Home Blog Page 154

শোবিজ ছাড়ার পর বিয়ের খবর জানালেন লুবাবা

গ্ল্যামার জগতকে বিদায় জানানোর পর নতুন জীবনে পা রাখার খবর দিলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী সিমরিন লুবাবা। মঙ্গলবার বিকেলে নিজের ফেসবুক পোস্টে একটি ছবি প্রকাশ করে বিয়ে করার কথা জানিয়েছেন তিনি।

ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তিনি লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। দুইটি আত্মা, এক কিবলা। দুনিয়া এবং আখিরাতের জন্য। আল্লাহ আমাকে একজন দ্বীন শেখার সঙ্গী উপহার দিয়েছেন।’ এই পোস্ট থেকেই মূলত বিয়ের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।

লুবাবার পোস্টে একটি ছবি থাকলেও সেখানে বর–কনের চেহারা স্পষ্ট নয়। পাত্রের পরিচয় নিয়েও তিনি কিছু জানাননি। ফলে কে তার জীবনসঙ্গী-এ নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন মাধ্যমে পাত্রকে বিদেশপ্রবাসী বা আলেম বলে দাবি করা হলেও এসব তথ্যের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের দাবিকে ঘিরে চলছে নানা ধরনের তথ্য ও গুঞ্জন। কেউ বলছেন, আগেই নীরবে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে, আবার কেউ বলছেন, এটি কেবল ব্যক্তিগত জীবনের নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত। তবে এসব দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সিমরিন লুবাবা ছোটবেলা থেকেই মিডিয়ায় পরিচিত মুখ। প্রয়াত অভিনেতা আবদুল কাদেরের নাতনি হিসেবে খুব অল্প বয়সেই অভিনয়ে আসেন। শিশুশিল্পী হিসেবে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর নিয়মিত অভিনয় ও মডেলিংয়ে কাজ করেছেন। তবে গত বছরের শেষ দিকে হঠাৎ করেই বিনোদনজগৎ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। পরে জানান, তিনি আর প্রকাশ্যে আসবেন না।

সেই পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় এবার তাঁর ব্যক্তিজীবন নিয়েও নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে বিয়ে হয়েছে-এমনটি নিশ্চিতভাবে বলার মতো কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

হামে শিশুদের মৃত্যুতে দায়ী স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতি: জামায়াতে ইসলামী

হামে আক্রান্ত ৩২ জন শিশুর মৃত্যুর জন্য স্বাস্থ্যখাতে অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতিকে দায়ী করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জামায়াতে ইসলামী।

মঙ্গলবার দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বিবৃতিতে বলেছেন, মার্চে ৩২ জনসহ চলতি বছর হাম রোগে ৪৬ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে- যা অত্যন্ত মর্মান্তিক। কিন্তু এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত সরকারের দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।

জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বিবৃতিতে বলেছেন, এই পরিস্থিতির জন্য দেশের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের দুর্বলতা ও অব্যবস্থাপনাই প্রধানত দায়ী। ব্যাপক দুর্নীতি ও লুটপাটের কারণেই সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। ফলে জনগণ তাদের সুচিকিৎসা পাওয়ার মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

হাম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জামায়াত।

তপশিলসহ ইসির সব সিদ্ধান্ত ৬ এপ্রিল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তপশিলসহ সব সিদ্ধান্ত জানা যাবে আগামী ৬ এপ্রিল। এজন্য ওইদিন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ১১তম কমিশন সভা ডাকা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ইসির একাধিক কর্মকর্তা সমকালকে এ তথ্য জানান। এর আগে ৬ এপ্রিলে এই নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা জানিয়েছিলেন সংস্থাটির কর্মকর্তারা।
ওই কমিশন সভায় নির্বাচন কমিশনাররা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেবেন বলে ইসি সূত্র জানিয়েছে।

ইসি সূত্র বলছে, এবারের কমিশন সভায় পাঁচটি আলোচ্যসূচি রাখা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে– সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচন ও প্রাসঙ্গিক বিষয়াদি; ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যবহৃত নির্বাচনী সামগ্রী সংরক্ষণ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদানের বিষয়ে অবহিতকরণ; ৯ এপ্রিলে অনুষ্ঠেয় শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচন ও বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন বিষয়ে অবহিতকরণ; নির্বাচন সংশ্লিষ্ট নির্বাচন পূর্ববর্তী কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ মামলা ও নির্বাচন পরবর্তী সময়ে দায়েরকৃত নির্বাচনী দরখাস্ত বিষয়ে কমিশনকে অবহিতকরণ এবং নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে আহত ও নিহতদের ক্ষতিপূরণ বিষয়ে প্রণীত নীতিমালা বিষয়ে কমিশনকে অবহিতকরণ। এ ছাড়া বিবিধ বিষয় নিয়েও সভায় আলোচনা হবে।

জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন (সংশোধন) আইন, ২০২৩ অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের দিন থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনে দলগুলো জোটগতভাবে নির্বাচন করবে নাকি করবে না, সে বিষয়ক কার্যক্রম শেষ করতে হয়। তার পরদিন চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হয়। সেই হিসাবে ৫ এপ্রিল ৩০ কার্যদিবস শেষ হবে এবং ৬ এপ্রিল সংরক্ষিত নারী আসন নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। আর সংসদ নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে এই নির্বাচন করতে হয়। সেই হিসাবে ১৪ মে-র আগে যে কোনো দিন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তবে এপ্রিল মাসেই এই নির্বাচন শেষ করতে চায় কমিশন।

কোনো জোটেই যাবেন না রুমিন ফারহানা  
এদিকে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে কোনো জোটে যোগ দেবেন না বলে জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। গতকাল ইসি সূত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসি সূত্র আরও জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সামনে রেখে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। ওই চিঠির জবাবে রুমিন ফারহানা ইসিকে জানিয়েছেন, তিনি কোনো জোটে থাকবেন না। এ নির্বাচনে তিনি একজন ভোটার হিসাবে অংশ নেবেন।

স্কুল-কলেজে ৩ দিন অনলাইন ক্লাস, ৩ দিন অফলাইনে

বৈশ্বিক সংকট ও জ্বালানি পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশে আবারও মহানগরী এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (বিশ্ববিদ্যালয় বাদে) অনলাইন ক্লাস চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। তবে করোনাকালের মতো পুরোপুরি অনলাইননির্ভর না হয়ে অনলাইন ও অফলাইন মিলিয়ে সমন্বিত বা ‘ব্লেন্ডেড’ শিক্ষা পদ্ধতি চালুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত ঢাকা মহানগরীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের প্রধান এবং শিক্ষা বোর্ড ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ও তিন দিন অফলাইনে (সশরীরে) ক্লাস পরিচালনার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

ব্লেন্ডেড শিক্ষা পদ্ধতি বা মিশ্রণ শিক্ষণ বলতে প্রথাগত সশরীরে শ্রেণিকক্ষের পাঠদান ও ডিজিটাল বা অনলাইন প্রযুক্তির সমন্বয়কে বোঝায়। এতে শিক্ষার্থীরা আংশিক সময় শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত থেকে পাঠ গ্রহণ করবে এবং পাশাপাশি অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও পাঠদান চলবে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২০ সালের মার্চে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে এসব প্রতিষ্ঠানে অনলাইনে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করা হয়।

মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান কেন সংঘাতে জড়ানোর ঝুঁকিতে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা শুরু করার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৯টি দেশে কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, যা প্রতিদিন অর্থনীতিতে শত শত কোটি ডলারের ক্ষতি করছে। বিশ্বের দেশগুলো একটি বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের মুখোমুখি। কিন্তু এই যুদ্ধের মাত্রা আরও বেশি ভয়াবহ হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি নানা কারণে যুদ্ধের মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানও এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

সিএনএনের বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, পাকিস্তান কয়েকটি কারণে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে। প্রথমত, যুদ্ধ শুধু দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; দ্বিতীয়ত, যুদ্ধ ক্রমেই সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং তৃতীয়ত, মধ্যস্থতাকারী দেশের সঙ্গে অন্য কোনো দেশের নিরাপত্তা চুক্তি থাকলে অস্ত্র তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত আসতে পারে। এ ক্ষেত্রে পাকিস্তানের সঙ্গে সৌদি আরবের নিরাপত্তা চুক্তি থাকায় এই আশঙ্কা আরও বেড়েছে।

অন্যদিকে ইরানের প্রক্সি গ্রুপগুলো যেহেতু ইসরায়েলে হামলা চালাচ্ছে, সে ক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে পাকিস্তানকে ইসরায়েলের পক্ষ গণ্য করে দেশটিতে হামলা হতে পারে। সৌদি আরবের পাশাপাশি উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের সদস্য কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ওমানের ওপর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের ঝাঁক নিক্ষেপ করছে ইরান। তবুও এখন পর্যন্ত এই দেশগুলোর কোনোটিই তেহরানের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা চালায়নি।

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সাবেক দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুহাম্মদ সাঈদ ব্যাখ্যা দেন, সৌদি আরব খুবই ধৈর্যশীল। যদি সৌদিরা সামরিকভাবে পাল্টা হামলা চালায়, তবে তা শুধু সৌদিরাই করবে না। তাতে পুরো অঞ্চলটিই আগুনে জ্বলে উঠবে।

গত রোববার ইসলামাবাদে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে এক বৈঠকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ অসাধারণ সংযমের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি সৌদির পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে এও আশ্বাস দেন, পাকিস্তান সব সময় সৌদি আরবের পাশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াবে। এর তাৎপর্য হলো, যদি ইরান সৌদি আরবকে খুব বেশি উত্ত্যক্ত করে, তবে রিয়াদের প্রতিরক্ষায় এগিয়ে আসতে পাকিস্তান বাধ্য হতে পারে।

ওয়াশিংটনের মিডল ইস্ট পলিসি কাউন্সিলের সিনিয়র রেসিডেন্ট ফেলো কামরান বোখারি মনে করেন, ইরানের কৌশলগত পরিমণ্ডলে ইরানের সবচেয়ে কম সমস্যাযুক্ত সম্পর্ক হলো পাকিস্তানের সঙ্গে। তবে পাকিস্তানের সংকটকালীন কূটনীতি আরও গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।

গত সপ্তাহান্তে ইয়েমেনে ইরানসমর্থিত হুতিরা এই সংঘাতে প্রবেশ করে এবং ইসরায়েলের দিকে তারা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। যা আঞ্চলিক যুদ্ধকে আরও প্রসারিত করেছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে হাজার হাজার সৈন্য মোতায়েন করছে, যা ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলছে। একজন ঊর্ধ্বতন ইরানি নিরাপত্তা কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেন, ‘এটা আমাদের যুদ্ধ। আমরা ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে একটি ঐতিহাসিক শিক্ষা না দেওয়া পর্যন্ত প্রতিরোধ চালিয়ে যাব।’

মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের আবির্ভাব 
বিবিসি লিখেছে, এই সংঘাতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিয়ে অবাক হওয়ার কিছু নেই। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সুনজরে আছেন। মার্কিন নেতা প্রায়ই তাঁকে তাঁর ‘প্রিয় ফিল্ড মার্শাল’ হিসেবে উল্লেখ করেন। ট্রাম্প আগেও বলেছেন, মুনির ইরানকে অধিকাংশের চেয়ে ভালো চেনেন। যদিও দেশটিতে কোনো মার্কিন বিমানঘাঁটি নেই।

আটলান্টিক কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক সিনিয়র ফেলো মাইকেল কুগেলম্যান বিবিসিকে বলেন, ‘আমি বলব, মধ্যপ্রাচ্যে পাকিস্তানের অনেক বেশি স্বার্থ জড়িত। দেশটি নিজ স্বার্থের কারণেই উত্তেজনা কমানোর প্রচেষ্টা করছে।’ তবে এই কাজটি ঝুঁকিমুক্ত নয়। আঞ্চলিক কূটনীতিতে উভয় সংকট মোকাবিলার কৌশলই সর্বোত্তম পন্থা বলে মনে করে পাকিস্তান। এই পন্থা সফল না হলে ইসলামাবাদের জন্য সমীকরণ আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

চীন ইরানকে সারেন্ডার করার পরামর্শ দিয়েছে

ইরাক যুদ্ধের সময়ও ওঁরা আবাবিল পাখির আশায় ছিলো, এখনো তাই! ফলাফল, ইরাক গেছে, ইরান যাবে। আবাবিল পাখিরা আরব্য উপন্যাসে মানায়, বাস্তবে নয়? সৌদি যুবরাজ আমেরিকাকে বলেছেন, এইতো সুযোগ, ইরানকে ধ্বংস করে দিন্। চীন ইরানী পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফোন করে আত্মসমর্পনের পরামর্শ দিয়েছে। ইসরাইল ইঙ্গিত দিচ্ছে, আমেরিকা থামলেও তারা যুদ্ধ চালিয়ে যাবে। ইরান ট্রাম্পকে একটি দামী উপহার পাঠিয়ে ইতিবাচন ইঙ্গিত দিচ্ছে। ট্রাম্প বলেছেন, ইরান পারমাণবিক শর্ত মেনে নিয়েছে। ট্রাম্পের বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে চুক্তি না হলে ইরান ধ্বংসের মুখোমুখি দাঁড়াবে। তেল সমবৃদ্ধ ‘খড়গ’ হারাবে। হম্বিতম্বি করলেও ইরানের সামনে হাত তুলে দেয়া ছাড়া কিচ্ছু করার নেই? যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে ধারণা করা হচ্ছে, ইরানী রেজিমে কি ভাঙ্গন ধরেছে?

পূর্ববর্তী খবরে বলা হয়: যুদ্ধ থামা উচিত, না থামলে সমস্যা বাড়বে, সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক সঙ্কট বাড়বে, ইরান ধ্বংস হয়ে গাজায় পরিণত হবে। ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী খুলে দেয়ার জন্যে ইরানকে ৪৮ঘন্টা আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন, ইরান পরিস্থিতির গুরুত্ব উপলব্ধি করে, আলোচনা শুরু হয়। ট্রাম্প ৫দিনের জন্যে আক্রমন স্থগিত করেন। ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন এরমধ্যে চুক্তি না হলে ইরানে ব্যাপক আক্রমন চালানো হবে। ইসরাইল বলেছে, এত তাড়াতাড়ি সবকিছু হচ্ছে, আমরা তা জানিনা। ইসরাইলের যুদ্ধবিরতির শর্ত আরো কঠিন। ইরান বলেছে, আলোচনা চলছে না! ট্রাম্প লবি বলছে, ইসলামাবাদে বৈঠক, মার্কিন পক্ষে এম্বাসাডর ষ্টিভ উইস্কভ ও ট্রাম্প জামাতা জেরিড কুশনার অংশ নিচ্ছেন, ভাইস-প্রেসিডেন্ট জে.ডি.ভ্যান্স শেষের দিকে অংশ নেবেন। যুক্তরাষ্ট্র থামলেও ইসরাইল কিন্তু বলে দিয়েছে, ইরান ও হেজবুল্লার ওপর আক্রমন চলবে।

সোমবার ট্রাম্প পাম বীচে সাংবাদিকদের বলেছেন, ১৫দফা নিয়ে নিয়ে কথাবার্তা হচ্ছে। তিনি ইরানে রেজিম চেঞ্জ ও যৌথ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা এবং ইরানের সমবৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে আসার কথা বলেছেন। হরমুজ প্রণালী আমেরিকা-ইরান যৌথ নেতৃত্বে পরিচালনার কথা বলেছেন। ইরান অবশ্য মিশর-কাতারের মধ্যস্থতায় শর্ত-সাপেক্ষে যুদ্ধবিরতিতে সম্মতির কথা জানিয়েছে। ইরানের শর্তগুলো কঠিন, যেমন ভবিষ্যতে ইরান আক্রমন করা যাবেনা, ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, মার্কিন ঘাঁটি তুলে নিতে হবে বা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ইত্যাদি, যা মেনে নেয়া ট্রাম্পের পক্ষে সম্ভব নয়। ট্রাম্প যুদ্ধ বন্ধ চায়, কারণ অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়ছে, নভেম্বরে মিড্-টার্ম ইলেকশন জিতলে হলে যুদ্ধ লম্বা করা যাবেনা। ইরান যুদ্ধ বন্ধ চায়, কারণ ইরানের আয়ের পথ সংকুচিত, ধ্বংস বন্ধ করা, যুদ্ধ ছড়িয়ে গেলে সেটি শিয়া-সুন্নি যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। ট্রাম্প সিএনবিসিকে বলেছেন, ইরান যুদ্ধবিরতির জন্যে মরিয়া।

ইরান যুদ্ধ অর্ধেকের বেশি পথ পেরিয়েছে, এখন লক্ষ্য ইউরেনিয়াম: নেতানিয়াহু

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ‘সাফল্যের অর্ধেকের বেশি পথ পারি দিয়েছে।’ তিনি জানান, দুই দেশের যৌথ হামলাগুলো এখন মূলত ইরানের পারমাণবিক উপকরণের ওপর বিশেষ নজর দিচ্ছে।

নেতানিয়াহু আরও বলেছেন, ইরানের সঙ্গে এই যুদ্ধ শেষ করার কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বা ‘শিডিউল’ তিনি নির্ধারণ করতে চান না।

রক্ষণশীল সংবাদমাধ্যম ‘নিউজম্যাক্স’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ইরানি শাসনব্যবস্থা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি এবং সেগুলো আমেরিকার শহরগুলোতে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যম খুঁজছে। এই যুদ্ধের মূল লক্ষ্যই হলো- সেই প্রচেষ্টা ও পরিণতি রুখে দেওয়া।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আরও দাবি করেছেন, যৌথ হামলাগুলো ইতোমধ্যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে, উৎপাদন কারখানাগুলো ধ্বংস করেছে। হত্যা করা হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক বিজ্ঞানীদের।

জ্বালানি সংকট সামষ্টিক অর্থনীতিতে চাপ বাড়াচ্ছে, উন্মোচিত করছে নীতিগত সীমাবদ্ধতা: দেবপ্রিয়

চলমান জ্বালানি সংকট বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতির ভঙ্গুরতা আরও বাড়িয়ে তুলছে এবং নীতিগত কাঠামোর সীমাবদ্ধতাগুলো স্পষ্ট করে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক প্ল্যাটফর্ম-এর আহ্বায়ক ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি)-এর সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। এতে রাজস্ব স্থিতিশীলতা, বৈদেশিক ভারসাম্য ও দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির ওপর ঝুঁকি বাড়ছে বলে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার ধানমন্ডিতে সিপিডির কার্যালয়ে ‘নতুন সরকারের প্রথম বাজেট নিয়ে ভাবনা’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন। সিটিজেনস প্ল্যাটফর্ম ফর এসডিজিস, বাংলাদেশ আয়োজিত ওই আলোচনায় তিনি বলেন, জ্বালানি ধাক্কা এমন এক নীতিগত পরিবেশে ঘটছে, যেখানে সরকারের কার্যকর প্রতিক্রিয়া জানানোর সক্ষমতা সীমিত।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্য চুক্তির কিছু বিধান বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানি কৌশলকে ক্রমশ সীমিত করে ফেলছে। “নিষেধাজ্ঞা সমন্বয় এবং ‘নন-মার্কেট কান্ট্রি’ সংক্রান্ত ধারাগুলোর কারণে তুলনামূলক সস্তা উৎস যেমন রাশিয়ার তেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক ছাড় নিতে হচ্ছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি দামের অস্থিরতার সময় আমাদের ক্রয়-সুবিধা কমে গেছে।”

ত্রিমুখী ম্যাক্রো প্রভাব
সিপিডির ডিস্টিংগুইশড ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, এ সংকট রাজস্ব, বৈদেশিক ও মুদ্রানীতি—এই তিনটি ক্ষেত্রে একযোগে প্রভাব ফেলছে। বিদ্যুৎ খাতে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) কর্মসূচির সংস্কার প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি করছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তুকি যৌক্তিকীকরণের আইএমএফ শর্ত পূরণ এবং বড় আকারের ভর্তুকি বজায় রাখা—এই দুইয়ের মধ্যে স্পষ্ট অসামঞ্জস্য দেখা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, বৈদেশিক খাতে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ফলে বছরে প্রায় ৪.৮ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত আমদানি ব্যয় হতে পারে, যা জিডিপির প্রায় ১.১ শতাংশের সমান। এতে চলতি হিসাবের ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। একই সঙ্গে আমদানি ব্যয় বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা টাকার ওপর অবমূল্যায়নের চাপ সৃষ্টি করছে। পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে উপসাগরীয় অঞ্চলের সম্ভাব্য অস্থিরতা। কারণ, মোট রেমিট্যান্সের প্রায় অর্ধেকই ওই অঞ্চল থেকে আসে, যা বৈদেশিক লেনদেন ভারসাম্যের একটি প্রধান ভরসা।

কঠিন নীতিগত সিদ্ধান্ত
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, এই সংকট মোকাবিলায় সরকারকে কঠিন নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। রাজস্ব সুরক্ষায় বিদ্যমান জ্বালানি কর কাঠামো বজায় রাখা হবে, নাকি ভোক্তাদের চাপ কমাতে তা কমানো হবে—এই দ্বিধায় সরকারকে পড়তে হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) প্রায় ৫৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকার আর্থিক ঘাটতি সামাল দিতে জেট ফুয়েলের মতো কিছু ক্ষেত্রে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক দামের পুরো প্রভাব দেশীয় বাজারে প্রয়োগ করলে উচ্চ মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

বিনিয়োগে ধীরগতি
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, বেসরকারি বিনিয়োগ কমে জিডিপির প্রায় ২২.৫ শতাংশে নেমে এসেছে, যা পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। জ্বালানি খাতে অনিশ্চয়তা ও ব্যয় বৃদ্ধি বেসরকারি বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করছে, যা ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এমন নীতিগত পদক্ষেপ নিতে হবে, যা রাজস্ব শৃঙ্খলা, বৈদেশিক স্থিতিশীলতা ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ—এই তিনটির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখবে। সতর্কভাবে পরিস্থিতি সামাল না দিতে পারলে জ্বালানি সংকট আরও বড় ধরনের সামষ্টিক অর্থনৈতিক অস্থিরতায় রূপ নিতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।

দক্ষিণ লেবাননে চার ইসরায়েলি সেনা নিহত

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী মঙ্গলবার জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননে ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘর্ষের সময় তাদের চারজন সেনা নিহত হয়েছেন।

একটি সামরিক বিবৃতিতে একই ব্যাটালিয়নের তিনজন সৈন্যের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। বলা হয়েছে তারা লড়াই চলাকালে প্রাণ হারিয়েছেন। পৃথক একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, একই ঘটনায় আরও একজন সৈন্য মারা গেছেন যার নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

দ্বিতীয় ওই বিবৃতি অনুযায়ী, সংঘর্ষের সময় আরও এক সৈন্য গুরুতর আহত হয়েছেন এবং একজন সংরক্ষিত সৈন্য মাঝারি ধরনের আঘাত পেয়েছেন।

এদিকে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণ লেবাননে তাদের সৈন্যদের ওপর অতর্কিত হামলার চেষ্টাকালে কয়েকজন ‘সন্ত্রাসী’ নিহত হয়েছে। হিজবুল্লাহর এক সদস্যকে সৈন্যদের ওপর নজরদারি করার সময় আটক করা হয়েছে।

সেনাবাহিনী বলেছে, সৈন্যরা অস্ত্রাগারও ধ্বংস করেছে। এর মধ্যে অস্ত্রের ভাণ্ডার, কমান্ড সেন্টার এবং ইসরায়েলি ভূখণ্ড লক্ষ্য করে রকেট ছোড়ার একটি লঞ্চার ছিল। এছাড়া ওই স্থানগুলো থেকে সামরিক ভেস্ট এবং হেলমেটের পাশাপাশি একটি লোড করা আরপিজি উদ্ধার করা হয়েছে।

এবার বিশ্বভ্রমণে হুমায়ূন আহমেদের ট্রেনযাত্রার গল্প

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া এবং সাড়া জাগানো সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ আন্তর্জাতিক যাত্রা শুরু করেছে। গত শুক্রবার থেকে আন্তর্জাতিক যাত্রা শুরু করে করে সিনেমাটি। অস্ট্রেলিয়ার পর এবার কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের ৫২টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’।

হুমায়ূন আহমেদের ‘কিছুক্ষণ’ উপন্যাস থেকে অনুপ্রাণিত গল্পে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ নির্মাণ করেছেন তানিম নূর। একটি ট্রেনযাত্রাকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই সিনেমায় যাত্রীদের ব্যক্তিগত জীবনের নানা স্তর উঠে এসেছে।

ফেসবুক পোস্টে সিনেমাটির আন্তর্জাতিক পরিবেশক স্বপ্ন স্কেয়ারক্রু জানিয়েছে, মুক্তির প্রথম সপ্তাহে কানাডার ১০টি, যুক্তরাষ্ট্রের ৩৮টি এবং যুক্তরাজ্যের ৪টি থিয়েটারে চলবে ছবিটি।

এরমধ্যে এএমসি (যুক্তরাষ্ট্র)-তে ২১ টি শো, রিগ্যাল (যুক্তরাষ্ট্র) ১৪টি, সিনেপ্লেক্স (কানাডা) ১৫টি, সিনেমার্ক (যুক্তরাষ্ট্র) ২টি, শোকেস (যুক্তরাষ্ট্র) ১টি এবং সিনে ওয়ার্ল্ড (যুক্তরাজ্য)-তে ৪টি শো চলবে।

এর আগে একই নির্মাতার ‘উৎসব’ এর চেয়েও ১৫টি থিয়েটার বেশি পেল ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। এর সাথে আগামী ১০ এপ্রিল এলএ, কানেক্টিকাট, অস্টিনসহ আরো ৪টি থিয়েটার যোগ হবার কথা আছে।

পরিচালক তানিম নূর বলেন, ‘দর্শকের কাছ থেকে যে সাড়া পাচ্ছি সেটা অভাবনীয়। এবার দেশের বাইরের দর্শকদের ছবিটি দেখাতে পারছি। এটা তো আমাদের জন্য অবশ্যই আনন্দের।’

চঞ্চল চৌধুরী, মোশাররফ করিম, শরিফুল রাজ, ইন্তেখাব দিনার, সাবিলা নূর, জাকিয়া বারী মম, আজমেরী হক বাঁধন, শ্যামল মওলাসহ আরো অনেকে।