Home Blog Page 234

বাংলাদেশ ইস্যুতে এবার সংকটে পড়তে যাচ্ছে ভারত!

০

সামনে অনুষ্ঠিতব্য টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ সম্প্রতি সরে দাঁড়ায়। তাদের গ্রুপের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে সহ আয়োজক শ্রীলঙ্কায় নেওয়ার অনুরোধ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল আইসিসি প্রত্যাখ্যান করার পর এই সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। এর পেছনে নিরাপত্তা ইস্যুকে বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কলকাতা নাইট রাইডার্স আইপিএল দল থেকে বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে তোলে।

বাংলাদেশের ম্যাচ ভারতে রাখার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আইসিসি নিলেও বিসিসিআই আইসিসির ওপর প্রভাব খাটিয়ে ভেন্যু পরিবর্তনের অনুমতি না দিতে ভূমিকা রেখেছে বলে জানা গেছে। আইসিসি নিজেদের স্বাধীন সংস্থা দাবি করলেও অতীতে ভারতের অনুকূলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নজির রয়েছে।

আইসিসিতে বিসিসিআইয়ের প্রভাব অত্যন্ত শক্তিশালী এবং ভারত সরকারের সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ আগে বিসিসিআইয়ের সচিব ছিলেন। তার বাবা অমিত শাহ নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আইসিসির প্রধান নির্বাহী সঞ্জোগ গুপ্ত আগে ভারতের জিওস্টার মিডিয়া গ্রুপে শীর্ষ পদে ছিলেন। এই প্রতিষ্ঠানই আইসিসি ইভেন্টগুলোর একচেটিয়া সম্প্রচার স্বত্বধারী।

এই রাজনৈতিক বিতর্ক এমন সময়ে সামনে এলো যখন ভারত ২০৩৬ অলিম্পিক আয়োজনের জন্য জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। দিল্লিকে ২০৩০ কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজক নিশ্চিত করার পর এখন আহমেদাবাদকে সামনে রেখে অলিম্পিক বিড করছে ভারত।তবে খেলাধুলায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের বিষয়ে আইওসির অবস্থান আইসিসির তুলনায় অনেক কঠোর।

আইওসি সূত্র জানিয়েছে, অন্য দেশগুলো বয়কট করতে পারে এমন আশঙ্কা থাকলে কোনো দেশকেই অলিম্পিক আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয় না। অলিম্পিক চার্টার অনুযায়ী ক্রীড়া সংস্থাগুলোকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থাকতে হয় এবং গেমসে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় মত প্রকাশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট রাজনীতি তাই ২০৩৬ অলিম্পিক আয়োজক নির্বাচনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। আইওসি সূত্রের মতে, বিশ্বাসযোগ্য অলিম্পিক আয়োজক হিসেবে বিবেচিত হতে হলে ভারতকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের সুস্পষ্ট অগ্রগতি দেখাতে হবে।

গোলাপি আভায় জয়া আহসান

০

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানের সময়টা এখন যেন সাফল্যের রঙে রাঙানো। একদিকে নতুন সিনেমার ব্যস্ততা, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্মাননা। সম্প্রতি কলকাতায় সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতে নিয়েছেন তিনি। সুমন মুখার্জি পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’তে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য এই স্বীকৃতি পেয়েছেন জয়া।
সাফল্যের এই আনন্দঘন সময়ের মাঝেই সামাজিক মাধ্যমে নিজের নতুন কিছু ছবি শেয়ার করেছেন জয়া আহসান, যেখানে তার রূপের জাদুতে কাবু হয়েছেন নেটিজেনরা।
বর্তমানে টালিগঞ্জেই সময় কাটাচ্ছেন জয়া আহসান। সেখানকার বিভিন্ন ইভেন্টেও দেখা যাচ্ছে তাকে। শনিবার নিজের ফেসবুক পেজে একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করেন জয়া আহসান। ছবিগুলোতে কলকাতার শিল্পীদের সঙ্গেও দেখা যায় জয়াকে।
ছবিগুলোতে দেখা যায়, জয়া একটি স্লিভলেস হল্টার-নেক স্টাইল গোলাপি গাউন পরেছেন। পোশাকটির পেছনের অংশটি ওপেন ব্যাক ডিজাইনের, যা তার লুকে একটি আধুনিক ও সাহসী ছোঁয়া এনেছে। চুলে একটি পরিপাটি পনিটেল এবং কানে ছোট টপ ব্যবহার করে তিনি তার লুকে আভিজাত্য বজায় রেখেছেন। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, গোলাপি আভা, অকৃত্রিম মুহূর্ত, চিরন্তন এক সন্ধ্যা।
ছবির ব্যাকগ্রাউন্ডে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন পুরস্কারের ক্রেস্ট ও একটি অ্যান্টিক প্রজেক্টর, যা তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারেরই ইঙ্গিত দেয়।
অভিনয় দক্ষতার পাশাপাশি জয়ার চিরযৌবনা রূপ ও ফ্যাশন সেন্স বরাবরই প্রশংসিত। এই নতুন লুকেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তার পোস্টের নিচে ভক্তদের মন্তব্যের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। এক ভক্ত লিখেছেন, পিঙ্ক হিউসে জয়া আহসান মানেই আলাদা এক গ্রেস ন্যাচারাল, ক্যান্ডিড আর চিরকালীন সৌন্দর্যের নিখুঁত মিল। আরেকজন মন্তব্য করেছেন, কি মিষ্টি লাগছে!। আরেক ভক্ত লিখেছেন, অসাধারণ ফ্যাশন সেন্স, চোখ ফেরানো দায়!।

শরীরে কৃমি বাসা বেঁধেছে কি না বুঝবেন যে ৫ লক্ষণে

০

প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশু—উভয়ের শরীরেই কৃমির সংক্রমণ হতে পারে। সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ঘটায় থ্রেডওয়ার্ম, রাউন্ডওয়ার্ম, হুইপওয়ার্ম, টেপওয়ার্ম ও হুকওয়ার্ম। পিনওয়ার্ম ও থ্রেডওয়ার্মের মতো কিছু কৃমির ডিম এতটাই সূক্ষ্ম যে খালি চোখে দেখা যায় না এবং বাতাসের মাধ্যমেও সংক্রমণ ঘটতে পারে।

শরীরে কৃমি ঢোকে যেভাবে

দূষিত খাবার ও পানি, অপরিষ্কার হাত, মাটি কিংবা সংক্রমিত মল-মূত্রের মাধ্যমে কৃমির ডিম বা লার্ভা শরীরে প্রবেশ করে। অনেক সময় খোলা পায়ে হাঁটা বা অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে বেশি সময় কাটালেও ত্বকের মাধ্যমে কৃমি ঢুকতে পারে।

এ ছাড়া খাওয়ার আগে হাত না ধোওয়া, অপরিশোধিত দুধ পান করা, সবজি ভালোভাবে না ধুয়ে রান্না করা, অপরিষ্কার সুইমিং পুলে গোসল করা কিংবা পোষ্য প্রাণীর সংস্পর্শেও কৃমির সংক্রমণ হতে পারে।

কৃমি শরীরের যে ক্ষতি করে

অন্ত্রে প্রবেশ করে কৃমি শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি শোষণ করে নেয়। ফলে রক্তাল্পতা, দুর্বলতা, ওজন কমে যাওয়া, হজমের সমস্যা, পেটব্যথা, বমিভাব ও চুলকানির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন চিকিৎসা না নিলে কৃমির সংখ্যা বেড়ে গিয়ে মারাত্মক জটিলতাও সৃষ্টি করতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু কৃমি যকৃত ও ফুসফুসে সিস্ট বা গুটি তৈরি করতে পারে। ফুসফুসে পৌঁছালে নিউমোনিয়ার মতো জটিলতা এবং মস্তিষ্কে পৌঁছালে গুরুতর স্নায়বিক সমস্যার ঝুঁকি তৈরি হয়।

যে ৫ লক্ষণে বুঝবেন শরীরে কৃমি আছে

১. ক্ষুধা অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া: কৃমি শরীরের ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে ব্যাহত করে। ফলে কারও ক্ষুধা কমে যায়, আবার কারও অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। প্রয়োজনীয় পুষ্টি শোষিত হয়ে যাওয়ায় শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে।

২. ওজন কমে যাওয়া ও সার্বক্ষণিক ক্লান্তি: ডায়েট বা ব্যায়াম ছাড়াই যদি ধীরে ধীরে ওজন কমতে থাকে এবং সব সময় ক্লান্ত লাগে, তবে তা অন্ত্রের কৃমির লক্ষণ হতে পারে।

৩. মলের সঙ্গে কৃমি দেখা যাওয়া: মলত্যাগের সময় ছোট সাদা কৃমি দেখা যাওয়া অন্ত্রের কৃমির একটি স্পষ্ট লক্ষণ। অনেক সময় কৃমি খুব ছোট হওয়ায় চোখে নাও পড়তে পারে। তবে মলে অস্বাভাবিক কিছু লক্ষ্য করলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।

৪. ঘন ঘন পেটব্যথা: কোনো কারণ ছাড়াই বারবার পেটে মোচড় বা খিঁচুনির মতো ব্যথা হলে সতর্ক হতে হবে। খাওয়ার পর বা খালি পেটে ব্যথা বাড়লে তা কৃমির সংক্রমণের ইঙ্গিত হতে পারে।

৫. ত্বকের সমস্যা ও পায়ুপথে চুলকানি: কৃমি থেকে নির্গত বিষাক্ত উপাদান রক্তের মাধ্যমে শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে ত্বকে ফুসকুড়ি, চুলকানি বা অ্যালার্জি দেখা দেয়। বিশেষ করে পায়ুপথের আশপাশে চুলকানি হওয়া অন্ত্রের কৃমির একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।

দেশের বাজারে আবারও বাড়লো সোনার দাম, ভরি কত?

০

দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। দাম কমানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে ভরিতে এক লাফে ৪ হাজার ৮২ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এতে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে বাজুসের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই মূল্য বৃদ্ধির তথ্য জানানো হয়। নতুন দাম রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে।

এর আগে, একই দিন সকালে টানা দ্বিতীয় দফায় দেশের বাজারে সোনার দাম কমিয়েছিল বাজুস। তখন ভরিতে ১৫ হাজার ৭৬২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে সোনার দাম: ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯১৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১২ হাজার ৫১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৭৩ হাজার ৯১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ১৯ বার সোনার দাম সমন্বয় করেছে বাজুস। এর মধ্যে ১৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছে, আর কমানো হয়েছে মাত্র ৫ বার। অন্যদিকে গত বছর (২০২৫) সারা বছরে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়। এর মধ্যে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।

ধনে পাতা খান নিয়মিত, জানেন কী হবে?

০

প্রতিদিনের একঘেয়ে রান্নায় একটু খানি ধনে পাতা দিলে রান্নার স্বাদ-গন্ধ এক নিমেষে বদলে যায়। তবে ধনে পাতার বিভিন্ন ওষধিগুণ থাকার পাশাপাশি কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও রয়েছে। অতিরিক্ত ধনে পাতা খেলে তা লিভারের কার্যক্ষমতাকে প্রভাবিত করে থাকে। যাতে সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না লিভার।

এক বিশেষ ধরণের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে ধনে পাতায়, যা দেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মধ্যে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি বেড়ে গেলে ক্ষতি হতে পারে। উচ্চরক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে ধনে পাতা। তাই যদি নিয়মিত ধনে পাতার ব্যবহার হয়ে তাহলে নিম্ন রক্তচাপের সমস্যায় ভুগতে হতে পারে।

শ্বাস-প্রশ্বাসের রোগী হলেও ধনে পাতার নিয়মিত খাওয়া ক্ষতিকারক। সেক্ষেত্রে ইনহেলার নেওয়ার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে ৷

ধনে পাতা সঠিকমাত্রায় খেলে ত্বক সূর্যরশ্মি থেকে সুরক্ষিত থাকে। তবে একইভাবে বাকি কারণগুলির মতো অতিরিক্ত ধনে পাতা সূর্যরশ্মি থেকে ভিটামিন ডি উৎপাদন ক্ষমতা অনেকটা আটকে দেয়। যা সমস্যা সৃষ্টি করে। ধনে পাতায় বিভিন্ন অ্যাসিডিক উপাদান থাকে যা অনেকক্ষেত্রে মুখে প্রদাহ তৈরি করতে পারে।

গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত ধনে পাতা খাওয়া ভাবী সন্তানের ক্ষতি করতে পারে । এমনকি মাতৃত্বেও অনেক সময়ে বাধা সৃষ্টি করতে পারে ধনে পাতা খাওয়া। তবে সবকটি তথ্যই ধনে পাতার অতিরিক্ত পরিমাণ খাওয়ার ওপরই নির্ভর করছে। তাই পরিমিত মাত্রায় এই পাতার ব্যবহার কার্যকরী হতে পারে।

মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং লেনদেনে আসছে কঠোর বিধিনিষেধ!

০

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অর্থের অবৈধ প্রভাব বিস্তার রোধে মোবাইল ব্যাংকিং ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবায় বড় ধরনের কড়াকড়ি আরোপ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নির্বাচন কমিশনের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই বিশেষ সীমাবদ্ধতা কার্যকর থাকবে বলে জানা গেছে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্বাচনের সময় বিকাশ, রকেট বা নগদের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় একজন গ্রাহক দিনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা লেনদেন করতে পারবেন। প্রতিটি একক লেনদেনের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার টাকা। বর্তমানে যেখানে দিনে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত পাঠানোর সুযোগ রয়েছে, সেখানে এই কয়েক দিন দিনে সর্বোচ্চ ১০ বারের বেশি লেনদেন করা যাবে না।

একই সাথে ব্যাংকিং অ্যাপ বা ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবহার করে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি পর্যায়ে টাকা স্থানান্তর প্রক্রিয়াও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন ব্যাংকের অ্যাপ ব্যবহার করে দিনে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেনের সুযোগ থাকলেও নির্বাচনের উত্তাল সময়ে এই সেবাটি স্থগিত রাখার বিষয়ে ইতিবাচক চিন্তাভাবনা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

পাশাপাশি ব্যাংকগুলোতে নগদ টাকা জমা ও উত্তোলনের ওপর নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। কোনো হিসাবে একদিনে ১০ লাখ টাকা বা তার বেশি লেনদেন হলে সেই তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে (বিএফআইইউ) জানাতে হবে। সঠিক তথ্য প্রদানে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনের পবিত্রতা রক্ষা এবং ভোটারদের প্রভাবিত করার সুযোগ বন্ধ করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনাসহ প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।

সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

০

উপজেলা সদরের ৮নং ওয়ার্ডস্থ ঈদগাহ এলাকা থেকে ফটিকছড়ি উপজেলা যুবলীগ নেতা ইমাজ উদ্দিন জেমকে (৪২) অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

সূত্রে জানা যায়,  শনিবার রাতে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। অভিযানের সময় তার কাছ থেকে একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্রটি পরীক্ষার জন্য জব্দ করা হয়েছে বলেও সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে।

প্রশাসন সূত্র জানায়, গ্রেফতারকৃত ইমাজ উদ্দিন জেমের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

জামালপুরে গণঅধিকার পরিষদের শতাধিক নেতাকর্মীর পদত্যাগ

০

গণঅধিকার পরিষদের দলীয় শৃঙ্খলা, নীতি ও আদর্শ থেকে সরে আসাসহ নানা অভিযোগ তুলে জামালপুর জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিটের শতাধিক নেতাকর্মী পদত্যাগ করেছেন।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে মাদারগঞ্জ মডেল থানা সংলগ্ন একটি ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগকারী নেতারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে দলের ভেতরে শৃঙ্খলা, নীতিগত অবস্থান ও আদর্শিক রাজনীতির ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ কারণে জামালপুর জেলা যুব অধিকার পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল মন্ডল, মাদারগঞ্জ উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি জাকিরুল ইসলাম জাকির, মেলান্দহ উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব শাহিন আলম, মাদারগঞ্জ উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম হিরার নেতৃত্বে জেলা, উপজেলা ও সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী পদত্যাগ করেন। এ তালিকায় প্রবাসী অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরাও রয়েছেন।

মাদারগঞ্জ উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি জাকিরুল ইসলাম জাকির বলেন, বিগত ছয়-সাত বছর ধরে তৃণমূল পর্যায় থেকে শ্রম দিয়ে দলটি গড়ে তুলেছি। ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের যে আদর্শ ও রাজনীতি আমরা দেখেছি, দল এখন সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছে।

তিনি আরও বলেন, জামালপুর-৩ আসনে প্রথমে প্রার্থী ঘোষণা করে মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে তা পরিবর্তন করা হয়। সারা দেশে ৯৩টি আসনে দল যে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল, তা নিয়েও আমরা সন্তুষ্ট ছিলাম। কিন্তু হঠাৎ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন মেনে নিতে পারিনি।

নেতাদের ভাষ্য, এসব বিষয়ে প্রায় ১৫০ জন নেতাকর্মী কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আপত্তি জানালেও তা উপেক্ষা করা হয়েছে। এতে দলীয় সিদ্ধান্তহীনতা ও আদর্শগত দুর্বলতা স্পষ্ট হওয়ায় তারা হতাশ হয়ে পড়েন।

পদত্যাগের অন্য কোনো কারণ আছে কি না এমন প্রশ্নে নেতারা জানান, দলীয় নীতিগত ও আদর্শিক অবস্থান থেকে সরে আসাই তাদের পদত্যাগের মূল কারণ। অন্য কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলেও জানান তারা।

পদত্যাগকারী নেতাদের মধ্যে রয়েছেন- জামালপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি আল আমিন মন্ডল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, জেলা যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস. সি. শহীদ আহম্মেদ, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল কাইয়ুম, কর্ম ও সমবায় সম্পাদক সুমন শেখ, মেলান্দহ গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক জাকারিয়া আহম্মেদ পলাশ, মেলান্দহ যুব অধিকার পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি রিপন মাহমুদসহ প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী।

এ বিষয়ে জামালপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বলেন, যারা পদত্যাগ করেছেন, তারা প্রকৃত অর্থে দলকে বুকে ধারণ করেননি। তাদের চলে যাওয়ায় দলের ওপর কোনো ধরনের প্রভাব পড়বে না। তিনি আরও বলেন, সংগঠন আগের মতোই কার্যক্রম চালিয়ে যাবে এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলকে আরও শক্তিশালী করা হবে।

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি সানাউল্লাহ

০

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, প্রবাসীদের ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরণের কারচুপির সুযোগ নেই।

ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে লাইভ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং ব্যালটের নিরাপত্তায় গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।

রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে বরিশালের সার্কিট হাউজে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ডিজিটাল ও অবজারভেশন টিমের সাথে মতবিনিময় সভায় ইসি আরও বলেছেন, প্রবাসীদের জন্য ব্যবহৃত ব্যালটে মোট ১১৯টি প্রতীক থাকবে। ফলে খাম খোলা ও সঠিকভাবে ভোট গণনায় তুলনামূলকভাবে বেশি সময় লাগবে।

ভোটকেন্দ্রে শুধুমাত্র প্রিজাইডিং অফিসার কলম নিয়ে যেতে পারবে, অন্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা পেনন্সিল নিয়ে যাবেন।

ইসি আরও বলেন, ভোট চলাকালীন প্রতি আসনে ১০ জন করে ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে অনিয়ম ঠেকাতে কমিশন বিশেষভাবে সতর্ক রয়েছে।

তিনি আরও বলেছেন, নির্বাচন পরিচালনার সাথে যুক্ত কর্মকর্তাদের কোনো ধরণের আপ্যায়ন বা আতিথেয়তা গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে।

অপ তথ্য ও গুজব প্রতিরোধে সত্য এবং সঠিক তথ্য দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী ও আহত ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণসহ ভোটে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সব জেলা ও প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।

নির্বাচনের নিরপেক্ষতা প্রসঙ্গে ইসি বলেন, সততা ও নিরপেক্ষতার প্রশ্নে নির্বাচন কমিশন শক্ত অবস্থানে থাকবে। এখানে বড় দল বা ছোট দলের কোনো ভেদাভেদ নেই, সবাই সমান।

নির্দেশনার পরেও কোন কর্মকর্তা পক্ষপাতমূলক আচরণ করলে তার পরিণতি হবে কঠোর।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সবাইকে দৃঢ়তার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। যেখানে অনিয়ম হবে সেখানে কোনো ধরনের নমনীয়তা দেখানো যাবে না।

বরিশাল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলস প্রশাসক মো. খাইরুল আলম সুমনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় জেলা পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

১৪ হাজার সাংবাদিকের ‘তথ্য ফাঁস’, যে ব্যাখ্যা দিলো ইসি

০

সাংবাদিকদের কার্ড পেতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওয়েবসাইটটি কিছু সময়ের জন্য আবেদনকারীদের তথ্য উন্মুক্ত ছিল। তবে এতে ডাউনলোডের অপশন ছিল না।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ইসির ওয়েবসাইটি থেকে ১৪ হাজার সাংবাদিকের তথ্য ফাঁসের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এমন ব্যাখ্যা দিয়েছে সংস্থাটি।

ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল মল্লিক জানান, সাংবাদিকদের আপত্তির মুখে গত বৃহস্পতিবার ওয়েবসাইটে তাদের আবেদনের বিষয়টি ক্লোজ করে দেওয়া হয়। পরে গতকাল শনিবার পর্যবেক্ষকদের আবেদনের পথটিও বন্ধ করা হচ্ছিল। এ সময় আগে নিবন্ধনকারীদের মধ্যে যারা নিজের ড্যাশবোর্ডে লগইন করেছেন, তারা অ্যাডমিন প্যানেলও দেখতে পেয়েছেন। কাজেই তথ্য ফাঁসের বিষয়টি সঠিক নয়। কিছু সময়ের জন্য এনআইডি, নাম এমন তথ্যগুলো দেখা গেছে। কিন্তু ডাউনলোডের সুযোগ ছিল না।

তিনি বলেন, তথ্য তো কেউ ফাঁস করেনি। আমাদের সাইটে কাজ করার সময় ওপেন ছিল। এটা হ্যাক করে বা অন্য কোনো পন্থায় কেউ তথ্য নিয়ে কোনো অপকর্ম করেছেন বলে অভিযোগ আসেনি।

অনেকেই অভিযোগ করেছেন, পেশাদার কোনো ফার্ম নয়, বরং এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) দিয়ে ওয়েবসাইটি তৈরি করা হয়েছে।

এই প্রসঙ্গে রুহুল আমিন মল্লিক বলেন, এটা আমাদের নিজস্ব প্রোগ্রামাররা তৈরি করেছেন। এআই দিয়ে এতো গুরুত্বপূর্ণ একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা যায় নাকি।

সম্প্রতি pr.ecs.gov.bd ওয়েবসাইটি ডেভেলপ করে ইসি। নির্বাচন দেখার জন্য প্রথমবারের মতো গণমাধ্যমকর্মী ও পর্যবেক্ষকদের এই সাইটটির মাধ্যমে আবেদন নিচ্ছিল সংস্থাটি।

তবে নানা তথ্য সরবরাহগত জটিলতায় সাংবাদিকরা ঘোর আপত্তি জানালে সে উদ্যোগ থেকে সরে আসে কমিশন। ফলে আগের মতোই এবারও ম্যানুয়ালি আবেদন নিয়ে যাচাইয়ের পর সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক কার্ড দেওয়া হবে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের জন্য চলতি সপ্তাহেই পাস দিতে পারে ইসি।