জন্মভূমি প্রতিবেদকঃ নিউইয়র্ক সিটির কুইন্স, স্ট্যাটেন আইল্যান্ড ও ব্রুকলিনের একাধিক প্রাপ্তবয়স্ক দিবাযত্নকেন্দ্রে (এডাল্ট ডে কেয়ার) তদন্ত ও অভিযান চালিয়েছেন কেন্দ্রীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। মঙ্গলবারের এসব তৎপরতা চলমান একটি কেন্দ্রীয় তদন্তের অংশ বলে জানিয়েছে এফবিআই।এফবিআইয়ের এক মুখপাত্র নিউজ নেশনকে দেওয়া বিবৃতিতে জানান, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশনসসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে নিউইয়র্কের তিন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল জানিয়েছেন, সামাজিক প্রাপ্তবয়স্ক দিবাযত্ন কর্মসূচিতে সম্ভাব্য জালিয়াতির অভিযোগ তদন্তে রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ এবং মেডিকেইড ইন্সপেক্টর জেনারেলের কার্যালয় কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে। ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরের দিকে ব্রুকলিনের এইটথ অ্যাভিনিউয়ের একটি কথিত প্রাপ্তবয়স্ক দিবাযত্নকেন্দ্রে কর্মকর্তাদের যাতায়াত করতে দেখা যায়। এ সময় কয়েকজনকে বাক্স নিয়ে বের হতে দেখা গেছে। একই এলাকায় ফোর্ট হ্যামিল্টন পার্কওয়ে ও ৫১তম স্ট্রিটের কাছে আরেকটি দিবাযত্নকেন্দ্র থেকেও কর্মকর্তাদের একাধিক ব্যাগভর্তি সামগ্রী নিয়ে যেতে দেখা যায়।
ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ জানায়, সেখানে জালিয়াতির অভিযোগে তদন্ত চলছে।
গভর্নর হোকুলের ভাষ্য, কয়েক মাস ধরে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ে এ তদন্ত চলছে। মঙ্গলবার তিনি বলেন, অর্থপাচার, অবৈধ কমিশন বা কিকব্যাক, ভুল তথ্য দিয়ে বিল জমা এবং অন্যান্য জালিয়াতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত সেবাদানকারীদের লক্ষ্য করে তদন্ত চালানো হচ্ছে।
হোকুল আরও জানান, তার প্রশাসন তদন্ত ও বিচারের জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে ১০০টিরও বেশি অভিযোগ পাঠিয়েছে।
গভর্নর বলেন, করদাতাদের অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে নিউইয়র্কের কোনো ছাড় নেই। যারা সরকারি ব্যবস্থার অপব্যবহার করে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করবে, তাদের খুঁজে বের করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং জবাবদিহির আওতায় আনা হবে বলে তিনি সতর্ক করেন।


