Home Blog Page 229

যে প্রতীক পেলেন রুমিন ফারহানা

০

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি সংসদীয় আসনের ৪৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রাশসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে তার কাঙ্খিত ‘হাঁস’ প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি সংসদীয় আসনের ১৩ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। সব মিলিয়ে বৈধ চূড়ান্ত প্রার্থী ৪৮ জন। এর মধ্যে দলীয় প্রার্থীদের দলীয় প্রতীক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের তাদের পছন্দ অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি তার দলীয় প্রতীক ‘মাথাল’ বরাদ্দ পেয়েছেন।

কাঙ্ক্ষিত প্রতীক পেয়ে উচ্ছ্বসিত ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের বলেন, আমি আমার ভোটার, কর্মী-সমর্থকদের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসি। তারাই আমাকে এ পর্যন্ত নিয়ে এসেছে। তারা যখন আমাকে দেখে, ছোট-ছোট বাচ্চারা চিৎকার করতে থাকে আমাদের হাঁস মার্কা, আমাদের হাঁস মার্কা। তাই এই মার্কাটা আমার ভোটারদের মার্কা, আমার মার্কা না। আমি হাঁস পালতাম।

নিজের পালিত হাঁস চুরির কথা উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, আমার হাঁসগুলো যখন চুরি হয়, আমি চোরকে ছাঁড়ি নাই। আমি মামলা করেছি, জেলেও ভরেছি। আমার এই হাঁস (প্রতীক) যদি কেউ চুরি করার চিন্তাও করে, আমি যথাযথ ব্যবস্থা নেব।

তিনি আরও বলেন, আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সাধারণ মানুষের প্রার্থী। ভোটাররা যদি আমাকে নির্বাচিত করেন, ভোটাররা যা বলবেন যেভাবে চাইবেন; আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের উন্নয়ন সেভাবেই করব।

নারী কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাজধানীতে জামায়াতের বিক্ষোভ

০

রাজধানীর পীরেরবাগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীদের হেনস্তা ও হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন দলের নেতাকর্মীরা। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে পীরেরবাগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
মিছিলে নেতৃত্ব দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. মোবারক হোসেন। গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জামায়াতের নারী কর্মীদের এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়।
হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিলে জামায়াত নেতা মোবারক হোসেন বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাই। কোনো বিশৃঙ্খলা চাই না। কিন্তু তারা যদি আমাদের সঙ্গে বিশৃঙ্খলা করতে আসে আমরা ছাড় দেব না। জামায়াত-শিবিরকে দুর্বল ভাবার কোনো সুযোগ নেই। এ দেশের মানুষ আগামীতে জামায়াতকে ক্ষমতায় দেখতে চায়। সুতরাং জামায়াত সকল প্রস্তুতি নিয়েই আগামী ইলেকশন ও সন্ত্রাসীদের মোকাবেলা করবে ইনশাল্লাহ।’
হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘এই পীরেরবাগ জামায়াত ও শিবিরের ঘাঁটি সুতরাং এখানে কোনো সন্ত্রাসীকে ছাড় করা হবে না।’

শীত নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের নতুন বার্তা

০

সারা দেশে আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রার তেমন কোনো পরিবর্তন হবে না বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে এই সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে দেওয়া পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। পাশাপাশি শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা ঝরার সম্ভাবনা রয়েছে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। একই সঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

এদিকে আজ সকাল ৬টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে নওগাঁর বদলগাছীতে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ভোট নিয়ে প্রবাসীদের নতুন যে নির্দেশনা দিল ইসি

০

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন জানিয়েছে, যারা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে ইচ্ছুক, তাদের আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে ভোটদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন এ তথ্য জানিয়েছে।

ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, প্রবাসী ভোটারদের দেওয়া ভোট যেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পৌঁছাতে পারে, সেই লক্ষ্যেই নির্বাচন কমিশন এই আহ্বান জানিয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো না হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্নিং অফিসারের নিকট তা পৌঁছানোর ক্ষেত্রে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই প্রবাসী ভোটারদের আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যেই ভোটদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নিকটস্থ পোস্ট অফিসে ব্যালট জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

চিয়া সিড খেতে সাবধান থাকবেন যারা

০

সকালে  চিয়া সিড খাওয়া শরীরের জন্য উপকারী হলেও কিছু সতর্কতা জানা জরুরি। কিছু রোগের জন্য এই চিয়া  সিড খেতে সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।

দেখে নিন সকালে চিয়া সিড খাওয়ার ৫ সতর্কতা

১. অতিরিক্ত খাওয়া এড়িয়ে চলুন:  চিয়া সিডে প্রচুর ফাইবার থাকে। বেশি পরিমাণ খেলে গ্যাস, পেট ফাঁপা বা হজমের সমস্যা হতে পারে। দিনে ১–২ চা চামচ যথেষ্ট।

২. ভিজিয়ে খাওয়া জরুরি: শুকনা চিয়া সিড খেলে পেটে গিয়ে ফুলে উঠতে পারে, এতে গলা আটকে যাওয়া বা হজমে সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি থাকে। অন্তত ৩০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে খাওয়া উচিত।

৩. থাইরয়েড রোগীরা সতর্ক থাকুন: চিয়া সিডে উচ্চমাত্রায় ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা থাইরয়েডের ওষুধের সাথে প্রভাব ফেলতে পারে। নিয়মিত খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ দরকার।

৪. লো ব্লাড প্রেশার ও ব্লাড থিনারের ওষুধ খেলে সাবধান: চিয়া সিড রক্ত পাতলা করার কাজ করে, ফলে রক্তচাপ কমে যেতে পারে। যারা ব্লাড থিনার ওষুধ খান, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া উচিত নয়।

৫. অ্যালার্জির ঝুঁকি: কিছু মানুষের চিয়া সিডে অ্যালার্জি হতে পারে। এতে চুলকানি, ফুসকুড়ি বা শ্বাসকষ্ট হতে পারে। প্রথমবার খাওয়ার সময় অল্প পরিমাণে চেষ্টা করুন।

তাই সকালে চিয়া সিড খেতে চাইলে পরিমিত পরিমাণে, ভিজিয়ে এবং স্বাস্থ্যগত অবস্থার সাথে মিলিয়ে খাওয়া নিরাপদ।

নাম মুছে ফেললেন রোজা

০

গায়ক ও অভিনেতা তাহসান খানের সঙ্গে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন রোজা আহমেদ। তবে বছর না ঘুরতেই এসেছে তাদের বিচ্ছেদের সংবাদ। সম্প্রতি তাহসান জানিয়েছেন রোজার সঙ্গে আর তিনি থাকছেন না।

দুজনের পথ যে আলাদা হয়ে গেছে সেটা আরো স্পষ্ট হলো এবার। ইনস্টাগ্রাম থেকেও তাহসানের ছবি মুছে ফেললেন রোজা। নিজের নামের সঙ্গে খান পদবী যুক্ত করেছিলেন সেটাও মুছে ফেলেছেন। রোজার ইনস্টাগ্রাম ঘেঁটে দেখা গেল, কোথাও তাহসান নেই। রোজার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের নাম ছিল রোজা আহমেদ খান। সেখান থেকে ছেঁটে দিয়েছেন খান।

 

সিলিন্ডার গ্যাস সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে

০

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডারের সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সরকার নির্ধারিত এক হাজার ৩০৬ টাকার ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়। কোথাও কোথাও আরও বেশি দামে বিক্রির অভিযোগও পাওয়া গেছে। অভিযোগ উঠেছে, নির্ধারিত দামের কথা বললে অনেক দোকানদার সিলিন্ডার দিতে অস্বীকৃতি জানান। আবার অতিরিক্ত দামে কিনলেও খুচরা বিক্রেতারা কোনো রসিদ দিচ্ছেন না। রসিদ চাইলে বলেন, গ্যাস সিলিন্ডার নেই।

তাদের ভাষ্য, অতিরিক্ত দাম নেওয়া অবৈধ হওয়ায় রসিদ দিলে প্রমাণ থেকে যাবে।বাজার ঘুরে দেখা যায়, অনেক দোকানে এলপিজি সিলিন্ডার একেবারেই নেই। সরবরাহ সংকটের কথা বলে ক্রেতাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নি¤œ ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ।  আজিমপুরের গৃহিণী রেহেনা আক্তার বলেন, সরকার যে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে, সেই দামে কোথাও সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে দ্বিগুণ দামে কিনতে হচ্ছে। আবার রসিদও দেয় না, অভিযোগ করব কীভাবে?
খুচরা বিক্রেতারা দাবি করছেন, পাইকারি পর্যায়েই তাদের বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। ফলে নির্ধারিত দামে বিক্রি করা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। অনেক এলাকায় এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। ঢাকার অদূরে টঙ্গীর সিলিন্ডার ব্যবসায়ী মিঠু মুঠোফোনে জাগো নিউজকে বলেন, সর্বশেষ গত সপ্তাহে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সিলিন্ডার বিক্রি করেছি (১২ কেজির)। এই সপ্তাহে পাচ্ছি না। দোকান একেবারেই খালি।

এবার সব রেকর্ড ভাঙল সোনা, ভরি কত?

০

দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বেড়েছে। এবার ভরিতে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৯ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এই দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এই দাম আগামীকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সে কারণে সোনার দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাজুস। নতুন মূল্য অনুযায়ী ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম বেড়ে দুই লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এক লাখ ৯৫ হাজার ৪৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম এক লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এদিকে দাম বেড়ে সোনার সঙ্গে রেকর্ড করলো রুপাও। ২২ ক্যারেটের রুপার ভরি ছয় হাজার ২৪০ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি পাঁচ হাজার ৯৪৯ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি পাঁচ হাজার ১৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম তিন হাজার ৮৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ভাড়াটিয়াদের জন্য বড় সুখবর

০

বাড়িতে ভাড়াটিয়ার যে কোনো সময়ে প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত থাকবে। বাড়ির সার্বিক নিরাপত্তা এবং শৃঙ্খলা নিশ্চিতে বাড়িওয়ালা কোনো পদক্ষেপ নিলে অবশ্যই ভাড়াটিয়াকে অবগত করবেন এবং বাস্তবায়নের পূর্বে মতামত গ্রহণ করবেন।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) গুলশান-২ এর নগর ভবনে ‘ঢাকার বাড়িভাড়া সংক্রান্ত নির্দেশিকা প্রকাশবিষয়ক’ সংবাদ সম্মেলন এ ঘোষণা দেন ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।

ভাড়াটিয়ার অধিকার নিশ্চিতে বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১ নিয়ন্ত্রকের পক্ষে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কয়েকটি নির্দেশিকা দিয়েছে।

১. বাড়ির মালিক অবশ্যই তার বাড়িটি বসবাসের উপযোগী করে রাখবেন।

২. বাড়িতে ইউটিলিটি সার্ভিসেস (গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি) এর নিরবিচ্ছিন্ন কানেকশন, দৈনিক গৃহস্থালি বর্জ্যকালেকশন সহ অনন্যা সকল সুবিধাসমুহ নিশ্চিত করতে হবে। এর কোন ব্যত্যয় বা কোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে ভাড়াটিয়া সংশ্লিষ্ট বাড়িওয়ালাকে অবগত করবেন এবং বাড়িওয়ালা অতিসত্ত্বর সেই সমস্যা সমাধান করবেন।

৩. বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়া (বাড়িওয়ালার প্রাক অনুমোদন সাপেক্ষে) বাড়ির ছাদ, বারান্দা এবং বাড়ির সামনের উন্মুক্ত স্থানে সবুজায়ন (ফুল/ফল/সবজি) করবেন।

৪. সাম্প্রতিককালে ভবনে অগ্নিকান্ড, ভূমিকম্প, ইত্যাদি নানা ধরণের মনুষ্য সৃষ্ট ও প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারনে দূর্ঘটনা বেড়ে যাচ্ছে, যার ফলে অসংখ্য মানুষের প্রাণহানীসহ সম্পদ বিনষ্ট হচ্ছে। এমতাবস্থায়, নিরাপত্তার স্বার্থে বাড়িওয়ালা তার প্রত্যেক ভাড়াটিয়াকে ছাদের ও মূল গেইটের চাবি শর্তসাপেক্ষে প্রদান করবেন।

৫. ভাড়াটিয়া মাসের ১০ তারিখের মধ্যে বাড়িওয়ালাকে ভাড়া প্রদান করবেন। বাড়িওয়ালাদের অবশ্যই প্রমাণ কপি হিসেবে ভাড়াটিয়াকে প্রতিমাসে মাসিক ভাড়ার লিখিত রশিদ প্রদান করতে হবে এবং প্রতি মাসের ভাড়া দেওয়ার সময় ভাড়াটিয়া বাড়িওয়ালার কাছ থেকে ভাড়া প্রাপ্তির স্বাক্ষরযুক্ত লিখিত রশিদ সংগ্রহ করবেন।

৬. বাড়িতে ভাড়াটিয়ার যে কোনো সময়ে প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত থাকবে। বাড়ির সার্বিক নিরাপত্তা এবং শৃঙ্খলা নিশ্চিতে বাড়িওয়ালা কোন পদক্ষেপ নিলে অবশ্যই ভাড়াটিয়াকে অবগত করবেন এবং বাস্তবায়নের পূর্বে মতামত গ্রহণ করবেন। দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে যুক্তি/ন্যায় সঙ্গত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৭. মানসম্মত ভাড়া কার্যকরী হবার তারিখ হতে দুই বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। ভাড়া বৃদ্ধির সময় হবে জুন-জুলাই।

৮. দুই বছরের আগে কোনো অবস্থাতেই বাড়ির ভাড়া বাড়ানো যাবে না। দুই বছর পর মানসম্মত। দ্বিপাক্ষিক আলোচনা স্বাপেক্ষে ভাড়ার পরিবর্তন করা যাবে।

৯. নির্দিষ্ট সময় ভাড়াটিয়া ভাড়া প্রদান করতে ব্যর্থ হলে বাড়িওয়ালা ভাড়াটিয়াকে মৌখিক ভাবে সতর্ক করবেন এবং নিয়মিত ভাড়া প্রদানের জন্য তাগাদা দিবেন। তাতে ও কাজ না হলে বাড়িওয়ালা ভাড়াটিয়াকে সমস্ত বকেয়া প্রদান করে ২ মাসের মধ্যে বাড়ি ছাড়ার জন্য লিখিত সতর্কতা মূলক নোটিশ প্রদান করবেন এবং ভাড়াটিয়ার সাথে পূর্বে স্বাক্ষরিত চুক্তি বাতিল করে উচ্ছেদ করতে পারবেন।

১০. আবাসিক ভবনের ক্ষেত্রে, বাড়ি ভাড়ার চুক্তি বাতিল করতে হলে দুই মাসের নোটিশ দিয়ে উভয় পক্ষ ভাড়া চুক্তি বাতিল করতে পারবেন।

১১. মানসম্মত ভাড়া নির্ধারণ করা ও ভাড়ার বার্ষিক পরিমাণ সংশ্লিষ্ট বাড়ি ভাড়ার বাজার মূল্যের শতকরা ১৫ ভাগের বেশি হবে না।

১২. বাড়িওয়ালার সঙ্গে লিখিত চুক্তিতে কী কী শর্তে ভাড়া দেয়া হলো এবং করণীয় কী, সে সব নির্দিষ্ট করে দিতে হবে। চুক্তিপত্রে ভাড়া বাড়ানো, অগ্রিম জমা ও কখন বাড়ি ছাড়বেন তা অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।

১৩. বাড়ি ভাড়া নেওয়ার সময় ১-৩ মাসের বেশি অগ্রিম ভাড়া নেওয়া যাবে না।

১৪. সিটি করপোরেশন এলাকায় ওয়ার্ড ভিত্তিক বাড়িওয়ালা সমিতি এবং ভাড়াটিয়াদের সমিতি গঠন করতে হবে। উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা স্থানীয় ওয়ার্ড পর্যায়ে ভাড়ার বিবাদের সালিশে থাকবেন।

১৫. যে কোনো সমস্যা ওয়ার্ড/ জোন ভিত্তিক বাড়িওয়ালা সমিতি এবং ভাড়াটিয়াদের সমিতির আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। যদি সমাধান না হয়, পরবর্তীতে সিটি কর্পোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর জানাতে হবে।

১৬. ভাড়াটিয়ার অধিকার নিশ্চিতে বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১ নিয়ন্ত্রকের পক্ষে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন প্রদত্ত নির্দেশিকা ভাড়াটিয়া এবং বাড়িওয়ালাদের মেনে চলার জন্য সচেতন করা, এ ব্যাপারে কোনো জটিলতার সৃষ্টি হলে সিটি কর্পোরেশন এর জোন ভিত্তিক মত বিনিময় ও আলোচনা সভা করা।

হালুয়াঘাটে গণভোটের পক্ষে চলছে জোর প্রচারণা

০

গণভোট কী? কেন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে তা নিয়ে জোর প্রচারণা শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন। হাট-বাজার, গ্রামগঞ্জের সাধারণ মানুষকে গণভোট সম্পর্কে ধারণা দিতে চলছে এই প্রচারাভিযান। প্রচারণা চালাচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদের আওতায় থাকা গ্রাম পুলিশরাও। ময়মনসিংহ-১ আসনের হালুয়াঘাটের তৃণমূলে গণভোটের পক্ষে এ প্রচারণা চালানো হচ্ছে প্রতিদিন।

নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, ইতিমধ্যে ভোট গ্রহণের লক্ষ্যে এই আসনের কেন্দ্রগুলো ভোটগ্রহণের উপযুক্ত করা হয়েছে। ঝুঁকিমুক্ত ভোট গ্রহণে স্থাপন করা হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরাও। গণভোট কী-তা সাধারণ মানুষকে বোঝাতে এখন চলছে জোর প্রচারণা।

সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও  উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলীনূর খান জনকণ্ঠকে বলেন, প্রত্যন্ত গ্রাম এবং হাটবাজারে গিয়ে ভোটারদের গণভোট সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হচ্ছে। গণভোটে অংশ নিতে ভোটারদের উৎসাহিত করার প্রক্রিয়া চলমান রাখার পাশপাশি শিক্ষক-সাংবাদিক, ইমাম ও খতিব,সুধিজনদের নিয়ে এরই মধ্যে গণভোট সম্পকে সেমিনার করা হয়েছে।

ভোটাররা যাতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পছন্দের প্রার্থীর পাশাপাশি গণভোটেও নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন সে জন্য কাজ করছেন তিনি।