শিশুদের যেভাবে গুছিয়ে কথা বলতে শেখাবেন

0
4

গুছিয়ে কথা বলা বড় গুণ। শিক্ষকতা থেকে শুরু করে যেকোনো পেশায় গুছিয়ে কথা বলার প্রয়োজন হয়। তাই সন্তানকে ছোট থেকেই গুছিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করার শিক্ষা দিতে পারেন। এতে স্কুলের প্রেজেন্টেশন কিংবা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অন্যদের চেয়ে এগিয়ে থাকবে আপনার সন্তান। আবার ভবিষ্যতে সুবক্তা হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে।

আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলা
কথা বলার সময় বলার ভঙ্গি, দৃষ্টি, শারীরি ভাষায় আত্মবিশ্বাস থাকা জরুরি। আয়নার সামনে শিশুকে দাঁড়িয়ে কথা বলার জন্য উৎসাহিত করা যেতে পারে। তার প্রিয় খাবার, খেলনা, যে কোনো বিষয় নিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে এক মিনিট বলতে বলুন। প্রথম দিকে সে হয়তো কথা খুঁজে পাবে না। অসংলগ্ন বলবে। তবে তার ভুল না ধরিয়ে তাঁকে বলতে দিন। ধীরে ধীরে গুছিয়ে বলতে শিখবে।

বড়রাও অংশ নিন
অবসর সময়ে কোনো একটি বিষয় নিয়ে খেলার ছলেই কথা বলার অভ্যাস করানো যেতে পারে। শুধু সন্তানকে বলতে না বলে, সকলেই এতে অংশ নিন। নানা রকম বিষয় ভেবে নিন। ছোটরা যেমন বলবে, বড়রাও বলবেন। অভিভাবেকরা কীভাবে কথা বলছেন, তা ছোটরা সচেতন ভাবেই অনুসরণ করে।

ভালো শ্রোতা জরুরি
কেউ মন দিয়ে কথা শুনলে, বক্তার মধ্যেও সচেতনতা তৈরি হয়। ফলে পারিবারিক অনুষ্ঠান হোক বা ঘরোয়া আড্ডা, সন্তান যা বলতে চাইছে তা শোনা খুব জরুরি। বার বার ভুল না ধরিয়ে দিয়ে তাকে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে কবিতা বলা বা কোনো বিষয় নিয়ে বলায় উৎসাহ দেওয়া যেতে পারে।

রেকর্ড
কোনো একটি বিষয় কথা বলার সময় সেটি রেকর্ড করায় উৎসাহী করা যায়। নানা রকম মাইক্রোফোন পাওয়া যায়। এই ধরনের যন্ত্র থাকলে সে কথা বলতে উৎসাহী হবে। তাছাড়া, রেকর্ড করলে নিজের কথাই নিজে শেনার সময় ভুল ধরতে পারবে।

গল্প বলা
ছোটদের স্ক্রিন টাইম বেড়ে যাওয়া নিয়ে প্রায় সব বাবা মায়েরই অভিযোগ থাকে। শিশুর সঙ্গে গল্প বলার খেলা শুরু করা যেতে পারে। সঙ্গী হতে পারেন বাবা, মা, বাড়ির অন্যেরা। কোনো একটি বিষয় নিয়ে গল্প শুরু করার পরে বানিয়ে বানিয়ে অন্যদেরও কয়েকটি লাইন জুড়ে দিতে হবে। এতে কল্পনাশক্তি যেমন বাড়বে, তেমনই ভেবে কথা বলার অভ্যাস রপ্ত হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here