Home Blog Page 211

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্য দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশীয় ব্যবসায়িক লেনদেন ও আন্তর্জাতিক ক্রয়-বিক্রয়ের সুবিধার্থে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার জানা গুরুত্বপূর্ণ।
আজ শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি ২০২৬ অনুযায়ী প্রধান বৈদেশিক মুদ্রার বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার নিম্নরূপ:

প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা ও বিনিময় হার
ইউএস ডলার (USD) – ১২২.৩১ টাকা
ইউরোপীয় ইউরো (EUR) – ১৪২.৭৯ টাকা
ব্রিটিশ পাউন্ড (GBP) – ১৬৪.৬১ টাকা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার (AUD) – ৮২.২১ টাকা
জাপানি ইয়েন (JPY) – ০.৭৮ টাকা
কানাডিয়ান ডলার (CAD) – ৮৮.২৪ টাকা
সুইডিশ ক্রোনা (SEK) – ১৩.৩১ টাকা
সিঙ্গাপুর ডলার (SGD) – ৯৫.৪২ টাকা
চীনা ইউয়ান রেনমিনবি (CNY) – ১৭.৪৯ টাকা
ভারতীয় রুপি (INR) – ১.৩৬ টাকা
শ্রীলঙ্কান রুপি (LKR) – ২.৫৩ টাকা
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রার বিনিময় হার
সিঙ্গাপুর ডলার (SGD) – ৯৫.২৯ টাকা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত (MYR) – ৩০.১৩ টাকা
সৌদি রিয়াল (SAR) – ৩২.৬৭ টাকা
কুয়েতি দিনার (KWD) – ৩৯৮.৫০ টাকা
(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক, গুগল)

সকালে চিয়া সিড খেতে যাদের সতর্ক থাকতে হবে

স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের কাছে চিয়া সিড এখন জনপ্রিয় একটি সুপারফুড। ফাইবার, ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এই বীজ সকালে খেলে শরীরের জন্য নানা উপকার বয়ে আনে। তবে বিশেষ কিছু শারীরিক অবস্থায় চিয়া সিড খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদরা।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, সকালে চিয়া সিড খাওয়ার আগে যে পাঁচটি বিষয়ে সাবধান থাকা প্রয়োজন:

১. অতিরিক্ত খাওয়া এড়িয়ে চলুন
চিয়া সিডে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খেলে গ্যাস, পেট ফাঁপা কিংবা হজমজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনে ১ থেকে ২ চা চামচ চিয়া সিড খাওয়াই যথেষ্ট।

২. ভিজিয়ে না খেলে ঝুঁকি
শুকনা চিয়া সিড সরাসরি খাওয়া বিপজ্জনক হতে পারে। পেটে গিয়ে এটি ফুলে ওঠে, যার ফলে গলা আটকে যাওয়া বা হজমের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই অন্তত ৩০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

৩. থাইরয়েড রোগীদের বাড়তি সতর্কতা
চিয়া সিডে থাকা উচ্চমাত্রার ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাইরয়েডের ওষুধের কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে। যারা থাইরয়েডজনিত সমস্যায় ভুগছেন, তাদের নিয়মিত চিয়া সিড খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৪. লো ব্লাড প্রেশার ও ব্লাড থিনার গ্রহণকারীদের জন্য ঝুঁকি
চিয়া সিড রক্ত পাতলা করতে সহায়তা করে এবং রক্তচাপ কমাতে পারে। ফলে যারা লো ব্লাড প্রেশারে ভোগেন বা ব্লাড থিনার ওষুধ খান, তাদের ক্ষেত্রে এটি ক্ষতিকর হতে পারে। এ অবস্থায় চিকিৎসকের অনুমতি ছাড়া চিয়া সিড খাওয়া ঠিক নয়।

৫. অ্যালার্জির সম্ভাবনা
কিছু মানুষের ক্ষেত্রে চিয়া সিড অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। এর লক্ষণ হিসেবে চুলকানি, ফুসকুড়ি কিংবা শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। তাই প্রথমবার খাওয়ার সময় অল্প পরিমাণে শুরু করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালে চিয়া সিড খেতে চাইলে অবশ্যই পরিমিত পরিমাণে, ভিজিয়ে এবং নিজের স্বাস্থ্যগত অবস্থার কথা মাথায় রেখে খাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

ইন্দোনেশিয়ায় বন্ধ হলো ‘ডোরেমন’

স্কুল থেকে ফিরেই টেলিভিশনের সামনে হুমড়ি খেয়ে পড়া আর রিমোটটি হাতে নিয়ে মুহূর্তেই ডোরেমন-নোবিতার সেই অদ্ভুত সুন্দর জগতে হারিয়ে যাওয়া; শৈশবে ফিরে গেলেন তো? সেই সোনালি দিনগুলোর এক অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী ছিল ওই বোকা বাক্সের ভেতর থাকা এক নীল রোবট বিড়াল আর তার বন্ধুরা।
তবে এক দুঃসংবাদ এলো সেই বন্ধুদের নিয়ে! এখন থেকে আর টিভির পর্দায় দেখা মিলবে না ডোরেমন, নোবিতা কিংবা সিজুকাদের। তবে এই বিষাদের ছায়া আপাতত ইন্দোনেশিয়ার কোটি কোটি ভক্তের জন্য। দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় পর সে দেশের জনপ্রিয় চ্যানেল রাজাওয়ালি চিত্র টেলিভিশন থেকে চিরতরে বিদায় নিল সবার প্রিয় ‘ডোরেমন’।
সারাবিশ্বের মতো নব্বইয়ের দশকের শুরু থেকে ইন্দোনেশিয়ার ঘরে ঘরে ‘ডোরেমন’ যেন ছিল একটি পরিবার। নোবিতার ভুল করা, জিয়ানÑসুনিওর দুষ্টুমি আর ডোরেমনের অদ্ভুত সব গ্যাজেট শুধু আনন্দই দেয়নি, শিখিয়েছে বন্ধুত্ব আর দায়িত্ববোধ। কিন্তু ২০২৫ সালের শেষ সময় থেকেই ইন্দোনেশিয়ার সেই চ্যানেল থেকে ডোরেমনকে আর দেখা যাচ্ছিল না।

জনপ্রিয় অভিনেতার রহস্যজনক মৃত্যু যা জানা গেল

বিশ্ববিখ্যাত আমেরিকান টিভি সিরিজ ‘দ্য ওয়্যার’ খ্যাত অভিনেতা জেম্‌স রেনসোনের মৃত্যুর কারণ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। ৪৬ বছর বয়সী অভিনেতার আকস্মিক মৃত্যুতে বিনোদন অঙ্গনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

বিশ্ববিখ্যাত আমেরিকান টিভি সিরিজ ‘দ্য ওয়্যার’ খ্যাত অভিনেতা জেম্‌স রেনসোনের মৃত্যুর কারণ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। ৪৬ বছর বয়সী অভিনেতার আকস্মিক মৃত্যুতে বিনোদন অঙ্গনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

জেমসের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে হলিউড পাড়ায়। তার স্ত্রী জেমি ম্যাকফি ইনস্টাগ্রামে এক আবেগঘন পোস্টে স্বামীকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেছেন। রেনসোনের সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, আমি তোমাকে হাজার বার বলেছি আমি তোমাকে ভালোবাসি, আমি জানি আবারও তোমাকে ভালোবাসব। তুমি সবসময় বলতে আমার মতো হওয়া তোমার দরকার আর তোমার মতো হওয়া আমার। তুমি একদম ঠিক ছিলে। জ্যক ও ভায়োলেটের মতো সন্তান উপহার দেওয়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। আমরা চিরকাল একসঙ্গেই থাকব।

এনসিপি নেতা সাইফুল্লাহ হায়দারের আবেদনে ঘাটাইল পৌরসভায় ৪০ লাখ টাকার বিশেষ উন্নয়ন অনুদান

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ডেপুটি মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) ও ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল পৌরসভায় উন্নয়ন কার্যক্রমের জন্য সরকারি বিশেষ অনুদান অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ২০২৫–২৬ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেট থেকে এই অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়।

জানা গেছে, ঘাটাইল উপজেলার অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক সেবা সম্প্রসারণ এবং ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নের লক্ষ্যে সাইফুল্লাহ হায়দার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করেন। তার আবেদনের ভিত্তিতেই সরকার ৪০ লাখ টাকার এ বিশেষ বরাদ্দ অনুমোদন দেয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, বরাদ্দকৃত অর্থ বার্ষিক উন্নয়ন সহায়তা খাতের ‘বিশেষ বরাদ্দ’ উপখাত থেকে এককালীনভাবে প্রদান করা হয়েছে। এই অর্থ ঘাটাইল পৌরসভার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় করা হবে। অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস (পিপিআর) ২০০৮ এবং উন্নয়ন সহায়তা বরাদ্দ ও ব্যবহার নির্দেশিকা–২০২৪ যথাযথভাবে অনুসরণ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে এনসিপি নেতা সাইফুল্লাহ হায়দার জানান, ঘাটাইলের মানুষের দীর্ঘদিনের চাহিদা ও উন্নয়ন প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে তিনি এই বরাদ্দের জন্য আবেদন করেছিলেন। সরকারের এই ইতিবাচক সাড়া প্রমাণ করে জনগণের পক্ষে আন্তরিকভাবে কথা বললে উন্নয়ন সম্ভব। ভবিষ্যতেও তিনি ঘাটাইলসহ সারাদেশের মানুষের জন্য কাজ করে যেতে চান।

উল্লেখ্য, এনসিপি নেতা সাইফুল্লাহ হায়দার দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল পর্যায়ে উন্নয়ন, সামাজিক উদ্যোগ এবং নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন। ঘাটাইলের উন্নয়নে এ বিশেষ বরাদ্দ তার ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই ফল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দলের বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে

দলের নেতাদের মধ্যে যারা দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হয়েছে এমন বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। বৃহস্পতিবার সকালে বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
এক প্রশ্নে সালাহউদ্দিন বলেন, রাজধানীর তেজগাঁওয়ের তেজতুরী বাজার এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় ফ্যাসিবাদের ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। এমন ঘটনায় নির্বাচনে প্রভাব পড়বে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, দেশে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটছে। তবে এতে করে নির্বাচনে কোনো প্রভাব পড়বে না।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা ইতোমধ্যে কারো কারো বিরুদ্ধে সাংগঠনিক পদক্ষেপ নিয়েছি এবং আমরা তাদের ডেকে বোঝানোর চেষ্টা করছি। এরকম একটা বৃহৎ রাজনৈতিক দলে অনেক প্রার্থী থাকে যাদের প্রত্যাশা থাকে, তারা হয়ত প্রত্যাশা অনুযায়ী অনেক কিছু পায়নি, তারা নমিনেশন চেয়েছিল ঠিক আছে। কিন্তু বৃহত্তর স্বার্থে, আমাদের আসন সমঝোতার স্বার্থে এবং পার্লামেন্টে আমরা মাল্টিপার্টি রিপ্রেজেন্টেশনের জন্য চেষ্টা করছি। এতে অনেক পার্টির একটা প্রতিনিধিত্ব থাকবে সেটার স্বার্থে আমাদের অনেক যোগ্য প্রার্থীকে আমরা বঞ্চিত করেছি। সুতরাং তাদের মনোব্যথা আছে তাদের আমরা কিছু কিছু ক্ষেত্রে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছি আর কিছু কিছু ক্ষেত্রে তাদের আমরা বুঝিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করব। আশা করি সেটার মীমাংসা হবে।
সব দলই এখন নির্বাচনের ব্যাপারে আন্তরিক বলে মন্তব্য করে সালাহউদ্দিন বলেন, ইনশা-আল্লাহ সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় এবং সব রাজনৈতিক দলের আন্তরিকতায় আমরা নির্বাচনী বৈতরণী খুব সহজভাবে পার করতে পারব। সবার অনেক দাবি থাকলেও নির্বাচনের জন্য সবাই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং তারা গণভোটের বিষয়ে, নির্বাচনের বিষয়ে, বিভিন্ন বিষয়ে, বিভিন্ন সময়, বিভিন্ন দাবি বা যুক্তি উত্থাপন করেছিল, অভিযোগ উত্থাপন করেছিল এবং আমার মনে হয় তারা শেষ পর্যন্ত বুঝতে পেরেছে।
সালাহউদ্দিন বলেন, এখন কোনো দলের যদি কোনো অভিযোগ থাকে নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডসহ বিভিন্ন বিষয়ে সেগুলো নির্বাচন কমিশনে তারা জানাবেন। নির্বাচন কমিশন এবং সরকার মিলে সেটা যথাযথভাবে অ্যাড্রেস করবে সেটা আমরা আশা করি। আমি মনে করি এখন সকল রাজনৈতিক দল একটি জায়গায় উপনীত হয়েছে যে, একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সবাই আন্তরিক, জনগণও আন্তরিক।
আরেক প্রশ্নে সালাহউদ্দিন বলেন, তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফরের উদ্দেশ্য শহীদদের কবর জিয়ারত, এখানে নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘনের সুযোগ নেই। তিনি বলেন, এটাকে তারেক রহমানের উত্তরবঙ্গ সফর বা ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে হয়ত অনেকে দেখছে। কিন্তু ২০২৪ সালের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের যথাযথভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করা  আমাদের জাতীয় দায়িত্বৃ। আমাদের নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অনেক আগেই সেটা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বিভিন্ন কারণে আমাদের এখনো সেই যাত্রাটা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। এই শহীদদের (’২৪ র শহীদ) প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করা এবং তাদের কবর জিয়ারত করা জাতির প্রত্যাশা। গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আমরা ধারণ করি এবং আমাদের সেই চেতনাকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরতে হবে। তার জন্যই তারেক রহমানের যাওয়া। এখানে নির্বাচনী আচরণবিধির কোনো বিষয় নেই। এই দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা বিষয়টাকে দেখি।
সালাহউদ্দিন বলেন, সবাইকে অনুরোধ করব যেন ২০২৪ সালের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের মর্যাদাকে আমরা প্রশ্নবিদ্ধ না করি। আমরা শহীদদের আত্মত্যাগকে যেন আরও মহিমান্বিত করি। আমাদের দেশের সবচাইতে মেজর পলিটিক্যাল পার্টি হিসেবে তার চূড়ান্ত শীর্ষ নেতৃত্ব হিসেবে তারেক রহমান যদি গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের কবর জিয়ারত করেন এবং সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেনÑসেটা এই অভ্যুত্থানকে ধারণ করা হবে। এর মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশাকে ধারণ করা হবে এবং এটাই জনপ্রত্যাশা, জাতির প্রত্যাশা এই দৃষ্টিকোণ থেকে যেন আমরা দেখি।

বাংলাদেশের শুল্ক কমানোর প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দিলো যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশের শুল্ক হ্রাস প্রস্তাবে মার্কিন পক্ষ ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানালো। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকালে ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। একই সময়ে তিনি ইউএসটিআর সহকারী ব্রেন্ডন লিঞ্চের সঙ্গেও একটি পৃথক বৈঠক করেন। বিষয়টি আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং নিশ্চিত করেছে।
ড. খলিলুর রহমান এই সাক্ষাৎকালে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস ও পারস্পরিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, আনুষ্ঠানিক বাণিজ্য চুক্তি প্রয়োগের আগেই বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়ে ইতোমধ্যেই বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জন করেছে। একই সঙ্গে চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ কিছু ধারা ইতিমধ্যেই বাস্তবায়িত হয়েছে।
সাক্ষাৎকালে ড. রহমান বর্তমান ২০ শতাংশ শুল্ক কমিয়ে পারস্পরিক শুল্ক হ্রাসের প্রস্তাব দেন। রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ার প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করার আশ্বাস দেন। বিশেষ করে মার্কিন কাঁচামাল ব্যবহার করে উৎপাদিত পোশাকের ওপর শুল্ক কমানো বা পুরোপুরি প্রত্যাহারের বিষয়ে তিনি গুরুত্ব সহকারে প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করতে সম্মত হন।
উভয়পক্ষ পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি দ্রুত চূড়ান্ত এবং কার্যকর করার লক্ষ্যে বাকি থাকা বিষয়গুলো দ্রুত সমাধান করার তৎপরতায় একমত পোষণ করেছে। ড. রহমান আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণের ফলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক যোগাযোগ আরও দৃঢ় হবে।
এছাড়া, মার্কিন ভিসা বন্ডে বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রেক্ষাপটে তিনি রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ারকে আমন্ত্রণ জানান, যাতে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভ্রমণ আরও সহজ হয়। পাশাপাশি, ড. রহমান বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের জন্য ডিএফসি তহবিল নিশ্চিতকরণের অনুরোধ করলে রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ার প্রয়োজনীয় প্রচেষ্টার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎকালে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।

আবারও দেশে ভূমিকম্প

ভোলার মনপুরা উপজেলায় আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) আনুমানিক ভোর ৬টার দিকে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। এতে পুরো দ্বীপের বসতবাড়ি, মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতালসহ বিভিন্ন দালান-কোঠা কেঁপে ওঠে।

হাজিরহাট মার্কাজ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মো. ইউসুফ বলেন, ফজরের নামাজের সময় পুরো মসজিদ কাঁপতে থাকে, যা মুসল্লিরা স্পষ্টভাবে অনুভব করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভারতের মনিপুর ও আসামসহ আশপাশের এলাকায় সংঘটিত ভূমিকম্পের প্রভাবে ভোলার মনপুরা উপকূলে এই কম্পন অনুভূত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, এর আগেও ২০২৪ সালের মে মাসে ভারতের মনিপুরে সংঘটিত ৩ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পের প্রভাবে বাংলাদেশসহ ভোলার মনপুরা এলাকায় ভূকম্পন অনুভূত হয়েছিল।

বাংলাদেশি টাকায় আজকের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হার

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রায় এক কোটি প্রবাসী বাংলাদেশি এবং দেশের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রভাবেই বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন দিনে দিনে বাড়ছে। প্রবাসী আয় ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক লেনদেনকে সহজ করতে মুদ্রা বিনিময়ের হারের সঠিক তথ্য জানা ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ দুজনের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।
আজ বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, বাংলাদেশে বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার নিম্নরূপ নির্ধারিত হয়েছে:
ইউএস ডলার – ১২২ টাকা ৩১ পয়সা
ইউরোপীয় ইউরো – ১৪২ টাকা ৭৯ পয়সা
ব্রিটিশ পাউন্ড – ১৬৪ টাকা ৬১ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার – ৮২ টাকা ২১ পয়সা
জাপানি ইয়েন – ৭৮ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার – ৮৮ টাকা ২৪ পয়সা
সুইডিশ ক্রোনা – ১৩ টাকা ৩১ পয়সা
সিঙ্গাপুর ডলার – ৯৫ টাকা ৪২ পয়সা
চীনা ইউয়ান রেনমিনবি – ১৭ টাকা ৪৯ পয়সা
ভারতীয় রুপি – ১ টাকা ৩৬ পয়সা
শ্রীলঙ্কান রুপি – ২ টাকা ৫৩ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত – ৩০ টাকা ১১ পয়সা
সৌদি রিয়াল – ৩২ টাকা ৬৩ পয়সা
কুয়েতি দিনার – ৩৯৮ টাকা ১৪ পয়সা
বিনিময় হারের তথ্যের উৎস হিসেবে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা রেট প্ল্যাটফর্মের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। প্রবাসী আয় পাঠানো বা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক লেনদেনের ক্ষেত্রে এই তথ্য ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে।

সেফটি পিনে কেন ছোট ছিদ্র থাকে? জানলে অবাক হবেন

ঘরের ড্রয়ার খুললেই চোখে পড়ে একটি ছোট্ট জিনিস -সেফটি পিন। শাড়ির ভাঁজ ঠিক রাখা, পোশাক সামলানো বা হঠাৎ ছেঁড়া কাপড় বাঁচাতে এই পিনের জুড়ি নেই। কিন্তু এত পরিচিত এই জিনিসটির দিকে কখনও গভীর করে তাকিয়েছেন? খেয়াল করেছেন, সেফটি পিনে ছোট বিশেষ ছিদ্র থাকে কেন? সাধারণ নকশার আড়ালেই লুকিয়ে আছে এক চমকপ্রদ বিজ্ঞান।

এই রহস্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন হোলসেল সেফটি পিনস-এর মালিক ও সিইও ল্যারি শোয়ার্টজ। যাঁর ব্যবসার পুরো ভিত্তিই এই সাধারণ অথচ প্রয়োজনীয় জিনিসটি। তাঁর মতে, একটি সেফটি পিনে মূলত দুটি গুরুত্বপূর্ণ ছিদ্র থাকে। একটি ছিদ্র থাকে উপরের দিকে, যেখানে পিনের ধারালো অংশটি ঢুকে একটি গার্ড বা ক্লিপের ভেতরে আটকে যায়। আরেকটি ছিদ্র থাকে নিচের দিকে, যেখানে ধাতব তার পেঁচিয়ে তৈরি হয় কুণ্ডলী বা স্প্রিং।

এই বুদ্ধিদীপ্ত নকশার জন্ম হয় আরও এক শতাব্দীর বেশি আগে। ১৮৪৯ সালে উদ্ভাবক ওয়াল্টার হান্ট একটি ধাতব তার নিয়ে খেলতে খেলতেই আধুনিক সেফটি পিনের স্প্রিং কাঠামো তৈরি করেন। পরে তিনি এর পেটেন্ট নেন। আজকের দিনে যন্ত্রের সাহায্যে ইস্পাতের তার পেঁচিয়ে তৈরি হয় এই কুণ্ডলী, যা সেফটি পিনের কার্যকারিতার মূল চাবিকাঠি।

হান্ট শেষ পর্যন্ত তাঁর সেফটি পিনের পেটেন্টটি ডব্লিউ. আর. গ্রেস অ্যান্ড কোম্পানির কাছে মাত্র ৪০০ ডলারে বিক্রি করে দেন। অথচ এই নকশা পরবর্তীকালে যে বিপুল বাণিজ্যিক সাফল্য এনে দেয়, তার তুলনায় সেই মূল্য ছিল নিতান্তই নগণ্য।
পরের বার যখন হাতে একটি সেফটি পিন নেবেন, তখন শুধু প্রয়োজনের কথা নয় এর পেছনের চমৎকার বিজ্ঞান আর ইতিহাসটাও মনে পড়ে যাবে।