Home Blog Page 635

বাংলাদেশ নিয়েও প্রচুর আগ্রহ পঙ্কজ ত্রিপাঠীর, বললেন জয়া ।

ঢাকা ডেস্ক : দুই দেশে দাপটের সঙ্গে অভিনয় করছেন বাংলাদেশের গুণী অভিনেত্রী জয়া আহসান। তার অভিনয় দক্ষতায় মুগ্ধ সবাই।
এবার ঢালিউড, টলিউড পেরিয়ে জয়ার স্বপ্নের উড়ান বলিউড! ইতিমধ্যেই নিজের প্রথম হিন্দি ছবির শ্যুটিংয়ের কাজ শেষ করে ফেলেছেন জয়া। ছবির নাম ‘কড়ক সিং’। ছবির পরিচালক অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী। এই ছবিতে মুখ্যচরিত্রে অভিনয় করছেন ‘কলিন ভাইয়া’ পঙ্কজ ত্রিপাঠী।
কো-স্টার হিসাবে পঙ্কজ ত্রিপাঠীকে পেয়ে মন্ত্রমুগ্ধ জয়া। এক সাক্ষাৎকারে ঢাকাই সুন্দরী বলেছেন, ‘স্টারডম জিনিসটি পঙ্কজজির (ত্রিপাঠী) মধ্যে নেই। তিনি ভীষণ সহযোগী একজন অভিনেতা। তিনি প্রায় সময়ই আমাদের জন্য খাবার নিয়ে আসতেন।
জয়া-পঙ্কজ ছাড়াও এই ছবিতে থাকছেন মালায়লাম অভিনেত্রী পার্বতী থিরুভোথু এবং ‘দিল বেচারা’ খ্যাত সঞ্জনা সাংঘি। গত শনিবার এই ছবির শ্যুটিং শেষ হয়েছে।
জয়া আহসান জানান, ‘আমি জিগ্গেস করিনি আমার কোনও কাজ দেখেছেন কিনা উনি, নিজেই নিঁখুতভাবে বলছিলেন আমার কাজ নিয়ে। শ্যুটিং হোক বা আড্ডা- অনেক শিখেছি ওনার কাজ থেকে।’
বাংলাদেশ নিয়েও প্রচুর আগ্রহ পঙ্কজ ত্রিপাঠীর, বিশেষত জয়ার কাছে একটা আবদারও রেখেছেন অভিনেতা।
শ্যুটিং চলাকালীন নাকি ইলিশ খেতে চেয়েছিলেন অভিনেতা, কিন্তু কলকাতায় বাংলাদেশের ইলিশ পাওয়া দুষ্কর, তাই জয়া বাংলাদেশে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন রেখেছেন। কারণ ‘ভোজন রসিক’ পঙ্কজ ত্রিপাঠিকে বাঙালি খাবার খাওয়াতে চান অভিনেত্রী।
শ্যুটিং শেষের পর মন খারাপ জয়ার। এতদিন একটা পরিবার হয়ে শ্যুটিং করছিলেন, শুধু সহ-অভিনেতা নয়, ইউনিটের সবাইকে মিস করছেন জয়া আহসান।
ইতিমধ্যেই বলিউডে বেশ কিছু কাজের অফার রয়েছে জয়ার হাতে। সব ইন্ডাস্ট্রিতেই জয়ার কাছে অভিনয়ের ক্ষেত্রটা এক, তবে হিন্দি ভাষা রপ্ত করতে একটু বেগ পেতেই হচ্ছে। কিন্তু সেটাও অন্যরকম একটা অভিজ্ঞতা। আপতত শুধুই কাজ করে যেতে চান জয়া আহসান।

সিঙ্গেল, বাট নট হ্যাপি টু মিঙ্গেল : শ্রীলেখা

ঢাকা ডেস্ক: ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে ঢাকায় এসেছেন ভারতীয় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।
তিনি সিঙ্গেল মাদার। মেয়েকে নিয়ে তিনি জীবনযাপন করছেন। কথা প্রসঙ্গে বললেন, সিঙ্গেল, বাট নট হ্যাপি টু মিঙ্গেল। (হাসি)। তবে এই সিঙ্গেল জীবনে তিনি ভালো আছেন। বেশ ভালো আছেন বলেও জানালেন। বললেন, ‘বেশ ভালো আছি। অনেক বয়স হয়েছে। আমার মেয়ের এখন বয়ফ্রেন্ড হওয়ার কথা।’ তবে আমি প্রেমে আছি, রোমান্সে আছি।
প্রেমে আছেন, রোমান্সে আছে জানতেই ব্যাখ্যা করে বললেন, ‘প্রেমে আছি বলতে, ওই যে আমার জীবে আমার প্রেম। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন, জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর। যার জন্য ধর্ম নিয়ে রাজনীতি, যেটা আমাদের দেশেও আছে, আমি সেটার বিরুদ্ধে কথা বলি। আমি একটা মুভমেন্টও শুরু করেছি, হ্যাশট্যাগ মাই রিলিজিয়ন অব লাভ। সুতরাং আমার ধর্মই তো প্রেম।’
ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ২১তম আসরে অংশ নিতে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় ঢাকায় এসেছেন টালিগঞ্জের অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। তার পরিচালনায় নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘এবং ছাদ’-এর প্রদর্শনী ছিল সোমবার। সোমবার বিকাল পাঁচটায় জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে তার সিনেমার প্রথম প্রদর্শনী শুরু হয়।
উত্তর কলকাতার ছাদকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে সিনেমার গল্প। এতে মধ্যবয়সী এক গৃহবধূর চরিত্রে অভিনয় করেছেন শ্রীলেখা। অভিনয়ে আরও আছেন ছোট পর্দার অভিনেতা প্রীতম দাস। পরিচালনার পাশাপাশি ছবিটি প্রযোজনাও করেছেন শ্রীলেখা।

২৫ জানুয়ারি সারাদেশে বিএনপির সমাবেশ

ঢাকা ডেস্ক : বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য কমানো এবং ১০ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী ২৫ জানুয়ারি সারাদেশে সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি।
সোমবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে নয়াপল্টনে ঢাকা মহানগর বিএনপির সমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন এ ঘোষণা দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সরকার মেগা প্রজেক্ট করে মেগা দুর্নীতি করার সুযোগ করে দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছে গত ১০ বছরে প্রায় দশ লাখ কোটি টাকার বেশি বিদেশে পাচার হয়েছে। আমরা মনে করি আন্ডার ইনভয়েস-ওভার ইনভয়েস করে এই টাকা আওয়ামী লীগ সিন্ডিকেটের ব্যবসায়ীরা বিদেশে পাচার করেছে।
তিনি বলেন, ব্যাংকে ভোক্তা পর্যায়ে সুদের হার বৃদ্ধি করে তারা (সরকার) আইএমএফকে খুশি করতে চায়। কিন্তু আইএমএফ বলেছে তারা খুশি নয়। তারা আরও সংস্কার দেখতে চায়। তার অর্থ হচ্ছে আজকে আইএমএফও বুঝতে পেরেছে বাংলাদেশের টাকা বিদেশে চলে গেছে, যার জন্য আজকে ডলারের সংকট, ব্যাংকগুলোতে তারল্যের সংকট।
এদিকে সমাবেশের পর বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ ও ১০ দফা দাবি নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করছেন নেতা-কর্মীরা। বিকেল সোয়া ৪টায় এ মিছিল শুরু হয়। যানজটের কথা বিবেচনা করে মিছিলটি নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে ফকিরাপুল পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত হবে বলে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত, যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে আজ মিছিল-সমাবেশ করছে বিএনপি। এর আগে গত ১১ জানুয়ারি গণ-অবস্থান কর্মসূচি থেকে আজকের মিছিল-সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। নির্দলীয়-নিরপেক্ষ তত্ত¡াবধায়ক সরকারসহ পূর্বঘোষিত ১০ দফা দাবির সঙ্গে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ইস্যুটি সামনে এনেছে দলটি।

যুক্তরাষ্ট্রে নৃশংসতা : গুলিতে শিশুসহ নিহত ৬

নিউইয়র্ক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি বাড়িতে গুলিতে শিশুসহ ছয়জন নিহত হয়েছে। সোমবার স্থানীয় সময় ভোর ৩:৩০-এ গোশেন প্রপার্টিতে এ ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৭ বছর বয়স্কা এক মা ও ছয় মাসের একটি শিশু রয়েছে।

পুলিশ দুজনের লাশ রাস্তায় এবং অপর চারজনের লাশ একটি বাড়ির ভেতরে পায়।
শেরিফ ঘটনাটিকে ‘নৃশংস হত্যাযজ্ঞ’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, ঘাতকদের খুঁজছে পুলিশ।
পুলিশ ধারণা করছে, পরিবারটি কোনো দুর্বৃত্ত দলের সদস্য ছিল। তাদেরকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
টুলার কাউন্টি শেরিফ মাইক বর্দু সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, মাত্র এক সপ্তাহ আগে মাদকের সন্ধানে একই বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালিয়েছিল।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ পৌঁছার সময় একজন তখনো জীবিত ছিল। তারা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করায়। তবে সেখানে সে কিছুক্ষণ পরে মারা যায়।
তদন্তকারীরা বলছে, অন্তত দুজন হত্যাকারী এতে অংশ নিয়েছিল।

ইউক্রেন বাহিনীকে বৃহত্তর প্রশিক্ষণ দেয়া শুরু করছে যুক্তরাষ্ট্র

নিউইয়র্ক ডেস্ক, ১৭ জানুয়ারি : জার্মানিতে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে সমপ্রসারিত যুদ্ধ প্রশিক্ষণ দেয়া শুরু করছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান, জেনারেল মার্ক মিলি জানান, আগামী পাঁচ থেকে আট সপ্তাহের মধ্যে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য প্রায় ৫০০ সৈন্যকে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।
সোমবার গ্র্যাফেনওহর প্রশিক্ষণ এলাকা পরিদর্শন করেন মিলি। তিনি জানান, সৈন্যরা কয়েক দিন আগে ইউক্রেন ত্যাগ করেছে। জার্মানিতে তাদের ব্যবহারের জন্য অস্ত্র ও সরঞ্জাম রয়েছে।
ঠিক কবে থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হবে তা পেন্টাগন জানায়নি। ইউক্রেনীয় বাহিনীর দক্ষতা ও রুশ আক্রমণ মোকাবেলা করার জন্য তথাকথিত সম্মিলিত অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেয়াই মূল লক্ষ্য। তারা সম্মিলিত কামান, বর্ম এবং স্থল বাহিনী ব্যবহার করে যুদ্ধে ইউনিটগুলোকে আরো ভালোভাবে দিকনির্দেশনা এবং সমন্বয় করতে সাহায্য করবে এই প্রশিক্ষণ।
রোববার তার সাথে ইউরোপে ভ্রমণরত দুই সাংবাদিকের সাথে কথা বলার সময় মিলি জানান, এই জটিল প্রশিক্ষণে নতুন অস্ত্র, কামান, ট্যাঙ্ক এবং অন্যান্য যানবাহন ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রায় ১১ মাসের যুদ্ধে রাশিয়ার দখলে থাকা দেশটির সেই অঞ্চলগুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়ার জন্য এই প্রশিক্ষণ বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

আবারো বিজেপির আক্রমণের শিকার অমর্ত্য সেন

ঢাকা ডেস্ক, ১৭ জানুয়ারি : পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ারও যোগ্যতা রাখেন, ভারতের নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন একটি সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করার পর দেশে ক্ষমতাসীন বিজেপির সাথে তার সঙ্ঘাত তুঙ্গে পৌঁছেছে।
নরেন্দ্র মোদি সরকারের প্রবল সমালোচক বলে পরিচিত অমর্ত্য সেন সম্প্রতি একের পর এক সাক্ষাৎকারে ও অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যেই বিজেপির মতাদর্শকে কঠোর ভাষায় আক্রমণ করেছেন।
সবশেষ গেল সপ্তাহে বার্তা সংস্থা পিটিআই-কে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি মন্তব্য করেছেন, আগামী বছর দেশের সাধারণ নির্বাচনে বিজেপি অনায়াসে জিতবে এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। তার সূত্র ধরেই তিনি মমতা ব্যানার্জির প্রধানমন্ত্রিত্বের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন।
এর পরই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেছেন, ওনার মতো এত অভিজ্ঞ ও একজন বিদ্বান ব্যক্তির এই মন্তব্য আমার কাছে আদেশ!
তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রবীণ অর্থনীতিবিদের বক্তব্যে উচ্ছ¡সিত প্রতিক্রিয়া জানানো হলেও বিজেপি অবশ্য যথারীতি অমর্ত্য সেনকে কটাক্ষ করেছে তীব্র ভাষায়।
একজন অর্থনীতিবিদ হয়েও কেন তিনি দেশের রাজনীতি নিয়ে নাক গলাচ্ছেন, পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতারা এখন আবার সেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।
অমর্ত্য সেন বেঁচে থাকতে ভারত থেকে বিজেপির বিদায় দেখে যেতে পারবেন না, এমন কথাও সরাসরি বলছেন তারা। দিল্লিতে বিজেপির ক্যাবিনেট মন্ত্রীরা পর্যন্ত ব্যঙ্গ করে বলছেন, অমর্ত্য সেন যা খুশি বলতে পারেন কিন্তু ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদে কোনো চাকরি খালি নেই!’
বছরদুয়েক আগে শান্তিনিকেতনে অমর্ত্য সেনের পৈতৃক বাসভবনের জমি যখন জবরদখল করা বলে অভিযোগ উঠেছিল, তখন ‘বোন ও বন্ধু’ হিসেবে মমতা ব্যানার্জি যে তাকে সমর্থনসূচক চিঠি লিখেছিলেন, সে কথাও তারা মনে করিয়ে দিচ্ছেন।
সব মিলিয়ে মমতা ব্যানার্জিকে দেয়া অমর্ত্য সেনের ‘প্রশংসাপত্র’কে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের বিরোধ আবার দৃষ্টিকটুভাবে সামনে চলে এসেছে।
ঠিক কী বলেছেন অমর্ত্য সেন?
গত ১৯ ডিসেম্বর ফরাসি পত্রিকা লে মঁদকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে অমর্ত্য সেন বলেছিলেন, ভারতে এখন যেটা চলছে সেটাকে বলা যেতে পারে সা¤প্রদায়িকতাপূর্ণ একটি শাসনব্যবস্থার সংকীর্ণতম রূপ।
যেভাবে ভারতে মুসলিমরা আক্রান্ত হচ্ছেন এবং যেভাবে একটি হিন্দু রাষ্ট্রের ভাবনা প্রচার করা হচ্ছে তার তীব্র নিন্দা ব্যক্ত করেন তিনি।
এরপর এ বছরের ৯ জানুয়ারি কলকাতায় নিজের প্রতিষ্ঠিত ‘প্রতীচী ট্রাস্টে’র একটি অনুষ্ঠানে তিনি সরাসরি বিজেপির নাম না নিয়েও মন্তব্য করেন, ভারতে এই মুহূর্তে যে অসহিষ্ণুতার পরিবেশ চলছে তা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। মানুষকে এর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতেই হবে।
গত সপ্তাহেই সুপরিচিত সাংবাদিক করণ থাপারকে দেয়া আর একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে জঘন্যতম সরকারগুলোর মধ্যে একটি হলো ভারতের মোদি সরকার।
পার্লামেন্টের কোনো কক্ষেই যে ভারতের শাসক দলের একজনও মুসলিম সদস্য নেই, সে বিষয়টিকেও ‘বর্বরোচিত’ ও ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে বর্ণনা করেন তিনি।
কিন্তু চলতি সপ্তাহে বার্তা সংস্থা পিটিআই-কে দেয়া তার সাক্ষাৎকারটি ঘিরেই সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে, কারণ সেখানে তিনি দেশের বর্তমান রাজনীতি নিয়ে নিজস্ব কিছু পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন।
ওই সাক্ষাৎকারে অমর্ত্য সেন বলেন-
মমতা ব্যানার্জির অবশ্যই দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা আছে, তবে এই পদে যেতে হলে তাকে দেশের বিজেপি-বিরোধী শক্তিগুলোকে একজোট করে দেখাতে হবে।
বিজেপির বিরুদ্ধে দেশের মানুষের হতাশাকে ব্যানার্জি কতটা কাজে লাগাতে পারবেন, তা অবশ্য এখনো দেখার বিষয়। এটা এখনো সন্দেহাতীতভাবে প্রতিষ্ঠিত বা প্রমাণিত নয়।
বিজেপি ২০২৪ -এর নির্বাচনে একাই দৌড়াবে, এটা ভাবার কোনো কারণ নেই। আগামী বছরের নির্বাচনে আঞ্চলিক দলগুলোও খুব প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে।
এই পটভূমিতেই লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে। একই রকমভাবে নজর থাকবে সমাজবাদী পার্টি বা ডিএমকের মতো দলগুলোর ওপরেও।
বিজেপির প্রতিক্রিয়ায় শ্লেষ
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কখনো সরাসরি নাম করে অমর্ত্য সেনের সমালোচনা না করলেও তার সরকার যে বর্ষীয়ান ও বরেণ্য এই অর্থনীতিবিদকে কী চোখে দেখে তা অবশ্য নানা ঘটনাতেই স্পষ্ট হয়ে গেছে।
প্রধানমন্ত্রী মোদিও ২০১৭তে একটি জনসভায় বলেছিলেন, ‘হার্ভার্ডের চেয়ে হার্ড ওয়ার্ক (কঠোর পরিশ্রম) যে অনেক বেশি শক্তিশালী, সেটা বারে বারে প্রমাণ হয়েছে’। উল্লেখ্য, অমর্ত্য সেন তখনও হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিরই অধ্যাপক ছিলেন।
বিহারে ‘পুনরুজ্জীবিত’ নালন্দা ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলার হিসেবে অমর্ত্য সেনের ভূমিকা নিয়েও বিজেপি নানা প্রশ্ন তুলেছে, যদিও সেই সব কথিত দুর্নীতির অভিযোগ এখন অবধি প্রমাণিত হয়নি।
জাতীয় স্তরে দলের সহ-সভাপতি ও এমপি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, মোদিজিকে সরিয়ে অন্য কাউকে দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে বসাবেন, এটা অমর্ত্য সেনদের অনেক পুরাতন স্বপ্ন। কিন্তু তাদের সেই স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে যাবে, এটা দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি।
আগামী লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি আসনের সবগুলো পেলেও যে মমতা ব্যানার্জির পক্ষে প্রধানমন্ত্রী হওয়া সম্ভব নয়, সে কথাও তিনি মনে করিয়ে দিচ্ছেন।
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য আরো কড়া ভাষায় মন্তব্য করেছেন, অমর্ত্য সেনের দীর্ঘায়ু কামনা করি, কিন্তু তিনি যে নিজের জীবদ্দশায় বিজেপি-মুক্ত ভারত দেখে যেতে পারবেন না তাতে কোনো সংশয় নেই।
২০২৪-র নির্বাচনে অমর্ত্য সেনের বাসভবন ‘প্রতীচী’র দরজাতেও ‘পদ্মফুল’ (বিজেপির নির্বাচনী প্রতীক) ফুটবে বলে তিনি কটাক্ষ করেন। আরো এক ধাপ এগিয়ে বিজেপির সিনিয়র নেতা ও কেন্দ্রের ক্যাবিনেট মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, গণতন্ত্রে যে কেউ যা খুশি বলতে পারেন, দিবাস্বপ্নও দেখতে পারেন। অমর্ত্য সেনেরও মতামত দেয়ার পূর্ণ অধিকার আছে, তা নিয়ে আমার কিছু বলার নেই। কিন্তু ওনাকে মনে করিয়ে দেব, এই দেশে প্রধানমন্ত্রী পদে কোনো ভ্যাকেন্সি নেই। গত দু’দফায় দেশের মানুষ মোদিজিকে বিপুল ভোটে জিতিয়েছে, সামনের বছর আবার জেতাবে!
অমর্ত্য সেন ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পরের বছর তাকে ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক খেতাব ‘ভারতরতেœ’ ভূষিত করেছিল অটলবিহারী বাজপায়ীর বিজেপি সরকার।

অবশেষে ডিভোর্স সম্পূর্ণ নচিকেতার ।

ঢাকা ডেস্কঃ জীবনমুখী ও বাস্তবধর্মী গানের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী দুই বাংলার মানুষরে কাছে বেশ জনপ্রিয়। জনপ্রিয় এই শিল্পী রহস্যময় এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন। যেখানে ডিভোর্সের কথা বলা হয়েছে।
সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৫ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে নচিকেতা লেখেন, যাঃ! অবশেষে ডিভোর্সটা হয়েই গেল।
তবে কার ডিভোর্স হয়েছে তা উল্লেখ করেননি তিনি। কারো কারো ধারণা নতুন কোনো গান আসছে তার। যার শিরোনাম হতে পারে, ‘যাঃ! অবশেষে ডিভোর্সটা হয়েই গেল।’
৫৭ বছর বয়সী জনপ্রিয় এই শিল্পীর বাড়ি কলকাতায়। সেখানেই তার জন্ম। তবে নচিকেতার পৈতৃক বাড়ি বাংলাদেশের বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার চেচরীরামপুর গ্রামে।
তবে তার এই স্ট্যাটাসে কমেন্ট করেছেন অনেকে। বেশিরভাগই জানতে চেয়েছেন এই পোস্টের রহস্য।

ফোর্বসের জরিপে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী অভিনয়শিল্পীদের তালিকায় বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান

নিউইয়র্ক প্রতিনিধি, ১২ জানুয়ারি : বলিউড বাদশাহ বলা হয় শাহরুখ খানকে। এদিকে যেমন তিনি বলিউডের শীর্ষ তারকা, অন্যদিকে তিন ভারতের শীর্ষ ব্যবসায়ীও। কারণ বলিউডের দীর্ঘ অভিনয় ক্যারিয়ারে যশ-খ্যাতি যেমন পেয়েছেন, তেমনি আয় করেছেন মোটা অঙ্কের অর্থ। এবার বিশ্বের সবচেয়ে ধনী অভিনয়শিল্পীদের তালিকায় উঠে এসেছে এই তারকার নাম। ওয়ার্ল্ড অব স্ট্যাটিস্টিক্স এই তালিকা প্রকাশ করেছে।
এ তালিকার সবার উপরে রয়েছেন মার্কিন স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান জেরি সিনফিল্ডের নাম। তার মোট অর্থের পরিমাণ ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন মার্কিন অভিনেতা-পরিচালক টেইলর পেরি। তার অর্থের পরিমাণও ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন ‘দ্য রক’খ্যাত মার্কিন অভিনেতা ডোয়াইন জনসন। যার সম্পদের পরিমাণ ৮০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এ তালিকার চতুর্থ অবস্থানে রয়েছেন ভারতের বলিউড অভিনেতা শাহরুখ খান। তার সম্পদের পরিমাণ ৭৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। পঞ্চম স্থানে রয়েছেন মার্কিন অভিনেতা টম ক্রুজ। যার সম্পদ ৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ৬ষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম স্থানে যথাক্রমে রয়েছেন চাইনিজ অভিনেতা জ্যাকি চ্যান (৫২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), মার্কিন অভিনেতা-পরিচালক জর্জ ক্লুনি (৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), মার্কিন অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো (৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
শাহরুখ খান নামি ১৪টি পণ্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এ তালিকায় রয়েছে, আইসিআইসি, লাক্স, হুন্দাই প্রভৃতি। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান তাকে পারিশ্রমিক হিসেবে ৫.৫-১০ কোটি রুপি প্রদান করে থাকে। তা ছাড়া এ অভিনেতার রেড চিলিস এন্টারটেইনমেন্ট নামে একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত ম্যাগাজিন ফোর্বসের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, শাহরুখ খানের গড়ে বার্ষিক আয় প্রায় ৩১৩ কোটি রুপি। ফোর্বসের জরিপে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী অভিনয়শিল্পীদের তালিকায় তিনবার জায়গা পেয়েছেন তিনি

তুমি আমি

লুৎফুর রহমান চৌধুরী

তুমি ফুল আমি ফল
তাই তো পাখিগুলো
করে কোলাহল।

তুমি মাটি আমি চারা
তাই তো বৃষ্টির পানি
হয় দিশেহারা।

তুমি নদী আমি ঢেউ
তাই তো মুক্তা খুঁজে 
কেউ না কেউ।

তুমি চন্দ্র আমি তারা
তাই তো রৌদ্র তাপে
অশান্ত পাড়া।

তুমি ছবি আমি তুলি
তাই তো ডালে ডালে
ডাকে বুলবুলি।

তুমি পাতা আমি লতা
তাই তো সবুজ মিলে
বলে কিছু কথা।

তুমি মেঘ আমি বৃষ্টি
তাই তো দু’জন মিলে
কবিতা করি সৃষ্টি।

শাহবাগে পুলিশি বাধায় স্থগিত হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান-ঐক্য পরিষদের রোডমার্চ

ঢাকা, ১০ জানুয়ারি : ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ইতশেহারে দেওয়া প্রতিশ্রতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সাত দফা দাবিতে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে অভিমুখে রোডমার্চ পুলিশি বাঁধায় পন্ড হয়ে গেছে। গতকাল শনিবার সাত দফা দাবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে অভিমুখে স্মারকলিপি প্রদানের জন্য রোডমার্চ শুরু করে ঢাকার রমনা কালী মন্দির থেকে যাত্রা শুরু করে টিএসসি হয়ে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে পৌঁছালে সেখানে অবস্থানরত পুলিশ রোড মার্চকে সামনে এগুলোতে দেয়নি।
এসময় হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের বেশ কিছুক্ষণ আলোচনা শেষে পরিষদের অন্যতম সভাপতি নিম চন্দ্র ভৌমিকের নেতৃত্ব সাত সদস্যের একটি কমিটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদানের জন্য যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিকাল ৩টা ৫০মিনিটে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে অভিমুখে রওনা দেন। প্রতিনিধি দলের অন্যরা হলেন-রানা দাশ গুপ্ত,কাজল দেবনাথ,উষাতন তালুকদার,জয়ন্ত কুমার দেব,বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জে এল ভৌমিক,সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক চন্দ্র নাথ পোদ্দার।
রোডমার্চে ‘ধর্ম যার যার,রাষ্ট্র সবার,পদ্মা-মেঘনা-যমুনা, তোমার আমার ঠিকানা, আজকের সমাবেশ, সফল হোক! সফল হোক!, ঐক্য পরিষদের সমাবেশ, সফল হোক! সফল হোক!, সংখ্যালঘু কমিশন গঠন কর! করতে হবে!- আমাদের দাবি,আমাদের দাবি, মানতো হবে,মানতে হবে!- বলে শ্লোগান দিতে থাকে।
এর আগে বেলা ১২টায় সংগঠনের অন্যতম সভাপতি উষাতন তালুকদারের সভাপতিত্বে নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের দাবিতে রমনা কালিমন্দিরের সামনে সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে তাদের পেশকৃত সাত দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবি জানান। দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী ২৪ ফেব্রæয়ারি মশাল মিছিল কর্মসূচির ঘোষণা দেন নেতারা। এর পরেও দাবি আদায় না হলে আমরণ অনশন কর্মসূচিরও ঘোষণা দেওয়ার হুমকি দেন নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, আমরা গনিমতের মাল হিসেবে থাকতে চাইনা। রাজনৈতিক দলগুলো আমাদের বিভিন্নভাবে ব্যবহার করে সেই ব্যবহার আর আমরা করতে দেবো না। গণতন্ত্রের স্বার্থে আপনারা আমাদের থেকে কী নেবেন আর কী দেবেন এই সমঝোতা আজকে প্রয়োজন। আজকে এই সমাবেশে আমরা যে দাবি নিয়ে আমরা উপস্থিত হয়েছি, এই দাবি করেছিলাম ২০১৮ সালে। সরকারি দল এই দাবি মেনে নিয়ে তাদের ইশতেহারে তারা অঙ্গিকার করেছিলেন নির্বাচনে তারা জয়যুক্ত হলে তা বাস্তবায়ন করবেন। আমরা আশা করেছিলাম, আমরা আশা করেছিলাম, কিন্তু আর মাত্র ১বছর বাকি। এখনো তার কিছুই হয়নাই। বাংলাদেশের বিদ্যমান রাজনীতির প্রতি আমরা আস্থা রাখতে পারছি না। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরো বলেন, আপনি আমাদের শেষ ভরসাস্থল। আপনার ওপর আমরা আশা ও আস্থা রাখতে চাই। আমরা চাই এতে বিন্দুমাত্র ঘাটতি হোক। আমাদের দাবিগুলো যদি বিবেচিত না হয়, আমাদের দিকে যদি ফিরে তাকাতে কুণ্ঠাবোধ করেন, তাহলে আমরাও আপনাদের প্রতি কতটুকু ফিরে তাকাবো সেই বিষয়েও চিন্তাভাবনা করতে হবে।
এসময় তিনি রোডম্যাপের আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। পরবর্তী কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, সরকারি দলের নির্বাচনি প্রতিশ্রæতি বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী ২৪ ফেব্রæয়ারি দেশের বিভাগীয় শহর, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে মশাল মিছিলের কর্মসূচির ঘোষণা করছি। আজকের রোডম্যাপ, স্মারকলিপি প্রদান ও পরবর্তী সময়ে মশাল মিছিলের কর্মসূচি দিয়েও যদি দাবি বাস্তবায়ন না হয় তবে আমরণ অনশন কর্মসূচি দিতে আমরা প্রতিশ্রæতিবদ্ধ। সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে সংগঠনের অন্যতম সভাপতি উষাতন তালুকদার বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে এই সমাবেশে থেকে সংখ্যালঘুদের পক্ষ থেকে জানাতে চাই। আজকে এই কনকনে শীতের মধ্যে এসকল মানুষ আনন্দ করতে আসেনি। তারা এসেছে তাদের অধিকার আদায়ে, ন্যায্য দাবি লড়াইয়ে। প্রধানমন্ত্রী আমরা জানি আপনার সীমাবদ্ধতা রয়েছে, অনেক মহল রয়েছে। আপনি কথা দিলে কথা রাখেন, কিন্তু গত চার বছরে তো কোনো ওয়াদা রাখলেন না। আমরা আশা করছি আপনি অবিলম্বে আমাদের দাবি মেনে নিবেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, আমরা বার বার এই সাত দফা দাবি পেশ করে আসছি। কিন্তু কোনো অজানা কারণে আমাদের এই দাবির বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো নজর নেই। আমরা বার বার সা¤প্রদায়িক হামলার শিকার হচ্ছি,আমরা এই নির্যাতন থেকে রেহাই চাই। আমাদের এই দাবি বাস্তবায়ন অবিলম্বে না করা হলে আমরা আরো বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবো। আমরা আগামী নির্বাচন বয়কট করবো যদি আমাদের দাবি বাস্তবায়ন না করা হয়। এসময় আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মতুয়া সাধু-সংঘের সাধারণ সম্পাদক সাগর সাধু ঠাকুর, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের অন্যতম সভাপতি উষাতন তালুক, ড. নিম চন্দ্র ভৌমিকসহ আরো অনেকে।
প্রসঙ্গত, তাদের সাত দফা দাবি হলো- জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন, সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, দেবোত্তর সম্পত্তি সংরক্ষণ আইন প্রণয়ন, সমতলে অধিবাসীদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠন, অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পণ আইন যথাযথ বাস্তবায়ন,পার্বত্য শান্তি চুক্তি ও পার্বত্য ভূমি কমিশনের যথাযথ কার্যকরীকরণ, বৈষম্য বিলোপ আইন প্রণয়ন।