Home Blog Page 232

আমি হাদীকে রিপ্লাই দিছিলাম জামায়াতের সাথে কথা বলবো

ভাই আমার আমি দরকার হলে জামায়াতের নেতাদের পায়ে ধরবো ভাই, তবে তোকে কিন্তু ফিরে আসতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন।

আজ বৃহস্পতিবার (১৮ই ডিসেম্বর) নিজের ব্যাক্তিগত ভেরিফায়েড ফেসবুক এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন সাংবাদিক ইলিয়াস।

ইলিয়াস হোসেন তার পোস্টে জানান, ঢাকা-৮ আসনে সাদিক কায়েমের নাম প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আসার পর ওসমান হাদী সাদিক কায়েমকে স্বাগত জানিয়ে একটা পোস্ট করে৷ পোস্ট করার পর হাদী কেন জানি পোস্টের লিংকটা আমাকে পাঠালো৷ হয়তো বুঝাতে চেয়েছিলো সাদিক কায়েমের মতো শক্তিশালী প্রার্থী  যেন জামায়াত তার বিপরীতে না দেয়৷

কিছু জিজ্ঞেস না করেই আমি হাদীকে রিপ্লে দিয়েছিলাম উল্লেখ করে তিনি আরো জানান, জামায়াতের সাথে কথা বলবো, হাদীর আসনে যেন জামায়াত কোন প্রার্থী না দেয়৷ হাদী একটা লাভ রিয়েক্ট দিলো৷ ওইটাই ছিলো আমাদের শেষ কথা৷ ডিসেম্বরের ৬ তারিখ!

পোস্টের শেষে সাংবাদিক ইলিয়াস জানান, হাদী, ভাই আমার আমি দরকার হলে জামায়াতের নেতাদের পায়ে ধরবে ভাই, তবে তোকে কিন্তু ফিরে আসতে হবে৷ প্লিজ ভাই তুই আবার আগের মতো ফোন করবি, টেক্সট করবি, আবদার করবি, প্রোগ্রামের সুচী পাঠাবি আমি আমার পেইজে শেয়ার দিবো ইনশাআল্লাহ্৷

খালেদা জিয়ার অবস্থা স্থিতিশীল : এজেডএম জাহিদ হোসেন

খালেদা জিয়ার অবস্থা স্থিতিশীল,  আগের মতোই চিকিৎসা গ্রহন করছেন বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে  এভারকেয়ার হাসপাতালের বাইরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে  বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক  এই কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘‘ উনার অবস্থা স্থিতিশীল আছে।উনি( খালেদা জিয়া) এখন পর্যন্ত চিকিৎসকদের পরামর্শ মোতাবেক যে চিকিৎসা উনাকে দেওয়া হচ্ছে সেই চিকিৎসা উনি ঠিকমতো গ্রহণ করতে পারছেন এ

‘‘ উনার শারীরিক অবস্থা গত কয়েকদিন পূর্বেও যে অবস্থায় ছিল… আলহামদুলিল্লাহ উনি সেটি মেনটেইন করতে পারছেন।”

গত ২৩ নভেম্বর খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। এর তিন দিন পর তার ফুসফুসে সংক্রামণ হলে তার ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে নিয়ে চিকিৎসা দিচ্ছে অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে দেশী-বিদেশী চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড ।

‘আশাবাদী আমরা’

বিএনপি চেয়ারপারসন সুস্থ হয়ে উঠবেন এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘‘ উনার সাথে সম্পৃক্ত আমরা যারা এই হসপিটালের চিকিৎসকরা অত্যন্ত আশাবাদী ইনশাআল্লাহ, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে যাবেন।”

‘‘ তারপরেও মনে রাখতে হবে, উনার বয়সের চেয়ে বেশি উনার যে অসুস্থতা এবং উনাকে পরিকল্পিতভাবে যেরকম অসুস্থ অবস্থার মধ্যে বিগত সময়ে ঠেলে দেওয়া হয়েছে, চিকিৎসা দেওয়া যায়নি অথবা দিতে দেওয়া হয়নি সেই কারণেই উনার শারীরিক জটিলতা মারাত্মকভাবে বেড়ে গিয়েছে…. এবার উনি বেশি সময় পার করছেন।”

‘জনাব তারেক-জুবাইদা সার্বক্ষনিক দেখছেন’

জাহিদ  বলেন, এই বিষয়ে আমি শুধু আপনাদের এইটুকু অবহিত করতে চাই। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান উনার সহধর্মিনী  জুবাইদা রহমান সবসময় উনার চিকিৎসার ব্যাপারে সার্বক্ষণিকভাবে তদারকি করছেন এবং উনার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর সহ-ধর্মিনী  সৈয়দ শামিলা রহমান, ম্যাডামের ভাই শামীম  এস্কান্দার, বড় বোন সেলিনা ইসলামসহ পরিবারের সদস্যরা সার্বক্ষণিকভাবে আছেন,  খোঁজ-খবর রাখছেন। উনার পাশে তো আর থাকা যাচ্ছে না যেহেতু উনি ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে আছে আজ উনারা হসপিটালে অথবা হসপিটালের বাইরে অবস্থান করে উনার চিকিৎসার ব্যাপারে খোঁজ নিচ্ছেন।”

এছাড়া অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান, উপদেষ্টাগণ, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যগণ, এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারিদের সর্বাত্মক সহযোগিতার জন্য কতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অধ্যাপক জাহিদ।

‘নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান’

অধ্যাপক জাহিদ বলেন, ‘‘ এই হাসপাতালে আরো অনেক রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। সেই সমস্ত রোগীদের চিকিৎসা যাতে কোন ব্যাঘাত না ঘটে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সহযোগিতা করছেন। আমি আপনাদের মাধ্যমে সকলকে অনুরোধ করতে চাই, এই হসপিটাল সবার জন্য উন্মুক্ত। এই হসপিটালের সেবা গ্রহণ করার সুযোগ সবারই আছে।”

‘‘  কাজেই আপনারা পূর্বে যারা সেবা গ্রহণ গ্রহণ করবেন এবং কোন অবস্থাতেই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য আপনাদের চিকিৎসার কোন ব্যাঘাত ঢুকবে না এবং আমরা কোন নেতাকর্মী কোন ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করবে না। এটা আমরা বিশ্বাস করি, এটা আমরা আশা রাখি।”

‘যে ভারত খুনি পালে সেই ভারত ভেঙ্গে দাও; বাবরের পথ ধরো সেভেন সিস্টার্স স্বাধীন করো’

ঢাকার বুকে আবারও যেন জুলাইয়ের উত্তাল স্লোগান। অগ্নিঝরা হাওয়া রাজধানীর বাতাসে। পুলিশের ব্যারিকেডের সামনে দাসত্বের প্রতিবাদ। কুটনৈতিক দরবারে কড়া বার্তা। বর্তমান সরকারকে হুঁশিয়ারি। দেশ প্রেমিক ছাত্রজনতা এক কণ্ঠে একসূরে ক্ষোভ প্রতিবাদের স্লোগান। “যে ভারত খুনি পালে সেই ভারত ভেঙ্গে দাও” “যেই ভারত হাসিনা পালে সেই ভারত ভেঙ্গে দাও”। ” বাবরের পথ ধরো সেভেন সিস্টার্স  স্বাধীন করো”, ” যেই ভারত জঙ্গি পালে সেই ভারত ভেঙ্গে দাও” ,  ” যেই ভারত কসাই পালে সেই ভারত ভেঙ্গে দাও”। ” দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা”, ” গোলামী না আজাদী, আজাদী আজাদী” , আপোষ না সংগ্রাম, সংগ্রাম। বুধবার ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন অভিমুখে ‘মার্চ টু ইন্ডিয়ান হাইকমিশন’ কর্মসূচিতে  জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সঙ্গে যুক্ত একাধিক সংগঠনের মোর্চা ‘জুলাই ঐক্য’র’ব্যনারে এই দৃশ্যপট দেখা গেছে ।

জুলাই অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক স্বৈরাচার শেখ হাসিনাসহ ভারতে পালিয়ে থাকা সব খুনিদের ফিরিয়ে দেয়ার দাবি এবং ভারতীয় প্রক্সি রাজনৈতিক দল, মিডিয়ালীগ ও সরকারি কর্মকর্তাদের অব্যাহত ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে এই কর্মসূচী পালন করা হয়।  সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের একটি অংশ, ডাকসু, জাকসুর একাধিক নেতা, বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসা ও স্কুলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেয়। বুধবার বিকেলে কর্মসূচিটি রামপুরা ব্রিজ থেকে শুরু হয়ে মধ্য বাড্ডা পর্যন্ত অগ্রসর হলে পুলিশি বাধার মুখে পড়ে। পরে কর্মসূচিটি সেখানে থামিয়ে দিলে হাজারও মানুষের উপস্থিতিতে প্রতিবাদ কর্মসূচী সমাবেশে রূপ নেয়। জুলাই ঐক্যের নেতাকর্মীরা তখন মধ্য বাড্ডায় অবস্থান নিয়ে বক্তব্য শুরু করেন।

জুলাই ঐক্যের সংগঠক ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের বলেন, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পরবর্তী সময় থেকে ভারতের প্রক্সিরা নতুন করে বাংলাদেশ নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। চব্বিশের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে বাংলাদেশে গণ-হত্যা চালানো সব খুনিদের আশ্রয় দিয়েছে ভারত। সর্বশেষ আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা জুলাইয়ের অস্তিত্ব শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করার পর আনন্দ-উল্লাস করে ভারতীয়রা। বাংলাদেশ ২.০-এ কোনো আধিপত্যবাদকে আমরা মেনে নেবো না। চব্বিশের খুনিরা ঘুরে বেড়াচ্ছে তাদের আটক করার কোনো উদ্যেগ নেই। জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্রজনতাঁর উপর আওয়ামী সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের কোনো অগ্রগতি নেই। দিনদুপুরে আমার ভাই হাদিকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে সেই অপরাধীদের এখনো গ্রেফতাঁর করতে পারে নাই। শুনে রেখো ইন্টোরিম দুই হাজার ছাত্রজনতার রক্তের উপর তোমাদের এজন্যই বসানো হয় নাই। যদি খুনি হাসিনাকে ভারত থেকে বিচার করতে না পারো তাহলে যেই পথে হাসিনা গিয়েছে তোমাদেরও সেই কাঠগড়ায় দাড় করানো হবে। ‘আজকে আমরা তোমাদের প্রতি আমাদের যে ঘৃণা, সেই ঘৃণা প্রদর্শনের জন্য হাইকমিশন পর্যন্ত এসেছি। আজকে এখানে থেমেছি; যদি তোমরা সংশোধন না হও, তাহলে ভেতরেও (হাইকমিশন) ঢুকব।’

জুলাই ঐক্যের অন্যতম সংগঠক, ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, আমার ভাই ওসমান হাদীকে হত্যার চেষ্টাকারী কোথায় পাওয়া গিয়েছে ভারতে। এর মানে কী? হাদী ভাইয়ের বুকে এই গুলি কে চালিয়ে? এই গুলি ভারত চালিয়েছে। হাদির গায়ে গুলি কেন? ভারত তুই জবাব দিনি… । তিনি বলেন, হুঁশিয়ার করে বলে দিতে চাই বাংলাদেশের জমিনে আর কোনো ভারতের বস্তির টোকাইদের ছাড় দেওয়া হবে না। জুলাইয়ের সেবাদাসী হাসিনাকে যেভাবে উৎখাত করা হয়েছে সেইভাবে ভারতের বস্তির সন্তানদেরও উৎখাত করা হবে। সেভাবে এইবার সেভেন সিস্টার্স খেলে দেওয়া হবে। ভারত যদি খুনিদের ফেরত না দেয় তাহলে বাংলাদেশ থেকে বাজেট বন্ধ করে দেওয়া হবে বলেও হুশিয়ারি দেওয়া হয়। দুই হাজার ছাত্রজনতার রক্তের উপর দাঁড়ানো সরকারের একমাত্র দায়িত্ব ছিলো হাসিনাকে ভারত থেকে ফেরত আনা, কিন্তু সেটা তাঁরা করতে পারেনি। বাংলাদেষের নিরাপত্তা উপদেষ্টা ভারতের সাথে গোপন বৈঠক করে বলেও অভিযো তুলেন মোসাদ্দেক। এটা জুলাইয়ের শহীদদের সাথে গাদ্দারী বলেও তিনি উল্লেখ করেন। ভারত থেকে খুনি কসাইদের ফেরতের বিষয়ে কী পদক্ষেপ সেটা আমরা জানতে চাই। ভারতের রাজধানী দুইটা, একটা দিল্লিতে আরেকটা কাওরান বাজারে বলেও দাবী তোলা হয়।

হুঁশিয়ারি দিয়ে মোসাদ্দেক আলী বলেন, পরের বার আমরা আসব, সবারে হাতে থাকবে কুন্তা-কুড়াল। একটা ইটও আস্তা রাখা হবে না এখানে। বাংলাদেশ থেকে ভারতের সকল হাইকমিশনার উচ্ছেদ করে দেশ থেকে বিতাড়িত করে দেওয়া হবে। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সমালোচনা করে মোসাদ্দেক বলেন, আমরা ভেবেছিলাম উনি (তৌহিদ) ভারতের চোখে চোখ রেখে কথা বলবেন কিন্তু তার কাজকর্ম আমাদেরকে হতাশ করেছে। এখন পর্যন্ত হাসিনাকে ফেরত আনার বিষয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার কোনো চোখ রাঙানো প্রতিবাদ আমরা দেখি নাই, সীমান্তে হত্যা হয় তারও কোনো প্রতিবাদ আমরা দেখি নাই। পররাষ্ট্র উপদেষ্টাকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন,যদি এভাবে চালাইতে থাকেন তাহলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও করে আপনার পদত্যাগ চাইতে বাধ্য হবো।

জুলাই ঐক্যের সংগঠক ইসরাফিল ফরাজি  বলেন, ‘আজকের এই কর্মসূচি ছিল একটি সতর্কবার্তা। আমরা জানতে পেরেছি, ভারত লবিস্ট নিয়োগ করেছে গণহত্যাকারী দল আওয়ামী লীগের জন্য, যারা বিএনপি-জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের কাছে যাচ্ছে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের জন্য। বিভিন্ন দেশের দূতাবাস থেকেও একইভাবে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর তৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছে।’ভারতের সঙ্গে থেকে যারা আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করতে চায়, তাদের ‘সাবধান করে দিয়ে’ ইসরাফিল ফরাজি বলেন, ‘আজ আমরা থেমে যাচ্ছি, সামনে আমাদের থামানোর ক্ষমতা প্রশাসন দেখাতে পারবে না। আজ আমরা হাজারে এসেছি, সামনে লাখে আসব। শেখ হাসিনাসহ সকল খুনিদের যদি ফিরিয়ে দেওয়া না হয়, তাহলে সামনের দিনগুলো ভারতের জন্য ভালো হবে না।’

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ২৫ ডিসেম্বর ঘিরে বিএনপির বিশাল প্রস্তুতি

দীর্ঘ ১৮ বছর লন্ডনে নির্বাসন কাটিয়ে আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর এই প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যেমন ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে, তেমনি বিএনপির তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। স্মরণকালের সেরা সংবর্ধনা দিতে প্রস্তুতির কোনো কমতি রাখছে না দলটি।

তারেক রহমানকে বরণ করে নিতে ইতিমধ্যে একটি শক্তিশালী অভ্যর্থনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ কমিটির আহ্বায়ক এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ১০ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের এই কমিটিতে রাখা হয়েছে। প্রতিটি সাংগঠনিক ইউনিটকে বিমানবন্দরে সুশৃঙ্খলভাবে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি। চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামকে।

দক্ষ কর্মীদের নিয়ে একটি বিশেষ নিরাপত্তা দল গঠন করা হচ্ছে, যারা বিমানবন্দর থেকে শুরু করে তাঁর পরবর্তী গন্তব্য পর্যন্ত নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। সূত্রমতে, ২৫ ডিসেম্বর বিমানবন্দরে নামার পর তারেক রহমানের সম্ভাব্য গন্তব্যগুলো হলো: বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি হাসপাতালে যাবেন চিকিৎসাধীন মা বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে।

তিনি গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসায় উঠবেন, যা খালেদা জিয়ার বাসভবন ‘ফিরোজা’র পাশেই অবস্থিত। গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয় এবং নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তাঁর বসার জন্য পৃথক কক্ষ ইতিমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে।

তারেক রহমান দেশে ফিরেই সরাসরি নির্বাচনী প্রচারণায় নামবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। গত সোমবার ভার্চুয়াল বক্তব্যে তিনি নিজেই জানিয়েছেন, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি দেশের প্রতিটি গ্রাম-গঞ্জে, শহরে-বন্দরে এবং পাড়া-মহল্লায় সশরীরে নির্বাচনী জনসভায় অংশগ্রহণ করবেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “দেশবাসী আমাদের নেতার অপেক্ষায় আছে। ২৫ ডিসেম্বর নেতাকর্মীরা সড়কের দুই পাশে সুশৃঙ্খলভাবে দাঁড়িয়ে প্রিয় নেতাকে অভ্যর্থনা জানাবেন।”

রাজশাহীতে কাল শুরু হচ্ছে আন্তঃকলেজ ফুটবলের তৃতীয় আসর

রাজশাহীতে তৃতীয়বারের মতো শুরু হচ্ছে চার দিনব্যাপী বিভাগীয় আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট। রাজশাহী বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিসের উদ্যোগে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে বিভাগের ৮টি জেলার ১৬টি কলেজ দল। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আয়োজিত টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলার উদ্বোধন করবেন রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম. বজলুর রশীদ। উদ্বোধনী ম্যাচে রাজশাহীর নওহাটা সরকারি কলেজের মুখোমুখি হবে পাবনা জেলার বেড়া সরকারি কলেজ। এই ম্যাচের মধ্য দিয়েই শুরু হবে চার দিনব্যাপী প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফুটবল লড়াই। তৃতীয় আসরের এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করছে- রাজশাহী জেলা থেকে নওহাটা সরকারি কলেজ ও সরদহ সরকারি কলেজ; পাবনা জেলা থেকে বেড়া সরকারি কলেজ ও আটঘড়িয়া সরকারি কলেজ; নাটোর জেলা থেকে বিলচলন শহীদ শামসুজ্জোহা সরকারি কলেজ ও সিংড়া দমদমা পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজ; সিরাজগঞ্জ জেলা থেকে গজাইল অনার্স কলেজ ও বেলকুচি সরকারি কলেজ; বগুড়া জেলা থেকে সরকারি আজিজুল হক কলেজ ও বগুড়া সরকারি জেলা কলেজ; জয়পুরহাট জেলা থেকে সরকারি মুজিবুর রহমান আক্কেলপুরী কলেজ ও কড়ই নুরুল হুদা কামিল মাদ্রাসা; নওগাঁ জেলা থেকে সাপাহার সরকারি কলেজ ও মহাদেবপুর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, চার দিনব্যাপী এই টুর্নামেন্টে মোট ১৫টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার  প্রথম রাউন্ডের ৮টি ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে প্রতিযোগিতা। প্রথম রাউন্ডের ম্যাচগুলো সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়াম ও শারীরিক শিক্ষা কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম রাউন্ডে প্রতিটি জেলার প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো নকআউট ভিত্তিতে অংশ নেবে। বিজয়ী ৮টি দল উঠবে দ্বিতীয় রাউন্ডে। দ্বিতীয় রাউন্ডে মোট ৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রথম রাউন্ডের জয়ী দলগুলো মুখোমুখি হবে। সেখান থেকে চারটি দল সেমিফাইনালে জায়গা করে নেবে। সেমিফাইনালের দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে নির্ধারিত দিনে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়াম  মাঠে। সেমিফাইনাল শেষে বিজয়ী দুটি দল ফাইনালে মুখোমুখি হবে। টুর্নামেন্টের বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে। ফাইনাল ম্যাচ শেষে টুর্নামেন্টের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিভাগীয় কমিশনার।

এ বিষয়ে বিভাগীয় আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন,“বিভাগীয় পর্যায়ে এ ধরনের আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলায় আগ্রহী ও উৎসাহী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ফুটবল চর্চার বিস্তার এবং প্রকৃত প্রতিভা অন্বেষণের পাশাপাশি কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যেই এই আয়োজন।”
তিনি আরও বলেন, “তৃতীয়বারের মতো রাজশাহীতে এমন বিভাগীয় আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে পেরে আমরা আনন্দিত। ইতোমধ্যে এই টুর্নামেন্টকে ঘিরে খেলোয়াড় ও দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। কলেজ পর্যায়ের ফুটবলে নতুন উদ্দীপনা ও সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে—এমন প্রত্যাশা করেন তিনি।

অস্বাভাবিক শীত লাগছে? শরীর জানাচ্ছে যে ভিটামিনের ঘাটতির ইঙ্গিত

চারপাশের সবাই যখন স্বাভাবিক, তখনও কি আপনার গায়ে কাঁটা দিচ্ছে ঠান্ডায়? শুধু আবহাওয়ার শীত নয়, সাম্প্রতিক সময়ে এই বিষয়টি ঘিরে আলোচনা বলছেঅতিরিক্ত শীত লাগার পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে শরীরের ভেতরের এক নীরব সংকেত। বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্দিষ্ট কিছু ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতিই অনেক সময় এই সমস্যার মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

চিকিৎসকদের ভাষায়, ভিটামিন বি১২ ও আয়রনের ঘাটতি অতিরিক্ত শীত লাগার অন্যতম প্রধান কারণ। এই দুই উপাদান রক্তের মাধ্যমে শরীরের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মাত্রা কমে গেলে রক্তের অক্সিজেন বহনক্ষমতা হ্রাস পায়, ফলে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ব্যাঘাত ঘটে। এরই পরিণতিতে স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি ঠান্ডা অনুভূত হয়।

শুধু শীত লাগাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, নিস্তেজভাব, হাত-পায়ে ঝিনঝিন করা বা অবশ লাগার মতো উপসর্গও ভিটামিন বি১২ ও আয়রনের ঘাটতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। সময়মতো এই ঘাটতি পূরণ না হলে রক্তস্বল্পতা, স্নায়বিক জটিলতা এবং দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা বাড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, অকারণে বারবার শীত লাগাকে হালকাভাবে নেওয়া ঠিক নয়। অনেক সময় এই অনুভূতি শরীরের ভেতরে চলতে থাকা কোনো জৈবিক ঘাটতি বা বড় সমস্যার পূর্বাভাস দেয়। তাই স্বাভাবিকের বাইরে ঠান্ডা লাগা অনুভূত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে রক্তে ভিটামিন বি১২ ও আয়রনের মাত্রা পরীক্ষা করানোই বুদ্ধিমানের কাজ।

স্বাস্থ্য ও মানবদেহ নিয়ে কৌতূহল বাড়লেও, চিকিৎসকদের মতে সবচেয়ে জরুরি হলো শরীরের সংকেতগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া। কারণ অতিরিক্ত শীত লাগা অনেক সময়ই হতে পারে শরীরের ভেতরে জমে ওঠা বড় সমস্যার প্রথম সতর্ক ঘণ্টা।

আবারো ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন মেহেদী হাসান মিরাজ

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সিরামিক ও গ্রেস পোর্শেলিন ওয়াল টাইলস, ফ্লোর টাইলস, কাউন্টারটপ এবং স্যানিটারি ওয়্যার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান RAK Ceramics Bangladesh ২০২৬–২০২৭ মেয়াদের জন্য তাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ-এর সঙ্গে চুক্তি নবায়নের ঘোষণা দিয়েছে।

২০২১ সাল থেকে মেহেদী হাসান মিরাজ RAK Ceramics-এর সঙ্গে যুক্ত আছেন এবং এই সময়ে তিনি ব্র্যান্ডটির পারফরম্যান্স, ধারাবাহিকতা ও নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। মাঠে তার ধারাবাহিক সাফল্য ও যোগ্য নেতৃত্ব RAK Ceramics-এর টেকসই, উদ্ভাবনী এবং নান্দনিক লাইফস্টাইল সল্যুশন প্রদানের দর্শনের সঙ্গে দৃঢ়ভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা দেশের আধুনিক ঘরবাড়ির ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কযুক্ত।

চুক্তি নবায়ন উপলক্ষে আনুষ্ঠানিক সাইনিং অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্মেলন সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে RAK Ceramics Bangladesh-এর ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপনা, ব্যবসায়িক অংশীদার, বিশিষ্ট অতিথি এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে RAK Ceramics Bangladesh-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (CEO) সাধন কুমার দে বলেন, “মেহেদী হাসান মিরাজ আমাদের ব্র্যান্ডের মূল মূল্যবোধ—সহনশীলতা, সততা এবং ধারাবাহিক উৎকর্ষ—এর এক শক্তিশালী প্রতিফলন। যেমনভাবে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ধারাবাহিকভাবে সর্বোচ্চ মানের পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে চলেছেন, ঠিক তেমনি RAK Ceramics গুণগত মান, উদ্ভাবন ও ডিজাইনে নতুন নতুন মানদণ্ড স্থাপন করে যাচ্ছে। এই সফল অংশীদারিত্ব আরও সম্প্রসারণ করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।”

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে মেহেদী হাসান মিরাজ বলেন,“RAK Ceramics মানে গুণগত মান, উদ্ভাবন এবং আস্থা—যা আমার ব্যক্তিগত ও পেশাগত মূল্যবোধের সঙ্গে গভীরভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এমন একটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব অব্যাহত রাখতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি, যা মানুষকে আরও উন্নত ও নান্দনিক জীবনযাপনের অনুপ্রেরণা জোগায়।”

এই নবায়িত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে RAK Ceramics Bangladesh দেশব্যাপী তাদের ব্র্যান্ড উপস্থিতি আরও সুদৃঢ় করতে এবং গ্রাহকদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি আস্থাভিত্তিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

২০২৬ সালকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক জীবনধারাকে প্রতিফলিত করে এমন নতুন ও উদ্ভাবনী লাইফস্টাইল কালেকশন উন্মোচনের পাশাপাশি শোরুম অভিজ্ঞতা উন্নয়ন, গ্রাহককেন্দ্রিক সেবা সম্প্রসারণ এবং সমন্বিত ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ও এনগেজমেন্ট কার্যক্রম বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর মাধ্যমে RAK Ceramics Bangladesh দেশের নির্মাণ ও লাইফস্টাইল খাতে মান, নান্দনিকতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

মানুষের মস্তিষ্ক ২০ বছর মনে রাখে অপমান কিন্তু প্রশংসা ভুলে যায় মাত্র ৩০ দিনে

গবেষণা অনুযায়ী, মানুষজনের মস্তিষ্ক নেতিবাচক অভিজ্ঞতাকে ইতিবাচক অভিজ্ঞতার চেয়ে অনেক বেশি সময় ধরে মনে রাখে। insults বা দোষারোপ ২০ বছর পর্যন্ত মনে থাকতে পারে, কিন্তু compliments বা প্রশংসা প্রায় ৩০ দিনের মধ্যে ফিকে হয়ে যায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি একটি প্রাকৃতিক নেগেটিভিটি বায়াস, যা মানুষের জীবনে হুমকি শনাক্ত ও নিজেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য বিকাশ লাভ করেছে। নেতিবাচক অভিজ্ঞতা ভুল থেকে শেখার ক্ষেত্রে সহায়ক হলেও, এর প্রভাব প্রশংসা বা ইতিবাচক ঘটনার চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে।

যদিও প্রশংসা ও ইতিবাচক ঘটনা মনকে উজ্জীবিত করে, তা তাড়াতাড়ি ফিকে হয়ে যায় যদি সচেতনভাবে মননে ধরে রাখা না হয়। মস্তিষ্ককে ইতিবাচক অভিজ্ঞতাকেও নেতিবাচক অভিজ্ঞতার মতোই মনে রাখার ক্ষমতা তৈরি করতে, বিশেষজ্ঞরা কিছু কৌশল সাজেস্ট করছেন—কৃতজ্ঞতা চর্চা করা, ইতিবাচক মুহূর্তগুলোর মূল্যায়ন করা এবং নিজের অর্জনগুলো নিয়মিত স্মরণ করা।

মস্তিষ্ক অভিযোজ্য, এবং নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে এটি ইতিবাচক এবং নেতিবাচক অভিজ্ঞতার মধ্যে ভারসাম্য স্থাপন করতে পারে।

ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে না চাইলেই ব্যবস্থা

প্রায়ই ছেঁড়া-ফাটা নোট নিয়ে বিপাকে পড়তে হয় মানুষকে। দোকানে কেনাকাটার ক্ষেত্রে তো বটেই; অনেক সময়ই ব্যাংকে গিয়েও চালানো সম্ভব হয় না নোট। গ্রাহকদেরকে এমন বিড়ম্বনা থেকে মুক্তি দিতে ছেঁড়া, পোড়া বা বিভিন্ন কারণে নষ্ট হওয়া নোটের বিনিময় মূল্য ফেরত দেওয়ার বিষয়ে নতুন নীতিমালা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নতুন এ নীতিমালার আওতায় এখন থেকে গ্রাহকরা ব্যাংক থেকে নষ্ট হওয়া নোটের বিপরীতে নির্ধারিত হারে অর্থ ফেরত পাবেন।

সম্প্রতি একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সার্কুলারে জানানো হয়, নির্দেশনাটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো নোটের ৯০ শতাংশের বেশি অংশ বিদ্যমান থাকলে এর বিপরীতে পুরো মূল্যমানের অর্থ ফেরত পাবেন গ্রাহক।

নতুন এ সার্কুলারের মাধ্যমে ‘বাংলাদেশ ব্যাংক নোট প্রত্যর্পণ প্রবিধান ২০২৫’ কার্যকর করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাতিল করা হয়েছে ‘বাংলাদেশ ব্যাংক নোট রিফান্ড রেগুলেশনস ২০১২’। আগে ছেঁড়া ও পোড়া নোট বদলের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট বিধান ছিল না। নতুন বিধিমালায় নোটের কত অংশ থাকলে কত টাকা পাওয়া যাবে, তা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

সার্কুলার অনুযায়ী, কোনো নোট দুই খণ্ডে বিভক্ত হলে খণ্ড দু’টি সন্দেহাতীতভাবে একই নোটের অংশ হতে হবে। এ ক্ষেত্রে জমা গ্রহণের সময় নোটের বিচ্ছিন্ন খণ্ড দু’টির উল্টো পিঠে সরু আকারের হালকা সাদা কাগজ দিয়ে জোড়া লাগাতে হবে, যাতে আসল নোট শনাক্তে কোনো অসুবিধা না হয়। একইভাবে, যেসব জীর্ণ নোট পরীক্ষার সময় নাড়াচাড়ায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে, সেগুলোর উল্টো পিঠেও হালকা সাদা কাগজ সংযুক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, বিভিন্ন কারণে ক্ষতিগ্রস্ত, নষ্ট বা পুড়ে যাওয়া প্রচলিত নোট কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা অফিসসহ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকেও বদল করে নেওয়া যায়। প্রতিটি ব্যাংক শাখায় ছেঁড়া নোট বদলের সুযোগ থাকলেও সব নোটের পুরো মূল্য পাওয়া যায় না।

কেবল যেসব নোটের ৯০ শতাংশের বেশি অংশ অক্ষত রয়েছে, সেগুলোর বিপরীতে সম্পূর্ণ মূল্য ফেরত দেওয়া হবে। এসব ক্ষেত্রে নোট সাধারণত তাৎক্ষণিকভাবেই বদল করে দেওয়া হচ্ছে। অন্য ছেঁড়া-ফাটা নোটও নিয়ম অনুযায়ী তাৎক্ষণিকভাবে বদল করা হয়।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত নোটের বিনিময় মূল্য পেতে কোনো ব্যাংক শাখায় সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে আবেদন করতে পারবেন গ্রাহক। ব্যাংক শাখা বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে ব্যর্থ হলে আবেদনটি প্রধান কার্যালয়ে পাঠাতে হবে। সেখান থেকেও সমাধান না হলে তা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠানো হবে। এ ক্ষেত্রে আবেদনপত্র প্রাপ্তির আট সপ্তাহের মধ্যে নোটটির মূল্য প্রদানের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং মূল্য প্রদেয় হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের হিসাবে অর্থ সমন্বয় করা হবে।

সুষ্ঠু নগদ লেনদেন নিশ্চিত করতে ব্যাংকের বিধি মোতাবেক ছেঁড়া-ফাটা, ত্রুটিপূর্ণ ও ময়লাযুক্ত নোটের বিনিময় মূল্য প্রদান এবং দাবিযোগ্য নোটসংক্রান্ত সেবা নিয়মিতভাবে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ ধরনের সেবা প্রদানে কোনো ব্যাংক শাখা অনীহা দেখালে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে সার্কুলারে।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক বাড়াবুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক বাড়ার মধ্য দিয়ে লেনদেন চলছে।র মধ্য দিয়ে লেনদেন চলছে।

ডিএসই ও সিএসই সূত্রে জানা গেছে, লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টা পর অর্থাৎ সকাল সাড়ে ১০টায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১৮ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৯০৮ পয়েন্টে অবস্থান করে। এ সময় ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক ৩ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে যথাক্রমে ১ হাজার ২০ ও ১ হাজার ৮৮২ পয়েন্টে দাঁড়ায়।

এই সময়ের মধ্যে ডিএসইতে ৪২ কোটি ৯৯ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২১০টির শেয়ারদর বেড়েছে, ৫৫টির কমেছে এবং ৭০টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০ কোম্পানি হলো- সায়হাম কটন, ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স, ইনটেক লিমিটেড, জেনেক্স, একমি লিমিটেড, মুন্নু ফেব্রিকস, সায়হাম টেক্সটাইল, রহিমা ফুড, খান ব্রাদার্স ও সিমটেক ইন্ডাস্ট্রি।

এর আগে দিনের লেনদেনের শুরুতে সূচকে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা যায়। প্রথম ৫ মিনিটে ডিএসইএক্স সূচক ১০ পয়েন্ট বাড়ে। সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সূচক আরও ৫ পয়েন্ট বেড়ে যায়। লেনদেন শুরুর ২০ মিনিট পর অর্থাৎ সকাল ১০টা ২০ মিনিটে সূচক আগের দিনের তুলনায় ১৯ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৯০৯ পয়েন্টে অবস্থান করে।

অপরদিকে, সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রধান সূচক সিএএসপিআই ১ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ৭৭০ পয়েন্টে দাঁড়ায়। পরবর্তীতে সেখানেও সূচকের গতি ঊর্ধ্বমুখী দেখা যায়।

এদিন সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সিএসইতে ২১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এ সময়ে ১৬টি কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে, ছয়টির কমেছে এবং ছয়টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।