Home Blog Page 235

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ৫৫ হাজার দেশি পর্যবেক্ষক, মানতে হবে ইসির নির্দেশ

০

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ৫৫ হাজার ৪৫৪ জন দেশি পর্যবেক্ষককে অনুমতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসিতে নিবন্ধিত ৮১টি সংস্থার পক্ষ থেকে এসব পর্যবেক্ষক দায়িত্ব পালন করবেন। এদের মধ্যে ৭ হাজার ৯৯৭ জন কেন্দ্রীয়ভাবে এবং ৪৭ হাজার ৪৫৭ জন স্থানীয়ভাবে সংসদীয় আসনভিত্তিক পর্যবেক্ষণ করবেন।

সোমবার ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে জানানো হয়, নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে সুনির্দিষ্ট বিধি-নিষেধ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভোটার এবং নির্বাচন কমিশনের অনুমোদিত পরিচয়পত্রধারীরাই কেবল কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন। স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের জন্য কমিশন অনুমোদিত ‘নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা ২০২৫’ রয়েছে, যা যথাযথভাবে অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।

পর্যবেক্ষকদের পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকার ইস্যুর জন্য একটি ওয়েব পোর্টাল (https://pr.ecs.gov.bd/) তৈরি করেছে ইসি। অনুমোদিত ৮১টি সংস্থার সকল পর্যবেক্ষককে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই পোর্টালে ব্যক্তিগতভাবে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে পর্যবেক্ষকগণ অনলাইন থেকেই তাদের কার্ড ও স্টিকার ডাউনলোড করে মুদ্রণ করতে পারবেন।

নির্দেশনা অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের কার্ড ও স্টিকার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখা থেকে এবং স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের আবেদন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার বা তার মনোনীত কর্মকর্তারা অনুমোদন করবেন। রিটার্নিং অফিসারদের ব্যবহারের জন্য পোর্টালে ইতোমধ্যে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড তৈরি করে দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনি এলাকা ও ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষকদের বেশ কিছু কঠোর নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। পর্যবেক্ষকগণ কেন্দ্রে অবস্থানকালে তাদের পরিচয়পত্রটি সার্বক্ষণিকভাবে দৃশ্যমান অবস্থায় ঝুলিয়ে রাখবেন।

পর্যবেক্ষণকালে অবশ্যই ভোটারের ভোট প্রদানের অধিকারের প্রতি সচেতন থাকতে হবে এবং নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাজে যাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে সেদিকে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে। পর্যবেক্ষকগণ নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় কোনোভাবেই হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না। ভোটকেন্দ্রের ভেতরে শুধু এমন জায়গায় স্বল্প সময়ের জন্য অবস্থান করা যাবে, যেখানে থাকলে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কোনো বাধার সৃষ্টি হবে না। তবে কোনো অবস্থাতেই কোনো পর্যবেক্ষক ভোট প্রদানের গোপন কক্ষে প্রবেশ করতে পারবেন না।

নীতিমালা অনুযায়ী, প্রত্যেক পর্যবেক্ষক তার কাজে কোনো স্বার্থের সংঘাত তৈরি হলে কিংবা অন্য কোনো পর্যবেক্ষকের অসঙ্গত আচরণ দেখলে তা নিজ সংস্থাকে অবহিত করবেন।

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচন অনুষ্ঠানে সহায়তার লক্ষ্যে সংবিধান, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি-বিধান পুরোপুরি অনুসরণ করতে হবে।  নির্বাচনি কর্মকর্তাদের কাজে হস্তক্ষেপ এবং কোনো প্রকার নির্বাচনি উপকরণ স্পর্শ বা অপসারণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

এছাড়া পর্যবেক্ষক যদি কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য বা প্রার্থীর সমর্থক হিসেবে চিহ্নিত হন, তবে তিনি দায়িত্ব পালনে অযোগ্য হবেন। পর্যবেক্ষণের পুরো সময়জুড়ে সম্পূর্ণ পক্ষপাতহীনতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। কোনো প্রার্থী বা দলের পক্ষে বা বিপক্ষে কোনো চিহ্ন, প্রতীক বা পরিচয় বহনকারী পোশাক বা অন্য কিছু পরিধান বা প্রদর্শন করা যাবে না।

কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, এজেন্ট বা নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা সংস্থার কাছ থেকে কোনো উপহার গ্রহণ, ক্রয়ের চেষ্টা বা কোনো সুবিধা গ্রহণে উৎসাহিত হওয়া যাবে না। একইসঙ্গে নির্বাচন চলাকালীন মিডিয়ার সামনে এমন কোনো মন্তব্য করা যাবে না, যা নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ব্যাহত বা প্রভাবিত করতে পারে।

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্যসহ ৪ নেতা বহিষ্কার

০

এক দিনেই ৪ নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ভিন্ন তিনটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিএনপি।

বহিষ্কৃত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন- বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন বুলু, টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা ইঞ্জি. আব্দুল হালিম, মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য মজিবুর রহমান এবং মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য ও সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান ফকির।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন বুলুকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

একই সাথে অন্য বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য টাঙ্গাইল জেলাধীন কালিহাতী উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা ইঞ্জি. আব্দুল হালিমকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সাথে তাকে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি পদসহ দলের সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

আরেক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য মজিবুর রহমান এবং মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য ও সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান ফকিরকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

ওয়ারেন বাফেটের সতর্কবার্তা: এই ৫ খাতে খরচ আপনাকে সম্পদশূন্য করে দিতে পারে

০

আধুনিক জীবনযাপনে শুধু আয় করা নয়, টাকা কীভাবে খরচ করা হয় তাও সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিলাসবহুল জীবনধারা, ব্র্যান্ডের পোশাক, দামি গাড়ি কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের প্রদর্শনের চাপ অনেককেই অজান্তে অর্থ অপচয়ের ফাঁদে ফেলে দেয়। বিশ্বখ্যাত বিনিয়োগগুরু ওয়ারেন বাফেট বহুবার সতর্ক করেছেন, টাকাকে বিবেচনামূলকভাবে ব্যয় এবং বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে বিনিয়োগ করাই প্রকৃত সম্পদ সৃষ্টির মূলমন্ত্র।

বাফেটের জীবন নিজেই এ দর্শনের সবচেয়ে বড় উদাহরণ। শত কোটি ডলারের মালিক হয়েও তিনি সাধারণ জীবনযাপন করেন। তাঁর বিখ্যাত উক্তি, “নিয়ম নম্বর এক: অর্থ হারাবেন না। নিয়ম নম্বর দুই: নিয়ম নম্বর এক কখনো ভুলবেন না” শুধু শেয়ারবাজার নয়, প্রতিটি অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তে প্রযোজ্য।
৯৪ বছর বয়সী এই বিনিয়োগগুরু মনে করেন, যারা জানেন কোথায় টাকা ব্যয় করা উচিত নয়, তারা প্রকৃত অর্থে নিজেদের সম্পদ সুরক্ষিত রাখতে পারেন। তাঁর মতে, নিচের পাঁচটি ক্ষেত্রে কখনো টাকা ব্যয় করা উচিত নয়।
প্রথমত, নতুন গাড়ি কেনা। নতুন চাকরি বা পদোন্নতির আনন্দে অনেকেই গাড়ি কেনাকে সফলতার প্রতীক মনে করেন। তবে বাফেটের মতে, এটি সবচেয়ে বড় আর্থিক ভুলগুলোর মধ্যে একটি। কারণ নতুন গাড়ি শোরুম থেকে বের হওয়া মাত্রই মূল্য হারাতে শুরু করে; পাঁচ বছরের মধ্যে দাম প্রায় ৬০ শতাংশ কমে যেতে পারে। নিজে তিনি চালান ২০১৪ সালে কেনা একটি ক্যাডিলাক এক্সটিএস। তাঁর যুক্তি, গাড়ি হলো চলাচলের মাধ্যম, সম্পদের প্রদর্শন নয়।
দ্বিতীয়ত, ক্রেডিট কার্ডের সুদ। বাফেট বলেন, ক্রেডিট কার্ড ঋণ এমন একটি ফাঁদ, যেখান থেকে বের হতে গিয়ে বড় অংকের অর্থ হারাতে হয়। অনেক দেশে বাৎসরিক সুদের হার ৩০ শতাংশেরও বেশি। অর্থাৎ ১ লাখ টাকা ধার নিলে এক বছরে শুধু সুদেই দিতে হতে পারে ৩০ হাজার টাকার বেশি। তিনি বলেন, “যদি আপনি বুদ্ধিমান হন, তাহলে ঋণ ছাড়াই অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।”
তৃতীয়ত, জুয়া ও লটারি। বাফেট এগুলোকে বলেন “গণিত না জানাদের ওপর কর।” জুয়ার কারণে মানুষ পরিশ্রম ও বাস্তব বিনিয়োগ থেকে দূরে সরিয়ে ভাগ্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে যায়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, লটারিতে জেতার সম্ভাবনা প্রায় এক মিলিয়নে এক, তবে হারানোর সম্ভাবনা শতভাগের কাছাকাছি।
চতুর্থত, প্রয়োজনের চেয়ে বড় বাড়ি। অনেকেই সামাজিক মর্যাদা দেখানোর জন্য বড় বাড়ি নিয়ে ব্যয় করেন, যা বাফেটের মতে আর্থিক আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। তিনি এখনও থাকেন সেই একই বাড়িতে, যা কিনেছিলেন ১৯৫৮ সালে। তাঁর ভাষায়, “বাড়ি হলো থাকার জায়গা, মর্যাদা দেখানোর নয়।” বড় বাড়ি মানে বাড়তি কর, রক্ষণাবেক্ষণ এবং অপ্রয়োজনীয় খরচ।
পঞ্চমত, জটিল বিনিয়োগ পণ্য। বাফেটের নীতি হলো, “যে ব্যবসা আপনি বোঝেন না, তাতে কখনো বিনিয়োগ করবেন না।” আজকের বাজারে দ্রুত লাভের প্রলোভনে নানা জটিল বিনিয়োগ পণ্য এসেছে। তবে যা সহজে বোঝা যায় না বা ‘দ্রুত ধনী হওয়ার’ প্রতিশ্রুতি দেয়, সেটিই সবচেয়ে বিপজ্জনক। তিনি বলেন, “ঝুঁকি তখনই আসে, যখন আপনি জানেন না আপনি কী করছেন।”
এই দর্শন থেকে তিনটি শিক্ষা স্পষ্ট হয়: প্রয়োজন চিনে ব্যয় করুন, যা বুঝবেন না তাতে বিনিয়োগ করবেন না, আর ব্যয়ের চেয়ে সঞ্চয় ও বিবেচিত বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দিন। বাফেটের ভাষায়, “যা খরচ করার পর বাঁচে তা সঞ্চয় করবেন না; বরং যা সঞ্চয় করার পর বাঁচে, কেবল সেটাই খরচ করুন।” এই অভ্যাসগুলো যদি সময়মতো শেখা যায়, অর্থ অপচয় কমে আসে এবং সঞ্চয়ের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে দীর্ঘমেয়াদি স্থায়ী সম্পদ।

নির্বাচন উপলক্ষে নজরদারিতে থাকবে মোবাইল ব্যাংকিং

০

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কেনা-বেচা ঠেকাতে মোবাইল ব্যাংকিং নজরদাতিতে থাকবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ভিজিলেন্স ও অবজারভেশন টিমের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘ভোট কেনা-বেচা ঠেকাতে এবার প্রত্যেকটি আসনে নজরদারি থাকবে মোবাইল ব্যাংকিং। ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মোবাইল এজেন্টগুলোতে নির্দিষ্ট সময়ে অস্বাভাবিক লেনদেন করলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সহকারী রিটানিং কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো চাপ থাকবে না। তিনটি মৌলিক পয়েন্ট–স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও দৃঢ়তা রেখে নির্বাচন পরিচালনা করতে হবে। মাঠ পর্যায়ে নির্বাচন কমিশনের ছয়টি কমিটি কাজ করছে। তাদেরকে তদন্ত ও বিচারিক কাজ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগ কখনোই বাংলাদেশের অস্তিত্বে বিশ্বাস করেনি

০

আওয়ামী লীগ কখনোই বাংলাদেশের অস্তিত্বে বিশ্বাস করেনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে কক্সবাজারের চকরিয়ার বমুবিলছড়িতে নির্বাচনি জনসভায় অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “যাঁরা এখনও আওয়ামী লীগের প্রতি সহানুভূতিশীল, তাঁদের প্রতি অনুরোধ—আপনারা স্বাধীনতাপন্থী শক্তির সঙ্গে থাকুন। কারণ, আওয়ামী লীগ কখনোই বাংলাদেশের অস্তিত্বে বিশ্বাস করেনি। তারা বাংলাদেশকে ভারতের করদ রাজ্যে পরিণত করতে চেয়েছিল। অবশেষে গণঅভ্যুত্থানের মুখে তারা পালাতে বাধ্য হয়েছে এবং নিজেদের দেশ ভারতের দিল্লিতে আশ্রয় নিয়েছে।”

তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়; এটি একটি গণহত্যাকারী, ফ্যাসিবাদী ও মাফিয়া শক্তি। আওয়ামী লীগের কখনোই প্রকৃত রাজনৈতিক চরিত্র ছিল না।”

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, “যাঁরা আগে আওয়ামী লীগ করতেন, তাঁদের ভুল নিশ্চয়ই এখন ভেঙেছে। তাঁরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রে বিশ্বাস করবেন—এটাই প্রত্যাশা।”

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “শেখ হাসিনা একা পালিয়ে গেলেও তাঁর সব কর্মী দেশ ছেড়ে যেতে পারেননি। সবার তো আর দিল্লি যাওয়ার সুযোগ হয়নি, শেখ হাসিনাও সবাইকে নিয়ে যেতে পারেননি। দেশে যাঁরা রয়ে গেছেন—আমাদের অনেক ভাই-বন্ধু, যাঁরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে যুক্ত ছিলেন, তাঁরা রাজনীতি করতেই পারেন। সেটি তাঁদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা।”

ধর্মের দোহাই দিয়ে একটি দল ভোট চায় মন্তব্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, “কেউ কেউ জান্নাতের বাহনা দিচ্ছে। এতে যেন কেউ বিভ্রান্ত না হয়। দেশের উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার জন্য সবাই ধানের শীষে ভোট দিন।”

লবঙ্গের ৭টি অবিশ্বাস্য স্বাস্থ্য উপকারিতা!

০

রান্নাঘরের ছোট্ট লবঙ্গ শুধু খাবারের স্বাদ বাড়ায় না, এটি আপনার শরীরের জন্যও এক অমূল্য স্বাস্থ্য উপহার। প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন সংস্কৃতিতে ঔষধি ও রান্নার উপাদান হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসা এই মসলা কেবল স্বাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি হজম শক্তি বৃদ্ধি, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নয়ন, প্রদাহ কমানো এবং সম্ভাব্য ক্যান্সার প্রতিরোধেও সাহায্য করতে পারে।
লবঙ্গের মধ্যে থাকা ইউজেনল এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দীর্ঘস্থায়ী রোগ যেমন হার্টের সমস্যা, ডায়াবেটিস ও ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে এটি সহায়ক। হজম শক্তি বৃদ্ধিতেও লবঙ্গ কার্যকর; এটি হজম এনজাইমের নিঃসরণ উদ্দীপিত করে, বদহজম, গ্যাস বা পেট ফুলে যাওয়ার সমস্যার সমাধান করে। খাবারের পরে এক বা দুইটি লবঙ্গ চিবিয়ে খাওয়া বা রান্নায় ব্যবহার করা স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষ উপকারী।
প্রদাহ-নাশক বৈশিষ্ট্য লবঙ্গকে আর্থ্রাইটিস বা সাধারণ জয়েন্টের ব্যথা কমাতে সহায়ক করে। কোকোনাট অয়েলে ভিজিয়ে যন্ত্রণা এলাকায় লবঙ্গ প্রয়োগ করলে আরাম পাওয়া যায়। এছাড়া লবঙ্গের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও ভাইরাস-বিরোধী ক্ষমতা রোগপ্রতিরোধে সহায়ক; এটি সাদা রক্তকণিকার উৎপাদন বাড়িয়ে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করে।
মুখ ও দাঁতের যত্নেও লবঙ্গ কার্যকর। দাঁতের ব্যথা কমাতে এবং মুখের ব্যাকটেরিয়া প্রতিহত করতে লবঙ্গের তেল প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। দাঁত বা মাড়িতে লবঙ্গের তেল লাগালে আরাম পাওয়া যায় এবং এটি দৈনন্দিন মুখের যত্নেও ব্যবহার করা যেতে পারে।
রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে লবঙ্গ ভূমিকা রাখতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, এটি ইনসুলিন কার্যকারিতা উন্নত করতে পারে এবং রক্তে শর্করা স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করে। তাই ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য লবঙ্গের ব্যবহার স্বাস্থ্যকর হতে পারে। প্রাথমিক গবেষণা ও প্রাণী ভিত্তিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, লবঙ্গের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি ধীর করতে পারে। যদিও মানবদেহে আরও গবেষণার প্রয়োজন, সম্ভাবনা আশাব্যঞ্জক।
লবঙ্গকে দীর্ঘস্থায়ী রাখতে এয়ারটাইট কন্টেইনারে সংরক্ষণ করা উচিত। পুরো লবঙ্গ সাধারণত পিষা লবঙ্গের চেয়ে বেশি স্বাদ ধরে রাখে এবং দীর্ঘসময় ভালো থাকে। রান্নায়, স্টু বা ঝোলের মধ্যে লবঙ্গ ব্যবহার করলে স্বাদ ও স্বাস্থ্য একসাথে বৃদ্ধি পায়।
সারসংক্ষেপে, লবঙ্গ শুধু রান্নার স্বাদ নয়, এটি হজম শক্তি বৃদ্ধি, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নয়ন, প্রদাহ হ্রাস এবং সম্ভাব্য ক্যান্সার প্রতিরোধেও সহায়ক। দৈনন্দিন খাদ্যে লবঙ্গ ব্যবহার করলে স্বাস্থ্যকে প্রাকৃতিকভাবে সমর্থন করা সম্ভব। তবে অতিরিক্ত পরিমাণে ব্যবহার এড়ানো উচিত। গর্ভবতী, স্তন্যদানরত বা দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
লবঙ্গের নিয়মিত ও সঠিক ব্যবহার আপনাকে শারীরিকভাবে সুস্থ রাখবে এবং খাবারের স্বাদকে আরও উপভোগ্য করে তুলবে।

খাবারের পরে এক টুকরো এলাচ খেলে কী হয়, জানলে অবাক হবেন!

০

খাওয়ার পর ছোট্ট একটি এলাচ চিবানোর অভ্যাস অনেকেরই দিনের পর দিন। সাধারণ মশলার মতো দেখালেও, এই সবুজ দানাটির ইতিহাস প্রাচীন আয়ুর্বেদ থেকে শুরু করে বিশ্বের নানা রান্নাঘরে ছড়িয়ে আছে। কিন্তু এর সত্যিকারের শক্তি লুকিয়ে আছে শরীরের ভেতরে ঘটে যাওয়া নীরব পরিবর্তনে। আধুনিক গবেষণা বলছে, এলাচ শুধু স্বাদ বাড়ায় না, বরং হজম, ডিটক্স, মুখের স্বাস্থ্য এবং অপ্রয়োজনীয় মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলে।
ডিটক্স ও বিপাকক্রিয়ায় সহায়ক
হেলথলাইনসহ বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, এলাচে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরকে টক্সিনের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। যকৃত ও কিডনির স্বাভাবিক পরিশোধন প্রক্রিয়াকেও এগুলো সমর্থন করে। খাবারের পর এক–দুইটি এলাচ খেলে রাতারাতি ডিটক্স হবে না, তবে নিয়মিত খেলে বিপাকক্রিয়া উন্নত হয় এবং শরীরের স্বাভাবিক পরিশোধন আরও দক্ষভাবে কাজ করে।
হজমে এলাচের জাদু
এলাচের এসেনশিয়াল অয়েল ও সিনিওল এনজাইম খাদ্য ভাঙতে সাহায্য করে। ফলে পেট ভার, অম্বল বা গ্যাসের সমস্যা অনেকটাই কমে যায়। ভারী বা তেলযুক্ত খাবারের পর এলাচ পাকস্থলীর পেশি শিথিল করেও আরাম দেয়।
মুখের দুর্গন্ধ দূর করে
শতাব্দী ধরে এলাচ মুখের দুর্গন্ধ দূর করার জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এর সুগন্ধি তেল মুখের ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে এবং লালা নিঃসরণ বাড়িয়ে খাবারের কণা পরিষ্কার রাখে। রসুন-পিঁয়াজ বা মশলাদার খাবারের পর এলাচ চিবানো তাৎক্ষণিক সতেজতা দেয়।
মিষ্টির লোভ কমাতে সহায়ক
এলাচ মিষ্টি খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা কমাতেও সাহায্য করতে পারে। এর প্রাকৃতিক মিষ্টি সুবাস মস্তিষ্কে প্রশান্তি আনে, যা অকারণে মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করে। ‘ইমোশনাল ইটিং’ কমানোর ক্ষেত্রে এর প্রভাব বিশেষভাবে কার্যকর বলে মেডিক্যাল নিউজ টুডে উল্লেখ করেছে।
দৈনন্দিন অভ্যাসে সহজ সংযোজন
প্রতিদিন শুধু দুইটি গোটা এলাচই যথেষ্ট। স্বাদ, সুবাস আর স্বাস্থ্যগুণের সমন্বয়ে ছোট্ট একটি এলাচ অনেক বড় সুবিধা দিতে পারে।
সংক্ষেপে, এলাচ শুধুই রান্নার মশলা নয়; এটি প্রাচীন জ্ঞানে ভরপুর একটি প্রাকৃতিক হিলার। খাবারের পর এক টুকরো এলাচ চিবানো আজ বৈজ্ঞানিকভাবে আরও সমর্থিত। যারা সহজ, নিরাপদ ও প্রাকৃতিক উপায়ে হজম, মুখের স্বাস্থ্য বা দৈনন্দিন ছোট সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতে চান, তাদের জন্য এলাচ হতে পারে নিখুঁত সঙ্গী।

এবার কেন গম্ভীরকে সোশ্যাল মিডিয়া এড়ানোর পরামর্শ দিলেন রাহানে!

০

ভারতের সাবেক টেস্ট অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানের মতে, ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) কংগ্রেস সংসদ সদস্য শশী থারুরের সঙ্গে গম্ভীরের কথোপকথনের পরিপ্রেক্ষিতেই এমন মন্তব্য করেন তিনি।

ক্রিকবাজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাহানে বলেন, “এই মুহূর্তে গম্ভীরের উচিত সোশ্যাল মিডিয়া এড়িয়ে চলা। মানুষ কী বলছে বা লিখছে, সেদিকে মন না দিয়ে সামনে থাকা বড় টুর্নামেন্টে পুরো মনোযোগ দেওয়াই সবচেয়ে জরুরি।” তিনি আরও বলেন, ভারতের কোচ হওয়া মানে বিশাল দায়িত্ব; আর নিজের খেলোয়াড়ি জীবনে তিনিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকতেই পছন্দ করতেন।

রাহানের মতে, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এখন দলের প্রস্তুতি ও মানসিক স্থিরতা ধরে রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

এর আগে নাগপুরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ চলাকালে গম্ভীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন শশী থারুর। পরে থারুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গম্ভীরের নেতৃত্বগুণ ও মানসিক দৃঢ়তার প্রশংসা করে একটি পোস্ট দেন। সেই পোস্টের জবাবে গম্ভীর কিছুটা ব্যঙ্গ করেই কোচ হিসেবে তাঁর ‘অসীম ক্ষমতা’ নিয়ে চলা আলোচনা ও সমালোচনার প্রতি ইঙ্গিত করেন।

এদিকে গম্ভীরের সঙ্গে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির সম্পর্ক নিয়ে নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। টেস্ট ক্রিকেট থেকে তাঁদের অবসরের পর থেকেই নাকি মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে—এমন খবরও প্রকাশিত হয়েছে। অতীতে আইপিএলে গম্ভীর ও কোহলির মধ্যে বাকবিতণ্ডার ঘটনা এই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে।

তবে ভারতের ব্যাটিং কোচ সিতাংশু কোটাক এসব গুজব উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, রোহিত ও কোহলি নিয়মিতভাবেই গম্ভীরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। ওয়ানডে দল, ম্যাচ পরিকল্পনা এবং ২০২৭ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়ে তাঁদের মধ্যে নিয়মিত আলোচনা চলছে বলেও জানান কোটাক।

জিও নিউজের প্রতিবেদন: বিশ্বকাপে ‘না খেলার’ কথা ভাবছে পাকিস্তান

০

বাংলাদেশকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ-২০২৬ থেকে বাদ দেওয়ার পর পাকিস্তানও এই টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।

জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে পাকিস্তান। আইসিসির এমন সিদ্ধান্তকে ‘বৈষম্যমূলক ও অন্যায়’ হিসেবে দেখছে ইসলামাবাদ, যার ফলে বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে দেশটি।

সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মোহসিন নাকভির বৈঠকের পরেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রাথমিক ইঙ্গিত বলছে, সরকার হয়তো পাকিস্তানকে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে দেবে না।

এক সরকারি কর্মকর্তা বলেছেন, “এটি শুধু ক্রিকেটের ব্যাপার নয়, এটি নীতির ব্যাপার। বাংলাদেশ তার বৈধ অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে এবং আইসিসির পক্ষপাতিত্ব পাকিস্তানকে অংশগ্রহণ নিয়ে পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করছে।”

পাকিস্তান মনে করছে, আন্তর্জাতিক ক্রীড়া কোনো একক দেশের ইচ্ছার দ্বারা নির্ধারিত হওয়া উচিত নয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, “একদিকে ভারত নিজস্ব ইচ্ছায় ভেন্যু পরিবর্তন করতে পারে, অন্যদিকে নিরাপত্তার কারণে বাংলাদেশকে একই সুবিধা দেওয়া হয়নি। যদি আইসিসি সত্যিই ক্রিকেটকে বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারিত করতে চায়, তাহলে এমন বৈষম্যমূলক নীতি বন্ধ করতে হবে।”

মোহসিন নাকভি ইতিমধ্যেই আইসিসির সিদ্ধান্তের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন, বাংলাদেশকে স্কটল্যান্ডের সঙ্গে প্রতিস্থাপন করা ন্যায়বিচারের মূলমন্ত্রকে চ্যালেঞ্জ করছে। তিনি নিশ্চিত করেছেন, পিসিবি এ ক্ষেত্রে সরকারের নির্দেশনা মেনে চলবে।

পাকিস্তানের ক্রিকেটাররাও এই অবস্থানকে সমর্থন করেছেন। লাহোরে এক বৈঠকে খেলোয়াড়রা একমত হয়েছেন যে, অংশগ্রহণ বা প্রত্যাহার সম্পূর্ণভাবে সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

রাশিয়ায় দেখা গেল ‘দুটি সূর্য’, অবাক স্থানীয় বাসিন্দারা

সম্প্রতি রাশিয়ার আকাশে একসঙ্গে ‘দুটি সূর্য’ দেখা যাওয়ায় চরম বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে। অদ্ভুত এই দৃশ্য দেখে হতবাক হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। অনেকেই মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। যা দ্রুতই ভাইরাল হয়ে যায়।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এটি কোনো অতিপ্রাকৃত ঘটনা নয়, বরং একটি বিরল প্রাকৃতিক আলোক-প্রভাব। এ ঘটনাকে বলা হয় ‘সান ডগ’।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সান ডগ একটি বায়ুমণ্ডলীয় অপটিক্যাল ইফেক্ট। একে কখনও কখনও ‘মক সান’ বা ‘পারহেলিয়া’ নামেও ডাকা হয়। সাধারণত সূর্যের বাম বা ডান পাশে কখনও আবার উভয় পাশেই উজ্জ্বল আলোর প্যাচ হিসেবে এটি দেখা যায়। যা দূর থেকে আলাদা সূর্যের মতো মনে হয়।

‘পারহেলিয়া’ শব্দটি গ্রিক ভাষা থেকে এসেছে, যার অর্থ ‘সূর্যের সঙ্গে’। নামটি এই বিভ্রমের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে জানান বিজ্ঞানীরা।

তাদের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ওই অঞ্চলে তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় বায়ুমণ্ডলে সূক্ষ্ম বরফের স্ফটিক তৈরি হয়। এসব বরফের স্ফটিক সূর্যের আলোকে প্রতিফলিত ও প্রতিসরিত করে একাধিক সূর্যের মতো দৃশ্য তৈরি করে। বাস্তবে আকাশে সূর্য ছিল মাত্র একটিই।

রাশিয়ার জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবা জানিয়েছে, সান ডগ আলোক প্রভাবের একটি বৃহৎ পরিবারের অংশ। এই পরিবারের মধ্যে সূর্যের প্রভা ও চাঁদের প্রভা (লুনার হ্যালো)–এর মতো ঘটনাও অন্তর্ভুক্ত। বায়ুমণ্ডলের উঁচু স্তরে থাকা বরফের স্ফটিকের সঙ্গে সূর্যের আলোর মিথস্ক্রিয়ার ফলেই এ ধরনের দৃশ্য দেখা যায়।

বিরল হলেও, শীতপ্রধান অঞ্চলে এমন ঘটনা মাঝে মাঝে ঘটতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।