এলো রে বৈশাখ
-বিচিত্র কুমার
এলো রে বৈশাখ –
বাজে ঢোল বাজে ঢাক
নতুনত্বের দিয়ে ডাক,
মন নাচে প্রাণ নাচে
এলো ফিরে পহেলা বৈশাখ।
এলো রে বৈশাখ –
শুভ দিন কাটে উল্লাসে
খুকুর পায়ে নূপুর বাজে,
শাড়ি পড়ে কানে দুল
নিত্য নতুন কত্ত সাজে।
এলো রে বৈশাখ
-বিচিত্র কুমার
এলো রে বৈশাখ –
বাজে ঢোল বাজে ঢাক
নতুনত্বের দিয়ে ডাক,
মন নাচে প্রাণ নাচে
এলো ফিরে পহেলা বৈশাখ।
এলো রে বৈশাখ –
শুভ দিন কাটে উল্লাসে
খুকুর পায়ে নূপুর বাজে,
শাড়ি পড়ে কানে দুল
নিত্য নতুন কত্ত সাজে।
বৈশাখী মেলা
আতিকুর রহমান
চলরে সবাই বটের ছায়ায়
বসলো বোশেক মেলা
কিনবো লাঠিম কিনবো গাড়ি
করবো, দারুন খেলা।
বোনের জন্য কিনবো চুড়ি
লেইস ফিতা আর শাড়ি
বাংলা সাজে সাজবে বোন
মাতিয়ে রাখবে বাড়ি।
ঢোলের শব্দে বাঁশির সুরে
বৈশাখী গান তুলে
নতুন দিনের আনন্দেতে
নাচবো হেলে দুলে।
ইচ্ছে কথা
এবি ছিদ্দিক
ভাবি যেমন হয় না তেমন ইচ্ছে নদীর ধারা
হয়তো বেশি নয়তো কম, অন্য রকম সাড়া
রাত নিশীথে জীবন খাতা খুলে যখন পড়ি
কল্পনা আর বাস্তবতায় অসীম ফারাক দেখি
বোকা-সোকা এই আমিকেও নকল পাড়ায় পাই
ইচ্ছে দিনের কথা ভেবে একলা হেসে যাই
বলছি মুখে যেমন কথা নয়তো জীবন তেমন
কাব্য লেখাও হলো না আর মন চেয়েছে যেমন
ইচ্ছে নদীর এইতো ধারা ভাবলে আয়ু ক্ষয়
তবু ইচ্ছে সেলাই করে…ভাবি সুখের জয়।
শুভ নববর্ষে
সুফিয়ান আহমদ চৌধুরী
রঙে রঙে সাজে দেশ
ঢোল বাজে হর্ষে
চারদিকে হাসি খুশি
শুভ নববর্ষে।
পাখি ওড়ে নীলাকাশে
গাছে ফুল ফুটে
ধান খেতে চাষি ওই
রাঙা পান ঠোঁটে।
বধূ গায় সুখে গান
মাঠে বসে মেলা
খোকা খুকু ঘুরে সুখে
কাটে কী যে বেলা।
নববর্ষে দুখ ভুলে
আনন্দে যে দেশ
সবুজের মেলা বয়
লাগে ভালো বেশ।
শবে কদরের পরে এবং ঈদের ছুটির আগে ২০ এপ্রিলকে (বৃহস্পতিবার) সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
ফলে এবার ঈদের সরকারি ছুটি পাঁচ দিন হবে। তবে রোজা ৩০টা পূর্ণ হলে ছয় দিন ছুটি পাবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সবকিছু নির্ভর করছে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার ওপর।
এর আগে সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে ওই তারিখে সাধারণ ছুটি অনুমোদন করা হয়।
এবার ২২ এপ্রিল শনিবার ঈদুল ফিতরের তারিখ নির্ধারণ করে ছুটির তালিকা তৈরি করে সরকার। সে অনুযায়ী শুরুতে যে তিন দিন ছুটি ছিল। এর মধ্যে শুক্র ও শনিবার পড়ে যাচ্ছিল। অর্থাৎ সরকারি চাকুরেদের ঈদের ছুটির তিন দিনের দু’দিনই পড়ে যাচ্ছিল সাপ্তাহিক ছুটির দিনে।
তবে ১৯ এপ্রিল শবে কদরের ছুটির পর ২০ এপ্রিল সাধারণ ছুটি ঘোষণা হওয়ায় এখন ঈদের ছুটি দাঁড়াচ্ছে পাঁচ দিনে। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী ক্ষমতাবলে ২০ এপ্রিল সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি সরাসরি না এলেও ঘোমটা পরে আসবে। এটা তাদের রাজনীতির আরেক ভণ্ডামি।
তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন পর্যায়ের স্থানীয় নির্বাচনে বিএনপির দলীয় প্রতীক (ধানের শীষ) ছিল না, কিন্তু ঘোমটা পরে সব খানেই তাদের প্রার্থী ছিল। এই ঘোমটা পরা প্রার্থী কিন্তু সিটি নির্বাচনেও থাকবে। সিলেটের বর্তমান মেয়র আরিফ অলরেডি ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যান্য সিটিতেও ঘোমটা পরা তাদের স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন।’
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।
আগামী ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালন উপলক্ষে মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদাহ ও যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় দলীয় সংসদ সদস্য, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানদের সাথে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটা মহল বিএনপির নেতৃত্বে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত দিবসগুলোকে অস্বীকার করে, পালন করে না, উপেক্ষা করে। এর মধ্যে ১৭ এপ্রিল একটি। এদিন দেখবেন বিএনপির কোনো কর্মসূচি নেই।
তিনি বলেন, ৭ মার্চ তারা পালন করে না। স্বাধীনতার পথে স্বাধীকার আন্দোলনে ৭ জুন গুরুত্বপূর্ণ। এদিনও তারা পালন করে না। এরা নাকি স্বাধীনতায় বিশ্বাসী! দেখবেন তাদের বিজয় দিবসে বঙ্গবন্ধু নেই। তাদের অনুষ্ঠানমালায় বঙ্গবন্ধু নেই। স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার মহানায়ক নেই।
ওবায়দুল কাদের বলেন, জিয়াউর রহমান যা শুরু করে দিয়েছিল সেই ধারা বিএনপি এখনো অব্যাহত রেখেছে। ক্ষমতায় থাকতে বিএনপি এমনটা করেছে এখনো তারা সেই ভাবধারা বহন করছে। মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনায় তারা বিশ্বাস করে না।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণার পাঠক মাত্র। ঘোষণার পাঠক ঘোষক হতে পারে না। স্বাধীনতার ঘোষণা অনেকেই পাঠ করেছেন। স্বাধীনতা ঘোষণার একমাত্র বৈধ অধিকার ছিল বঙ্গবন্ধুর। সত্তরের নির্বাচনে জনগণ তাকে সেই ম্যান্ডেট দিয়েছিল।
মতবিনিময় সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ ও আফম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, আওয়ামী লীগের উপপ্রচার সম্পাদক সৈয়দ আব্দুল আউয়াল শামীম, উপদফতর সম্পাদক সায়েম খানসহ নির্দিষ্ট জেলাসমূহের দলীয় নেতৃবৃন্দ ও সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র : বাসস
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বর্তমান সরকার একটি অবৈধ সরকারই নয়, দখলদারি সরকারের ভূমিকা পালন করে রাজতন্ত্র কায়েম করতে চায়।
মঙ্গলবার এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। গুলশান লেক শো’র হোটেলে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, গণতন্ত্র এবং সাংবিধানিক কাঠামো’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে বিএনপি। এ সেমিনারে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মোশাররফ হোসেন।
তিন বলেন, এখন পরিস্থিতি খুব ভয়াবহ। আমাদের গণতন্ত্রকামি জাতিকে একটি ভয়াবহ সঙ্ঘাতের দিকে ফেলে দেয়া হচ্ছে। কিভাবে নাগরিককে ভয়-ভীতি দেখিয়ে দাস করে রাখা যায়; তারই প্রতিচ্ছবি দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশে। এরা রাজতন্ত্র কায়েম করতে চায়।
মহাসচিব বলেন, এখন একটাই মত, এ সরকারকে সরাতে হবে। কারণ একে সরানোর কোনো বিকল্প নেই। বিচার বিভাগের বিচার পাওয়া এখন একটা ভাগ্যের ব্যাপার। অর্থনৈতিক, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে এরা পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়েছে। সামনে নির্বাচনকে রেখে তারা নতুন নতুন আইন করছে। যাতে কেউ রুখে দাঁড়াতে না পারে, প্রতিবাদ না করতে পারে। নির্বাচনে প্রতিপক্ষকে আইন দিয়ে ঘায়েল করে এরা পার হতে চায়।
মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ এখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার মানতেই চায় না। তারা বলে এটা বাতিল হয়েছে। কবর হয়েছে। আপনারা যখন এই ব্যবস্থার দাবিতে আন্দোলন করেছিলেন। তখন কি এটা জীবন্ত ছিল? আমরা তো আপনাদের দাবি মেনে ছিলাম। তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমাদের সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিয়েছিল। তত্ত্বাবধায়ক নিরপেক্ষ সরকারের মাধ্যমে নির্বাচন দিতে হবে। এর মাধ্যমে সবার ভোটাধিকার ফিরে পাবে। ডিজিটাল আইন নামে এই কালা কালুন বাতিল করতে হবে।
তিনি বলেন, আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে বৈষম্য কমিয়ে সাম্যের একটি দেশ গড়তে একসাথে আন্দোলনের ঝাঁপিয়ে করি। কারণ এই দানব সরকার আমাদের ঘাড়ে চেপে বসেছে। একে ঘাড় থেকে নামিয়ে ফেলতে হবে। এর জন্য আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই।
প্রধান অতিথির বক্তব্য ড. মোশাররফ বলেন, এই সরকার ক্ষমতা থাকার জন্য সকল যন্ত্র ব্যবহার করছে। এর একটি যন্ত্র হচ্ছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। এই ডিজিটাল আইন গণতন্ত্র পরিপন্থী। আজকে এরা মুক্তিযোদ্ধা চেতনা ধ্বংস করে দিয়েছে। লুটপাট করে বিদেশে টাকা পাচার করেছে। আজ আমাদের কণ্ঠকে রোধ করতে তারা সকল যন্ত্রকে ব্যবহার করছে।
তিনি বলেন, আমেরিকা বলেছে বাংলাদেশের কোনো গণতন্ত্র নেই। যে দেশে গণতন্ত্র নেই সে দেশের মানবাধিকার থাকে না। তাই তারা মানবাধিকার না থাকায় র্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এই সরকার কিছু কালাকাল কালুন দিয়ে আমাদের ওপর চাপিয়ে এরা ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করবে। এইসব কালাকানুন দিয়ে তাদের দুরভিসন্ধি হলো সামনে আন্দোলনকে তারা বন্ধ করে দিবে। প্রধানমন্ত্রীও জানেন তিনি দেশের ভোটে নির্বাচিত নন। তাই তিনি সংসদে দাঁড়িয়ে এরকম কথা বলতে পারেন।
গণআন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারকে বিতাড়িত করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই বলে জানান বিএনপির এই নেতা।
বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীর সঞ্চালনায় ও সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, শামা ওবায়েদের পরিচানায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান মেজর অবঃ হাফিজ উদ্দিন আহমদ, আবদুল্লাহ আল নোমান, শাজাহান ওমর, বরকত উল্লা বুলু, অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান, উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী, বিজন কান্তি সরকার, অ্যাডভোকেট সুকমল বড়ুয়া, ক্যাপ্টেন সৈয়দ সুজা উদ্দিন প্রমুখ।
অন্য দলের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, গণ অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া, সদস্য সচিব নুরুল হক নুর প্রমুখ।
নতুন করে প্রাণনাশের হুমকি বলিউড অভিনেতা সালমান খানকে। গত মাসে ই-মেইলের মাধ্যমে তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি এসেছিল লরেন্স বিষ্ণোইয়ের গ্যাংয়ের পক্ষ থেকে। এবার নিজেকে ‘রকি ভাই’ বলে দাবি করা এক ব্যক্তি সোজা মুম্বাই পুলিশের কন্ট্রোল রুমে ফোন করে সালমান খানকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে।
এদিকে, হুমকি ফোন আসার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তকে। ভাইজান খ্যাত সালমানের নিরাপত্তায় কোনোরকম ঘাটতি রাখছে না পুলিশ।
জানা যায়, যোধপুরের বাসিন্দা রকি ভাই। স্বঘোষিত গো-রক্ষক সে। মুম্বাই পুলিশের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদ সংস্থা এএনআই মঙ্গলবার জানিয়েছে, আগামী ৩০ এপ্রিল সালমান খানকে খুন করা হবে- এমন হুমকি দিয়েছে রাজস্থানের যোদপুরের এই গো-রক্ষক। যদিও বাস্তবে এই হুমকিদাতা শিশু বয়সী, তাই তার হুমকিকে খুব বেশি গুরুত্ব দিতে রাজি নয় পুলিশ। তবে তদন্তের খাতিরে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিন এএনআইকে মুম্বাই পুলিশ জানিয়েছে, ‘গতকাল পুলিশ কন্ট্রোল রুমে একটি ফোন আসে। নিজেকে রাজস্থানের যোধপুরের রকি ভাই বলে পরিচয় দেয়া এক ব্যক্তি সালমান খানকে ৩০ এপ্রিল প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে। বিস্তারিত তদন্ত চলছে।’
সালমান এমন দিনে হুমকিটি পেলেন যেদিন মুম্বাইয়ে তার আসন্ন ছবি ‘কিসি কা ভাই কিসি কি জান’ ছবির ট্রেলার প্রকাশ অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন।
লরেন্স বিষ্ণোইয়ের গ্যাং সালমানকে হত্যার ছক কষেছে, সে প্রমাণ পুলিশের হাতে এসেছে আগেই। অভিনেতার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তাকে ওয়াই প্লাস ক্যাটেগরির সুরক্ষা দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে সালমানের ব্যক্তিগত দেহরক্ষীরাও সদা তৎপর তার সুরক্ষায়, যাতে কোনো ফাঁক না থাকে তা নিশ্চিত করতে। নিজের সুরক্ষার জন্য মোটা টাকা খরচ করেছেন দাবাং খান। নিশান প্যাট্রোল এসইউভি, বুলেটপ্রুফ গাড়ি কিনেছেন অভিনেতা, সাথে রাখছেন লাইসেন্স করা বন্দুক।
সালমানের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বিগ্ন তার পরিবার ও প্রিয়জনরা। একের পর এক মৃত্যুর হুমকিকে মোটেই হালকাভাবে নিচ্ছেন না কেউই। তবে পুলিশের উপর আস্থা রয়েছে খান পরিবারের। সালমানের রোজনামচা থেকে শুরু করে প্রতিদিনের কর্মসূচিতে পুলিশ বদল আনছে এই হুমকির জন্য।
লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ডানহাত গোল্ডির সাগরেদ গতমাসে সালমানকে যে হুমকি ই-মেইল পাঠায়, তাতে ‘ম্যাটার ক্লোজ’ করার কথা উল্লেখ রয়েছে। ওই হুমকিভরা মেইলে গোল্ডি জানতে চেয়েছেন যে লরেন্সের ইন্টারভিউটা সালমান দেখেছেন কিনা, যেখানে লরেন্স বিষ্ণোইকে কৃষ্ণসার হরিণকে হত্যার জন্য সালমানকে ক্ষমা চাইতে বলেছেন, না হলে ফল ভোগ করার হুমকি দিয়েছেন। গত মাসের শেষেই ওই ই-মেইল পাঠানোর অপরাধে ধাকড়রাম বিষ্ণোইকে গ্রেফতার করে মুম্বাই পুলিশ।
১৯৯৮ সালে সালমান খানের উপর যোদপুরে ফিল্মের শ্যুটিং চলাকালীন দুটি কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার অভিযোগ রয়েছে। সেই সময় থেকে বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের চক্ষুশূল ভাইজান। এর আগে বেশ কয়েকবার সালমান খানকে শার্প শুটার দিয়ে হত্যার ছক কষেছে লরেন্স বিষ্ণোই। ২০১৮ সালে প্রকাশ্যে সে জানিয়েছিল, ‘যোদপুরে সালমান খানকে আমরা হত্যা করব’।
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস
২৪ এপ্রিল বেলা ১১টায় নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠিত হবে। নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের দিনক্ষণ সম্পর্কে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে অবহিত করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো: মাহবুব হোসেন।
স্পিকারের সাথে মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) তার সংসদ ভবনস্থ কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব স্পিকারকে শপথের বিষয়ে অবহিত করেন।
জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী রাষ্ট্রপতির শপথবাক্য পাঠ করাবেন। এ সময় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
সূত্র : বাসস
সোনার বাংলা
ফজিলা খাতুন
আমার সোনার বাংলা
তুমি কি শুনছো না?
বিশ্বের কোথাও নেই তোমার মত
সুন্দর অপরূপ মায়া।
কখনো স্বাধীনতার আগুনে
লাল হয়েছিল তোমার বুকে
কখনো অশান্তির দামনে
জ্বলে উঠেছিল তোমার বীরত্বে।
তোমার জলে জলধারা
তোমার নদী গঙ্গা যমুনা
তোমার মাঠে চমকে উঠে
সোনালী ফসলের ছায়া।
তোমার ছায়াপথ চুলে
স্বপ্নে আছি আমি সদা
আমি বাংলার মাটি ধরে
সমস্ত কষ্ট ভুলে যাই।