Home Blog

যারা ২৪-এ গণহত্যা চালিয়েছে, তাদের রাজনীতি করার অধিকার নেই: রাশেদ খাঁন

যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি এবং ২০২৪ সালে গণহত্যা চালিয়েছে, তাদের রাজনীতি করার অধিকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর একাত্তরের রাজাকার ও ২০২৪ সালের রাজাকাররা এক হয়ে সরকারকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। বিএনপি সরকারকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করলে তাদের সেই প্রচেষ্টাও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে।

শনিবার দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন রাশেদ খাঁন।

তিনি বলেন, পদে পদে রাষ্ট্রকে নিয়ে চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। অতীতে তারা সফল হয়নি, এখনো হবে না। একাত্তরের রাজাকার জামায়াতে ইসলামী এবং ২০২৪ সালের রাজাকার আওয়ামী লীগও ষড়যন্ত্র করে সফল হতে পারবে না।

শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর ভারত বাংলাদেশে আরেকটি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেছিল বলে দাবি করেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, ৩ নভেম্বর সেই চেষ্টা সফল হয়েছিল। তবে ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জনগণ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ক্ষমতায় বসিয়েছিল। তিনি ক্ষমতা দখল করেননি, বরং সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে জনগণ তাকে ক্ষমতায় বসিয়েছিল। বিএনপি জোর করে ক্ষমতায় বসেছিল বলে যারা দাবি করেন, তারা ইতিহাস বিকৃত করছেন এবং ইতিহাস জানেন না।

আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একাত্তর ও ২০২৪ সালের রাজাকাররা চক্রান্তের চেষ্টা করছে। এ ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় নেতাকর্মীদের রাজপথে সক্রিয় থাকার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, এত দিন জাতি ভুল ইতিহাস জেনেছে। এখন সত্য ও সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে। ৭ নভেম্বর ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সিপাহি-জনতার যে প্রতিরোধ ছিল, সেই ইতিহাস ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মূলত দিনটি ছিল ভারতীয় ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সিপাহি-জনতার বিপ্লব।

সমাবেশে জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আক্তারুজ্জামান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাসসহ দলটির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। র‍্যালিটি শহরের উজির আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠ থেকে শুরু হয়ে স্বাধীনতা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

এর আগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সকালে শহরের পানি উন্নয়ন বোর্ড চত্বর থেকে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন, জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ, জেলা প্রশাসক নোমান হোসেনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

ইউক্রেনের সামরিক ও জ্বালানি স্থাপনায় হামলার দাবি রাশিয়ার

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় সামরিক-শিল্প খাত, জ্বালানি ও পরিবহন অবকাঠামোর বিভিন্ন স্থাপনায় বড় ধরনের হামলা চালানোর দাবি করেছে রাশিয়া। শনিবার রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, রাতভর চালানো এ হামলায় কিয়েভের নর্দার্ন ব্রিজ, মেরিডিয়ান কারখানা এবং কয়েকটি বিদ্যুৎ ও শিল্প স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, কিয়েভের নর্দার্ন ব্রিজ ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর অস্ত্র, সামরিক সরঞ্জাম ও যানবাহন পরিবহনে ব্যবহৃত হচ্ছিল। এ ছাড়া মেরিডিয়ান কারখানায় ফ্ল্যামিঙ্গো ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা হয়। হামলায় কারখানাটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

রুশ কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, কিয়েভ অঞ্চলে একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র, একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র এবং গোলাবারুদ তৈরির কারখানায় হামলা চালানো হয়েছে। এ ছাড়া ঝিতোমির অঞ্চলের একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রেও আঘাত হেনেছে রুশ বাহিনী।

মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কৃষ্ণ সাগরে একটি কার্গো জাহাজেও হামলা চালানো হয়েছে। রাশিয়ার দাবি, জাহাজটিতে ইউক্রেনের জন্য সামরিক সরঞ্জাম ও দ্বৈত ব্যবহারের উপযোগী পণ্য পরিবহন করা হচ্ছিল।

এদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়ার রাতের হামলায় রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো জানিয়েছেন, নর্দার্ন ব্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেখানে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। রাজধানীতে আবাসিক ভবন ও একটি কিন্ডারগার্টেনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের হিসাবে, কিয়েভে অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন।

প্রথম সেঞ্চুরিকেই ডাবল, অবিশ্বাস্য কীর্তি হৃদয়ের

০

তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে সিলেটে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিকে ডাবল সেঞ্চুরিতে রূপ দিয়েছেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। জোমেল ওয়ারিক্যানের বলে মিড অনে ঠেলে দিয়ে সিঙ্গেল নিয়ে ৩০৪ বলে দ্বিশতক পূর্ণ করেন তিনি। এতে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিকেই ডাবল সেঞ্চুরিতে রূপ দিলেন হৃদয়। মুশফিকুর রহিম (তিনটি), সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের পর বাংলাদেশের চতুর্থ ক্রিকেটার হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরি করলেন তিনি।

১০১ ওভারে বাংলাদেশের রান ৮ উইকেটে ৩৪০। ৩১৪ বলে আট ছয় ও ১৯ চারে ২০৮ রানে ব‍্যাট করছেন হৃদয়। ৯ বলে ২ রানে খেলছেন তাসকিন। তাদের জুটিতে লিডের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে শুরু থেকেই কঠিন পরিস্থিতিতে ব্যাট করতে হয়েছে বাংলাদেশকে। ২২ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া দলকে টেনে তোলার দায়িত্ব নেন হৃদয়। একের পর এক উইকেট পড়লেও এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলেছেন অসাধারণ ইনিংস। সতীর্থদের নিয়ে গড়েছেন গুরুত্বপূর্ণ জুটি, সামলেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের চাপ।

তৃতীয় দিনের সকালে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে ব্যাটিং শুরু করেন হৃদয়। তবে দিনের প্রথম সেশনে মুশফিক ও লিটন দাসকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে আবার চাপে ফেলে দেন জোমেল ওয়ারিক্যান। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। একের পর এক উইকেট হারালেও হৃদয়ের ব্যাটে রান আসতে থাকে।

ছবি- ইউসুফ আলী

ছবি- ইউসুফ আলী

প্রথমে ১০৯ বলে তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট ফিফটি। এরপর ১৭১ বলে পূর্ণ করেন প্রথম সেঞ্চুরি। সেখানেই থেমে থাকেননি। শামার জোসেফ, রোস্টন চেইসদের বিপক্ষে কখনো সাবধানী, কখনো আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে এগিয়ে যান তিন অঙ্ক পেরিয়ে। এক ওভারে চেইসকে দুটি ছক্কাও হাঁকান তিনি।

হৃদয়ের সঙ্গে দারুণ সঙ্গ দেন তাইজুল ইসলাম। অষ্টম উইকেটে দুজন গড়েন ১১৭ রানের জুটি। টেস্টে বাংলাদেশের অষ্টম উইকেটে এটি অন্যতম সেরা জুটিগুলোর একটি। ২২ রান করে তাইজুল স্টাম্পড হলে ভাঙে সেই জুটি। এরপরও থামেননি হৃদয়। লেজের ব্যাটসম্যানদের নিয়ে ইনিংস এগিয়ে নিতে থাকেন তিনি। একপর্যায়ে পাঁজরে বলের আঘাত পেলেও ব্যাটিং চালিয়ে যান।

দেড়শ রান পূর্ণ করার পর সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টেস্টে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ড গড়েন হৃদয়। একই সঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডও ছাড়িয়ে যান। শেষ পর্যন্ত ৩০৪ বলে ডাবল সেঞ্চুরির মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। পরের ওভারে বিশপের বলে ছক্কা মেরেছেন হৃদয়। সেই ছক্কায় তামিমকে ছাড়িয়ে গেছেন তিনি। টেস্ট ক্রিকেটে এক ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ৮ ছক্কার মালিক এখন হৃদয়। তামিম ৭ ছক্কা মেরেছিলেন ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে

এর আগে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ছিল মুশফিকুর রহিমের ২১৯ রান।

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এলাচ খেলে মিলবে যেসব উপকারিতা

রান্নায় সুগন্ধ ও স্বাদ বাড়াতে এলাচের জুড়ি নেই। এটি ব্যবহারে মিষ্টি বা ঝাল খাবারের স্বাদ বদলে যায়। তবে শুধু রান্নার মসলা হিসেবেই নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও এলাচের বেশ কিছু উপকারিতার কথা প্রচলিত রয়েছে। বিশেষ করে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে একটি ছোট এলাচ চিবিয়ে খেলে শরীরের জন্য তা উপকারী হয়।

আয়ুর্বেদেও এলাচের নানাবিধ উপকারিতার কথা বলা হয়েছে। হজমের সমস্যা কমানো থেকে শুরু করে মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে এলাচ বেশ উপকারী। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এলাচ খেলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-

হজমের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে

অনেকেরই রাতের খাবার খাওয়ার পর পেট ভার, গ্যাস কিংবা অস্বস্তির মতো সমস্যা দেখা দেয়। এলাচে থাকা কিছু প্রাকৃতিক উপাদান হজমের প্রক্রিয়াকে স্বস্তি দিতে পারে বলে মনে করা হয়। খাবারের পর একটি এলাচ চিবিয়ে খেলে মুখের স্বাদ বদলানোর পাশাপাশি হজমের অস্বস্তিও কিছুটা কমতে পারে।

মন শান্ত রাখতে সহায়তা করে

এলাচের সুগন্ধ মনকে সতেজ করতে সাহায্য করে। আয়ুর্বেদে এলাচকে শরীর ও মনকে শান্ত রাখার ক্ষেত্রে উপকারী বলে মনে করা হয়। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এলাচ চিবিয়ে খেলে তার সুগন্ধ ও স্বাদ থেকে কিছুটা প্রশান্তি মিলতে পারে।

দুখের দুর্গন্ধ দূর করতে ভূমিকা রাখে

এলাচকে প্রাকৃতিক মাউথ ফ্রেশনার বলা হয়। এর নিজস্ব সুগন্ধ মুখের দুর্গন্ধ ঢাকতে সাহায্য করে। বিশেষ করে রাতের খাবারের পর মুখে খাবারের গন্ধ থেকে গেলে একটি এলাচ চিবিয়ে খেতে পারেন। এতে মুখে সতেজ অনুভূতি আসতে পারে। তবে দাঁত ও মাড়ির পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার বিকল্প নয় এলাচ।

কীভাবে খাবেন এলাচ?

রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে একটি ছোট এলাচের খোসা ছাড়িয়ে ভিতরের দানা চিবিয়ে খেতে পারেন। তবে অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়ার প্রয়োজন নেই। যাদের এলাচে অ্যালার্জি রয়েছে, তারা এটি এড়িয়ে চলবেন।

মনে রাখবেন: এলাচ একটি পরিচিত মসলা এবং পরিমিত পরিমাণে খাবারের অংশ হিসেবে খাওয়া যায়। তবে এটি কোনও রোগের ওষুধ নয়। কেউ যদি দীর্ঘদিন ধরে ঘুমের সমস্যা বা হজমের সমস্যা ভোগেন তাহলে এর প্রকৃত কারণ খুঁজে চিকিৎসা করানো জরুরি।

ক্যাস্টর অয়েলের ৫ বিস্ময়কর ব্যবহার

স্বাস্থ্যগত উপকারিতার জন্য ক্যাস্টর অয়েল খুবই সমাদৃত। অনেকে হয়তো ক্যাস্টর অয়েলকে কেবল কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ওষুধ হিসেবেই জানেন, কিন্তু এর আরও কিছু অসাধারণ ব্যবহার রয়েছে। যেমন-

পেশির ব্যথা কমায়: এই তেলটি উষ্ণ অবস্থায় শরীরে তরল পদার্থের সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে। পেশিতে মালিশ করার জন্য এটি দারুণ বিকল্প, কারণ এর উষ্ণতা পেশির টান বা আড়ষ্টতা কমাতে সাহায্য করে। আক্রান্ত স্থানে সামান্য পরিমাণ ক্যাস্টর অয়েল লাগিয়ে আলতো করে মালিশ করুন। এছাড়া, অন্যান্য তেলের সাথে মিশিয়েও এটি ব্যবহার করা যায়। যেমন- পেপারমিন্ট অয়েল বা ক্যামোমাইল অয়েলের কয়েক ফোঁটা ক্যাস্টর অয়েলের সাথে মিশিয়ে পেশিতে মালিশ করতে পারেন।

ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে: ক্যাস্টর অয়েলের উচ্চ ঘনত্বের কারণে এটি ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও চমৎকার। ত্বকে লাগালে এটি দীর্ঘক্ষণ টিকে থাকে এবং ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায়। যাদের ত্বক শুষ্ক, তাদের জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর; এটি ত্বককে উজ্জ্বল ও মসৃণ করে তোলে।

ছত্রাকজনিত সংক্রমণ দূর করে: ক্যাস্টর অয়েলে শক্তিশালী ছত্রাকরোধী (ফাঙ্গিসাইডাল) গুণ রয়েছে। এ কারণেই এটি অ্যাথলেটস ফুট বা পায়ের আঙুলের ফাঁকে ছত্রাক সংক্রমণ, দাদ এবং কুঁচকির চুলকানির মতো বিভিন্ন ছত্রাকজনিত সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। সবচেয়ে ভালো দিক হলো, অন্যান্য ছত্রাকরোধী ওষুধের বিপরীতে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহারে সাধারণত কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় না।

চুলের রঙ ও উজ্জ্বলতা বাড়ায়: ক্যাস্টর অয়েল চুলের জন্যও অত্যন্ত উপকারী। যদি আপনার চুল নিষ্প্রভ ও উজ্জ্বলতাহীন হয়ে পড়ে, তবে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করলে খুব দ্রুত চুল ঘন ও গাঢ় রঙের দেখাবে। এর কারণ হলো, এই তেলটি একটি ‘হিউমেকট্যান্ট’হিসেবে কাজ করে, যা চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। গোসলের পর চুল শুকিয়ে নিন, এরপর এক টেবিল চামচ ক্যাস্টর অয়েল হালকা গরম করে আঙুলের সাহায্যে চুলে লাগিয়ে নিন। আপনার চুল লম্বা হলে, তেল লাগানোর আগে সেগুলোকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে নিন, যাতে প্রতিটি চুলের গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত তেল ভালোভাবে পৌঁছাতে পারে।

বলিরেখা কমায়: ত্বকের বলিরেখা কমাতে ক্যাস্টর অয়েল দারুণ কার্যকর। এটি ত্বকে কোলাজেন ও ইলাস্টিনের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়, যা বার্ধক্যের ছাপ পড়তে বাধা দেয়। ক্যাস্টর অয়েলের সবচেয়ে বড় গুণ হলো, এটি ত্বকের গভীরে প্রবেশ করতে পারে অথচ লোমকূপ বন্ধ করে দেয় না। এছাড়া, এটি ত্বকের দাগ ও ক্ষতচিহ্ন কমাতেও সাহায্য করে।

কানাডার থান্ডার বেতে ‘ট্যাপেস্ট্রি ২০২৬ গালা নাইট’

কানাডার অন্টারিও প্রদেশের থান্ডার বে শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ট্যাপেস্ট্রি ইন্টারন্যাশনাল উইমেনস নেটওয়ার্কের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ট্যাপেস্ট্রি ২০২৬ গালা নাইট’। ‘অ্যান ইভিনিং অব এক্সপ্রেশনস’ শীর্ষক এই আয়োজনে প্রায় ২০০ অতিথির উপস্থিতিতে উদ্‌যাপিত হয় বহুসাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, সৃজনশীলতা, বন্ধুত্ব ও সম্প্রীতি।

সন্ধ্যার অন্যতম আকর্ষণ ছিল দক্ষিণ এশীয় ঐতিহ্যভিত্তিক বিশেষ ফ্যাশন শো ‘ওয়ান ফ্যাব্রিক, কাউন্টলেস এক্সপ্রেশনস’। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে ছিল ঐতিহ্যবাহী পোশাক, সংগীত, নৃত্য এবং বিভিন্ন দেশের খাবারের সমাহার।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন থান্ডার বের তৎকালীন মেয়র কেন বশকফ এবং পরবর্তী সময়ে নবনির্বাচিত মেয়র মরিন (মো) কোমুজ্জি। এ ছাড়া শহরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিসহ নানা সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের অতিথিরা এই আয়োজনে অংশ নেন।

সন্ধ্যার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ দক্ষিণ এশীয় সাংস্কৃতিক ফ্যাশন শো’টির পরিকল্পনা ও পরিচালনায় ছিলেন ফ্যাশন ও জুয়েলারি ডিজাইনার, ‘আভরণ–ওয়্যারেবল আর্ট’-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং আন্তর্জাতিক ফ্যাশন অঙ্গনে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সাবেক পেশাদার মডেল তাসমিয়া এমদাদ।

শাড়িকে কেবল একটি ঐতিহ্যবাহী পোশাক হিসেবে নয়, বরং নারীর পরিচয়, আবেগ, স্মৃতি ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরাই ছিল এই আয়োজনের মূল ভাবনা।

বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার শাড়ির ঐতিহ্য, আঞ্চলিক বৈচিত্র্য এবং নিজস্ব সাজসজ্জা ধরনকে কেন্দ্র করে সাজানো হয় পুরো পরিবেশনা। সংগীত, ফ্যাশন ও গল্পের সমন্বয়ে দর্শকদের সামনে উঠে আসে দক্ষিণ এশিয়ার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিচয়।

এই আয়োজনের মূল বার্তা ছিল-শাড়ি শুধু ছয় গজ কাপড় নয়; এর প্রতিটি ভাঁজে জড়িয়ে থাকে প্রজন্মের পর প্রজন্মের গল্প, স্মৃতি, ভালোবাসা ও ঐতিহ্য।

কখনো মায়ের কাছ থেকে মেয়ের হাতে তুলে দেওয়া অমূল্য উপহার, কখনো দাদী-নানীর স্মৃতিবিজড়িত শাড়ি, আবার কখনো উৎসব কিংবা বিশেষ জীবনের মুহূর্তের সঙ্গী-শাড়ির সঙ্গে দক্ষিণ এশীয় নারীদের এই আবেগঘন সম্পর্কই ফুটিয়ে তোলা হয় মঞ্চে। পাশাপাশি দেখানো হয় সময়ের সঙ্গে শাড়ির বিবর্তন এবং আধুনিক ফ্যাশনে এর নতুন রূপ।

গল্প, সংগীত ও ফ্যাশনের অনন্য মেলবন্ধন

ফ্যাশন শো’র সূচনা হয় জেনিফার আহমেদ নির্ঝরের বিশেষ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে। কোক স্টুডিও বাংলার জনপ্রিয় গান ‘তাঁতি’-এর সঙ্গে এই পরিবেশনায় উঠে আসে শাড়ি বুননের ঐতিহ্য এবং তাঁতশিল্পীদের নিপুণ কারুকাজের প্রতি শ্রদ্ধা।

এরপর স্নিগ্ধা দাস ও রোদেলা মা-মেয়ের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে এক আবেগঘন পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরেন প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে শাড়ির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা স্মৃতি, ভালোবাসা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা।

মূল রানওয়ে পর্বে মডেলরা বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার ঐতিহ্যবাহী শাড়ি ও সাজসজ্জার বৈচিত্র্য উপস্থাপন করেন। প্রতিটি পরিবেশনায় ফুটে ওঠে নিজস্ব সংস্কৃতি, বস্ত্রশিল্প ও ঐতিহ্যের স্বতন্ত্র সৌন্দর্য।

পরবর্তী পর্বে ছিল আধুনিক ও ফিউশন ফ্যাশনের বিশেষ উপস্থাপনা। সমসাময়িক পোশাকের সঙ্গে শাড়ির সৃজনশীল সমন্বয় দেখিয়ে তুলে ধরা হয় কীভাবে ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ন রেখেও নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনে শাড়ি হয়ে উঠতে পারে আধুনিক ও বহুমাত্রিক।

ফ্যাশন শো’র সমাপনী আকর্ষণ হিসেবে রানওয়েতে উপস্থিত হন মিস আর্থ কানাডা ২০১৭ খেতাবজয়ী জ্যাকলিন মার্শ। শো-স্টপার হিসেবে তার আকর্ষণীয় উপস্থিতি ফ্যাশন শো’র সমাপনী পর্বকে করে তোলে বিশেষভাবে স্মরণীয়। সব মডেলের সম্মিলিত গ্র্যান্ড ফিনালের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এই বর্ণিল আয়োজন।

পরিচালকের ভাবনায় ফ্যাশনের মাধ্যমে গল্প বলা

ফ্যাশন শো’র পরিচালক তাসমিয়া এমদাদের কাছে এই আয়োজন ছিল ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে সৃজনশীলভাবে তুলে ধরার একটি প্রয়াস। তিনি বলেন, আমার কাছে ফ্যাশন শুধু সুন্দর পোশাক নয়, এটি গল্প বলার একটি শিল্পমাধ্যম। শাড়ির সঙ্গে জড়িয়ে থাকে আমাদের মা-নানী-দাদীদের স্মৃতি, ভালোবাসা ও শিকড়ের টান। আমি চেয়েছি সেই গল্পগুলো রানওয়েতে তুলে ধরতে এবং দেখাতে, কীভাবে একই ছয় গজ কাপড় বিভিন্ন সংস্কৃতি ও পরিচয়ের অসংখ্য অভিব্যক্তি হয়ে উঠতে পারে। থান্ডার বের মতো একটি বহুসাংস্কৃতিক শহরে সবার ভালোবাসা ও সহযোগিতায় এই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হওয়া আমার জন্য সত্যিই বিশেষ অনুভূতি।

ফ্যাশন শো পরিচালক, ট্যাপেস্ট্রি ২০২৬ গালা নাইট

ফ্যাশন শো’টি সফলভাবে বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ট্যাপেস্ট্রির নেতৃত্বে থাকা ড. রূপা রক্ষিত এবং ফ্যাশন শো সমন্বয়ক স্নিগ্ধা। পাশাপাশি মডেল, শিল্পী ও স্বেচ্ছাসেবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা আয়োজনটিকে সফল করে তোলে।

ট্যাপেস্ট্রি ইন্টারন্যাশনাল উইমেনস নেটওয়ার্ক

ট্যাপেস্ট্রি ইন্টারন্যাশনাল উইমেনস নেটওয়ার্ক থান্ডার বেভিত্তিক একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, যার মূল লক্ষ্য নারীর ক্ষমতায়ন, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের উদ্‌যাপন এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও সম্প্রীতি গড়ে তোলা। সংগঠনটি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন পটভূমি থেকে আসা নারীদের নিজেদের পরিচয়, অভিজ্ঞতা ও সংস্কৃতি তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি করে।

অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে সংগঠনটির সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান ড. রূপা রক্ষিত বলেন, আমাদের ‘অ্যান ইভিনিং অব এক্সপ্রেশনস’ ছিল সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, বন্ধুত্ব ও সম্প্রীতির এক সুন্দর উদ্‌যাপন। বিভিন্ন পটভূমি থেকে আসা প্রায় ২০০ মানুষের অংশগ্রহণ আমাদের আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, পারস্পরিক সম্পর্ক ও একাত্মবোধ কতটা গুরুত্বপূর্ণ। বৈচিত্র্য আমাদের একত্র করে, কিন্তু মানবিকতাই আমাদের সত্যিকার অর্থে সংযুক্ত রাখে।

ফ্যাশনের গণ্ডি পেরিয়ে সাংস্কৃতিক সম্প্রীতির বার্তা

থান্ডার বে’র দর্শক, বিশিষ্ট অতিথি ও স্থানীয় কমিউনিটির কাছ থেকে ফ্যাশন শোটি ব্যাপক প্রশংসা পায়। শুধু পোশাকের প্রদর্শনী নয়, ‘ওয়ান ফ্যাব্রিক, কাউন্টলেস এক্সপ্রেশনস’ হয়ে ওঠে দক্ষিণ এশীয় ঐতিহ্য, নারীর সৃজনশীলতা এবং প্রজন্মের সঙ্গে প্রজন্মের সম্পর্ককে উদ্‌যাপনের এক অনন্য মঞ্চ।

ট্যাপেস্ট্রি ২০২৬ গালা নাইট আবারও প্রমাণ করেছে, শিল্প, ফ্যাশন ও সংস্কৃতি ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে ভিন্ন পটভূমির মানুষকে একসূত্রে গাঁথতে পারে। কানাডার বহুসাংস্কৃতিক সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সাংস্কৃতিক পরিচিতি ও সম্প্রীতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এমন আয়োজন বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

আর লংমার্চ নয়, অন্য কর্মসূচি দেবে জামায়াত জোট

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের পূর্বঘোষিত ঢাকা-সিলেট রেলমার্চ বাতিল হতে পারে। গণভোটের রায় অনুযায়ী সাংবিধানিক সংস্কারের দাবিতে লংমার্চ কর্মসূচির পরিবর্তে রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, পেশাজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের সঙ্গে ধারাবাহিক সভা হতে পারে। গঠন করা হবে সংস্কার বাস্তবায়ন জাতীয় কমিটি। ঢাকায় একটি বড় জনসমাবেশও করতে পারে জোটটি।
১১ দলীয় সূত্র সমকালকে এসব তথ্য জানিয়েছে। এ সূত্রটি জানায়, গত ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম, ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রংপুর এবং ৩১ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া লংমার্চ করে জামায়াত। আগামী ২১ নভেম্বর ঢাকা-সিলেট রেলমার্চ করার পরিকল্পনা ছিল। তবে ওই দিন সশস্ত্র বাহিনী দিবস। জোটের শরিক দলের শীর্ষ নেতারা সেদিন যোগ দিতে পারেন সেনানিবাসের অনুষ্ঠানে। এ কারণে কারণে রেলমার্চ করা সম্ভব না।

জোট সূত্র আরও দুটি কারণ জানিয়েছে। প্রথম কারণ হলো, জোটে টানাপোড়েন। এনসিপি লংমার্চে আগ্রহী নয়। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াত এককভাবে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়ায়, জোটের আরও কয়েকটি শরিক জামায়াতেরও ক্ষুব্ধ। এটিও ঢাকা-সিলেট রেলমার্চ না করার কারণ।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁর এই বক্তব্যকে রাজনৈতিক বাগাড়ম্বর হিসেবে দেখলেও ডিসেম্বরেও লংমার্চের মতো কর্মসূচি দেওয়া হবে না জানিয়েছেন ১১ দলীয় জোটের নেতারা। একাধিক নেতা বলেছেন, লংমার্চের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নিতে হয়। ডিসেম্বর মাসে ঢাকা খালি করে জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে লংমার্চ সম্ভব না, আসলেই যদি কোনো পরিস্থিতির উদ্ভব হয় আশঙ্কায়।
তবে কোনো নেতাই প্রকাশ্যে লংমার্চ বাতিলের কথা স্বীকার করেননি। ১১ দলের সমন্বয়ক এবং জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ঢাকা-সিলেট লংমার্চ ট্রেনে করার পরিকল্পনা ছিল। একই সময়ে একাধিক ট্রেন পাওয়া কঠিন বিষয়। আবার ট্রেন পেতে সরকারের সহযোগিতার
বিষয় রয়েছে। লংমার্চ বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়নি। আবার লংমার্চ ২১ নভেম্বরেই হচ্ছে– এমন সিদ্ধান্তও হয়নি।

জামায়াতের জোটে থাকলেও এনসিপির 
শীর্ষ নেতারা ঢাকা-খুলনার লংমার্চে অংশ নেননি। তবে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, এনসিপি সংস্কারের দাবিতে জোটের কর্মসূচিতে অংশ নেবে। সংসদে জোটবদ্ধ থাকবে। অন্যান্য ইস্যুতে নিজস্ব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।
গত ২৭ অক্টোবর রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, সংস্কারের দাবি আদায়ে একটি বাস্তবায়ন কমিটি করা হবে। এতে ১১ দলের নেতা ছাড়াও বাইরে থেকে সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এই কমিটি সব শ্রেণি-পেশার সঙ্গে মতবিনিময় করবে। এ প্রসঙ্গে হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, শিগগির আরেকটি শীর্ষ বৈঠক হতে পারে। সেখানে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

আজ ৭ নভেম্বর, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। রাষ্ট্রীয়ভাবে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপিত হবে। পাশাপাশি বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর দিবসটি আবার সরকারি ছুটির দিন হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন-সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশিকায় দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে এখন থেকে প্রতিবছর ৭ নভেম্বর জাতীয়ভাবে পালন করা হবে।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আজ সারাদেশে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের সব দূতাবাস ও মিশনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ-সংক্রান্ত পরিপত্রে বলা হয়েছে, দিবসটি উপলক্ষে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে হবে। এ ছাড়া বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের সব মিশন ও দূতাবাসেও একইভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশনা কার্যকর থাকবে। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৭ নভেম্বর দেশে সাধারণ ছুটি থাকবে।

এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা এ ছুটির আওতায় থাকবেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের সব তপশিলি ব্যাংকও ওই দিন বন্ধ থাকবে।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ৭ নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দলমতনির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দুর্নীতি, বৈষম্য ও সব ষড়যন্ত্রের অবসান ঘটাতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে বলেন, ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল। সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব চক্রান্ত রুখে দিয়েছিল। দেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক দিনটি ছিল বাংলাদেশের শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন।

তিনি আরও বলেন, যারা বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করে রাখতে চেয়েছিল, জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে দেশে একদলীয় স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করতে চেয়েছিল এবং দেশের শৌর্য, বীর্য, সাহস ও সম্মানের প্রতীক সেনাবাহিনীর গৌরব ভূলুণ্ঠিত করতে চেয়েছিল, ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে তাদের পরাজয় ঘটেছিল।

৭ নভেম্বরের প্রেক্ষাপট
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনকে পাল্টে দিতে ৩ নভেম্বর ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে পাল্টা অভ্যুত্থান হয়। কয়েক দিনের জন্য সরকারশূন্য অবস্থায় পড়ে যায় বাংলাদেশ। সেনাপ্রধান জেনারেল জিয়াউর রহমান অভ্যুত্থানকারীদের কাছে গৃহবন্দি হয়ে পড়েন। ৬ নভেম্বর মধ্যরাতের পর বিপ্লবী সৈনিকদের কামানের গোলার গর্জন সব চক্রান্ত ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দেয়। সকালে ঢাকার রাজপথে ট্রাকে ট্রাকে সৈনিকরা আকাশের দিকে গুলিবর্ষণ করে তাদের বিজয়ের কথা জানান দিতে থাকেন। জনগণও আনন্দ মিছিলে যোগ দেয়। সেনা ট্যাঙ্কে ফুলের মালা পরিয়ে জনগণ সিপাহি বিপ্লবকে অভিনন্দন জানাতে থাকে।

১৯৭৬ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত দিবসটি ছিল সরকারি ছুটির দিন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তা বাতিল করা হয়। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এলে আবার এই দিনে সরকারি ছুটি বহাল করা হয়। ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি দেশজুড়ে জরুরি আইন জারি এবং ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৬ সালের সরকারি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ওই বছর দিনটিতে সরকারি ছুটি বহাল ছিল। পরের বছর ২০০৮ সালে তা ছিল না। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার প্রেক্ষাপটে ২০০৯ সাল থেকে দিনটি সরকারি ছুটি হিসেবে পালিত হয়নি।

জাতীয় এই দিবসটি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কাছে ভিন্ন ভিন্ন নামে অভিহিত। বিএনপিসহ দেশের বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল একে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ বললেও বিগত বছরগুলোতে আওয়ামী লীগ ‘মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবস’ এবং জাসদ ‘সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালন করে।

৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসে। বিএনপিসহ জামায়াতে ইসলামী, এলডিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই দিবসটিকে জাতীয়ভাবে পালনের আহ্বান জানায়।

সরকারি কর্মসূচি 
দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার উদ্যোগে প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপ জাতীয় পতাকা দিয়ে সাজানো হবে। জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনায় দেশের সব মসজিদে মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত করা হবে। পাশাপাশি মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।

এ ছাড়া হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা, শিশুকেন্দ্র, শিশু পরিবার, শিশুসদন, কিশোর সংশোধনী কেন্দ্র, শান্তি নিবাস ও ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানগুলোতে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। দেশের সব শিশু পার্ক শিশুদের জন্য দিনব্যাপী বিনা টিকিটে উন্মুক্ত থাকবে।

নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অনুষ্ঠিত হবে বিশেষ আলোচনা সভা ও রচনা প্রতিযোগিতা। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ও রেডিওতে প্রচার করা হবে বিশেষ অনুষ্ঠান। সিনেমা হল ও ভ্যানযোগে প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হবে।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে দেশাত্মবোধক গানের আসর বসবে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা এবং প্রদর্শনী ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অংশগ্রহণে বিশেষ স্মারক আলোচনা সভা হবে। সশস্ত্র বাহিনীর উদ্যোগে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, মিলাদ মাহফিল, প্রীতিভোজ ও বিশেষ দরবারের আয়োজন করা হবে। বাংলাদেশ ক্যাডেট কোরের তত্ত্বাবধানে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য ডিসপ্লে প্রদর্শিত হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, কোস্টগার্ড, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কারা অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর, এনটিএমসি এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সদরদপ্তরে মিলাদ মাহফিল, প্রীতিভোজ ও বিশেষ দরবারের আয়োজন করা হবে।

বিএনপির কর্মসূচি 
দিবস উপলক্ষে সাত দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। ৫  থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত এসব কর্মসূচি পালন করা হবে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, ৭ নভেম্বর সকাল ৬টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশে দলীয় কার্যালয়গুলোতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন।

একই দিন বেলা ১১টায় বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দসহ সব পর্যায়ের নেতাকর্মী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন।

আজ বেলা ৩টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হবে। জেলা ও মহানগর পর্যায়েও বিএনপির উদ্যোগে র‌্যালি হবে। এ ছাড়া আগামীকাল সারাদেশের থানা ও উপজেলা পর্যায়ে র‌্যালি হবে। দিবসটি উপলক্ষে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো নিজ নিজ উদ্যোগে আলোচনা সভা ও অন্যান্য কর্মসূচি পালন করবে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল শুক্রবার বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস উপলক্ষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার সকালে তিনি সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, প্রচার সম্পাদক ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন এবং মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীরসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বনানী আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত কুচকাওয়াজে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার সকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, দোয়া ও বিশেষ মোনাজাত শেষে তিনি কুচকাওয়াজে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধান, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও রাষ্ট্রদূতেরা উপস্থিত রয়েছেন।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এবং সশস্ত্র বাহিনীর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত অনুষ্ঠানের বিশেষ প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের (বিএনসিসি) তিন হাজার ক্যাডেট এবং বাংলাদেশ স্কাউটসের ৫০০ সদস্য।