyc 2

অনুষ্ঠানে প্রদত্ত বক্তব্যের শুরুতে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের শহীদ সকল সদস্য, মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখশহীদ, ২ লক্ষ মা-বোনসহ সকল বীরমুক্তিযোদ্ধাদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। রাষ্ট্রদূত মুহিত জাতির পিতার নেতৃত্বে দীর্ঘ তেইশ বছরের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। এ সময় তিনি জাতির পিতার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও কূটনৈতিক প্রজ্ঞার বিষয়ে আলোকপাত করেন। 

nyc 5

এছাড়াও তিনি জাতিসংঘের বহুপাক্ষিক কূটনীতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব অগ্রগতি ও অসামান্য সাফল্য গাঁথা তুলে ধরেন। রাষ্ট্রদূত মুহিত বলেন, বাংলাদেশ আজ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বিশ্বস্তনাম। আজ বিশ্বশান্তিরক্ষা, জলবায়ুপরিবর্তন, টেকসই উন্নয়নলক্ষ্য, বিশ্বস্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন সহবিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব স্থানীয় ভূমিকা পালন করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “স্মার্ট বাংলাদেশ” বিনির্মানে জাতিসংঘ স্থায়ী মিশন বহু পাক্ষিক ফোরামে কাজ করে যাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয় এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের পবিত্র আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। এছাড়া বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয় ও মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৪ ঊপলক্ষ্যে কেক কাটা হয়।

যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের সম্মানে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন প্রবাসী বীরমুক্তিযোদ্ধা, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সভাপতি সহ আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ ও আওয়ামীলীগের সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টে কর্মরত বাংলাদেশী আমেরিকান পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ, কবি, শিল্পী, সাংবাদিক, সাহিত্যিক সহ বরেণ্য প্রবাসী বাংলাদেশী গণ। প্রবাসী বাংলাদেশীদের সংবর্ধনার আগে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এ সময় দিবসটি উপলক্ষ্যে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, ও পররাষ্ট্র মন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।

nyc 1

উল্লেখ্য প্রবাসীদের নিয়ে এই আয়োজনের পূর্বে গত ২৬ মার্চ, জাতিসংঘে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের স্থায়ী প্রতিনিধি, ও জাতিসংঘ সদরদপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ প্রায় দেড়শতাধিক কূটনীতিকের অংশগ্রহণে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৪ উদযাপন করা হয়। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ডেনিস ফ্রান্সিস।

প্রথম বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায় সৌদি নারী, কে এই রুমি?

(ছবি আছে ইন্টার পিকচার নং-০৪)
ঢাকা ডেস্ক, ২৮ মার্চ : সৌদি মডেল রুমি আল-কাহতানি প্রথমবারের মতো বিশ্বসুন্দরী (মিস ইউনিভার্স) প্রতিযোগিতায় সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে মেক্সিকোতে প্রতিযোগিতার এ আসর অনুষ্ঠিত হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আল-কাহতানি জানিয়েছেন, মিস ইউনিভার্স ২০২৪-এ অংশ নিতে পেরে আমি সম্মানিত। এটি সৌদি আরবের প্রথম অংশগ্রহণ। খবর হারপার্স বাজারের।
ইতিমধ্যে রুমির ইনস্টাগ্রামে উঁকিঝুঁকি দিতে শুরু করেছেন নেটিজেনরা। কে এই সুন্দরী, কী তার পরিচয় তা জানতেই স্ক্রলিং চলছে। রুমি আল-কাহতানির ইনস্টাগ্রাম নজরে রেখে পাওয়া গেছে পাঁচটি তথ্য।
একাধিক সুন্দরী প্রতিযোগিতার বিজয়ী
রিয়াদে জন্মগ্রহণকারী রুমি আল-কাহতানির ইনস্টাগ্রাম ফিড স্ক্রল করলে চোখ ধাঁধানো সব ছবি পাওয়া যায়। বিশ্বের একাধিক সুন্দরী প্রতিযোগিতায় মুকুট জিতেছেন তিনি। মিস আরব ওয়ার্ল্ড পিস, মিস ওমান, মিস মিডল ইস্টসহ আরও অনেক ইভেন্টে তিনি সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। প্রতিটি প্রতিযোগিতায় তার অভিজাত লুক মুগ্ধ করেছে সবাইকে।
ইনস্টাগ্রামে রুমির অনুসারী লাখ লাখ। আবার টুইটারেও রয়েছে দুই হাজারের বেশি অনুসারী। স্ন্যাপচ্যাটেও সক্রিয় থাকতে দেখা যায় তাকে।
আরব আমিরাত, মিশর, ইতালিসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়েছেন সুন্দরী প্রতিযোগিতার মুকুট জয় করতে। এ ছাড়া জানা গেছে, ভ্রমণ প্রীতি রয়েছে রুমি আল-কাহতানির। স¤প্রতি তার পোস্ট করা একটি ছবিতে দেখা গেছে, দুবাইয়ের একটি রুপটপ পুলে অবকাশ যাপন করছেন এই সুন্দরী।
ইনস্টাগ্রামে কি কেবল প্রতিযোগিতার ছবিই আপলোড করেন রুমি? একটু ঘাঁটলেই বুঝতে পারবেন, সৌদি এই সুন্দরী নিখুঁত ও ডিজাইনার গয়না পরতে কত ভালোবাসেন। কার্তিয়ারের ব্রেসলেট থেকে শুরু করে বুলগেরির গয়না, সবই খুঁজে খুঁজে নিজের গয়নার বাক্সে রাখেন তিনি।
পারিবারিক বন্ধন যে রুমির কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ সেটাও ঠাহর হয় তার নিউজফিড দেখে। দুই বোন রাজান ও জেদাইয়ের সঙ্গে প্রায়ই ছবি পোস্ট করেন তিনি।

রাষ্ট্রকে গিলে ফেলেছে সরকার : ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গোটা দেশ ও রাষ্ট্রকে গিলে ফেলেছে সরকার। এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে আমরা সংগ্রাম ও লড়াই করছি। গতকাল দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় বিএনপির আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ছোট করা, অসম্মান করা, খাটো করা স্বাধীনতাকে অস্বীকার করার শামিল। তিনি বলেন, একাত্তর সালে স্বাধীনতার ঘোষণা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দিয়েছিলেন। এ বিষয়ে বিতর্কের কিছু নেই। এটি বিতর্ক করলে দেশের স্বাধীনতা নিয়ে বিতর্ক করা হবে। যারা বিতর্ক করে তারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি নয়। তিনি আরও বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন আমাদের নেতা জিয়াউর রহমান। এমনকি খালেদা জিয়ার হাত ধরে তত্ত¡াবধায়ক সরকারব্যবস্থা এসেছিল। গণতন্ত্রের জন্য দেশে যা কিছু হয়েছে, আমাদের নেতা আর নেত্রীর হাত ধরেই হয়েছে।
দলের ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এবং প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানীর পরিচালনায় সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। এ ছাড়া স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির প্রমুখ বক্তব্য দেন। ‘জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক নন, পাঠক’-আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, জিয়াউর রহমানকে কে লেখা পাঠিয়ে দিয়েছেন। কার লেখা পাঠ করেছেন। সেই মাহেন্দ্রক্ষণে কাউকে তো খুঁজে পাওয়া যায়নি। শুধু কথা বলার রাজনীতি করলে হয় না।

বিএনপি নেতাদের বক্তব্য দুরভিসন্ধিমূলক : কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নেতারা অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের জন্য জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা না চেয়ে বরাবরের মতো দুরভিসন্ধিমূলক বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। গণতন্ত্রের হত্যাকারীরাই আজ যখন গণতন্ত্র নিয়ে কথা বলেন, তখন বুঝতে হবে তাদের ভিন্ন উদ্দেশ্য রয়েছে। গতকাল আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার সই করা এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। এতে বিএনপি নেতাদের ‘মিথ্যাচার ও দুরভিসন্ধিমূলক’ বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
গণতন্ত্রের প্রতি বিএনপির কোনো দায়বদ্ধতা নেই মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, গণতন্ত্রের জন্য তাদের এই আহাজারি মূলত একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলার মাস্টারমাইন্ড, হাওয়া ভবন-খোয়াব ভবনের অধিপতি, দুর্নীতি-সন্ত্রাস ও দুর্বৃত্তায়নের বরপুত্র তারেক রহমানের দুঃশাসনের যুগে দেশকে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য। দেশের গণতন্ত্রকামী দেশপ্রেমিক নাগরিক সমাজ আজ এই অন্ধকারের অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ। তিনি বলেন, ২০০১-পরবর্তী সময়কালে বিএনপি-জামায়াত জোট শাসনামলে ২১ হাজার আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীকে হত্যা করা হয়েছিল। স্বৈরাচারের গর্ভে জন্ম নেওয়া বিএনপি সুপরিকল্পিতভাবে মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও মূল্যবোধ এবং গণতন্ত্র নস্যাৎ করতে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। বিএনপিই এ দেশে গণতান্ত্রিক আদর্শ বাস্তবায়নের প্রধান প্রতিবন্ধক। বিএনপি নেতাদের উচিত তাদের সব অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের জন্য জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া। অথচ তারা সেটা না করে বরাবরের মতো দুরভিসন্ধিমূলক বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করেছে। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে বাংলাদেশ স্বপ্নের পথে যাত্রা শুরু করে। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে মানবসভ্যতার ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করা হয়েছিল।

বিএনপি নেতারা কেন স্ত্রীদের ভারতীয় শাড়ি পোড়াচ্ছেন নাঃ শেখ হাসিনা

বিএনপি নেতারা সত্যিকারে ভারতীয় পণ্য বর্জন করছেন কি না তা জানতে চেয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা ভারতীয় পণ্য ব্যবহার করব না বলে ভারতীয় পণ্য বর্জন করলেন, তাদের বউদের কতগুলো শাড়ি আছে। তারা কেন শাড়িগুলো এনে পুড়িয়ে দিচ্ছেন না। বউদের শাড়িগুলো পুড়িয়ে দিলে বুঝব সত্যিকারের পণ্য বর্জন করেছেন তারা।
গতকাল রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন এখানে (ঢাকায়) গণহত্যা শুরু করে, তারা কিন্তু চট্টগ্রামেও হত্যাকাণ্ড শুরু করেছিল। যারা জাতির পিতার আহŸানে সাড়া দিয়ে ব্যারিকেড দিচ্ছিল, তাদের ওপর গুলি চালিয়েছিল পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। চট্টগ্রামের সেনাবাহিনীর দায়িত্বে জিয়াউর রহমান ছিল। সেই সময় যারা ব্যারিকেড দিয়েছে, জিয়াউর রহমানও তাদের ওপর গুলি চালিয়েছে। শুধু তাই নয়, সোয়াত জাহাজ এসেছে পাকিস্তান থেকে অস্ত্র নিয়ে, সেই অস্ত্র খালাস করতে গিয়েছিল জিয়াউর রহমান। ২৫ মার্চ পাকিস্তান হানাদার বাহিনী যে আক্রমণ চালায় সেই আক্রমণকারীর একজন কিন্তু জিয়াউর রহমান। শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপির এক নেতা চাদর খুলে আগুন দিচ্ছেন যে ভারতীয় পণ্য ব্যবহার করবেন না। এরপর আবার দেখা গেল কিছু চাদর কিনে এনে পোড়ানো হলো। আচ্ছা শীতকাল তো চলে গেছে, এখন আর চাদর পোড়ালে কী এসে যায়। তিনি বলেন, আমার প্রশ্ন যে নেতারা বলছেন, ভারতীয় পণ্য বর্জন করছেন, তাদের বউদের কয়খানা ভারতীয় শাড়ি আছে। তাহলে বউদের কাছ থেকে কেন শাড়িগুলো এনে পুড়িয়ে দিচ্ছেন না। আপনারা সবাই একটু বিএনপি নেতাদের এ কথাটা জিজ্ঞেস করেন।
আওয়ামী লীগ প্রধান বলেন, বিএনপি নেতাদের বলব, যারা ভারতীয় পণ্য বর্জন করবেন, সবাই বাড়িতে গিয়ে তাদের বউরা যেন কোনো মতে কোনো ভারতীয় শাড়ি না পরেন; আলমারিতে যে কয়টা শাড়ি আছে সব এনে যেদিন ওই অফিসের সামনে পোড়াবেন, সেদিন বিশ্বাস করব আপনারা সত্যিকারে ভারতীয় পণ্য বর্জন করলেন।
বিএনপি নেতারা কি ভারতীয় মসলা ব্যবহার বন্ধ করতে পারবেন, এমন প্রশ্ন রেখে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত থেকে আমরা পিঁয়াজ আমদানি করছি। রসুন-মসলাপাতি, আদা; ভারত থেকে যা কিছু আসছে তাদের কারও রান্নাঘরে যেন এসব মসলা দেখা না যায়। তাদের মসলা ছাড়া রান্না করে খেতে হবে। এটা তারা খেতে পারবেন কি না সেই জবাবটা তাদের দিতে হবে। বিএনপি নেতাদের পেলে তাদের বউদের শাড়ির কথা আর মসলার কথা বলবেন। শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের দেশে কিছু আঁতেল আছে। বুদ্ধিজীবী। বুদ্ধি বেচে জীবিকা নির্বাহ করেন যিনি। বাংলাদেশে একটা কাণ্ড আমরা দেখি, অতি বাম, অতি ডান। স্বাভাবিকভাবে গণতান্ত্রিক ধারাটা তারা পছন্দ করেন না। তিনি বলেন, আজকের যে দলটি বড় বড় কথা বলে, ২৫ মার্চ আওয়ামী লীগের সবাই পালিয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে যুদ্ধ পরিচালনা করল। শুধু যুদ্ধ পরিচালনা নয়, সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা হয়। বিভিন্ন সেক্টরে বাংলাদেশকে ভাগ করা হয়। এক একটা সেক্টরের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেক্টরের যিনি দায়িত্ব ছিলেন তিনি আহত হওয়ার পর জিয়াউর রহমান দায়িত্ব পায়, জিয়াউর রহমান একটা বেতনভুক কর্মচারী হিসেবে কাজ করেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে বেতনভুক কর্মচারী ছিল জিয়াউর রহমান। এই কথা নিশ্চয়ই তাদের ভুলে গেলে চলবে না। এটাও ভুললে চলবে না যে, স্বাধীনতার পর জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন মেজর। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ আমরা স্বাধীনতার ৫৩ বছর পার করেছি। ৫৩ বছরের মধ্যে ২৯টা বছর এই জাতির দুর্ভাগ্যের বছর। এ দেশের মানুষ ছিল শোষিত-বঞ্চিত। সেই জাতিকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে, মুক্তিযুদ্ধ করে, স্বাধীনতার বিজয় এনে দেওয়া একমাত্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো বলিষ্ঠ নেতৃত্বদানকারীর জন্য সম্ভব। ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যা করার পর এ দেশে ইতিহাস বিকৃতির পালা দেখেছি। তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের জন্ম হলো কলকাতায়। ভারত-পাকিস্তান যখন বিভক্ত হয়, তখন তারা কিন্তু পূর্ব বাংলায় আসেনি, তারা করাচিতে গিয়েছিল। জিয়াউর রহমান সেখানে পড়াশোনা করে। সেখানেই আর্মিতে যোগ দেয়। সেখান থেকে সামরিক অফিসার হিসেবে পূর্ব বাংলায় এসেছিল দায়িত্ব পালন করতে। এটাই হলো বাস্তবতা। কিন্তু তার মনে তো পাকিস্তানটাই রয়ে গেছে। তার প্রমাণও আছে। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর জিয়াউর রহমান মেজর থেকে মেজর জেনারেল হলো, এই প্রমোশনগুলা একে একে কে দিয়েছে। এটাও তো আওয়ামী লীগ সরকার দিয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব দিয়েছেন। এই অকৃতজ্ঞরা সেটাও ভুলে যায়।
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ড. আবদুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, দলের স্বাস্থ্য সম্পাদক ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এ মান্নান কচি প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন দলের প্রচার সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ ও উপ প্রচার সম্পাদক সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম।