সম্পর্ক টেকে বোঝাপড়ায়, যত্নে। নিত্যদিনের চলাফেরায়, যোগাযোগে সঙ্গীর সঙ্গে এমন আচরণ করা ঠিক নয়, যা তাকে ছোট করে। এমনটা চলতে থাকলে এক সময় মানসিক দূরত্ব এতটাই বাড়ে, যা ভাঙন ধরায়। অর্থাৎ সম্পর্কের চারাগাছটা আগের মতো তাজা থাকে না।
সঙ্গীর কাছ থেকে কী পাননি, তার চেয়েও বেশি অনুভব করুন কী কী পেয়েছেন। তাকে স্পেশাল অনুভব করান। আর এমন চার বাক্য ভুলেও বলবেন না, যা সঙ্গীর মন খারাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
‘তোমাকে জীবনসঙ্গী ভেবে ভুল করেছি’ বলা
এই ধরনের কথা সঙ্গীর মনে আঘাত দেয়। সম্পর্ক নিয়ে অনুশোচন হচ্ছে-এই ধরনের কথা ঝগড়ার সময়েও বলা উচিত নয়। ঝগড়া, মান-অভিমান মিটে গেলেও এই ধরনের কথার রেশ থেকে যায়। এতে সম্পর্কের ভিত দুর্বল হয়ে যায় এবং আপনার প্রতি সঙ্গীর বিশ্বাস নষ্ট হতে পারে।
সঙ্গীর আর্থিক অবস্থা নিয়ে খোঁটা দেওয়া
সঙ্গী হয়তো আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল নয়। কিন্তু আপনি যে অর্থ রোজগার করেন, সঙ্গী তা করেন না। কিন্তু সঙ্গীর আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে কখনোই কথা শোনাবেন না। টাকা-পয়সা নিয়ে অপমান বা ঠাট্টা করলে তা আত্মসম্মানে আঘাত লাগে। তাছাড়া সঙ্গীর মনে হতে পারে এই সম্পর্কে আপনি খুশি নন। আর দিনের পর দিন এমনটা চলতে থাকলে সম্পর্ক ভাঙতে বাধ্য।
তার পরিবার বা বন্ধুদের অপমান করা
সঙ্গীর পরিবার, বন্ধু বা প্রিয়জনদের খারাপ কথা বলা উচিত নয়। সঙ্গীর কাছের মানুষদের অপমান করলে আপনিই সঙ্গীর কাছে ছোট হয়ে যাবেন। এতে আপনাদের দু’জনের মধ্যে দূরত্ব বাড়বে এবং মনের ভেতর ক্ষোভ তৈরি হবে।
সঙ্গীর দুর্বলতা নিয়ে মজা করা
প্রত্যেকেরই কিছু কিছু দুর্বলতা রয়েছে। অনেকেই ছোট ছোট বিষয় নিয়েও হীনমন্যতায় ভোগে। কিন্তু সেগুলো নিয়ে কখনোই হাসিঠাট্টা করা উচিত নয়। এতে সঙ্গী অপমানিত বোধ করেন এবং আত্মবিশ্বাস কমে যায়। বরং, সঙ্গীর দুর্বলতা বা হীনমন্যতায় ভোগার কারণ জানলে, সেই সমস্যা দূর করার চেষ্টা করুন।




