Home Blog Page 231

জরুরি ভিডিও বার্তা দিলেন আসিফ মাহমুদ

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির শাহাদাতে দেশজুড়ে শোক ও ক্ষোভের আবহের মধ্যে জাতির উদ্দেশে জরুরি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–১০ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেন, ওসমান হাদির হত্যার বিচার দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে, তবে এই ন্যায্য আন্দোলনকে কোনোভাবেই সহিংসতা, ভাঙচুর বা বিভাজনের দিকে নিতে দেওয়া যাবে না।

ভিডিও বার্তায় আসিফ মাহমুদ জানান, গত ১৮ ডিসেম্বর তাদের সহযোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদি শাহাদাত বরণ করেছেন। পুরো বাংলাদেশ আজ শোকাহত এবং যারা তাকে গুলি করে হত্যা করেছে, তাদের বিচার আমরাও চাই। তিনি বলেন, হত্যাকারীদের যত দ্রুত সম্ভব বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে—সে দায়িত্ব সরকারকেই নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ওসমান হাদির শাহাদাতে সারাদেশের মানুষ রাজপথে নেমেছে—এটি ন্যায়বিচারের দাবি। কিন্তু এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভাজন উসকে দিতে একটি চক্রান্তমূলক মহল সক্রিয় হয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর ভাষায়, গণমাধ্যম, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়—এমন বিভিন্ন স্থানে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা আমরা দেখেছি, যা আমরা স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করছি। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আন্দোলনকে বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চলছে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

আসিফ মাহমুদ দেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের সম্পদ রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। কোনো সংবেদনশীল স্থাপনা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে যেন কোনো ক্ষতি না হয়—এটি নিশ্চিত করতে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বিশেষভাবে অনুরোধ করেন, ন্যায়বিচারের দাবিতে হওয়া প্রতিবাদ মিছিল যেন কেউ ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে না পারে এবং কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়।

ওসমান হাদিকে একজন বীর হিসেবে স্মরণ করার আহ্বান জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, তিনি যে সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক লড়াই শুরু করেছিলেন—ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার ও ইনকিলাব মঞ্চের মাধ্যমে যোগ্য মানুষ গড়ে তোলার যে স্বপ্ন দেখতেন—সেই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই এগিয়ে যেতে হবে। তাঁর নাম ব্যবহার করে কেউ যেন সন্ত্রাস, ভাঙচুর বা ব্যক্তি ও গোষ্ঠীগত স্বার্থ হাসিল করতে না পারে—সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

নির্বাচন ছাড়া গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়: আমান উল্লাহ আমান

নির্বাচন ছাড়া কখনোই প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা-২ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব আমান উল্লাহ আমান।

তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী ও পাকাপোক্ত করতে হলে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। কারণ গণতন্ত্রের মূল শক্তি হলো জনগণ।

আজ শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলার তারানগর ইউনিয়নের তারানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমান উল্লাহ আমান আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে, যাতে তারা সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে আরও সুরক্ষা পায়।

তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে। একটি মহল নির্বাচন বানচাল করতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এসব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি। সকল বাধা ও ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে আগামী ফেব্রুয়ারিতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং এর মাধ্যমেই দেশে গণতন্ত্র আরও সুদৃঢ় হবে।

এ সময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. মেহেদি হাসান, ডা. মো. জাবেদ আহমেদ, ডা. মো. মাহমুদ আলম তারিক, ডা. আলী নূর পলাশ, ডা. জাকির হোসেনসহ তারানগর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সিঙ্গাপুরে হচ্ছে না ওসমান হাদির জানাজা

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির প্রথম জানাজা সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা হচ্ছে না।

শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সকালে সিঙ্গাপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন এ তথ্য জানিয়েছে।

হাইকমিশন জানিয়েছে, গতকাল রাতে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে ওসমান হাদি ইন্তেকাল করেছেন। তবে যথাযথ কর্তৃপক্ষের ক্লিয়ারেন্স না পাওয়ায় তার জানাজা সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।

ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এই জন্য হাইকমিশন দুঃখ প্রকাশ করছে। এ ছাড়া সিঙ্গাপুর প্রবাসীকে সিঙ্গাপুরের আইনের প্রতি সম্মান দেখানোর অনুরোধ জানিয়েছে হাইকমিশন।

এর আগে ইনকিলাব মঞ্চ জানায়, হাদি প্রথম জানাজা সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।

ইনকিলাব মঞ্চ জানায়, বাংলাদেশ বিমানের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইট আজ স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে শহীদ ওসমান হাদিকে নিয়ে রওনা করবে। ঢাকায় অবতরণ করার সম্ভাব্য সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিট।

এতে বলা হয়, শহীদ ওসমান হাদির প্রথম জানাজা সিঙ্গাপুরের The Angullia Mosque এ (দ্য আঙ্গুলিয়া মসজিদ) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশে শহীদ ওসমান হাদির জানাজা শনিবার বাদ জোহর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।

উল্লেখ্য, আততায়ীর বুলেটে বিদ্ধ হয়ে টানা সাত দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেছেন চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সামনের সারির অকুতোভয় যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদি (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ১০টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে হাদির মৃত্যু হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে অভ্যুত্থানের ইতিহাস ধরে রাখতে তিনি গড়ে তোলেন ইনকিলাব মঞ্চ। গতকাল রাত সাড়ে ১১টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে হাদির মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেন স্বয়ং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

ভাষণের শুরুতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক একটি সংবাদ নিয়ে। সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখভাগের অকুতোভয় যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি আর আমাদের মাঝে নেই।’

হাদির মৃত্যুর খবরে গত রাত সাড়ে ১২টায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস গভীর শোক প্রকাশ করেন। এ ছাড়া উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা, বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলসহ সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোও গভীর শোক জানিয়েছে। এ ছাড়া রাষ্ট্রীয়ভাবে আজ দোয়া ও আগামীকাল রাষ্ট্রীয় শোক কর্মসূচি পালনের আহ্বান করা হয়েছে। সেইসঙ্গে হামলায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফ থেকে।

দুই সম্পাদককে প্রধান উপদেষ্টার ফোন, পাশে থাকার ঘোষণা

বাংলাদেশের স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী অকুতোভয় সৈনিক ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যার ঘটনায় উত্তেজিত জনতা গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা চালানোর ঘটনায় পত্রিকা দুটির সম্পাদকদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান ও ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনামের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আপনাদের প্রতিষ্ঠান ও সংবাদকর্মীদের ওপর এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও ন্যাক্কারজনক হামলা আমাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। আপনাদের এই দুঃসময়ে সরকার আপনাদের পাশে আছে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দেশের শীর্ষস্থানীয় দুটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের ওপর এই হামলা স্বাধীন গণমাধ্যমের ওপর হামলার শামিল। এই ঘটনা দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে এক বিরাট বাধা সৃষ্টি করেছে।

টেলিফোনে আলাপকালে সম্পাদকদের ও সংবাদমাধ্যমগুলোর পূর্ণ নিরাপত্তা এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সহযোগিতার আশ্বাস দেন প্রধান উপদেষ্টা।

খুব শিগগিরই এই সম্পাদকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে বলেও জানান প্রধান উপদেষ্টা।

যেসব খাবার ফ্রিজে রাখলেই ক্ষতি!

ফ্রিজ আমাদের রান্নাঘরের অন্যতম ভরসার হাতিয়ার। খাবারকে টাটকা রাখে, নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি কমায় এবং সময় বাঁচায়। তবে সব খাবারই ফ্রিজের ঠান্ডা পরিবেশে ভালো থাকে না। কিছু খাবার ফ্রিজে রাখলে স্বাদ, গন্ধ ও পুষ্টিগুণ হারায়, কখনো কখনো স্বাস্থ্য ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। জেনে নিন, কোন কোন খাবার ফ্রিজের ঠান্ডা বাতাসে কখনো রাখা উচিত নয়।

ফ্রিজে রাখা উচিৎ নয় এমন খাবার-

আলু: ঠান্ডায় আলুর শর্করা চিনিতে পরিণত হয়, ফলে রান্নার স্বাদ নষ্ট হয়। শুষ্ক ও হালকা ঠান্ডা জায়গায় রাখুন।
কলা: ফ্রিজে রাখলে দ্রুত কালচে হয়ে যায়। আধাপাকা কলা ঘরের তাপমাত্রায় রাখুন।
তরমুজ: পুরো তরমুজ ফ্রিজে রাখবেন না। ঘরের তাপমাত্রায় রাখলে অনেক দিন টিকে থাকে। কেটে রাখা হলে অল্প সময়ের জন্য ফ্রিজে রাখা যেতে পারে।
তুলসি পাতা: ঠান্ডায় গন্ধ হারায় এবং কালো দাগ পড়ে। সামান্য পানিতে ছায়াযুক্ত স্থানে রাখুন।
পেঁয়াজ: আলুর পাশে রাখবেন না। বাতাস চলাচলকারী উষ্ণ স্থানে আলাদা রাখুন।
কফি: ফ্রিজে রাখলে সুবাস নষ্ট হয়। বায়ুরোধী পাত্রে, সূর্যালোক থেকে দূরে রাখুন।
রসুন: ফ্রিজে রাখলে ছত্রাক জন্মাতে পারে। শুকনো, উষ্ণ স্থানে সংরক্ষণ করুন।
হট সস বা ঝাল সস: ভিনেগার থাকায় ঘরের তাপমাত্রায় দীর্ঘদিন ভালো থাকে। ফ্রিজে রাখলে ঝাঁজ কমে যায়।
পাউরুটি: ফ্রিজে রাখলে শক্ত ও বাসি হয়ে যায়। রুম টেম্পারেচারে সংরক্ষণ করুন।
তেল (বিশেষ করে অলিভ অয়েল): ফ্রিজে জমে যায়, গঠন ও গন্ধ নষ্ট হয়।
মধু: ফ্রিজে রাখলে স্ফটিক হয়ে শক্ত হয়। বায়ুরোধী পাত্রে ঘরের তাপমাত্রায় রাখুন।
কুমড়া: ঠান্ডায় নরম হয়ে যায়। শুষ্ক, ঠান্ডা স্থানে রাখুন।
খুবানি, কিউই, পিচ, আম: ফ্রিজে রাখলে টেক্সচার নষ্ট হয়। ঘরের তাপমাত্রায় রাখুন।
চিনাবাদাম মাখন (পিনাট বাটার): ফ্রিজে শক্ত হয়ে মাখা কঠিন হয়। রুম টেম্পারেচারে রাখুন।
ময়দা: ফ্রিজে রাখার প্রয়োজন নেই। শুকনো, বদ্ধ পাত্রে সংরক্ষণ করুন।
আচার: ভিনেগার থাকায় ঘরে ভালো থাকে। ফ্রিজে রাখলে স্বাদ কমে।
সয়াসস: ফ্রিজে রাখলে স্বাদ ও ঘ্রাণ নষ্ট হয়।
ডিম: ফ্রিজে রাখলে দীর্ঘদিন ভালো থাকে, তবে ঘরের তাপমাত্রায় রাখলেও স্বাদ অটুট থাকে।
অ্যাভোকাডো: পাকা না হওয়া পর্যন্ত ফ্রিজে রাখবেন না।
শুকনো মাংস (জার্কি বা বিলটং): আর্দ্র পরিবেশে নষ্ট হয়। শুকনো, বদ্ধ পাত্রে রাখুন।
টমেটো: ফ্রিজে রাখলে স্বাদ ও টেক্সচার নষ্ট হয়। উষ্ণ স্থানে রাখুন।
সালাদ: ড্রেসিং না মেশানো হলে ঘরের তাপমাত্রায় কিছুক্ষণ ভালো থাকে।
ক্যাপসিকাম বা বেল পেপার: ফ্রিজে রাখলে ঝাঁজ ও স্বাদ কমে।
সব খাবার ফ্রিজে রাখলেই ভালো থাকে না। খাবারের ধরন অনুযায়ী সংরক্ষণ পদ্ধতি জানলে খাবারের আসল স্বাদ, পুষ্টি এবং স্বাস্থ্য রক্ষা করা সম্ভব। সচেতন সংরক্ষণই নিশ্চিত করবে সুস্থতা এবং টাটকা খাবারের আসল স্বাদ।

এই ৬টি আচরণই প্রমাণ করে আপনি ধীরে ধীরে বিষণ্ণতায় ডুবে যাচ্ছেন

বিষণ্ণতা সবসময় হঠাৎ করে আসে না। অনেক ক্ষেত্রেই এটি নীরবে, ধাপে ধাপে মানুষের আচরণ ও মানসিকতায় পরিবর্তন ঘটাতে থাকে। আমরা অনেক সময় এই পরিবর্তনগুলোকে ক্লান্তি, কাজের চাপ বা সাময়িক মনখারাপ ভেবে এড়িয়ে যাই। কিন্তু মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, দৈনন্দিন কিছু আচরণই স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে একজন মানুষ ধীরে ধীরে বিষণ্নতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বলছে, বিষণ্নতা বর্তমানে বিশ্বজুড়ে অন্যতম বড় মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, যা সময়মতো শনাক্ত না হলে ব্যক্তিগত জীবন, কাজের দক্ষতা এবং শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপরও মারাত্মক প্রভাব ফেলে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিচের ছয়টি আচরণ দীর্ঘদিন ধরে দেখা দিলে তা কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়।

প্রথমত, আগ্রহ হারিয়ে ফেলা।
যে কাজগুলো একসময় আনন্দ দিত, সেগুলোর প্রতি হঠাৎ আগ্রহ কমে যাওয়া বিষণ্নতার একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। প্রিয় গান, সিনেমা, বই বা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর ইচ্ছা না থাকলে এবং সবকিছুই নিরর্থক মনে হতে থাকলে এটি গভীর মানসিক সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

দ্বিতীয়ত, অতিরিক্ত ক্লান্তি ও শক্তিহীনতা।
পর্যাপ্ত ঘুমের পরও যদি সারাক্ষণ ক্লান্ত লাগে, সামান্য কাজেই অবসন্ন বোধ হয়, তাহলে তা শুধু শারীরিক নয়, মানসিক ক্লান্তির ফলও হতে পারে। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষণ্নতায় ভুগলে মস্তিষ্কের কার্যক্রম এমনভাবে প্রভাবিত হয় যে শরীর সবসময় শক্তিহীন মনে হয়।

তৃতীয়ত, ঘুমের ধরনে পরিবর্তন।
কেউ কেউ বিষণ্নতায় ভুগলে অতিরিক্ত ঘুমান, আবার কেউ রাতের পর রাত ঘুমোতে পারেন না। মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যাওয়া, ভোরে জেগে ওঠা কিংবা অনিদ্রা বিষণ্নতার সাধারণ কিন্তু উপেক্ষিত লক্ষণ।

চতুর্থত, নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া।
পরিবার, বন্ধু বা সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ কমিয়ে দেওয়া, ফোন ধরতে অনীহা, সামাজিক অনুষ্ঠান এড়িয়ে চলা—এসব আচরণ ধীরে ধীরে মানসিক একাকীত্ব তৈরি করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিষণ্নতায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা অনেক সময় নিজের সমস্যার কথা কাউকে বলতে চান না, বরং নিজেকে আলাদা করে রাখেন।

পঞ্চমত, নিজেকে নিয়ে নেতিবাচক ভাবনা।
বারবার নিজেকে অযোগ্য, ব্যর্থ বা অন্যদের জন্য বোঝা মনে হওয়া বিষণ্নতার একটি গুরুতর লক্ষণ। অতীতের ছোট ভুল নিয়ে অতিরিক্ত অনুশোচনা করা কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম হতাশায় ভোগাও এই অবস্থার অংশ হতে পারে।

ষষ্ঠত, রাগ ও বিরক্তি বেড়ে যাওয়া।
বিষণ্নতা মানেই সবসময় চুপচাপ থাকা নয়। অনেকের ক্ষেত্রে সামান্য বিষয়েও রেগে যাওয়া, অস্থিরতা বা বিরক্তিভাব বেড়ে যায়। পরিবার বা সহকর্মীদের সঙ্গে অকারণে ঝগড়া হওয়াও বিষণ্নতার লক্ষণ হতে পারে বলে জানান মনোবিজ্ঞানীরা।

কখন সাহায্য নেওয়া জরুরি
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আচরণগুলো যদি দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলতে থাকে এবং দৈনন্দিন জীবন, কাজ বা সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে শুরু করে, তাহলে দেরি না করে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া উচিত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সময়মতো চিকিৎসা ও কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে বিষণ্নতা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া কোনো দুর্বলতা নয়। বরং নিজের পরিবর্তনগুলো চিনে নেওয়াই সুস্থ জীবনের প্রথম ধাপ। যদি নিজের বা কাছের কারও আচরণে এই লক্ষণগুলো দেখতে পান, তাহলে নীরবে সহ্য না করে সাহায্যের হাত বাড়ান।

কুষ্টিয়ায় হ্যান্ডবল লিগে চ্যাম্পিয়ন সংগ্রাম স্পোর্টিং

বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায়, মৌসুমী ইন্ডাস্ট্র্রিজ লিমিটেডের (কিউট) পৃষ্ঠপোষকতায় এবং কুষ্টিয়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে কিউট কুষ্টিয়া জেলা পুরুষ হ্যান্ডবল লিগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সংগ্রাম স্পোর্টিং ক্লাব। বুধবার কুষ্টিয়া সরকারিৎ কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচে সংগ্রাম স্পোর্টিং ২৪-২৩ গোলে সেভেন স্টার স্পোর্টিং ক্লাবকে পরাজিত করে।
গত ১৫ ডিসেম্বর শুরু হওয়া আসরে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার উঠেছে সংগ্রামের নিশাদের হাতে। ফাইনাল খেলা শেষে কুষ্টিয়া জেলার পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিন, পিপিএম (বার) চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার প্রদান করেন। সমাপনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কুষ্টিয়া জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. তানভীর হোসেন।

এর আগের দিনের শুরুতে অনুষ্ঠিত প্রথম সেমিফাইনালে সংগ্রাম স্পোর্টিং ক্লাব ৩৩-২৮ গোলে দৌলতপুর স্পোর্টসকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ১৯-১৫ গোলে সেভেন স্টার স্পোর্টিং ক্লাবের কাছে হার মানে কুষ্টিয়া জেলা স্কুল হ্যান্ডবল দল।

বিশ্বকাপে ‘অবৈধ’ খেলোয়াড় নেওয়ার অভিযোগ তুলেছে নাইজেরিয়া

আগামী বছরের ফুটবল বিশ্বকাপে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখতে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দিয়েছে নাইজেরিয়া ফুটবল ফেডারেশন (এনএফএফ)। অভিযোগে বলা হয়েছে, আফ্রিকা অঞ্চলের প্লে-অফ ফাইনালে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (ডিআর কঙ্গো) একাধিক অযোগ্য খেলোয়াড় মাঠে নামিয়েছে।

গত মাসে মরক্কোয় অনুষ্ঠিত ওই ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের পর টাইব্রেকারে নাইজেরিয়াকে হারিয়ে ইন্টারকন্টিনেন্টাল প্লে-অফে জায়গা করে নেয় ডিআর কঙ্গো। আগামী মার্চে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই প্লে-অফ থেকে কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপের শেষ দুটি টিকিট নির্ধারিত হবে।

তবে এনএফএফের অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক পরিচয় বদলানো কয়েকজন খেলোয়াড়। নাইজেরিয়ার দাবি, ওই ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর হয়ে খেলা অ্যারন ওয়ান-বিসাকা ও অ্যাক্সেল তুয়ানজেবে আইনগতভাবে খেলার জন্য বৈধ নন। কারণ, কঙ্গোর আইনে দ্বৈত নাগরিকত্বের অনুমতি নেই, অথচ এই খেলোয়াড়দের ইউরোপীয় ও ফরাসি পাসপোর্ট রয়েছে।

নাইজেরিয়া ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সানুসি বলেন, ‘আমাদের দাবি, ফিফাকে ভুল তথ্য দিয়ে তাদের খেলার অনুমতি নেওয়া হয়েছে।

কঙ্গোর আইনে দ্বৈত নাগরিকত্বের সুযোগ নেই, কিন্তু তাদের কয়েকজন খেলোয়াড় একাধিক দেশের পাসপোর্টধারী। আমরা এটিকে ফিফার নিয়ম ভঙ্গ এবং প্রতারণা বলেই মনে করি।’

এনএফএফ জানিয়েছে, তারা অভিযোগের পক্ষে প্রয়োজনীয় নথি ও আইনি যুক্তি ফিফার কাছে জমা দিয়েছে। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে ফিফার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বিবিসি, তবে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে ডিআর কঙ্গো ফুটবল ফেডারেশন (ফেকোফা) অভিযোগটি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। লেপার্ডসের অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আইনের ফাঁক খুঁজে জেতার চেষ্টা করছে নাইজেরিয়া। বিশ্বকাপ খেলতে হয় মর্যাদা ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে, আইনজীবীদের কৌশলে নয়।’

সেখানে নাইজেরিয়াকে ‘খারাপ পরাজিত’ আখ্যা দিয়ে অভিযোগটিকে অখেলোয়াড়সুলভ বলেও উল্লেখ করা হয়।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড় একবারই জাতীয় দল পরিবর্তনের আবেদন করতে পারেন এবং সেটি লিখিতভাবে ফিফার প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষ।

ফিফা একটি দেশের হয়ে খেলতে সংশ্লিষ্ট দেশের পাসপোর্ট থাকার শর্ত দিলেও, একাধিক পাসপোর্ট রাখার বিষয়ে বাধা নেই। তবে কঙ্গোর জাতীয় আইনে দ্বৈত নাগরিকত্ব অনুমোদিত নয়, এটিকেই মূল যুক্তি হিসেবে তুলে ধরছে নাইজেরিয়া।

ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পৌঁছালে কয়েকটি সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

প্রথমত, প্রমাণ অপর্যাপ্ত মনে হলে অভিযোগ খারিজ করে ডিআর কঙ্গোর যোগ্যতা বহাল রাখা হতে পারে। দ্বিতীয়ত, তদন্ত করে প্রক্রিয়াগত ত্রুটি পেলে ফেডারেশনকে জরিমানা বা সতর্কবার্তা দেওয়া হতে পারে, যদিও ম্যাচের ফল অপরিবর্তিত থাকবে। সবচেয়ে গুরুতর ক্ষেত্রে খেলাধুলাভিত্তিক শাস্তি—ম্যাচ বাতিল, প্রতিপক্ষকে জয় দেওয়া বা পয়েন্ট কর্তনের মতো সিদ্ধান্তও আসতে পারে।

এর আগে ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইয়ে অযোগ্য খেলোয়াড় খেলানোর দায়ে ইকুয়েটোরিয়াল গিনির ছয় পয়েন্ট কেটে নেয় ফিফা। যদিও সেই সিদ্ধান্ত পরে প্রত্যাহার করা হয়, তবে পয়েন্ট আর ফেরত পায়নি তারা। একইভাবে দক্ষিণ আফ্রিকাও স্থগিত খেলোয়াড় নামানোর কারণে লেসোথোর বিপক্ষে জয় হারিয়ে ৩-০ ব্যবধানে পরাজিত হিসেবে গণ্য হয়েছিল।

এবার বিশ্ববাজারে রুপার দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ

বিশ্ববাজারে রুপার দাম নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছে। একই সঙ্গে মার্কিন শ্রমবাজারের দুর্বল তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পর সোনার দামেও উর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ ভবিষ্যতে সুদহার আরও কমাতে পারে এমন প্রত্যাশা মূল্যবান ধাতুর বাজারকে আরও উজ্জীবিত করছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) স্পট সিলভারের দাম একদিনে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৬৫ দশমিক ৯৪ ডলারে পৌঁছেছে। লেনদেন শুরুতে রুপার দাম সর্বকালের সর্বোচ্চ ৬৬ দশমিক ৫২ ডলার পর্যন্ত ওঠে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সরবরাহ সংকট, শিল্প খাতে শক্তিশালী চাহিদা এবং জল্পনামূলক বিনিয়োগ মিলিতভাবে রুপার দামে উল্লম্ফনের কারণ হয়েছে। স্বাধীন বিশ্লেষক রস নরম্যান বলেন, “রুপা এখন বিকল্প বিনিয়োগের অন্যতম আলোচিত সম্পদ। সবুজ জ্বালানি কর্মসূচির সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকায় ভবিষ্যৎ চাহিদা অত্যন্ত ইতিবাচক। সরবরাহ সংকটের কারণে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ আরও বাড়ছে।”

মার্কিন শ্রমবাজারের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, খামার বহির্ভূত খাতে নতুন ৬৪ হাজার কর্মসংস্থান তৈরি হলেও, নভেম্বর মাসে দেশটির বেকারত্বের হার বেড়ে ৪ দশমিক ৬ শতাংশে পৌঁছেছে, যা ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরের পর সর্বোচ্চ। অর্থনীতিবিদরা এটিকে শ্রমবাজারে ধীরগতির স্পষ্ট ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।

এদিকে, বিনিয়োগকারীরা যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মুদ্রাস্ফীতির তথ্যের দিকে নজর দিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার ভোক্তা মূল্য সূচক এবং শুক্রবার ব্যক্তিগত ভোগ ব্যয়ের তথ্য প্রকাশিত হবে, যা ভবিষ্যৎ সুদহার সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেবে।

গত সপ্তাহে ফেডারেল রিজার্ভ চলতি বছরের তৃতীয় ও শেষ দফায় কোয়ার্টার-পয়েন্ট সুদহার কমানোর ঘোষণা দেয়। ফেড চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের বক্তব্য বাজারে তুলনামূলকভাবে নমনীয় হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বর্তমানে ২০২৬ সালে দুটি ২৫ বেসিস পয়েন্ট সুদহার কমানোর সম্ভাবনা হিসাব করছেন। সাধারণত কম সুদের পরিবেশে সোনাসহ অ-ফলনশীল সম্পদের চাহিদা বৃদ্ধি পায়।

ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিও বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলায় প্রবেশ এবং দেশটি থেকে অনুমোদিত তেল ট্যাঙ্কার বের হওয়া বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন, যা বৈশ্বিক পণ্যমূল্যের বাজারকে প্রভাবিত করতে পারে।

অন্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। প্ল্যাটিনামের দাম ৩ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১,৯২০ দশমিক ৭১ ডলারে পৌঁছেছে, যা ১৭ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ১,৬৩৪ দশমিক ২৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা দুই মাসের সর্বোচ্চ।

রস নরম্যান বলেন, “সাদা ধাতুর পুরো খাতই সমান্তরালভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০৩৫ সালের দহন ইঞ্জিন নিষিদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ায় প্ল্যাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।”

এই পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের কাছে রুপা, সোনা এবং অন্যান্য মূল্যবান ধাতু এখন আরও আকর্ষণীয় বিনিয়োগ হিসাবে দেখা দিচ্ছে।

১ দিনের ব্যবধানে আবারও বদলে গেলো সোনার দাম!

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও আকাশচুম্বী। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড ঘোষণা করেছে। নতুন দর অনুযায়ী, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৭ হাজার টাকা ছাড়িয়েছে। এর আগে গত সোমবারও (১৫ ডিসেম্বর) প্রতি ভরিতে ১ হাজার ৪৭০ টাকা বাড়ানো হয়েছিল।