Home Blog Page 183

তিস্তা থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের অভিযান

শ্রেণি বিভক্ত সমাজে প্রথম এবং চিরস্থায়ী যে বিভাজন সময় আর সভ্যতাকে নাড়া দিয়েছে তা হলো নারী-পুরুষ বিভেদ পার্থক্য। যা একবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকের মধ্যাহ্নে ও তাড়া করে বেড়াচ্ছে। তাছাড়া শব্দটি যৌক্তিক না হলেও কঠিন রূঢ় এক সত্যবচন। যা আজও ঘোচানো গেলই না। তথ্য প্রযুক্তির নব বিশ্বায়নে তা আরও অসহনীয় এক দুর্বিসহ বাতাবরণ। শ্রম শক্তি যে কোন সমাজ সংস্কারের অবধারিত নির্ণায়ক যা শুধু পরিবেশ পরিস্থিতির নির্ধারকই নয় বরং অভাবনীয় এক শীক্ত ময়তার চূড়ান্ত নির্দেশক। আর যে কোনো সমাজের অর্থনীতি পুরো ব্যবস্থার নির্ণায়কই নয় বরং চারিকা শক্তির বিচারেও অগ্রগণ্য।
স্বৈরাচার পতনের পর নতুন ও বদলে যাওয়া আধুনিক বাংলাদেশ পুনরায় নতুন অবয়বে তৈরি করতে গেলে হরেক বৈষম্য বিভাজন চিহ্নিত করাও জরুরি। আর শ্রম বাজারে অর্ধাংশ নারীর সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়া পরিবর্তিত পরিবেশকে আরও বেশি করে ন্যায্যতা দেওয়া। তবে ইদানীং নারীর শ্রম বাজারে দৃশ্যমান অগ্রগতিতে পিছু হটা কোনোভাবেই মান্যতা পায় না। সমসংখ্যকের যে কোনো একটি অংশ যদি তার অধিকার, ন্যায্যতা কিংবা এগিয়ে যাওয়ার পথে পিছিয়ে যায় তাহলে সার্বিক উন্নয়ন, প্রবৃদ্ধি অধরা থেকেই যাবে। আর অর্থনীতিতে তো অনেকখানিই। তাছাড়া দশভুজা নারীরা একদিকে সংসার চালান অন্যদিকে কর্মজীবন ও নির্বিঘেœ সম্পন্ন করা সমতার আদলে সবাই এগিয়ে চলার পরম বার্তা তো বটেই। যদিও নারীদের গৃহশ্রমকে কখনোই ধর্তব্যের মধ্যেই আনা হয় না। বরং বিধাতার সৃষ্টিযজ্ঞের অন্যতম কর্মযোগ হিসেবেই ধরা হয়।
সম্প্রতি অর্থনীতি ও ইডেন মহিলা কলেজের এক আলোচনা সভায় নতুন এমন সব সার্বজনীন চিরস্থায়ী তথ্য সত্য উঠে আসছে। শুধু বর্তমানে বিভিন্ন শ্রম শক্তিতে উদ্বেগজনক হারে নারীর অংশগ্রহণ কমে যাওয়াও সংশ্লিষ্টদের জন্য কোনো শুভ সংকেতই নয়। বরং অবধারিত চিরস্থায়ী দুর্ভোগের সময়ের গতিতে আরো বেহাল অবস্থাকেই প্রতীয়মান করছে।
বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি ও ইডেন মহিলা কলেজের যৌথ উদ্যোগে এক আলোচনা সভায় এই আশঙ্কা উঠে আসে। নারীর ক্ষমতায়ন নতুন কিছু নয়Ñ যা যুগ যুগান্তরের পরম নির্মাল্য। সেই সৃষ্টি আদিকাল থেকেই সমাজ সংস্কারের কৃষি সভ্যতার বিকাশও নারীর হাতেই তৈরি হয়েছে বলে নৃ ও সমাজ বিজ্ঞানীদের বদ্ধমূল ধারণা। এমনকি পৃথিবীতে যে আদি ও অকৃত্রিম সংগঠন পরিবার তাও মাতৃতান্ত্রিক বলে আমেরিকান নৃবিজ্ঞানী লুইস হেনরি মর্গান তাঁর আদিম সমাজ বইটিতে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের ভিত্তিতে গবেষণা চালিয়ে এমন চিরস্থায়ী বরমাল্য দুনিয়াকে উপহার দেন। শুধু কি তাই? পরিবার হিসেবেও মাতৃতান্ত্রিকই সবার আগে প্রতিষ্ঠা পায়। অবাধ স্বেচ্ছার আর দলগত বিয়েতে পিতার পরিচয় ছিল এক অজানা বিস্ময়। মায়ের জঠর থেকে সন্তান আসতো বলে মাকেই চেনা গেছে।

শ্রমশক্তিতে নারী

শ্রেণি বিভক্ত সমাজে প্রথম এবং চিরস্থায়ী যে বিভাজন সময় আর সভ্যতাকে নাড়া দিয়েছে তা হলো নারী-পুরুষ বিভেদ পার্থক্য। যা একবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকের মধ্যাহ্নে ও তাড়া করে বেড়াচ্ছে। তাছাড়া শব্দটি যৌক্তিক না হলেও কঠিন রূঢ় এক সত্যবচন। যা আজও ঘোচানো গেলই না। তথ্য প্রযুক্তির নব বিশ্বায়নে তা আরও অসহনীয় এক দুর্বিসহ বাতাবরণ। শ্রম শক্তি যে কোন সমাজ সংস্কারের অবধারিত নির্ণায়ক যা শুধু পরিবেশ পরিস্থিতির নির্ধারকই নয় বরং অভাবনীয় এক শীক্ত ময়তার চূড়ান্ত নির্দেশক। আর যে কোনো সমাজের অর্থনীতি পুরো ব্যবস্থার নির্ণায়কই নয় বরং চারিকা শক্তির বিচারেও অগ্রগণ্য।
স্বৈরাচার পতনের পর নতুন ও বদলে যাওয়া আধুনিক বাংলাদেশ পুনরায় নতুন অবয়বে তৈরি করতে গেলে হরেক বৈষম্য বিভাজন চিহ্নিত করাও জরুরি। আর শ্রম বাজারে অর্ধাংশ নারীর সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়া পরিবর্তিত পরিবেশকে আরও বেশি করে ন্যায্যতা দেওয়া। তবে ইদানীং নারীর শ্রম বাজারে দৃশ্যমান অগ্রগতিতে পিছু হটা কোনোভাবেই মান্যতা পায় না। সমসংখ্যকের যে কোনো একটি অংশ যদি তার অধিকার, ন্যায্যতা কিংবা এগিয়ে যাওয়ার পথে পিছিয়ে যায় তাহলে সার্বিক উন্নয়ন, প্রবৃদ্ধি অধরা থেকেই যাবে। আর অর্থনীতিতে তো অনেকখানিই। তাছাড়া দশভুজা নারীরা একদিকে সংসার চালান অন্যদিকে কর্মজীবন ও নির্বিঘেœ সম্পন্ন করা সমতার আদলে সবাই এগিয়ে চলার পরম বার্তা তো বটেই। যদিও নারীদের গৃহশ্রমকে কখনোই ধর্তব্যের মধ্যেই আনা হয় না। বরং বিধাতার সৃষ্টিযজ্ঞের অন্যতম কর্মযোগ হিসেবেই ধরা হয়।
সম্প্রতি অর্থনীতি ও ইডেন মহিলা কলেজের এক আলোচনা সভায় নতুন এমন সব সার্বজনীন চিরস্থায়ী তথ্য সত্য উঠে আসছে। শুধু বর্তমানে বিভিন্ন শ্রম শক্তিতে উদ্বেগজনক হারে নারীর অংশগ্রহণ কমে যাওয়াও সংশ্লিষ্টদের জন্য কোনো শুভ সংকেতই নয়। বরং অবধারিত চিরস্থায়ী দুর্ভোগের সময়ের গতিতে আরো বেহাল অবস্থাকেই প্রতীয়মান করছে।
বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি ও ইডেন মহিলা কলেজের যৌথ উদ্যোগে এক আলোচনা সভায় এই আশঙ্কা উঠে আসে। নারীর ক্ষমতায়ন নতুন কিছু নয়Ñ যা যুগ যুগান্তরের পরম নির্মাল্য। সেই সৃষ্টি আদিকাল থেকেই সমাজ সংস্কারের কৃষি সভ্যতার বিকাশও নারীর হাতেই তৈরি হয়েছে বলে নৃ ও সমাজ বিজ্ঞানীদের বদ্ধমূল ধারণা। এমনকি পৃথিবীতে যে আদি ও অকৃত্রিম সংগঠন পরিবার তাও মাতৃতান্ত্রিক বলে আমেরিকান নৃবিজ্ঞানী লুইস হেনরি মর্গান তাঁর আদিম সমাজ বইটিতে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের ভিত্তিতে গবেষণা চালিয়ে এমন চিরস্থায়ী বরমাল্য দুনিয়াকে উপহার দেন। শুধু কি তাই? পরিবার হিসেবেও মাতৃতান্ত্রিকই সবার আগে প্রতিষ্ঠা পায়। অবাধ স্বেচ্ছার আর দলগত বিয়েতে পিতার পরিচয় ছিল এক অজানা বিস্ময়। মায়ের জঠর থেকে সন্তান আসতো বলে মাকেই চেনা গেছে।

আর নব্য দুনিয়ার তথ্যপ্রযুক্তির অলংকরণে তেমন নারী শক্তি আজও তার নীরব শ্রম, অদৃশ্য কর্মনিষ্ঠায় সমাজ সভ্যতাকে নতুন মাত্রা দিয়ে যাচ্ছে। মূল্য অমূল্য আর এক হিসেবে নিকেশের বিষয়। কিন্তু বাস্তব প্রেক্ষাপট প্রতিনিয়তই যা প্রমাণ করেই যাচ্ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ত্রৈমাসিক শ্রম শক্তি জরিপে বিভিন্ন অসঙ্গতি স্পষ্টতই সামনে চলে আসে বাংলাদেশ এখনো সিংহভাগ পল্লী জননীর নিভৃত ছায়ায় কাল যাপনের এক অনন্য অধ্যায়, সময় বললেও বেশি নয়, কিন্তু। তাই শ্রম শক্তিতে নারীর অংশ কমে যাওয়ার সচিত্র প্রতিবেদন উঠে আসছে প্রান্তিক অঞ্চলও নারীদের ওপর গবেষণায়।
অতি প্রাসঙ্গিকভাবেই বিঘœতার জাল কেন এখনো সচল ক্রিয়াশীল তা অনুধাবনে পিতৃতান্ত্রিকতকেই দায়ী করা হচ্ছে। তবে তা আংশিক সত্য হলেও পুরোপুরি নয়। কারণ বিভিন্ন সময় নারীরা নিজেও অনেক কিছু থেকে আপন ইচ্ছেয় পিছিয়ে থাকেন। দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করা যায় যান্ত্রিক কলা কৌশলে সমসংখ্যক পিছনে পড়ে থাকা সবটা অদক্ষ আর অক্ষমতার কারণে নয়। এমনকি পুরুষের জন্য নয়। বরং নারীরা স্বভাবগত কারণে নব্যপ্রযুক্তিও আধুনিকতার অনেক নতুন সময় থেকে  পেছনে থাকেন, গ্রহণ করার মানসিকতা জগতেও সময় ক্ষেপণ করতে হয়। তবে বর্তমানে তা অনেকাংশে দূরীভূত হলেও আঁধার এখনো কাটেইনি।

তা না হলে এমন তথ্য সত্য কেন বিভিন্ন গবেষণায় উঠে আসবে? প্রশ্ন থেকেই যায়। সমতা নির্ভর শ্রম বাজার তৈরি যেমন যৌক্তিকও প্রাসঙ্গিক পাশাপাশি গ্রহণ করার মানসিকতা, মূল্যবোধও অত্যাবশ্যক। সেখানেও জোর দেয়া সময়ের অপরিহার্যতা। গ্রামীণ নারীদের উঠোন বৈঠকে মধ্যে ফোন আর যন্ত্রের প্রতি মানসিকতাই শুধু নয় গ্রহণ করার অপরিহার্যতা ও দৃশ্যমান হচ্ছে। যা যন্ত্রসভ্যতায় দেশের সবাইকে এগিয়ে নিতে শুভ পদক্ষেপ বলাই যায়। নতুন যে কোন সৃষ্টি, ভাব সম্পদ মেনে নিতে সমসংখ্যক নারী বরাবরই পেছনে ছিল। আধুনিকতার বরমাল্যে তা কমে আসলেও বাধা বিপত্তি শেকড়ের গভীরে প্রচ্ছন্নভাবে জিইয়ে আছে।
সঙ্গত কারণে নতুন পুরাতনের দ্বন্দ্বে সব সময় নারীরাই পিছিয়ে থাকে। বর্তমানে তা কমে আসলেও একেবারে শিকড় থেকে উপড়ে ফেলা সম্ভব হয়ইনি। বিশিষ্টজনের অভিমত দিচ্ছেন-নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে নিঃসন্দেহে। কিন্তু শ্রমবাজারে তাদের মূল শক্তি বিনিয়োগ হতে দেরি হলে সমস্যা গোটা অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলার আশঙ্কা কোনোভাবেই উড়িয়ে দেওয়া যাবে না।
ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি ছাড়াও বাংলাদেশ অর্থনীতি সংগঠনের প্রতিনিধিরাও অংশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো চিহ্নিত করলেন যে শ্রমশক্তি সমাজ সভ্যতার ধারক সেখানে সমান সংখ্যকের এক অংশও যদি পিছিয়ে থাকে তাহলে উন্নয়ন, গতিশীলতা আসতে আরও বিলম্ব হতে সময় নেবে না। আর অর্থনীতি উন্নতিশীলতাও সুদূরপরাহত হবে।
অপরাজিতা প্রতিবেদক

দেশে আজ যে দামে বিক্রি হবে স্বর্ণ

সবশেষ গত সোমবার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সে সময় ভরিতে তিন হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে দুই লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস।

ভোরে আমির হামজার ফেসবুক পোস্ট, মুহূর্তেই ভাইরাল

কুষ্টিয়া-৩ আসনের আলোচিত এমপি মুফতি আমির হামজা ভোররাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্ট দিয়ে তার সমর্থকদের উদ্দেশে বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি দেশবাসী ও তার সকল শ্রেণির সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, তাকে নিয়ে যেসব জায়গায় কটু কথা বলা হয়, সেখানে গিয়ে কেউ যেন খারাপের জবাবে খারাপ ভাষা ব্যবহার না করেন।

পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘প্রিয় দেশবাসী এবং আমার সকল শ্রেণির সমর্থকবৃন্দ, আপনাদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাই, আমাকে নিয়ে যেসমস্ত জায়গায় মিডিয়া ট্রায়াল চলে অথবা আমাকে নিয়ে কটু কথা বলা হয়, সেসব জায়গায় গিয়ে আপনারা খারাপের বিপরীতে খারাপ কথা বলে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন না।’

তিনি আরও বলেন, সমর্থকরা চাইলে সুন্দরভাবে বুঝিয়ে বলবেন অথবা নীরব থেকে এড়িয়ে যাবেন। তবে কোনো অবস্থাতেই তার পক্ষ নিয়ে কাউকে বিন্দুমাত্র কটু কথা না বলার আহ্বান জানান তিনি। ‘মুমিনের জবান থেকে অপর মুমিন হেফাজতে থাকবে, এটিই আমাদের কাম্য’, উল্লেখ করেন এমপি আমির হামজা।

নিজের বিরুদ্ধে কটূক্তির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এসব বিষয়ে তার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। তিনি দাবি করেন, এ ধরনের সমালোচনায় তিনি বিচলিত নন এবং ‘নিশ্চয়ই মিথ্যার উপরে সত্য বিজয়ী হবে।’

এনসিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ইফতারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে অংশ নিতে আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।

গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসভবনে গিয়ে তার হাতে আমন্ত্রণপত্র তুলে দেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, মন্ত্রী সানন্দে দাওয়াত গ্রহণ করেছেন।

পোস্টে আখতার হোসেন লেখেন, ‘দেশ যাবে নতুন পথে, ফিরবে না আর ফ্যাসিবাদে’—এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হবে।

রাজধানীর ধানমন্ডি আবাহনী মাঠ-এ আয়োজিত ইফতার মাহফিলের মধ্য দিয়ে মূল কর্মসূচির সূচনা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ সম্মতি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

ভূমি অফিসে সেবা ফি সাইনবোর্ডে টানানোর নির্দেশ

ভূমিসেবায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। সরকার নির্ধারিত সব ফি উপজেলা, সার্কেল ও ইউনিয়ন কিংবা পৌর ভূমি অফিসের দৃশ্যমান স্থানে স্থায়ী সাইনবোর্ডে টানিয়ে রাখতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি বন্ধ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নাগরিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়েছে, নির্ধারিত ফির বাইরে কেউ অতিরিক্ত অর্থ দাবি করলে সঙ্গে সঙ্গে ১৬১২২ নম্বরে অভিযোগ করতে হবে। নির্ধারিত ফি ছাড়া অন্য কোনো অর্থ আদায় করা যাবে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিভিন্ন সেবার ফি বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে। নামজারি করতে মোট খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ১৭০ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে কোর্ট ফি ২০ টাকা, নোটিশ জারি ফি ৫০ টাকা, রেকর্ড সংশোধন বা হালনাগাদ ফি ১ হাজার টাকা এবং প্রতি কপি খতিয়ান সরবরাহ ফি ১০০ টাকা।

খতিয়ানের সার্টিফায়েড কপি বা অনলাইন কপির জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১২০ টাকা। ডাকযোগে কপি নিতে চাইলে অতিরিক্ত ৪০ টাকা ডাকমাশুল দিতে হবে। মৌজা মানচিত্রের প্রতি শিটের জন্য ফি ৫৪৫ টাকা; ডাকযোগে পেতে চাইলে অতিরিক্ত ১১০ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত তালিকার বাইরে কোনো ধরনের অর্থ আদায় আইনসম্মত নয়। সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি বন্ধ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা পাকিস্তানের

আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য যুদ্ধ ঘোষণা করেছে পাকিস্তান।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতজুড়ে উভয় দেশের বাহিনীর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার আফগানিস্তানের কাবুল, কান্দাহার ও আরও অনেক জায়গায় হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান বাহিনী।

খবরে বলা হয়েছে, কাবুলে অন্তত তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এর আগে আফগান বাহিনী পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীকে লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাকিস্তানের।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছেন, আমাদের ধৈর্যের সীমা পেরিয়ে গেছে। এখন আমাদের এবং তোমাদের মধ্যে প্রকাশ্য যুদ্ধ।

অন্যদিকে আফগানিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট বলেছেন, আফগানরা সকল পরিস্থিতিতে সম্পূর্ণ ঐক্যের সঙ্গে তাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে রক্ষা করবে এবং সাহসের সাথে

তিনি আরও বলেছেন, পাকিস্তান সহিংসতা ও বোমা হামলা থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পারবে না – এসব সমস্যা তারা নিজেই তৈরি করেছে। তাদের নিজস্ব নীতি পরিবর্তন করতে হবে এবং আফগানিস্তানের সঙ্গে সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক, শ্রদ্ধা এবং সভ্য সম্পর্কের পথ বেছে নিতে হবে।

উভয় দেশেরই নিরাপত্তা বাহিনীর বহু সদস্য নিহত হয়েছে বলে দেশ দুইটি দাবি করেছে। তবে প্রকৃত সংখ্যা এখন পর্যন্ত যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ঈদুল ফিতরে কত দিনের ছুটি পাবেন সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীরা

আরবি মাসের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে আগামী ২১ বা ২২ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। ঈদকে কেন্দ্র করে সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীরা এবার কত দিনের ছুটি পাবেন এ নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে সবার মধ্যে। এরই মধ্যে সরকারের অনুমোদিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী ২০২৬ সালে ঈদুল ফিতরে সরকারি ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে মোট পাঁচ দিন।

সরকারি ঘোষণায় দেখা যায়, সম্ভাব্য ২১ মার্চ ঈদুল ফিতর ধরে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) থেকে সোমবার (২৩ মার্চ) পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) পবিত্র শবেকদরের সরকারি ছুটি রয়েছে। যদিও বুধবার (১৮ মার্চ) কর্মদিবস, তবে পরদিন থেকেই শুরু হচ্ছে ঈদের টানা ছুটি।

ঈদের পর ২৪ ও ২৫ মার্চ এই দুই দিন অফিস-আদালত খোলা থাকলেও ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার স্বাধীনতা দিবসের সরকারি ছুটি রয়েছে। এর পরের দুই দিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় সরকারি চাকরিজীবীরা ২৪ ও ২৫ মার্চ মাত্র দুই দিনের নৈমিত্তিক ছুটি নিলে ১৯ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত টানা ১০ দিনের ছুটি কাটানোর সুযোগ পাবেন। কেউ চাইলে ১৮ মার্চ এক দিনের অতিরিক্ত ছুটি নিয়ে শবেকদর থেকেই এই ছুটি শুরু করতে পারবেন।

সরকার ঘোষিত ছুটিতে বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও এ ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ। ফলে বেসরকারি চাকরিজীবীদের ছুটি নির্ভর করবে নিজ নিজ অফিসের নীতির ওপর।

এ বছর রমজান উপলক্ষে স্কুল, কলেজ ও মাদরাসাগুলোতে দীর্ঘ ছুটি চলছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, কলেজগুলোতে রমজান, ঈদুল ফিতর ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি মিলিয়ে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের ছুটি ও পরবর্তী সাপ্তাহিক ছুটি শেষে ২৯ মার্চ রোববার থেকে কলেজ খোলার কথা রয়েছে। মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে রমজানের শুরু থেকেই ছুটি কার্যকর রয়েছে, যা চলবে মার্চের শেষ পর্যন্ত।

বাংলাদেশে সাধারণত ঈদে তিন দিনের সরকারি ছুটি থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মানুষের যাতায়াতের চাপ কমাতে ছুটি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। লম্বা ছুটির কারণে রাজধানী ছাড়ার চাপ কিছুটা ভাগ হয়ে যায়, ফলে সড়ক, রেল ও নৌপথে ভোগান্তি তুলনামূলক কমে।

গত বছরও ঈদুল ফিতরে পাঁচ দিনের ছুটির পাশাপাশি নির্বাহী আদেশে বাড়তি এক দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। এতে অনেকেই স্বস্তিতে বাড়ি ফিরতে পেরেছেন বলে মত সংশ্লিষ্টদের।

সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঈদের ছুটি ছোট হলে যাতায়াত ব্যবস্থাপনায় চাপ বাড়ে। তাই আগের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় রেখে এবারও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে এবং প্রয়োজনে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে ঈদযাত্রায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানো যায়।

সব মিলিয়ে, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য এবার ঈদে টানা দীর্ঘ ছুটি কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা ঈদযাত্রা ও উৎসবের আনন্দকে আরও স্বস্তিদায়ক করতে পারে।

টিউলিপ সিদ্দিককে গ্রেপ্তারে রেড নোটিশ জারির আদেশ

ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড থেকে অবৈধভাবে ফ্ল্যাট গ্রহণের অভিযোগে দুর্নীতির মামলায় শেখ হাসিনার ভাগ্নি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিককে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পর এই আদেশ দেন। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের আবেদনে জানানো হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড থেকে গুলশান-২ এলাকায় একটি ফ্ল্যাট অবৈধভাবে গ্রহণের অভিযোগে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, তিনি দেশত্যাগ করেছেন এবং মামলার আলামত নষ্টের চেষ্টা করছেন। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা দুর্নীতির মামলায় তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে দুদকের পক্ষ থেকে রেড নোটিশ জারির এই আবেদন করা হয়েছিল।

হাসিনার গণহত্যার বর্ণনা সংসদে তুলে ধরবেন রাষ্ট্রপতি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হচ্ছে আগামী ১২ মার্চ। শুরুর দিনেই সংসদে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রাষ্ট্রপতির ভাষণে এবার প্রাধান্য পাচ্ছে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সাড়ে ১৫ বছরের দুর্নীতি-অনিয়ম ও অপশাসনের বিষয়গুলো।

হাসিনার নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির মুখেই উঠে আসবে ছাত্র-জনতার জুলাই আন্দোলনসহ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধের বর্ণনা। পাশাপাশি বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের প্রাধান্য থাকবে রাষ্ট্রপতির ভাষণে। মন্ত্রিপরিষদ সূত্র আমার দেশকে এ তথ্য জানিয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন ও প্রতি বছরের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দেন। ওই ভাষণের ওপর সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব তোলা হয়। সংসদ সদস্যরা ওই প্রস্তাবের ওপর বক্তব্য দেন। অধিবেশনের শেষ দিনে ওই প্রস্তাব সংসদে গ্রহণ করা হয়। তবে রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দিলেও এই ভাষণ তিনি বা তার দপ্তর প্রস্তুত করেন না। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তর থেকে তথ্য সংগ্রহ করে সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ রাষ্ট্রপতির ভাষণ প্রস্তুত করে। পরে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ওই ভাষণ অনুমোদন দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে সরকারের ভাষ্যই রাষ্ট্রপতি পাঠ করেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ইতোমধ্যে ভাষণের খসড়া তৈরির কাজ শেষ করেছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের রিপোর্ট শাখার একজন কর্মকর্তা জানান, সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। রাষ্ট্রপতি ইতোমধ্যেই অধিবেশন আহ্বান করেছেন। আমরাও ভাষণের খসড়া চূড়ান্ত করেছি। এখন যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। ভাষণটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে বলেও জানান তিনি।

নতুন সংসদের জন্য এই ভাষণ হলেও এর প্রস্তুতি কাজ শুরু হয়েছে বেশ আগেই। প্রায় তিন মাস আগে সদ্য বিদায়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতির ভাষণের খসড়া তৈরির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বিষয়টি স্বীকার করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন সরকার দায়িত্ব নেয়।

নতুন সরকারের আমলে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের খসড়া তৈরির বিষয়টি একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ। তিনি বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশন বসেছিল ২০২৪ সালের ৩০ জানুয়ারি। ওই অধিবেশনেও রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের উপস্থাপনের জন্য ১৪৩ পৃষ্ঠার ভাষণ তৈরি করা হয়েছিল। এবারের ত্রয়োদশ অধিবেশনেও রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেড়শ পৃষ্ঠার মতো হতে পারে বলে জানান এই কর্মকর্তা। রাষ্ট্রপতির ভাষণের উল্লেখযোগ্য অংশ জুড়ে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে উল্লেখ করা তথ্যগুলো সংযোজন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

জানা গেছে, দেড়শ পৃষ্ঠার ভাষণ হলেও রাষ্ট্রপতি তার পুরোটা পাঠ করবেন না। তিনি ভাষণের চুম্বক অংশ সংসদে পড়ে শোনাবেন। বাকিটা স্পিকারের অনুমতি সাপেক্ষে সংসদে পঠিত বলে গণ্য হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সূত্র জানিয়েছে, ভোটারবিহীন ও প্রহসনের দশম, একাদশ ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার ক্ষমতায় টিকে থাকা ও অগণতান্ত্রিক শাসনের বিবরণ থাকছে এবারের রাষ্ট্রপতির ভাষণে। বিরোধী দলের ওপর নির্যাতন, গুম, খুন ও আয়নাঘরের মাধ্যমে নিপীড়নের খতিয়ানও থাকছে রাষ্ট্রপতির ভাষণের একটি বড় অংশজুড়ে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটের পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতন ও পলায়নের পর অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ও থাকছে রাষ্ট্রপতির ভাষণে। জুলাই বিপ্লবে পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের মানবতাবিরোধী অপরাধের পরিসংখ্যানও থাকছে এ ভাষণে।

১২ মার্চের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ১২ মার্চ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে এতটুকুই জানি। এর বেশি কোনো মন্তব্য করতে তিনি রাজি হননি।

আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানের কাছে রাষ্ট্রপতির ১২ মার্চ জাতীয় সংসদে প্রদেয় ভাষণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমার পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য বা বক্তব্য নেই।

হাসিনা-বন্দনা ছিল দ্বাদশ অধিবেশনের প্রেসিডেন্টের ভাষণে ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন দায়িত্ব পান। এর আগে তিনি জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার ছিলেন।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ টানা চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় আসলে তিনি ওই সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার শপথবাক্য পাঠ করান। ওই নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ভাষণ দেন। সংসদের প্রথম বৈঠকের দিন ৩০ জানুয়ারি সংসদে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দিলেও তা ওই বছরের ১৫ জানুয়ারি মন্ত্রিসভা অনুমোদন করে।