জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর ও হেনস্তার ঘটনায় এসআই শফিকুল ও কনস্টেবল রাসেলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সিএমপি কমিশনার শওকত আলী। ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে পুলিশের সোর্স সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন খুলশী থানার ওসি আরিফুর রহমান।
সিএমপি কমিশনার শওকত আলী বলেন, ইতোমধ্যে দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পুলিশের সঙ্গে থাকা সোর্স সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ পরিচয়ে আটক, মারধর ও হেনস্তার ঘটনায় পুলিশের উপপরিদর্শকসহ (এসআই) তিনজনের বিরুদ্ধে শুক্রবার রাতে নগরের খুলশী থানায় মামলা দায়ের করেন ক্রিকেটার নাঈম হাসানের ভাই সাব্বির হাসান। মামলার আসামিরা হলেন- এসআই শফিকুল, কনস্টেবল রাসেল ও সোর্স সোহেল।
খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান দাবি করেন, অভিযানের বিষয়ে এসআই শফিকুল ইসলাম তাকে আগে থেকে কিছুই জানাননি। থানায় আনার পরই তিনি ক্রিকেটার নাঈমের পরিচয় সম্পর্কে জানতে পারেন।
তবে নাঈমের অভিযোগ, ওসি আরিফও তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন। এক পর্যায়ে তাকে চোখ নামিয়ে কথা বলার নির্দেশও দেন।




