বাংলাদেশ ইস্যুতে এবার সংকটে পড়তে যাচ্ছে ভারত!

0
7

সামনে অনুষ্ঠিতব্য টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ সম্প্রতি সরে দাঁড়ায়। তাদের গ্রুপের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে সহ আয়োজক শ্রীলঙ্কায় নেওয়ার অনুরোধ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল আইসিসি প্রত্যাখ্যান করার পর এই সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। এর পেছনে নিরাপত্তা ইস্যুকে বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কলকাতা নাইট রাইডার্স আইপিএল দল থেকে বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে তোলে।

বাংলাদেশের ম্যাচ ভারতে রাখার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আইসিসি নিলেও বিসিসিআই আইসিসির ওপর প্রভাব খাটিয়ে ভেন্যু পরিবর্তনের অনুমতি না দিতে ভূমিকা রেখেছে বলে জানা গেছে। আইসিসি নিজেদের স্বাধীন সংস্থা দাবি করলেও অতীতে ভারতের অনুকূলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নজির রয়েছে।

আইসিসিতে বিসিসিআইয়ের প্রভাব অত্যন্ত শক্তিশালী এবং ভারত সরকারের সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ আগে বিসিসিআইয়ের সচিব ছিলেন। তার বাবা অমিত শাহ নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আইসিসির প্রধান নির্বাহী সঞ্জোগ গুপ্ত আগে ভারতের জিওস্টার মিডিয়া গ্রুপে শীর্ষ পদে ছিলেন। এই প্রতিষ্ঠানই আইসিসি ইভেন্টগুলোর একচেটিয়া সম্প্রচার স্বত্বধারী।

এই রাজনৈতিক বিতর্ক এমন সময়ে সামনে এলো যখন ভারত ২০৩৬ অলিম্পিক আয়োজনের জন্য জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। দিল্লিকে ২০৩০ কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজক নিশ্চিত করার পর এখন আহমেদাবাদকে সামনে রেখে অলিম্পিক বিড করছে ভারত।তবে খেলাধুলায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের বিষয়ে আইওসির অবস্থান আইসিসির তুলনায় অনেক কঠোর।

আইওসি সূত্র জানিয়েছে, অন্য দেশগুলো বয়কট করতে পারে এমন আশঙ্কা থাকলে কোনো দেশকেই অলিম্পিক আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয় না। অলিম্পিক চার্টার অনুযায়ী ক্রীড়া সংস্থাগুলোকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থাকতে হয় এবং গেমসে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় মত প্রকাশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট রাজনীতি তাই ২০৩৬ অলিম্পিক আয়োজক নির্বাচনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। আইওসি সূত্রের মতে, বিশ্বাসযোগ্য অলিম্পিক আয়োজক হিসেবে বিবেচিত হতে হলে ভারতকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের সুস্পষ্ট অগ্রগতি দেখাতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here