এক সপ্তাহ পর দেশের বাজারে আবার বেড়েছে স্বর্ণের দাম। এবার প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম বেড়েছে এক হাজার ৬৯১ টাকা। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম বেড়ে যাওয়ায় তারা দাম সমন্বয় করেছে। গতকাল শনিবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
নতুন দাম অনুযায়ী, গতকাল শনিবার থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম হয়েছে দুই লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। এর আগে যা ছিল দুই লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম বেড়ে ভরিতে দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম হয়েছে এক লাখ ৯২ হাজার ৩৯৮ টাকা। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম হয়েছে এক লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা। স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও বাড়িয়েছে বাজুস। প্রতি ভরিতে ১১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে পাঁচ হাজার ১৩২ টাকা।
দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দর বেড়েছিল চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি। ওই দিন স্বর্ণের দাম এক লাফে ভরিতে ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বেড়ে দুই লাখ ৮৬ হাজার টাকায় ওঠে। এরপর ধীরে ধীরে কমে ভরিপ্রতি দুই লাখ ২০ হাজার টাকার নিচে নেমে এসেছিল। তারপর আবার বাড়তে থাকে। এভাবে এ বছর বেশ কয়েকবার ওঠানামা করেছে মূল্যবান ধাতুটির দাম।
নানা কারণে স্বর্ণের দরে উত্থান-পতন ঘটে। যেমন– যুদ্ধ বা সংকটে মানুষ নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণ কেনে। মার্কিন ডলার দুর্বল হলে, ব্যাংকের সুদ হার কমলে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর রিজার্ভ বাড়ালে ও মুদ্রার মান কমলে স্বর্ণের চাহিদা বাড়ে। ফলে দামও বেড়ে যায়। অন্যদিকে ডলার শক্তিশালী হলে স্বর্ণের দাম সাধারণত কমে যায়। ব্যাংকে সুদের হার বাড়লে মানুষ স্বর্ণ ছেড়ে বন্ড বা ব্যাংকে বিনিয়োগ করে।


