Home Blog Page 214

দেশে আজ যে দামে বিক্রি হবে স্বর্ণ, ভরি কত?

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২ হাজার ৯১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

বাজুস আরও জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এ দাম বাড়ানো হয়েছে।

চলতি বছর দেশের বাজারে তৃতীয় বারের মতো সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম দুই দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে এক দফা। এ ছাড়া গত বছর (২০২৫) দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।

এদিকে দাম বাড়ানোর সঙ্গে এবার বাড়ানো রয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ৩৮৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৯২৫ টাকা।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৮৪১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৬৩৯ টাকা।

এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ২ দফা সমন্বয় করা হলো রুপার দাম। যেখানে দাম ১ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে আরেক দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।

পরিবার সঞ্চয়পত্রে এক লাখ টাকা বিনিয়োগে মাসে মুনাফা কত, কীভাবে কিনবেন?

মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য নিয়মিত খরচ চালাতে সরকারিভাবে দেওয়া পরিবার সঞ্চয়পত্র এখনো বেশ জনপ্রিয়। সম্প্রতি সরকার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর ঘোষণা দিয়েছিল, তবে তা স্থগিত করে আগের হার বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে ক্রেতারা আগের মতোই মুনাফা পাবেন।

পরিবার সঞ্চয়পত্রে ৫ বছরের মেয়াদে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগের মুনাফার হার ১১.৯৩ শতাংশ, আর ৭ লাখ টাকার বেশি হলে হার ১১.৮০ শতাংশ।

এক লাখ টাকার বিনিয়োগে মুনাফা

৫ লাখ টাকার কম বিনিয়োগ করলে: প্রতি মাসে ৯৪৪ টাকা পাওয়া যায়, উৎসে কর কেটে হাতে আসে ৮৪৪ টাকা ৪৬ পয়সা।

৫ লাখ টাকার বেশি কিন্তু সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম হলে: প্রতি মাসে নিট মুনাফা ৮৯৪ টাকা ৭৫ পয়সা।

সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ করলে: প্রতি মাসে হাতে মুনাফা ৮৮৫ টাকা।

মাসিক মুনাফা নেওয়ার পর পাঁচ বছরের শেষে মূল টাকা ফেরত পাওয়া যায়। মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়ন করলে বাকি অর্থ সরকার কর্তন করে ফেরত দেয়।

বিনিয়োগযোগ্য সীমা ও ক্রেতাদের যোগ্যতা

একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ ৪৫ লাখ টাকা পর্যন্ত পরিবার সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন। এটি মূলত নারীদের জন্য বিশেষায়িত সঞ্চয়পত্র, তবে শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং ৬৫ বছরের বেশি বয়সী যেকোনো বাংলাদেশি পুরুষ ও নারীও কিনতে পারবেন।

কোথায় পাওয়া যায়

পরিবার সঞ্চয়পত্র কেনা ও ভাঙার জন্য জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো, বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখা এবং ডাকঘর সুবিধাজনক।

অন্যান্য সুবিধা

প্রতি মাসে মুনাফা উত্তোলন করা যায়।

নমিনি বা মনোনীত পরিবর্তন যেকোনো সময় করা সম্ভব।

সঞ্চয়পত্র হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হলে বিকল্প (ডুপ্লিকেট) সঞ্চয়পত্র ইস্যু করা হয়।

পরিবার সঞ্চয়পত্রের মূল্যমান: ১০ হাজার, ২০ হাজার, ৫০ হাজার, ১ লাখ, ২ লাখ, ৫ লাখ ও ১০ লাখ টাকা।

সেদিন বেগম জিয়ার কার্যালয় ঘেরাও করতে গিয়েছিল যেসব তারকারা

রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের কাছে মানববন্ধন করে তা বন্ধের দাবি জানিয়েছিলেন আওয়ামী সমর্থিত অভিনেত্রী ও অভিনেতারা।

২০১৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর গুলশান ২ নম্বর গোলচত্বর-বনানীর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ পর্যন্ত মানববন্ধন করে তাঁরা।

জানা যায়, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আওয়ামী আমলে শিকার হয়েছেন নানা জুলুম এবং অত্যাচারের। হাসিনার অসুস্থ রাজনৈতিক চর্চায় বেগম জিয়াকে কারাবরণ করতে হয়েছে বছরের পর বছর।

দেশব্যাপী আওয়ামী লীগের চরম নৈরাজ্য এবং সন্ত্রাসবাদের দায় চাপিয়ে দেওয়া হয় জাতীয়তাবাদী দল এবং তার অঙ্গসংগঠনের উপর।

হাসিনাকে স্বৈরাচার বানানোর ক্ষেত্রে নেহাত কম ছিল না দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের চাটুকারদের ভূমিকাও।

সেই তালিকার প্রথমদিকেই আছে জনপ্রিয় অভিনেতা জাহিদ হাসান, চঞ্চল চৌধুরী ও তাদের সঙ্গীরা।

সম্প্রতি স্যোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এইসব তারকাদের একটি ভিডিও। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পুরনো সেই ভিডিও চলছে চর্চা।

২০১৫ সালের সেই ভিডিওতে দেখা যায়, চঞ্চল চৌধুরী, শাহনাজ খুশি, সাজু খাদেমসহ আরও অনেকেই বেগম জিয়ার গুলশানের কার্যালয় ঘেরাও করার চেষ্টা করেন।

তারা আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বিএনপির উপর চাপিয়ে দিতে তৎপরতা দেখান। স্বৈরাচারের মানুষ হত্যার তালিকা করে তা বিএনপির দিকে ঠেলে দেন।

হাসিনার সমর্থক এইসব আওয়ামী নাট্যকার এবং সুশীলদের জন্য বিএনপিকে যেমন ভুগতে হয়েছে, তেমনি তাদের আক্রমণ থেকে রেহাই পাননি বেগম জিয়াও।

সেই মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন, চিত্রনায়িকা নাসরিন আক্তার নিপুণ, তারানা হালিম, পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, হাসান ইমাম, চঞ্চল চৌধুরী, নাদের চৌধুরী, তুষার খান, জাহিদ হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওহিদুজ্জামানসহ শতাধিক মানুষ অংশ নেয়।

মাছের বাজারে হানা, জব্দ জাটকা গেল এতিমখানা ও বৃদ্ধাশ্রমে

ঢাকার কেরানীগঞ্জে মৎস্য আইন বাস্তবায়নে  অভিযান চালিয়েছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ। এসময় প্রায় ৩০০ কেজি জাটকা জব্দ করা হয়।আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার চুনকুটিয়া, হাসনাবাদ, জিনজিরা, আগানগর, আব্দুল্লাপুর ও হিজলতলা খুচরা মাছের বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন কেরানীগঞ্জ  উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা কারিশমা আহমেদ জাকসি।
জব্দকৃত জাটকা আপনঘর বৃদ্ধাশ্রম, ৯টি এতিমখানা ও দুস্থ পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, সরকার কর্তৃক প্রতিবছর ১লা নভেম্বর হতে ৩০ জুন পর্যন্ত ১০ ইঞ্চি বা ২৫ সেঃমিঃ সাইজের নিচের ইলিশ (জাটকা) আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

২৫ ঘণ্টায় যত টাকা পেলেন ব্যারিস্টার ফুয়াদ

নির্বাচনী প্রচারণার খরচ মেটাতে ফেসবুকে সহযোগিতা চেয়ে দেওয়া বার্তার মাত্র ২৫ ঘণ্টায় প্রায় ২২ লাখ টাকা অনুদান পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ ও মুলাদী) আসনের প্রার্থী আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

নির্বাচনী প্রচারণার খরচ মেটাতে ফেসবুকে সহযোগিতা চেয়ে দেওয়া বার্তার মাত্র ২৫ ঘণ্টায় প্রায় ২২ লাখ টাকা অনুদান পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ ও মুলাদী) আসনের প্রার্থী আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

এ ছাড়া অফলাইনে তার কার্যালয়ে এসে একজন সাংবাদিক নির্বাচনী তহবিলের জন্য ২ হাজার টাকা প্রদান করেছেন। সব মিলিয়ে গত ২৫ ঘণ্টায় সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছ থেকে তার নির্বাচনী তহবিলে জমা হয়েছে ২১ লাখ ৯৪ হাজার টাকার বেশি।

এ সময় লাইভে সবাইকে সতর্ক করে ফুয়াদ বলেন, আর্থিক সহায়তা চাওয়ার ভিডিওটি অনেকে কপি করে ফেক পেজ থেকে প্রচার করছে এবং বিকাশ ও নগদ নম্বর পরিবর্তন করে প্রতারণার চেষ্টা করছে। অনুদান প্রদানে ইচ্ছুকদের তিনি শুধুমাত্র তার ফেসবুক পেজ ও ব্যক্তিগত আইডিতে দেওয়া নম্বরে অর্থ পাঠানোর আহ্বান জানান।

এর আগে, নির্বাচনী প্রচারণার খরচ মেটাতে সোমবার (৫ জানুয়ারি) ফেসবুকে সহযোগিতা চেয়ে ভিডিও বার্তায় আবেদন জানান ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

ওবায়দুল কাদেররে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশে ফিরিয়ে আনা হোক: এবি জুবায়ের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন বা তিনি ‘মৃত্যুশয্যায়’ রয়েছেন বলে দাবি করেছেন ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের। সোমবার (৫ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই তথ্য জানান।

বন্ধ করে দেয়া হয়েছে হাসনাতের ফেসবুক প্রোফাইল, কারণ জানালেন নিজেই

জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলটি বন্ধ (ডিসেবল) করে দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে তিনি নিজেই এই তথ্য জানান।

আইডিটি বন্ধ থাকায় গত কয়েক দিন ভক্ত ও সমর্থকদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না হাসনাত আবদুল্লাহ। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘আমার ‘হাসনাত আব্দুল্লাহ’ নামের ব্যক্তিগত প্রোফাইলটি বেশ কিছুদিন আগে ডিজেবল করে দেওয়া হয়েছে। ভারতবিরোধী অবস্থান নেওয়ায় পরবর্তীতে কিছু পোস্টের কারণে কপিরাইট ক্লেইমের মধ্য দিয়ে আমার আইডিটিকে ডিজেবল করে দেওয়া হয়।’

হাসনাত আবদুল্লাহ জানান, ব্যক্তিগত আইডি অকার্যকর হওয়ায় এখন থেকে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকেই তিনি নিয়মিত সক্রিয় থাকবেন। ইতিপূর্বে এই পেজটি মূলত অ্যাডমিনরা পরিচালনা করতেন।

আইডি হারিয়ে ফেলায় যোগাযোগ সচল রাখতে হাসনাত আবদুল্লাহ তার সমর্থকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, তার কথা ও সংবাদগুলো সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য অনুসারীরা যেন এই পেজটি শেয়ার করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতবিরোধী অবস্থানের কারণে কপিরাইট অভিযোগ এনে তার প্রোফাইলটি অকার্যকর করা হয়েছে বলে মনে করছেন এই সংগঠক।

ভারতের সঙ্গে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের প্রভাব বাণিজ্যে পড়বে না: অর্থ উপদেষ্টা

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ক্রিকেটার মুস্তাফিজকে নিয়ে যেটি ঘটেছে সেটি দুঃখজনক। এমন বিষয়ের শুরুটা কিন্তু আমরা করিনি। তবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কোনো প্রভাব দেশের অর্থ-বাণিজ্যে পড়বে না।

তিনি আরও বলেন, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক খারাপ হোক সেটি চাই না। তবে দুই দেশ বসেই বিষয়টির মীমাংসা করতে হবে। রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক সম্পর্ক নষ্ট করবে না বলেই আশা করছি।

এ সময় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পৃথকীকরণ অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই বাস্তবায়িত হবে বলেও জানান ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

এবার আইপিএল খেলার উপর রাষ্ট্রীয় নিষেধাজ্ঞা জারি!

বাংলাদেশের তারকা পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার প্রেক্ষাপটে দেশজুড়ে সৃষ্ট তীব্র ক্ষোভের জেরে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)-এর সব ধরনের খেলা ও অনুষ্ঠান সম্প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) মন্ত্রণালয় থেকে সংশ্লিষ্ট সকল সম্প্রচারমাধ্যম ও টেলিভিশন চ্যানেলকে এই নির্দেশনা দিয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, আগামী ২৬ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া আইপিএল থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার জন্য বিসিসিআই যে নির্দেশনা দিয়েছে, তার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এই বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের মানুষকে ব্যথিত, মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ করেছে। এই পরিস্থিতিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আইপিএলের কোনো ম্যাচ বা কার্যক্রম বাংলাদেশে প্রচার করা যাবে না।

এর আগে গত শনিবার রাতে আইন ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল আইপিএল সম্প্রচার বন্ধের জন্য তথ্য মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। তাঁর সেই প্রস্তাবের রেশ ধরে গতকাল রোববার তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছিলেন, জাতীয় মর্যাদার স্বার্থে চুপ করে বসে থাকার উপায় নেই। আইনি ভিত্তি পর্যালোচনা করেই আজ এই চূড়ান্ত নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলো।

মোস্তাফিজ ইস্যুতে বিসিসিআই-এর অনড় অবস্থানের কারণে কড়া প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছে বিসিবি।

উল্লেখ্য, এবারের আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের (কেকেআর) হয়ে মাঠ মাতানোর কথা ছিল মোস্তাফিজের। কিন্তু ৩ জানুয়ারি বিসিসিআই-এর বিশেষ নির্দেশে তাঁকে দল থেকে বাদ দেওয়ার পর থেকেই দুই দেশের ক্রিকেটীয় ও কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়।

জীবনের এক বড় অধ্যায়ের সমাপ্তি, যে কষ্টে ভেঙে পড়লেন অমিতাভ বচ্চন

বহু বছরের শ্রেষ্ঠ যাত্রার সমাপ্তিতে আবেগে ভেঙে পড়লেন সঞ্চালক অমিতাভ বচ্চন।শুক্রবার রাত ৯টায় শেষ হলো ‘কউন বনেগা ক্রোড়পতি’ (কেবিসি) সিজন ১৭-এর গ্র্যান্ড ফিনাল। তিনি দর্শকদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই শো তাঁর জীবনের এক বিশাল অধ্যায়ের অংশ, এবং এই সাফল্যের পেছনে দর্শকরা ছিলেন তাঁর সবচেয়ে বড় সহায়ক।
ফিনালের শুরুতেই সরাসরি দর্শকদের সঙ্গে কথা বলার সময় বিগ বি আবেগ সামলাতে না পেরে বলেন, “কখনও কখনও এমন মুহূর্ত আসে, যা এত গভীরভাবে অনুভব করা হয় যে মনে হয়, ঠিক এখনই সব শুরু হয়েছিল। অথচ, তা এত দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। আপনারা সঙ্গে থাকলে এই খেলাটাই সম্ভব, আর এই খেলাই আমাকে জীবনের অনেক অভিজ্ঞতা দিয়েছে। আপনাদের সঙ্গে কাটানো সময় আমার জীবনের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি, এবং এটা আমার জন্য এক বিশাল সৌভাগ্যের বিষয়।”
তিনি আরও যোগ করেন, “আমি যখনই মন থেকে বলেছি, ‘আমি আসছি’, আপনারা আমাকে উষ্ণভাবে গ্রহণ করেছেন। আমি হাসলে আপনারাও হেসেছেন, আমি কাঁদলে আপনার চোখও ভিজেছে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই যাত্রায় আপনারাই আমার সঙ্গী। শুধু এটুকুই বলতে চাই, আপনারা থাকলে এই খেলা আছে, আর এই খেলা থাকলে আমি আছি। আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ।”
অমিতাভের এই আবেগঘন বক্তব্যে স্টুডিওজুড়ে করতালি ও উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক মাধ্যমে দর্শকরাও আবেগে ভাসছেন। কেউ লিখেছেন, “কত দিনের সঙ্গী ছিলাম আমরা”, আরেক জনের মন্তব্য, “সিজন ১৮-এর জন্য অধীর অপেক্ষা”, কেউ আবার লিখেছেন, “আপনি আছেন বলেই আমরা আছি”। অনেক অনুরাগীর আশা, ২০২৬ সালে ফের দেখা হবে।
এই মরশুমে কেবিসি-এর মঞ্চে অতিথি হিসেবে হাজির হন মনোজ বাজপেয়ী, জয়দীপ আহলাওয়াত, ফারহান আখতার, জাভেদ আখতার, কার্তিক আরিয়ান, অনন্যা পাণ্ডে, অমিতাভ বচ্চনের নাতি-নাতনি অগস্ত্য নন্দা ও নব্যা নন্দা এবং আরও অনেকে। আবেগ, জ্ঞান ও অনুপ্রেরণার মেলবন্ধনে শেষ হলো সিজন ১৭। দীর্ঘ দিনের এই যাত্রা শেষ হলেও, অমিতাভ বচ্চনের নতুন অধ্যায়ের অপেক্ষা এখন নতুন উদ্দীপনায় শুরু হবে।