ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের অবশিষ্ট একমাত্র খ্রিষ্টান অধ্যুষিত শহর তাইবা। ঐতিহাসিক সেন্ট জর্জ চার্চ ও শতাব্দীর প্রাচীন ঐতিহ্যের এই শহরে বর্তমানে প্রায় এক হাজার ২০০ ফিলিস্তিনি খ্রিষ্টান বসবাস করছেন। তবে চারপাশের পাহাড়ি এলাকায় অবৈধ ইসরায়েলি বসতি গড়ে ওঠায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন স্থানীয়রা। সম্প্রতি শহরটিতে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা ও সশস্ত্র অনুপ্রবেশ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।
আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, রোলান্ড বাসির নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা দীর্ঘ ২০ বছর ধরে প্রায় ৫০ লাখ ডলার বিনিয়োগ করে শহরে একটি কারখানা গড়ে তুলেছিলেন। কিন্তু ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের ক্রমাগত হামলা ও অগ্নিসংযোগের কারণে বাধ্য হয়ে তাঁকে ব্যবসা ছেড়ে দিতে হয়েছে।
শহরের মেয়র সুলেমান খুরিয়া জানান, বসতি স্থাপনকারীরা কেবল ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতেই গবাদিপশু চরাচ্ছে না বরং স্থানীয় পানির উৎসগুলোর নিয়ন্ত্রণও কেড়ে নিচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, লিয়াজোঁ অফিস ও পুলিশে বারবার লিখিত আবেদন করেও প্রশাসন বসতি স্থাপনকারীদের সরাতে ব্যর্থ হয়েছে।
সম্প্রতি ইসরায়েলি সেনাবাহিনী তাইবা ও রামুন গ্রামকে ‘অবরুদ্ধ সামরিক এলাকা’ ঘোষণা করেছে। তবে স্থানীয় অধিবাসীরা মনে করছেন, এটি মূলত মানবাধিকার কর্মীদের দূরে রাখার কৌশল, যা শহরটিকে আরও বিচ্ছিন্ন করে ফেলবে।


