Home Blog Page 191

পারিবারিক ব্যয় ও সামাজিক চাপ: বদলাচ্ছে সম্পর্ক

ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় দেশের অসংখ্য পরিবারের ভেতরের সম্পর্কের গতিপথ বদলে দিচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, বাসাভাড়া, শিক্ষা ও চিকিৎসা খরচ বাড়তে থাকায় পারিবারিক সিদ্ধান্ত, দায়িত্ব বণ্টন এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ায় নতুন চাপ তৈরি হচ্ছে।
বিভিন্ন পরিবারে আয় ও ব্যয়ের ভারসাম্য রক্ষা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একাধিক সদস্যের আয় নির্ভরতা বাড়ছে, ফলে পারিবারিক ভূমিকা ও কর্তৃত্বের চিরাচরিত ধারণায় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে স্বামী–স্ত্রী সম্পর্কের ক্ষেত্রে আর্থিক বিষয়গুলো আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসছে বলে মনে করছেন সমাজ বিশ্লেষকরা।
সামাজিক চাপও এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে। বিয়ে, উৎসব, সামাজিক অনুষ্ঠান ও পারিবারিক দায়বদ্ধতা বজায় রাখতে গিয়ে অনেক পরিবার বাস্তব সক্ষমতার বাইরে গিয়ে ব্যয় করছে। এতে আর্থিক চাপের পাশাপাশি মানসিক দূরত্ব তৈরি হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিবর্তন শুধু অর্থনৈতিক নয়; এটি সামাজিক কাঠামোর ভেতরে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। তারা বলছেন, খোলামেলা পারিবারিক যোগাযোগ, বাস্তবসম্মত ব্যয় পরিকল্পনা এবং সামাজিক প্রত্যাশা পুনর্মূল্যায়ন না হলে সম্পর্কের টানাপোড়েন আরও বাড়তে পারে।

সোনার দাম এক লাফে বাড়লো ১৬ হাজার! এখন ১ ভরির দাম কত

দেশের বাজারে সোনার দামে বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) প্রতি ভরিতে সোনার দাম ১৬ হাজার ২১৩ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে। এর ফলে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ভালো মানের সোনার দাম ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা অতিক্রম করল। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিট থেকে এই নতুন মূল্য কার্যকর হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ার কারণেই এই সমন্বয় করতে হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারেও সোনার দাম বর্তমানে আকাশচুম্বী। গোল্ডপ্রাইস ডট ওআরজি-র তথ্যমতে, বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৫ হাজার ৫৫০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে এক বিরল ঘটনা।

সোনার নতুন মূল্যতালিকা

২২ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ৮৬ হাজার ১ টাকা।

২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ৭২ হাজার ৯৯৬ টাকা।

১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৩ হাজার ৯৮০ টাকা।

সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৯ টাকা।

সোনার পাশাপাশি রুপার দামও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট রুপার ভরি ৮ হাজার ৫৭৩ টাকা এবং ২১ ক্যারেট রুপার দাম ৮ হাজার ১৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুস স্পষ্ট করেছে যে, এই মূল্যের সঙ্গে ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি অতিরিক্ত যুক্ত হবে। বিশ্ববাজারের এই অস্থিরতা দেশের গয়না ব্যবসায় বড় প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জামায়াতের নারী কর্মীকে হেনস্তার অভিযোগ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে নির্বাচনী প্রচারণাকালে ধারাবাহিক হেনস্তার অভিযোগ তুলে প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীরা। এক সপ্তাহে পাঁচটি পৃথক ঘটনায় হেনস্তার শিকার হওয়ার অভিযোগে আজ বিকালে সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার ফখরুল ইসলামের কাছে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।

লিখিত অভিযোগে নারী কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।

উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ তাহেরের স্বাক্ষরিত অভিযোগপত্রে একের পর এক হেনস্তার ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। অভিযোগ উপস্থাপনের সময় সহকারী রিটার্নিং অফিসারের সামনে ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে নারী কর্মীরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং কেউ কেউ কান্নায় ভেঙে পড়েন।

অভিযোগে বলা হয়, চলতি সপ্তাহে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের কিছু নেতা-কর্মী পরিকল্পিতভাবে নারী কর্মীদের অন্তত পাঁচবার হেনস্তা করেছে। নির্বাচনী প্রচারণা সাংবিধানিক অধিকার হলেও গণসংযোগে বের হলেই বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের কিছু নেতা-কর্মী বাধা সৃষ্টি ও অশালীন আচরণ করেছে। অভিযোগে নেকাব টেনে খোলার মতো আপত্তিকর ঘটনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জানুয়ারি ভাটিয়ারি ইউনিয়নের জাহানাবাদ এলাকায় প্রথম হেনস্তার ঘটনা ঘটে। এরপর ২৬ জানুয়ারি একই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড এবং পৌরসভার ইদিলপুর এলাকায় পৃথক দুটি ঘটনা ঘটে। পরদিন কুমিরা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লোহারপোল এলাকায় নারী কর্মীদের হেনস্তা করা হয়। সবশেষ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ভাটিয়ারি ইউনিয়নের খাদেমপাড়া এলাকায় আরেকটি ঘটনার অভিযোগ ওঠে।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে নারী কর্মীদের জন্য একটি নিরাপত্তাহীন পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এর ফলে তারা চরম আতঙ্কে ভুগছেন এবং স্বাভাবিক নির্বাচনী প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনায় মারাত্মক বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। এতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগে প্রতিটি ঘটনার দ্রুত তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় নারী কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা কামনা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ফখরুল ইসলাম বলেন, প্রশাসন শতভাগ নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করবে। অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগ দায়েরের সময় জামায়াতে ইসলামীর সীতাকুণ্ড উপজেলা ও পৌর পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রুমিন ফারহানার পক্ষে প্রচারের অভিযোগে বিএনপির ইউনিয়ন কমিটি স্থগিত

দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে  আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করেব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার পক্ষে নির্বাচনি প্রচারে সক্রিয় থাকার অভিযোগে সরাইল উপজেলার শাহজাদাপুর ইউনিয়ন বিএনপির ৭১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক এ বি এম সালাউদ্দিন  জেলা বিএনপির প্যাডে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে শাহজাদাপুর ইউনিয়ন বিএনপির কমিটির সব ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।

দলীয় সূত্র জানায়, সংসদ নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই শাহজাদাপুর ইউনিয়ন বিএনপির অধিকাংশ নেতাকর্মী দলীয় মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয় না হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নেন। মাইকিং, গণসংযোগ, পথসভা ও বিভিন্ন নির্বাচনি সমাবেশে তাদের সরব উপস্থিতি দলীয় পর্যায়ে ব্যাপক অসন্তোষের জন্ম দেয়।

সূত্র আরও জানায়, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার দলীয়ভাবে সতর্ক করা হলেও সংশ্লিষ্ট নেতারা তা উপেক্ষা করেন। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই কঠোর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিতে হয় উপজেলা বিএনপিকে।

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, বহিষ্কারের বিষয়ে জেলা নেতৃবৃন্দকে জানানো হয়েছে। শাহজাদাপুর ইউনিয়ন বিএনপির অধিকাংশ নেতা-কর্মী দলীয় প্রার্থীর পক্ষে প্রত্যাশিত ভূমিকা পালন করেননি। বরং তারা দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয় হয়েছে বলে জানানো হয়, যা আমাদের দলীয় শৃঙ্খলার সম্পূর্ণ পরিপন্থি। তাই উপজেলা কমিটি দলীয় ঐক্য ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাময়িকভাবে পুরো কমিটির কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে দলীয় প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঘিরে বিএনপির ভেতরের টানাপড়েন দিন দিন প্রকাশ্য রূপ নিচ্ছে, যা নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করছে।

এদিকে শাহজাদাপুর ইউনিয়ন কমিটি স্থগিতের ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ একে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় সময়োপযোগী ও কঠোর সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে মনে করছেন, নির্বাচন ঘিরে দলের অভ্যন্তরীণ বিভাজন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

উল্লেখ্য, এর আগেও গত মঙ্গলবার একই উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকসহ ছয়জন নেতাকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়। ধারাবাহিক এসব সাংগঠনিক পদক্ষেপ সরাইল উপজেলা বিএনপির রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।

নারীরা কখনো জামায়াতে ইসলামীর প্রধান হতে পারবেন না: শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রধান বা আমির পদে কখনোই কোনো নারী অধিষ্ঠিত হতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন দলটির বর্তমান আমির ডা. শফিকুর রহমান। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। সাংবাদিক শ্রীনিবাসন জৈনের নেওয়া এই সাক্ষাৎকারে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের কোনো নারী প্রার্থী না থাকার কারণও ব্যাখ্যা করেন তিনি।

নির্বাচনে কোনো নারী প্রার্থী না রাখা প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এবারের নির্বাচনে আমরা কোনো নারী প্রার্থী দিচ্ছি না। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিরই একটি অংশ, অন্য দলগুলোও যে খুব বেশি নারী প্রার্থী দিয়েছে তা বলা যাবে না। তবে আমরা ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। এটি একদিনে সম্ভব নয়, এর অর্থ এই নয় যে আমরা নারীকে অসম্মান করছি।

ভবিষ্যতে কোনো নারী জামায়াতের শীর্ষ নেতৃত্বে আসতে পারবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি সরাসরি না বলে জানান। তিনি যুক্তি দিয়ে বলেন, এটি সম্ভব নয় কারণ আল্লাহ পুরুষ ও নারীকে আলাদাভাবে সৃষ্টি করেছেন। পুরুষরা কখনোই সন্তান লালন-পালন বা স্তন্যদান করতে পারবে না, এটি মহান আল্লাহর বিশেষ দান। আমরা স্রষ্টার সৃষ্টি করা এই বিধান পরিবর্তন করতে পারি না।

গত তিন দশক দেশে নারী প্রধানমন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও জামায়াতের প্রধান পদে নারীর অযোগ্যতার প্রশ্নে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা নারী প্রধানমন্ত্রীদের অসম্মান করছি না, আমাদের তাতে কোনো অসুবিধা নেই। তবে এমন কিছু নির্দিষ্ট দায়িত্ব রয়েছে যা পালন করা নারীর জন্য সীমাবদ্ধতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে মা হওয়ার পর একজন নারী যে গুরুদায়িত্ব পালন করেন, তা কোনো পুরুষের পক্ষে সম্ভব নয়। আল্লাহ সবকিছু জেনেই দায়িত্ব বণ্টন করেছেন।

শিক্ষকদের বাড়তি বেতনসুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা পদনাম অন্তর্ভুক্তি এবং অগ্রিম বর্ধিত বেতনসুবিধা নিয়ে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। দ্বিতীয় শ্রেণির এমএড বা মাস্টার্স ডিগ্রির জন্য একটি এবং প্রথম শ্রেণির এমএড বা মাস্টার্স ডিগ্রির জন্য দুটি অগ্রিম বর্ধিত বেতন প্রাপ্য হবেন সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা।

বুধবার(২৮ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই আদেশটি ২০১৫ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবরের সম্মতির আলোকে (চাকরি বেতন ও ভাতা) আদেশ, ২০১৫–এর ১২ (২) নম্বর অনুচ্ছেদে বর্ণিত তদানিন্তন এডুকেশন ডিপার্টমেন্ট মেমোরেন্ডামের নম্বর ৮৩২-এর তফসিলে ‘সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা’ পদনাম অন্তর্ভুক্তি এবং অগ্রিম বর্ধিত বেতনসুবিধা উল্লিখিতভাবে সংযোজন করা হলো। দ্বিতীয় শ্রেণির এমএড বা মাস্টার্স ডিগ্রির জন্য একটি এবং প্রথম শ্রেণির এমএড বা মাস্টার্স ডিগ্রির জন্য দুটি অগ্রিম বর্ধিত বেতন প্রাপ্য হবেন। আদেশটি ২০১৫ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।

 

জাতি একটি মেটিক্যুলাস নির্বাচনের অপেক্ষায়!

Shitangsu Ghuho Website Banner Final

শিতাংশু গুহ, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬, নিউইয়র্ক।। বাংলাদেশে আর একটি নির্বাচন এসে গেছে। নির্বাচন মানে প্রহসন। নির্বাচন মানে হিন্দু’র ওপর সহিংসতা। নির্বাচন মানে কিছু প্রাণহানি। তবু নির্বাচনে কিছু লোক এমপি হ’ন, দুর্নীতি করেন, দেশের কথা কারো মনে থাকেনা। নেতারা গরিবের জন্যে কাজ করতে করতে কোটিপতি হয়ে যান, গরিব আরো গরিব হয়ে পড়ে? তবু তো নির্বাচন, একটি গণতান্ত্রিক ধাপ, হোক না সেটা ‘মেটিক্যুলাস’ কারচুপি’র নির্বাচন। শেখ হাসিনা’র আমলে পরপর ৩টি নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ ছিলো, এবারের নির্বাচনটিও প্রশ্নবিদ্ধ হবে। ভোটার যাকেই ভোট দিক, জিতবে তালগাছ। আওয়ামী লীগ ভোট প্রতিহত করতে চাচ্ছে, কিন্তু করবে কে? নির্বাচনটি হয়ে গেলে আওয়ামী লীগ কি করবে? নির্বাচন না হলেই বা কি করবে? নির্বাচনটি কি আসলেই হবে? হবে, তবে মেটিক্যুলাস পদ্ধতিতে। সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে গেছে। শুধু ঘোষণা বাকি! .

 

সময় আছে মাত্র দুই সপ্তাহ’র একটু বেশি। ফরিদপুর থেকে একজন ফোন করে জানালো, কিসের নির্বাচন, তেমন সাড়াশব্দ তো দেখি না? নির্বাচন নিয়ে মানুষের সংশয় আছে, এর কারণ হচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি মানুষের আস্থার অভাব। ধারণা করি, নির্বাচনটি যেনতেন প্রকারে হয়ে যাবে। যারা আগে বলতেন নির্বাচন হবেনা, তারা এখন বলছেন, নির্বাচনটি হলেও সরকার টিকবে না? আমরা গত ১৭মাস ধরে শুনছি, ইউনুস সরকার টিকবে না! টিকে তো আছে? তেমনি নির্বাচনটি হয়ে গেলে যেই সরকারই আসুক, নির্বাচনটি গ্রহণযোগ্য হোক বা না-হোক, সরকারটি হবে নির্বাচিত সরকার, সুতরাং সেটি ফেলে দেয়া অতটা সহজ হবেনা। ইউনুস সরকার ছিলো ভঙ্গুর, সেটিই যখন ফেলা গেলোনা তখন একটি নির্বাচিত সরকার ফেলা অতটা সহজ নাও হতে পারে।

 

তাহলে কি বাংলাদেশ এভাবেই চলবে? হ্যাঁ, তবে রাজনৈতিক সরকার হয়তো কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। পাঠক কি হতাশ হচ্ছেন? বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর অনেকেই দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলো, কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বে একটি সশস্ত্র বাহিনী ছিলো, ছিলেন রাজনৈতিক নেতারা। তখনো প্রায়শ:শোনা যেত যে, জিয়া সরকার পড়ে যাচ্ছে। শেষমেশ সবাইকে চোরের মতোই দেশে ফিরতে হয়েছিলো। এবারো হয়তো তাই ঘটবে। অর্থাৎ আন্দোলনটা দেশে বসেই করতে হবে। বাংলাদেশের হিন্দুরা গত ৭৯ বছর ধরে আশা করেছিলো যে, ভারত তাদের উদ্ধার করবে, করেনি। আওয়ামী লীগাররা ভারতের দিকে চেয়ে থাকলেও ভারত তেমন কিছু করবে এমন আভাষ কোথায়? সন্ত্রাসবাদের উত্থান ঘটলে এবং তা নিরাপত্তার জন্যে হুমকি হলে ভারত কিছু করতে পারে?

 

ভারত একটি দায়িত্বশীল গণতান্ত্রিক দেশ, ইচ্ছে করলেই ভারত সবকিছু করতে পারেনা। এটি ঠিক ভারত সরকার, ও ভারতের জনগণ আওয়ামী লীগ ও প্রগতিশীল শক্তির প্রতি সহানুভূতিশীল। ভারত সরকার কখনোই শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাবে না। আমি একজন ভারতীয় দায়িত্বশীল কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে আমেরিকা এতকিছু করছে, আপনারা কিছু করছেন না কেন? তিনি বলেছেন, আমেরিকার মত ভারতের পক্ষে কি সবকিছু করা সম্ভব? সুতরাং আওয়ামী লীগারদের সবকিছু নুতন  করে ভাবতে হবে, নুতন প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে? যারা এখন ক্ষমতায় তাঁরা সরে যাবার জন্যে আসেনি। নির্বাচন দিয়ে হোক বা না দিয়ে হোক, তাঁরা বা তাদের বন্ধুরা ক্ষমতায় থাকবে। দেশ গোল্লায় গেলে তাদের কিচ্ছু আসে-যায় না? তাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে পূর্ব-পাকিস্তান বানানো।

 

এ সময়ে ভোটের রাজনীতি লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, নির্বাচনী প্রচার শুধু ধর্ম, স্বৈরাচার ও ভারত বিরোধিতায় সীমাবদ্ধ। আওয়ামী লীগ মাঠে নাই, তাই বিএনপি-জামাত  ফাইট কিছুটা দৃশ্যমান। জামাতের শরিক লেবার পার্টির এক নেতা তোষামোদ করে বলেই ফেলেছেন, ডা. শফিকুর রহমানে মধ্যে জনতা আয়াতুল্লাহ খোমেনি বা মাহাথির মোহাম্মদকে দেখেছে। তাহলেই বুঝুন, ১৭ মাসে দেশের ত্রাহি মধুসূদন অবস্থা, খোমেনীরা ক্ষমতায় এলে কি হবে? জামাতের আর এক নেতা ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির ভোটকে ঈমানি দায়িত্ব হিসেবে বর্ণনা করে বলেছেন, দাঁড়িপাল্লাকে জয়ী করা প্রত্যেক মুসলিমের নৈতিক ও ধর্মীয় কর্তব্য। তিনি বলেন, ভোটের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন সম্ভব এবং কিয়ামতের দিনে নিজেকে জবাবদিহি করতে পারবেন। নারীঘটিত অপকর্মে গ্রেফতার হওয়া খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকও এবার রাজনীতির মাঠে আছেন।

 

জামাতের এক হিন্দু প্রার্থী বলেছেন, দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে ডিমের কুসুমের মত আলগে রাখবো। মনে আছে নিশ্চয় জাতীয় পার্টির এমপি সেলিম ওসমান শিক্ষক শ্যামল ভক্তকে কানধরে উঠবস করিয়েছিলেন! আওয়ামী লীগ আমলে সেলিম ওসমান ভাল তবিয়তে ছিলেন, তবে শ্যামল ভক্ত পরে বাধ্য হয়েছিলেন গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে সেলিম ওসমানের পক্ষে নির্বাচনী প্রচার চালাতে। নির্বাচনকালীন সময়ে বাংলাদেশের হিন্দুদের অসহায়ত্ব এ দু’টি ঘটনায় স্পষ্ট। এবারেও একই চিত্র, হিন্দুরা ভোট দিলেও সমস্যা, না দিলেও সমস্যা। এমনিতে চিন্ময় প্রভু’র মুক্তি না দিলে অনেকেই ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পক্ষে নয়? আওয়ামী লীগের সমর্থকরাও বিপদে আছে, তারা কাকে ভোট দেবেন? নাকি ভোট বয়কট করবেন। এ সময়ে জাতীয় পার্টি, এবি পার্টি বা এমনকি বিএনপি মিনমিন করে আওয়ামী লীগের পক্ষে কথা বলছে, লক্ষ্য আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ভোট পাওয়া।

সাবেক ভিপি নূর-র জেতার সম্ভবনা কম, তাই তিনি এখন আওয়ামী লীগের পক্ষে কথা বলছেন, যদি লাইগ্যা যায়? ঠাকুরগাঁয়ে বিএনপি’র মহাসচিব আওয়ামী লীগের জন্যে দুয়ার খুলে দিচ্ছেন, কারণ সেখানে প্রচুর হিন্দু ভোট। জামাতের শক্ত প্রার্থী। ২০২৪–আগষ্টের পর ঠাকুগাঁয়ের হিন্দু মন্ত্রীকে বিএনপি যেভাবে নির্যাতন করে জেলে দিয়েছে, প্রতিপক্ষ সেটি হিন্দুদের স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন। তারেক রহমান, তিনি যতই ভাষণ দিচ্ছেন মনে হচ্ছে বিএনপি’র ভোট কমছে। ভাষণে এত আল্লাবিল্লাহ করলে কি ভোট বাড়বে? এজন্যে তো জামাত আছে। আওয়ামী লীগও একই ভুল করেছিল, মৌলবাদের খেদমতে কর্মীদের ভুলে গিয়েছিলো, সুযোগ মত মৌলবাদ বাঁশ দিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশে রাজনৈতিক নেতা নাই, আওয়ামী লীগ-বিএনপি নেতা সৃষ্টি হতে দেয়নি। এনসিপি’র রাজনীতি পুরোটাই ভুল, সুবিধাবাদী, ধর্মকে সুড়সুড়ি দেয়া, এবং ভারত বিরোধিতা। নির্বাচনী মাঠে এদের পদচারণা দৃশ্যমান নয়, এঁরা ক্ষমতার কাছাকাছি থাকতে অভ্যস্থ, হয়তো থাকবেও। guhasb@gmail.com;

মেম্বার ও চেয়ারম্যান পদে আলেম-ওলামা ও সমাজের সৎ মানুষদের এগিয়ে আসার আহ্বান: হান্নান মাসউদ

আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে আলেম-ওলামা ও সমাজের সৎ মানুষদের জনপ্রতিনিধি হিসেবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের ১০ দলীয় জোট সমর্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মরহুম মাওলানা আজমির হুসাইন এর জীবন ও কর্ম শীর্ষক আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিলে তিনি এ আহ্বান জানান । বুধবার (২৮ জানুয়ারি) উপজেলা শহরে উকিল পাড়া মাদ্রাসায় এঈ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

হান্নান মাসউদ বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে এদেশের আলেম-ওলামারা সবচেয়ে বেশি নির্যাতন ও বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। আলেম সমাজ যে সম্মান ও অবস্থানে থাকার কথা ছিল, সেখানে তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি। তিনি বলেন, আগামীর দিনে আলেম-ওলামা ও সমাজের সৎ মানুষদেরই মেম্বারও চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট শাসনামলে ওয়াজ করার জন্যও অনুমতি নিতে হতো এটা আমাদের জন্য লজ্জাজনক। যেখানে দেশের ৯০ শতাংশ মানুষ মুসলমান, সেখানে গুটি কয়েকজনের কাছে আলেম সমাজ জিম্মি ছিল। আমরা এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। তাই বৈষম্য দূর করতে হলে ১২ তারিখের গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে থাকতে হবে।

দোয়া মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শহর উত্তর মসজিদের খতিব হযরত মাওলানা ক্বারি মাহমুদুল হাসান, হাতিয়ার বিশিষ্ট আলেম মুফতি সারওয়ার কাসেমী, হাতিয়া উপজেলা খেলাফত মজলিসের সহ-সভাপতি মুফতি সাহেদুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের সভাপতি মাওলানা কাউসার আহমেদসহ অন্যান্য বরণ্য আলেমগণ।

কাকে বিয়ে করলেন পাকিস্তানি অভিনেতা উমর!

জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করলেন পাকিস্তানি অভিনেতা উমর আলম। নববধূর নাম ফিজা মাসরুর। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) তাদের বিয়ের অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়, যেখানে নবদম্পতির নিকটাত্মীয় ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধবরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের পর নবদম্পতির বিয়ের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ পেলে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। সামাজিক মাধ্যমে ভক্তদের পাশাপাশি শোবিজ অঙ্গনের তারকাদেরও এ জুটিকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাতে দেখা গেছে।

বিয়েতে উমর আলমের পরনে ছিল হালকা নীল রঙের ঐতিহ্যবাহী পোশাকের সঙ্গে একটি ডিজাইনার কোট। অন্যদিকে, কনে ফিজা মাসরুর বেছে নেন সোনা ও রূপার সূক্ষ্ম নকশায় সজ্জিত ধুলো গোলাপি রঙের পোশাক।

পরবর্তীতে এই দম্পতি ইনস্টাগ্রামে বিয়ের কিছু বিশেষ মুহূর্ত শেয়ার করেন, যার মধ্যে সমুদ্রতীরে তোলা একটি ফটোশুট বিশেষভাবে অনুরাগীদের নজর কেড়েছে। অনুষ্ঠানে তারকাদের মধ্যে শাজিয়া ওয়াজাহাত, ওয়াজাহাত রউফ, হাসান রিজভি ও হিনা মীরসহ একাধিক শোবিজ ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এক বিমান ভ্রমণের সময় উমর আলম ফিজা মাসরুরকে বিয়ের প্রস্তাব দেন, যার ভিডিও সে সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

পিরিয়ডে ব্যথা আর মুড সুইং? এই পানীয় ফিরিয়ে দেবে স্বস্তি

পিরিয়ডের ব্যথা নানাভাবে প্রকাশ পেতে পারে – ক্র্যাম্প, পেট ফাঁপা এবং অস্বস্তির সাধারণ অনুভূতি যা আপনার পুরো রুটিনকে ভারসাম্যহীন করে তুলতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ব্যথানাশক ব্যবহৃত হয়, তবে অনেক নারী এই সমস্যা সমাধানের জন্য হালকা, খাদ্য-ভিত্তিক উপায় খুঁজছেন। একটি সহজ পানীয় রয়েছে যা ভেতর থেকে পিরিয়ডের ব্যথা কমাতে কাজ করে। এই উষ্ণ পানীয়টি হজমে সহায়তা করে, প্রদাহ কমায় এবং শরীরকে পিরিয়ডের আগে এবং পিরিয়ড সম্পর্কিত অস্বস্তি মোকাবিলা করতে সাহায্য করে।

উপকরণ

১ টেবিল চামচ বার্লি

১ ইঞ্চি আদা

২ কাপ পানি।

পানীয়টি কীভাবে তৈরি করবেন?

প্রস্তুতি খুব কম, তবে একটি ধাপ গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমে বার্লি সারারাত ভিজিয়ে রাখুন, অথবা কমপক্ষে ৬-৮ ঘণ্টা। সকালে পানিতে ভেজানো বার্লির সঙ্গে আদা কুচি যোগ করুন। মিশ্রণটি ১০-১২ মিনিট ফুটিয়ে নিন। ছেঁকে নিন এবং গরম করে পান করুন। এই ধীর ফুটন্ত মিশ্রণটি উভয় উপাদানের গুণাগুণ পানিতে মিশে যেতে দেয়, যা শরীরের জন্য শোষণ করা সহজ করে তোলে।

কীভাবে এবং কখন পান করবেন?

ঋতুস্রাবের সহায়তার ক্ষেত্রে সময় গুরুত্বপূর্ণ। এই পানীয়টি একবার পেট ফাঁপা শুরু হলে শেষ মুহূর্তের সমাধান নয়। প্রতিদিন ১ কাপ পান করুন। আপনার মাসিকের ১০-১৪ দিন আগে থেকে শুরু করুন। সকালে বা সন্ধ্যায় খাওয়া সবচেয়ে ভালো। এটি শরীরকে আগে থেকে প্রস্তুত করতে সাহায্য করে।

পানীয়টি কেন পিরিয়ডের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে?

বার্লি অন্ত্রের স্বাস্থ্যকে সহায়তা করে এবং ইস্ট্রোজেন ডিটক্সে সহায়তা করে, যা হরমোনের ভারসাম্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আদা পেট ফাঁপা, প্রদাহ এবং পিরিয়ডের আগে অনেকেরই যে ভারী, অলস অনুভূতি হয় তা কমাতে পরিচিত। একসঙ্গে এগুলো পিরিয়ডের আগে পেট ফাঁপা এবং অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে। এখানে তাৎক্ষণিক উপশম নয়, বরং শরীরের জন্য মৃদু, ধারাবাহিক সহায়তা প্রদানের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।