জামালপুরের সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় আরুনি

0
2

জামালপুর ও শেরপুর জেলা নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত নারী আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন প্রয়াত বিএনপি মহাসচিব ব্যারিস্টার আবদুস সালাম তালুকদারের মেয়ে সালিমা তালুকদার আরুনি।

১৩তম জাতীয় সংসদ গঠনের প্রক্রিয়া ঘিরে সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন নিয়ে দলটির ভেতরে আলোচনা জোরদার হয়েছে। রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, সাধারণ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পাওয়া অনেক নেতা এখন সংরক্ষিত আসনের জন্য চেষ্টা করছেন।

জামালপুর ও শেরপুর জেলা মিলিয়ে একটি সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে। অতীতের মতো এবারও মনোনয়ন জামালপুর থেকে হবে, নাকি শেরপুর থেকে—এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা রয়েছে।

তবে স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দলীয় উচ্চপর্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ, সাংগঠনিক পটভূমি এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের দিক থেকে জামালপুরের প্রার্থীরা কিছুটা এগিয়ে থাকতে পারেন।

এ প্রসঙ্গে আলোচনায় থাকা নামগুলোর মধ্যে বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছেন সালিমা তালুকদার আরুনি। আরুনি প্রয়াত বিএনপি মহাসচিব ও সাবেক স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ব্যারিস্টার আবদুস সালাম তালুকদারের একমাত্র মেয়ে। তিনি ও-লেভেল ও এ-লেভেল সম্পন্ন করার পর ইন্টেরিয়র ও এক্সটেরিয়র আর্কিটেকচারাল ডিজাইনে ডিপ্লোমা অর্জন করেন।

বাবার মৃত্যুর পর কিছু সময় তিনি স্থানীয় রাজনীতিতে খুব একটা সক্রিয় ছিলেন না। তবে সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি আবার রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন এবং এলাকায় তৃণমূল পর্যায়ে যোগাযোগ শুরু করেন।

সে সময় তিনি বলেন, বাবার “অসমাপ্ত কাজ” এগিয়ে নিতে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছেন।

সাম্প্রতিক সংসদ নির্বাচনে তিনি জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছিলেন। তবে দলটি শেষ পর্যন্ত তার চাচাতো ভাই ফারিদুল কবীর তালুকদার শামীমকে মনোনয়ন দেয় এবং তিনি পরে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

মনোনয়ন না পেলেও আরুনি দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। আরুনি এই প্রতিবেদককে বলেন, “বাবার সময়ের অনেক নেতার সন্তান ইতোমধ্যে এমপি বা মন্ত্রী হয়েছেন। আমিই একমাত্র বাকি আছি।”

তিনি বলেন, “আমি ঢাকার ১৭ আসনে তারেক রহমানের নির্বাচন সমন্বয়কারীদের একজন হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছি। পারিবারিক ও রাজনৈতিক পটভূমি বিবেচনায় আমি আশাবাদী।”

এদিকে একই সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির স্বনির্ভরবিষয়ক সহসম্পাদক ও সাবেক সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনির নামও আলোচনায় রয়েছে।

তবে শেষ পর্যন্ত মনোনয়নের সিদ্ধান্ত দলটির শীর্ষ নেতৃত্বই নেবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here