প্রতিযোগী ছাড়ালো দুই লাখ আগামীর স্বপ্ন সারথি গড়ছে ‘মার্কস অলরাউন্ডার’

0
2

আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে নেতৃত্ব দেবে মেধা-মনন-সৃষ্টিশীলতা ও অদম্য শক্তিতে ভরপুর আজকের প্রজন্ম। তাদের হতে হবে অলরাউন্ডার। সেই অলরাউন্ডার প্রজন্মকে শৈশব থেকে গড়ে তোলার জন্য কাজ করে চলেছে মার্কস ফুলক্রিম মিল্ক পাউডার। দেড় যুগের বেশি সময় ধরে শিশু-কিশোরদের সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশে আয়োজন করে চলেছে মার্কস অলরাউন্ডার।

শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণের এই প্লাটফর্ম এবার ফেলে দিয়েছে অভূতপূর্ব সাড়া!

এখন পর্যন্ত নিবন্ধিত প্রতিযোগীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে দুই লাখ। আয়োজকরা জানিয়েছেন সব মিলিয়ে নিবন্ধন সংখ্যা ছাড়িয়ে যাবে আড়াই লাখ। বাংলাদেশের ইতিহাসে শিশু-কিশোরদের কোনো প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতায় এত বিশাল অংশগ্রহণ এর আগে কখনো দেখা যায়নি।

মার্কস অল রাউন্ডার কেবল একটি সাধারণ প্রতিযোগিতা নয়; এটি একটি স্বপ্ন দেখার ও দেখানোর কারিগর। এবারের আসরটি সাজানো হয়েছে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে, যেখানে তিনটি ভিন্ন বয়সভিত্তিক গ্রুপে বিভক্ত হয়ে শিশু-কিশোররা তাদের প্রতিভা প্রদর্শনের সুযোগ পাচ্ছে।

একজন শিশু যে কেবল পড়াশোনাতেই ভালো হবে, তা নয়— তার ভেতর লুকিয়ে থাকতে পারে একজন জাত শিল্পী বা তুখোড় বক্তা। সেই সম্ভাবনাকে উসকে দিতেই রাখা হয়েছে নিচের বিষয়গুলো: ১. নাচ, ২. গান, ৩. আবৃত্তি, ৪. অভিনয়, ৫. চিত্রাঙ্কন, ৬. গল্প বলা ও ৭. উপস্থিত বক্তৃতা।

%E0%A7%AA 1777723759

মার্কস অলরাউন্ডার কখনোই কেবল শহরকেন্দ্রিক আয়োজনে সীমাবদ্ধ থাকেনি। এবারের আসরে বাংলাদেশের ৬৪টি জেলাকে ১০০টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ের একদম প্রান্তিক জনপদ থেকেও যেন কোনো প্রতিভা ঝরে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতেই এই শত ভেন্যুর পরিকল্পনা।

এবারের আসরে তিনটি গ্রুপ থেকে নির্বাচিত সেরা ৩ জন অলরাউন্ডার প্রত্যেকে পাবে ১৫ লাখ টাকার শিক্ষাবৃত্তি। এছাড়াও অংশগ্রহণকারীদের জন্য রয়েছে সর্বমোট ১ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের উপহার ও শিক্ষাবৃত্তি।

চট্টগ্রাম থেকে শুরু হওয়া সুর আর ছন্দ আর সৃজনশীলতার লড়াই এখন ঢাকার বুকে। ঢাকার বিভিন্ন ভেন্যুতে এখন চলছে শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত প্রস্তুতি। যারা এখনো এই মহোৎসবে সামিল হতে পারেননি বা তথ্য জানতে চান, তাদের জন্য রেজিস্ট্রেশন ও বিস্তারিত তথ্যের দ্বার উন্মুক্ত।

একটি উন্নত জাতি গঠনে সুস্থ বিনোদন এবং মেধার বিকাশের কোনো বিকল্প নেই। মার্কস অল রাউন্ডার কেবল একটি প্রতিযোগিতার নাম নয়, এটি একটি আন্দোলনের নাম— যে আন্দোলন শিশুদের আত্মবিশ্বাসী করে তোলে, তাদের সাংস্কৃতিক বোধকে জাগ্রত করে এবং তাদের স্বপ্ন দেখতে শেখায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here