Home Blog Page 223

হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর

০

২০২৬ সালের হজযাত্রীদের সরকারি হাসপাতাল থেকে নির্ধারিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করার সময় বাড়িয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা যাবে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে যেকোনো তথ্যের জন্য হজ কল সেন্টার ১৬১৩৬ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।

এর আগে ধর্ম মন্ত্রণালয় হজযাত্রীদের টিকা নেওয়ার আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নির্ধারিত ১১ ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ২৫ জানুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশনা দিয়েছিল। এসব পরীক্ষার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই হজযাত্রীদের টিকা দেওয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, হজযাত্রীদের Urine R/M/E, Random Blood Sugar (RBS), X-Ray Chest (P/A view) রিপোর্টসহ, ECG রিপোর্টসহ, Serum Creatinine, Complete Blood Count (CBC with ESR) এবং Blood Grouping ও Rh Typing পরীক্ষার রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

এ ছাড়া দুরারোগ্য ব্যাধি শনাক্তের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও কিছু বিশেষ পরীক্ষা সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—
সন্দেহজনক হৃদ্‌যন্ত্রের অকার্যকারিতার ক্ষেত্রে Echocardiography;
কিডনি জটিলতায় Serum Creatinine ও KUB-এর আলট্রাসনোগ্রাফি;
লিভার সিরোসিস সন্দেহ হলে Whole Abdomen USG ও Upper GIT Endoscopy;
এবং দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের রোগ নির্ণয়ে Sputum for AFB, Chest CT Scan, Serum Bilirubin, SGPT ও Albumin–Globulin Ratio পরীক্ষা।

স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট ও ই-হেলথ প্রোফাইলের কপি টিকা কেন্দ্রে মেডিকেল টিমের কাছে জমা দিয়ে টিকা গ্রহণের পর হজযাত্রীরা স্বাস্থ্য সনদ সংগ্রহ করতে পারবেন।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এবার বাংলাদেশ থেকে প্রাথমিকভাবে নিবন্ধিত প্রায় সাড়ে ৭৮ হাজার হজযাত্রী হজ পালন করতে পারবেন।

সিইসির সঙ্গে বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, যা জানা গেল

০

ঢাকায় নবনিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সিইসির দপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে বৈঠক শুরু হয়।

বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে মার্কিন প্রতিনিধি দলে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তা ডেভিড মু ও ফিরোজ আহমেদ অংশ নেন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, দ্বিপাক্ষিক এ বৈঠকে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি এবং নির্বাচনসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন গত ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশে আসেন। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের ১৯তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ভারতের জাতীয় সম্মাননা পাচ্ছেন দুই সুপারস্টার

০

ভারতীয় চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান পদ্মবিভূষণে ভূষিত হতে যাচ্ছেন বলিউডের সদ্য প্রয়াত কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। একই সঙ্গে ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় বাংলা তারকা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় পাচ্ছেন পদ্মশ্রী সম্মাননা। ২৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৬ সালের পদ্ম পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করে।
হিন্দি ছবির ইতিহাসে ‘হি-ম্যান’ খ্যাত ধর্মেন্দ্র কয়েক দশক ধরে বলিউডে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিলেন। ‘শোলে’, ‘ধরম বীর’, ‘সত্যম শিবম সুন্দরম’, ‘চুপকে চুপকে’র মতো অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রে নিজেকে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে বাণিজ্যিক সাফল্যের পাশাপাশি অভিনয়গুণেও দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন ধর্মেন্দ্র। তার এই আজীবন অবদানের স্বীকৃতিতেই তাকে পদ্মবিভূষণে ভূষিত করতে যাচ্ছে ভারত সরকার। চার দশকের বেশি সময় ধরে টালিউডের মূলধারার নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। বাণিজ্যিক ছবির পাশাপাশি সমান্তরাল ও আর্ট সিনেমাতেও তার দাপুটে উপস্থিতি বাংলা সিনেমাকে দিয়েছে নতুন মাত্রা। সত্যজিৎ রায়ের উত্তরসূরি প্রজন্মের গুরুত্বপূর্ণ অভিনেতা হিসেবেও বহু সমালোচকের স্বীকৃতি পেয়েছেন প্রসেনজিৎ।
এছাড়াও এবার শোবিজে অবদান রাখার জন্য পদ্মভূষণ সম্মান পাচ্ছেন দক্ষিণী অভিনেতা মামুট্টি এবং জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অলকা ইয়াগনিক। পদ্মশ্রীতে ভূষিত হতে যাচ্ছেন অভিনেতা ও নির্মাতা আর মাধবন।
ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে এ বছর মোট ১৩১ জন কৃতী ব্যক্তিত্বকে পদ্ম পুরস্কারে সম্মানিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার। এর মধ্যে রয়েছেন বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট শিল্পী, সমাজকর্মী, বিজ্ঞানী ও ক্রীড়াবিদরা। ধর্মেন্দ্র ও প্রসেনজিতের এই সম্মাননা ভারতীয় চলচ্চিত্রের দুই ভিন্ন প্রজন্মের দুই তারকার দীর্ঘ ও সফল যাত্রারই আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

পতনের পাল্লা ভারি হলেও বেড়েছে সূচক, কমেছে লেনদেন

০

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসের মতো দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবারও (২৬ জানুয়ারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। এর পরও বাজারটিতে বেড়েছে সব ক’টি মূল্যসূচক। তবে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ।
ডিএসইর মতো অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) দাম কমার তালিকায় রয়েছে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। দাম কমার তালিকা বড় হওয়ার পরও বাজারটিতেও মূল্যসূচক বেড়েছে। তবে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই দাম কমার তালিকায় চলে আসে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান। ফলে লেনদেনের শুরুর দিকেই সূচক ঋণাত্মক হয়ে পড়ে। লেনদেনের প্রথম সাড়ে তিন ঘণ্টা সূচক ঋণাত্মকেই থাকে। তবে শেষ ঘণ্টার লেনদেনে বড় মূলধনের কিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়ে। এতে দাম কমার তালিকা বড় হওয়ার পরও মূল্যসূচক বেড়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১১৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ১৮৯টির। আর ৮৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ অথবা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৬০টির শেয়ার দাম বেড়েছে।

বিপরীতে ১০৬টির দাম কমেছে এবং ৩৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। মাঝারি মানের বা ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া ২২টি কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ার বিপরীতে ৪২টির দাম কমেছে এবং ১৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণে ‘জেড’ গ্রুপে স্থান হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৩৪টির শেয়ার দাম বেড়েছে।

বিশ্বকাপ বয়কট করলে যে বড় বিপদ অপেক্ষা করছে পাকিস্তানের সামনে

০

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ক্রিকেট বিশ্বে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ দেখিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ভারত সফরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে আইসিসি টাইগারদের বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। এই সিদ্ধান্তকে অন্যায় ও দ্বিচারিতা আখ্যা দিয়ে পুরো টুর্নামেন্ট বয়কটের হুমকি দেয় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। বাংলাদেশকে সমর্থন জানিয়ে এমন অবস্থান নেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে আইসিসি বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে এবং ইউরোপিয়ান অঞ্চলের বাছাইয়ে চতুর্থ হওয়া স্কটল্যান্ডকে র‌্যাঙ্কিং বিবেচনায় বিশ্বকাপে আমন্ত্রণ জানায়। এর পরপরই পিসিবি এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়। বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, পাকিস্তানের জাতীয় দলের ক্রিকেটাররাও পিসিবির যেকোনো সিদ্ধান্তে সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে গত সোমবার (২৬ জানুয়ারি) পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেন। তবে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া না নেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অন্তত সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়েছে। পিসিবি চেয়ারম্যান একাধিকবার জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি সরকারের ওপর নির্ভরশীল। এমনকি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করা হলেও সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদন এখনো মেলেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ বয়কট করা পাকিস্তানের জন্য অত্যন্ত কঠিন, প্রায় অসম্ভব সিদ্ধান্ত। কারণ আইসিসির প্রতিটি পূর্ণ সদস্য দেশকে বড় টুর্নামেন্টের আগে টুর্নামেন্ট পার্টিসিপেশন এগ্রিমেন্টে (টিপিএ) স্বাক্ষর করতে হয়। শেষ মুহূর্তে সরে দাঁড়ালে পাকিস্তান সরাসরি এই চুক্তি লঙ্ঘন করবে। এমন পরিস্থিতিতে আইসিসি পাকিস্তানের বার্ষিক রাজস্ব অংশ স্থগিত করতে পারে, যার পরিমাণ প্রায় ৩ কোটি ৪৫ লাখ মার্কিন ডলার। অর্থনৈতিকভাবে চাপে থাকা পিসিবির জন্য এটি হবে বড় ধাক্কা।

এ ছাড়া রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হলে আইসিসির কঠোর নিষেধাজ্ঞার মুখেও পড়তে পারে পাকিস্তান। অতীতে জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কা এমন শাস্তির নজির রয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিষেধাজ্ঞা, এশিয়া কাপ থেকে বাদ পড়া কিংবা ভবিষ্যতে বড় টুর্নামেন্ট আয়োজনের অধিকার হারানোর ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। উল্লেখ্য, ২০২৮ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট আয়োজনের দায়িত্ব রয়েছে পাকিস্তানের হাতে।

বিশ্বকাপ বয়কটের প্রভাব পড়তে পারে পাকিস্তান সুপার লিগেও (পিএসএল)। বিদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ ছাড়া পিএসএলের সাফল্য কল্পনাই করা যায় না। কিন্তু আইসিসি বা অন্যান্য বোর্ড পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে তাদের খেলোয়াড়দের পিএসএলে খেলতে ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ না দিলে টুর্নামেন্টটি বড় সংকটে পড়বে।

সবচেয়ে বড় আশঙ্কা হলো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একঘরে হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা। দ্বিপাক্ষিক সিরিজই বোর্ডগুলোর আয়ের প্রধান উৎস। বড় দলগুলোর সঙ্গে সিরিজ না পেলে পিসিবির রাজস্ব মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে।

বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানালেও শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত নাও নিতে পারে পাকিস্তান। বিকল্প হিসেবে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বর্জন, কালো আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামা বা বাংলাদেশকে জয় উৎসর্গের মতো প্রতীকী প্রতিবাদের কথাও ভাবছে পিসিবি। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

মীরসরাইয়ে হবে ডিফেন্স শিল্প জোন

০

চট্টগ্রামের মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সামরিক ও প্রতিরক্ষা শিল্পে বাংলাদেশকে অংশগ্রহণকারী দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) গভর্নিং বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সভাপতিত্ব করেন।
সোমবার বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। বেজার গভর্নিং বোর্ড সভায় জানানো হয়, মীরসরাইয়ে প্রায় ৮০ একর জমি ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন হিসেবে মাস্টার প্ল্যানে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। আগে এই জমি একটি বিদেশি অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য নির্ধারিত থাকলেও প্রকল্প বাতিল হওয়ায় তা নতুনভাবে পুনঃব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আশিক চৌধুরী বলেন, বৈশ্বিক নিরাপত্তা বাস্তবতায় প্রতিরক্ষা শিল্পে নিজস্ব উৎপাদন সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোতে দেখা গেছে, হাইটেক অস্ত্রের চেয়ে গোলাবারুদ ও মৌলিক সরঞ্জামের সংকটই বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

আজ ২ ভরি সোনার হার কিনতে গুনতে হবে কত টাকা ?

০

সোনার দাম দিন দিন শুধু বেড়েই চলছে সাথেই বাড়ছে এর চাহিদা। গলার হার , কানের দুল থেকে শুরু করে হাতের অলংকার সবই এখন নারীদের চাহিদার শীর্ষে।

আজ ২৭ জানুরায়ি থেকে প্রতি ভরি (২২ ক্যারেটের) সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৪৪০ টাকায়। তাই ২ ভরির একটি হার কিনতে চাইলে গুনতে হবে ৫ লাখ ২৪ হাজার ৮৮০ টাকা। সাথে ৫ % ভাট ও ৬% মজুরী তো আছেই।

তাই ২ ভরির হার কিনতে আপনাকে সাথে রাখতে হবে প্রায় ৬ লাখ ১৫ হাজার টাকা।

মাথা ব্যথা নাকি মাইগ্রেন, কিভাবে বুঝবেন

০

অফিসের চাপে হোক বা পরিবারের চিন্তায় হোক অথবা পড়াশোনার চাপে কম বেশি মাথা ব্যথার শিকার অনেকেই। কারোর মাথা ব্যথা স্বাভাবিক, কেউ ভুগছেন অন্য কোনো রোগে, আবার অনেকেই মাইগ্রেনের শিকার।

তবে মাথা ব্যথা নিয়ে মাথাব্যথা করেন খুব কম মানুষই। কিভাবে পার্থক্য বুঝবেন মাইগ্রেন আর সাধারণ মাথা ব্যথার, তা জানাতেই আজকের আয়োজন।

চলুন, জেনে নেওয়া যাক—

নিউরোলজিস্টরা বলছেন মাথা ব্যথা সাধারণত চাপ বা স্ট্রেসজনিত কারণে হয়। কিন্তু মাইগ্রেন একটি নিউরোলজিক্যাল ডিসঅর্ডার। এতে মাথার এক পাশে তীব্র ধকধকে ব্যথা হয়, সঙ্গে বমি, আলো ও শব্দের কাছাকাছি এলেই অসহ্য অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। একে সাধারণ মাথাব্যথার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়।

সাধারণ মাথা ব্যথা কী

চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে বলা হয় টেনশন-টাইপ হেডেক। এই সাধারণ মাথা ব্যথার লক্ষণ গুলো হলো মাথার দুই পাশে চাপ বা ভারী ভাব, কপাল ও ঘাড়ে টান, মানসিক চাপ বা ঘুমের অভাবে বাড়ে, আলো বা শব্দে সাধারণত তীব্র অস্বস্তি হয় না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিশ্রাম, স্ট্রেস কমানো ও সাধারণ ওষুধেই কমে সাধারণ মাথা ব্যথা।

মাইগ্রেনের ব্যথা কী

মাইগ্রেনকে আন্তর্জাতিকভাবে একটি নিউরোলজিক্যাল রোগ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

মাইগ্রেনের লক্ষণ মাথার এক পাশে তীব্র ধকধকে ব্যথা, আলো, শব্দ বা গন্ধে অসহ্য অনুভূতি, বমি বা বমি বমি ভাব যা কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত ব্যথা স্থায়ী হতে পারে। স্বাভাবিকভাবে সাধারণ ওষুধে এই মাথা ব্যথা কমে না।

মেডিক্যাল জার্নাল জেএএমএ নিউরোলজি-তে প্রকাশিত গবেষণার তথ্য অনুযায়ী মাইগ্রেন ও টেনশন-টাইপ হেডেক দুটি আলাদা মেডিক্যাল কন্ডিশন, দুটির ব্যথার ধরন, আক্রমণের প্যাটার্ন একেবারেই আলাদা। তবে, কখন অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যাবেন?

চিকিৎসকদের মতে, যদি মাসে বারবার মাথা ব্যথা হয়, ব্যথার সঙ্গে বমি বা চোখে ঝলকানি দেখা দেয়, আলো বা শব্দ সহ্য না হয়, সাধারণ ওষুধে কাজ না করে দেরি না করে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিশ্রাম, স্ট্রেস কমানো ও সাধারণ ওষুধে আরাম মেলে।

সাধারণ মাথা ব্যথা সাময়িক সমস্যা হলেও, মাইগ্রেন একটি দীর্ঘমেয়াদি নিউরোলজিক্যাল অসুখ। মাইগ্রেনের লক্ষণ বুঝলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

আরও ১০ নেতাকে বহিষ্কার করল বিএনপি

০

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বহিষ্কৃত নেতাদের বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

বহিষ্কৃত নেতারা হলেন— ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য মো. মুসফিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাদিকুর রহমান, গফরগাঁও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মফিজুর রহমান খায়রুল ও মো. জালাল উদ্দীন; নড়াইল সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মুজাহিদুল ইসলাম পলাশ, নড়াইল সদর পৌর বিএনপির সভাপতি মো. তেলায়েত হোসেন, লোহাগড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী সুলতানুজ্জামান সেলিম, লোহাগড়া পৌর বিএনপির সভাপতি মিলু শরীফ, সাধারণ সম্পাদক মো. মশিয়ার রহমান সান্টু ও লোহাগড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আহাদুজ্জামান বাটু।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সংগঠনের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং নীতি পরিপন্থি কাজের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতেই কেন্দ্র থেকে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এর আগে গতকাল ২৬ জানুয়ারি একই অভিযোগে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মমিনুল হক টুলু বিশ্বাসকেও বহিষ্কার করেছিল দলটি।

পরিবেশ সুরক্ষায় বিএনপির ব্যতিক্রমী প্রচারণা! লিফলেট থেকেই তৈরি হবে চার

০

বগুড়া-৬ (সদর) আসনে ধানের শীষের সমর্থনে বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রচারণায় এক অভিনব ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ লক্ষ্য করা গেছে। প্রচারণার কাজে সাধারণ কাগজের পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে বিশেষ ‘বনকাগজ’ বা ‘সিড পেপার’ দিয়ে তৈরি লিফলেট, যা স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও প্রশংসা জাগিয়েছে।

বগুড়া সদরের এই প্রচারণার প্রধান আকর্ষণ হলো এর বীজযুক্ত লিফলেট। সাধারণ লিফলেট ব্যবহারের পর যত্রতত্র ফেলে দিলে তা পরিবেশের আবর্জনা তৈরি করে, কিন্তু এই লিফলেটগুলো মাটিতে পড়লে বা কেউ ফেলে দিলে সেখান থেকেই জন্ম নেবে টমেটো, মরিচ কিংবা বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। কাগজের মণ্ড তৈরির সময়ই এতে উন্নত মানের সবজি বীজ মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে, যা পচনশীল কাগজের সংস্পর্শে এসে চারা গাছে রূপান্তরিত হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, রাজনৈতিক প্রচারণার মাধ্যমে কেবল মানুষের কাছে পৌঁছানোই নয়, বরং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সাধারণ ভোটাররা এই সৃজনশীল প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানিয়ে বলছেন, প্লাস্টিক বা সাধারণ কাগজের বর্জ্য কমানোর এই কৌশল অন্যান্য প্রার্থীদের জন্য একটি উদাহরণ হতে পারে। প্রচারণার পাশাপাশি প্রকৃতির যত্ন নেওয়ার এই ব্যতিক্রমী ধারাটি এবারের নির্বাচনী মাঠে এক নতুন মাত্রা যোগ করল।