top-ad
২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১২ই ফাল্গুন, ১৪৩০
২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
১২ই ফাল্গুন, ১৪৩০

আমি বলদ কিংবা স্বশিক্ষিত নই : পুলিশের সাথে বিতণ্ডায় ফয়জুল করিম

আমি বলদ কিংবা স্বশিক্ষিত নই বলে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এসআই অনিল সাহাকে হুঁশিয়ার করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম।

গণসংযোগ চালানোর সময় উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে মিছিল অবৈধ। কিন্তু গণসংযোগ অবৈধ না। সাড়ে ১১টা পর্যন্ত গণসংযোগ চলবে। আমি বলদ না, আমি স্ব-শিক্ষিত লোক না। শিক্ষিত লোক আমি।’

হাতপাখার প্রার্থীর গণসংযোগকালে নৌকার কর্মীদের আক্রমণাত্মকভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে মিছিল করার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে পুলিশের সাথে খোদ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীমের বাক-বিতণ্ডা হয়। সেটার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

আড়াই মিনিটের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এসআই অনিল সাহাকে কিছু বোঝানোর চেষ্টা করছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীম। আর প্রার্থী বারবার ওই পুলিশ সদস্যকে জিজ্ঞাসা করছেন, আপনি মিছিল বন্ধ করতে পেরেছেন? তিনি এর কোনো সদুউত্তর দিতে পারেননি।

ভিডিওয়ের এক পর্যায়ে হাতপাখার প্রার্থী বলেন, নির্বাচনে মিছিল অবৈধ। কিন্তু গণসংযোগ অবৈধ না। সাড়ে ১১টা পর্যন্ত গণসংযোগ চলবে। আমি বলদ না, আমি স্ব-শিক্ষিত লোক না, শিক্ষিত লোক আমি।

ভিডিওটির শেষে প্রার্থী পুলিশের ওই কর্মকর্তাকে বলেন, আপনার নাম শুনছি আমি বারবার, দোআ কইরেন, লেভেল প্লেইং ফিল্ড ঠিক রাইখেন, আমি আইন জাইনা তারপর নির্বাচন করি।

এ সময় ওই পুলিশ কর্মকর্তাও প্রার্থীকে বলেন, আপনারাও দোআ কইরেন আমাদের জন্য এবং পুলিশের জন্য, আমরা পুলিশ সর্বোচ্চ পরিমাণে কাজ করছি।

এ বিষয়ে ইসলামী আন্দোলন মিডিয়া গ্রুপের সদস্য শহিদুল ইসলাম জানান, হাতপাখার মেয়র পদপ্রার্থী শায়খে চরমোনাইর গণসংযোগ চলাকালে ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় নৌকার কর্মী কালাম মোল্লার নেতৃত্বে আক্রমণাত্মকভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে মিছিল করে। এসআই অনীলকে এ সময় নৌকার মিছিলের সামনে হেঁটে নিরাপত্তা দিতে দেখা যায়। কিন্তু পুলিশ এসে আমাদের গণসংযোগের বিষয়ে কথা তোলেন।

মিছিলের সামনে হেঁটে নিরাপত্তার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন থানা পুলিশ। এয়ারপোর্ট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লোকমান হোসেন জানান, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী যখন গণসংযোগ করছিলেন, তখন স্থানীয় আওয়ামী লীগের লোকজনও সেখানে ছিল। তারা মিছিল করায় পরিস্থিতি অস্বাভাবিক হতে পারে বিধায় পুলিশ সেখানে গিয়েছিল।

ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী চলে যাওয়ার সময় এসআই অনীল সাহা তার কাছে যান। এ সময় অস্বাভাবিক কোনো কথোপকথন হয়নি বলেও জানান তিনি।

আরো খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

জনপ্রিয় খবর