লিভারের প্রাণঘাতী রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজ রবিবার সকাল ৮টায় রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে এক বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিশ্ব লিভার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই সেমিনারের আয়োজন করে বাংলাদেশ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সোসাইটি। এতে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা লিভারের সুরক্ষা, রোগ নির্ণয় ও আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. সহিদুর রহমান। সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন সোসাইটির মহাসচিব অধ্যাপক দেওয়ান সাইফুদ্দিন আহমেদ।
প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মিয়া মাসহুদ আহমদ, জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ডা. গোলাম সারওয়ার লিয়াকত হোসেন ভূঁইয়া এবং জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন।
সেমিনারে আলোচক হিসেবে বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা অংশ নেন। তাদের মধ্যে ছিলেন- ঢাকা মেডিকেল কলেজের সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আহমেদ সামি আল-হাসান, ঢাকা ডেন্টাল কলেজের ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাবরিনা বিনতে রহমান, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের পেডিয়াট্রিক গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ও নিউট্রিশন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোসা. নাজনীন সরকার, এনজিএলআইএইচ-এর ব্লাড ট্রান্সফিউশন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. খালেদা আক্তার খানম, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের গাইনোকোলজিক্যাল অনকোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আয়েশা সিদ্দিকা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইএনএফএস-এর পরিচালক ডা. সাইদুল আরেফিন, এনজিএলআইএইচ-এর সাবেক পরিচালক ও অধ্যাপক অধ্যাপক ডা. মো. সাইফ উদ্দৌলা এবং জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড রেডিয়েশন অনকোলজির সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. মেহবুব আহসান রনি।
বক্তারা লিভারের প্রদাহ সঠিক সময়ে শনাক্তকরণ এবং ‘ফ্যাটি লিভার’ প্রতিরোধে সুষম খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত ব্যায়ামের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে রোগীদের জন্য বিনামূল্যে হেপাটাইটিস বি ও সি স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়।




