Home Blog Page 168

ভাষা শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদদের স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন তিনি।

পরে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে দ্বিতীয় দফায় পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তারেক রহমান।

তৃতীয় দফায় সাবেক প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তার সঙ্গে স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি নীরবতা পালন ও দোয়া-মোনাজাতে অংশ নেন।

গাজা পুনর্গঠনে বিলিয়ন ডলার দেবে যে দেশ

গাজা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ১ বিলিয়ন ডলার সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে কাতার। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র শান্তি ইনস্টিটিউট–এ অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ ঘোষণা দেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুররহমান বিন জাসিম আল থানি। এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

বৈঠকটি ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত ‘শান্তি পর্ষদ’-এর প্রথম সভা। সেখানে কাতারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও মধ্যস্থতায় দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারের অংশ হিসেবেই এই সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

কাতারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ট্রাম্পের নেতৃত্বে গঠিত বোর্ড ২০ দফা পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে এমন একটি সমাধানের দিকে এগোবে, যাতে ফিলিস্তিনি ও ইসরাইলি উভয় পক্ষের জন্য ন্যায়বিচার ও ভারসাম্য নিশ্চিত হয়। তিনি আরও জানান, এই অর্থ সহায়তা পরিষদের লক্ষ্য বাস্তবায়নে ব্যবহৃত হবে—যেখানে ফিলিস্তিনিদের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা এবং ইসরাইলের নিরাপত্তা প্রত্যাশা সমানভাবে গুরুত্ব পাবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি গাজায় যুদ্ধ বন্ধে উদ্যোগের অংশ হিসেবে ট্রাম্প ‘শান্তি পর্ষদ’ গঠনের ঘোষণা দেন। পরে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ–এর রেজুলেশন ২৮০৩–এর মাধ্যমে যুদ্ধ-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা কাঠামো অনুমোদন করা হয়।

পরিষদের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে—গাজা অঞ্চলে অন্তর্বর্তীকালীন তদারকি, পুনর্গঠন কার্যক্রম সমন্বয়, আন্তর্জাতিক সহায়তা ব্যবস্থাপনা, আর্থিক সহায়তা প্রদান, নিরাপত্তা ব্যবস্থার রূপান্তর সহজ করা, আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েন সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া।

কুয়াকাটায় দোকানে হামলা ভাংচুরের ঘটনায় মূল হোতা মাকসুদ গ্রেফতার

কুয়াকাটায় ‘তানিসা আচার ঘর’ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ভাংচুর ও টাকাপয়সা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মাকসুদ আকনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে তাকে কুয়াকাটা পৌর এলাকা থেকে মহিপুর থানা পুলিশ গ্রেফতার করে।

বিষয়টি মহিপুর থানার ওসি মো. মহব্বত খান নিশ্চিত করেন। এর আগে পটুয়াখালী জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের দপ্তর সম্পাদক আতিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে মাকসুদকে দল থেকে বহিষ্কার করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মাকসুদ কুয়াকাটা পৌরসভার নয় নং ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন।

এ ঘটনায় দোকান মালিক মনির হাওলাদার মহিপুর থানায় বৃহস্পতিবার সকালে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। যেখানে মাকসুদ আকন (৩০), মোঃ শাহীন মুসল্লী (২৮), মোঃ রহিমের (৩০) নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টায় অভিযুক্তরা দোকানের ম্যানেজার হাসানকে দোকান থেকে নামতে বলে। এক পর্যায়ে তাকে মারধর করা হয়। দোকানে ভাংচুর চালানো হয়। মালামাল তছনছ করে ক্যাশ থেকে নগদ ২২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। প্রথমে মনির হাওলাদার জরুরি পরিষেবা ৯৯৯ এ কল করেন। দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছলে আসামিরা সটকে পড়েন। তবে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেন, কুয়াকাটা শুন্য পয়েন্টের ওই বিতর্কিত জায়গার মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছিল। যার জের ধরে গতকালকের হামলা ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। সাধারণ ব্যবসায়ীদের মতামত জায়গাজমির বিরোধ থাকতে পারে তাতে একজনের দোকানে প্রকাশ্যে দিনের বেলা সন্ত্রাসী হামলা ভাংচুরের ঘটনা চরম নিন্দনীয়। এ ঘটনায় আইনের সহায়তা নেওয়া যেত।

মহিপুর থানার ওসি মো. মহব্বত খান জানান, এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পরবর্তি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

রূপকথার মতো পরীর সংসার

ব্যক্তিগত জীবনের নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে দুই সন্তানকে ঘিরে পরীমনির ছোট্ট পরিবার। ঢাকাই সিনেমার এই চিত্রনায়িকা সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে নিজের ব্যক্তিগত জীবন ও সংসার প্রসঙ্গে কথা বলেন। সেখানেই এক সাংবাদিক তাকে প্রশ্ন করেন, সংসার কেমন কাটছে? প্রশ্ন শুনে হাসতে হাসতেই উত্তর দেন এই অভিনেত্রী। পরীমনি বলেন, পরীর সংসার রূপকথার মতো যাচ্ছে। তার এই কথাতেই যেন ফুটে ওঠে এক ধরনের দৃঢ়তা ও আত্মবিশ্বাস।
পরীমনি জানান, সন্তানদের ঘিরেই তার দিন-রাত, ব্যস্ততা আর আনন্দ। পাশাপাশি তার বাসায় আছে একটি পোষা প্রাণী। সেও সংসারেরই এক গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে উঠেছে। আর আছে তার প্রিয় নানুভাইয়ের স্মৃতি।
পরীমনির বলেন, দুই বাচ্চা, আমার বাসায় একটা পেট আছে। আর আমার নানু ভাইয়ের স্মৃতি। এই তো, এভাবেই চলছে আমার সংসার।
এদিকে ইতোমধ্যেই ‘ডোডোর গল্প’ নামের একটি সিনেমার শূটিং শেষ করেছেন পরীমনি। এ ছাড়া গত বছরের শুরুতে ‘গোলাপ’ নামের আরেকটি সিনেমার ঘোষণা এলেও এখনো শূটিং শুরু হয়নি। এর বাইরে এই চিত্রনায়িকা বডির মাধ্যমে গর্ভবতী মা এবং নবজাতকদের জন্য লাইফস্টাইল পণ্যের ব্যবসাও করেন তিনি অনলাইনে।

বাসাটির প্রতি মায়া জন্মে গেছে: আসিফ নজরুল

অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা হিসেবে আসিফ নজরুল রাজধানীর হেয়ার রোডের যে সরকারি বাসাতে থাকতেন নতুন সরকার দায়িত্বগ্রহণ করায় সেবাসাটি ছাড়ছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে বাসা ছাড়ার কথা তুলে ধরে তিনি লিখেছেন, বাসাটির প্রতি মায়া জন্মে গেছে।

আসিফ নজরুল লেখেন, আমরা যখন হেয়ার রোডের এই বাসায় উঠি সবার মন খারাপ হয়ে যায়। বেশি বড় জায়গা, বেশি বড় বাড়ি, এত বড় যে আপন ভাবা যায় না ঠিক। সরকারি বাসায় ওঠার কারণে সন্তানদের মন খারাপ হওয়ার কথা তুলে ধরে তিনি লেখেন, ফুলার রোডের বন্ধুদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল তারা।

তবে এখন হেয়ার রোডের বাসা ছাড়ার সময় এই জায়গার প্রতি মায়া তৈরি হয়েছে বলে লিখেছেন তিনি। ফেসবুক পোস্টে বলেন, দু-একদিনের মধ্যে আমরা চলে যাবো এই বাসা থেকে। আমার মায়া রোগ আছে। এখন দেখি এই বাসাটার জন্যই অনেক মায়া লাগছে। বিশেষ করে ঝোপঝাড়, রোদ ছায়া, চিলের ডানা আর বিশাল আকাশটার জন্য।

সবশেষে তিনি লেখেন, বিদায় হেয়ার রোড। অন্তর্বর্তী সরকারে আইন উপদেষ্টার পাশাপাশি প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা এবং পরে ক্রীড়া উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করেন আসিফ নজরুল। তফসিল ঘোষণার দিন থেকে ছাত্র উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার পদত্যাগ কার্যকর হলে তিনি ক্রীড়া উপদেষ্টার দায়িত্ব পান।

রমজানে অ্যাসিডিটি সমস্যা দূর করতে যা খাবেন

রোজায় অনেকেই অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভুগে থাকেন। বিশেষ করে যারা খাবারের বিষয়ে খুব একটা সচেতন নন, তাদের মধ্যেই এ সমস্যার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকার পর হঠাৎ ভারী ও অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করলে পাকস্থলীতে অস্বস্তি, জ্বালাপোড়া ও গ্যাসের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তাই রোজায় অ্যাসিডিটিসহ আরও অনেক স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে দূরে থাকতে চাইলে আপনাকে সবার আগে ইফতার ও সাহরির খাবারের দিকে মনোযোগী হতে হবে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, রমজানে অ্যাসিডিটি সমস্যা দূর করতে যা খাবেন—

দুধ: দুধ হচ্ছে শক্তিশালী উপাদান। আর রোজায় অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে দ্রুত দূর করতে পারে দুধ। সে জন্য এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে এক গ্লাস ঠান্ডা দুধ একটি কার্যকরী প্রতিকার হতে পারে। আর দুধে রয়েছে পেটের অ্যাসিডকে নিউট্রাল করার ক্ষমতা। এটিই এর কার্যকারিতার মূল চাবিকাঠি। কারণ দুধ ক্যালসিয়াম কার্বনেট, একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড এবং অতিরিক্ত পেটের অ্যাসিডের উৎপাদন কমাতে সাহায্য করে।

ঠান্ডা দুধ পেটের অতিরিক্ত অ্যাসিড কার্যকরভাবে শোষণ করে এবং জ্বালাপোড়া আস্তরণের ওপর প্রশান্তিদায়ক প্রভাব ফেলে, যা অ্যাসিডিটির বদলে প্রশান্তি এনে দেয়। তবে আপনার যদি ল্যাক্টোজ ইনটলারেন্স থাকে তাহলে দুধ না খাওয়াই ভালো।

কল : প্রাকৃতিকভাবে ক্ষারীয় ও পাকস্থলীর অ্যাসিডকে নিউট্রাল করতে সাহায্য করতে পারে কলা। কারণ এতে পটাসিয়াম ও প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড রয়েছে, যা পেটের আস্তরণকে আবৃত করতে সাহায্য করে এবং অ্যাসিডিটির জ্বালাপোড়া কমিয়ে দেয়। সেই সঙ্গে কলা শ্লেষ্মা উৎপাদনকে উদ্দীপিত করে এবং পেটের আস্তরণকে অ্যাসিডের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।

এ ছাড়া তীব্র গ্যাস ও অ্যাসিডিটির জন্য ঘরোয়া প্রতিকার হিসাবে কলা রাখুন। প্রতিদিন সেহরি কিংবা ইফতারে একটি পাকা কলা খাওয়ার চেষ্টা করুন। এটি আপনি শুধু এমনিতেই খেতে পারেন, আবার কোনো খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। রমজানে আপনার খাদ্যতালিকায় এ সহজ সংযোজনটি প্রাকৃতিকভাবে পাকস্থলীর অ্যাসিডের মাত্রা ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং স্বাস্থ্যকর হজম বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে।

ডাবের পানি: রোজায় যদি আপনি অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাহলে ডাবের পানি পান করুন। আর ইফতারে বাইরে থেকে কেনা ইন্সট্যান্ট শরবতের বদলে বেছে নিন প্রাকৃতিক এ পানীয়টি। কারণ অ্যাসিডিটি নিরাময়ে ডাবের পানি বিশেষভাবে কার্যকরী। ডাবের পানি খেলে পেটে জমে থাকা গ্যাসের সমস্যা দূর হয় সহজেই। এই পানি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর। সেই সঙ্গে ডাবের পানিতে থাকে উপকারী মিনারেলসও।

প্রতিদিন ইফতারে অতিরিক্ত চিনিযুক্ত জুস বা কেমিকেলযুক্ত শরবতের বদলে খেতে পারেন ডাবের পানি। এতে রমজানে আপনাকে সতেজ ও শক্তিশালী রাখতেও কাজ করবে ডাবের পানি। সেই সঙ্গে দূর হবে অ্যাসিডিটির মতো সমস্যাও।

প্রথম রোজাতেই চড়া পেঁয়াজের দাম

পবিত্র রমজানের প্রথম দিনেই রাজধানীর বাজারে অস্থির হয়ে উঠেছে পেঁয়াজের দাম। সরবরাহ সংকট ও চাহিদার অজুহাতে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়ে বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রমজানের শুরুতেই নিত্যপণ্যের এমন চড়া দামে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল, ধানম-ি কাঁচাবাজার ও রায়েরবাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে গত কয়েক দিনের ব্যবধানে কেজিপ্রতি পেঁয়াজের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। রমজান মাসের প্রথম দিনেই প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। আকারে একটু ছোট পেঁয়াজ আবার ৫৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। তবে কোনো দোকানেই ৬০ টাকার নিচে ভালো মানের পেঁয়াজ মিলছে না। পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাড়তি চাপের মুখে পড়ছেন সাধারণ ক্রেতারা।

পেঁয়াজ বিক্রেতা হাসান মাহমুদ বলেন, আজকে নয়, গত দুই-তিন দিন ধরেই পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। মৌসুমের শেষের দিকে সরবরাহ কমে যাওয়া, পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং চাহিদা বাড়ার কারণে বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়তির দিকে। রমজানকে কেন্দ্র করে পাইকারি পর্যায়ে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।  খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, পাইকারি বাজারে বেশি দামে পেঁয়াজ কিনতে হওয়ায় বাধ্য হয়েই বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। অনেক বিক্রেতা জানান, আগের তুলনায় মোকামে পেঁয়াজের দাম কেজিতে কয়েক দফা বেড়েছে; ফলে খুচরা পর্যায়ে দাম সমন্বয় করা ছাড়া তাদের হাতে বিকল্প নেই।

স্বর্ণের দামে বড় পতন

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সর্বশেষ বুধবার সকালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সেদিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

নতুন দামে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৪৩ হাজার ৯৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৭৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ভরি প্রতি ১ লাখ ৭১ হাজার ১১১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরি কমবেশি হতে পারে।

এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি স্বর্ণের দাম সমন্বয় করে ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানো হয়েছিল। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৩০ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় হয়েছে—এর মধ্যে ১৮ বার বেড়েছে এবং ১২ বার কমেছে। গত বছর মোট ৯৩ বার মূল্য সমন্বয় করা হয়েছিল।

অন্যদিকে স্বর্ণের দাম কমলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপা ভরি প্রতি ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা, ২১ ক্যারেট ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম ১৭ বার সমন্বয় হয়েছে—যেখানে ১০ বার বেড়েছে এবং ৭ বার কমেছে। গত বছর রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মোট ১৩ বার।

ঢাকার বাসিন্দাদের জন্য বড় দুঃসংবাদ

জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন কারণে বিশ্বব্যাপী বাড়ছে বায়ুদূষণ। প্রতিদিনই একটু একটু করে বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে মেগাসিটিগুলো। আর এ তালিকায় সামনের দিকের এক নাম ঢাকা। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার বায়ুমান উদ্বেগ ছড়াচ্ছে বেশ কয়েক বছর ধরেই। মাঝে একটু নিয়ন্ত্রণে এলেও শহরটিতে আবারও ভয়াবহ আকার ধারণ করছে বায়ুদূষণ।

এই ধারাবাহিকতায় আজ শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ‘বিপর্যয়কর’ অবস্থায় চলে গেছে ঢাকার বাতাস। এদিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শহরটির এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর দেখা গেছে ৩২২।

একই সময়ে ঢাকা থেকে বায়ুদূষণে ওপরে ছিল শুধুমাত্র পাকিস্তানের লাহোর। বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় প্রথম স্থানে অবস্থান করা শহরটির স্কোর ৪০৪।

এদিকে, তালিকার তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতের কলকাতার একিউআই স্কোর ২১২। তালিকার চতুর্থ স্থানে আছে ভারতেরই আরেক শহর দিল্লি; বায়ুমান স্কোর ২০৮। এছাড়া, ১৬৯ স্কোর নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে কাতারের দোহার। স্কোরের বিচারে এই তিন শহরের বায়ুমান খুব অস্বাস্থ্যকর।

একটি শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, তার লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক জানিয়ে থাকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার। প্রতিষ্ঠানটির মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়।

আর একিউআই স্কোর ৫১ থেকে ১০০ হলে সেটাকে মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।

২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। এ ছাড়া ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

ঢাকার বর্তমান একিউআই স্কোর ৩২২ হওয়ায় নগরবাসীর জন্য তা চরম অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ভোরে যারা প্রাতঃভ্রমণে বের হন অথবা কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য রাস্তায় নামেন, তাঁদের শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে বিষাক্ত ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণা ফুসফুসে প্রবেশের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

পরিবেশবিদরা বলছেন, শুষ্ক মৌসুমে নির্মাণকাজের ধুলোবালি, যানবাহনের কালো ধোঁয়া এবং চারপাশের ইটভাটার দূষণ ঢাকার বাতাসকে এমন বিষাক্ত করে তুলছে। বর্তমানের এই ‘বিপর্যয়কর’ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাড়ির বাইরে মাস্ক ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই। শহরের বায়ুমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে সামনের দিনগুলোতে দূষণের এই রেকর্ড আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সমঝোতার ভিত্তিতে ইলেকশন হয় না, হয় সিলেকশন : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

‘সমঝোতার ভিত্তিতে ইলেকশন হয় না’ বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

আজ বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তার পোস্টে বলেন, ‘সমঝোতার ভিত্তিতে ইলেকশন হয় না, হয় সিলেকশন।’

প্রসঙ্গত, এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন।

হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর তিনি অল্প ব্যবধানে পরাজিত হন।