Home Blog Page 193

উত্তরসূরি ঠিক করে গেছেন খামেনি নিজেই, কে তিনি?

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় প্রাণ হারানোর আগেই নিজের উত্তরসূরি নির্ধারণ এবং ক্ষমতা হস্তান্তরের একটি রূপরেখা তৈরি করে রেখেছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ১৯৮৯ সাল থেকে প্রায় চার দশক ধরে ইরানের ধর্মীয়, সামরিক ও রাজনৈতিক সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী এই নেতা রোববার (১ মার্চ) ভোরে তেহরানে নিজ কার্যালয়ে হামলার সময় নিহত হন বলে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরএনএ (IRNA) নিশ্চিত করেছে।

ইরানি সূত্রগুলোর বরাতে জানা গেছে, যুদ্ধের ভয়াবহতা আঁচ করতে পেরে খামেনি আগেই জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলী লারিজানিকে দেশ পরিচালনার বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে গিয়েছিলেন।

মূলত বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে কিছুটা পাশ কাটিয়ে এই বিশেষ সামরিক ও রাজনৈতিক মহলের হাতেই জরুরি সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, তেহরানের ‘পাস্তুর কমপ্লেক্সে’ চালানো নিখুঁত হামলায় খামেনির বাসভবন ও জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের কার্যালয় ধ্বংস হয়েছে।

ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের দায়িত্ব ৮৮ সদস্যের ‘বিশেষজ্ঞ পরিষদ’-এর (Assembly of Experts)। তবে গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে এক উত্তেজনার সময় খামেনি সম্ভাব্য তিনজনের একটি নামের তালিকা চূড়ান্ত করেছিলেন বলে জানা গেছে। এই তালিকায় ছিলেন:

বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম-হোসেইন মোহসেনি-এজেই

খামেনির দপ্তরপ্রধান আলী আসগর হেজাজি

সংস্কারপন্থি ধর্মীয় নেতা ও খোমেনির নাতি হাসান খোমেনি

এ ছাড়া খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনির নাম বিভিন্ন মহলে জোরেশোরে আলোচিত হলেও, খামেনি নিজে নেতৃত্বকে বংশানুক্রমিক করার ঘোর বিরোধী ছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

শনিবার রাত পর্যন্ত ইরানের কার্যকর নেতৃত্ব কার হাতে রয়েছে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে চরম অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, কিছু নেতা হারালেও ইরানের আত্মরক্ষার লড়াই থামবে না। বর্তমানে একটি অন্তর্বর্তীকালীন কাউন্সিল গঠিত হতে পারে, যেখানে প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন সদস্য থাকবেন।

বিশ্লেষকদের মতে, বিশেষজ্ঞ পরিষদের দ্রুত বৈঠকের মাধ্যমে নতুন নেতার নাম ঘোষণা করা হতে পারে। তবে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী আইআরজিসি-র (IRGC) ভূমিকা এই ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

বেলিয়া সভাপতি শফিউল আলম উজ্জ্বল; সাধারণ সম্পাদক ইয়াদুল হক

বাংলাদেশের লিফট আমদানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ এলিভেটর এসকেলেটরস এন্ড লিফট ইম্পোর্টার্স এসোসিয়েশন (বেলিয়া) সভাপতি হয়েছেন শফিউল আলম উজ্জ্বল ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ইয়াদুল হক।

বিএনপি কখনো দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয়নি, দেবেও না: ঠাকুরগাওয়ে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল

উপদেষ্টাদের দুর্নীতির বিষয়ে জানতে চাইলে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “দুর্নীতির  বিষয়গুলোতে সময় নষ্ট না করে আমাদের ভবিষ্যতের দিকে নজর দেওয়া উচিত। সত্যিকার অর্থে দেশকে কিভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া যায় এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে কীভাবে শক্তিশালী করা যায়—সে বিষয়েই গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।” তিনি আরও বলেন, “যার যেটা কাজ, সে সেটা করবে। দুর্নীতির অভিযোগ দেখার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আছে। যারা দুর্নীতি করবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব দুদকের। আমরা কখনো দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেইনি এবং ভবিষ্যতেও দেব না।”

আজ মধ্যরাত থেকে পদ্মা-মেঘনায় মাছ ধরা বন্ধ

ইলিশ পোনাসহ জাটকা রক্ষায় আজ (২৮ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত থেকে মার্চ-এপ্রিল এ দুই মাস চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনাসহ দেশের ৬টি নদী অঞ্চলের অভয়াশ্রমে সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার।

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে আমিরাবাদ বাজার পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার ও হাইমচরের চরভেরবী পর্যন্ত ৭০ কিলোমিটার এলাকায় জাল ফেলা, মাছ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত ও পরিবহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই দুই মাস জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করবেন।

নিষেধাজ্ঞার এ সময় চাঁদপুরের নিবদ্ধনকৃত ৩৯ হাজার ৪০০ জেলের প্রত্যেককে চার কিস্তিতে ১৬০ কেজি চাল দেবে সরকার। তবে জেলেরা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে মাছ শিকার করতে গিয়ে ধরা পড়লে কমপক্ষে এক বছর থেকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানাসহ উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম জানান, নদীতে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার এই সময়ে নির্ধারিত ভিজিএফের চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। জাটকা ইলিশ রক্ষায় অভিযান হবে কঠোর। দুই মাসের এই অভয়াশ্রমে অসাধু জেলেরা যাতে কোনোভাবেই নদীতে নামতে না পারে সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ইলিশ গবেষক ড. মো. আনিসুর রহমান বলেন, ইলিশ উৎপাদন বাড়াতে শুধু প্রশাসনিক তৎপরতা যথেষ্ট নয়। জাটকা রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলেও জেলেদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে এর সুফল দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে না।

চাঁদপুর নৌ অঞ্চলের পুলিশ সুপার সৈয়দ মোশফিকুর রহমান বলেন, ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল দুই মাস জাটকা নিধন বন্ধে আমরা নৌপুলিশ সচেতন আছি। চাঁদপুর নৌ সীমানার মধ্যে যদি কোনো জেলে আইন অমান্য করে নদীতে নেমে জাটকা নিধন করে তাদের বিরুদ্ধে মৎস্য আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নৌপুলিশের কেউ যদি অবৈধ পন্থা অবলম্বনকারীদের সাথে অবৈধভাবে যোগাযোগ রাখে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভাপতি মো. নাজমুল ইসলাম সরকার বলেন, ইলিশের স্থায়িত্বশীল উৎপাদন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিবছর বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়, যার মধ্যে জাটকা সংরক্ষণ অন্যতম। জাতীয় স্বার্থে অংশীজনদের আরো তৎপর হতে হবে।

জেলেদের জাটকা ধরা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করবেন।

উল্লেখ্য, ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ও নদীতে জাটকার নিরাপদ বিচরণ নিশ্চিতে ২০০৬ সাল থেকে মার্চ-এপ্রিল দুই মাস নদীতে সব প্রকার মাছ শিকার নিষিদ্ধ করে সরকার।

বিয়ে করলেন রাশমিকা মান্দানা, বর কে?

০

দীর্ঘ সাত বছরের প্রেমের পর অবশেষে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন দক্ষিণী তারকা রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবরাকোন্ডার।

রাজস্থানের উদয়পুরে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঘনিষ্ঠ পরিসরে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনযায়ী, সকাল প্রায় ১০টা ১০ মিনিটের কিছু পরে বিয়ে করেছেন এই জুটি।

বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। রাজকীয় আয়োজনে বিয়ে করেছেন তারা।

পরিবারের সদস্য ও নিকট বন্ধুদের উপস্থিতিতে আয়োজন করা হয়েছে বিয়ের অনুষ্ঠানের।

ভক্তদের ভালোবাসার ডাকনামকে সম্মান জানিয়ে নিজেদের এই মিলনকে তারা নাম দিয়েছেন ‘বিরোশ’-এর বিয়ে।

বিয়ের আনুষ্ঠানিক ছবি ও ভিডিও প্রকাশের অপেক্ষায় আছেন তাদের অগণিত ভক্ত।

স্যোশাল মিডিয়ায় ইতোমধ্যেই শুভেচ্ছার বন্যায় ভাসছেন নবদম্পতি।  অন্যদিকে, তাদের বিয়ের বিভিন্ন এআই ছবি এখন ভাইরাল হচ্ছে যেগুল ভুয়া।

রাশমিকা ও বিজয় প্রথম একসঙ্গে অভিনয় করেন ‘গীতা গোবিন্দম’ ও ‘ডিয়ার কমরেড’ সিনেমায়। পর্দার রসায়ন থেকেই বাস্তব জীবনের সম্পর্কের সূচনা। যদিও দীর্ঘদিন সম্পর্ক নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন তারা, সম্প্রতি প্রকাশ্যে নিজেদের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন।

বিজয় দেবরাকোন্ডা ‘অর্জুন রেড্ডি’ সিনেমার মাধ্যমে সারা দেশে ব্যাপক পরিচিতি পান। অন্যদিকে রাশমিকা মান্দানা ‘গীতা গোবিন্দম’, ‘পুষ্পা: দ্য রাইজ’ ও ‘অ্যানিমাল’-এর মতো সফল সিনেমার মাধ্যমে তেলেগু ও কন্নড় সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় মুখ হয়ে ওঠেন।

হাট বাজার কমিটির সদস্য সচিবকে ছাড়াই টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ২০২৬ সালে বাংলা (১৪৩৩) সনের এক বছরের জন্য ২২টি  হাট বাজারের ইজারা দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। কিন্তু নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে ও হাট বাজার ইজারা মুল্যয়ন কমিটির সদস্য সচিবকে না জানিয়ে পত্রিকায় টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করায় কমিটি অন্যান্য সদস্যদের মাঝে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।

জানাগেছে, উপজেলা ৯ টি ইউনিয়নে ছোট বড় ২২টি হাট-বাজার রয়েছে। এসব হাট বাজার ইজারা ও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে সভাপতি ও উপজেলা প্রকৌশলীকে সদস্য সচিব করে ৬ সদস্যের একটি মুল্যয়ন কমিটি গঠন করা হয়। সদস্য সচিব উপজেলা প্রকৌশলী ইজারা প্রক্রিয়ার কারিগরি দিক বাজারের আয়তন,পরিমাপ ও ইজারা মুল্য যাচাই বাচাই করবেন। তিনি দরপত্র মুল্যয়ন নথিপত্র উপস্থাপন,ইজারার ভৌত অবকাঠামো রক্ষনাবেক্ষণ এবং সরকারের বিধি মোতাবেক সর্বচ্চ দরদাতাকে ইজারা প্রদানের সুপারিশ করবেন। কিন্তু কমিটির সদস্য সচিব উপজেলা প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন এ বিষয়ে আমাকে কিছুই জানানো হয়নি। যথাযত প্রক্রিয়া অনুসরন করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি বলেও তিনি জানান। অন্যান্য সদস্যরাও এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

এছাড়াও অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের এক প্রভাবশালী অফিস সহকারী আত্মীয়তা রক্ষা করতে নির্বাহী অফিসারকে ম্যানেজ করে গত ২০ ফেব্রুয়ারী-২৬ ইং তারিখে তার পছন্দের লোক দিয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করান।

কিন্তু স্থানীয় সরকার আইন এবং টেন্ডার বিধিমালা অনুযায়ী হাট বাজার কমিটির সদস্য সচিবকে না জানিয়ে বা রেজুলেশন ছাড়া বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সমপুর্ণ অবৈধ ও অনিয়ম। এর ফলে এটি প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতির সুযোগ থেকে যায় বলে অনেকে মনে করছেন।

হাট বাজার কমিটির সদস্য লোকমান আলম বলেন,একই কথা আমারও আমি একজন সদস্য হিসেবে কিছু জানি না। এবিষয়ে কোন আলোচনা বা রেজুলেশনে স্বাক্ষর করা হয়নি। আমাকে কোন অবগত করেনি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও হাট বাজার কমিটির সভাপতি তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়াকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল ও হোয়াট’সঅ্যাপ এ মেসেজ করলেও কোন উত্তর পাওয়া যায়নি।

তিস্তা থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের অভিযান

০

উত্তরাঞ্চলের তিস্তা নদী ঘিরে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ প্রভাবশালীদের ছত্র ছায়ায় বেশ কিছু চক্র অর্ধশতাধিক অবৈধ বোমা মেশিন স্থাপন করে তিস্তা নদী হতে পাথর তুলে আঙুল ফুলে কলা গাছে পরিনত হচ্ছে। পাশাপাশি পাথর উত্তোলন ও তা পরিবহনে নদীর তলদেশ তলিয়ে যাচ্ছে। যার প্রভাব পড়েছে ওই এলাকার গ্রাম গুলো সড়ক ও বসতভিটাগুলোতে। অনেকে ভুমি ধ্বসের আশংঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

সুত্র মতে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার টেপাখরিবাড়ি ও খালিশাচাঁপানী এলাকায় প্রভাবশালীরা অবৈধভাবে তিস্তা নদীতে  বোমা মেশিন স্থাপন করে পাথর উত্তোলন করে আসছে। উত্তোলনকৃত পাথর প্রথমে ইঞ্জিন চালিত নৌকায় ও পরে ট্রলিতে পরিবহন করা হয়। এতে নদীপাড়ে অরাজকতা সৃস্টি করে।

এলাকাবাসীর এমন অভিযোগ পেয়ে নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করার দায়ে ১১ টি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ও কয়েকটি বোমা মেশিনসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম বিনষ্ট করেছে উপজেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টেপাখড়িবাড়ি ও খালিশাচাপানি ইউনিয়নের তিস্তা নদী সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে নেতৃত্বে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমরানুজ্জামান। তাকে সহায়তা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রওশন কবির, বিজিবি ও পুলিশের সদস্যরা।

জানা যায়, একটি প্রভাবশালী মহল দীর্ঘদিন ধরে তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করে বিক্রি করে আসছিল। অভিযোগ পেয়ে বিকেলে অভিযান চালানো হয়। এ সময় প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে পাথর উত্তোলনকারীরা পালিয়ে যায়। পরে নদী থেকে উত্তোলিত পাথর বহনের কাজে ব্যবহৃত ১১ টি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ও ৬টি শ্যালো ও কয়েকটি বোমা মেশিন বিনষ্ট করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরানুজ্জামান বলেন, তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধ করতে হবে।  আমরা প্রশাসনের পক্ষে এটি বন্ধে কাজ করছি।   অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।  আগামীতে অভিযান চলমান থাকবে।

তিস্তা থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের অভিযান

শ্রেণি বিভক্ত সমাজে প্রথম এবং চিরস্থায়ী যে বিভাজন সময় আর সভ্যতাকে নাড়া দিয়েছে তা হলো নারী-পুরুষ বিভেদ পার্থক্য। যা একবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকের মধ্যাহ্নে ও তাড়া করে বেড়াচ্ছে। তাছাড়া শব্দটি যৌক্তিক না হলেও কঠিন রূঢ় এক সত্যবচন। যা আজও ঘোচানো গেলই না। তথ্য প্রযুক্তির নব বিশ্বায়নে তা আরও অসহনীয় এক দুর্বিসহ বাতাবরণ। শ্রম শক্তি যে কোন সমাজ সংস্কারের অবধারিত নির্ণায়ক যা শুধু পরিবেশ পরিস্থিতির নির্ধারকই নয় বরং অভাবনীয় এক শীক্ত ময়তার চূড়ান্ত নির্দেশক। আর যে কোনো সমাজের অর্থনীতি পুরো ব্যবস্থার নির্ণায়কই নয় বরং চারিকা শক্তির বিচারেও অগ্রগণ্য।
স্বৈরাচার পতনের পর নতুন ও বদলে যাওয়া আধুনিক বাংলাদেশ পুনরায় নতুন অবয়বে তৈরি করতে গেলে হরেক বৈষম্য বিভাজন চিহ্নিত করাও জরুরি। আর শ্রম বাজারে অর্ধাংশ নারীর সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়া পরিবর্তিত পরিবেশকে আরও বেশি করে ন্যায্যতা দেওয়া। তবে ইদানীং নারীর শ্রম বাজারে দৃশ্যমান অগ্রগতিতে পিছু হটা কোনোভাবেই মান্যতা পায় না। সমসংখ্যকের যে কোনো একটি অংশ যদি তার অধিকার, ন্যায্যতা কিংবা এগিয়ে যাওয়ার পথে পিছিয়ে যায় তাহলে সার্বিক উন্নয়ন, প্রবৃদ্ধি অধরা থেকেই যাবে। আর অর্থনীতিতে তো অনেকখানিই। তাছাড়া দশভুজা নারীরা একদিকে সংসার চালান অন্যদিকে কর্মজীবন ও নির্বিঘেœ সম্পন্ন করা সমতার আদলে সবাই এগিয়ে চলার পরম বার্তা তো বটেই। যদিও নারীদের গৃহশ্রমকে কখনোই ধর্তব্যের মধ্যেই আনা হয় না। বরং বিধাতার সৃষ্টিযজ্ঞের অন্যতম কর্মযোগ হিসেবেই ধরা হয়।
সম্প্রতি অর্থনীতি ও ইডেন মহিলা কলেজের এক আলোচনা সভায় নতুন এমন সব সার্বজনীন চিরস্থায়ী তথ্য সত্য উঠে আসছে। শুধু বর্তমানে বিভিন্ন শ্রম শক্তিতে উদ্বেগজনক হারে নারীর অংশগ্রহণ কমে যাওয়াও সংশ্লিষ্টদের জন্য কোনো শুভ সংকেতই নয়। বরং অবধারিত চিরস্থায়ী দুর্ভোগের সময়ের গতিতে আরো বেহাল অবস্থাকেই প্রতীয়মান করছে।
বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি ও ইডেন মহিলা কলেজের যৌথ উদ্যোগে এক আলোচনা সভায় এই আশঙ্কা উঠে আসে। নারীর ক্ষমতায়ন নতুন কিছু নয়Ñ যা যুগ যুগান্তরের পরম নির্মাল্য। সেই সৃষ্টি আদিকাল থেকেই সমাজ সংস্কারের কৃষি সভ্যতার বিকাশও নারীর হাতেই তৈরি হয়েছে বলে নৃ ও সমাজ বিজ্ঞানীদের বদ্ধমূল ধারণা। এমনকি পৃথিবীতে যে আদি ও অকৃত্রিম সংগঠন পরিবার তাও মাতৃতান্ত্রিক বলে আমেরিকান নৃবিজ্ঞানী লুইস হেনরি মর্গান তাঁর আদিম সমাজ বইটিতে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের ভিত্তিতে গবেষণা চালিয়ে এমন চিরস্থায়ী বরমাল্য দুনিয়াকে উপহার দেন। শুধু কি তাই? পরিবার হিসেবেও মাতৃতান্ত্রিকই সবার আগে প্রতিষ্ঠা পায়। অবাধ স্বেচ্ছার আর দলগত বিয়েতে পিতার পরিচয় ছিল এক অজানা বিস্ময়। মায়ের জঠর থেকে সন্তান আসতো বলে মাকেই চেনা গেছে।

শ্রমশক্তিতে নারী

শ্রেণি বিভক্ত সমাজে প্রথম এবং চিরস্থায়ী যে বিভাজন সময় আর সভ্যতাকে নাড়া দিয়েছে তা হলো নারী-পুরুষ বিভেদ পার্থক্য। যা একবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকের মধ্যাহ্নে ও তাড়া করে বেড়াচ্ছে। তাছাড়া শব্দটি যৌক্তিক না হলেও কঠিন রূঢ় এক সত্যবচন। যা আজও ঘোচানো গেলই না। তথ্য প্রযুক্তির নব বিশ্বায়নে তা আরও অসহনীয় এক দুর্বিসহ বাতাবরণ। শ্রম শক্তি যে কোন সমাজ সংস্কারের অবধারিত নির্ণায়ক যা শুধু পরিবেশ পরিস্থিতির নির্ধারকই নয় বরং অভাবনীয় এক শীক্ত ময়তার চূড়ান্ত নির্দেশক। আর যে কোনো সমাজের অর্থনীতি পুরো ব্যবস্থার নির্ণায়কই নয় বরং চারিকা শক্তির বিচারেও অগ্রগণ্য।
স্বৈরাচার পতনের পর নতুন ও বদলে যাওয়া আধুনিক বাংলাদেশ পুনরায় নতুন অবয়বে তৈরি করতে গেলে হরেক বৈষম্য বিভাজন চিহ্নিত করাও জরুরি। আর শ্রম বাজারে অর্ধাংশ নারীর সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়া পরিবর্তিত পরিবেশকে আরও বেশি করে ন্যায্যতা দেওয়া। তবে ইদানীং নারীর শ্রম বাজারে দৃশ্যমান অগ্রগতিতে পিছু হটা কোনোভাবেই মান্যতা পায় না। সমসংখ্যকের যে কোনো একটি অংশ যদি তার অধিকার, ন্যায্যতা কিংবা এগিয়ে যাওয়ার পথে পিছিয়ে যায় তাহলে সার্বিক উন্নয়ন, প্রবৃদ্ধি অধরা থেকেই যাবে। আর অর্থনীতিতে তো অনেকখানিই। তাছাড়া দশভুজা নারীরা একদিকে সংসার চালান অন্যদিকে কর্মজীবন ও নির্বিঘেœ সম্পন্ন করা সমতার আদলে সবাই এগিয়ে চলার পরম বার্তা তো বটেই। যদিও নারীদের গৃহশ্রমকে কখনোই ধর্তব্যের মধ্যেই আনা হয় না। বরং বিধাতার সৃষ্টিযজ্ঞের অন্যতম কর্মযোগ হিসেবেই ধরা হয়।
সম্প্রতি অর্থনীতি ও ইডেন মহিলা কলেজের এক আলোচনা সভায় নতুন এমন সব সার্বজনীন চিরস্থায়ী তথ্য সত্য উঠে আসছে। শুধু বর্তমানে বিভিন্ন শ্রম শক্তিতে উদ্বেগজনক হারে নারীর অংশগ্রহণ কমে যাওয়াও সংশ্লিষ্টদের জন্য কোনো শুভ সংকেতই নয়। বরং অবধারিত চিরস্থায়ী দুর্ভোগের সময়ের গতিতে আরো বেহাল অবস্থাকেই প্রতীয়মান করছে।
বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি ও ইডেন মহিলা কলেজের যৌথ উদ্যোগে এক আলোচনা সভায় এই আশঙ্কা উঠে আসে। নারীর ক্ষমতায়ন নতুন কিছু নয়Ñ যা যুগ যুগান্তরের পরম নির্মাল্য। সেই সৃষ্টি আদিকাল থেকেই সমাজ সংস্কারের কৃষি সভ্যতার বিকাশও নারীর হাতেই তৈরি হয়েছে বলে নৃ ও সমাজ বিজ্ঞানীদের বদ্ধমূল ধারণা। এমনকি পৃথিবীতে যে আদি ও অকৃত্রিম সংগঠন পরিবার তাও মাতৃতান্ত্রিক বলে আমেরিকান নৃবিজ্ঞানী লুইস হেনরি মর্গান তাঁর আদিম সমাজ বইটিতে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের ভিত্তিতে গবেষণা চালিয়ে এমন চিরস্থায়ী বরমাল্য দুনিয়াকে উপহার দেন। শুধু কি তাই? পরিবার হিসেবেও মাতৃতান্ত্রিকই সবার আগে প্রতিষ্ঠা পায়। অবাধ স্বেচ্ছার আর দলগত বিয়েতে পিতার পরিচয় ছিল এক অজানা বিস্ময়। মায়ের জঠর থেকে সন্তান আসতো বলে মাকেই চেনা গেছে।

আর নব্য দুনিয়ার তথ্যপ্রযুক্তির অলংকরণে তেমন নারী শক্তি আজও তার নীরব শ্রম, অদৃশ্য কর্মনিষ্ঠায় সমাজ সভ্যতাকে নতুন মাত্রা দিয়ে যাচ্ছে। মূল্য অমূল্য আর এক হিসেবে নিকেশের বিষয়। কিন্তু বাস্তব প্রেক্ষাপট প্রতিনিয়তই যা প্রমাণ করেই যাচ্ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ত্রৈমাসিক শ্রম শক্তি জরিপে বিভিন্ন অসঙ্গতি স্পষ্টতই সামনে চলে আসে বাংলাদেশ এখনো সিংহভাগ পল্লী জননীর নিভৃত ছায়ায় কাল যাপনের এক অনন্য অধ্যায়, সময় বললেও বেশি নয়, কিন্তু। তাই শ্রম শক্তিতে নারীর অংশ কমে যাওয়ার সচিত্র প্রতিবেদন উঠে আসছে প্রান্তিক অঞ্চলও নারীদের ওপর গবেষণায়।
অতি প্রাসঙ্গিকভাবেই বিঘœতার জাল কেন এখনো সচল ক্রিয়াশীল তা অনুধাবনে পিতৃতান্ত্রিকতকেই দায়ী করা হচ্ছে। তবে তা আংশিক সত্য হলেও পুরোপুরি নয়। কারণ বিভিন্ন সময় নারীরা নিজেও অনেক কিছু থেকে আপন ইচ্ছেয় পিছিয়ে থাকেন। দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করা যায় যান্ত্রিক কলা কৌশলে সমসংখ্যক পিছনে পড়ে থাকা সবটা অদক্ষ আর অক্ষমতার কারণে নয়। এমনকি পুরুষের জন্য নয়। বরং নারীরা স্বভাবগত কারণে নব্যপ্রযুক্তিও আধুনিকতার অনেক নতুন সময় থেকে  পেছনে থাকেন, গ্রহণ করার মানসিকতা জগতেও সময় ক্ষেপণ করতে হয়। তবে বর্তমানে তা অনেকাংশে দূরীভূত হলেও আঁধার এখনো কাটেইনি।

তা না হলে এমন তথ্য সত্য কেন বিভিন্ন গবেষণায় উঠে আসবে? প্রশ্ন থেকেই যায়। সমতা নির্ভর শ্রম বাজার তৈরি যেমন যৌক্তিকও প্রাসঙ্গিক পাশাপাশি গ্রহণ করার মানসিকতা, মূল্যবোধও অত্যাবশ্যক। সেখানেও জোর দেয়া সময়ের অপরিহার্যতা। গ্রামীণ নারীদের উঠোন বৈঠকে মধ্যে ফোন আর যন্ত্রের প্রতি মানসিকতাই শুধু নয় গ্রহণ করার অপরিহার্যতা ও দৃশ্যমান হচ্ছে। যা যন্ত্রসভ্যতায় দেশের সবাইকে এগিয়ে নিতে শুভ পদক্ষেপ বলাই যায়। নতুন যে কোন সৃষ্টি, ভাব সম্পদ মেনে নিতে সমসংখ্যক নারী বরাবরই পেছনে ছিল। আধুনিকতার বরমাল্যে তা কমে আসলেও বাধা বিপত্তি শেকড়ের গভীরে প্রচ্ছন্নভাবে জিইয়ে আছে।
সঙ্গত কারণে নতুন পুরাতনের দ্বন্দ্বে সব সময় নারীরাই পিছিয়ে থাকে। বর্তমানে তা কমে আসলেও একেবারে শিকড় থেকে উপড়ে ফেলা সম্ভব হয়ইনি। বিশিষ্টজনের অভিমত দিচ্ছেন-নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে নিঃসন্দেহে। কিন্তু শ্রমবাজারে তাদের মূল শক্তি বিনিয়োগ হতে দেরি হলে সমস্যা গোটা অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলার আশঙ্কা কোনোভাবেই উড়িয়ে দেওয়া যাবে না।
ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি ছাড়াও বাংলাদেশ অর্থনীতি সংগঠনের প্রতিনিধিরাও অংশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো চিহ্নিত করলেন যে শ্রমশক্তি সমাজ সভ্যতার ধারক সেখানে সমান সংখ্যকের এক অংশও যদি পিছিয়ে থাকে তাহলে উন্নয়ন, গতিশীলতা আসতে আরও বিলম্ব হতে সময় নেবে না। আর অর্থনীতি উন্নতিশীলতাও সুদূরপরাহত হবে।
অপরাজিতা প্রতিবেদক

দেশে আজ যে দামে বিক্রি হবে স্বর্ণ

সবশেষ গত সোমবার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সে সময় ভরিতে তিন হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে দুই লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস।