Home Blog Page 670

বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ হবে : আমীর খসরু

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ হবে।

মঙ্গলবার (২১ মার্চ) বিকেলে সিলেট জেলা বিএনপির উদ্যোগে নগরীর দরগাহ গেইটস্থ একটি হোটেলে ‘রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের রুপরেখা’ শীর্ষক ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণমূলক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, রাজনীতিতে পেশাজীবীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পেশাজীবীদের মাধ্যমে রাজনীতিবীদদের সাথে জনগণের সেতুবন্ধন তৈরি হয়। বাংলাদেশের ৬৫ ভাগ ভোটার তরুণ। এ তরুণদের মধ্যে রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ২৭ দফা সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। দেশ আজ যে গর্তের মধ্যে পড়েছে তা থেকে উত্তোলনের জন্যই রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে।

আজ রাষ্ট্রে মানবাধিকার নাই, ভোটাধিকার নাই, কথা বলার স্বাধীনতা নাই, জীবনের নিরাপত্তা নাই। ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার জন্য সংবিধানকে দলীয় দলিলে পরিণত করা হয়েছে। ফ্যাসিস্ট সরকারের বিদায় হওয়ার পর দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্টা হবে। তখন নতুন সরকারকে সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্রকাঠামোকে মেরামত করা অপরিহার্য। এই ফ্যাসিস্ট বিদায়ের পরে বিএনপি কোনো নীতিতে দেশ পরিচালনা করবে, এমন বিষয়কে সামনে রেখেই দীর্ঘ গবেষণার পর রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের এই ররূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য উচ্চ কক্ষ ও নিম্ন কক্ষ থাকবে।

সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভাটি হয়। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ ও খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। জেলা বিএনপির সহ প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক জাহেদ আহমদের কুরআন তেলাওয়াতের মধ্যদিয়ে শুরু হওয়া সভায় বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আশিক উদ্দিন আশুক, প্রফেসর ড. সাজেদুল করিম, মহানগর লেবার পার্টির সভাপতি মাহবুবুর রহমান খালেদ, সিলেট পেশাজীবী পরিষদের সভাপতি ডা. শামিমুর রহমান, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ( শাবিপ্রবি) শিক্ষক প্রফেসর ড. শাহ আতিকুল হক, প্রফেসর খালেকুর রহমান, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) শিক্ষক প্রফেসর ড. মোজাম্মেল হক, জেলা বিএনপির দফতর সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

আরা উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক এটিএম ফয়েজ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও সৈয়দ মঈন উদ্দিন সুহেল, জেলা বিএনপি নেতা হাজী শাহাব উদ্দিন আহমদ, শাহ জামাল নুরুল হুদা, ফখরুল ইসলাম ফারুক, এ কে এম তারেক কালাম, শহিদ আহমদ চেয়ারম্যান, ইশতিয়াক আহমদ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট হাসান আহমদ পাটোয়ারী রিপন, তাজরুল ইসলাম তাজুল, মামুনুর রশিদ মামুন, আনোয়ার হোসেন মানিক, মাহবুবুল হক চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আবু তাহের, ওয়াহিদুজ্জামান চৌধুরী সুফি, কোহিনুর আহমদ, রফিকুল ইসলাম শাহপরান, সালেহা কবির শেপী, অ্যাডভোকেট আল আসলাম মুমিন, আব্দুল হাফিজ, শাকিল মোর্শেদ, শরিফুল হক, আলী আকবর, আলাউদ্দিন রিপন, জালাল খান, আব্দুল মালেক, মাহবুব আলম, অর্জুন ঘোষ, মনিরুল ইসলাম তোরন, শাহীন আলম জয়, ডা. নাজিম উদ্দিন, আসাদ উদ্দিন, অ্যাডভোকেট ওবায়দুর রহমান ফাহমী, সুলতানা রহমান দিনা, আলাউদ্দিন আলাই, নাজিম উদ্দিন পান্না, বখতিয়ার আহমদ ইমরান, সুমেল আহমদ চৌধুরী, রায়হান এইচ খান ও শামসুর রহমান শামীম প্রমুখ।

আরাভ খান দুবাইয়ে আটক হননি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

দুবাইয়ে পালিয়ে থাকা রবিউল ইসলাম ওরফে আরাভ খান এখনো সেখানে আটক হননি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো: শাহরিয়ার আলম।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিজ দফতরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।

রবিউল ইসলাম ওরফে আরাভ খানকে গ্রেফতারে ইন্টারপোলের দ্বারস্থ হয়েছে বাংলাদেশের পুলিশ। তার নামে ‘রেড নোটিশ’ জারি করেছে ইন্টারপোল। এ প্রেক্ষাপটে আজ দুপুর থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দুবাইয়ে রবিউলের আটকের খবর আসতে থাকে।

এ আগে, ১৮ মার্চ পুলিশ কর্মকর্তা হত্যা মামলার পলাতক আসামি আরাভ খান ওরফে রবিউল ইসলামকে দেশে ফেরাতে সব ধরনের চেষ্টা চলছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

কবিতা/টুঙ্গীপাড়ার সেই ছেলেটি

টুঙ্গীপাড়ার সেই ছেলেটি

 ফজিলা খাতুন।

টুঙ্গীপাড়ার সেই ছেলেটি

প্রতিবাদী বীর সাহসী।

উঠলো জেগে দেশের তরে

মুক্তিযোদ্ধা বীরের বেসে।

স্বাধীনতার সপ্ন নিয়ে

ভাষার তরে জীবন দিলেন।

উদ্দীপনার সেই স্লোগান

নতুন জাতি করলো নির্মাণ।

প্রতিবাদী জোড়ালো কন্ঠ

বাঙালি জাতি মুক্তি পেল।

সেই ছেলেটি বাংলার নায়ক মহান

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

কবিতা/পঁচিশে মার্চ

পঁচিশে মার্চ

রাজীব হাসান

পঁচিশে মার্চ কালো রাতে স্বাধীকারের দাবি মুছে দিতে

পাক বাহিনী চালায় গুলি নির্মমভাবে প্রতিশোধ নিতে

পঁচিশে মার্চ থেকে ঢাকার পরিস্থিতি ছিল বেশ থমথমে

নৌ-পথে পাক বাহিনী বাংলা আসে সবাই হয়ে গমগমে।

ভয়াল সেই কালো রাতে চালায় নির্মম অত্যাচারে রুলার

সেদিনের সে ভয়াল তান্ডব বলো কি সাধ্য আছে ভোলার

বছরের এই দিনটা এলে  বুকে নামে এক অমানিশার ঘোর

আসবে কবে ভয়াল রাত পেরিয়ে এক স্বাধীনতার ভোর।

বাংলার বুকে পঁচিশে মার্চ পাক বাহিনীর চালানো গুলি

লাশে লাশে রাজপথ ভরে গেছে সে কথা কিভাবে ভুলি

রাতে আকাশ আলোকিত হয় কামানের ঝলকানিতে

ছাব্বিশে মার্চ আলো আসে স্বাধীনতার অমর বানীতে।

রাজীব হাসান
গ্রাম- আলামপুর ৩নং
পোষ্ট- কোটচাঁদপুর 
থানা- কোটচাঁদপুর 
জেলা- ঝিনাইদহ 
০১৯৮৫-৮১৫০৭১

কবিতা/এই ছড়াটি মার্চে পড়ো

এই ছড়াটি মার্চে পড়ো

বিল্লাল মাহমুদ মানিক

এই ছড়াটি মার্চে পড়ো মহান নেতার জন্য,

শেখ মুজিবের জন্মদিনে এ মাস অগ্রগণ্য;

সতেরো মার্চ, ১৯২০ তারিখ জাতি ধন্য।

এই ছড়াটি মার্চে পড়ো ভাষণ শুনে শুনে,

সাতই মার্চ, একাত্তরে স্বপ্নের জাল বুনে

ভাষণ দিয়েছিলেন মুজিব কণ্ঠিত আগুনে।

এই ছড়াটি মার্চে পড়ো কালরাত্রির কালে –

পঁচিশে মার্চ, একাত্তরে পাকবাহিনীর জালে

আটকে যাওয়া বাঙালিদের স্বপ্ন জয়ের তালে।

এই ছড়াটি মার্চে পড়ো স্বাধীনতার দিনে,

ছাব্বিশে মার্চ, একাত্তরে যা নিয়েছি কিনে;

স্বাধীনতার ঘোষক মুজিব রেখো সবাই চিনে।

বিল্লাল মাহমুদ মানিক

৬৮/১, ইশামা হাউজ (৫ম তলা)

ফুলবাড়িয়া রোড বাইলেন, আকুয়া হাজী বাড়ি

ময়মনসিংহ মহানগর, ময়মনসিংহ

মোবাইল : ০১৮৪১১৫৪২৮০।

কবিতা/স্বাধীনতা কতটা স্বাধীন

স্বাধীনতা কতটা স্বাধীন

নবী হোসেন নবীন

আমার ঝর্ণা কলম যতটা স্বাধীন

স্বাধীনতা ঠিক যেন তত পরাধীন।

আমি যাহা ভাবি নিজ কল্পলোকে

কলম তা উগরে দেয় কাগজের বুকে।

স্বাধীনতা যেন এক খরস্রোতা নদী

বাঁকা পথে বয়ে যায় ধেয়ে নিরবধি।

আপনার সাধ্য নেই সোজা পথে চলে

সাগরের স্রোত বয় তার নিজ জলে।

মানচিত্রের কারাগারে নিজে হয়ে বন্দি

রাষ্ট্রের সাথে খানিক করে নেয় সন্ধি।

আপন কৃপায় রাষ্ট্র যাহা দিতে চায়

স্বীয় ভোগে স্বাধীনতা ততটুকু পায়।

ভূখণ্ডের পর হচ্ছে ভূখণ্ড স্বাধীন

মুক্তি পায়নি মানুষ আছে পরাধীন।

স্বাধীন মানুষ তার স্বাধীনতা ভুলে

রাষ্ট্রের হাতে দিয়েছে স্বীয় বলগা তুলে।

স্বাধীনতা কোনোদিন হবে না স্বাধীন

রাষ্ট্রের কাছে রবে সে চির পরাধীন।

মানুষ পাবে না কভু বিহঙ্গের ডানা

মন পারে না স্বাধীন মনের ঠিকানা।

গ্রাম-বাঁশিল,ডাকঘর-কাঠালী

উপজেলা-ভালুকা,ময়মনসিংহ

মোবাইল-০১৬১৬১৭৮৮৩১

কবিতা/স্বাধীনতা 

স্বাধীনতা 

মুহাম্মদ আলম জাহাঙ্গীর

পঁচিশ মার্চ কালো রাতে ঘুমন্ত বাঙ্গালির উপর,

নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায় পাপিষ্ঠ পাক হায়েনা।

ওরা হত্যা করে শিশু-কিশোর নারী-পুরুষ ছাত্র-শিক্ষক কবি সাহিত্যিক কৃষক শ্রমিক রহ রহ।

স্টেনগানের গোলায় ঝাঁঝড়া করে অজস্র দেহ।

বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে উপড়ে ফেলে চোখ।

ওরা হায়েনা ওরা পাপিষ্ঠ নেই ওদের কোনো শোক।

ওরা বাঙ্গালির কোটি কোটি বসত ঘর জ্বালিয়ে দেয় পেট্রোল গোলার আগুনে,

লেলিহান অগ্নিশিখায় তা নিমিষেই জ্বলে যেমন- জ্বলে শিমুল পলাশ ফাগুনে।

হত্যা লুট ধর্ষণ করেও ক্ষ্যান্ত হয় না। করে গণধর্ষণ বাঙ্গালি মা বোনদের,

হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিষ্টান অযুত নিযুত ঢের।

দেশের দুর্দিনে মুজিব জিয়ার স্বাধীনতার ডাকে,

ঝাঁপিয়ে পড়ে ছাত্র-শিক্ষক আমজনতা পুলিশ ইপিআর আনসার বাংলার বাঁকে বাঁকে।

সবার একতায় গড়ে ওঠে মুক্তিসংগ্রাম,চলে অবিরত প্রতিরোধ। 

মুক্তিফোর্স গঠন করে আমরা করি দেশ স্বাধীন।

একতার ফলে পাই মা মাটি ভাষা আর কাঙ্খিত স্বাধীনতা।

নতুন পানিসারা,ডাকঘর: পেঁচুল, উপজেলা: শেরপুর,জেলা: বগুড়া 

কবিতা/ বিজয় এলো শেষে

বিজয় এলো শেষে 

আতিকুর রহমান 

পাক বাহিনীর অত্যাচারে 

আকাশ যখন ভারি

বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুনে 

জাগলো পুরুষ নারী।

ধরল হাতে অস্ত্র সবাই 

দেশকে স্বাধীন করতে

নির্দ্বিদা তেই নেমেছিল 

মায়ের জন্য মরতে।

স্বাধীনতার স্বপ্ন চোখে 

সাহস ছিলো বুকে

যুদ্ধ দারুন চালিয়ে যায় 

কে বা তাদের রুখে!

হার মেনেছে পাক বাহিনী 

যুদ্ধে অবশেষে

লক্ষ্য ভাইয়ের প্রাণের দামে 

বিজয় এলো শেষে।

________________________

আতিকুর রহমান 

বি-পাড়া, কুমিল্লা ।

কবিতা/তীর্থযাত্রা

তীর্থযাত্রা
সাজু কবীর

যুগের জোয়ালে নত মাথার ওপর
অজানা তপ্ত দুপুর। পাখির গোটানো
ডানায় বাজে গ্রীষ্ম-নূপুর। রোদেরা
মায়ার আঁচল খোঁজে ছায়া সুনিবিড়
বনশ্রীর…

ইট-সিমেন্টের আনাগোনা চিরচেনা
বনে-যেখানে একদা মা আমার লাউবীজ
পেয়েছিলো। পাশে প্রবাহিত নদীগর্ভে
ডুব দিয়ে তুলে এনেছিল সন্তানের
সরল সভ্যতা…

বনের বাহার খুঁড়ে এনে সাজুগুজু
করে শহুরে-সভ্যতা। বেলকনি, ছাদ
উঠোনে-আঙিনায় সবুজ ভালোবাসা,
বুক ভরে শ্বাস নেয় তোমার আমার
তৃষ্ণার্ত আধুনিকতা;

নাগরিক মন আজ প্রকৃতির টানে
প্রয়োজনে তীর্থযাত্রী সেজেছে ঐ বনে…
————————————-
বাহার কাছনা, রংপুর
০১৭১৬২৭৬২৯৬

কবিতা/ ঘাটে এসে অঘটন

ঘাটে এসে অঘটন 

মজনু মিয়া 

জীবনের একটা সময়, মনে হয় যেনো 

সফলতা পেয়ে গেছি,কিন্তু আসলে নয়;

উঁচু সিঁড়ি থেকে হঠাৎ পড়ে গেলে যেমন

আৎকে উঠে মন, বিচলিত হয় জীবন। 

তরী তীরে এসে যেমন ডুবে যায় আচমকা! 

জীবনের কিছু সময় তেমন কূলে কূল হারা;

ভুল পথে হাঁটতে গিয়ে ফসকে যায় কূল

সঠিক পথে চললে নিরাশ হতে হয় না। 

একদা শূন্য থেকে শুরু করে চলছি সদা 

কখনো মুঠো ভরে সফলতা আসলেও তা

জীবন অবসানান্তে হারিয়ে যায় ভুলে

শেষ ঠিকানা হয় গিয়ে কান্না নদীর কূলে।

মির্জাপুর ,টাংগাইল,বাংলাদেশ। 

০১৭২৬০৩৯৮৭০.