Home Blog Page 627

‘আমার স্বামী খারাপ খেলে বাদ পরেনি’

০

এশিয়া কাপের জন্য দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। জায়গা হয়নি অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের। এতে ক্ষুব্ধ ভক্তদের একাংশ। পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম মাহমুদউল্লাহর ভক্তরা তাকে ফিরিয়ে আনার দাবি জানাচ্ছে।

আসন্ন এশিয়া কাপে মাহমুদউল্লাহ জায়গা না হওয়ার বিষয়ে তার স্ত্রী জান্নাতুল কাওসার মিষ্টি বলেছেন, ‘আমি এখনো গর্ববোধ করছি, কারণ আমার স্বামী খারাপ খেলে দল থেকে বাদ পরেনি।’

শনিবার (১২ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।

ফেসবুকে তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরিয়ানের স্ত্রী হিসেবে তিনি গর্ববোধ করেন। এশিয়া কাপের প্রাথমিক দলে থেকে কঠোর অনুশীলন করে চেষ্টা করেছেন এবং ফিটনেস টেস্টেও ফেল করেনি। তারপরও তাকে বাদ দেয়া হয়েছে।

রিয়াদ অবহেলার শিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মতো অভিজ্ঞ আর কোনো ক্রিকেটার যেন অবহেলার শিকার। আগামী প্রজন্মের ক্রিকেটারদের জন‍্য বিশ্রামের ট্রেন্ড বন্ধ হোক, যেন তাদের অবসরের অধিকার কেড়ে নেয়া না হয়।

জান্নাতুল কাওসার মিষ্টির ফেসবুক পোস্টটি হুবহু দেয়া হলো :
বিশ্বকাপ এর প্রথম সেন্চুরিয়ান এর স্ত্রী হিসেবে আমি জান্নাতুল কাওসার গর্ববোধ করি এবং আজীবন করবো যাকে কোটি কোটি মানুষ ভদ্রলোক,সৎ,ভালো মানুষ হিসেবে জানে।আলহামদুলিল্লাহ্।

তাকে দলের প্রয়োজনে যখন যেখানে খুশি খেলতে নামানো হতো তাও সে কখনো কনোদিন কিছু বলেননি তার স্বাচ্ছন্দ্যের পজিশন আসলে কোনটা।সেই সেক্রিফাইসগুলো না করলে আজকে তার রানের সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতো!সে সর্বদাই অপ্রতিবাদী ছিলেন।নিজের যোগ্যতায় সবসময় দলে জায়গা পেয়ে আসছেন।আমি এখনো গর্ববোধ করছি কারন আমার স্বামী খারাপ খেলে দল থেকে বাদ পরেনি!ভালো করে পরিসংখ‍্যান অনুসন্ধান করলে দেখবেন!প্রাথমিক দলে থেকে কঠোর অনুশীলন করে চেষ্টা করেছেন এবং ফিটনেস টেস্টেও ফেল করেনি।আলহামদুলিল্লাহ।তাই যথাযথ কারন বিশ্লেষন করে তাকে বাদ দিলে উপকৃত হতাম।

আমি দোয়া করি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মতো অভিজ্ঞ আর কোনো ক্রিকেটার যেন অবহেলার স্বীকার না হয়,সুযোগ বঞ্চিত না হয়,সাইলেন্ট হিরো না হয়!আগামী প্রজন্মের ক্রিকেটারদের জন‍্য “বিশ্রামের”ট্রেন্ড বন্ধ হোক যাতে তাদের অবসরের অধিকার কেড়ে নেওয়া না হয়।

সর্বোপরি,আমি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সব শুভাকাঙ্খী,ফ‍্যান ফলোয়ারদের কাছে কৃতজ্ঞ এত ভালোবাসা,সম্মান আর সমর্থনের জন‍্য।আলহামদুলিল্লাহ্।বাংলাদেশের জন‍্য তার অবদান কতটুকু যারা ক্রিকেট সত্যিকার অর্থে বোঝে তারাই জানে এবং মনে রাখবে ইনশাআল্লাহ।আপনারা সবাই তার সুস্বাস্থের জন্য দোয়া করবেন।
~ধন্যবাদ~

এর আগে মাহমুদউল্লাহর শ্যালিকা এবং ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমের স্ত্রী জান্নাতুল কিফাইয়াত মন্ডি ফেসবুকে লেখেন, ‘ইনজাস্টিজ ইজ দ্য নিউ ট্রেন্ড।’

বিএনপির এক দফা মরণ যন্ত্রণায় ছটফট করছে : ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পরাজয়ের ভয়ে বিএনপির এক দফা খাদে পড়ে মরণ যন্ত্রণায় ছটফট করছে। বিএনপির সমাবেশে নেতাকর্মীদের সংখ্যা কমে গেছে, তাদের মিছিল সমাবেশে দৈর্ঘ্য বেড়েছে, প্রস্থ কমেছে। 

তিনি বলেন, ‘দেশের উন্নয়নে তারা প্রশংসা করতে পারে না। এরা শুধু সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করে। গণতন্ত্র আছে বলেই আজ উন্নয়নের মুখ দেখছে বাংলাদেশ। বিএনপি এর সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করে।’

শনিবার (১২ আগস্ট) বিকেলে বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশের উন্নয়নে বিএনপি’র অন্তরজ্বালা। পরাজয়ের ভয়ে বিএনপির এক দফা খাদে পড়ে মরণ যন্ত্রণায় ছটফট করছে। বিএনপির সমাবেশে নেতাকর্মীদের সংখ্যা কমে গেছে, তাদের মিছিল সমাবেশে দৈর্ঘ্য বেড়েছে, প্রস্থ কমেছে। 

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামকে উদ্দেশ্য করে ওবায়দুল বলেন, বিদ্বেষের রাজনীতি করলে আজীবন আপনাদের বিরোধী দল থাকতে হবে। আজকে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের উন্নয়নকে অনুসরণ করছে। আজকে আইএমএফসহ সারা দুনিয়া বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করে। এ দুঃসময়েও বাংলাদেশের যে উন্নয়ন অগ্রগতি তা সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। কিন্তু বিএনপি শুধু জ্বালায় জ্বালায় মরে, তাদের অন্তরজ্বালা!

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে সেতুমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় থাকতে দেবেন না? ক্ষমতা কি আপনার বাপ-দাদার? ক্ষমতার মালিক আল্লাহ পাক ও এ দেশের জনগণ। বিএনপি ক্ষমতা দেবে, ওই ক্ষমতা তো আমাদের দরকার নেই। বিএনপি নিজেরাই ক্ষমতায় যেতে পারে না, আবার বড় বড় কথা বলে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এ বছর ৩৩টি দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কাউকে নিয়ে বিশ্ব মোড়লদের কোনো মাথাব্যথা নেই, মাথাব্যথা কেবল বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে। পৃথিবীর কোনো দেশেই ওয়াশিংটন হস্তক্ষেপ করতে পারে না শুধুমাত্র বাংলাদেশেই পান থেকে চুন খসলেই আমাদের নিষেধাজ্ঞা দেবে, ভিসা নীতি দেবে এমন হুমকি-ধামকি দেয়। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ বিএনপিকে প্রতিপক্ষ ভাবে আর বিএনপি আওয়ামী লীগকে শত্রু ভাবে। তারা এই যাত্রা শুরু করেছিল ২১ আগস্ট। ১৫ আগস্ট কিংবা একুশে আগস্টসহ সকল হত্যা এবং ষড়যন্ত্রের মাস্টারমাইন্ড জিয়া পরিবারের সদস্যরা।

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি জানে নির্বাচনে তাদের কি দশা হবে। এই মুহূর্তে নির্বাচন হলে এদেশের ৭০ ভাগ মানুষ ভোট শেখ হাসিনাকে দেবেন। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র দেশের ৬৪ জেলায় সমীক্ষা চালিয়ে দেখেছে বর্তমান সরকারের একচেটিয়া জনপ্রিয়তা। সরকারের জনপ্রিয়তা দেখে বিএনপির মাথা খারাপ হয়ে গেছে। 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার, পার্লামেন্ট বিলুপ্তি, শেখ হাসিনার পদত্যাগসহ বিএনপির অসাংবিধানিক কোনো দাবি মেনে নেয়া হবে না। সরকার পদত্যাগ করবে না, সংসদও বিলুপ্ত হবে না। বর্তমান ইসির অধীনেই নির্বাচন হবে। নির্বাচনে আসলে আসুন, না আসলে জ্বালাও পোড়াও করবেন না।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) সভাপতি জামাল উদ্দিন চৌধুরী।

সূত্র : বাসস

পাকিস্তানের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণা

বেলুচিস্তান আওয়ামী পার্টির সিনেটর আনোয়ারুল হক কাকারকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাছাই করা হয়েছে। আজ শনিবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দফতর এ তথ্য জানিয়েছে।

আজ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও বিলুপ্ত সংসদের বিরোধী নেতা রাজ রিয়াজের মধ্যে এক বৈঠকের পর এ ঘোষণা এলো।

প্রধানমন্ত্রীর দফর থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শাহবাজ শরিফ ও রাজ রিয়াজ প্রেসিডেন্ট আলভির কাছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে কাকারকে নিয়োগ দিতে একটি পরামর্শ পাঠিয়েছেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে গণমাধ্যমকেও বিষয়টি নিশ্চিত করেন শাহবাজ শরিফ ও রাজ রিয়াজ।

পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার তিন দিন আগে ৯ আগস্ট রাতে জাতীয় পরিষদ ভেঙে দেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি। পাকিস্তানের সংবিধানে বলা আছে, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই যদি জাতীয় পরিষদ ভেঙে দেয়া হয়, তাহলে ৯০ দিনের মধ্যে সাধারণ নির্বাচন করতে হবে। আর জাতীয় পরিষদ মেয়াদ পূর্ণ করলে ৬০ দিনের মধ্যে সাধারণ নির্বাচন হবে।

গতকাল শুক্রবার শাহবাজ শরিফ ও রাজা রিয়াজকে চিঠি দেন প্রেসিডেন্ট আলভি। সেখানে তাদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানের নাম প্রস্তাব করতে বলেন। চিঠিতে আলভি মনে করিয়ে দেন, ৯ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের পরামর্শে তিনি জাতীয় পরিষদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেছেন।

সূত্র : ডন

দেশের শাসনতন্ত্র মেনেই আগামী নির্বাচন : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের শাসনতন্ত্র মেনেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

তিনি শনিবার (১২ আগস্ট) দুপুরে সিলেট মহানগরীর শাহী ঈদগাহস্থ আরটিএম আল কবির টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের মধ্যে সনদ বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যা কিছু প্রয়োজন তার সবকিছুই করছে সরকার। সেলক্ষ্যে একটা শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের আগে মনে হয় না তড়িগড়ি করে কোনো দেশের সাথেই নতুন চুক্তি করবে বাংলাদেশ। আর এতে দেশের উপর কোনো প্রভাব পড়বে না। কারণ বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। দেশ এখন একটি পজিশন নিয়ে আছে। আমরা ব্যালেন্স বৈদেশিক নীতি মেনে চলছি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসন্ন ব্রিকস সম্মেলন প্রসঙ্গে বলেন, আয়োজকরা দাওয়াত দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী সেখানে যাবেন। ব্রিকস যদি এ বছর নতুন দেশকে অন্তর্ভুক্ত নাও করে তবুও সেখানে গেলে অনেক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের সাথে সাক্ষাৎ হবে, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার সুযোগ আছে বলে তিনি জানান।

সূত্র : বাসস

বিশ্বকাপ এখন বাংলাদেশের!

বিশ্বকাপ এখন বাংলাদেশের’ এমন দাবিকে ভুল বলে উড়িয়ে দেয়ার কিছু নেই৷ ২০২৩ বিশ্বকাপ ট্রফি তো এখন এই দেশেই! বিশ্ব ভ্রমণে বের হয়ে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কারটি এখন বাংলাদেশেই অবস্থান করছে।

সোমবার (৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টায় পদ্মা সেতুতে আনা হয় ট্রফিটি। মাওয়া প্রান্তের ১ নম্বর পিলারের পাশে চলে এই ফটোসেশন৷ গত রাতে বাংলাদেশে আসার পর পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আজ আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রফি উন্মোচন ও ফটোসেশন পর্বও অনুষ্ঠিত হয়। 

রুটিনমাফিক প্রতিটি বিশ্বকাপের মতো এবারো বিশ্ব ভ্রমণে বের হয়েছে ‘ট্রফি।’ আইসিসির গাইডলাইন অনুযায়ী বিভিন্ন দেশে কিছু সময় অবস্থান করে থাকে তা। যার ধারাবাহিকতায় আট দেশ পাড়ি দিয়ে ট্রফি এসেছে বাংলাদেশে। 

আজ থেকে শুরু করে তিন দিন ঢাকায় থাকবে ওয়ানডে বিশ্বকাপের এই ট্রফি। ৮ আগস্ট মিরপুরে ক্রিকেটার, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও মিডিয়ার জন্য, আর শেষ দিন অর্থাৎ ৯ আগস্ট বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সে সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে ট্রফিটি।

এর আগে গত জুনে ট্রফিটি পৃথিবী হতে ১ লাখ ২০ হাজার ফুট ওপরে থেকে দর্শনীয় শৈলীতে বিশেষ প্রযুক্তির বেলুনের সাহায্যে ফাইনালের ভেন্যু ভারতের আহমেদাবাদে অবতরণ করে। এরপর ২৭ জুন থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত ট্রফি ট্যুর চলে ভারতের বিভিন্ন শহরে।

এরপর ভারত প্রদক্ষিণ করে বিশ্ব ক্রিকেটের এই রাজমুকুট বিশ্ব ভ্রমণ শুরু করে। যার ধারাবাহিকতায় শ্রীলঙ্কা হয়ে বাংলাদেশে এসেছে ট্রফিটি। বাংলাদেশ থেকে ১০ আগস্ট কুয়েতে যাবে বিশ্বকাপ ট্রফিটি।

র‌্যাবের মতো গোয়েন্দা পুলিশও এখন মূর্তিমান আতঙ্কে পরিণত হয়েছে : রিজভী

বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ডিবি পুলিশের আক্রমণে টার্গেটকৃত নেতাকর্মীদের না পেলে পরিবারের সদস্যদের তুলে নেয়া হচ্ছে, এতে পরিবারের বয়স্ক সদস্যরা আতঙ্কে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে। র‌্যাবের মতো গোয়েন্দা পুলিশও এখন মূর্তিমান আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। 

সোমবার (৭ আগস্ট) বিকেলে নয়া পল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, বাংলাদেশ এখন মনুষ্যত্বহীন আওয়ামী ফ্যাসিজমের কালো ছায়ার নিচে। নির্যাতনের নির্মমতার মুখে দাঁড়িয়ে আছে গণতন্ত্রকামী মানুষ। অত্যাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রামী জনগণ লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। আজ স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দি পরেও দেশকে গণতন্ত্রের অভিমুখী না করে নিষ্ঠুর ফ্যাসিজমকে প্রতিষ্ঠিত করার আয়োজন চলছে মহাধুমধামে। কবির কথায় বলতে হয় ‘অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এই পৃথিবীতে আজ’। হিংসার একটা আদিম রূপের ছবি বাংলাদেশের সর্বত্র। প্রভুত্বকামী জুলুমবাজ সরকারের বিষাক্ত থাবা পাড়া মহল্লা থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দেশব্যাপী বিদ্বেষের মন্ত্রণাদাতা, শান্তির শত্রু। বিগত কয়েকদিনে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর চালানো হয়েছে এক সর্বগ্রাসী সহিংসতার ভয়ঙ্কর আক্রমণ। আইনের শাসন, সুবিচার, মানবিক মর্যাদার অস্তিত্ব ক্রমান্বয়ে রাষ্ট্রসমাজ থেকে মুছে দেয়া হয়েছে নগ্ন দলীয়করণের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় বাহিনী গুলোকে। গণতন্ত্র এখন মৃত, সেজন্যই গণতন্ত্রে স্বীকৃত বিরোধী দলের যেকোন কর্মসূচিকে বরদাস্ত করছে না অবৈধ সরকার। মিছিলের শব্দ শুনলেই গুলি চালানো হচ্ছে নির্বিচারে, সাপ পেটানোর মতো লাঠিপেটা করা হয় নেতাকর্মীদের। প্রায় প্রতিদিনই পুলিশের ছোঁড়া গুলিতে বিরোধী নেতাকর্মীদের হাত, পা, পিঠ, পাকস্থলীই বিদ্ধ হচ্ছে না, তাদের মহামূল্যবান অঙ্গ চোখ হারিয়ে চিরদিনের জন্য অন্ধকারে হারিয়ে যাচ্ছে, চেনা পৃথিবী হয়ে যায় তাদের কাছে অচেনা। আজীবন পরিবারের কাছে বোঝা হয়ে দিন কাটাতে হয়, এ বেদনা সহ্য করার মতো নয়। তাদেরকে সহমর্মিতা জানানোর ভাষা খুঁজে পাওয়া যায় না।

তিনি বলেন, বর্তমানে এদেশে মত প্রকাশের ওপর বাধা নিষেধ রয়েছে। ব্যক্তি স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে গেলে তার ঠাঁই হয় কারাগারে বা আয়নাঘরে। এখন রাজনৈতিক দলের সমাবেশের অধিকার পুলিশের ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর। সুষ্ঠু নির্বাচনে নিজের পছন্দের দলকে ক্ষমতায় আনার অধিকার ভোটাররা হারিয়েছে। প্রতিনিয়ত সত্যকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করার জন্য একটি তাবেদার তথ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। অতিযত্নে রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় অপপ্রচার আর কুৎসা ছড়ানোর জন্য গণমাধ্যমের কিছু অংশকে ব্যবহার করা হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপে। গণতন্ত্রের প্রত্যাবর্তনকে রোধ করার জন্য অবৈধ কতৃর্ত্ববাদী সরকার জুলুমের সর্বোচ্চ পন্থা নামিয়ে এনেছে জনগণের ওপর। গণতন্ত্রের উল্টোযাত্রাকেই অব্যাহত রাখতে চায় আওয়ামী নিপীড়ক শাসকগোষ্ঠী।

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, কোনোভাবেই যাতে সরকারবিরোধী আন্দোলন তীব্র হতে না পারে সেজন্য খুন জখমে উৎসাহী ও সিন্ডিকেট হিতৈষী ম্যান্ডেটবিহীন আওয়ামী সরকার দমন-পীড়ণে নতুন নতুন মাত্রা যোগ করছে। মুদ্রা পাচার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান লোপাট, শাসকগোষ্ঠীর আত্মীয়স্বজনদেরকে হরিলুট করার সুযোগ দেয়ার মাধ্যমে বিদ্যমান অর্থনৈতিক নৈরাজ্যের সীমাহীন আবর্তের মধ্যে দেশকে ঠেলে দেয়া হয়েছে। এই অনাচারমূলক পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য তাদের ক্ষমতা আঁকড়ে রাখা প্রয়োজন। তাই তারা ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকে গুম, খুন, ক্রসফায়ারের মতো অমানবিক নিষ্ঠুরতার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে, আওয়ামী লীগ পরিকল্পিতভাবেই এই আতঙ্কের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে যাতে গণতন্ত্রকামী মানুষ রাজপথে ধেয়ে আসতে না পারে। বিএনপি ও ভিন্ন মতের মানুষদের পাইকারী হারে গ্রেফতার, রিমান্ডের নামে নির্যাতন, কখনো বিবস্ত্র করে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে বিগত দেড় দশক ধরে। শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখার জন্য এখনো সেই পৈশাচিকতা অব্যাহত আছে। আর এ ক্ষেত্রে দলীয় চেতনাবাহী আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যরা এখন শেখ হাসিনার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে।

তিনি বলেন, ২৮ ও ২৯ জুলাইয়ের পূর্বাপর চলছে জুলুম-উৎপীড়ণের নানামুখী তৎপরতা। পুলিশ ও গোয়েন্দা বাহিনীর সদস্যদের কতৃর্ক গ্রেফতার, গুম কোনোভাবেই থামছে না। গভীর রাতে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে গোয়েন্দা পুলিশের হানায় দিনকে দিন নতুন মাত্রা যোগ হচ্ছে। বিশেষ বিশেষ টিম গঠন করে চালানো হচ্ছে অভিযান। তাদের আক্রমণে টার্গেটকৃত নেতাকর্মীদের না পেলে পরিবারের সদস্যদের তুলে নেয়া হচ্ছে, এতে পরিবারের বয়স্ক সদস্যরা আতঙ্কে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে। র‌্যাবের মতো গোয়েন্দা পুলিশও এখন মূর্তিমান আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। এদের নেতৃত্ব দিচ্ছে আওয়ামী লীগের দলীয় অনুগত উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। 

রিজভী আহমেদ বলেন, আমরা জানতে পেরেছি আজ আদালতে যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ইসাহাক সরকারসহ ২৭ জন নেতাকর্মীকে দু’বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। আমরা আগেই বলেছি সরকারের নির্দেশে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলায় সাজা দেয়া হচ্ছে। ইসাহাক সরকারসহ ২৭ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে আজ সাজা প্রদানের ঘটনাও আরেকটি নতুন ন্যাক্কারজনক দৃষ্টান্ত। অবিলম্বে এই সাজার আদেশ প্রত্যাহারের জোর আহ্বান জানাচ্ছি।

বৃহত্তর স্বার্থে আ’লীগের সাথে কাজ করবে বিজেপি : জে পি নাড্ডা

ভারতের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সভাপতি জে পি নাড্ডা বলেছেন, বিজেপি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের বৃহত্তর স্বার্থে একসাথে কাজ করবে।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির একটি ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। আমরা আগামী দিনে দলীয় পর্যায়ে যোগাযোগ জোরদার করে আমাদের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।’

সোমবার (৭ আগস্ট) নয়াদিল্লিতে তার বাসভবনে পাঁচ সদস্যের আওয়ামী লীগ প্রতিনিধিদলের সাথে বৈঠককালে জে পি নাড্ডা এসব কথা বলেন।

নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ মিশন জানায়, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। এছাড়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, দলের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী এবং সংসদ সদস্য আরমা দত্ত ও অধ্যাপক মেরিনা জাহান বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠকে তারা এ অঞ্চলের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জঙ্গিবাদ দমন এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।

এসময় নাড্ডা বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সাথে ভারতের একটি ঐতিহাসিক ও মানসিক সম্পর্ক রয়েছে।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বাংলাদেশের প্রধানসমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়াদে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

তিনি বলেন, দীর্ঘস্থায়ী বাংলাদেশ-ভারত স্থল সীমানা ও সমুদ্রসীমা বিরোধ এবং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্কর দুই প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদে সমাধান করা হয়েছে।

বিজেপি সভাপতি কৃতজ্ঞতার সাথে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের সক্রিয় উদ্যোগের কারণে ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোর সঙ্কর সমাধান করা সম্ভব হয়েছে।

বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রশংসা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এ অঞ্চলে দেশের আর্থ-সামাজিক খাতে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে। যা এখন অন্যান্য দেশের কাছে উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত।

হাছান মাহমুদ বলেন, দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা বৈঠকটি ‘অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে’ অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি বলেন, তারা বিজেপি সভাপতির সাথে অনেক বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

তিনি আরো বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও বিজেপি খুব ভালো সম্পর্ক উপভোগ করছে এবং আমরা দুই দল সরকারি পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা সমাধান করছি।’

ভবিষ্যতেও এ সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নয়াদিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে বিজেপির সাথে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেছে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল।

বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তড়ে এবং বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের প্রধান ড. আব্দুর রাজ্জাক তাদের নিজ নিজ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেনু।

বৈঠকে তারা দুই দলের পাশাপাশি দুই দেশের উন্নয়নের জন্য প্রতিনিধি পর্যায়ের সফর বিনিময়ের মাধ্যমে দলীয় পর্যায়ে সম্পর্ক আরও জোরদার করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।

পরে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. জয়শঙ্করের সাথে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল।

সূত্র : ইউএনবি

মানহানির ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের কারাদণ্ড নয়, জরিমানা সর্বোচ্চ ২৫ লাখ : আইনমন্ত্রী

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পরিবর্তন করে নতুন যে সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩ করা হবে সেখানে মানহানির মামলায় সাংবাদিকদের কারাদণ্ডের বিধান থাকবে না বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

তিনি বলেছেন, মানহানির মামলায় সাংবাদিকদের কারাদণ্ডের বিধান থাকবে না। তবে থাকছে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা। অনাদায়ে তিন বা ছয় মাসের কারাদণ্ড। এ সাজা শুধুমাত্র জরিমানা না দিতে পারলেই ভোগ করতে হবে।

সোমবার সচিবালয়ের আইন মন্ত্রণালয়ে নিজ কক্ষে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পরিবর্তন করা হচ্ছে। এ আইনের বহু ধারা নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনে যুক্ত করা হবে। কিছু ধারায় বড় সংশোধনী আনা হবে।

তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে মানহানির অভিযোগ কারাদণ্ড দেয়ার বিধান ছিল। নতুন আইনে সেখানে পরিবর্তন এনে কারাদণ্ডের পরিবর্তে জরিমানার বিধান করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, এটি একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন।

দেওয়ানি মামলায় যেভাবে জরিমানার বিষয়গুলো আছে, সেভাবেই সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে বিষয়গুলো থাকবে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, যখন নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইন হবে, তখন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন থাকবে না।

পাকিস্তানের প্রধান নির্বাচক এখন ইনজামাম উল হক

জোর গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল রোববারই, সোমবারই এলো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। পাকিস্তানের প্রধান নির্বাচক পদে ফিরেছেন ইনজামাম উল হক। এর আগেও দীর্ঘ সময় এই দায়িত্ব পালন করেছিলেন এই কিংবদন্তী ক্রিকেটার। তার সময়েই চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জেতে পাকিস্তান। 

জাকা আশরাফ পিসিবির নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর বোর্ডকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা করেন। ফলে বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদে বেশকিছু পরিবর্তন আনছেন। যেই কাজে সহায়তার জন্যে মিসবাহ উল হক, ইনজামাম উল হক ও মোহাম্মদ হাফিজের সমন্বয়ে একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করেন।

দায়িত্ব পেয়েই মিসবাহর নেতৃত্বাধীন টেকনিক্যাল কমিটি নির্বাচক প্যানেলে পরিবর্তন আনার সুপারিশ করে। যার ফলশ্রুতিতে গত নয় মাসে চতুর্থবারের মতো পরিবর্তন আসে পাকিস্তানের নির্বাচক প্যানেলে। টেকনিক্যাল কমিটির সদস্য ইনজামাম নিজেই নিযুক্ত হয়েছেন প্রধান নির্বাচক হিসেবে।

পাকিস্তানে ক্রিকেট বোর্ডের এই পদটা যেন মিউজিক্যাল চেয়ার। গত নয় মাসে একাধিকবার পরিবর্তন এসেছে নির্বাচক প্যানেলে। গত ডিসেম্বরে রমিজ রাজা পিসিবির চেয়ারম্যান পদ ছাড়লে তার বোর্ডের অধীনে নির্বাচক হিসেবে কাজ করা মোহাম্মাদ ওয়াসিমও দায়িত্ব হারাব ক’দিন পরই।

নাজাম শেঠি চেয়ারম্যান হয়ে অন্তর্বর্তীকালীন নির্বাচক কমিটির প্রধান হিসেবে আফ্রিদিকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। যেখানে তার সঙ্গী ছিলেন রাও ইফতিখার আনজুম ও আব্দুল রাজ্জাক। তবে নিউজিল্যান্ড সিরিজের পর দায়িত্ব ছাড়েন আফ্রিদিও।

নির্বাচক প্যানেলের প্রধান হিসেবে বসানো হয় হারুন রশীদকে। যেখানে তার সাথী হিসেবে ছিলেন কামরান আকমল, মোহাম্মদ সামি ও ইয়াসির হামিদ। কিছুদিন পর ফের ভেঙে দেয়া হয় সেই প্যানেল। এবার প্রধান নির্বাচক পদে হারুন রশীদ থেকে গেলেও প্যানেলে যোগ হন হাসান চিমা, মিকি আর্থার ও গ্রান্ট ব্রাডবার্ন।

এবার জাকা আশরাফের অধীনে আবারো বদলে গেল নির্বাচক কমিটি। দ্বিতীয় মেয়াদে পাকিস্তানের নির্বাচক পদে বসলেন ইনজামাম। ২০১৬ থেকে ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত এই দায়িত্বে ছিলেন পাকিস্তানের সাবেক ব্যাটার। তার সময়ে ২০১৭ আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিল পাকিস্তান।

চট্টগ্রামে বৃষ্টি : ৩০ বছরের রেকর্ড ভঙ্গ

টানা তিনদিন মাঝারি থেকে ভারী ধরনের বৃষ্টিপাত অব্যাহত আছে চট্টগ্রামে। আবহাওয়া অফিস বলছে, শ্রাবণের শেষ সময়ে চট্টগ্রামে এবার গত ৩০ বছরের মধ্যে রেকর্ড পারিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। 

এছাড়া গত তিন বছরে মধ্যে এবারেই প্রথম এমন ভরা বর্ষার নাগাল পেল নগরবাসী। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত ৩২২ মিলিমিটার রেকর্ড করা হয়েছে চট্টগ্রামে। 

গত ২৪ ঘণ্টায় সোমবার (৭ আগস্ট) সকাল ৬টা পর্যন্ত এটি রেকর্ড করা হয় বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

সংস্থাটি জানায়, চট্টগ্রামের পর খেপুপাড়ায় ৩১৬ মিলিমিটার, বান্দরবানে ২৮৬, হাতিয়ায় ২২১, কুতুবদিয়ায় ১৬৬, কুমিল্লা ও সন্দ্বীপে ১৫৪, রাঙ্গামাটিতে ১৪৫, সীতাকুণ্ডে ১২৯, চাঁদপুর ও মাদারীপুরে ১২০, বরিশালে ১০৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

আজ সোমবার (৭ আগস্ট) আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

সোমবার সকাল ৬টা থেকে ১২টা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ২৮ মিলিমিটার। তবে সকাল থেকে বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমলেও থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। যদিও সাধারণ বৃষ্টিতেও জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে এ নগরের মানুষেরা। অতি ভারি বৃষ্টির কারণে সমুদ্র বন্দরগুলোকে দেয়া ৩ নম্বর সতর্কতা সঙ্কেত বহাল রাখা হয়েছে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ চৌধুরী বলেন, ‘সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে আগামী ২৪ ঘণ্টাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এর প্রভাবে পাহাড় ধসেরও সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আগামী পরশু থেকে আবহাওয়ার কিছুটা উন্নতি হবে। এরপর ধীরে ধীরে বৃষ্টিপাতও কমে আসবে।

সূত্র : বাসস