নতুন বছরের শুরুতেই স্বর্ণ ক্রেতাদের জন্য সুখবর দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। দেশের বাজারে প্রতি ভরিতে স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে ২ হাজার ৭৪১ টাকা। এতে করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা, যা আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বাজুস।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকায়।
এ ছাড়া
- ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৩৪ টাকা,
- ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪১৬ টাকা এবং
- সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরির পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে।
এর আগে সর্বশেষ গত ২৯ ডিসেম্বর স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন প্রতি ভরিতে ২ হাজার ৫০৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়, যা ৩০ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর ছিল।
ওই সময়
- ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ছিল ২ লাখ ১৬ হাজার ৬০০ টাকা,
- ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা এবং
- সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি ১ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৩ টাকা।
চলতি বছরে এ নিয়ে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৪ বার দাম বেড়েছে, আর ২৯ বার কমেছে।
অন্যদিকে ২০২৪ সালে দেশের বাজারে মোট ৬২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো এবং ২৭ বার কমানো হয়।
স্বর্ণের দাম কমলেও রুপার দামে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। বর্তমানে দেশের বাজারে
- ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৬৫ টাকায়,
- ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা,
- ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং
- সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৭৩২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ বার দাম বেড়েছে এবং ৩ বার কমেছে। আর গত বছর রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মাত্র ৩ বার।



