Home Blog Page 621

প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অধিকার যুক্তরাষ্ট্রের নেই : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেছেন, বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। একজন প্রধানমন্ত্রীর যতটুকু ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন, ঠিক ততটুকুই আছে। এটার মাত্রা নিয়ে কোনো বন্ধু রাষ্ট্রের উদ্বেগ, সংশয় বা প্রশ্ন উত্থাপন করার নৈতিক অধিকার নেই। তিনি বলেন, অনিবন্ধিত সংগঠন থেকে তথ্য নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি বেআইনি কাজ। আমি যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য বন্ধু রাষ্ট্রগুলোকে এটা থেকে দূরে থাকার অনুরোধ জানাব।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে কেন্দ্রীভূত – মার্কিন মানবাধিকার প্রতিবেদনের এই অভিমত সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী উপরোক্ত মন্তব্য করেন। গতকাল সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি আরো বলেন, এই প্রতিবেদনগুলোর মৌলিক কিছু ঘাটতি রয়েছে। প্রথমত, বন্ধুরাষ্ট্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে আমরা বলি প্রতিবেদনগুলোর প্রকাশ করার আগে আমাদের যাতে জানানো হয় এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় এ ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। কিন্তু বরাবরের মতোই এবারো সেই প্রতিশ্রুতি রাখা হয়নি।

দ্বিতীয়ত, প্রতিবেদনে ওপেন সোর্স থেকে তথ্যগুলো নেয়া হয়। এতে স্ববিরোধিতা থাকে। অনেক সময় বলা হয়, মিডিয়া বা বাকস্বাধীনতা খর্ব করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার প্রতিবেদনে ওপেন সোর্স ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। এতে প্রমাণ হয়, গণমাধ্যমকে সংবাদ প্রকাশে সরকার কোনো বাধা দেয় না। তৃতীয়ত, প্রতিবেদনে বেশ কিছু এনজিও এবং আইএনজিওর রেফারেন্স দেয়া হয়েছে। এর অন্যতম হলো এনজিও সংস্থা অধিকার। পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, বাংলাদেশে কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য অধিকারকে কোনো লাইসেন্স দেয়া হয়নি। তাদের লাইসেন্স নবায়নের আবেদন বাতিল করা হয়েছে। আপিলেও তা খারিজ হয়েছে। কোনো নাগরিক সমাজ সম্পৃক্ত সংগঠন বা এনজিওর রাজনৈতিক ইতিহাস থাকলে তাদের নিরপেক্ষতার দৃষ্টিকোনো থেকে দেখার সুযোগ নেই। এ ধরনের ঘাটতি অব্যাহতভাবে থাকলে মানবাধিকার বা অন্য কোনো প্রতিবেদনগুলোর গ্রহণযোগ্যতা হারিয়ে যায়।
শাহরিয়ার আলম বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার প্রতিবেদন আমরা বিশ্লেষণ করে দেখবো এতে আমলে নেয়ার কোনো বিষয় রয়েছে কি না। সামনে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমাদের উচ্চ পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় সফর বিনিময় ও বিভিন্ন পর্যায়ে বৈঠক রয়েছে। এগুলোতে আমরা প্রতিবেদনের ঘাটতিগুলো তুলে ধরবে, যাতে আগামী বছরের প্রতিবেদনে এই ঘাটতিগুলো না থাকে।

রাশিয়াকে চীনের `কৌশলগত পার্টনার’ আখ্যা দিলেন শি জিনপিং

চীনা নেতা শি জিনপিং এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আজ মঙ্গলবার তাদের আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করছেন। শি এক রাষ্ট্রীয় সফরে গতকাল মস্কোয় পৌঁছেছেন।

চীনা প্রেসিডেন্ট রাশিয়া ও চীনকে ‘কৌশলগত পার্টনার’ এবং ‘বড় প্রতিবেশি শক্তি’ বলে বর্ণনা করেছেন। আজ মস্কোতে তার সফরের দ্বিতীয় দিনে শি ভ্লাদিমির পুতিনকে এ’বছর “তার সময় সুযোগমতো” চীন সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং বলেছেন মস্কোর সাথে যোগাযোগকে তিনি অগ্রাধিকার দেবেন।

রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিনের সাথে আজ ইতোমধ্যেই বৈঠক করেছেন শি জিনপিং এবং এই বৈঠকের সময় তিনি এসব কথা বলেছেন।

রুশ সৈন্য ইউক্রেন আক্রমণ করার পর এটাই শি-র প্রথম মস্কো সফর।

ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গ
সফরের প্রথম দিন সোমবার দুই প্রেসিডেন্ট চার ঘণ্টারও বেশি সময় কথা বলেছেন এবং দুজন দুজনকে “প্রিয় বন্ধু” বলে উল্লেখ করেছেন।

দুই নেতাই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তাদের আজকের আলোচনায় অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গও স্থান পাবে।

চীনা সরকার বলে আসছে এই যুদ্ধের ব্যাপারে তাদের অবস্থান পক্ষপাতহীন, কিন্তু কোনো কোনো বিশ্লেষক মনে করেন বেইজিংয়ের শান্তি পরিকল্পনা আসল উদ্দেশ্য আড়াল করার জন্য একটা ধোঁয়াটে পর্দার মতো এবং এই পরিকল্পনাকে সামনে রাখলে চীনের পক্ষে রাশিয়ার আক্রমণকে সমর্থন করা সহজ হবে।

তবে জানা যাচ্ছে যে শি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট মি, জেলেনস্কির সাথে ভিডিও কলে কথা বলবেন। ইউক্রেনে রুশ হামলা শুরুর পর থেকে শি ও জেলেনস্কির মধ্যে কোনো কথা হয়নি।

কিয়েভে জাপানের প্রধানমন্ত্রী
চীন ইউক্রেন এবং রাশিয়াকে শান্তি আলোচনায় বসানোর ব্যাপারে রাজি করাতে পারবে এমন সম্ভাবনা কম হলেও চীনা নেতা শি জিনপিং এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে এই ভিডিও কল আদৌ হয় কিনা কিয়েভ সেই অপেক্ষায় রয়েছে।

এদিকে শি যখন মস্কো সফর করছেন তখন পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই আকস্মিক এক সফরে একই সময়ে কিয়েভে পৌঁছেছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা। তিনিও আজ জেলেনস্কির সাথে বৈঠকে বসছেন।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন শি-র মস্কোয় রাষ্ট্রীয় সফরের সময়ই জাপানি প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক কিয়েভ সফর চীনা প্রেসিডেন্টের ওপর বড় রকমের চাপ তৈরি করবে।

জাপানি প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর শেষ করে নিজের দেশে ফিরে যাবার কথা ছিল। কিন্তু তিনি হঠাৎ করেই পরিকল্পনা বদলে পোল্যান্ডে পৌঁছেছেন এবং সেখান থেকে ট্রেনে কিয়েভ গেছেন।

মস্কোয় শি-এর সফরে শান্তি প্রস্তাব নিয়ে কোনরকম অগ্রগতি হয়ত হবে না, কিন্তু চীনা ও জাপানি দুই নেতা তাদের সফরে ইউক্রেনের যুদ্ধ এবং সার্বিকভাবে বিশ্ব শান্তির বিষয়গুলোকে কতটা গুরুত্ব বা অগ্রাধিকার দিয়েছেন, তা নিয়ে তুলনামূলক কাটাছেঁড়া যে অবশ্যম্ভাবী হবে সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই বলেই বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

চীনা নেতার মস্কো সফরের প্রথম দিনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে বলেছেন, “ইউক্রেন সংকট নিরসনে” বেইজিংয়ের দেয়া প্রস্তাবগুলো তিনি পড়ে দেখেছেন এবং এ নিয়ে তিনি আলোচনা করবেন।

দুই নেতার মধ্যে গতকালের দীর্ঘ আলোচনায় ইউক্রেন যুদ্ধ অবসান নিয়ে চীনের দেয়া ১২ দফা শান্তি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হলেও তাদের আলোচনার বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

ক্রেমলিন শুধু জানিয়েছে যে দুই নেতা “বিস্তারিতভাবে” মতবিনিময় করেছেন এবং ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের বলেছেন আজ দুই নেতার বৈঠকের পর আরো পরের দিকে এক যৌথ বিবৃতিতে তাদের আলোচনার বিষয়ে জানানো হবে।

গত মাসে এই ১২ দফা প্রস্তাব দেয় চীন। তবে এতে ইউক্রেন থেকে রুশ সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু উল্লেখ নেই।

বরং এতে সব রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বকে সম্মান জানানোর কথা, এবং সব পক্ষকে “যৌক্তিক আচরণ” করার বলা হয়েছে।

এদিকে, শুক্রবার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত প্রেসিডেন্ট পুতিনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এনেছে এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।

চীন এই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে স্বীকৃতি দেয় না।

সূত্র : বিবিসি

বিএনপি নেতারা চায় না বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি পাক : তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আসলে বিএনপি নেতারা চায় না বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি পাক।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেতারা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চাইলে আদালতে গিয়ে আইনজীবী দিয়ে মামলা লড়তো। তারা কিন্তু মামলা লড়ে না। বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি পেলে ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবদের মাতব্বরিটা আর থাকে না, সেজন্য উনারা চান না যে, বেগম খালেদা জিয়া কারাগার থেকে মুক্তি পাক।’

মঙ্গলবার (২১ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধুর ১০৩তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বিশেষ শিশুদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

ড. হাছান বলেন, ‘বিএনপি নেতারা কিছুদিন আগে বলেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া এমন অসুস্থ যে, উনাকে যদি বিদেশ নেয়া না হয়, উনি মারা যাবেন। তাদের কথায় মনে হচ্ছিল, তারা চাচ্ছিল বেগম খালেদা জিয়া মারা যাক। উনি বাংলাদেশের চিকিৎসকদের চিকিৎসায় ভালো হয়ে গেলেন।’

হাছান মাহমুদ আরো বলেন, ‘এখন কোনো ইস্যু নাই। বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতার ইস্যু হালে পানি পায় নাই। ১০ ডিসেম্বর বড় একটা অশ্ব ডিম পেড়েছিল। তাদের আন্দোলনে তাদের নেতারা, কর্মীরাও সাড়া দেয় নাই। এখন কোনো ইস্যু নাই, এখন তারা রোড এক্সিডেন্টের মধ্যে গেছে।’

ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ এমপির সভাপতিত্বে সভায় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ. রহমান, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, দফতর সম্পাদক ব্যরিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য আনোয়ার হোসেন, আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য আব্দুল বাতেন মিয়া ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণসহ অন্য নেতারা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

সূত্র : বাসস

বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ হবে : আমীর খসরু

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ হবে।

মঙ্গলবার (২১ মার্চ) বিকেলে সিলেট জেলা বিএনপির উদ্যোগে নগরীর দরগাহ গেইটস্থ একটি হোটেলে ‘রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের রুপরেখা’ শীর্ষক ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণমূলক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, রাজনীতিতে পেশাজীবীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পেশাজীবীদের মাধ্যমে রাজনীতিবীদদের সাথে জনগণের সেতুবন্ধন তৈরি হয়। বাংলাদেশের ৬৫ ভাগ ভোটার তরুণ। এ তরুণদের মধ্যে রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ২৭ দফা সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। দেশ আজ যে গর্তের মধ্যে পড়েছে তা থেকে উত্তোলনের জন্যই রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে।

আজ রাষ্ট্রে মানবাধিকার নাই, ভোটাধিকার নাই, কথা বলার স্বাধীনতা নাই, জীবনের নিরাপত্তা নাই। ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার জন্য সংবিধানকে দলীয় দলিলে পরিণত করা হয়েছে। ফ্যাসিস্ট সরকারের বিদায় হওয়ার পর দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্টা হবে। তখন নতুন সরকারকে সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্রকাঠামোকে মেরামত করা অপরিহার্য। এই ফ্যাসিস্ট বিদায়ের পরে বিএনপি কোনো নীতিতে দেশ পরিচালনা করবে, এমন বিষয়কে সামনে রেখেই দীর্ঘ গবেষণার পর রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের এই ররূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য উচ্চ কক্ষ ও নিম্ন কক্ষ থাকবে।

সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভাটি হয়। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ ও খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। জেলা বিএনপির সহ প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক জাহেদ আহমদের কুরআন তেলাওয়াতের মধ্যদিয়ে শুরু হওয়া সভায় বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আশিক উদ্দিন আশুক, প্রফেসর ড. সাজেদুল করিম, মহানগর লেবার পার্টির সভাপতি মাহবুবুর রহমান খালেদ, সিলেট পেশাজীবী পরিষদের সভাপতি ডা. শামিমুর রহমান, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ( শাবিপ্রবি) শিক্ষক প্রফেসর ড. শাহ আতিকুল হক, প্রফেসর খালেকুর রহমান, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) শিক্ষক প্রফেসর ড. মোজাম্মেল হক, জেলা বিএনপির দফতর সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

আরা উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক এটিএম ফয়েজ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও সৈয়দ মঈন উদ্দিন সুহেল, জেলা বিএনপি নেতা হাজী শাহাব উদ্দিন আহমদ, শাহ জামাল নুরুল হুদা, ফখরুল ইসলাম ফারুক, এ কে এম তারেক কালাম, শহিদ আহমদ চেয়ারম্যান, ইশতিয়াক আহমদ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট হাসান আহমদ পাটোয়ারী রিপন, তাজরুল ইসলাম তাজুল, মামুনুর রশিদ মামুন, আনোয়ার হোসেন মানিক, মাহবুবুল হক চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আবু তাহের, ওয়াহিদুজ্জামান চৌধুরী সুফি, কোহিনুর আহমদ, রফিকুল ইসলাম শাহপরান, সালেহা কবির শেপী, অ্যাডভোকেট আল আসলাম মুমিন, আব্দুল হাফিজ, শাকিল মোর্শেদ, শরিফুল হক, আলী আকবর, আলাউদ্দিন রিপন, জালাল খান, আব্দুল মালেক, মাহবুব আলম, অর্জুন ঘোষ, মনিরুল ইসলাম তোরন, শাহীন আলম জয়, ডা. নাজিম উদ্দিন, আসাদ উদ্দিন, অ্যাডভোকেট ওবায়দুর রহমান ফাহমী, সুলতানা রহমান দিনা, আলাউদ্দিন আলাই, নাজিম উদ্দিন পান্না, বখতিয়ার আহমদ ইমরান, সুমেল আহমদ চৌধুরী, রায়হান এইচ খান ও শামসুর রহমান শামীম প্রমুখ।

আরাভ খান দুবাইয়ে আটক হননি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

দুবাইয়ে পালিয়ে থাকা রবিউল ইসলাম ওরফে আরাভ খান এখনো সেখানে আটক হননি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো: শাহরিয়ার আলম।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিজ দফতরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।

রবিউল ইসলাম ওরফে আরাভ খানকে গ্রেফতারে ইন্টারপোলের দ্বারস্থ হয়েছে বাংলাদেশের পুলিশ। তার নামে ‘রেড নোটিশ’ জারি করেছে ইন্টারপোল। এ প্রেক্ষাপটে আজ দুপুর থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দুবাইয়ে রবিউলের আটকের খবর আসতে থাকে।

এ আগে, ১৮ মার্চ পুলিশ কর্মকর্তা হত্যা মামলার পলাতক আসামি আরাভ খান ওরফে রবিউল ইসলামকে দেশে ফেরাতে সব ধরনের চেষ্টা চলছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

কবিতা/টুঙ্গীপাড়ার সেই ছেলেটি

টুঙ্গীপাড়ার সেই ছেলেটি

 ফজিলা খাতুন।

টুঙ্গীপাড়ার সেই ছেলেটি

প্রতিবাদী বীর সাহসী।

উঠলো জেগে দেশের তরে

মুক্তিযোদ্ধা বীরের বেসে।

স্বাধীনতার সপ্ন নিয়ে

ভাষার তরে জীবন দিলেন।

উদ্দীপনার সেই স্লোগান

নতুন জাতি করলো নির্মাণ।

প্রতিবাদী জোড়ালো কন্ঠ

বাঙালি জাতি মুক্তি পেল।

সেই ছেলেটি বাংলার নায়ক মহান

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

কবিতা/পঁচিশে মার্চ

পঁচিশে মার্চ

রাজীব হাসান

পঁচিশে মার্চ কালো রাতে স্বাধীকারের দাবি মুছে দিতে

পাক বাহিনী চালায় গুলি নির্মমভাবে প্রতিশোধ নিতে

পঁচিশে মার্চ থেকে ঢাকার পরিস্থিতি ছিল বেশ থমথমে

নৌ-পথে পাক বাহিনী বাংলা আসে সবাই হয়ে গমগমে।

ভয়াল সেই কালো রাতে চালায় নির্মম অত্যাচারে রুলার

সেদিনের সে ভয়াল তান্ডব বলো কি সাধ্য আছে ভোলার

বছরের এই দিনটা এলে  বুকে নামে এক অমানিশার ঘোর

আসবে কবে ভয়াল রাত পেরিয়ে এক স্বাধীনতার ভোর।

বাংলার বুকে পঁচিশে মার্চ পাক বাহিনীর চালানো গুলি

লাশে লাশে রাজপথ ভরে গেছে সে কথা কিভাবে ভুলি

রাতে আকাশ আলোকিত হয় কামানের ঝলকানিতে

ছাব্বিশে মার্চ আলো আসে স্বাধীনতার অমর বানীতে।

রাজীব হাসান
গ্রাম- আলামপুর ৩নং
পোষ্ট- কোটচাঁদপুর 
থানা- কোটচাঁদপুর 
জেলা- ঝিনাইদহ 
০১৯৮৫-৮১৫০৭১

কবিতা/এই ছড়াটি মার্চে পড়ো

এই ছড়াটি মার্চে পড়ো

বিল্লাল মাহমুদ মানিক

এই ছড়াটি মার্চে পড়ো মহান নেতার জন্য,

শেখ মুজিবের জন্মদিনে এ মাস অগ্রগণ্য;

সতেরো মার্চ, ১৯২০ তারিখ জাতি ধন্য।

এই ছড়াটি মার্চে পড়ো ভাষণ শুনে শুনে,

সাতই মার্চ, একাত্তরে স্বপ্নের জাল বুনে

ভাষণ দিয়েছিলেন মুজিব কণ্ঠিত আগুনে।

এই ছড়াটি মার্চে পড়ো কালরাত্রির কালে –

পঁচিশে মার্চ, একাত্তরে পাকবাহিনীর জালে

আটকে যাওয়া বাঙালিদের স্বপ্ন জয়ের তালে।

এই ছড়াটি মার্চে পড়ো স্বাধীনতার দিনে,

ছাব্বিশে মার্চ, একাত্তরে যা নিয়েছি কিনে;

স্বাধীনতার ঘোষক মুজিব রেখো সবাই চিনে।

বিল্লাল মাহমুদ মানিক

৬৮/১, ইশামা হাউজ (৫ম তলা)

ফুলবাড়িয়া রোড বাইলেন, আকুয়া হাজী বাড়ি

ময়মনসিংহ মহানগর, ময়মনসিংহ

মোবাইল : ০১৮৪১১৫৪২৮০।

কবিতা/স্বাধীনতা কতটা স্বাধীন

স্বাধীনতা কতটা স্বাধীন

নবী হোসেন নবীন

আমার ঝর্ণা কলম যতটা স্বাধীন

স্বাধীনতা ঠিক যেন তত পরাধীন।

আমি যাহা ভাবি নিজ কল্পলোকে

কলম তা উগরে দেয় কাগজের বুকে।

স্বাধীনতা যেন এক খরস্রোতা নদী

বাঁকা পথে বয়ে যায় ধেয়ে নিরবধি।

আপনার সাধ্য নেই সোজা পথে চলে

সাগরের স্রোত বয় তার নিজ জলে।

মানচিত্রের কারাগারে নিজে হয়ে বন্দি

রাষ্ট্রের সাথে খানিক করে নেয় সন্ধি।

আপন কৃপায় রাষ্ট্র যাহা দিতে চায়

স্বীয় ভোগে স্বাধীনতা ততটুকু পায়।

ভূখণ্ডের পর হচ্ছে ভূখণ্ড স্বাধীন

মুক্তি পায়নি মানুষ আছে পরাধীন।

স্বাধীন মানুষ তার স্বাধীনতা ভুলে

রাষ্ট্রের হাতে দিয়েছে স্বীয় বলগা তুলে।

স্বাধীনতা কোনোদিন হবে না স্বাধীন

রাষ্ট্রের কাছে রবে সে চির পরাধীন।

মানুষ পাবে না কভু বিহঙ্গের ডানা

মন পারে না স্বাধীন মনের ঠিকানা।

গ্রাম-বাঁশিল,ডাকঘর-কাঠালী

উপজেলা-ভালুকা,ময়মনসিংহ

মোবাইল-০১৬১৬১৭৮৮৩১

কবিতা/স্বাধীনতা 

স্বাধীনতা 

মুহাম্মদ আলম জাহাঙ্গীর

পঁচিশ মার্চ কালো রাতে ঘুমন্ত বাঙ্গালির উপর,

নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায় পাপিষ্ঠ পাক হায়েনা।

ওরা হত্যা করে শিশু-কিশোর নারী-পুরুষ ছাত্র-শিক্ষক কবি সাহিত্যিক কৃষক শ্রমিক রহ রহ।

স্টেনগানের গোলায় ঝাঁঝড়া করে অজস্র দেহ।

বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে উপড়ে ফেলে চোখ।

ওরা হায়েনা ওরা পাপিষ্ঠ নেই ওদের কোনো শোক।

ওরা বাঙ্গালির কোটি কোটি বসত ঘর জ্বালিয়ে দেয় পেট্রোল গোলার আগুনে,

লেলিহান অগ্নিশিখায় তা নিমিষেই জ্বলে যেমন- জ্বলে শিমুল পলাশ ফাগুনে।

হত্যা লুট ধর্ষণ করেও ক্ষ্যান্ত হয় না। করে গণধর্ষণ বাঙ্গালি মা বোনদের,

হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিষ্টান অযুত নিযুত ঢের।

দেশের দুর্দিনে মুজিব জিয়ার স্বাধীনতার ডাকে,

ঝাঁপিয়ে পড়ে ছাত্র-শিক্ষক আমজনতা পুলিশ ইপিআর আনসার বাংলার বাঁকে বাঁকে।

সবার একতায় গড়ে ওঠে মুক্তিসংগ্রাম,চলে অবিরত প্রতিরোধ। 

মুক্তিফোর্স গঠন করে আমরা করি দেশ স্বাধীন।

একতার ফলে পাই মা মাটি ভাষা আর কাঙ্খিত স্বাধীনতা।

নতুন পানিসারা,ডাকঘর: পেঁচুল, উপজেলা: শেরপুর,জেলা: বগুড়া