Home Blog Page 194

ভূমি অফিসে সেবা ফি সাইনবোর্ডে টানানোর নির্দেশ

০

ভূমিসেবায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। সরকার নির্ধারিত সব ফি উপজেলা, সার্কেল ও ইউনিয়ন কিংবা পৌর ভূমি অফিসের দৃশ্যমান স্থানে স্থায়ী সাইনবোর্ডে টানিয়ে রাখতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি বন্ধ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নাগরিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়েছে, নির্ধারিত ফির বাইরে কেউ অতিরিক্ত অর্থ দাবি করলে সঙ্গে সঙ্গে ১৬১২২ নম্বরে অভিযোগ করতে হবে। নির্ধারিত ফি ছাড়া অন্য কোনো অর্থ আদায় করা যাবে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিভিন্ন সেবার ফি বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে। নামজারি করতে মোট খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ১৭০ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে কোর্ট ফি ২০ টাকা, নোটিশ জারি ফি ৫০ টাকা, রেকর্ড সংশোধন বা হালনাগাদ ফি ১ হাজার টাকা এবং প্রতি কপি খতিয়ান সরবরাহ ফি ১০০ টাকা।

খতিয়ানের সার্টিফায়েড কপি বা অনলাইন কপির জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১২০ টাকা। ডাকযোগে কপি নিতে চাইলে অতিরিক্ত ৪০ টাকা ডাকমাশুল দিতে হবে। মৌজা মানচিত্রের প্রতি শিটের জন্য ফি ৫৪৫ টাকা; ডাকযোগে পেতে চাইলে অতিরিক্ত ১১০ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত তালিকার বাইরে কোনো ধরনের অর্থ আদায় আইনসম্মত নয়। সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি বন্ধ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা পাকিস্তানের

আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য যুদ্ধ ঘোষণা করেছে পাকিস্তান।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতজুড়ে উভয় দেশের বাহিনীর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার আফগানিস্তানের কাবুল, কান্দাহার ও আরও অনেক জায়গায় হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান বাহিনী।

খবরে বলা হয়েছে, কাবুলে অন্তত তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এর আগে আফগান বাহিনী পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীকে লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাকিস্তানের।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছেন, আমাদের ধৈর্যের সীমা পেরিয়ে গেছে। এখন আমাদের এবং তোমাদের মধ্যে প্রকাশ্য যুদ্ধ।

অন্যদিকে আফগানিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট বলেছেন, আফগানরা সকল পরিস্থিতিতে সম্পূর্ণ ঐক্যের সঙ্গে তাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে রক্ষা করবে এবং সাহসের সাথে

তিনি আরও বলেছেন, পাকিস্তান সহিংসতা ও বোমা হামলা থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পারবে না – এসব সমস্যা তারা নিজেই তৈরি করেছে। তাদের নিজস্ব নীতি পরিবর্তন করতে হবে এবং আফগানিস্তানের সঙ্গে সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক, শ্রদ্ধা এবং সভ্য সম্পর্কের পথ বেছে নিতে হবে।

উভয় দেশেরই নিরাপত্তা বাহিনীর বহু সদস্য নিহত হয়েছে বলে দেশ দুইটি দাবি করেছে। তবে প্রকৃত সংখ্যা এখন পর্যন্ত যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ঈদুল ফিতরে কত দিনের ছুটি পাবেন সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীরা

আরবি মাসের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে আগামী ২১ বা ২২ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। ঈদকে কেন্দ্র করে সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীরা এবার কত দিনের ছুটি পাবেন এ নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে সবার মধ্যে। এরই মধ্যে সরকারের অনুমোদিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী ২০২৬ সালে ঈদুল ফিতরে সরকারি ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে মোট পাঁচ দিন।

সরকারি ঘোষণায় দেখা যায়, সম্ভাব্য ২১ মার্চ ঈদুল ফিতর ধরে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) থেকে সোমবার (২৩ মার্চ) পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) পবিত্র শবেকদরের সরকারি ছুটি রয়েছে। যদিও বুধবার (১৮ মার্চ) কর্মদিবস, তবে পরদিন থেকেই শুরু হচ্ছে ঈদের টানা ছুটি।

ঈদের পর ২৪ ও ২৫ মার্চ এই দুই দিন অফিস-আদালত খোলা থাকলেও ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার স্বাধীনতা দিবসের সরকারি ছুটি রয়েছে। এর পরের দুই দিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় সরকারি চাকরিজীবীরা ২৪ ও ২৫ মার্চ মাত্র দুই দিনের নৈমিত্তিক ছুটি নিলে ১৯ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত টানা ১০ দিনের ছুটি কাটানোর সুযোগ পাবেন। কেউ চাইলে ১৮ মার্চ এক দিনের অতিরিক্ত ছুটি নিয়ে শবেকদর থেকেই এই ছুটি শুরু করতে পারবেন।

সরকার ঘোষিত ছুটিতে বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও এ ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ। ফলে বেসরকারি চাকরিজীবীদের ছুটি নির্ভর করবে নিজ নিজ অফিসের নীতির ওপর।

এ বছর রমজান উপলক্ষে স্কুল, কলেজ ও মাদরাসাগুলোতে দীর্ঘ ছুটি চলছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, কলেজগুলোতে রমজান, ঈদুল ফিতর ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি মিলিয়ে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের ছুটি ও পরবর্তী সাপ্তাহিক ছুটি শেষে ২৯ মার্চ রোববার থেকে কলেজ খোলার কথা রয়েছে। মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে রমজানের শুরু থেকেই ছুটি কার্যকর রয়েছে, যা চলবে মার্চের শেষ পর্যন্ত।

বাংলাদেশে সাধারণত ঈদে তিন দিনের সরকারি ছুটি থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মানুষের যাতায়াতের চাপ কমাতে ছুটি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। লম্বা ছুটির কারণে রাজধানী ছাড়ার চাপ কিছুটা ভাগ হয়ে যায়, ফলে সড়ক, রেল ও নৌপথে ভোগান্তি তুলনামূলক কমে।

গত বছরও ঈদুল ফিতরে পাঁচ দিনের ছুটির পাশাপাশি নির্বাহী আদেশে বাড়তি এক দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। এতে অনেকেই স্বস্তিতে বাড়ি ফিরতে পেরেছেন বলে মত সংশ্লিষ্টদের।

সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঈদের ছুটি ছোট হলে যাতায়াত ব্যবস্থাপনায় চাপ বাড়ে। তাই আগের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় রেখে এবারও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে এবং প্রয়োজনে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে ঈদযাত্রায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানো যায়।

সব মিলিয়ে, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য এবার ঈদে টানা দীর্ঘ ছুটি কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা ঈদযাত্রা ও উৎসবের আনন্দকে আরও স্বস্তিদায়ক করতে পারে।

টিউলিপ সিদ্দিককে গ্রেপ্তারে রেড নোটিশ জারির আদেশ

ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড থেকে অবৈধভাবে ফ্ল্যাট গ্রহণের অভিযোগে দুর্নীতির মামলায় শেখ হাসিনার ভাগ্নি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিককে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পর এই আদেশ দেন। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের আবেদনে জানানো হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড থেকে গুলশান-২ এলাকায় একটি ফ্ল্যাট অবৈধভাবে গ্রহণের অভিযোগে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, তিনি দেশত্যাগ করেছেন এবং মামলার আলামত নষ্টের চেষ্টা করছেন। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা দুর্নীতির মামলায় তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে দুদকের পক্ষ থেকে রেড নোটিশ জারির এই আবেদন করা হয়েছিল।

হাসিনার গণহত্যার বর্ণনা সংসদে তুলে ধরবেন রাষ্ট্রপতি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হচ্ছে আগামী ১২ মার্চ। শুরুর দিনেই সংসদে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রাষ্ট্রপতির ভাষণে এবার প্রাধান্য পাচ্ছে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সাড়ে ১৫ বছরের দুর্নীতি-অনিয়ম ও অপশাসনের বিষয়গুলো।

হাসিনার নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির মুখেই উঠে আসবে ছাত্র-জনতার জুলাই আন্দোলনসহ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধের বর্ণনা। পাশাপাশি বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের প্রাধান্য থাকবে রাষ্ট্রপতির ভাষণে। মন্ত্রিপরিষদ সূত্র আমার দেশকে এ তথ্য জানিয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন ও প্রতি বছরের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দেন। ওই ভাষণের ওপর সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব তোলা হয়। সংসদ সদস্যরা ওই প্রস্তাবের ওপর বক্তব্য দেন। অধিবেশনের শেষ দিনে ওই প্রস্তাব সংসদে গ্রহণ করা হয়। তবে রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দিলেও এই ভাষণ তিনি বা তার দপ্তর প্রস্তুত করেন না। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তর থেকে তথ্য সংগ্রহ করে সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ রাষ্ট্রপতির ভাষণ প্রস্তুত করে। পরে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ওই ভাষণ অনুমোদন দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে সরকারের ভাষ্যই রাষ্ট্রপতি পাঠ করেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ইতোমধ্যে ভাষণের খসড়া তৈরির কাজ শেষ করেছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের রিপোর্ট শাখার একজন কর্মকর্তা জানান, সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। রাষ্ট্রপতি ইতোমধ্যেই অধিবেশন আহ্বান করেছেন। আমরাও ভাষণের খসড়া চূড়ান্ত করেছি। এখন যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। ভাষণটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে বলেও জানান তিনি।

নতুন সংসদের জন্য এই ভাষণ হলেও এর প্রস্তুতি কাজ শুরু হয়েছে বেশ আগেই। প্রায় তিন মাস আগে সদ্য বিদায়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতির ভাষণের খসড়া তৈরির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বিষয়টি স্বীকার করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন সরকার দায়িত্ব নেয়।

নতুন সরকারের আমলে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের খসড়া তৈরির বিষয়টি একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ। তিনি বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশন বসেছিল ২০২৪ সালের ৩০ জানুয়ারি। ওই অধিবেশনেও রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের উপস্থাপনের জন্য ১৪৩ পৃষ্ঠার ভাষণ তৈরি করা হয়েছিল। এবারের ত্রয়োদশ অধিবেশনেও রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেড়শ পৃষ্ঠার মতো হতে পারে বলে জানান এই কর্মকর্তা। রাষ্ট্রপতির ভাষণের উল্লেখযোগ্য অংশ জুড়ে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে উল্লেখ করা তথ্যগুলো সংযোজন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

জানা গেছে, দেড়শ পৃষ্ঠার ভাষণ হলেও রাষ্ট্রপতি তার পুরোটা পাঠ করবেন না। তিনি ভাষণের চুম্বক অংশ সংসদে পড়ে শোনাবেন। বাকিটা স্পিকারের অনুমতি সাপেক্ষে সংসদে পঠিত বলে গণ্য হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সূত্র জানিয়েছে, ভোটারবিহীন ও প্রহসনের দশম, একাদশ ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার ক্ষমতায় টিকে থাকা ও অগণতান্ত্রিক শাসনের বিবরণ থাকছে এবারের রাষ্ট্রপতির ভাষণে। বিরোধী দলের ওপর নির্যাতন, গুম, খুন ও আয়নাঘরের মাধ্যমে নিপীড়নের খতিয়ানও থাকছে রাষ্ট্রপতির ভাষণের একটি বড় অংশজুড়ে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটের পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতন ও পলায়নের পর অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ও থাকছে রাষ্ট্রপতির ভাষণে। জুলাই বিপ্লবে পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের মানবতাবিরোধী অপরাধের পরিসংখ্যানও থাকছে এ ভাষণে।

১২ মার্চের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ১২ মার্চ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে এতটুকুই জানি। এর বেশি কোনো মন্তব্য করতে তিনি রাজি হননি।

আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানের কাছে রাষ্ট্রপতির ১২ মার্চ জাতীয় সংসদে প্রদেয় ভাষণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমার পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য বা বক্তব্য নেই।

হাসিনা-বন্দনা ছিল দ্বাদশ অধিবেশনের প্রেসিডেন্টের ভাষণে ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন দায়িত্ব পান। এর আগে তিনি জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার ছিলেন।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ টানা চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় আসলে তিনি ওই সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার শপথবাক্য পাঠ করান। ওই নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ভাষণ দেন। সংসদের প্রথম বৈঠকের দিন ৩০ জানুয়ারি সংসদে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দিলেও তা ওই বছরের ১৫ জানুয়ারি মন্ত্রিসভা অনুমোদন করে।

একুশে পদক প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদক-২০২৬ প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ সম্মাননা প্রদান করেন তিনি।

বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল ও উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর দেশের ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে এ বছর ‘একুশে পদক’ দেওয়া হয়েছে।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, অভিনয়ে ফরিদা আক্তার ববিতা, চারুকলায় অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সাত্তার, স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম, সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর), নৃত্যে অর্থী আহমেদ, পালাগানে ইসলাম উদ্দিন পালাকার, সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান, শিক্ষায় অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার এবং ভাস্কর্যে তেজস হালদার জস।

এ ছাড়া সংগীতাঙ্গনে বিশেষ অবদানের জন্য জনপ্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজ-কে ‘একুশে পদক-২০২৬’-এ ভূষিত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও মন্ত্রিসভার সদস্যগণ, পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত বিশিষ্ট সুধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, একুশে পদক বাংলাদেশের একটি জাতীয় এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার। বাংলাদেশের বিশিষ্ট ভাষাসৈনিক, ভাষাবিদ, সাহিত্যিক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ, দারিদ্র্য বিমোচনে অবদানকারী, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি দিতে ১৯৭৬ সাল থেকে একুশে পদক দেয়া হচ্ছে।

দেশের দিক-নির্দেশনায় জ্ঞানী–গুণীজনদের ভূমিকাই প্রধান

রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব রাজনীতিবিদদের হাতে থাকলেও দেশের সামগ্রিক দিকনির্দেশনা নির্ধারণে জ্ঞানী–গুণীজনদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীতে আয়োজিত একুশে পদক–২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

 

পর্দার বাইরে তারা

বাংলাদেশের বিনোদন অঙ্গনের তারকারা শুধু অভিনয়, গান বা উপস্থাপনায় নয়, মানবিক কাজ এবং সামাজিক উদ্যোগেও রাখছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। পর্দার ঝলমলে আলো ছাড়িয়ে বাস্তব জীবনে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই প্রবণতা গত এক দশকে আরও দৃশ্যমান হয়েছে। দুর্যোগ, চিকিৎসা সহায়তা, শিক্ষা, শিশু ও নারী উন্নয়ন-বিভিন্ন খাতে অনেক তারকা নীরবে-নিভৃতে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের বিনোদন অঙ্গনের তারকাদের মধ্যে প্রকাশ্যে সবচেয়ে বেশি সামাজিক কর্মকা-ে অংশ নিয়েছেন প্রখ্যাত অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সড়ক নিরাপত্তা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত।

স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চনের সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পর তিনি গড়ে তোলেন ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলন। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সচেতনতা তৈরি, আইন প্রয়োগের দাবি ও বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তার এ উদ্যোগ শুধু তারকাখ্যাতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং একটি জাতীয় আন্দোলনে রূপ নিয়েছে।
মানবিক সহযোগিতার অন্যতম এক তারকা দম্পতি হচ্ছেন অনন্ত জলিল ও বর্ষা। এ তারকা দম্পতি সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কাজের জন্য সুপরিচিত। অনন্ত জলিল নিজস্ব অর্থায়নে এতিমখানা প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করেন, যেখানে অনাথ শিশুরা আশ্রয় ও শিক্ষার সুযোগ পায়। এ ছাড়া এ দম্পতি করোনাকালীন দুস্থদের সাহায্য, বর্ষাকালে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি বছরের বিভিন্ন সময়ে, বিশেষ করে শীতকালে বা ঈদে, বস্ত্রহীন ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের সাহায্য করেন। পোশাকশিল্প (গার্মেন্টস) ব্যবসায়ী হিসাবে হাজারও কর্মীর কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার মাধ্যমেও তারা সামাজিক উন্নয়ন ও মানুষের জীবিকায় অবদান রাখছেন। তারা মূলত ব্যক্তিগত উদ্যোগ এবং প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কাজগুলো পরিচালনা করে থাকেন।
সংগীতশিল্পী তাহসান দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রমে যুক্ত। শিক্ষা ও শিশু অধিকার নিয়ে তিনি কাজ করেছেন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে। তরুণ প্রজন্মকে ইতিবাচক চিন্তায় উদ্বুদ্ধ করতে তার ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। একইভাবে প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চুও জীবদ্দশায় নানা মানবিক কর্মকা-ে যুক্ত ছিলেন এবং অসংখ্য নতুন শিল্পীকে সহযোগিতা করেছেন, যা এক ধরনের সামাজিক দায়বদ্ধতার পরিচয় বহন করে।
জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম প্রায়ই মানবিক উদ্যোগে সম্পৃক্ত হন। তিনি সরাসরি প্রচারের চেয়ে নীরবে সহায়তা করতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। বিভিন্ন নাট্যশিল্পীর চিকিৎসা সহায়তা এবং অসচ্ছল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে তার নাম শোনা যায়। চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম ইউনিসেফ বাংলাদেশের জাতীয় দূত হিসাবে শিশু অধিকার ও নারী সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ মানবিক কাজ করছেন। তিনি কোভিড-১৯ সচেতনতা, টিকা কার্যক্রম এবং বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ ও নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে সরাসরি কাজ করেছেন। এ ছাড়া তিনি নারী ও শিশু সহিংসতা বন্ধে সামাজিক মাধ্যমে সোচ্চার।

মিম তার কাজ ও জনপ্রিয়তাকে ব্যবহার করে সুবিধাবঞ্চিত নারী ও শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে ইউনিসেফের সঙ্গে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কাজের জন্য পরিচিত। তিনি করোনাকালে বেওয়ারিশ কুকুরকে খাবার দেওয়া, পশুপাখির প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সোচ্চার ভূমিকা রাখা এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মতো কাজের মাধ্যমে সামাজিক সচেতনতা তৈরি করেন নিয়মিত। অভিনয়ের মাধ্যমেই তিনি সমাজে নারীর অবস্থান, নিরাপত্তা ও সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেন।
চিত্রনায়িকা মৌসুমী অভিনয়ের পাশাপাশি দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কর্মকা-ে সক্রিয়। তিনি তার নিজস্ব প্রতিষ্ঠান ‘মৌসুমী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে অসহায়, এতিম ও দুস্থদের জন্য কাজ করেন। রমজান মাসে খাবার বিতরণ, শীতবস্ত্র বিতরণসহ বিভিন্ন সামাজিক দুর্যোগে তিনি আর্তমানবতার সেবায় এগিয়ে আসতে দেখা গেছে তাকে। তার স্বামী চিত্রনায়ক ওমর সানী তার এসব সামাজিক কাজে সহযোগী হিসাবে থাকেন। যদিও গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে মৌসুমী আমেরিকায় অবস্থান করছেন। ফলে সশরীরে তাকে আর এসব কর্মকা-ে দেখা যায় না।

অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা পাশাপাশি মূলত একজন নিবেদিতপ্রাণ উন্নয়নকর্মী ও শিশু উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ। তিনি ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের ‘হেড অফ আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট’ হিসাবে আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা, প্লে-ল্যাব মডেল ও শিশু অধিকার নিয়ে গত ১৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছেন। এ ছাড়া তাকে বিভিন্ন সময় এতিমখানা, মসজিদ এবং বন্যার্ত ও গৃহহীন মানুষের সাহায্যার্থে অনুদান প্রদানসহ সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে অংশ নিতে দেখা গেছে।

নবজাতকের কানের কাছে চুমু ডেকে আনতে পারে বিপদ

নবজাতককে কোলে নেওয়া, আদর করা, মাথায় বা কানের পাশে হালকা চুমু – এসবই স্বাভাবিক ভালোবাসার প্রকাশ। কিন্তু অনেক বিশেষজ্ঞ বলছেন, শিশুর কানের খুব কাছে জোরে চুমু বা হঠাৎ শব্দ শিশুর জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।

নবজাতকের শরীর যেমন নরম ও কোমল, তেমনি ভেতরের অঙ্গগুলোও অনেক বেশি সংবেদনশীল। জন্মের পর প্রথম কয়েক মাস শিশুর কানের নালি তুলনামূলকভাবে সরু থাকে। কানের পর্দা পাতলা এবং মধ্যকর্ণের ভেতরে বায়ুচাপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা পুরোপুরি পরিপক্ব হয় না। ফলে চাপের সামান্য পরিবর্তনও তাদের জন্য অস্বস্তিকর হতে পারে।

শিশুর কানে জোরে চুমু দিলে কী হতে পারে?

চিকিৎসাবিজ্ঞানে এমন কিছু বিরল ঘটনা আছে যেখানে কানের খুব কাছে জোরে চুমু খাওয়ার ফলে সাকশন তৈরি হয়ে কানের পর্দায় ক্ষতি হয়েছে। চুমুর সময় মুখের ভেতরের বাতাস হঠাৎ টেনে নেওয়া হলে কানের নালির ভেতরে চাপের ভারসাম্য বদলে যেতে পারে। নবজাতকের কানের গঠন যেহেতু এখনও সম্পূর্ণ শক্ত ও স্থিতিশীল হয়নি, তাই এই চাপ সামলানো কঠিন হতে পারে।

তবে স্পষ্ট করে বলা দরকার – স্বাভাবিক, হালকা আদর বা দূর থেকে চুমু সাধারণত ক্ষতিকর নয়। ঝুঁকি তৈরি হয় তখনই, যখন কানের একদম কাছে জোরে শব্দ করা হয়, শক্তভাবে ফুঁ দেওয়া হয় বা চুমুর সময় বাতাস টানার মতো চাপ তৈরি হয়।

শুধু চুমুই নয়

শুধু চুমুই নয়, শিশুর কানের খুব কাছে উচ্চস্বরে কথা বলা, হঠাৎ চিৎকার, দরজা জোরে বন্ধ হওয়া বা উচ্চ ভলিউমে গান বাজানোও তাদের শ্রবণতন্ত্রের জন্য চাপ তৈরি করতে পারে। নবজাতকের শ্রবণব্যবস্থা এখনও বিকাশ হচ্ছে। এই সময় অতিরিক্ত শব্দের প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি শ্রবণ সমস্যার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

কীভাবে নিরাপদ রাখবেন?

শিশুকে আদর করতে চাইলে কানের ঠিক পাশে না গিয়ে গাল বা কপালে চুমু দিন। কানের কাছে ফুঁ দেওয়া বা শব্দ করা এড়িয়ে চলুন। ঘরের শব্দের মাত্রা মাঝারি রাখুন। শিশুর হঠাৎ কেঁদে ওঠা, কানে হাত দেওয়া বা অস্বাভাবিক অস্থিরতা দেখা গেলে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

শিশুর শ্রবণশক্তি তার ভবিষ্যৎ ভাষা শেখা, সামাজিক যোগাযোগ ও মানসিক বিকাশের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। তাই ছোট ছোট সতর্কতাই তার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারে।

ইউনূসের বদলে আমজনতার তারেক ‘প্রধান উপদেষ্টা’ হলে ভালো চালাতে পারতেন

ড. ইউনূসের সময়টিতে যত টাকা ছাপা হয়েছে, মুদ্রার মান যেভাবে কমেছে, আইন-শৃঙ্খলার যেভাবে অবনতি হয়েছে, সেটি বর্তমান সরকারের পক্ষে সামাল দেওয়া রীতিমতো ‘পুলসিরাত’ পার হওয়ার মতো বলে মনে করেন সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক আলোচক গোলাম মাওলা রনি। সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে এসব কথা বলেন তিনি

তিনি বলেন, ড. ইউনূসের প্রতিপক্ষ যারাই জানেন তারা সবাই বলার চেষ্টা করছেন, তার জায়গায় মুচিকে যদি বসিয়ে দেওয়া হতো খারাপ হতো না, একই ফলাফল আসতো। আসলে ইউনূসের জামানাতে যে অর্থনৈতিক দুরবস্থা তৈরি হয়েছে। যে মব কালচার হয়েছে শিক্ষা দীক্ষার বারটা বেজেছে, ছেলেরা-মেয়েরা রাস্তায় বের হয়ে পুরো সমাজকে যেভাবে অশান্ত করে তুলেছে, কিশোর গ্যাং যেভাবে বেড়েছে প্রশাসনের সমস্ত চেইন অফ কমান্ড যেভাবে ভেঙে পড়েছে।

তার বদলে মুচি-নাপিতরা আসেল যে খারাপ পারফরমেন্স করতেন সেটা ডক্টর মোহাম্মদ ইউনূস যে খারাপ পারফরমেন্স করেছেন তার চেয়ে খারাপ হতো না।

তিনি বলেন, হান্নান মাসুদ অথবা আমজনতা পার্টির তারেক প্রধান উপদেষ্টা হতেন তাহলে ড. ইউনূসের থেকে ভালো চালাতে পারতেন। এটা আলোচনা হচ্ছে। আর যদি ইউনূসের জায়গায় কোন যোগ্যতম লোক আসলে বাংলাদেশের আমূল পরিবর্তন ঘটে যেত।

ইউনূস সেই কাজগুলো করেননি।