দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে নতুন সংযোজন ডি থ্রি ট্রফি। তিন সংস্করণের এই টুর্নামেন্টের প্রথম আসর সামনে রেখে সোমবার বসেছে খেলোয়াড়দের নিলাম। ‘এ’ ক্যাটাগরির নিলামে সর্বোচ্চ ২ কোটি ৩০ লাখ পয়েন্ট পেয়েছেন পেসার শরিফুল ইসলাম। তার পরেই আছেন তাসকিন আহমেদ ও তানজিদ হাসান তামিম।
রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে সকাল ১০টায় শুরু হয় নিলাম। ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে পাঁচটি দল ‘এ’ ক্যাটাগরি থেকে খেলোয়াড় দলে নিয়েছে। একমি গ্রুপ এই ক্যাটাগরি থেকে কাউকে নেয়নি।
নিলামে শরিফুলকে ২ কোটি ৩০ লাখ পয়েন্টে দলে নিয়েছে সিটিজেনস ব্যাংক। ওয়ালটন গ্রুপ তাসকিন আহমেদকে পেয়েছে ২ কোটি ১০ লাখ পয়েন্টে। ফরচুন গ্রুপ ২ কোটি পয়েন্টে নিয়েছে তানজিদ হাসান তামিমকে। তবে নিলামে ওঠা পয়েন্টের সঙ্গে খেলোয়াড়দের প্রকৃত পারিশ্রমিকের সরাসরি সম্পর্ক নেই। ‘এ’ ক্যাটাগরির খেলোয়াড়দের ভিত্তিমূল্য ৪০ লাখ টাকা। পারিশ্রমিক নির্ধারণে ম্যাচ খেলার সংখ্যাও বিবেচনায় নেওয়া হবে।
ফরচুন গ্রুপের আইকন খেলোয়াড় তাওহীদ হৃদয়। দলটি নাজমুল হোসেন শান্তকে ১ কোটি ৫৫ লাখ, সৌম্য সরকারকে ৭৫ লাখ এবং রিশাদ হোসেনকে ৬০ লাখ পয়েন্টে দলে নিয়েছে।
এইস ব্লু স্টারের আইকন নুরুল হাসান সোহান। দলটি হাসান মাহমুদকে ১ কোটি ৯৫ লাখ, শেখ মেহেদী হাসানকে ১ কোটি ৫০ লাখ, এনামুল হক বিজয়কে ৯০ লাখ এবং নাহিদ রানাকে ৭৫ লাখ পয়েন্টে নিয়েছে।
সেভেন রিংস সিমেন্টের আইকন মুশফিকুর রহিম। তারা সাইফ হাসানকে ১ কোটি ৯৫ লাখ, খালেদ আহমেদকে ১ কোটি ৫০ লাখ, তাইজুল ইসলামকে ৮০ লাখ এবং মোস্তাফিজুর রহমানকে ৭০ লাখ পয়েন্টে দলে নিয়েছে।
সিটিজেনস ব্যাংকের আইকন নাঈম শেখ। শরিফুলের পাশাপাশি তারা জাকের আলী অনিককে ১ কোটি ৮০ লাখ পয়েন্টে কিনেছে। ওয়ালটন গ্রুপের আইকন মেহেদী হাসান মিরাজ। দলটি তাসকিনের সঙ্গে লিটন দাসকে ১ কোটি ৫০ লাখ এবং মুমিনুল হককে ৮০ লাখ পয়েন্টে দলে নিয়েছে। একমি গ্রুপের আইকন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।
ডি থ্রি ট্রফিতে মোট ৪২টি ম্যাচ হবে। এর মধ্যে রয়েছে সাতটি চার দিনের ম্যাচ, ১৬টি ওয়ানডে ও ১৯টি টি-টোয়েন্টি। আগামী ১৫ ডিসেম্বর টি-টোয়েন্টি সংস্করণ দিয়ে শুরু হবে প্রতিযোগিতা। জানুয়ারিতে হবে চার দিনের ম্যাচ, আর ওয়ানডে সংস্করণ মাঠে গড়াবে ২০২৭ সালের মে মাসে।


