Home Blog Page 236

এক মাস আদা খেলে আপনার শরীরে ঘটে যে অবিশ্বাস্য পরিবর্তন!

০

রান্নাঘরের এক কোণে থাকা এই সাধারণ মসলাটিকেই আমরা অনেক সময় অবহেলা করি। অথচ আধুনিক গবেষণা বলছে, প্রতিদিন মাত্র অল্প পরিমাণ আদা নিয়ম করে খেলে এক মাসের মধ্যেই শরীরের ভেতরে শুরু হয় একের পর এক ইতিবাচক পরিবর্তন। হজম থেকে শুরু করে রোগপ্রতিরোধ, এমনকি মানসিক কর্মক্ষমতাও বদলে যেতে পারে এই একটি প্রাকৃতিক উপাদানে।

রান্নার স্বাদ নয়, আদার আসল শক্তি শরীরের ভেতরে
আদা শুধু ঝাঁঝালো স্বাদের জন্য পরিচিত নয়। এতে থাকা জিঞ্জেরল, শোগাওল ও জিঞ্জিবারিনের মতো বায়োঅ্যাকটিভ যৌগ শরীরের প্রদাহ কমাতে, ব্যথা উপশম করতে এবং কোষের ক্ষতি রোধে কাজ করে। পাশাপাশি রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান, যা শরীরকে ভেতর থেকে সুরক্ষা দেয়। প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদ ও প্রাকৃতিক চিকিৎসায় আদার ব্যবহার তার কার্যকারিতারই প্রমাণ।

এক মাস নিয়মিত আদা খেলে যে পরিবর্তনগুলো টের পাবেন
প্রথম পরিবর্তনটি দেখা যায় হজমে। আদা পাকস্থলীর কার্যকারিতা বাড়ায়, গ্যাস ও বদহজমের সমস্যা কমায়। বমিভাব বা পেট ভারী লাগার প্রবণতাও অনেকটাই হ্রাস পায়।
দ্বিতীয়ত, শরীরের প্রদাহ ও জোড়ার ব্যথা কমতে শুরু করে। যারা দীর্ঘদিন হাঁটু বা পিঠের ব্যথায় ভুগছেন, তাদের ক্ষেত্রে আদা ধীরে ধীরে আরাম দিতে পারে।
তৃতীয়ত, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা রাখে আদা। টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতেও এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
চতুর্থত, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয়। সর্দি, কাশি বা মৌসুমি সংক্রমণ থেকে দ্রুত সেরে ওঠার অভিজ্ঞতা জানান অনেকেই।
সবচেয়ে চমকপ্রদ পরিবর্তন আসে মানসিক কর্মক্ষমতায়। নিয়মিত আদা খেলে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ বাড়ে, ফলে মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি উন্নত হতে পারে।

হৃদ্‌যন্ত্র ও সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্য বাড়তি সুরক্ষা

গবেষণায় দেখা গেছে, আদা কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং হৃদ্‌যন্ত্রের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমায়। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি কোষের বয়সজনিত ক্ষয় ধীর করতে পারে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ঘরের সাধারণ এই মসলাটি এক মাস নিয়মিত খেলে শরীর ও মনের ওপর যে প্রভাব পড়ে, তা সত্যিই অবাক করার মতো। তবে অতিরিক্ত নয় পরিমিত পরিমাণেই আদা গ্রহণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ ও উপকারী। বিশেষ করে যাদের আলসার, রক্তপাতজনিত সমস্যা বা বিশেষ শারীরিক অবস্থা রয়েছে, তাদের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সচেতন ব্যবহারে আদা হতে পারে সুস্থ জীবনের এক সহজ কিন্তু শক্তিশালী সহচর।

২০২৬ সালে শুরু করুন এই ৭টি ছোট ব্যবসা, আয় করতে পারেন সহজে

০

২০২৬ সালের নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য উদ্যোক্তাবিষয়ক জনপ্রিয় ম্যাগাজিন Entrepreneur সম্ভাবনাময় কিছু ক্ষুদ্র ব্যবসার তালিকা প্রকাশ করেছে। বড় পুঁজি ছাড়াই এগুলো শুরু করা সম্ভব, আর মুনাফার সুযোগও যথেষ্ট। চলুন দেখে নিই, ২০২৬ সালে কোন খাতে ছোট ব্যবসা শুরু করলে সহজেই আয় করা যায়।
১. ল্যান্ডস্কেপিং ও লন কেয়ার
বিশ্বজুড়ে লন কেয়ার ও ল্যান্ডস্কেপিং ব্যবসার বাজার প্রতি বছর কয়েকশো বিলিয়ন ডলার। বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৮ সালে বাজার দাঁড়াবে ৩৩৬ বিলিয়ন ডলারে। শুধু গাছপালা নয়, দেয়াল সংস্কার, কৃত্রিম ঘাস বসানো, বেড়া স্থাপন এসব দিয়ে ব্যবসা বাড়ানো সম্ভব। Inc. ম্যাগাজিন জানায়, একটি ল্যান্ডস্কেপিং কোম্পানি তার বার্ষিক মুনাফার তিন থেকে ছয় গুণ দামে বিক্রি হতে পারে।
২. গ্রাফিক ডিজাইন
Photoshop, Canva বা Illustrator-এ দক্ষ হলে নিজস্ব গ্রাফিক ডিজাইন এজেন্সি শুরু করা লাভজনক উদ্যোগ হতে পারে। কোম্পানির নিউজলেটার, বিজ্ঞাপন, ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট তৈরিতে সহায়তা করে আয় করা যায়। প্রিন্ট শপ বা কনটেন্ট ক্রিয়েটরের সঙ্গে সমন্বয় করলে ব্যবসার সুযোগ আরও বাড়ানো সম্ভব।
৩. গৃহস্থালির যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি মেরামত
যাদের প্রযুক্তিতে দক্ষতা আছে, তারা ফ্রিজ, ওভেন, ল্যাপটপ বা স্মার্টফোনের মেরামত ব্যবসা শুরু করতে পারেন। স্থানীয় ইলেকট্রনিক্স দোকানের সঙ্গে চুক্তি করে ওয়ারেন্টি সার্ভিস দেওয়ার সুযোগও রয়েছে। পুরনো ডিভাইস কিনে মেরামত করে বিক্রি করাও লাভজনক।
৪. নোটারি সেবা
নোটারি হলেন লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তি, যারা চুক্তিপত্র, দলিল বা শপথনামায় স্বাক্ষর নিশ্চিত করেন। যদিও এটি তুলনামূলক পুরনো পেশা, তবুও বন্ধক, সম্পত্তি হস্তান্তর বা আইনি কাজে নোটারির চাহিদা থাকে। ঋণ চুক্তির নোটারাইজেশন থেকে ভালো আয় সম্ভব।
৫. পশুপালন ও পোষা প্রাণীর যত্ন
পোষা প্রাণীর সংখ্যা বাড়ছে। পেট-সিটার, ডগ ওয়াকার বা গ্রুমার হিসেবে শুরু করা যেতে পারে। বিশেষ প্রশিক্ষণ বা লাইসেন্স প্রয়োজন হয় না, খরচও কম। যারা প্রাণী ভালোবাসেন, তাদের জন্য এটি উপযুক্ত।
৬. ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট
বিয়ে, জন্মদিন বা কর্পোরেট আয়োজন সবকিছুতে বড় চাহিদা রয়েছে। পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনায় দক্ষরা এই খাতে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। হোটেল বুকিং, ফ্লাইট টিকিট, দৈনিক রুটিন বা বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করাও আয় বৃদ্ধি করতে পারে।
৭. কোচিং, ট্রেনিং ও পরামর্শসেবা
আপনার বিশেষ দক্ষতা থাকলে তা দিয়ে অন্যদের শেখানো সম্ভব। উদ্যোক্তাদের পরামর্শদাতা, খেলাধুলা বা টেকনিক্যাল প্রশিক্ষক, লাইফ বা মোটিভেশনাল কোচ সবকিছুই লাভজনক। শিক্ষার্থীদের টিউটরিং করেও আয় করা যায়।
২০২৬ সাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুযোগের বছর হতে পারে। বড় প্রতিষ্ঠান নয়, ক্ষুদ্র পরিসরে শুরু করেও গড়ে তোলা সম্ভব লাভজনক ভবিষ্যৎ। শুরু করুন আজই যেখানেই আপনি আছেন, সেখান থেকেই নিজের উদ্যোগে পথচলা শুরু করুন।

ধনী হওয়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে যায় কেন? মধ্যবিত্তদের অর্থনৈতিক উন্নতি আটকে রাখা সেই ৫ ভয়ংকর অর্থনৈতিক ফাঁদ

০

ভালো চাকরি, নিয়মিত আয়, সময়মতো ঋণের কিস্তি সবকিছু ঠিকঠাক থাকার পরও কেন বহু মধ্যবিত্ত পরিবার বছরের পর বছর একই আর্থিক বৃত্তে ঘুরপাক খায়? কেন বাড়ে না প্রকৃত সম্পদ, কেন ধনী হওয়ার স্বপ্নটা কেবল স্বপ্নই থেকে যায়? অর্থনীতিবিদদের মতে, এর পেছনে কাজ করে কিছু নীরব কিন্তু ভয়ংকর আর্থিক ফাঁদ, যা বুঝে ওঠার আগেই ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে আটকে দেয়।
দেখনদারির খরচে সম্পদের মৃত্যু
আয় বাড়লেই জীবনযাত্রার মান হঠাৎ লাফিয়ে বাড়ানো মধ্যবিত্তদের সবচেয়ে বড় ভুলগুলোর একটি। নতুন গাড়ি, বড় বাসা কিংবা দামি গ্যাজেট সামাজিক মর্যাদার প্রতীক হয়ে ওঠে। কিন্তু এই তথাকথিত ‘লাইফস্টাইল আপগ্রেড’ ধীরে ধীরে গ্রাস করে সঞ্চয় ও বিনিয়োগের সক্ষমতা। ফলাফল, মাস শেষে হাতে কিছুই থাকে না থাকে শুধু বিল আর দায়।
একটি আয়ের ওপর অন্ধ নির্ভরতা
একটি চাকরি মানেই নিরাপত্তা এই ধারণা এখন আর বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। চাকরি হারানো, বাজার মন্দা বা স্বাস্থ্যঝুঁকি এক মুহূর্তেই আয় থামিয়ে দিতে পারে। যাঁরা আর্থিকভাবে এগিয়েছেন, তাঁদের বেশিরভাগেরই একাধিক আয়ের উৎস রয়েছে। সাইড ইনকাম শুরুতে ছোট হলেও সময়ের সঙ্গে সেটিই হয়ে উঠতে পারে মূল ভরসা।
বিনিয়োগভীতি ও সুযোগ হারানো
অনিশ্চয়তার ভয় দেখিয়ে বহু মধ্যবিত্তকে বিনিয়োগ থেকে দূরে রাখে। ফলে টাকা পড়ে থাকে সঞ্চয় হিসাবে বা স্বল্প মুনাফার স্কিমে, যেখানে মুদ্রাস্ফীতি নীরবে তার মূল্য কমিয়ে দেয়। বাস্তবতা হলো ঝুঁকি না নিলে বড় লাভও আসে না। সঠিক জ্ঞান ও পরিকল্পনা ছাড়া বিনিয়োগ নয় ঠিকই, কিন্তু ভয় পেয়ে পুরোপুরি দূরে থাকাও সমান ক্ষতিকর।
ভোক্তা ঋণের ফাঁদে আটকে যাওয়া
ক্রেডিট কার্ড বা উচ্চ সুদের ভোক্তা ঋণ তাৎক্ষণিক স্বস্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদে তা আর্থিক স্বাধীনতার সবচেয়ে বড় শত্রু। সুদের চাপ সঞ্চয় ও বিনিয়োগের সব পথ বন্ধ করে দেয়। ঋণ নিতেই হলে সেটি হওয়া উচিত এমন খাতে, যেখানে ভবিষ্যতে মূল্য বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং ফেরত দেওয়ার স্পষ্ট পরিকল্পনা থাকতে হবে।
দক্ষতা উন্নয়নে অনীহা
দ্রুত বদলে যাওয়া অর্থনীতিতে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকাই সবচেয়ে বড় ঝুঁকি। বহু মানুষ বছরের পর বছর একই দক্ষতা নিয়ে কাজ করে যান, অথচ বাজার চায় নতুন স্কিল। ডিজিটাল মার্কেটিং, ডেটা অ্যানালিটিক্স, কোডিং বা ফ্রিল্যান্সিং এ ধরনের দক্ষতা আয় বাড়ানোর বড় হাতিয়ার হয়ে উঠছে। নিজেকে আপডেট না করলে ক্যারিয়ারও থেমে যায়।
এই পাঁচটি ফাঁদ আলাদা করে খুব ভয়ংকর মনে নাও হতে পারে, কিন্তু একসঙ্গে এগুলোই মধ্যবিত্তদের ধনী হওয়ার পথ রুদ্ধ করে দেয়। ধনী হওয়া মানে শুধু আয় বাড়ানো নয়; বরং প্রতিদিনের সিদ্ধান্তে ভবিষ্যৎকে অগ্রাধিকার দেওয়া। আজ একটি অপ্রয়োজনীয় খরচ কমানো, নতুন একটি দক্ষতা শেখা কিংবা বিনিয়োগ পরিকল্পনা শুরু করাই হতে পারে আগামীর বড় সাফল্যের ভিত্তি। কারণ প্রকৃত সম্পদ গড়ে ওঠে সাহসী সিদ্ধান্ত আর দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গির মধ্য দিয়েই।

র‍্যাবের অভিযানে অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধার, গ্রেফতার ১

০

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার কায়স্তরাইল এলাকা থেকে অপহৃত ৮ম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করেছে র‍্যাব। এসময় অপহরনকারীকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার হওয়া স্কুলছাত্র্রী খুলনার খানজাহান আলী থানাধীন একটি স্কুলের ছাত্রী।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে র‍্যাবের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়।

গ্রেফতারকৃত সোহাগ মিয়া (২৯) সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক থানাধীন ছনখাইর এলাকার নূর ইসলামের ছেলে।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে র‍্যাব এসব তথ্য নিশ্চিত করে।

র‍্যাব জানায়, গত ১ জানুয়ারি ভিকটিম স্কুলের যাওয়ার পর সে আর বাড়ি ফিরেনি। অনেক খোঁজাখুজির পর ভিকটিমের পরিবার জানতে পারে অজ্ঞতনামা ৩/৪ জন যুবক তাকে খানজাহান আলী থানাধীন ফুলবাড়ীগেইট বাস স্ট্যান্ড থেকে জোরপূর্বক সিএনজি অটোরিকশা করে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী খুলনার খানজাহান আলী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা দায়ের করেন।

পাওনা টাকা চাওয়ায় যুবককে কুপিয়ে জখম, বাবা মাকেও মারধরের অভিযোগ

০

পটুয়াখালীর বাউফলে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে হাসান মৃধা (২০) নামে এক যুবককে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাকে বাঁচাতে গেলে তার বাবা–মাকেও মারধর করে আহত করা হয়।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার সূর্যমণি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শানেশ্বর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ধান কাটার মজুরি বাবদ বাচ্চু হাওলাদারের কাছে এক হাজার টাকা পাওনা চাইতে যান হাসান মৃধা।

এ নিয়ে বাচ্চু হাওলাদার ও হাসানের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বাচ্চু হাওলাদার ও তার ভাই মনির হাসানকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন ।

এ সময় হাসানের বাবা সোহাগ মৃধা ও মা ফাতেমা বেগম বাধা দিলে তাদেরও পিটিয়ে আহত করা হয়।

পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তারা বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন।

বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নুরজাহান বেগম জানান, রাত ৯টার দিকে তিনজন আহত অবস্থায় হাসপাতালে আসেন। হাসানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মনির বলেন, হাসানের সঙ্গে লেনদেনের বিষয়টি ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। হাসান একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি। আমার বড় ভাইয়ের কাছে টাকা চাইলে তিনি দিতে অস্বীকার করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে হাসান গালিগালাজ শুরু করলে তাকে মারধর করা হয়।

বাউফল থানার ওসি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বিষয়টি এখনো কেউ আমাকে জানায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রাজধানীর তিন স্থানে শিক্ষার্থীদের অবরোধ

০

প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা ফের রাজধানীর তিন স্থান অবরোধ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে তারা অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন। এসময় শিক্ষার্থীরা সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর আন্দোলনের ব্যানারে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড়, টেকনিক্যাল মোড় ও তাঁতীবাজার মোড়ে অবরোধ করেন।

এর আগে, বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অধ্যাদেশ অনুমোদন ও প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচির ডাক দিয়ে এদিন অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করেন তারা। শিক্ষার্থীরা জানান বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) থেকে লাগাতার কর্মসূচি চলবে।

উল্লেখ্য, বুধবার একই দাবিতে রাজধানীর এই গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে দীর্ঘ সময় অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা।  এছাড়া তিতুমীর কলেজের কিছু শিক্ষার্থী মহাখালী এলাকায় স্বল্প সময়ের জন্য সড়ক অবরোধ করেছিলেন।

নেতাকর্মীদের প্রতি জামায়াত আমিরের জরুরি নির্দেশনা!

০

আসন ভাগাভাগি নিয়ে টানাপোড়েনের জেরে ১১ দলীয় জোট থেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বেরিয়ে যাওয়ার খবরের মধ্যেই এক বিশেষ সতর্কবার্তা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি ভ্রাতৃপ্রতিম ইসলামী আন্দোলনের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য বা লেখালেখি না করার কঠোর আহ্বান জানান।

জামায়াত আমির তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন যে, সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি জামায়াতের প্রতি সহানুভূতি দেখাতে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ব্যাপারে অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিভ্রান্তিমূলক মন্তব্য করছেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, যারা সত্যিকার অর্থে জামায়াতে ইসলামীকে ভালোবাসেন, তারা যেন এ ধরনের বিতর্কিত কাজ থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকেন। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় রাখার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

এদিকে গত এক সপ্তাহ ধরে চলা দফায় দফায় বৈঠক ব্যর্থ হওয়ায় জোট ছাড়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। তাদের দাবি ছিল কমপক্ষে ৮০টি আসন, যা জামায়াতের পক্ষে পূরণ করা সম্ভব হয়নি। মাওলানা মামুনুল হক মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে ১১ দলীয় জোট এখন ১০ দলীয় জোটে পরিণত হতে যাচ্ছে। ইসলামী আন্দোলন বেরিয়ে গেলেও মাওলানা মামুনুল হকের খেলাফত মজলিসসহ অন্য ৯টি শরিক দল জামায়াতের সাথে ঐক্যবদ্ধ থাকার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম জানিয়েছেন, জোটের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আজ দুপুরের মধ্যে শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসবেন। ইসলামী আন্দোলন বেরিয়ে যাওয়ায় বেশ কিছু আসনে নতুন করে প্রার্থী বিন্যাস করা হতে পারে। তবে অন্য শরিকরা ঐক্যবদ্ধ থাকায় নির্বাচনে এর বড় কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে মনে করছেন জোটের নেতারা। আজ বিকেলেই স্থগিত হওয়া সেই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জোটের চূড়ান্ত রূপরেখা ঘোষণা করার কথা রয়েছে।

সাত দিনে নৌ পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল ও মাছ জব্দ, গ্রেপ্তার ২৫৪

০

দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌ পুলিশের চলমান অভিযানে গত সাত দিনে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ঘোষিত অবৈধ জাল, মাছ ও জেলীযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এসব অভিযানে ২৫৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নৌ পুলিশ সূত্র জানায়, গত সাত দিনব্যাপী দেশব্যাপী পরিচালিত অভিযানে মোট ৩ কোটি ৮ লাখ ৫৯ হাজার ৩৯৫ মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়। এ ছাড়া উদ্ধার করা হয়েছে ৩ হাজার ৫৭৪ কেজি মাছ, ২০ কেজি কাঁকড়া ও ৮০ কেজি জেলীযুক্ত চিংড়ি। অভিযানের সময় নদী থেকে ২৬০টি ঝোপঝাড় ধ্বংস করা হয়।

নৌ পুলিশের অভিযানে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ৮৯টি বাল্কহেডের বিরুদ্ধে নৌ আদালতে প্রসিকিউশন দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি দুটি ড্রেজার জব্দ করা হয়।

সাত দিনব্যাপী এই অভিযানে বিভিন্ন অভিযোগে মোট ৭০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৫৩টি মৎস্য আইন, ১১টি বেপরোয়া গতি আইন, একটি অপমৃত্যু, একটি বালুমহাল, একটি অপহরণ, দুটি মাদক এবং একটি হত্যা মামলা। একই সময়ে চারটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

নৌ পুলিশ আরও জানায়, জব্দকৃত অবৈধ জাল ও জেলীযুক্ত চিংড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত কাঁকড়া পানিতে অবমুক্ত করা হয় এবং অবশিষ্ট মাছ বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।

হত্যার বিচার কি আদৌ হবে, প্রশ্ন ওসমান হাদির স্ত্রীর

০

শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যার বিচার চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন তার স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম সম্পা। সেখানে প্রশ্ন তুলেছেন, কেন ইনকিলাব মঞ্চ কোনো প্রোগ্রামের ডাক দিচ্ছে না।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি এক দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন।

ওসমান হাদিকে নিয়ে দেওয়া রাবেয়া ইসলাম সম্পার পোস্ট হুবহু তুলে ধরা হলো-

‌‘ওসমান হাদির হত্যার বিচার কি আদৌ হবে! ইনকিলাব মঞ্চ কোনো প্রোগ্রামের ডাক কেন দিচ্ছে না!

প্রথমত, বিচার হবে না এই শব্দটাকেই মাথায় আনা যাবে না। বিচার হতেই হবে সেটা যে কোনো মূল্যে। বিচার আদায় না হলে ওসমান হাদিরা, বিপ্লবী বীরেরা এদেশে আর জন্মাবে না।

তবে এত দেরি বা সময় কেনো লাগছে?

ওসমান হাদি একটা অনুষ্ঠানে তার বক্তব্যে রবীন্দ্রনাথের দুটি লাইন বলেছিলেন, সহজ করে বলতে আমায় কহ যে, সহজ কথা যায় না বলা সহজে।

তাই যুক্তি, তর্ক, ব্যাখ্যা কিছুই টানছি না শুধু এতটুকুই বলা আপনি বা আপনারাও জানেন কেন সব সহজে হচ্ছে না! জাস্ট মনে রাখবেন ওসমান হাদি বলে গিয়েছেন- আমাদের লড়াই অনেক দীর্ঘ। মুমিনের জীবন মানেই লড়াই সংগ্রাম। তাই সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে।

ইনকিলাব মঞ্চ নিয়ে শহিদ ওসমান হাদির নিজের বলা কয়েকটা কথা আপনাদের জানাতে ইচ্ছে হলো-  আমার প্রথম সন্তান ইনকিলাব মঞ্চ, দ্বিতীয় সন্তান ফিরনাস। পোলাপান গুলারে বেতন দেই না, ঠিকভাবে খাবারও খেতে পারে না কাজের জন্য। নিঃস্বার্থ ভাবে আমার সঙ্গে লেগে থাকে। ওদের ভবিষ্যতের চিন্তাও ওদের নাই। আমার তো ওদের ভবিষ্যৎ গড়ে দিতে হবে ডিয়ার।

আপনারা যারা ওসমান হাদিরে শুধু তার কথা শুনে, ভিডিও দেখে তাকে এত ভালোবাসেন, দোয়া করেন, কান্না করেন। তাহলে ভাবেন, ওসমান হাদির এই ভাই-বোন গুলোর মনের অবস্থা কি এখন!

যাদের কাছে ভাই ছিল ২৪ ঘণ্টা ছায়ার মত তারা কোন অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে !

ওসমান হাদি এখন বেঁচে থাকলে হয়তো বলতো আমারে বলেন ঠিক আছে, কিন্তু আমার ইনকিলাব মঞ্চের ভাই-বোন গুলোরে নিয়ে কথা বলবেন না। তাহলে আমি সহ্য করব না।

দাসত্বই যে জমিনের নিশ্চল নিয়তি, লড়াই-ই সেখানে সর্বোত্তম ইবাদত—শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি’

গ্যাস বিল নিয়ে তিতাসের নতুন নির্দেশনা

০

গ্যাস বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে প্রতারক চক্র থেকে গ্রাহকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি। বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।

সম্প্রতি কিছু প্রতারক চক্র নিজেদেরকে ‘তিতাস গ্যাস টি অ্যান্ড ডি পিএলসি’র কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিয়ে গ্রাহকদের মোবাইল ফোনে কল করছে।

তারা  গ্রাহকদেরকে ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে বকেয়া গ্যাস বিল পরিশোধ করার জন্য চাপ ও হুমকি দিচ্ছে।

তিতাস গ্যাসের পক্ষ থেকে গ্রাহকদেরকে অনুরোধ করা যাচ্ছে যে, শুধু কোম্পানির নির্ধারিত ব্যাংকে এবং অনলাইন ‘মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস’ অ্যাপের মাধ্যমে (বিকাশ, রকেট, উপায় ও ট্যাপ) গ্যাস বিল পরিশোধ করুন। কারও ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে গ্যাস বিল পরিশোধ করবেন না।

প্রতারক চক্র থেকে রক্ষা পেতে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়ে তিতাস আরও জানায়, প্রয়োজনে তিতাস গ্যাসের সংশ্লিষ্ট রাজস্ব অফিসে উপস্থিত হয়ে অথবা টেলিফোনে যোগাযোগ করে পরামর্শ ও সেবা গ্রহণ করুন।