বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ দেখার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে প্যারোলে মুক্তির কোনো আবেদন করা হয়নি বলে জানিয়েছে যশোর জেলা প্রশাসন। রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রশাসন স্পষ্ট করেছে যে, আবেদনের পরেও মুক্তি দেওয়া হয়নি বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যটি সঠিক নয়।
যশোর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার আশীষ কুমার দাসের পাঠানো ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুর পর পরিবারের পক্ষ থেকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা কারাকর্তৃপক্ষ বরাবর কোনো লিখিত আবেদন জমা পড়েনি। বরং সময়ের স্বল্পতা বিবেচনায় পরিবারটি নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে তারা জেলগেটেই মরদেহ দেখানোর ব্যবস্থা করবে। পরিবারের মৌখিক অনুরোধের প্রেক্ষিতে মানবিক দিক বিবেচনা করে কারা কর্তৃপক্ষ জেলগেটে মরদেহ দেখার বিশেষ অনুমতি প্রদান করে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ফেসবুকে বন্দি সাদ্দামের স্ত্রীর কোনো চিঠি বা কারাগারের ভেতরের ছবি হিসেবে যা প্রচারিত হচ্ছে, তার সাথে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। ভুল তথ্যের বিভ্রান্তি এড়াতে এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, গত শুক্রবার সাদ্দামের স্ত্রী স্বর্ণালী ও ৯ মাসের শিশু সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়; ধারণা করা হচ্ছে, রাজনৈতিক মামলায় স্বামীর কারাবন্দি থাকা নিয়ে সৃষ্ট মানসিক হতাশা থেকেই এই করুণ ঘটনার সূত্রপাত।




